
সৌদি আরব
Featured Image: Wikimedia Commons.

বিশ্ব মানচিত্র ব্লগ।
পূর্বসাল
৪০০০-৩০০১ পূর্ব আরবে আল-ওবায়েদ সংস্কৃতি।
৩২০০-১৬০০ পূর্ব আরবে দিলমুন সভ্যতা।
৩০০০-২০০১ উপসাগরীয় অঞ্চলের তারুত দ্বীপে বাণিজ্য বসতি স্থাপিত।
২০০০-১৫০০ আরবে ভাষা এ সময় প্রথম লিখিত রূপ পাচ্ছে।
২০০০-১০০১ উত্তর আরবে ঘোড়ায় চালিত রথ ব্যবহৃত হচ্ছে। উর্বর চন্দ্রকলা* ছেড়ে একদল যাযাবরের আরবে আগমন। সিরিয়া-ফিলিস্তিন ছেড়ে সাবাঈদের পূর্বপুরুষরা দক্ষিণ আরবে আসছেন।
* এই অঞ্চলটি সভ্যতার দোলনা বলে বিবেচিত হয়। বর্তমান ইরাক, সিরিয়া, লেবানন, জর্দান, ফিলিস্তিন, এবং মিসর, তুরস্ক ও ইরানের অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত উর্বর চন্দ্রকলা অঞ্চল। ১৯১৬ সালে মিসরবিদ জে. এইচ. ব্রেস্টেড প্রথমবারের মত উর্বর চন্দ্রকলা পদটি ব্যবহার করেন।
১৫০০-১৪০১ হাইল, তাইমা, আর দাইরাতের আল-কুরিয়াতে নির্মিত হচ্ছে দেয়ালঘেরা নগরী।
১৮১২-১৬৩৭ ইব্রাহিম নবি কাবা ঘর নির্মাণ করলেন। এই কাজে তাঁকে সহায়তা করলেন পুত্র ইসমাইল।*
* মুসলিম বিশ্বাস অনুযায়ী, আরবরা ইসমাইল নবির বংশধর।
১৫০০-১০০০ এ সময় কখনো উটকে পোষ মানানো হয়।
১০০০-১ আমাদের জানাশোনার মধ্যে প্রথম স্বাধীন আরব রাষ্ট্র এ সময় দুমাতুল জান্দালে* আবির্ভূত হয়। পরিবহনের কাজে আরবের সর্বত্র উট ব্যবহৃত হচ্ছে।
* আধুনিক নাম আল-জউফ।
৯০০-৮০১ থাজ আর নাজরানে বসতি স্থাপিত হল।
৯০০-১০১ আল-ফাউ এ সময় সমৃদ্ধি লাভ করে।
পূর্বসাল ১০০০-২৭৫ সাল দক্ষিন আরবে সাবা রাজ্য।
৮৫৩ এ সময় থেকে প্রাপ্ত একটি কিউনিফর্মে অ্যাসিরীয় রাজা তৃতীয় শালমানেসারের কারকারের সমরয়ের কথা বলা হল। যেখানে আরিবি শব্দটির ব্যবহার দেখা যায়। যার অর্থ: “যাযাবর”। ইতিহাসে এই প্রথমবারের মত আরবরা উল্লিখিত হল। অ্যাসিরীয় শিলালিপি থেকে আরো জানা যায়, গিন্দিবু নামের এক আরব অ্যাসিরীয়দের একটি শত্রু বাহিনীকে উট সরবরাহ করেছিল।
৮০০ সাবাঈরা উর্বর চন্দ্রকলার সাথে ব্যবসা করছেন।
পূর্বসাল ৮০০-১০০ সাল দক্ষিণ আরবে মাঈন রাজ্য।
৭৫০ উত্তর আরবে এ সময় কেদার নামে একটি গোষ্ঠীগত ফেডারেশন গড়ে উঠেছে।
৭৫০-২৫০ মাঈন রাজ্যের একটা ফাঁড়ি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হল মাদাইন সালেহ।
৭৩০ আরবদের রানী শামসিকে পরাজিত করলেন অ্যাসিরীয়রা।
৭০০-৬০১ অ্যাসিরীয়রা তাদের পুতুল রানী তাবুয়াকে কেদারের ক্ষমতায় বসালেন।
৬৭০ এ সময় উত্তর আরবের ভেতর দিয়ে সিরিয়া জয় করতে যাচ্ছেন প্রাচীন অ্যাসিরীয় সম্রাটরা।
৫০০-৪০১ মিসরের বিরুদ্ধে নিজেদের সীমান্ত রক্ষার কাজে আরবদের নিয়োগ দিলেন ইরানিরা।
পূর্বসাল ৫০০-১০০ সাল উত্তর-পশ্চিম আরবে লিহইয়ান রাজ্য।*
* এর রাজধানী ছিল দাইদানে, বর্তমানে আল-উলায়।
পূর্বসাল ৩০০-১০৬ সাল উত্তর আরবে নাবাতীয় রাজ্য।*
* এর রাজধানী ছিল পেত্রায়।
৩২৩ ম্যাকিদোনিয়ার সিকান্দার শার আরব জয় করার পরিকল্পনা থাকলেও এ বছর তাঁর অকাল মৃত্যু ঘটায় পরিকল্পনাটি ভেস্তে যায়।
৩১২ নাবাতীয় রাজ্য দখল করে নেয়ার একটি অসফল প্রয়াস চালালেন হেলেনীয় সেনাপতি আন্তিগোনাস।
পূর্বসাল ১১০-৫৩০ সাল দক্ষিণ আরবে হিমইয়ার রাজ্য।
১০০ গ্রিক ঐতিহাসিক দিওদোরাস সিকুলাস তাঁর বিবওলিওথিকা হিস্টোরিকায় একটি উপাসনালয়ের কথা বললেন। সিকুলাসের মতে, উপাসনালয়টি সকল আরবের চোখেই শ্রদ্ধেয়। অনেকে মনে করেন, তিনি কাবার কথা বলছিলেন।
৮৮ নাবাতীয়দের বিরুদ্ধে একটি অসফল যুদ্ধ পরিচালনা করলেন সেলুসীয় রাজা দ্বাদশ অ্যান্টিওকাস।
৬২ নাবাতীয় রাজ্য রুমিদের মক্কেল রাষ্ট্রে পরিণত হল।
৪০ রুমিদের বিরুদ্ধে পার্থীয়দের সাথে সাময়িক ঐক্য গড়লেন নাবাতীয়রা।
২৬ দক্ষিণ আরবের সাবাঈদের বিরুদ্ধে রুমিদের সামরিক আক্রমণে যোগ দিল উত্তর আরবের নাবাতীয়রা।
২৪ এলিয়াস গ্যালাসের নেতৃত্বে রোমক সেনাবাহিনীর আরব আক্রমণ।
সাল
১-১০০ দক্ষিণ আরবে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠেছে হিমইয়ারিরা।
২৭-৪৪ জুদিয়ার হেরোদীয় রাজাদের সাথে নাবাতীয়দের বিক্ষিপ্ত যুদ্ধবিগ্রহ।*
* জুদিয়া প্রাচীন ইস্রাইলি গোষ্ঠীর দুটি রাজ্যের একটি।
৬৭-৭০ ফিলিস্তিনে ইহুদি বিদ্রোহ দমনে রুমিদের সহায়তা করলেন নাবাতীয়রা।
১০০-২৫০ এ সময় জুরহামের ইয়েমেনি গোষ্ঠীগুলো মক্কা শাসন করছে।
১০১-২০০ পশ্চিম আরবের সামুদরা রোমক সাম্রাজ্যকে খাজনা দিচ্ছে।
১০৫ রোমক আরব। নাবাতীয় রাজ্যকে রোমক সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করা হল।
১০৬ একটি রোমক প্রদেশে পরিণত হল পেত্রা।
১৩২ ফিলিস্তিন থেকে আরব উপদ্বীপে অভিবাসিত হলেন ইহুদিরা।
২০১-৩০০ আরবের লাখমি গোত্র পারসিকদের মক্কেলে পরিণত হল।
২২৪-৬৫১ সাসানীয় ইরান।
২৪১ পারসিক আরব। হাত্রানদের রাজ্যকে পারসিক সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করা হল।
২৪৪-৪৯ রোমক সাম্রাজ্যের ইতিহাসের একমাত্র আরব শাসকের রাজত্বকাল, যিনি ফিলিপ দ্য আরব নামে পরিচিত।
২৫০-৩৮০ খুজা নামের একটি গোষ্ঠী মক্কা শাসন করছে।
২৬৭ সৌদি আরবের মাদাইন সালেহতে এ সময় থেকে প্রথমবারের মত একটি পুরোপুরি আরবিতে লেখা শিলালিপির সন্ধান পাওয়া গেছে।
৩০১-৪০০ পূর্ব আরবে পারসিক সাম্রাজ্যের প্রভাব ছড়িয়ে পড়ল।
৩১২ খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করলেন রোমক সম্রাট কনস্টান্টাইন।
৩২৮ লাখমি রাজা ইমরুল কায়েসের এপিটাফে তাঁকে সকল আরবের রাজা বলে বর্ণনা করা হল।
৪০১-৫০০ আরবি কবিতার সমৃদ্ধিকাল।
৪৯০ আরবের বনু ঘাসসান গোত্র বাইজেন্টাইনদের মক্কেলে পরিণত হল।*
* রোমক সাম্রাজ্যের ভাঙনের পর পূর্ব রোমক সাম্রাজ্য বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য (Βασιλεία Ρωμαίων) নামে পরিচিত। এখানে বাইজেন্টাইন বলতে সাম্রাজ্যটির শাসকদেরকে বোঝাবে। কুরআন শরিফে রুম বলতে এই সাম্রাজ্যকেই বোঝানো হয়েছে, যার কেন্দ্র ছিল কনস্টান্টিনোপল, বর্তমান তুরস্কের ইস্তানবুল।
৫০০ মক্কার ওপর কুরাইশ গোত্রের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হল।
৫০১-৬০০ আরবে এ সময় ইরানি আর বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের মক্কেলদের মধ্যে ভয়াবহ আন্তঃগোত্রীয় যুদ্ধ সংঘটিত হচ্ছে। ঘাসসানি আর লাখমিদের এলাকাগুলোয় খ্রিস্টধর্মের প্রসার। এ সময়ই কখনো হিমইয়ারিদের রাজা ইহুদিধর্ম গ্রহণ করেন।
৫১৮ নাজরান ম্যাসাকার। হিমইয়ারিরা নাজরানের খ্রিস্টানদের ওপর একটা হত্যালীলা চালাল।
৫২৫ ইথিওপিয়ার খ্রিস্টান রাজ্য হিমইয়ারি-সাবাঈ রাজ্য জয় করে।
৫৪২ বর্তমান ইয়েমেনে অবস্থিত মারিব বাঁধ ধবসে পড়ল।
৫৭০ মক্কার কুরাইশ গোত্রে জন্ম নিলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.)।
৫৭৫ সাসানীয় ইরান বর্তমান ইয়েমেন দখল করে নিল।
৫৮২ বাইজেন্টাইনদের মক্কেলগিরি থেকে ঘাসসানিদেরকে বরখাস্ত করা হল।
৫৯৪ লাখমিরা খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত হল।
৬০২ পারসিকরা তাঁদের মক্কেল লাখমি সর্দারকে খুন করলেন।
৬০৫ কাবা পুনর্নিমাণ করার বছর, অংশ নিয়েছিলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.)।
৬১০ হযরত মুহাম্মদের (সা.) নবুয়ত লাভ ও কুরআন নাজিলের সূচনা।* ঝুকারে লাখমিদের সেনাবাহিনী পারসিকদের বিরুদ্ধে জয়লাভ করল।
* হযরত মুহাম্মদের (সা.) অনুসারীরা মুসলিম (المسلمون) নামে পরিচিত, আরবিতে আল-মুসলিমুন অর্থ ‘আত্মসমর্পণকারী’; যাঁরা আল্লাহ’র (ٱللَّٰه) কাছে আত্মসমর্পণ করেন তাঁরাই মুসলিম। বাংলায় ঐতিহ্যগতভাবে মুসলমান শব্দটিই বেশি ব্যবহৃত হয়ে আসছে, সেই ঐতিহ্যের সাথে সঙ্গতিপূর্ণভাবে মুসলমান শব্দটি ব্যবহার করি আমি। মুসলমানদের পবিত্র বই কুরআন ( ٱلۡقُرۡءَانُ ) নামে পরিচিত।
৬১৪ পারসিকরা আরবের উত্তর সীমান্ত দখল করে নিল এবং বাইজেন্টাইনদের পরাজিত করল।
৬১৪-২৮ সিরিয়া ও ফিলিস্তিনে পারসিক দখলদারিত্বের কাল।
৬২২ জুলাই ১৬ মক্কা থেকে ইয়াসরিবে হিজরত করলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.)। ইয়াসরিব পরবর্তীতে মদিনা নামে পরিচিতি পাবে। আরবিতে মদিনা অর্থ: “শহর।” মদিনা শব্দটি মদিনাতুন নবির অংশ। এর অর্থ: “নবির শহর।” মুসলিম পঞ্জিকার, যা হিজরি সন বলে পরিচিত, গণনা এবছর থেকে শুরু হয়।
৬২৪ বদরের যুদ্ধ। মক্কার ক্ষমতাশালীদের বিরুদ্ধে আরব মুসলমানদের জয়লাভ।
৬২৫ উহুদের যুদ্ধ। আরব মুসলমানদের বিরুদ্ধে মক্কার ক্ষমতাশালীদের জয়লাভ।
৬২৭ খন্দকের যুদ্ধ। মক্কার ক্ষমতাশালীরা ইয়াসরিব ঘেরাও করার চেষ্টা চালাল। আরব মুসলমানদের তীব্র প্রতিরোধের মুখে ব্যর্থ হল।
বনু কুরাইজা ঘটনা।*
* পরম্পরাগত ঐতিহাসিকদের মতে, মদিনার ইহুদিরা আরব মুসলমানদের সাথে থাকা তাদের চুক্তি ভঙ্গ করেছিল, এবং গোপনে মক্কার ক্ষমতাশালীদের সাথে হাত মিলিয়েছিল। তাই বিশ্বাসঘাতকতার শাস্তিস্বরূপ বনু কুরাইজার সব প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের শিরশ্ছেদ করা হয় এবং নারী ও শিশুদের দাস হিসাবে বেচে দেয়া হয়। বিদ্যায়তনিক ঐতিহাসিকদের কেউ কেউ এই ঘটনার ঐতিহাসিকতা ও সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। (Arafat 1976)
৬২৮ হুদায়বিয়ার সন্ধি। মক্কার ক্ষমতাশালী ও মুসলমানদের মধ্যে। খায়বার বিজয়। এই যুদ্ধ বেদুঈনদের মধ্যে মুসলমানদের জনপ্রিয়তা বাড়ায়, বহু বেদুঈন এ সময় ইসলাম গ্রহণ করেন।
৬২৯ হযরত মুহাম্মদের (সা.) নেতৃত্বে মুসলমানদের মক্কা গমন ও ওমরা পালন। মুত’আর যুদ্ধ। বাইজেন্টাইনদের কাছ থেকে জর্দান নদীর পূর্বদিকের একটি গ্রাম দখল করার চেষ্টা করলেন মুসলমানরা, কিন্তু ব্যর্থ হলেন।
৬৩০ হযরত মুহাম্মদের (সা.) নেতৃত্বে আরব মুসলমানদের মক্কা বিজয়। হুনাইনের যুদ্ধ, বেদুঈন হাওয়াজিন গোত্রের বিরুদ্ধে একটি নিষ্পত্তিমূলক বিজয় অর্জন করলেন আরব মুসলমানরা। তায়েফ শহর ও থাকিফ গোত্রের সাথে জোট গঠন করলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.)। জেরুসালেমে পবিত্র ক্রুশকাঠের অংশবিশেষ পুনর্বহাল করলেন রোমক সম্রাট হেরাক্লিয়াস।
৬৩২ বিদায় হজ। হযরত মুহাম্মদের (সা.) মৃত্যু। তাঁর কোন জীবিত পুত্রসন্তান না থাকায় ও উত্তরাধিকারী মনোনীত করে না যাওয়ায় যে নেতৃত্ব সংকট দেখা দেয়, কালক্রমে তাই শিয়া-সুন্নী বিভাজনে রূপ নেবে।*
* শিয়া-সুন্নী বিভাজনের ইতিহাস জানতে, দেখুন, (McHugo 2017) ও (Louër 2020).
