
আর্মেনিয়া
Featured Image: Wikimedia Commons.

পূর্বসাল
পূর্বসাল ৬৫০০-৬০১ সাল প্রাচীন নিকট প্রাচ্য – সময়রেখা।
সাল
৬৩২-১২৫৮ আরব-ইসলামী সাম্রাজ্য – সময়রেখা।
৭৮৯ আর্মেনিয়ার রাজধানী হিসেবে দভিনকে প্রতিস্থাপিত করল পারতাভ।
৮৬২ সিরাকাওয়ান পরিষদ, খ্রিস্টবিদ্যা-বিষয়ক ইস্যু নিয়ে আরমানি ও বাইজেন্টাইন অর্থোডক্স গির্জাদের মধ্যে আলোচনা। উদ্দেশ্য পুনরেকত্রীকরণ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি।
৮৯২ এক প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্পে দভিন শহরের বড় অংশ ধ্বংস হয়ে গেল।
৯৪০-১০২০ আরমানি স্থপতি ত্রদাতের জীবনকাল।
৯৬১ আনিকে আর্মেনিয়ার রাজধানী করা হল।
৯৯৪ আয়া সোফিয়ার গম্বুজ পুনর্নির্মাণ করলেন স্থপতি ত্রদাত।
১০০১-০৬ স্থপতি ত্রদাত কর্তৃক আনি ক্যাথেড্রালের নির্মাণকাজ সম্পন্ন।
১০২১-২২ আর্মেনিয়া ও জর্জিয়ায় বিজয়লাভ করলেন বাইজেন্টাইন সম্রাট দ্বিতীয় বাসিল।
১১২৪ আনি শহরের আরমানি বাসিন্দাদের নিমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে শহরটি দখল করে নিল জর্জিয়া।
১১৩৭ আর্মেনিয়ার রুবেনীয়দের ওপর আধিপত্য বিস্তার করলেন বাইজেন্টাইন সম্রাট জন প্রথম কমনেসোস, দখল করলেন রাজধানী আনাজারবোস।
১২০৬ তামারের নেতৃত্বাধীন জর্জীয় বাহিনীগুলো আরমানি শহর এরজুরুম ও কার্স দখল করল।
১২৩৬ মঙ্গোল আক্রমণে ধবংস হয়ে গেল আর্মেনিয়ার সাবেক রাজধানী দভিন।
১২৯৯-১৯২২ ওসমানি সুলতানশাহি – সময়রেখা।
১৮৯৪-১৯২৪ ৩০ বছর ধরে প্রথমে ওসমানি সুলতানশাহি, তারপর তরুণ তুর্কি, ও শেষে সেক্যুলার প্রজাতন্ত্রীরা তুরস্কের সংখ্যালঘু অ্যাসিরীয়, আরমানি, ও গ্রিক খ্রিস্টানদের ওপর এক ভয়াবহ ও পদ্ধতিগত গণহত্যা চালায়। আরমানি গণহত্যা কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না। এটা ছিল এই বৃহত্তর গণহত্যার একটি অংশ। (Morris & Ze’evi 2019)
১৯১৪-১৮ World War I – Wikipedia।
১৯১৫-১৭ আরমানি গণহত্যা।
১৯১৬ ওসমানি সুলতানশাহির আরমানি অঞ্চলগুলো রুশ সেনাবাহিনীর দখলে গেল।
১৯১৭ রুশ বিপ্লব।
১৯২০ আর্মেনিয়ায় হামলা চালাল তুরস্ক আর বলশেভিক রাশিয়া। রুশ বলশেভিকদের সাথে আরমানিরা একটা সমঝোতায় পৌঁছালেন। নিজেকে একটি সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করল আর্মেনিয়া।
১৯২২-১৯৯১ সোভিয়েত ইউনিয়ন – সময়রেখা।
১৯২২ আর্মেনিয়াকে ইউএসএসআরের অন্তর্ভুক্ত করে নেয়া হল।
১৯৩৯-৪৫ World War II – Wikipedia।
১৯৮৮ উত্তর আর্মেনিয়ায় ভূমিকম্পে ২৫ হাজার মানুষের মৃত্যু।
১৯৯১ সেপ্টেম্বর এক গণভোটে ৯৪ শতাংশ ভোটার সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পক্ষে ভোট দিলেন।
১৯৯২ জাতিসংঘে যোগ দিল আর্মেনিয়া।
১৯৯১-২০২৩ আর্তসাখ প্রজাতন্ত্র।*
* এই রাষ্ট্রের উল্লেখযোগ্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ছিল না। মাত্র ৩টা রাষ্ট্র আর্তসাখ প্রজাতন্ত্রকে স্বীকৃতি দিয়েছিল, যাঁদের কেউই জাতিসংঘের সদস্য নয়: আবখাজিয়া, ট্রান্সনিস্ত্রিয়া, ও দক্ষিণ ওসেটিয়া। নাগর্নো-কারাবাখ অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের অংশ হিসেবে স্বীকৃত।
১৯৯২-৯৪ প্রথম নাগর্নো-কারাবাখ যুদ্ধ।
২০০১ জানুয়ারি কাউন্সিল অফ ইওরোপের পূর্ণ সদস্য হল আর্মেনিয়া।
২০০৭ আততায়ীদের হাত খুন হয়ে গেলেন সাংবাদিক রান্ট দিংক, যিনি একইসাথে তুরস্কের আরমানি সম্প্রদায়ের একজন নেতা ছিলেন।
