
জর্দান
Featured Image: Wikimedia Commons.

World Atlas.
পূর্বসাল
১২ হাজার বছর আগে প্রাচীন প্রস্তর যুগ।
১২-৬ হাজার ৫০০ বছর আগে মধ্য প্রস্তর যুগ।
৮০০০ বছর আগে এ সময় অঞ্চলটিতে মানুষের বসবাস ছিল।
৪৫০০-৩০০০ তাম্র যুগ।
৩০০০-১২০০ ব্রোঞ্জ যুগ।
২৪০০ অঞ্চলটিতে অগ্রসর সেডেন্টারি কৃষি সভ্যতার সমৃদ্ধি ঘটছে।
২৩৩৪-২১০০ জর্দান অঞ্চলটি এ সময় আক্কাদীয় সাম্রাজ্যের অংশ।
২০০০ জর্দানে হিকসোদের আগমন।
১৫৭০ মিসরীয়রা জর্দান থেকে হিকসোদের তাড়িয়ে দিল।
১৪৫৮-২৫ ফারাও তৃতীয় তুতমোসের শাসনাধীনে জর্দানের সমৃদ্ধির কাল।
১২০০ ‘সমুদ্রবাসী’ গোষ্ঠীদের আক্রমণের শিকার হল জর্দান।
১২০০-৩০০ লৌহ যুগ। চারটি সেমিটিক গোষ্ঠী অঞ্চলটিতে বসতিস্থাপন করল।
১১১৫-৬১২ জর্দান এ সময় অ্যাসিরীয় ও নব্য-অ্যাসিরীয় সাম্রাজ্যের অংশ।
৯৫০ ইস্রাইলিরা আনুমানিক এ সময় অঞ্চলটি জয় করে।
৮৫৪ অ্যাসিরীয়রা এ সময় অঞ্চলটিতে আগ্রাসন চালায়।
৮৫০ অঞ্চলটির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করলেন মোয়াবের রাজা মেশা।
৫৮০ ব্যাবিলনীয়রা আনুমানিক এ সময় অঞ্চলটিতে আগ্রাসন চালায়।
৫৪৯-৩৩০ জর্দান এ সময় পারস্যের হাখমানেশি সাম্রাজ্যের অংশ।
৫০০ আনুমানিক এ সময় অঞ্চলটিতে হাজিরা কায়েম করে নাবাতীয় আরব গোত্র।
৩৩০ এ সময়ই কখনো অঞ্চলটি জয় করেন ম্যাকিদোনিয়ার সেকান্দার শা।
৩১২ টলেমীয় শাসনের শুরুয়াত।
১৭৫-৬৪ জর্দানে প্রতিষ্ঠা করা হল হেলেনীয় শহর জেরাশ।
৯৯-৬৩ এ সময় জেরাশ শাসন করছে হাসমোনীয় রাজবংশ।
৭০-৬০ আনুমানিক এ সময় অঞ্চলটির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করল রুমিরা।
৬৩ রোমক সাম্রাজ্যের সিরীয় প্রদেশের অংশ হয়ে গেল জেরাশ।
পূর্বসাল ৬-৩০ সাল জেসাস ক্রাইস্টের* জীবনকাল।
* ইবরানি জেশুয়া মেসিয়ার গ্রিক অনুবাদ ইউসুস খ্রিস্তোস; ইউসুস খ্রিস্তোসের ইংরেজি অনুবাদ জেসাস ক্রাইস্ট। জেসাস ক্রাইস্টের অনুসারীরা খ্রিস্টান নামে পরিচিত। বাংলায় খ্রিস্টান শব্দটি গ্রিক ভাষার খ্রিস্তোস (Χριστός) থেকে এসেছে, এর সোজাসাপটা অর্থ ‘ত্রাতা।’
সাল
১০৬-৬৩৪ জর্দান এ সময় রোমক সাম্রাজ্যের অংশ ছিল।
২০০ আনুমানিক এ সময় অঞ্চলটিতে হাজিরা কায়েম করে ঘাসসানীয় আরব গোত্র।
৩৩০ আনুমানিক এ সময় রোমক সম্রাট কন্সটান্টাইনের অধীনে অঞ্চলটি খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত হয়।
৫৭০-৬৩২ হযরত মুহাম্মদের (সা.) জীবনকাল।*
* হযরত মুহাম্মদের (সা.) অনুসারীরা মুসলিম (المسلمون) নামে পরিচিত, আরবিতে আল-মুসলিমুন অর্থ ‘আত্মসমর্পণকারী’; যাঁরা আল্লাহ’র (ٱللَّٰه) কাছে আত্মসমর্পণ করেন তাঁরাই মুসলিম। বাংলায় ঐতিহ্যগতভাবে মুসলমান শব্দটিই বেশি ব্যবহৃত হয়ে আসছে, সেই ঐতিহ্যের সাথে সঙ্গতিপূর্ণভাবে মুসলমান শব্দটি ব্যবহার করি আমি। মুসলমানদের পবিত্র বই কুরআন ( ٱلۡقُرۡءَانُ ) নামে পরিচিত।