৬৩২-৬১ রাশিদুন খেলাফত।
৬৬১-৭৫০ উমাইয়া খেলাফত।
৭৫০-১২৫৮ আব্বাসী খেলাফত।
১২৬০-১৫১৭ মক্কা মিসর-সিরিয়ার মামলুক সুলতানশাহির অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেল।
১২৬৯ হজ পালন করলেন মিসরের মামলুক সুলতান বাইবার্স।
১২৯৯-১৯২২ ওসমানি সুলতানশাহি।
১৩২৫-৫৪ পরিব্রাজক ইবনে বতুতা এই সময়কালের মধ্যে পাঁচবার মক্কা সফর করেন। অবশ্য এই সফর তাঁর বিশ্বভ্রমণের অংশ ছিল।
১৩২৫ হজ পালন করলেন মালির সম্রাট মানসা মূসা।
১৪৪৬ দক্ষিণ নজদে আল-দিরিয়া গ্রাম প্রতিষ্ঠা করলেন মানি বিন রাবিয়া।
১৫১৭ হিজাজের ওপর ওসমানি সুলতানশাহির নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হল।
১৫৩৩ মুহিউদ্দিন লারি, কিতাব ফুতুহ আল-হারামাইন।*
* লারি চিত্রকর ছিলেন, বইটি মক্কার প্রথম চিত্রকর্ম-সংকলন।
১৫৪১ জেদ্দায় পর্তুগিজদের হামলা। নজদি শহর বুরাইদার পত্তন।
১৫৫০ আল-আহসার ওপর ওসমানি সুলতানশাহির নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হল।
১৫৫১ কাবা ঘরের ছাদ পুনর্নিমাণ করালেন সুলতান সোলেমান।
১৬২৯ বন্যার কারণে কাবা ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা পুনর্নিমাণ করালেন সুলতান চতুর্থ মুরাদ।
১৬৭০ হাসায় ওসমানিদের বিরুদ্ধে বনু খালিদ গোত্রের বিদ্রোহ।
১৬৭১ হজ পালন করলেন ওসমানি পরিব্রাজক এভলিয়া চেলেবি।
১৭০৩-৯২ মুহাম্মদ ইবনে আবদুল ওহাবের জীবনকাল।*
* ওহাবিবাদ ইসলামের একটি শুদ্ধতাবাদী ধারা, যারা মুসলমানদের ঐতিহ্যিক চর্চাগুলো বর্জন করে কথিত ‘শুদ্ধ ইসলামে’ ফিরে যাওয়ার পক্ষপাতী।
১৭২৭/১৭৪৪-১৮১৮ প্রথম সৌদি রাষ্ট্র। *
* দিরিয়া আমিরশাহি নামেও পরিচিত। মোহাম্মদ বিন আবদুল ওহাবের সাথে একটি ধর্মতাত্ত্বিক-রাজনৈতিক মৈত্রীবন্ধনের মধ্য দিয়ে এটি প্রতিষ্ঠা করেন মোহাম্মদ বিন সৌদ আল মুকরিন।
১৭৪৪ উয়ায়না থেকে মোহাম্মদ বিন আবদুল ওহাবকে তাড়িয়ে দেয়া হল। দিরিয়ায় তাঁকে স্বাগত জানালেন মোহাম্মদ ইবনে সৌদ। অচিরেই তিনি ওহাবিবাদ গ্রহণ করেন।
১৭৬২ মোহাম্মদ বিন সৌদ আল মুকরিনের মৃত্যুতে তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন তাঁর পুত্র আবদুল আজিজ বিন সৌদ।
১৭৭৩ রিয়াদ দখল করে নিল আল সৌদের বাহিনী।
১৭৮৮ নজদের ওপর সৌদিদের পূর্ণ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হল।
১৭৯০ ওহাবিদের সাথে মক্কার শরিফদের দ্বন্দ্ব দেখা দিল।
১৭৯৪ আল-হাসা দখল করে নিল আল সৌদের বাহিনী।
১৭৯৮ আল-খুরমার কাছে মক্কার শরিফ গালিবকে পরাস্ত করল আল সৌদের বাহিনী।
১৮০১-০২ কারবালায় হামলা চালাল আল সৌদের বাহিনী। ইমাম হোসেনের কবর ভাঙল। ব্যাপক লুঠতরাজ করল।
১৮০৩ গুপ্তহত্যার শিকার হলেন আবদুল আজিজ বিন মোহাম্মদ আল সৌদ, তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন তাঁর পুত্র সৌদ বিন আবদুল আজিজ বিন মোহাম্মদ।
১৮০৫-৬ মক্কা ঘেরাও করল ওহাবিরা, আত্মসমর্পণ করল মক্কা।
১৮০৫ মদিনা দখল করে নিল আল সৌদের বাহিনী।
১৮১৪ সৌদিদের কাছ থেকে আল হিজাজ ছিনিয়ে নিলেন মিসরের ওসমানি প্রশাসক মোহাম্মদ আলি। সৌদ বিন আবদুল আজিজ বিন মোহাম্মদের মৃত্যু, তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন তাঁর পুত্র আবদুল্লা।
১৮১৫ মিসরের মোহাম্মদ আলির বাহিনী ওহাবিদের পরাজিত করল।
১৮১৮ দিরিয়ার সৌদি রাষ্ট্র ধবংস করে দিলেন মোহাম্মদ আলির পুত্র ইব্রাহিম পাশা। আবদুল্লা বিন সৌদকে ইস্তানবুলে নিয়ে যাওয়া গেল। সেখানে তাঁর শিরশ্ছেদ করা হয়।
১৮১৯ প্রথম ইওরোপীয় হিসেবে আরব উপদ্বীপ অতিক্রম করলেন জে. এফ. স্যাডলিয়ের।
১৮২৪ আল সৌদের নেতা হলেন আবদুল্লা বিন সৌদের কাজিন তুর্কি বিন সৌদ। তাঁর নেতৃত্বে সৌদিরা রিয়াদ দখল করে নেয়। গঠন করে দ্বিতীয় সৌদি রাষ্ট্র।
১৮২৪-৯১ দ্বিতীয় সৌদি রাষ্ট্র।*
* নজদ আমিরশাহি নামেও পরিচিত।
১৮৩০ সাবইয়ায় থিতু হল ইদরিসি পরিবার।
১৮৩৪ গুপ্তহত্যার শিকার হলেন তুর্কি বিন সৌদ, তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন তাঁর পুত্র ফয়সাল।
১৮৩৫ আবদাহ শাম্মার গোত্রের আবদুল্লা বিন রাশিদকে হাইলের প্রশাসক নিযুক্ত করলেন ফয়সাল বিন তুর্কি আল সৌদ। রাশিদি রাজবংশের সূচনা।
১৮৩৮ মিসরীয় বাহিনী নজদে দ্বিতীয়বারের মত হামলা চালাল ও ফয়সালকে কায়রোতে নিয়ে গেল।
১৮৪০ আল হিজাজে প্রত্যক্ষ ওসমানি শাসন পুনর্বহাল করা হল।
১৮৪৩ কায়রো থেকে পালিয়ে গেলেন ফয়সাল। নজদের নিয়ন্ত্রণ নিলেন। রিয়াদে সৌদি রাষ্ট্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করলেন।
১৮৪৫ আল-বুরায়মি মরূদ্যান দখল করে নিল সৌদি বাহিনী।
১৮৪৭-৯৭ সৌদ রাজপরিবারের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী রাশিদি রাজপরিবার এই অর্ধ শতাব্দী মধ্য আরব শাসন করেছে।
১৮৫৪-৫৬ ওসমানিরা তাদের সালতানাতে দাসপ্রথা বিলুপ্ত ঘোষণা করল। এর প্রতিক্রিয়ায় মক্কায় দাঙ্গাহাঙ্গামা দেখা দিল।
১৮৫৮ জেদ্দায় খ্রিস্টান হত্যাযজ্ঞ। বোমাবর্ষণ করল ব্রিটিশ নৌবাহিনী।
১৮৬৪ ফয়সাল বিন তুর্কি আল সৌদের মৃত্যু। নেতৃত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব, চলবে ১৮৮৯ সাল পর্যন্ত। হজ পালন করলেন ভোপালের নবাব সিকান্দার বেগম।
১৮৬৫ রিয়াদ সফর করলেন উপসাগরীয় অঞ্চলে উচ্চপদস্থ ব্রিটিশ কর্মকর্তা কর্নেল লুইস পেলি। এ সময় ওমানের গভীরে অভিযান চালাচ্ছে সৌদিরা।
১৮৬৬ ইঙ্গ-সৌদি চুক্তি।
১৮৬৮ বাগদাদের গভর্নর-জেনারেল হিসেবে মিদহাত পাশার নিয়োগের ভেতর দিয়ে আরব উপদ্বীপে ওসমানিদের সম্প্রসারণবাদী পর্যায় শুরু হল। ওসমানিরা পূর্ব আরবের উপর তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রসারিত করল। স্থানীয় আইয়িদ রাজবংশের কাছ থেকে দখল করল আসির।
১৮৭১ আল সৌদের কাছ থেকে আল-আহসা দখল করলেন মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল রাশিদ।
১৮৭৪ সমরে আহত হয়ে সৌদ বিন ফয়সাল আল সৌদের মৃত্যু, সাময়িকভাবে তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন তাঁর ভাই আবদুল্লা।
১৮৮০ আবদুল আজিজ ইবনে সৌদের জন্ম।
১৮৮৪ হাইলের আল রাশিদ রাজবংশ রিয়াদ দখল করে নেয় ও নজদের অধিকাংশের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
১৮৮৯ আল সৌদের অবিসংবাদিত নেতা হয়ে উঠলেন আবদুল রহমান বিন ফয়সাল, সাময়িকভাবে রিয়াদের ওপর রাশিদির নিয়ন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করলেন।
১৮৯১ রিয়াদ দখল করলেন মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল রাশিদ। পালিয়ে যেতে বাধ্য হলেন আবদুল রহমান। আখেরে কুয়েতে আশ্রয় নেন।
১৯০০ সাবইয়ায় স্বাধীন রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করল ইদ্রিস পরিবার। মদিনাকে সিরিয়ার সাথে যুক্ত করা আল-হিজাজ রেলপথের কাজ শুরু করল।
১৯০২ জানুয়ারি আর রাশিদের কাছ থেকে রিয়াদ ছিনিয়ে নিলেন আবদুল আজিজ বিন আবদুল রহমান।
১৯০২-২১ তৃতীয় সৌদি রাষ্ট্র।*
* ১৯০২-১৩ কালপর্বে রিয়াদ আমিরশাহি ও ১৯১৩-২১ কালপর্বে নজদ ও হাসার আমিরশাহি নামে পরিচিত ছিল।
১৯০৫ আল-কাশিমে একটি ছোট ওসমানি গ্যারিসন মোতায়েন করা হল।
১৯০৬ রাশিদি রাজবংশের প্রধান ইবনে রাশিদের মৃত্যুতে সৌদ রাজবংশের উত্থানের পথে আর কোনো শক্তিশালী বাধা থাকল না।
১৯০৮ আল-কাশিমের ওপর সৌদি সার্বভৌমত্ব প্রসারিত হল। মক্কার শরিফ হলেন হোসেন বিন আলি আল হাশিমি। দামিশক আর মদীনাকে যুক্ত করা হিজাজ রেলপথের নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হল।
১৯১০ প্রথম ইংরেজ হিসেবে আবদুল আজিজের সাথে সাক্ষাৎ করলেন কুয়েতে ব্রিটিশদের রাজনৈতিক এজেন্ট ক্যাপ্টেন ডব্লিউ. এইচ. আই. শেক্সপিয়র। আল-কাসিম দখল করার জন্য একটি সেনাবাহিনী পাঠালেন হোসেন আল হাশিমি। কিন্তু সৌদি বাহিনী তাকে প্রতিহত করে।
১৯১২ ওহাবি মতবাদের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হল ভ্রাতৃসংঘ ইখওয়ান। আল-আরতাউইয়ায় স্থাপিত হল তাঁদের প্রথম বসতি। এঁরা ইবনে সৌদকে বিশেষ মদত যোগান।
১৯১৩ আল-আহসা দখল করে নিলেন আবদুল আজিজ।
জুলাই ২৯ ইঙ্গ-ওসমানি কনভেনশন “ব্লু লাইন”কে ওসমানি ও ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের মধ্যে পূর্ব আরবের সীমানা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
১৯১৪-১৯১৮ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।
১৯১৪ মে ওসমানিদের সাথে একটি চুক্তি সই করলেন আবদুল আজিজ।
১৯১৫ আল সৌদ ও আল রাশিদের মধ্যে জারাবের সমরে নিহত হলেন ক্যাপ্টেন শেক্সপিয়র।
ডিসেম্বর ২৬ ইঙ্গ-সৌদি চুক্তি, আবদুল আজিজ বিন আবদুল রহমানের জন্য ব্রিটিশ স্বীকৃতি এনে দিল।
১৯১৬ জুন ৫ আরব বিদ্রোহ ঘোষণা করলেন হোসেন আল হাশিমি।
অক্টোবর ২৯ আল-হিজাজের বাদশা উপাধি গ্রহণ করলেন হোসেন আল হাশিমি।
নভেম্বর ৫ নিজেকে আরবদের বাদশা ঘোষণা করলেন হোসেন আল হাশিমি।
১৯১৮ মে আল-খুরমায় আবদুল আজিজ আল সৌদ আর হোসেন আল হাশিমির বাহিনীগুলোর মধ্যকার প্রথম সংঘর্ষ।
১৯১৯ আল-খুরমা দখল করে নিল আল সৌদ।
১৯২০ আসিরের পার্বত্য এলাকায় আল সৌদের দখলদারিত্ব। সৌদি-রাশিদি চুক্তি, যা শাম্মার গোত্রের নিয়ন্ত্রণ ও আল রাশিদ আমিরশাহির পররাষ্ট্রনীতি সৌদিদের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আসে। ফয়সাল আল-দুয়িশের নেতৃত্বাধীন ইখওয়ানিরা আল-জাহরায় কুয়েতি শেখ সেলিম ও তাঁর বাহিনীকে পরাস্ত করল।
১৯২১ আল রাশিদ আমিরশাহিকে নিজ রাজ্যের সীমানাভুক্ত করে নিলেন আবদুল আজিজ, হলেন নজদের সুলতান।
১৯২১-২৬ নজদের সুলতানশাহি।
১৯২২ মে ৫ মুহাম্মারা চুক্তি। অভিন্ন সীমান্তে নজদ ও ইরাকের প্রতিনিধিদের মধ্যে। কিন্তু এই চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেন আবদুল আজিজ।
ডিসেম্বর আল-উকাইর প্রোটোকল। নজদি-ইরাকি ও নজদি-কুয়েতি সীমান্ত নির্ধারণ করল। গঠন করল নজদি-ইরাকি ও নজদি-কুয়েতি নিরপেক্ষ অঞ্চল।
১৯২৩ আল-আহসার জন্য তেল ছাড় নিশ্চিত করলেন মেজর ফ্রাঙ্ক হোমস। ট্রান্সজর্দান ও ইরাকে ইখওয়ানিদের হামলায় একাধিক নিহত।
১৯২৩ ডিসেম্বর ১৭ সৌদি-হাশিমি সীমান্ত সমস্যা মোকাবেলা ও মুহাম্মারা চুক্তির বিধান নিষ্পত্তির জন্য ডাকা হল কুয়েত সম্মেলন। এই সম্মেলন ১৯২৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত চলবে।
১৯২৪ মার্চ ৩ ডিক্রি জারি করে খেলাফত বিলুপ্ত করে দিল তুরস্কের গ্র্যান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি।
৫ নিজেকে খলিফা ঘোষণা করলেন হোসেন আল হাশিমি।
আগস্ট আল-হিজাজে হামলা চালাল সৌদি বাহিনী। ইখওয়ানিদের হাতে তায়েজের পতন। ব্যাপক লুঠতরাজ, একটি হত্যাযজ্ঞ।
অক্টোবর ৩ সিংহাসনত্যাগ করে আল-আকাবার উদ্দেশ্যে রওনা করলেন আল-হিজাজের বাদশা হোসেন আল হাশিমি। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন তাঁর পুত্র আলি। হপ্তাখানেক পর বিনা বাধায় মক্কায় ঢুকল সৌদিরা।
১৯২৫ জানুয়ারি জেদ্দায় সৌদিদের অবরোধের সূচনা।
নভেম্বর আবদুল আজিজের সাথে হাদ্দা ও বাহরা চুক্তি নিয়ে আলাপ-আলোচনা করছেন স্যার গিলবার্ট ক্লেটন।
ডিসেম্বর আবদুল আজিজের বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করল আল-মদিনা ও ইয়ানবু।
১৯ জেদ্দায় প্রবেশ করল সৌদি বাহিনী।
২২ ইরাকের উদ্দেশ্যে রওনা করলেন প্রাক্তন বাদশা আলী।