২০০৭ সেপ্টেম্বর ৭ নাগর্নো-কারাবাখের de facto প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন বাহো সাহাকিয়ান।
২০০৮ প্রথম তুর্কি নেতা হিসেবে আর্মেনিয়া সফর করলেন প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ গুল।
নভেম্বর ২ নাগর্নো-কারাবাখ দ্বন্দ্বের শান্তিপূর্ণ সমাধানকল্পে রুশ প্রেসিডেন্ট মেদভেদেভ, আজারবাইজানি প্রেসিডেন্ট আলিয়েভ, এবং আরমানি প্রেসিডেন্ট সারকিশিয়ান সই করলেন মেইয়েনডর্ফ ঘোষণা।
২০০৯ সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত এক সভায় তুরস্ক সরকার ও আর্মেনিয়া সরকার দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের ব্যাপারে একমত হল।
ডিসেম্বর ১-২ এথেন্সে ওএসসিই’র মন্ত্রীপরিষদ পর্যায়ে আলোচিত হল নাগর্নো-কারাবাখ।
২০১২ জুলাই ১৯ দ্বিতীয় মেয়াদে নাগর্নো-কারাবাখের de facto প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন বাহো সাহাকিয়ান।
২০১৬ এপ্রিল নাগর্নো-কারাবাখ সংঘাতে এক ডজন মানুষের মৃত্যু হল।
ডিসেম্বর আর্মেনিয়ার সাথে আজারবাইজানের সীমান্ত সংঘাত দেখা দিলে তাতে ৪ জন আরমানি ও ১ জন আজারির মৃত্যু হয়।
২০১৮ আরমানি গণহত্যাকে স্বীকৃতি দিল নেদারল্যান্ডসের সংসদ।
২০১৯ বেনি মরিস ও দ্রোর জিই’ভি, দ্য থার্টি-ইয়ার জেনোসাইড: টার্কিজ ডেস্ট্রাকশন অফ ইটস ক্রিশ্চিয়ান মাইনরিটিজ: ১৮৯৪-১৯২৪।
২০২০ দ্বিতীয় নাগর্নো-কারাবাখ যুদ্ধ।
সেপ্টেম্বর-অক্টোবর নাগর্নো-কারাবাখ সংঘাতে ৩ হাজার আজারবাইজানি ও ৪ হাজার আরমানি সৈনিকের মৃত্যু, অঞ্চলটির একাংশ আজারবাইজানের সামরিক নিয়ন্ত্রণে এল।
২০২২ সেপ্টেম্বর আর্মেনিয়া-আজারবাইজান সীমান্ত সংঘাতে দুপক্ষের ১০০ জনের মৃত্যু।
২০২৩ সেপ্টেম্বর আজারবাইজানের অবরোধের মুখে আর্তসাখ প্রজাতন্ত্রের পতন হল।
২৫ নাগোর্নো-কারাবাখ অঞ্চলে বাকুর বিজয়ের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করতে আর্মেনিয়ার ভেতরে আজারবাইজানের ছিটমহল নাখশিভান সফর করলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেসিপ তাইয়েপ এরদোয়ান।
২৮ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিহীন আর্তসাখ প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট সাম্ভেল শাহরামানইয়ান একটি ডিক্রিতে সই করলেন। এতে বলা হল, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে উক্ত বিচ্ছিন্নতাবাদী/স্বাধীনতাকামী প্রজাতন্ত্র তার তাবৎ প্রতিষ্ঠানসহ বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
২৯ আরমানি কর্তৃপক্ষের মতে, ৯৩ হাজার জাতিগত আরমানি নাগোর্নো-কারাবাখ ছেড়ে পালিয়েছেন, যারা অঞ্চলটির মোট জাতিগত আরমানি জনসংখ্যার ৭৫%। আর্মেনিয়ায় জাতিসংঘ শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) প্রতিনিধি কবিতা বেলানি এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বললেন, তাঁরা ১ লক্ষ ২০ হাজার শরণার্থীর চাপ সামলাতে প্রস্তুত। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বললেন, ভবিষ্যতে নাগর্নো-কারাবাখে কোন শান্তিরক্ষা মিশন থাকবে কি থাকবে না, তা রাশিয়া আর আজারবাইজান মিলে ঠিক করবে। ইওরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) আজারবাইজানের প্রতি আগামী কয়েকদিনের মধ্যে একটি জাতিসংঘ মিশনকে নাগর্নো-কারাবাখ পরিদর্শন করতে দেয়ার আহবান জানাল।
২০২৪ ফেব্রুয়ারি ১ আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) সদস্য হল আর্মেনিয়া।