৬২৯-৩৬ আরব মুসলিমদের জর্দান জয়।
৬৬১-৭৫০ উমাইয়া খেলাফত।*
* এই খেলাফতের কেন্দ্র ছিল বর্তমান সিরিয়ার দামিশক।
৭৩৪ জর্দান উপত্যকার জেরিকো শহরের নিকটে খিরবাত আল মাজফার নামে একটি প্রাসাদ নির্মাণ করলেন খলিফা ওয়ালিদ ইবনে ইয়াজিদ।
৭৫০-১২৫৮ আব্বাসী খেলাফত।
* এই খেলাফতের কেন্দ্র ছিল বর্তমান ইরাকের বাগদাদ।
১০৭১ বাগদাদ থেকে কায়েম হল সেলজুক তুর্কি শাসন।
১১০০ আনুমানিক এ সময় ইওরোপীয় ক্রুসেডাররা অঞ্চলটি জয় করে।
১১৭১ নুরুদ্দিন জঙ্গির সেনাপতি সালাউদ্দিন আইয়ুবী মিসরে নামকাওয়াস্তে আব্বাসীয় শাসন ফিরিয়ে আনলেন। এর মধ্য দিয়ে দেশটির ফাতিমি ইসমাইলি শিয়া খেলাফতের অবসান হল। সুন্নী সুলতানশাহি প্রতিষ্ঠা করলেন সালাউদ্দিন আইয়ুবী।
১১৮৭ হাত্তিনের যুদ্ধ।*
* জেরুসালেমের ক্রুসেডার রাজাকে পরাস্ত করলেন সালাউদ্দিন আইয়ুবী। ক্রুসেডারদের হাত থেকে জেরুসালেম ও গাজা পুনরুদ্ধার। সিরিয়া ও লেবানন থেকে বিতাড়িত হল ক্রুসেডাররা, কারাকে পরাজিত হয়ে জর্দান ছেড়ে গেল।
১২৫০-১৫১৭ মামলুক সুলতানশাহি।*
* এই সুলতানশাহির কেন্দ্র ছিল বর্তমান মিসরের কায়রো।
১২৯৯-১৯২২ ওসমানি সুলতানশাহি।*
* এই সুলতানশাহির কেন্দ্র ছিল বর্তমান তুরস্ক।
১৫১৮ এ সময় ওসমানিরা অঞ্চলটি জয় করে।
১৬০০ আনুমানিক এ সময় থেকে অঞ্চলটির ওপর ওসমানি প্রভাব হ্রাস পেতে থাকে।
১৮৩১ অঞ্চলটি জয় করলেন মিসরের শাসক মোহাম্মদ আলী।
১৮৪১ অঞ্চলটির ওপর ওসমানিরা তাদের নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করল।
১৮৮০-৯০ অঞ্চলটিতে প্রত্যক্ষ শাসন জারি করল ওসমানিরা।
১৯০০-০৮ জর্দানের ভেতর দিয়ে নির্মিত হল হিজাজ-কন্সটান্টিনোপল রেলরাস্তা।
১৯১৪-১৮ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।
১৯১৭-১৮ ব্রিটিশ ও মক্কার শরিফ হোসেনের যৌথ বাহিনীর জর্দান বিজয়।
১৯১৯ দামিশক থেকে জর্দান শাসন করছেন মক্কার শরিফ হোসেনের পুত্র আমির ফয়সাল।
১৯২০ আমির ফয়সালকে জর্দানের রাজা ঘোষণা করা হল। সান রেমো সম্মেলন। ব্রিটিশরা জর্দান ও ফিলিস্তিনের ম্যান্ডেট লাভ করল। দামিশক থেকে ফয়সালকে বিতাড়িত করল ফরাসি বাহিনী। ফিলিস্তিনে নিয়োজিত ব্রিটিশ হাই কমিশনার জর্দানকে একটি ব্রিটিশ ম্যান্ডেট বলে ঘোষণা করলেন। জর্দানে ঢুকলেন মক্কার শরিফ হোসেনের আরেক পুত্র আবদুল্লা।
১৯২১ জর্দান নদীর পশ্চিমদিকে প্রতিষ্ঠিত হল ম্যান্ডেট ফিলিস্তিন। উপনিবেশিক সচিব চার্চিলের সাথে সাক্ষাৎ করলেন আবদুল্লা। ব্রিটিশ ম্যান্ডেটের অধীনে জর্দানের শাসক হওয়ার প্রস্তাব মেনে নিলেন।
১৯২২ ব্রিটিশরা জর্দান নদীর পুবদিকের এলাকাকে ম্যান্ডেট ফিলিস্তিন থেকে আলাদা করে গঠন করল ট্রান্সজর্দান। এর প্রথম শাসক হলেন আমির আবদুল্লাহ। লীগ অফ নেশনসের কাছ থেকে ট্রান্সজর্দানের ম্যান্ডেট লাভ করল ব্রিটেন। গঠন করা হল ট্রান্সজর্দান আমিরশাহির সশস্ত্র বাহিনী। নাম দি আরব লিজিয়ন। এর প্রথম কমাণ্ডার হলেন কর্নেল এফ পীয়াক। সৌদিরা জর্দান দখলের একটি অসফল চেষ্টা চালাল।