১৯২৬ ইলওয়ানের গোত্রসর্দারেরা আবদুল আজিজের বিরুদ্ধে থাকা নিজেদের ক্ষোভ-অসন্তোষ নিয়ে আলোচনা করার জন্য আল-আরতাউইয়ায় মিলিত হলেন।
জানুয়ারি ৮ আল-হিজাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা আবদুল আজিজকে আল-হিজাজের রাজা এবং নজদ ও এর আশ্রিত রাজ্যগুলোর সুলতান ঘোষণা করলেন।
ফেব্রুয়ারি আল-হিজাজের রাজা হিসেবে আবদুল আজিজকে স্বীকৃতি দিল ব্রিটেন।
অক্টোবর মক্কা চুক্তি, আবদুল আজিজ ও আসিরের ইদরিসি নেতার মধ্যে সাক্ষরিত হল।
১৯২৬-৩২ হিজাজ ও নজদ রাজ্য।
১৯২৭ আল-হিজাজের রাজা ও নজদের সুলতান হিসেবে আবদুল আজিজকে স্বীকৃত দিল সোভিয়েত ইউনিয়ন।
মে ২০ ইঙ্গ-সৌদি জেদ্দা চুক্তি। আবদুল আজিজের পূর্ণ স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দিল ব্রিটিশ সরকার। এর বিনিময়ে, উপসাগরীয় শেখতন্ত্রগুলোর সাথে ব্রিটিশদের চুক্তিভিত্তিক সম্পর্কগুলোকে স্বীকৃতি দিলেন সৌদি নেতা।
অক্টোবর ইখওয়ানিরা আল-বুসায়া পুলিশ ফাঁড়িতে ইরাকিদের হত্যা করে। যার ফলে ব্রিটেন ও আবদুল আজিজের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। যা বছরখানেক স্থায়ী হয়।
১৯২৯ বসরা ও কুয়েতের মধ্যবর্তী রাস্তায় এক মার্কিন ধর্মপ্রচারককে নিজ গাড়িতে খুন করল ইখওয়ানিরা।
মার্চ ৩০ সিবিলার সমর, ইখওয়ানিদের পরাস্ত করলেন আবদুল আজিজ।
এ বছরের শেষদিকে প্রথম ইওরোপীয় হিসেবে আর-রুব আল-খালি মরুভূমি অতিক্রম করলেন বেরত্রাম থমাস।
১৯৩০ জানুয়ারি শুয়াব আল-আউজার সমর। ইখওয়ানি বিদ্রোহ কঠোরভাবে দমন করলেন আবদুল আজিজ। পরবর্তীকালে কুয়েতে আত্মসমর্পণ করেন ইখওয়ানি নেতারা।
ফেব্রুয়ারি ২২ আবদুল আজিজ ও ইরাকের রাজা ফয়সালের মধ্যে বৈঠক। আল সৌদ আর আল হাশিমি পরিবারগুলোর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত গড়ে দেয়।
নভেম্বর আসিরকে নিজ রাজ্যের সীমানাভুক্ত করলেন আবদুল আজিজ।
প্রথমবারের মত কোন ব্রিটিশ মন্ত্রীর জেদ্দা আগমন। প্রতিষ্ঠা করা হল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
১৯৩০-৩৯ স্ট্যান্ডার্ড অয়েল কোম্পানির মত কিছু মার্কিন তেল কোম্পানির ভূগোলবিদরা বর্তমান সৌদি আরবের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলে বিপুল তেল আবিষ্কার করলেন। মার্কিন-সৌদি সুসম্পর্কের সূচনা। সৌদিদের কাছ থেকে অবিরত তেল পায় মার্কিনীরা, বিনিময়ে সৌদিরা দুনিয়ার সবচে শক্তিশালী সামরিক ক্ষমতাধর রাষ্ট্রের সমর্থন পায়।
১৯৩১ আল-হিজাজের জন্য প্রতিষ্ঠিত হল কাউন্সিল অফ ডেপুটিজ।
ফেব্রুয়ারি জেদ্দায় আবদুল আজিজের সাথে সাক্ষাৎ করলেন চার্লস ক্রেন। কার্ল এস. টুইচেলকে পাঠালেন দেশটির প্রথম ভূতাত্ত্বিক জরিপ পরিচালনা করার জন্য।
১৯৩২ প্রতিষ্ঠা করা হল অর্থ মন্ত্রণালয়।
মে আবদুল আজিজের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করলেন উত্তরপূর্ব আরবের জনৈক গোত্রসর্দার বিন রিফাদা।
১৯৩২ সেপ্টেম্বর ২২ দেশের নাম বদলে সৌদি আরব রাখা হল। সৌদি আরবের বাদশা উপাধি নিলেন আবদুল আজিজ।
অক্টোবর আবদুল আজিজের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করলেন ইদরিসি আমির।
১৯৩২-৫৩ আবদুল আজিজের রাজত্ব।
১৯৩৩ এপ্রিল সৌদি আরবের বাদশা আবদুল আজিজ আর ট্রান্সজর্ডানের রাজা আবদুল্লাহ পরস্পরের হুকুমতের স্বীকৃতি দিলেন।
মে সোকালকে আল-আহসার তেল ছাড় দিলেন আবদুল আজিজ।
১৯৩৪ মার্চ-মে সৌদি-ইয়েমেন যুদ্ধ।
জুন ১৪ তায়েফ চুক্তি, যুদ্ধের অবসান।
১৯৩৫ এপ্রিল ব্রিটেনকে তাঁর “রেড লাইন” সীমান্ত প্রস্তাব দিলেন আবদুল আজিজ।
নভেম্বর ব্রিটেন আবদুল আজিজকে “রিয়াদ লাইনের” পাল্টা প্রস্তাব দিল।
১৯৩৬ আল-হিজাজ তেল ছাড় লাভ করল পেট্রোলিয়াম কনসেশনস লিমিটেড। ইরাক ও মিসরের সাথে নানান চুক্তি সই করল সৌদি আরব। জেদ্দা চুক্তি সংশোধন করতে সম্মত হল ব্রিটেন ও সৌদি আরব।
১৯৩৮ মার্চ দাম্মাম ডোমের ৭ নং কুয়ায় তেল আবিষ্কৃত হল।
১৯৩৯ দাহরান তেলক্ষেত্র থেকে রা’স তানুরার নতুন তেল টার্মিনাল পর্যন্ত তেল পাইপলাইন বসানো হল।
১৯৩৯-৪৫ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ।*
* সৌদি আরব নিরপেক্ষতা ঘোষণা করে। যুদ্ধের শেষদিকে এসে ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করার উদ্দেশ্যে অক্ষশক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে সৌদি আরব। ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট ও ইবনে সৌদের মধ্যে সাক্ষাৎকার।
১৯৪২ জেদ্দায় মার্কিন কূটনৈতিক উপস্থিতি প্রতিষ্ঠা করা হল।
১৯৪৪ ক্যালিফোর্নিয়ান অ্যারাবিয়ান স্ট্যান্ডার্ড অয়েল কোম্পানির (ক্যাসোক) নাম বদলে অ্যারাবিয়ান আমেরিকান অয়েল কোম্পানি (আরামকো) রাখা হল।
১৯৪৫ ফেব্রুয়ারি সুয়েজ খালে ইউএসএস কুইন্সিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের সাথে সাক্ষাৎ করলেন বাদশা আবদুল আজিজ।
মার্চ ২২ আরব লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের একটি সৌদি আরব।
বিদেশ থেকে ফিরলেন প্রথম সৌদি ভার্সিটি গ্র্যাজুয়েটরা।
১৯৪৬ প্রতিষ্ঠা করা হল প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। দাহরানে মার্কিন বিমানঘাঁটি স্থাপন করা হল।
১৯৪৭ আল-তায়েফে এল ব্রিটিশ সামরিক মিশন।
১৯৪৭-৪৮ প্রথম আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ।*
* সৌদি অংশগ্রহণ সামান্যই ছিল।
১৯৪৮ সুবিশাল আল-ঘাওয়ার তেলক্ষেত্র আবিষ্কার করল আরামকো। জেদ্দায় মার্কিন কূটনৈতিক উপস্থিতিকে দূতাবাসে উন্নীত করা হল।
১৯৪৯ সৌদি-কুয়েত নিরপেক্ষ জোনের তেল ছাড় লাভ করল গেটি অয়েল।
১৯৫০ আল-দাম্মামে গভীর সমুদ্র বন্দর উদ্বোধন করা হল। সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ থেকে ভূমধ্যসাগরীয় বন্দরগুলো পর্যন্ত বসানো হল ট্যাপলাইন তেল পাইপলাইন।
১৯৫১ যুক্তরাষ্ট্রের সাথে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি করল সৌদি আরব। প্রতিষ্ঠা করা হল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আল-দাম্মাম ও রিয়াদের মধ্যে রেলপথ নির্মিত হল।
১৯৫২ অক্টোবর আল-বুরাইমি মরূদ্যানের আল-হামাসা গ্রাম দখল করে নিল সশস্ত্র সৌদি বাহিনী।
আল-আহসা প্রদেশের রাজধানী আল-দাম্মামে স্থানান্তরিত করা হল, এবং প্রদেশটির নাম বদলে পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ রাখা হল।
আল-দাম্মাম সম্মেলন। সৌদি আরবের সাথে উপসাগরীয় অঞ্চলে ব্রিটিশ-সুরক্ষিত রাজ্যগুলোর সীমানা নিয়ে আলোচনা। কোন সিদ্ধান্তে না পৌঁছেই সমাপ্ত।
১৯৫৩ প্রতিষ্ঠিত হল কৃষি ও পানি মন্ত্রণালয়, যোগাযোগ, ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
আরামকো শ্রমিকদের প্রথম ধর্মঘট অনুষ্ঠিত হল।
অক্টোবর ৯ রাজকীয় ডিক্রিতে প্রতিষ্ঠিত হল দেশটির প্রথম মন্ত্রিপরিষদ।
নভেম্বর ৯ ইবনে সৌদ, বা রাজা আবদুল আজিজের, মৃত্যু। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন পুত্র সৌদ বিন আবদুল আজিজ।
১৯৫৩-৬৪ সৌদ বিন আবদুল আজিজের রাজত্ব।
১৯৫৪ প্রতিষ্ঠা করা হল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
১৯৫৫ সেপ্টেম্বর ১১ জেনেভায় বসল আল-বুরাইমি আরবিট্রেশন ট্রাইব্যুনাল, শীঘ্রই স্থগিত।
অক্টোবর ২৬ ট্রুসিয়াল ওমানের স্কাউটরা আল-বুরাইমি মরূদ্যান থেকে সৌদি গ্যারিসনকে বহিষ্কার করল।
জেদ্দায় প্রথম বেসরকারি বালিকা বিদ্যালয় খুললেন রানী ইফফাত বিনতে মোহাম্মদ আল থুনআইন।
১৯৫৬ জুন আরামকো শ্রমিকদের ধর্মঘট।
আগস্ট তেহরানে ইরানে নিযুক্ত সোভিয়েত রাষ্ট্রদূতের সাথে সাক্ষাৎ করলেন বাদশা সৌদ।
অক্টোবর ২৯-৭ নভেম্বর দ্বিতীয় আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ।*
* দাহরান ও রিয়াদে বিক্ষোভ দেখা দিল। ব্রিটেন ও ফ্রান্সের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করল সৌদি আরব।
১৯৫৭ রিয়াদে খোলা হল সৌদি আরবের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়: বাদশা সৌদ বিশ্ববিদ্যালয়। বাদশা সৌদের যুক্তরাষ্ট্র সফর।
১৯৫৮-৬৪ সৌদি আরবের “লিবারেল প্রিন্সদের” ফ্রি প্রিন্সস মুভমেন্ট।
১৯৫৮ মার্চ মিসরের প্রেসিডেন্ট জামাল আবদেল নাসেরকে গুপ্তহত্যার জন্য বাদশা সৌদের যে পরিকল্পনা, সিরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা তা ফাঁস করে দেয়।
২৪ সৎ ভাই ফয়সালের কাছে আর্থিক পরিকল্পনা সহ পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র বিষয়ক নির্বাহী ক্ষমতা হস্তান্তর করলেন বাদশা সৌদ।
১৯৫৯ গঠিত হল নাসেরবাদী রাজনৈতিক দল অ্যারাবিয়ান পেনিনসুলা পিপলস ইউনিয়ন।*
* এর প্রতিষ্ঠাতা সৌদি লেখক নাসের আল সাঈদ ছিলেন দেশটির রাজপরিবারের কঠোরতম সমালোচকদের একজন। ১৯৭৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর লেবাননের রাজধানী বৈরুতে গুম হয়ে যাওয়ার পর তাঁর আর কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি। দলটি ১৯৮০র দশকের শেষে বা ১৯৯০য়ের দশকের শুরুতে বিলোপকৃত বলে ভাবা হয়।
১৯৬০ প্রতিষ্ঠা করা হল পেট্রোলিয়াম ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
সেপ্টেম্বর সৌদি আরব অন্য তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর সাথে মিলে গঠন করল অর্গানাইজেশন অফ পেট্রোলিয়াম এক্সপোর্ট কান্ট্রিজ (ওপেক)।
ডিসেম্বর যুবরাজ ফয়সালের কাছ থেকে সরকারের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেলেন বাদশা সৌদ।
রাজা সৌদ একটি রাজকীয় ডিক্রি জারি করলেন যা সারা দেশে মেয়েদের জন্য সরকারি বিদ্যালয়গুলোতে পড়ার পথ খুলে দিল।
১৯৬১ প্রতিষ্ঠা করা হল শ্রম ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়।
জানুয়ারি “লিবারেল প্রিন্সদের” প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করে মন্ত্রিপরিষদ পুনর্গঠন করলেন বাদশা সৌদ।
সেপ্টেম্বর ইরাকি আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য আরব লীগ শান্তিরক্ষী বাহিনীর অংশ হিসেবে কুয়েতে পৌঁছাল সৌদি সামরিক ইউনিট। ১৯৬৩ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত কুয়েতে থাকবে তাঁরা। বাদশা সৌদের মন্ত্রিপরিষদে রদবদল, “লিবারেল প্রিন্সরা” নির্বাসিত।
১৯৬২ বাদশা সৌদের জারি করা এক রাজকীয় ডিক্রি সৌদি আরবে দাসপ্রথা আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত করল।
প্রতিষ্ঠা করা হল হজ বিষয়ক ও আওকাফ মন্ত্রণালয়।
দাহরানে মার্কিন বিমান ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ রাজকীয় সৌদি বিমান বাহিনীর হাতে ফিরে এল।
মার্চ চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে থাকা বাদশা সৌদের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে যুবরাজ ফয়সালকে উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে পুনর্বহাল করা হল।
সেপ্টেম্বর আলজেরিয়া যুদ্ধের অবসান ঘটানো এভিয়ান চুক্তির একটা ফল হিসেবে ফ্রান্সের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপন করল সৌদি আরব।
২৬ ইয়েমেন বিপ্লবের প্রচেষ্টা, দেশটিতে গৃহযুদ্ধ শুরু হল। নতুন প্রজাতন্ত্রকে সমর্থন দিল প্রেসিডেন্ট নাসেরের মিসর। এর প্রতিক্রিয়ায় ক্ষমতাচ্যুত ইমাম ও তাঁর রাজকীয় সমর্থকদের সমর্থন দিল সৌদি আরব।