১৩ আজারবাইজানি সেনাদের হামলায় আর্মেনিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের গ্রাম নেরকিন হান্দের কাছে ৪ আরমানি সেনা নিহত এবং আরও অনেক আহত।
মার্চ ১২ ইওরোপিয়ান পার্লামেন্ট একটি প্রস্তাব পাস করে নিশ্চিত করল, ম্যাসট্রিখট চুক্তির অনুচ্ছেদ ৪৯য়ের শর্ত পূরণ করেছে আর্মেনিয়া, এবং দেশটি ইওরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্যপদের জন্য আবেদন করতে পারে।
১৯ আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান জানালেন, বিতর্কিত এলাকা ফিরিয়ে না দিলে যুদ্ধের সম্মুখীন মুখোমুখি হতে হবে এমন একটি আল্টিমেটাম তিনি আজারবাইজানের কাছ থেকে পেয়েছেন।
২৪ ইয়েরেভানের নর নর্ক পুলিশ প্রেসিঙ্কটে এক ব্যর্থ হামলার ঘটনায় ৩ জন গ্রেপ্তার, এ সময় হামলাকারীদের মধ্যে ২ জন আহত হন।
এপ্রিল ২৩ প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ানের পদত্যাগের দাবিতে আর্চবিশপ বাগরাত গালসতানিয়ানের নেতৃত্বে বিক্ষোভ শুরু।
মে ১৪ কোপেনহেগেন ডেমোক্রেসি সামিট ২০২৪য়ে আরমানি প্রধানমন্ত্রী পাশিনিয়ান বলেন, তিনি চান আর্মেনিয়া “এ বছরই” ইওরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য হোক।
২৪ চূড়ান্ত শান্তিচুক্তি প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বিতর্কিত সীমান্তগ্রাম বাগানিস আইরুম (বাঘানিস), আসাগি এসকিপারা (ভোসকেপার), জেইরিমলি (কিরান্তস) এবং কিজিলহাজিলির (বেরকাবের) নিয়ন্ত্রণ আজারবাইজানের হাতে তুলে দিল আর্মেনিয়া।
জুন ১০ রাজধানী ইয়েরেভানে একাধিক বড় আকারের বিক্ষোভ আয়োজিত। বিক্ষোভকারীরা প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ানের পদত্যাগ দাবি করলেন। কারণ নাগোর্নো-কারাবাখ সংঘাতের প্রেক্ষিতে আজারবাইজানকে ভূখণ্ড ছেড়ে দিয়েছে আর্মেনিয়া।
১২ প্রধানমন্ত্রী পাশিনিয়ান ঘোষণা করলেন, তাঁর সরকার কালেকটিভ সিকিউরিটি ট্রিটি অর্গানাইজেশন (সিএসটিও) থেকে আর্মেনিয়াকে প্রত্যাহার করার পরিকল্পনা করছে। ইয়েরেভানে ন্যাশনাল এসেম্বলি বিল্ডিংয়ের সামনে সরকারবিরোধী সমাবেশে পুলিশ স্টান গ্রেনেড ব্যবহার করলে এতে বহু বিক্ষোভকারী আহত হন। আর্তেমিস একর্ডসে যোগ দিল আর্মেনিয়া।
২১ আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিল আর্মেনিয়া।
জুলাই ১৫-২৪ “ঈগল পার্টনার” নামের যৌথ সামরিক মহড়া পরিচালনা করল আর্মেনিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র।
১৯ আরমানি বিমান বাহিনীর একটি ইয়াকোভলেভ ইয়াক-৫২ প্রশিক্ষণ ফ্লাইটের সময় ইয়েরেভানের কাছে বিধ্বস্ত হল, এতে ২ ক্রু নিহত হন।
২২ ১০ মিলিয়ন ইউরো সহায়তা অনুমোদনের পর আর্মেনিয়ার সশস্ত্র বাহিনী প্রথমবারের মতো ইওরোপিয়ান পীস ফ্যাসিলিটি (ইপিএফ) ব্যবহার করল। আর্মেনিয়ার সঙ্গে ভিসা উদারীকরণ আলোচনা শুরু করার জন্য ইওরোপিয়ান কমিশনের প্রস্তাব অনুমোদন করল ইওরোপিয়ান কাউন্সিল।
৩০ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের লক্ষ্যে আলোচনা পুনরায় শুরু করল তুরস্ক ও আর্মেনিয়া। কিছু পাসপোর্টধারীর জন্য ভিসা নিয়ম সহজ করার বিষয়ে একমত হল।
৩১ ইয়েরেভানের জভারনৎস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সেনা প্রত্যাহার করল রুশ বাহিনী, ফলে ১৯৯২ সাল থেকে সেখানে তাদের উপস্থিতির সমাপ্তি ঘটল।