১৯২৪ সৌদিরা দ্বিতীয়বারের মত জর্দান দখলের একটি অসফল চেষ্টা চালাল।
১৯২৮ জর্দানের সংবিধান হিসেবে অর্গানিক ল ঘোষণা করা হল। ইঙ্গ-জর্দানি চুক্তি সই। অনুষ্ঠিত হল প্রথম আইন পরিষদ নির্বাচন।
১৯৩০ ব্রিটিশদের কাছ থেকে দি আরব লিজিয়নের দায়িত্ব লাভ করলেন মেজর জন গ্লুব।
১৯৩২ বেদুঈন অভিযান থামিয়ে দিল দি আরব লিজিয়নে মেজর জন গ্লুবের ইউনিট।
১৯৩৯-৪৫ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ।
১৯৪১ ইরাকে অক্ষশক্তিপন্থী ক্যুদেতা দমনে ব্রিটিশদের সহায়তা করল দি আরব লিজিয়ন।
১৯৪৬ জর্দানকে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিল জাতিসংঘ। একটা নতুন ইঙ্গ-জর্দানি চুক্তি সই। আবদুল্লাকে জর্দানের হাশেমি রাজ্যের রাজা ঘোষণা করা হল। একটা নয়া সংবিধান ঘোষণা করা হল।
১৯৪৮ দুবছর আগের ইঙ্গ-জর্দানি চুক্তি নিয়ে নতুনভাবে আলোচনা। ঐতিহাসিক ফিলিস্তিনে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা হল।
১৯৪৮, মে ১৫-জুন ৭, ১৯৪৯ প্রথম আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ।*
* এই যুদ্ধ চলাকালে জর্দান পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুসালেম এবং মিসর গাজা উপত্যকা দখল করে নেয়, ঐতিহাসিক ফিলিস্তিনের বাকি অংশটুকু ইসরায়েলের দখলে থাকে।
নাকবা (النَّكْبَة : বিপর্যয়)। ৭ লক্ষ ৫০ হাজার ফিলিস্তিনি জাতিগত শুদ্ধি অভিযানের শিকার হয়ে উদ্বাস্তুতে পরিণত হন। এদের একাংশ জর্দানে আশ্রয় নেন।
১৯৪৯ মার্চ-এপ্রিল লেবানন ও জর্দানের সাথে অস্ত্রবিরতি চুক্তি সই করল ইসরায়েল।
১৯৫০ জর্দান নদীর পূর্ব ও পশ্চিম তীর দুই দিকেই সংসদীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হল। জর্দানের সংসদ জর্দান নদীর দুই তীরকেই জর্দানের হাশেমি রাজ্যে একীভূত বলে ঘোষণা করল।
১৯৫১ ফিলিস্তিনি গুপ্তঘাতকের হামলায় খুন হলেন রাজা আবদুল্লা। তাঁর পুত্র তালালকে মুকুট পরানো হল।
১৯৫২ অসুস্থতার কারণে রাজা তালালকে অপসারণ করা হল। জর্দানের নতুন রাজা হলেন আবদুল্লা পুত্র হোসেন। তবে সত্যিকার অর্থে শাসন করছিল রাজপ্রতিনিধিত্ব পরিষদ।
১৯৫৩ শপথ নিলেন রাজা হোসেন, রাজকার্যভার গ্রহণ করলেন।
১৯৫৪ জর্দান নদীর পানি ভাগাভাগি বিষয়ে প্রস্তাবিত হল জনস্টন পরিকল্পনা।
১৯৫৫ ইরান, পাকিস্তান, ও তুরস্কের সাথে বাগদাদ চুক্তি সই করল ইরাক; অন্যতম উদ্দেশ্য দেশটির কুর্দিদের নিয়ন্ত্রণ করা। জর্দানকে এই চুক্তিতে যোগদানে চাপ দেয়া হল। দেশ জুড়ে দাঙ্গা।
১৯৫৬ অক্টোবর ২৯-নভেম্বর ৭ দ্বিতীয় আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ, ‘সুয়েজ সংকট’ নামেও পরিচিত।*
* ব্রিটেন ও ফ্রান্সের সাথে মিসর আক্রমণ করে ইসরায়েল। যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন মিসরের পক্ষে দাঁড়ায়। পিছু হঠতে বাধ্য হয় ইসরায়েল।