অক্টোবর যুবরাজ ফয়সালকে আবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এবং ফয়সালের সৎ ভাই খালিদকে উপ-প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিতে বাদশা সৌদকে বাধ্য করল আল সৌদ পরিবার।
নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে একটি ১০ দফা সংস্কার পরিকল্পনা ঘোষণা করলেন যুবরাজ ফয়সাল। যার মধ্যে ছিল একটি সংবিধান জারি করা, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠা, ও একটি স্বাধীন বিচার বিভাগ গঠনের ওয়াদা।
ডিসেম্বর কায়রোতে গঠিত হল আরব ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট।
১৯৬৩ প্রতিষ্ঠা করা হল তথ্য মন্ত্রণালয়। ব্রিটেনের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হল।
১৯৬৪ মার্চ ২৩ উলামারা ফতোয়া দিলেন, বাদশা সৌদ অযোগ্য শাসক।
নভেম্বর ২ ৬৮ জন প্রিন্সের সই করা একটি রাজকীয় ঘোষণাপত্র ক্ষমতা বাদশা সৌদের কাছ থেকে যুবরাজ ফয়সালের কাছে হস্তান্তরিত করল। ক্ষমতাচ্যুত হয়ে গ্রিসে নির্বাসনে গেলেন সৌদ। উত্তরাধিকারী হলেন বাদশা ফয়সালের সৎ ভাই খালেদ।
হজ পালন করলেন ম্যালকম এক্স।
১৯৬৪-৭৫ ফয়সাল বিন আবদুল আজিজের রাজত্ব।
১৯৬৫ তৈরি করা হল কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা সংস্থা।
নাসের আল সাঈদ, তারিখ আল সাউদ।
১৯৬৬ নভেম্বর-ফেব্রুয়ারি ১৯৬৭ সৌদি আরবের ভেতরে বোমা হামলা চালাল ভূগর্ভস্থ বিরোধী দলগুলো।
১৯৬৭ জুন তৃতীয় আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ।*
* এই যুদ্ধে সৌদি আরব নামেমাত্র অংশ নেয়।
আরামকো শ্রমিকদের তৎপরতায় সাময়িকভাবে তেল রপ্তানি ব্যাহত।
আগস্ট খার্তুম সম্মেলন। ইয়েমেন নিয়ে মিসর-সৌদি মতবিরোধের নিরসন। আরব রাষ্ট্রগুলোকে আর্থিক ভর্তুকি দেয়ার ওয়াদা করল সৌদি আরবসহ বিভিন্ন আরব তেল উৎপাদনকারী দেশ।
দেশটির প্রথম বাঁধাইকৃত সড়কের (জেদ্দা-রিয়াদ) নির্মাণকাজ সমাপ্ত।
১৯৬৯ সেপ্টেম্বর মিসরের সাথে সৌদি আরবের পুনর্মিলন। সৌদি সরকারের বিরুদ্ধে কথিত ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা ফাঁস। গণগ্রেপ্তার, চলবে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত।
১৯৭০ প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা।
প্রতিষ্ঠা করা হল ন্যায়বিচার মন্ত্রণালয়।
সৌদি আরবে নারীদের জন্য প্রথম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান রিয়াদ কলেজ অফ এডুকেশন খোলা হল।*
*পরে প্রতিষ্ঠানটির নাম বদলে প্রিন্সেস নুরাহ বিনতে আবদুলরহমান ইউনিভার্সিটি (পিএনইউ) রাখা হয়।
১৯৭২ আরামকোর ২০ শতাংশ শেয়ার লাভ করল সৌদি আরব, এতে মার্কিনীদের ওপর তাদের নির্ভরতা হ্রাস পেল।
গঠিত হল আরব সোশালিস্ট অ্যাকশন পার্টি – অ্যারাবিয়ান পেনিনসুলা।*
* দলটি ফিলিস্তিনের পিএফএলপির সাধারণ সম্পাদক জর্জ হাবাশের নিখিল আরব রাজনৈতিক দল আরব সোশালিস্ট অ্যাকশন পার্টির অংশ ছিল। ১৯৭৫ সাল নাগাদ সম্পর্ক দুর্বল হয়ে আসে। ১৯৭৮ সালে পিএফএলপির সাথে আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ ঘটে।
১৯৭৩ চতুর্থ আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ।*
* এই যুদ্ধে পশ্চিমা দেশগুলো ইসরায়েলকে সমর্থন দেয়। ভিয়েনায় ওপেক রাষ্ট্রসমূহ ও তেল কোম্পানির প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা অনির্ধারিতভাবে শেষ হল। উপসাগরীয় তেল উৎপাদনকারীরা একতরফাভাবে দাম বৃদ্ধি করল। যুদ্ধের ফলে সৌদি আরব সহ আরব তেল উৎপাদনকারীরা তেল রপ্তানিতে বাধ্যতামূলক হ্রাস ঘোষণা করল। এতে তেলের দাম চার গুন বেড়ে গেল। যুক্তরাষ্ট্র ও নেদারল্যান্ডসে তেল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিল। যা পরবর্তীতে পর্তুগাল, রোডেশিয়া, ও দক্ষিণ আফ্রিকা পর্যন্ত প্রসারিত হয়।
১৯৭৪ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আরব তেল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত গৃহীত।
জুন যুক্তরাষ্ট্র সফর করলেন সৌদি আরবের দ্বিতীয় উপপ্রধানমন্ত্রী ফাহাদ বিন আবদুল আজিজ। তৈরি হল সৌদি-মার্কিন যৌথ কমিশন।
জেদ্দার রাজা আবদুল আজিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে সৌদি স্থপতি সামি আনগাওয়ি কর্তৃক দ্য হজ রিসার্চ সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হল।
১৯৭৫ মার্চ ২৫ রিয়াদে বাদশা ফয়সালকে হত্যা করলেন তাঁর ভাগ্নে প্রিন্স ফয়সাল বিন মুসা’ইদ। হত্যাকারীকে পরে শিরশ্ছেদ করা হয়। নতুন বাদশা হলেন ফয়সালের সৎ ভাই খালেদ, উত্তরাধিকারী ফাহাদ।
আগস্ট ৩১ গঠিত হল সৌদি আরবের কমিউনিস্ট পার্টি।*
* মতাদর্শিকভাবে মস্কোপন্থী ছিল। ১৯৯১ সালে সৌদি সরকার রাজবন্দীদের মুক্তি দিলে বিনিময়ে দলটি বিলুপ্ত করে দেয়া হয়। সৌদি কমিউনিস্টদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে, দেখুন, (Al-Sudairi 2019; Matthiesen 2020)।
অক্টোবর মন্ত্রিপরিষদ পুনর্গঠন করা হল। ২০ জন মন্ত্রী, দপ্তরবিহীন মন্ত্রী ৩ জন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রিপরিষদের প্রধান হলেন বাদশা খালেদ, তাঁর উত্তরাধিকারী ফাহাদ হলেন প্রথম উপপ্রধানমন্ত্রী, আবদুল্লাহ দ্বিতীয় উপপ্রধানমন্ত্রী।
বাদশা ফয়সালের মৃত্যুর পর প্রতিষ্ঠা করা হল উচ্চশিক্ষা, শিল্প ও বিদ্যুৎ, পৌরসভা ও গ্রামীণ বিষয়ক, পরিকল্পনা, গণপূর্ত ও গৃহায়ন, এবং ডাক, টেলিফোন ও টেলিগ্রাফ মন্ত্রণালয়।
মিনার হজ ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডে ২০০ হাজীর মৃত্যু।
১৯৭৫-৮২ খালেদ বিন আবদুল আজিজের রাজত্ব।
১৯৭৬ মার্চ দক্ষিণ ইয়েমেনের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হল।
মে সৌদি আরবের কাছে এফ-১৫ যুদ্ধ বিমান বেচার অনুমোদন দিল মার্কিন কংগ্রেস।
১৯৭৮ সৌদি আরবের শীর্ষ আলেমদের কাউন্সিল একটি ফতোয়া দেয়, যা দেশটির বর্জ্যপানির পুনঃব্যবহার প্রক্রিয়া চালু করাকে বৈধতা দেয়।
১৯৭৯ মিসরের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করল সৌদি আরব।
নভেম্বর ২১-৫ ডিসেম্বর নব্য ইখওয়ানি জুহাইমান আল-ওতায়বির অনুসারীরা মক্কার পবিত্র মসজিদ দুই সপ্তাহ ধরে ঘেরাও করে রাখল। ফ্রান্সের সহায়তায় বিদ্রোহ দমন করে সৌদি আরব। বিদ্রোহীদের নেতা আল-ওতায়বি ও তার ৬৭ জন অনুসারীর শিরশ্ছেদ করা হয়।
ইরানি বিপ্লবের অনুপ্রেরণায় সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে শিয়াদের সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, ১৯৮০ সাল জুড়ে যা চলমান থাকে।
১৯৮০ মার্কিনীদের কাছ থেকে আরামকোর ১০০% নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিল সৌদি আরব, ব্যাকডেট করে ১৯৭৬ সাল থেকে দেখানো হয়।
কার্টার ডকট্রিন। যার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র তেল সরবরাহ রক্ষার জন্য প্রয়োজনে উপসাগরে হস্তক্ষেপ করার ইচ্ছা প্রকাশ করে।
পানি দূষণ রুখতে একটি রাজকীয় ডিক্রি জারি।
১৯৮০-৮৯ এই দশক থেকে ওপেক-বহির্ভূত দেশগুলোতে নতুন তেল আবিষ্কার হওয়ার ফলে আন্তর্জাতিকভাবে তেলের দামের ওপর একক নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে সৌদি আরব। আধুনিকায়ন ও রাজপরিবারের বিলাসবহুল জীবনযাপনের খরচা মেটাতে হয় বলে বিশ্বে তেলের দর পড়ে গেলে তা সৌদি অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিপুল তেল সম্পদের মালিক হওয়া সত্ত্বেও বহু আন্তর্জাতিক ব্যাংকের কাছে ঋণগ্রস্ত সৌদ পরিবার।
১৯৮১ মে ১৯ রিয়াদে দুটি বোমা বিস্ফোরণে ১ ব্যক্তি নিহত।
২৫ আবু ধাবিতে পারস্য উপসাগরীয় ৬টি রাষ্ট্র (বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ও সৌদি আরব) নিয়ে গঠিত হল গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল (জিসিসি)।
সৌদি আরবের কাছে ৫টি আওয়াকস রাডার-বিমান বেচল যুক্তরাষ্ট্র।
১৯৮২ হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেলেন বাদশা খালেদ। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন তাঁর সৎ ভাই ফাহাদ। উত্তরাধিকারী আবদুল্লাহ।
১৯৮২-২০০৫ ফাহাদ বিন আবদুল আজিজের রাজত্ব।
১৯৮৪ এপ্রিল রাজপরিবারের সমালোচনা করে একটি কবিতা প্রকাশের দায়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী গাজী আল-কুসাইবিকে বরখাস্ত করা হল।
জুন সৌদি আকাশসীমায় অনুপ্রবেশকারী একটি ইরানি এফ-৪ যুদ্ধবিমানকে গুলি করে ভূপাতিত করল রাজকীয় সৌদি বিমান বাহিনী।
আবদুলরহমান মুনিফ, সিটিজ অফ সল্ট।
১৯৮৫ আল ইয়ামামা-১ চুক্তি। ব্রিটিশ অ্যারোস্পেস টর্নেডো যুদ্ধ বিমানের অর্ডার দিল সৌদি আরব।
১৯৮৬ রাজা ফাহাদ কাস্টোডিয়ান অফ দ্য টু হোলি মস্কস (মক্কার মসজিদুল হারাম আর মদিনার মসজিদে নববী) উপাধি নিলেন।
বাদশা ফাহাদ কজওয়ে খুলে দেয়া হল, যা পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশকে বাহরাইনের সাথে যুক্ত করে।
অক্টোবর তেল ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী আহমেদ জাকি ইয়ামানিকে বরখাস্ত করা হল।
১৯৮৭ মিসরের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক চালু করল সৌদি আরব।
মে সৌদি আরবের তেলসমৃদ্ধ ও সংখ্যালঘু শিয়া অধ্যুষিত পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে গঠিত হল হিজবুল্লা আল-হিজাজ।*
* দলটি ইরানের ইসলামি বিপ্লব রফতানি নীতির অংশ। ১৯৮৭-৮৯ কালপর্বে সৌদি আরবের ভেতরে ও বাইরে সৌদি লক্ষ্যবস্তুদের ওপর গেরিলা হামলা চালায়। ২০১৪ সালের ৭ মার্চ হিজবুল্লা আল-হিজাজকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করে নিষিদ্ধ করা হয়।
জুলাই ৩১ মক্কায় হজ চলাকালে ইরানি হাজিদের সাথে সৌদি আরবের নিরাপত্তা বাহিনীর ভয়াবহ সংঘাতে ৪০২ জন হাজীর মৃত্যু।
আগস্ট ১৫ পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে প্রাকৃতিক গ্যাস প্ল্যান্টে বিস্ফোরণ।
১৯৮৮ আল ইয়ামামা-২ চুক্তি। সামরিক সরঞ্জাম ও বিমান ঘাঁটি নির্মাণের জন্য চুক্তিবদ্ধ হল ব্রিটেন ও সৌদি আরব।
মার্চ সৌদি সরকার কর্তৃক চীনা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র অধিগ্রহণের নিন্দা জানাল যুক্তরাষ্ট্র। প্রতিক্রিয়ায়, রিয়াদ মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিউম হোরানকে persona non grata ঘোষণা করে। রা’স তানুরাহ শোধনাগারে ও আল-জুবাইলের পেট্রোকেমিক্যাল প্ল্যান্টে বিস্ফোরণ।
সেপ্টেম্বর মার্চের বিস্ফোরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে ৪ সৌদি শিয়া নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হল।
১৯৯০ জুলাই ২১ গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করল সৌদি আরব।
আগস্ট ২ সীমান্ত ও তেল ইস্যুতে আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর কুয়েতে হামলা চালাল ইরাক।
সেপ্টেম্বর ১৭ সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে ১৯৩৮ সাল থেকে স্থগিত থাকা কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপন করল সৌদি আরব।
ইরাকের কুয়েত আগ্রাসনের নিন্দা জানাল সৌদি আরব। মার্কিন হস্তক্ষেপ কামনা করল। মিনার সাথে মক্কার মসজিদুল হারামকে সংযুক্ত করা টানেলে ১৪২৬ জন হাজীর মৃত্যু।
১৯৯১ পারস্য উপসাগরীয় যুদ্ধ।*
* ইরাকে বিমান হামলা আর কুয়েতে ভূমি অভিযান উভয় প্রক্রিয়ায় শামিল ছিল সৌদি আরব।