সেপ্টেম্বর ১৮ আর্মেনিয়ার তদন্ত কমিটি জানাল, দেশটির ন্যাশনাল সিকিউরিটি সার্ভিস আরবাত ব্যাটেলিয়নের সদস্যদের একটি রুশপন্থী অভ্যুত্থান প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে।
এ বছর আর্তসাখ প্রজাতন্ত্র আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত করে দেয়া হয়।
২০২৫ মার্চ ১ আরমানি সীমান্তরক্ষী ইউনিটগুলো রুশ সীমান্তরক্ষী ইউনিটগুলোর কাছ থেকে আর্মেনিয়া–ইরান এবং আর্মেনিয়া–তুরস্ক সীমান্তের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্বভার গ্রহণ করল।
২৬ ইওরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) অন্তর্ভুক্তির অনুমোদন সংক্রান্ত একটি আইন পাস করল আর্মেনিয়ার জাতীয় সংসদ।
মে ১৫ আলবেনিয়ার তিরানায় অনুষ্ঠিত ইওরোপিয়ান পলিটিকাল কমিউনিটির ৬ষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিলেন আরমানি প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান।
জুন ৯ নিখিল আর্মেনিয়ার ক্যাথোলিকোস ও আর্মেনিয়ান অ্যাপোসলিক চার্চের সর্বোচ্চ প্রধান দ্বিতীয় কারেকিনের বিরুদ্ধে ব্রহ্মচর্য ভঙ্গ ও সন্তানের পিতা হওয়ার অভিযোগ এনে তাঁর পদত্যাগ দাবি করলেন আরমানি প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান।
২৫ সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন আর্মেনিয়ান অ্যাপোসলিক চার্চের আর্চবিশপ এবং বিরোধী দল স্যাক্রেড স্ট্রাগল আন্দোলনের নেতা বাগরাত গালসতানিয়ান।
২৭ সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন আর্মেনিয়ান অ্যাপোসলিক চার্চের আর্চবিশপ মিকাইল আজাপাহিয়ান। ৩ অক্টোবর তিনি দোষী সাব্যস্ত হন। ২ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন।
জুলাই ৮ বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য আর্তুর সার্গসিয়ানের সংসদীয় দায়মুক্তি প্রত্যাহার নিয়ে জাতীয় সংসদে হাতাহাতির ঘটনা।
১০ আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে শান্তি আলোচনার অংশ হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে বৈঠক করলেন আরমানি প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান ও আজারবাইজানি প্রেসিডেন্ট আলিয়েভ।
১৪ ব্রাসেলসে ইওরোপীয় কাউন্সিলের সভাপতি আন্তোনিও কস্টা এবং ইওরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ভন ডের লেয়েনের সাথে সাক্ষাৎ করেন আরমানি প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান, যেখানে ইওরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সাথে আর্মেনিয়ার গভীরতর অংশীদারিত্ব পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
আগস্ট ৮ হোয়াইট হাউজে ডোনাল্ড ট্রাম্প আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শান্তিচুক্তি সই করলেন প্রেসিডেন্ট আলিয়েভ ও আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান।
৩১ আর্মেনিয়াকে একটি দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিল পাকিস্তান।
অক্টোবর ১৫ নাগরিকদের জনসমাবেশে অংশ নিতে বাধ্য করা, চুরি ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বাধা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন আর্মেনিয়ান অ্যাপোসলিক চার্চের আর্চবিশপ মক্রতিচ প্রোশিয়ান সহ আরও ১২ জন ধর্মযাজক।
১৯ আরমানি ক্যাথলিক প্রিলেট ইগনাতিয়াস মালোইয়ানকে সন্ত হিসেবে কানুনীকৃত করলেন পোপ চতুর্দশ লিও। মারদিনের আর্চবিশপ ছিলেন মালোইয়ান। ১৯১৫ সালে আরমানি জেনোসাইড চলাকালে ইসলাম গ্রহণে বারংবার অস্বীকৃতি জানালে ওসমানি জানদারমা তাঁকে নির্যাতন করে হত্যা করে।