জানুয়ারি ১৬ ইরাকের বিরুদ্ধে অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম শুরু হল।
মার্চ ২৬ সৌদি আরব ও ইরানের কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপিত হল।
জুন ১৯৭৯ সালের ইরানি বিপ্লবের পর তেহরান সফরকারী প্রথম ঊর্ধ্বতন সৌদি কর্মকর্তা হলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৌদ আল-ফয়সাল।
১৯৯২ মার্চ ১ সৌদি আরবের জন্য একটি মৌলিক আইন প্রতিষ্ঠা এবং ৬ মাসের মধ্যে ৬০ সদস্যের একটি মজলিস আল-শুরা (পরামর্শদাতা পরিষদ) প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিলেন বাদশা ফাহাদ।
সেপ্টেম্বর ১৭ প্রস্তাবিত মজলিস আল-শুরার স্পিকার নিযুক্ত হলেন ন্যায়বিচারমন্ত্রী মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন জুবায়ের।
৩০ একটি কাতারি সীমান্ত চৌকিতে হামলা চালিয়ে অন্তত ১ ব্যক্তিকে হত্যা করল সৌদি বাহিনী।
ডিসেম্বর মিসরের মধ্যস্ততায় বিরোধ নিরসন, জিসিসি সম্মেলন বয়কটের হুমকি প্রত্যাহার করল কাতার।
২১ বাদশা ফাহাদ তাঁর ভাষণে সৌদি আরবের ধর্মীয় চরমপন্থী ও তাঁদের বিদেশি মদতদাতাদের সমালোচনা করলেন। সিনিয়র উলামার সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষের ৭ সদস্য বরখাস্ত।
১৯৯৩ সৌদি আরবকে ১৩টি প্রশাসনিক অঞ্চলে ভাগ করার জন্য ডিক্রি জারি করলেন রাজা ফাহাদ।
মার্চ ৯ সৌদি আরবের উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্তে একটি ইরাকি শরণার্থী শিবিরে দাঙ্গায় ১৩ ব্যক্তি নিহত।
মে ৩ রিয়াদে গঠিত হল দ্য কমিটি ফর দ্য ডিফেন্স অফ লেইজিটিমেট রাইটস (সিডিএলআর)।
১৩ সিডিএলআর অবৈধ ঘোষিত হল, সদস্যরা চাকরিচ্যুত হলেন।
জুলাই ১১ সৌদি আরবের মুফতি নিযুক্ত হলেন শায়খ আবদুল আজিজ বিন বাজ।
আগস্ট ২১ দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুত মজলিস আল-শুরার (পরামর্শদাতা পরিষদ) ৬০ জন সদস্যকে নিয়োগ করলেন বাদশা ফাহাদ।
সেপ্টেম্বর ১৩ জেদ্দায় বাদশা ফাহাদের প্রাসাদ গেটে একাকী বন্দুকধারীর গুলিবর্ষণ।
অক্টোবর ৪ ইসরায়েল-পিএলও চুক্তির পর প্রতিষ্ঠিত ২ বিলিয়ন ডলারের ফিলিস্তিনি উন্নয়নের জন্য আন্তর্জাতিক তহবিলে ১০০ মিলিয়ন ডলার দান করল সৌদি আরব।
১৯৯৪ মে ১৭ যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে গেলেন সৌদি কূটনীতিক মুহাম্মদ আল-খিলাউই। রাজনৈতিক আশ্রয় লাভ করলেন। ২ মাস পরে ব্রিটেনে পালিয়ে গেলেন আরেক কূটনীতিক আহমাদ আল-জাহরানি।
সেপ্টেম্বর শতাধিক ইসলামি ভিন্নমতাবলম্বীকে গ্রেপ্তার করল নিরাপত্তা বাহিনী। অনেকেই আল-কাসিম অঞ্চলের। সালমান আল-আওদা আর সফর আল-হাওয়ালি এঁদের অন্তর্গত।
সৌদি আরবে সরকারি দুর্নীতির বিরুদ্ধে বুরাইদা অভ্যুত্থান। ওসামা বিন লাদেনের সৌদি নাগরিকত্ব কেড়ে নেয়া হল।
১৯৯৫ জানুয়ারি ২ ব্যয় সংকোচন বাজেটের অংশ হিসেবে পানি, টেলিফোন চার্জ, পেট্রোল, ও অভ্যন্তরীণ বিমান ভ্রমণের খরচ বৃদ্ধির ঘোষণা দিল সৌদি আরব সরকার।
মে সৌদি আরবে একজন মিসরীয় স্কুলশিক্ষককে অপরাধ সংঘটনের অভিযোগে শাস্তি হিসেবে বেত্রাঘাতের ঘটনা মিশর এবং রাজ্যের মধ্যে একটি সংক্ষিপ্ত সংকটের জন্ম দিল।
জুন ১৯ মার্কিন নির্মাতা বোয়িং ও ম্যাকডোনেল ডগলাসের কাছ থেকে ৬ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি দামের ৬১টি বাণিজ্যিক বিমান কেনার ঘোষণা দিল সৌদি আরব এয়ারলাইন্স।
জুলাই ৫ ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার (১৯৯৫-২০০০) বিস্তারিত প্রকাশিত হল। পরিকল্পনায় তেলনির্ভরতা থেকে সরে গিয়ে ক্রমহ্রাসমান সরকারি রাজস্ব ও অর্থনৈতিক বৈচিত্র্যের সাথে সামঞ্জস্য বিধান করে ব্যয় সংকোচনের ওপর জোর দেয়া হল। পরিকল্পনার জীবনকালে ২৫৮ বিলিয়ন ডলার খরচ করা হয়।
আগস্ট ২ মন্ত্রিপরিষদে দুই দশকের মধ্যে সবচে ব্যাপক রদবদল।
নভেম্বর ১৩ রিয়াদে মার্কিন সামরিক কর্মীদের দ্বারা ব্যবহৃত একটি ন্যাশনাল গার্ড ফ্যাসিলিটিতে গাড়ি বোমা হামলা। ৭ ব্যক্তির মৃত্যু।
১৯৯৬ সৌদি আরবে এক সামরিক ঘাঁটিতে বোমা হামলায় ১৯ জন মার্কিনীর মৃত্যু।
মার্চ ২৭ লিবিয়াগামী একটি মিসরীয় বিমান ছিনতাই করলেন ৩ সৌদি ব্যক্তি।
এপ্রিল ১ যুক্তরাষ্ট্রে সৌদি রাষ্ট্রদূত গাজী আল-কুসাইবি ব্রিটিশ সরকারকে সতর্ক করে দিয়ে বললেন, দেশটিকে সৌদি ভিন্নমতাবলম্বী ড. মুহাম্মদ আল-মাস’আরিকে বহিষ্কার করতে হবে। নইলে রাজ্যের সাথে মিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হারাতে হবে। পরবর্তীতে একটি ব্রিটিশ আদালত আল-মাস’আরির নির্বাসন আদেশ বাতিল করে।
২২ আগের বছরের নভেম্বরের গাড়ি বোমা হামলার দায় সৌদি টেলিভিশনে এসে স্বীকার করলেন ৪ সৌদি নাগরিক। দাবি করলেন, তাঁরা সিডিএলআর ও ওসামা বিন লাদেন কর্তৃক প্রভাবিত হয়েছিলেন।
মে ৩১ ৪ সৌদি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হল।
জুন ২৬ আল-খুবারের একটি মার্কিন সামরিক আবাসনে এক ট্রাক বোমা হামলায় ১৯ মার্কিনীর মৃত্যু। হামলাকারীদের পরিচয় জানা যায়নি। তবে, আন্দাজ করা হয়, তাঁরা ইরানের মদতপুষ্ট সৌদি শিয়া ছিলেন।
জুলাই ৫ সৌদি আরব সফর করলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট জ্যাক শিরাক।
আগস্ট ১১ জেদ্দায় বাদশা ফাহাদের সাথে দেখা করলেন জর্দানের রাজা হোসেন। ১৯৯০ সালের পর প্রথমবারের মত দুই দেশের শাসকদের মধ্যে দেখা হল। কুয়েতে ইরাকের সাদ্দাম হোসেনের আক্রমণে জর্দানের আপাত সমর্থন নিয়ে সৌদি আরবের অসন্তোষ ছিল।
নভেম্বর ১৭ অপ্রত্যাশিত বৃষ্টিপাত ও ঝড়ো হাওয়ায় সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলে কমপক্ষে ৩ জন নিহত হলেন, ২৪ মিলিয়ন ডলারের ক্ষয়ক্ষতি।
১৯৯৭ মার্চ ১২ ১৯৮৯ সালের পর প্রথমবারের মত একজন ঊর্ধ্বতন সৌদি কর্মকর্তা হিসেবে দ্বিতীয় উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষা ও জাতীয় বিমান পরিবহন মন্ত্রী প্রিন্স সুলতান বিন ‘আবদুল আজিজের ব্রিটেন সফর।
এপ্রিল ১৬ হজ চলাকালে মক্কার এক হাজী ক্যাম্পের গ্যাস সিলিন্ডারে আগুন লেগে ৩৪৩ জন হাজীর মৃত্যু।
জুলাই ৬ দ্বিতীয় মেয়াদে পুনর্গঠন করা হল মজলিস আল-শুরা (পরামর্শদাতা পরিষদ)। পূর্বের ৩০ সদস্য বহাল থাকলেন। নতুন ৬০ জন সদস্যকে নিয়োগ দেয়া হল।
সেপ্টেম্বর ৭ কায়রোতে মৃত্যুবরণ করলেন প্রাক্তন তেলমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল-তারিকি।
ডিসেম্বর ১০-১১ তেহরানে ওআইসি সম্মেলনে ইরানি প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ খাতামির সাথে আলোচনা করলেন মসনদের উত্তরাধিকারী প্রিন্স আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ।
সৌদি আরব মাইনিং কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠা করা হল।
১৯৯৮ ফেব্রুয়ারি ২১ ইরানের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আকবর হাশেমি রাফসানজানির ১০ দিনের সৌদি আরব সফর শুরু। ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর ইরানের কোনও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার এটিই প্রথম সৌদি সফর।
এপ্রিল ৯ মক্কায় বার্ষিক হজ চলাকালে পদদলিত হয়ে নিহতের সংখ্যা সরকারি হিসেবে ১১৮ জনে পৌঁছাল।
মে ১৩ বাদশাহ ফাহাদ বিন আবদুল আজিজ তাঁর কনিষ্ঠ পুত্র আবদুল আজিজকে দপ্তরবিহীন প্রতিমন্ত্রী মনোনীত করলেন। দুই মাস পর আবদুল আজিজ তাঁর বাবার পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রে এক সরকারি সফরে গেলেন।
১৬ ইরানের প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ খাতামির ৩ দিনের সৌদি আরব সফর শুরু। ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর এটি কোনও ইরানি নেতার প্রথম সফর।
সেপ্টেম্বর ১৫ প্রিন্স আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজের একটি দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সফর শুরু হল। লন্ডনে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের সাথে সাক্ষাৎ করলেন। সফরের পরবর্তী স্টপেজগুলো ছিল ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন।
২২ সৌদি আরব ঘোষণা করল, ক্ষমতাসীন তালেবান সরকার ওসামা বিন লাদেনকে সৌদি সরকারের কাছে হস্তান্তর করতে ব্যর্থ হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় তাঁরা আফগানিস্তান থেকে তাদের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সকে প্রত্যাহার করছে।
২৬ ওয়াশিংটনে মার্কিন তেল কোম্পানির নির্বাহীদের সাথে সাক্ষাৎ করলেন প্রিন্স আবদুল্লাহ। মার্কিন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সৌদি আরবের তেল ও গ্যাস শিল্পে বিনিয়োগের জন্য আমন্ত্রণ জানালেন।
অক্টোবর ১৫ বেইজিংয়ে চীনা প্রেসিডেন্ট জিয়াং জেমিনের সাথে সাক্ষাৎ করলেন প্রিন্স আবদুল্লাহ।
১৯৯৮ ডিসেম্বর ৭-৯ মাস্কাটে জিসিসি শীর্ষ সম্মেলনে সৌদি আরবের জামিল আল-হুজাইলানকে জিসিসির মহাসচিব হিসেবে ৩ বছর মেয়াদে নির্বাচিত করা হল।*
* এপ্রিল ১, ১৯৯৯ থেকে কার্যকর ধরে নিতে হবে।
১৯৯৯ মার্চ ১৫ ওপেক ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক তেল রপ্তানিকারকদের মধ্যে একটি চুক্তির অংশ হিসেবে সৌদি আরব তার অপরিশোধিত তেলের উৎপাদন প্রতিদিন ৫৮৫,০০০ ব্যারেল কমাতে রাজি হল। যার ফলে প্রায় এক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মত মোট উৎপাদন দৈনিক ৮ মিলিয়ন ব্যারেলের নিচে নেমে আসে।
মে ১৩ সৌদি আরবের মুফতি শায়খ আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ বিন বাজ মারা গেলেন, তার স্থলাভিষিক্ত হলেন শায়খ আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ আল-শায়খ।
জুন ১৭ মন্ত্রিসভায় রদবদল করা হল।
জুলাই ২৯ পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের একটি গ্রামে এক বিবাহের তাঁবুতে আগুন লেগে কমপক্ষে ৪৬ জন নিহত।
অক্টোবর-নভেম্বর সৌদি আরব সফর করলেন প্রেসিডেন্ট জিয়াং জেমিন।
অক্টোবর ২৪ প্রথমবারের মত সৌদি আরব সফর করলেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফ।
২৯ কায়রোতে মারা গেলেন বাদশা ফয়সালের শ্যালক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, ও সৌদি বিচার বিভাগের সাবেক প্রধান কামাল আদহাম।
নারীদের জাতীয় পরিচয়পত্র দিতে রাজি হল সৌদি আরব।
২০০০ সৌদি আরবের রাজা ১৮ জন রাজপুত্রকে নিয়ে একটি পারিবারিক কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা করলেন। যার কাজ হবে ভবিষ্যৎ রাজা নির্বাচিত করা ও রাজপরিবারের সদস্যদের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করা। ইউনেস্কো এ বছর দেশটির রাজধানী রিয়াদকে ‘আরব বিশ্বের সাংস্কৃতিক রাজধানী’ বলে স্বীকৃতি দেয়।
২০০১ ৯/১১র সন্ত্রাসবাদী হামলা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই হামলার অজুহাতে আফগানিস্তান আক্রমণ করলেও ১৯ জন হামলাকারীর মধ্যে ১৫ জন সৌদি নাগরিক ছিলেন। সৌদি নারীরা প্রথমবারের মত পরিচয়পত্র পেলেন।
২০০২ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ জুনিয়রের সাথে সাক্ষাৎ করলেন যুবরাজ আবদুল্লাহ।
মাদাওয়ি আল-রাশিদ, আ হিস্ট্রি অফ সৌদি অ্যারাবিয়া।
হামিদ আলগার, ওহাবিজম: আ ক্রিটিকাল এসে।
২০০৩ রিয়াদে এক গুচ্ছ বোমা হামলায় ৯০ জন নিহত ও ১৬০ জন আহত। গণতন্ত্রের দাবিতে মিছিল করেন ৩০০ সৌদি বুদ্ধিজীবী। রাজনৈতিক সংস্কারের দাবিতে রিয়াদে নজিরবিহীন সমাবেশ ঘটে, সৌদি পুলিশ সমাবেশ ভণ্ডুল করে দেয়।
২০০৪ হজ পালনের সময় জামারায় পাথর নিক্ষেপের সময় পদদলিত হয়ে ২৫১ জন হাজির মৃত্যু। জেদ্দায় মার্কিন দূতাবাসে আল কায়েদার হামলা। ইয়ানবু পেট্রোরাসায়নিক কেন্দ্র আর খোবার তেল কোম্পানিও আক্রমণের শিকার হয়।
আস’আদ আবুখলিল, দ্য ব্যাটেল ফর সৌদি অ্যারাবিয়া: রয়ালিটি, ফান্ডামেন্টালিজম, অ্যান্ড গ্লোবাল পাওয়ার।
২০০৫ রাজা ফাহাদের মৃত্যুতে সৌদি আরবের নতুন রাজা হলেন আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ। ১৯৬০য়ের দশকের পর এ বছরই প্রথম দেশটিতে পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যাকে অনেক পর্যবেক্ষকই গণতন্ত্রের আলামত হিসেবে দেখেছিলেন। তবে নারীদের ভোট দিতে দেয়া হয়নি।
দীর্ঘ বারো বছরের সংলাপের পর বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) সদস্যপদ লাভ করল সৌদি আরব।
সৌদি আরবে জোরপূর্বক বিবাহ নিষিদ্ধ করা হল।
জন আর. ব্র্যাডলি, সৌদি অ্যারাবিয়া এক্সপোজড: ইনসাইড আ কিংডম ইন ক্রাইসিস।
২০০৫-১৫ আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজের রাজত্ব।
২০০৬ জানুয়ারি ২৬ জিল্যান্ডস-পোস্টেন কার্টুন বিতর্কের জের ধরে ডেনমার্ক থেকে নিজ রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করল সৌদি আরব।
হজ পালনের সময় জামারায় পাথর নিক্ষেপের সময় পদদলিত হয়ে ৩৪৫ জন হাজির মৃত্যু। গঠিত হল ন্যাশনাল কমিশন ফর হিউম্যান রাইটস। সৌদি আরবের নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে খুন হলেন ছয় আল কায়েদা সদস্য।
চার্লস অ্যালেন, গড’স টেরোরিস্টস: দ্য ওহাবি কাল্ট অ্যান্ড দ্য হিডেন রুটস অফ মডার্ন জিহাদ।
ডেভিড কমিংস, দ্য ওহাবি মিশন অ্যান্ড সৌদি আরব।
রাচেল ব্রনসন, থিকার দ্যান অয়েল: আমেরিকা’জ আনইজি পার্টনারশিপ উইথ সৌদি অ্যারাবিয়া।
২০০৭ সৌদি আরবের রাজা আবদুল্লাহ ভ্যাটিকান সফর করলেন।
ইয়ারোস্লাভ ত্রফিমভ, দ্য সিয়েজ অফ মেক্কা: দ্য ফরগটেন আপরাইজিং ইন ইসলাম’স হোলিয়েস্ট শ্রাইন অ্যান্ড দ্য বার্থ অফ আল কায়েদা।
২০০৮ সৌদি আরব আর কাতারের সীমানা চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হল। মক্কার ইতিহাসের প্রথম আন্তঃধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত হল।
২০০৯ ফেব্রুয়ারি সৌদি আরবের মন্ত্রীসভায় প্রথমবারের মত একজন নারী যোগদান করলেন। নোরা বিনতে আবদুল্লাহ আল ফায়েদ। ২০১৫ সাল পর্যন্ত শিক্ষা উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
সেপ্টেম্বর কিং আবদুল্লাহ ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি প্রতিষ্ঠানটির প্রথম সহশিক্ষা ক্যাম্পাস খুলল।
নভেম্বর জেদ্দা বন্যা, ১২০ ব্যক্তির মৃত্যু।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সৌদি আরব সফর।
মনিরা আল-ঘাদির, ডেজার্ট ভয়েসেস: বেদুঈন উইমেন’স পোয়েট্রি ইন সৌদি অ্যারাবিয়া।
২০১০ ফেব্রুয়ারি পারিবারিক আদালতে নারীদের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য মহিলা আইনজীবীদের অনুমতি দিল সৌদি সরকার।
এপ্রিল একটি নতুন ধাঁচের আইডি কার্ড জারি হল, যা সৌদি নারীদের কোন পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি ছাড়াই জিসিসিভুক্ত দেশগুলো সফর করার অনুমতি দিল।
সৌদি আরবে ৬০ বিলিয়ন ডলার মূল্যমানের অস্ত্র বিক্রি করার পরিকল্পনা ঘোষণা করলেন মার্কিন কর্মকর্তারা। এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের বৃহত্তম একক অস্ত্র চুক্তি।
আল মাকিন, রিপ্রেজেন্টিং দ্য এনিমি: মুসাইলামা ইন মুসলিম লিটারেচার।
টবি ক্রেইগ জোনস, ডেজার্ট কিংডম: হাউ অয়েল অ্যান্ড ওয়াটার ফোর্জড মডার্ন সৌদি অ্যারাবিয়া।
থমাস হেগামার, জিহাদ ইন সৌদি অ্যারাবিয়া: ভায়োলেন্স অ্যান্ড প্যান-ইসলামিজম সিন্স ১৯৭৯।
২০১১ আরব বসন্ত। সৌদি আরবে এর প্রভাব ঠেকাতে কল্যানমূলক ব্যয় বাড়িয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন রাজা আবদুল্লাহ। সৌদি সহায়তায় শিয়া বিদ্রোহ দমন করল বাহরাইন।
ফেব্রুয়ারি ১০ গঠিত হল ইসলামিক উম্মা পার্টি। পার্টির সাধারণ সম্পাদক ড. আবদুল্লাহ আল-সালিম। সদরদপ্তর রিয়াদে।
১৮ পার্টির অধিকাংশ সহ-প্রতিষ্ঠাতাকে গ্রেপ্তার করল সৌদি কর্তৃপক্ষ।
অ্যান্ড্রু স্কট কুপার, দ্য অয়েল কিংস: হাউ দ্য ইউ.এস., ইরান, অ্যান্ড সৌদি অ্যারাবিয়া চেঞ্জড দ্য ব্যালেন্স অফ পাওয়ার ইন দ্য মিডল ইস্ট।
২০১২ মার্চ ৭ সৌদি আরবকে একটি অস্ত্র কারখানার পরিকল্পনা তৈরিতে সুইডেন সহায়তা করছে বলে প্রতিবেদনে প্রকাশ।
সৌদি আরব প্রথমবারের মত দেশটির নারী অ্যাথলেটদেরকে অলিম্পিক গেমসে অংশ নেয়ার অনুমতি দিল।
ডেভিড কমিংস, দ্য গালফ স্টেটস: আ মডার্ন হিস্ট্রি।
নিল গ্রিন, সূফীজম: আ গ্লোবাল হিস্ট্রি।
২০১৩ জানুয়ারি ৯ আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সত্ত্বেও, শ্রীলঙ্কান গৃহকর্মী রিজানা নাফিককে তাঁর জিম্মায় থাকা একটি শিশু হত্যার দায়ে শিরশ্ছেদ করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হল।
টবি ম্যাথিয়েসেন, সেক্টারিয়ান গালফ: বাহরাইন, সৌদি অ্যারাবিয়া, অ্যান্ড দ্য আরব স্প্রিং দ্যাট ওয়াজন’ন্ট।
মাদাওয়ি আল-রাশিদ, আ মোস্ট মাসকুলিন স্টেট: জেন্ডার, পলিটিকস, অ্যান্ড রিলিজিয়ন ইন সৌদি অ্যারাবিয়া।
ক্রিস্টোফার এম. ডেভিডসন, আফটার দ্য শেখস: দ্য কামিং কলাপস অফ দ্য গালফ মোনার্কিজ।
২০১৪ ফেব্রুয়ারি ৮ মদিনার এক হোটেলে আগুন লেগে ১৫ জন মিসরীয় হাজির মৃত্যু।
মার্চ ৭ মুসলিম ব্রাদারহুড ও আল-কায়েদাকে সন্ত্রাসী সংগঠন বলে ঘোষণা করল সৌদি সরকার এবং এই বলে সতর্ক করে দিল যে, এসব সংগঠনে যোগ দিলে ৩০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
এপ্রিল ২১ ২০০৩ সালে রিয়াদে বোমা হামলার সাথে যুক্ত থাকার দায়ে ৫ ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হল।
২২ মার্স করোনাভাইসের সংক্রমণে ৮১ জনের মৃত্যু হলে সৌদি স্বাস্থ্যমন্ত্রী আবদুল্লাহ বিন আবদুলআজিজ আল রাবিয়াহকে বরখাস্ত করা হল।
২৭ মার্স করোনাভাইরাসের সংক্রমণে আরো ৮ ব্যক্তির মৃত্যু।
মে ১৯ লিবিয়ায় নিরাপত্তাজনিত কারণে সৌদি আরব তার ত্রিপোলি দূতাবাস বন্ধ ঘোষণা করল।
জুন ৩ সৌদি আরব ১১৩ জন মার্স আক্রান্তের কথা ঘোষণা করল, মৃতের সংখ্যা ২৮২ জনে উন্নীত করল এবং দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বরখাস্ত করেছে।
১০ ইরাকের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মসুলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইরাক ও সিরিয়ার একাংশে খেলাফত ঘোষণা করল কথিত ইসলামিক স্টেট গ্রুপ (আইসিস)।
জুলাই ৩ ইরাকি সরকারি বাহিনী সৌদি-ইরাক সীমান্ত এলাকা থেকে সরে যাওয়ার পর সৌদি আরব সেখানে ৩০,০০০ সেনা মোতায়েন করল।
আগস্ট ৬ লেবাননের সিরিয়া সীমান্তে স্বঘোষিত জিহাদিদের সাথে লড়তে সাহায্যকল্পে দেশটিকে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদান দিল সৌদি আরব।
সেপ্টেম্বর সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেট গ্রুপের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে বিমান হামলায় আরো চারটি আরব রাষ্ট্রের সাথে অংশ নিল সৌদি আরব।
২ সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করল, তারা আল কায়েদার একটি সেলের সদস্য হওয়া এবং রাজ্যের ভেতরে বাইরে হামলার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ৮৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
অক্টোবর ১৫ সন্ত্রাসী ও মানবাধিকার কর্মীদের বিচারের জন্য গঠিত সৌদি আদালতে শিয়াদের মধ্যে জনপ্রিয় সৌদি আয়াতুল্লা শেখ নিমর আল-নিমরকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হল।
ডিসেম্বর ৭ সন্ত্রাসের দায়ে ১৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হল।
টবি ম্যাথিয়েসেন, দ্য আদার সৌদিজ: শিয়াইজম, ডিসেন্ট অ্যান্ড সেক্টারিয়ানিজম।
২০১৫ জানুয়ারি ৫ সৌদি-ইরাক সীমান্তে খুন হলেন দুই সৌদি সীমান্তরক্ষী।
৯ ‘ইসলাম অবমাননার’ অভিযোগে রাইফ বাদাওয়ি নামের এক মানবাধিকার ব্লগারকে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০০০ দোররা মারার সাজা দিল সৌদি আরব।
২৩ রাজা আবদুল্লাহের মৃত্যু। সৌদি আরবের নতুন রাজা হলেন সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ।* যুবরাজ হলেন মুকরিন বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ।
* একইসাথে তাঁর ২৮ বছর বয়সী ছেলে মোহাম্মদ বিন সালমানকে (এমবিএস) প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদে নিয়োগ দিলেন।
মার্চ ১৫ নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে সৌদি আরবে নিজ দূতাবাস বন্ধ করে দিল যুক্তরাষ্ট্র।
২৫ পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসাবে এমবিএস ইয়েমেন থেকে হুদি বিদ্রোহীদের হঠিয়ে দিয়ে সামরিক অভিযান শুরু করলেন। প্রেসিডেন্ট আবদ-রাব্বুহ মনসুর হাদি ইয়েমেন থেকে পালিয়ে সৌদি আরবে আশ্রয় নিলেন, এবং ইরান-সমর্থিত হুদি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সহায়তা চাইলেন। ইয়েমেন যুদ্ধে সৌদি আরব-নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দিল মিসর, মরক্কো, জর্দান, সুদান, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কাতার ও বাহরাইন।
এপ্রিল ৯ রিয়াদে অন্তত ২ জন পুলিশ কর্মকর্তাকে গুলি করে হত্যা করা হল।
মে ২২ কাতিফের এক শিয়া মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ২২ থেকে ৩০ জন মানুষের মৃত্যু।
২৯ দাম্মামে এক শিয়া মসজিদে বোমা হামলার দায় স্বীকার করল ইসলামিক স্টেট গ্রুপ।
সেপ্টেম্বর ১১ মক্কার মসজিদুল হারামে এক ক্রলার ক্রেন ভেঙে পড়লে তাতে ১১১ ব্যক্তি নিহত ও ৩৯৪ জন জখম হলেন।
২৪ মিনায় পদদলিত হয়ে ২০০০য়েরও বেশি হাজির মৃত্যু।
ডিসেম্বর ২৪ জিজানে এক হাসপাতালে আগুন লেগে অন্তত ২৫ ব্যক্তির মৃত্যু।
ডেভিড কমিংস, ইসলাম ইন সৌদি অ্যারাবিয়া।
লিসা উরকেভিচ, মিউজিক অ্যান্ড ট্র্যাডিশনস অফ দ্য অ্যারাবিয়ান পেনিনসুলা: সৌদি অ্যারাবিয়া, কুয়েত, বাহরাইন, অ্যান্ড কাতার।
২০১৫- সালমান বিন আবদুল আজিজের রাজত্ব।
২০১৬ জানুয়ারি ২ সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের শিয়া ধর্মযাজক আয়াতুল্লাহ শেখ নিমর বকির আল-নিমরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হল। তেহরানে উত্তেজিত জনতা সৌদি দূতাবাসে আগুন ধরিয়ে দিল। ইরাক আর লেবাননেও ব্যাপক প্রতিবাদ দেখা দিল।
৩ ইরানের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করল সৌদি আরব।
৫ সৌদি আরবের তারফিয়া ও আল-হাইর কারাগারগুলো ধবংস করার হুমকি দিল ইসলামিক স্টেট গ্রুপ।
১২ গ্রেপ্তার হলেন সৌদি মানবাধিকার কর্মী সামার বাদাওয়ি।
এপ্রিল ভিশন ২০৩০, তেলের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে অর্থনীতিকে বৈচিত্র্যময় করার একটি মহাপরিকল্পনা প্রকাশ করলেন এমবিএস। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে ব্যক্তিমালিকানায় দেয়ার ঘোষণা এবং ২ ট্রিলিয়ন ডলার মূল্যমানের দুনিয়ার বৃহত্তম একটা সার্বভৌম সম্পদ তহবিল গঠনের ডাক দিলেন। একইসাথে সংস্কৃতি ও বিনোদন খাতে বিনিয়োগের রূপরেখা পেশ করলেন এমবিএস, যা তাঁর একটি “সংস্কারক” ভাবমূর্তি তৈরি করল।