ডিসেম্বর ২৯ তুরস্ক ও আর্মেনিয়া উভয় দেশের কূটনৈতিক, বিশেষ ও সরকারি পাসপোর্টধারীদের জন্য বিনামূল্যে ইলেকট্রনিক ভিসা প্রদানের অনুমতি দিয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছাল।
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ৯ আর্মেনিয়া সফরকারী প্রথম মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট হিসেবে ইয়েরেভান পৌঁছলেন জেডি ভ্যান্স। দুই দেশের মধ্যে বেসামরিক পারমানবিক সহায়তা বিষয়ক একটি চুক্তি সই হল।
১৭ আর্তসাখ প্রজাতন্ত্রের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রুবেন ভারদানিয়ানকে শান্তি ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ ও সন্ত্রাসবাদসহ ১৯টি অভিযোগে ২০ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করল একটি আজারবাইজানি আদালত।
মে ৫ ইয়েরেভানে আর্মেনিয়া ও ইওরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে প্রথম দ্বিপাক্ষিক শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো।
১৩ আর্মেনিয়ার সাথে প্রত্যক্ষ বাণিজ্যের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলো তুরস্ক।
২৩ আর্মেনিয়া থেকে জার্মুক মিনারেল ওয়াটার, ওয়াইনের দুটি ব্র্যান্ড ও কনিয়াকের একটি ব্র্যান্ডের আমদানি নিষিদ্ধ করলো রাশিয়া।
জুন ১ আর্মেনিয়ার দুটি প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র ছাড়া দেশটির বাকি সব জায়গা থেকে মাছ আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলো রাশিয়া।
৬ ইয়েরেভানে আয়োজিত হলো ইউরোভিশন ইয়ং মিউজিশিয়ানস ২০২৬।
৭ ২০২৬ সালের আরমানি সংসদীয় নির্বাচন। প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ানের ক্ষমতাসীন সিভিল কনট্র্যাক্ট পার্টি ৪৯.৮% ভোট পেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলো।
জুলাই ৯ তৃতীয় আন্তর্জাতিক আরমানি গবেষণা কংগ্রেস আয়োজনের জন্য ৬৩,৭৩৫,০০০ ড্রাম বরাদ্দ করলো আর্মেনিয়া সরকার।
২২-২৪ মিখিতার সেবাস্তাসসির ৩৫০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মাতেনাদারানে অনুষ্ঠিত হলো তৃতীয় আন্তর্জাতিক আরমানি গবেষণা কংগ্রেস।
তথ্যসূত্র
BBC.
Brown, Stephen F.. 2009. Protestantism. 3rd ed. Chelsea House.
Brown, Stephen F. and Anatolias, Khaled. 2009. Catholicism & Orthodox Christianity. 3rd ed. Chelsea House.
Hoyland, Robert G.. 2014. In God’s Path: the Arab Conquests and the Creation of an Islamic Empire. Oxford University Press.
Morris, Benny, and Ze’evi, Dror. 2019. The Thirty-Year Genocide: Turkey’s Destruction of Its Christian Minorities, 1894-1924. Harvard University Press.
Waal, Thomas de. 2013. Black Garden: Armenia and Azerbaijan through Peace and War. 10th-year anniv. ed. New York University Press.
Wikipedia
The Free Encyclopedia
https://www.wikipedia.org
World History Encyclopedia
নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।
অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ
দিব্যপ্রকাশ । বাতিঘর । বইবাজার । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী । বুক হাউজ । ওয়াফিলাইফ । রকমারি