১৬ ইতিহাসের তৃতীয় নারী ও প্রথম আরব নারী হিসেবে উত্তর মেরুতে ডাইভ দিলেন সৌদি আরবের নাগরিক মরিয়ম ফেরদৌস।
অক্টোবর ২৫ দাম্মাম শহরে বন্দুকধারীর গুলিতে ২ নিরাপত্তা কর্মকর্তা নিহত।
জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হল, সৌদি-নেতৃত্বাধীন কোয়ালিশন বাহিনী ইয়েমেনে কয়েকশ শিশুকে খুন ও জখম করেছে।
মিদিয়া বেনজামিন, কিংডম অফ দি আনজাস্ট: বিহাইন্ড দি ইউএস-সৌদি কানেকশন।
২০১৭ জানুয়ারি ২১ জেদ্দায় সৌদি নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে সংঘর্ষের সময় বোমা বিস্ফোরণ ঘটালেন দুই আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী।
ফেব্রুয়ারি ১২ ইয়েমেনের এডেনে এক গাড়িতে বোমা হামলা চালিয়ে ৩ ইয়েমেনি সেনাকে জখম করল একটি সৌদি হেলিকপ্টার।
এপ্রিল রাজকীয় প্রথা ভেঙে যুবরাজ ইস্যুতে পূর্বঘোষণা থেকে সরে এসে এমবিএসকে যুবরাজ ঘোষণা করলেন রাজা সালমান। পত্রপত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হল, মোহাম্মদ বিন নায়েফকে গৃহবন্দী করা হয়েছে, যদিও সৌদি কর্মকর্তারা এই অভিযোগ অস্বীকার গেলেন। যুবরাজ হিসাবে এমবিএসের নাম প্রস্তাবিত হতে না হতেই কাতারের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করল সৌদি আরব। আকাশপথ, জলপথ, ও স্থলপথে অবরোধ আরোপ করল। কারণ দর্শানো হল, ইরানের সাথে কাতারের যোগাযোগ এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীকে মদত দেয়া। সৌদি-নেতৃত্বাধীন জোট কাতারের কাছে আল জাজিরা বন্ধ করে দেয়া ও ইরানের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার দাবি জানাল।
১৮ ইয়েমেনের মারিব গভর্নরেটে একটি ব্ল্যাক হক বিধ্বস্ত হলে এতে ১২ সৌদি সামরিক কর্মকর্তা নিহত হলেন।
২২ তেলের দাম কমে যাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় রাষ্ট্রীয় কর্মচারী ও সামরিক ব্যক্তিবর্গকে আর্থিক ভাতা প্রদানের জন্য রাজকীয় ডিক্রি জারি করলেন রাজা সালমান।
২৫ “মানবাধিকার বিশেষজ্ঞদের মতে জেন্ডার সমতার ক্ষেত্রে সবচেয়ে খারাপ দেশগুলোর একটি” হওয়া সত্ত্বেও, আরো এগারোটি দেশের সাথে জাতিসংঘের নারীর অবস্থা বিষয়ক কমিশনে নির্বাচিত হল সৌদি আরব।
৩০ মদিনার মসজিদুন নববীতে ২০১৬ সালের গ্রীষ্মকালীন বোমাবর্ষণের দায়ে ৪৬ জন সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করার কথা ঘোষণা করল সৌদি আরব।
মে ২০ সৌদি সফর করলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাজ্যের সাথে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি মূল্যের একটি অস্ত্র চুক্তি স্বাক্ষর করলেন।
সেপ্টেম্বর এমবিএস তার সমালোচকদের ক্র্যাকডাউন করতে শুরু করলেন। ২০ জনেরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ শায়খ ও বুদ্ধিজীবীকে আটক করা হল। তাঁদের বিরুদ্ধে “রাজ্যের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে বিদেশি শক্তির সাথে যোগসাজশে” লিপ্ত হওয়া এবং মুসলিম ব্রাদারহুডের মত দলের সাথে যোগাযোগ রাখার অভিযোগ আনা হল।
নভেম্বর রিয়াদের রিজ-কার্লটন হোটেলে ২০০ জনেরও বেশি সৌদি ব্যবসায়ী, যুবরাজ, ও সাবেক কর্মকর্তাদের বন্দী করা হল। আটককৃতদের পরিচিতরা জানালেন, এসময় বন্দীদের ওপর নির্যাতন করা হয়েছে, যার ফলে অন্তত একজন মারা গেছেন। ১৮ মাস ধরে চলে এমবিএসের এই পার্জ।
সৌদি আরবে অবস্থান করা লেবাননের প্রধানমন্ত্রী সাদ হারিরি বিদেশের মাটিতে বসেই পদত্যাগ করলেন। এক সৌদি-মালিকানাধীন টিভি চ্যানেলে ঘটনাটি প্রচারিত হল। পদত্যাগপত্রে হারিরি আরব বিশ্বের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানোর দায়ে ইরানকে দোষারোপ করেন। এই ঘটনায় তাঁর নিজ দেশ লেবাননই শুধু নয়, পুরো আন্তর্জাতিক মহলই ধাক্কা খায়। লেবাননের প্রেসিডেন্ট মাইকেল আউন দাবি করেন, তাঁর দেশের প্রধানমন্ত্রীকে অপহরণ করা হয়েছে। ঘটনার কিছুদিন পর দেশে ফিরে আসেন হারিরি। তার মাসখানেক পর পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করে নেন।
আলেকজান্দার ডি. নিশ, সূফিজম: আ নিউ হিস্ট্রি অফ ইসলামিক মিস্টিসিজম।
২০১৮ জানুয়ারি ১২ কঠোর জেন্ডার পৃথকীকরণ নিয়ম শিথিল করার কারণে প্রথমবারের মতো একটি ফুটবল ম্যাচ দেখতে জড়ো হওয়ার অনুমতি পেলেন সৌদি নারীরা।
২৪ উটকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে বোটক্স ইনজেকশন দেওয়ার খবর প্রকাশিত হলে রিয়াদের কাছে এক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় কয়েক ডজন উটকে অযোগ্য ঘোষণা করা হল।
মার্চ যুবরাজ এমবিএস তাঁর আন্তর্জাতিক সফর শুরু করলেন। এ সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের তদানীন্তন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং জেফ বেজোস, রুপার্ট মারডক, মাইকেল ব্লুমবার্গ, বিল গেটস প্রমুখ বিলিয়নিয়ারদের সাথে সাক্ষাৎ করেন। এই আন্তর্জাতিক সফরে এমবিএস তাঁর বিদেশি বন্ধুদের কাছে একটা “বদলে যেতে থাকা রাজ্যের” ভাবমূর্তি তুলে ধরেন।
২৬ হুথিরা সৌদি আরবের রিয়াদে রকেট হামলা চালালেন। এতে এক মিশরীয় ব্যক্তি নিহত হন। আরও দুইজন আহত হন।
এপ্রিল প্রায় চার দশক ধরে বন্ধ থাকার পর এমবিএসের উদ্যোগে সৌদি আরবে প্রকাশ্যে সিনেমা প্রদর্শনী শুরু হল।
মে সৌদি নারী অধিকারকর্মী লুইজাইন আল-হাথলুলকে গ্রেপ্তার করা হল। তিনি বছরের পর বছর ধরে নারীদের গাড়িচালনার ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। পরের মাসেই এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয়।
জুন ২৪ সৌদি আরব সরকার নারীদের গাড়ি চালানোর উপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল, যা এখন পর্যন্ত দেশটির নারী অধিকারের সবচেয়ে প্রগতিশীল রূপ।
অক্টোবর ইস্তানবুলের সৌদি কনস্যুলেটে খুন হলেন সৌদি সাংবাদিক এবং দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের কলামলেখক জামাল খাশোগি। পরবর্তীকালে সিআইয়ের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে এই হামলার নির্দেশদাতা ছিলেন এমবিএস। সৌদি কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগ অস্বীকার করে।
জন ম্যাকহুগো, আ কনসাইজ হিস্ট্রি অফ সুন্নীজ অ্যান্ড শিয়াজ।
দিলিপ হিরো, কোল্ড ওয়ার ইন দ্য ইসলামিক ওয়ার্ল্ড: সৌদি অ্যারাবিয়া, ইরান অ্যান্ড দ্য স্ট্রাগল ফর সুপ্রিমেসি।
নামিরা নাহুজা, ওহাবিজম অ্যান্ড দ্য রাইজ অফ দ্য নিউ সালাফিস্ট: থিওলজি, পাওয়ার অ্যান্ড সুন্নী ইসলাম।
এলেন আর. ওয়াল্ড, সৌদি, ইনক.: দ্য অ্যারাবিয়ান কিংডম’স পারসুইট অফ প্রফিট অ্যান্ড পাওয়ার।
২০১৯ সৌদি আরবের দুটি তেল শোধনাগারে হামলা হল। ইয়েমেনের হুদি বিদ্রোহীরা এই হামলার দায় নেয়। কিন্তু সৌদি আরব ও তার পশ্চিমা মিত্ররা (ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ও যুক্তরাষ্ট্র) হামলার জন্য ইরানকে অভিযুক্ত করে।
২০২০ সেপ্টেম্বর ২৩ সৌদি আরবে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার ডাক দিয়ে গঠিত হল ন্যাশনাল এসেম্বলি পার্টি (নাস)। পার্টির সাধারণ সম্পাদক ইয়াহিয়া আসিরি, মুখপাত্র মাদাওয়ি আল-রাশিদ। সদরদপ্তর লন্ডনে।
ডেভিড রান্ডেল, ভিশন অর মিরেজ: সৌদি অ্যারাবিয়া অ্যাট দ্য ক্রসরোডস।
রোজি বশির, আর্কাইভ ওয়ারস: দ্য পলিটিকস অফ হিস্ট্রি ইন সৌদি অ্যারাবিয়া।
কিম ঘাত্তাস, ব্ল্যাক ওয়েভ: সৌদি অ্যারাবিয়া, ইরান, অ্যান্ড দ্য ফর্টি-ইয়ার রাইভালরি দ্যাট আনর্যাভেলড কালচার, রিলিজিয়ন, অ্যান্ড কালেকটিভ মেমোরি ইন দ্য মিডল ইস্ট।
২০২১ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ঘোষণা করলেন, সৌদি আরব আর সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কাছে ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে ব্যবহারের জন্য তার দেশ এতদিন যে-অস্ত্র বিক্রি করছিল, তা বন্ধ করা হবে।
ক্রিস্টোফার এম. ডেভিডসন, ফ্রম শেখস টু সুলতানিজম: স্টেটক্রাফট অ্যান্ড অথরিটি ইন সৌদি অ্যারাবিয়া অ্যান্ড ইউএই।
২০২২ জানুয়ারি ২১ ইয়েমেনের সাদার এক কারাগারে সৌদিদের বিমান হামলা। অন্তত ১০০ জন নিহত। জাতিসংঘের নিন্দা।
২৪ সংযুক্ত আরব আমিরশাহির রাজধানী আবু ধাবির ওপর দুটি ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইন্টারসেপ্ট করল দেশটির সামরিক বাহিনী। ইয়েমেন-ভিত্তিক হুথিরা এই হামলার দায় স্বীকার করে। আবু ধাবির নিকটস্থ আল ধাফরা বিমান ঘাঁটিতে মোতায়েন থাকা মার্কিন সেনারা হামলা চলাকালে বাঙ্কারে আশ্রয় নেয়।
ফেব্রুয়ারি ১০ আভা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইয়েমেন-ভিত্তিক হুথিদের চালানো এক বিমান হামলায় ১২ জন নিহত হন।
১৪ ইয়েমেনের সানায় সৌদি-নেতৃত্বাধীন কোয়ালিশন প্রতিশোধমূলক হামলা চালাল।
মার্চ ৩ সৌদি যুবরাজ এমবিএস জানালেন, তাঁর দেশ আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী ইরানের সাথে একটা বোঝাপড়ায় পৌঁছানোর জন্য সংলাপ চালিয়ে যাবে।
১১ এক দশক কারাগারে অতিবাহিত করার পর সৌদি ব্লগার রাইফ বাদাওয়িকে মুক্তি দেয়া হল।
১২ সৌদি আরব ৮১ ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল।
২১ জেদ্দাস্থ আরামকো ফ্যাসিলিটিতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করল হুথিরা।
২৫ হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের শহরগুলোয় ১৬টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাল। একটি বিমান হামলা জেদ্দাস্থ আরামকো ফ্যাসিলিটিতেও আঘাত হানল। যা একটি ফরমুলা ওয়ান রেসিং ট্র্যাকের নিকটস্থ এক তেল স্টোরেজ ফ্যাসিলিটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
২৬ ইয়েমেনে সৌদি-নেতৃত্বাধীন কোয়ালিশন একগুচ্ছ বিমান হামলা চালাল।
২৯ ইয়েমেনে সব সামরিক কর্মকাণ্ড স্থগিত করল কোয়ালিশন।
এপ্রিল ১ জাতিসংঘের দূতিয়ালিতে সৌদি-নেতৃত্বাধীন কোয়ালিশনের সাথে হুথিদের সন্ধি।
২ ইয়েমেনে হুথি আর সৌদি বাহিনীর মধ্যে লড়াইয়ের অবসানকল্পে যুদ্ধবিরতি আলোচনা শুরু।
জুলাই ১৫ সৌদি যুবরাজ এমবিএসের সাথে সাক্ষাৎ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
আগস্ট ৯ টুইটারে ভিন্নমতাবলম্বীদের ফলো করা ও তাঁদের টুইট রিটুইট করার দায়ে সালমা আল-শেহাবকে ৩৪ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হল।
১৬ নিজের সোশাল মিডিয়া পোস্টগুলোর জন্য সৌদি অ্যাকাডেমিক নউরাহ আল-কাহতানিকে ৪৫ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হল।
নভেম্বর ২৪ সৌদি আরবে বন্যা।
২০২৩ জানুয়ারি জেদ্দা শহরে বন্যা।
মার্চ চীনের মধ্যস্ততায় সৌদি-ইরান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নাটকীয় উন্নতি।
২৭ আসির প্রদেশে এক বাস দুর্ঘটনায় ২২ জন ওমরাকারীর মৃত্যু, এঁদের মধ্যে ৮ জন বাংলাদেশি।
এপ্রিল ১৩ সিরিয়ার অর্থমন্ত্রী ফয়সাল মেকদাদের জেদ্দা সফর।*
* ২০১১ সালের পর সিরিয়ার কোন অর্থমন্ত্রীর প্রথম সৌদি আরব সফর ছিল এটা।
১৮ দামিশকে প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের সাথে সাক্ষাৎ করলেন সৌদি অর্থমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান।
* ২০১১ সালের পর প্রথম কোন সৌদি কর্মকর্তার সিরিয়া সফর ছিল এটা।
মে ১৯ মক্কায় হোটেলে আগুন লেগে ৮ ওমরাকারীর মৃত্যু।
জুন ২৮ জেদ্দা শুটিং। জেদ্দায় মার্কিন কনস্যুলেটের কাছে নিরাপত্তা বাহিনীর উপর গুলি চালালেন এক বন্দুকধারী। যার ফলে হামলাকারী নিজে ও একজন নিরাপত্তারক্ষী উভয়ই নিহত হন।
সেপ্টেম্বর ১৩ যুক্তরাষ্ট্রে কার্যক্রম চালানোর ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদানে স্বেচ্ছায় সহযোগিতা না করার দায়ে সৌদি আরবের সার্বভৌম সম্পদ তহবিলের নামে সমন জারি করল মার্কিন সিনেটের তদন্ত বিষয়ক স্থায়ী উপকমিটি। তবে গণতন্ত্রী সিনেটর রিচার্ড ব্লুমেনথালের সভাপতিত্বে হওয়া শুনানিতে আরো কিছু প্রসঙ্গ উঠে আসে: রেকর্ড মাত্রায় মানবাধিকার লঙ্ঘণ, ৯/১১র হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ ইত্যাদি। এই শুনানির একটা চোখে পড়ার মত বৈশিষ্ট্য হল, সৌদি আরব প্রশ্নে গণতন্ত্রী আর প্রজাতন্ত্রী সিনেটরদের মধ্যে সচরাচর বিরল বাইপার্টিজান ঐক্য।
অক্টোবর ৭ ইসরায়েলে হামাসের হামলা ও গাযা গণহত্যা শুরু।
৮ ইসরায়েলের সাথে সীমান্তে নিম্ন মাত্রার সংঘাতে জড়িয়ে পড়ল ইরান-সমর্থিত লেবানীয় শিয়াদের সংগঠন হিযবুল্লা।
১৮ দক্ষিণ লেবাননের নিরাপত্তা পরিস্থিতির ক্রমাবনতির কারণে লেবাননে অবস্থানরত সৌদি নাগরিকদের দেশটি অনতিবিলম্বে ছেড়ে যেতে বলল সৌদি আরব।
৩০ ইয়েমেন সীমান্তের কাছে জাজান প্রদেশে হুথি যোদ্ধাদের হামলায় চার সৌদি সেনা নিহত হওয়ার প্রেক্ষিতে “উচ্চ মাত্রার সতর্কতা” জারি করল সৌদি আরব। সৌদি বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী দেশটির ভূখণ্ডের ওপর দিয়ে ইসরায়েলের দিকে ধেয়ে চলা একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও ভূপাতিত করেছে।
কোল এম. বুনজেল, ওহাবিজম: দ্য হিস্ট্রি অফ আ মিলিট্যান্ট ইসলামিক মুভমেন্ট।
তাওফিক আলজাইদি, নোরা।
২০২৪ জানুয়ারি ১ আনুষ্ঠানিকভাবে BRICS গ্রুপে যোগ দিল সৌদি আরব।
৯ নারী অধিকার কর্মী ও ইনফ্লুয়েন্সার মানাহেল আল-ওতাইবি দেশটির মেল গার্ডিয়ানশিপ প্রথার অবসান চেয়ে একটা টুইট করলে তাঁকে সন্ত্রাসবাদের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে ১১ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হল।
২৪ রিয়াদের কূটনৈতিক পাড়ায় প্রথমবারের মত মদের দোকান খুলল সৌদি আরব।
জুন ১৪-১৯ সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রীর দেয়া তথ্য অনুসারে, এ বছর হজের মৌসুমে তাপপ্রবাহে ১৩০১ জন হাজি মৃত্যুবরণ করেন।
জুলাই ১৮ ৫০টা ইলেকট্রিক লিলিয়াম জেট কিনতে লিলিয়াম জিএমবিএইচের সাথে একটি বাধ্যতামূলক বিক্রয় চুক্তি সই করল সৌদিয়া গ্রুপ, আরো ৫০টি কেনার সুযোগ রেখে।
আগস্ট ৯ তিন বছর ধরে সৌদি আরবে অস্ত্র বিক্রয়ের ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা আংশিকভাবে তুলে নিল যুক্তরাষ্ট্রের বাইডেন প্রশাসন।
ডিসেম্বর ২৩ আফগানিস্তানে তালেবানরা ক্ষমতায় আসার পর প্রথমবারের মত কাবুলে পুনরায় দূতাবাস খুলল সৌদি আরব।
২০২৫ জানুয়ারি ১ হাশিশ চোরাচালানের দায়ে ৬ জন ইরানি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার কথা জানাল সৌদি আরব।
ফেব্রুয়ারি ১৮ রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ঘটানোর জন্য রিয়াদে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা শুরু করল রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র।
মার্চ ২০ যুক্তরাষ্ট্র প্রথমবারের মত সৌদি আরবের কাছে অ্যাডভান্সড প্রিসিশন কিল উইপনস সিস্টেম বেচার অনুমোদন দিল।
এপ্রিল ২৭ সৌদি আরব ও কাতারের অর্থমন্ত্রীরা এক যৌথ ঘোষণায় জানালেন, বিশ্বব্যাংকের কাছে থাকা সিরিয়ার ১৫ মিলিয়ন ডলারের দেনা তাঁরা শোধ করে দিবেন।
মে ১৬ বিশ্বব্যাংক জানাল, সিরিয়ার দেনা শোধ করা হয়েছে।
জুন ১৪ রাষ্ট্রদ্রোহ ও সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে ২০১৮ সাল থেকে কারাবন্দী সাংবাদিক ও ব্লগার তুর্কি বিন আব্দুল আজিজ আল-জাসেরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হল।
জুলাই ৩০ তায়েফের আল হাদার একটি বিনোদন পার্কে এক বৃত্তাকার ক্যারোসেল ভেঙে পড়লে এতে ২৩ জন আহত হন।
সেপ্টেম্বর ১৭ একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সই করল পাকিস্তান ও সৌদি আরব।
২৭ ইমাম তুর্কি বিন আবদুল্লাহ রয়েল রিজার্ভ ইউনেস্কো কর্তৃক বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ হিসেবে মনোনীত হল।
অক্টোবর ১০ সৌদিয়া পরিচালিত রিয়াদ থেকে মস্কোগামী প্রথম সরাসরি যাত্রীবাহী বিমান শেরেমেতিয়েভো বিমানবন্দরে অবতরণ করল।
২২ বাদশাহ সালমান কর্তৃক সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি হিসেবে নিয়োগ পেলেন সালিহ আল-ফাওজান।
নভেম্বর ১৭ মদিনায় এক বাস দুর্ঘটনায় ৪৫ জনের মৃত্যু।
ডিসেম্বর ১ একে অপরের নাগরিকদের জন্য পারস্পরিক ভিসা অব্যাহতির বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করল সৌদি আরব ও রাশিয়া।
৮ রিয়াদ ও দোহাকে যুক্ত করা একটি উচ্চগতিসম্পন্ন রেলপথ নির্মাণের চুক্তি স্বাক্ষর করে সৌদি আরব ও কাতার।
১৫ দেশটি বার্ষিক সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ডের রেকর্ড স্থাপন করল: ৩৪১।
২১ পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনীরকে সৌদি আরবের সর্বোচ্চ জাতীয় পুরষ্কার কিং আব্দুল আজিজ মেডেল অফ দ্য এক্সিলেন্ট ক্লাসে ভূষিত করল সৌদি সরকার।
২৬ দক্ষিণ ইয়েমেনে বিচ্ছিন্নতাবাদী বাহিনীর বিরুদ্ধে ধারাবাহিক বিমান হামলা চালাতে শুরু করল রাজকীয় সৌদি বিমান বাহিনী।
ডেভিড কমিংস, সৌদি অ্যারাবিয়া: আ মডার্ন হিস্ট্রি।
ম্যালিস রুথভেন, আনহোলি কিংডম: রিলিজিয়ন, করাপশন অ্যান্ড ভায়োলেন্স ইন সৌদি অ্যারাবিয়া।
তথ্যসূত্র
Al Arabiya English. 2024. “Saudi health minister says 1,301 people died during Hajj, 83 pct were without permits.” Al Arabiya, June 23.
https://english.alarabiya.net/News/saudi-arabia/2024/06/23/saudi-health-minister-says-1-301-died-during-hajj
Al-Rasheed, Madawi. 2010. A History of Saudi Arabia. 2nd ed. Cambridge University Press.
Al-Sudairi, Mohammed Turki A. “Marx’s Arabian Apostles: The Rise and Fall of the Saudi Communist Movement.” The Middle East Journal 73, no. 3 (2019): 438-457.
https://muse.jhu.edu/article/736469.
AP. 2024. “Afghanistan welcomes Saudi Arabia’s decision to reopen embassy in Kabul.” AP, December 23.
https://apnews.com/article/afghanistan-taliban-saudi-embassy-reopening-538b176dd0e7e6f91753b2c0e34a6078
Arafat, W. N. 1976. “New Light on the Story of Banū Qurayẓa and the Jews of Medina.” Journal of the Royal Asiatic Society of Great Britain and Ireland, no. 2: 100–107.
http://www.jstor.org/stable/25203706.
BBC. 2023. “Saudi Arabia country profile.” BBC, August 29.
https://www.bbc.com/news/world-middle-east-14702705
— “Saudi Arabia Profile – Timeline.” BBC, October 4.
https://www.bbc.com/news/world-middle-east-14703523
bdnews24.com. 2023. “Eight Bangladeshis among 22 pilgrims dead in Saudi bus crash.” bdnews24.com, March 28.
https://bdnews24.com/bangladesh/zj5lcbkjwo
Bowen, Wayne H. 2008. The History of Saudi Arabia. Greenwood Press.
Crabben, Jan van der. 2011. “Levant.” World History Encyclopedia. Last modified April 28, 2011. https://www.worldhistory.org/levant/.
Fantappie, Maria and Nasr, Vali. 2023. “A New Order in the Middle East?.” Foreign Affairs, March 22.
https://www.foreignaffairs.com/china/iran-saudi-arabia-middle-east-relations.
Harper, Robert A. 2007. Saudi Arabia. 2nd ed. Chelsea House.
Hoyland, Robert G.. 2014. In God’s Path: the Arab Conquests and the Creation of an Islamic Empire. Oxford University Press.
Islamic Ummah Party.
https://islamicommaparty.org/
Khan, Syed Muhammad. 2019a. “Prophet Muhammad.” World History Encyclopedia. Last modified December 02, 2019.
https://www.worldhistory.org/Prophet_Muhammad/.
— 2019b. “Islam.” World History Encyclopedia. Last modified November 25, 2019.
https://www.worldhistory.org/islam/.
— 2020. “Rashidun Caliphate.” World History Encyclopedia. Last modified January 10, 2020.
https://www.worldhistory.org/Rashidun_Caliphate/.
— 2020b. “Ridda Wars.” World History Encyclopedia. Last modified June 05, 2020.
https://www.worldhistory.org/Ridda_Wars/.
Louër, Laurence. 2020. Sunnis and Shiʻa: A Political History of Discord. Translated by Ethan Rundell. Princeton University Press.
Mackintosh-Smith, Tim. 2019. Arabs: A 3000-year History of People, Tribes, and Empires. Yale University Press.
Mark, Joshua J.. 2018. “Fertile Crescent.” World History Encyclopedia. Last modified March 28, 2018.
https://www.worldhistory.org/Fertile_Crescent/.
Matthiesen, Toby. “The Cold War and the Communist Party of Saudi Arabia, 1975–1991.” Journal of Cold War Studies 22, 3 (2020): 32-62.
https://doi.org/10.1162/jcws_a_00950
McHugo, John. 2018. A Concise History of Sunnis & Shi‘is. Georgetown University Press.
Nasa, Rahima. 2019. “Timeline: The Rise of Saudi Arabia’s Prince Mohammed bin Salman.” PBS Frontline, October 1.
https://www.pbs.org/wgbh/frontline/article/timeline-the-rise-of-saudi-arabias-prince-mohammed-bin-salman/
Pamuk, Humeyra, Zengerle, Patricia, and Holland, Steve. 2024. “US to lift ban on offensive weapons sales to Saudi Arabia.” Reuters, August 10.
https://www.reuters.com/world/us-lift-ban-offensive-weapons-sales-saudi-arabia-sources-say-2024-08-09/
Peterson, J. E. 2003. Historical Dictionary of Saudi Arabia. 2nd ed. The Scarecrow Press.
Sardar, Ziauddin. 2017. Mecca: The Sacred City. Paperback ed. Bloomsbury.
The Embassy of the Kingdom of Saudi Arabia Washington D.C. “History.” Accessed March 16, 2025.
https://www.saudiembassy.net/history
The National Assembly Party (NAAS).
https://the-naas.com/ar
Wikipedia.
https://www.wikipedia.org/
Wynbrandt, James. 2010. A Brief History of Saudi Arabia. 2nd ed. Facts on File.
নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।
অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ
দিব্যপ্রকাশ । বাতিঘর । বইবাজার । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী । বুক হাউজ । ওয়াফিলাইফ । রকমারি