জর্দান এই যুদ্ধ অংশ নেয়া থেকে বিরত থাকে।
১৯৫৬-৫৮ জর্দানের সাম্রাজ্যবাদী মদতদাতা হিসেবে যুক্তরাজ্যকে প্রতিস্থাপিত করল যুক্তরাষ্ট্র।
১৯৫৭ জর্দান থেকে সেনা প্রত্যাহার সম্পূর্ণ করল ব্রিটিশরা। একটা গুরুতর ক্যুদেতা প্রচেষ্টা নস্যাৎ করলেন রাজা হোসেন।
১৯৫৮ লেবাননের গৃহযুদ্ধের ছুতায় জর্দানে সাময়িকভাবে ব্রিটিশ সেনা প্রেরণ।
১৯৬৩ জর্দানের সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করা হল।
১৯৬৪ মে ২৯ গঠিত হল প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও)। পিএলওর প্রথম সভাপতি হলেন আহমেদ শুকাইরি। জেরুসালেমে ফিলিস্তিনি জাতীয় পরিষদের (পিএনসি) প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হল, প্যালেস্টাইন ন্যাশনাল কোভেনেন্ট ইসরায়েলকে ধবংস করার ডাক দিল।
গঠন করা হল ইউনাইটেড আরব কমাণ্ড।
১৯৬৬ পিএলওকে নিষিদ্ধ করল জর্দান।
১৯৬৭ ৫-১০ তৃতীয় আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ, জুন যুদ্ধ বা ছয় দিনের যুদ্ধ নামেও পরিচিত।*
* এই যুদ্ধের ধারাবাহিকতায় ইসরায়েল পূর্ব জেরুসালেম, পশ্চিম তীর, গাজা উপত্যকা, গোলান মালভূমি ও সিনাই উপদ্বীপ দখল করে নেয়। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ২৪২ নং প্রস্তাব জারি করে। সোভিয়েত ইউনিয়ন ও রুমানিয়া ছাড়া সোভিয়েত ব্লকে থাকা অন্য ইওরোপীয় রাষ্ট্রগুলো ইসরায়েলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে।
জুন যুদ্ধের সময় পশ্চিম তীর ও জেরুসালেম দখল করে নিল ইসরায়েল, অসংখ্য ফিলিস্তিনি শরণার্থী হয়ে জর্দানে আসলেন।
১৯৭০-৭১ ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর। জর্দান সেনাবাহিনীর সাথে পিএলওর যুদ্ধ। যা জর্দানের গৃহযুদ্ধ নামেও পরিচিত।
জর্দানে সাময়িক আগ্রাসন চালাল সিরিয়া।
১৯৭১ ফিলিস্তিনি গুপ্তঘাতকদের ।
১৯৭২ জর্দানে সামরিক ক্যুদেতার প্রচেষ্টা রুখে দেয়া হল। জর্দান নদীর পূর্ব ও পশ্চিম তীরকে একটা সংযুক্ত আরব রাজ্যে ফেডারেটেড করার প্রস্তাব দিলেন জর্দানের রাজা হোসেন।
১৯৭৩ অক্টোবর ৬-২৬ চতুর্থ আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ।*
* ‘অক্টোবর যুদ্ধ’, ‘ইয়োম কিপ্পুর যুদ্ধ’, ‘রমজান যুদ্ধ’ ইত্যাদি নামেও পরিচিত।
জর্দান এই যুদ্ধে অংশ নেয়, কিন্তু সিরিয়ার মাটিতে।
১৯৭৪ অক্টোবর ২৬-২৯ রাবাতে আরব লীগের সম্মেলনে পিএলওকে ‘ফিলিস্তিনি জনগণের একমাত্র বৈধ প্রতিনিধি’ বলে স্বীকৃতি দেয়া হল। সংসদ ভেঙে দিলেন রাজা হোসেন।
১৯৭৫-৮৫ জর্দানে ব্যাপক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দশক।
১৯৭৬ নির্বাচন স্থগিত করতে নতুন করে সংসদ ডাকা হল, তারপর আবার বরখাস্ত করা হল। বিস্তৃত সহযোগিতা চুক্তি সই করল জর্দান ও সিরিয়া।
১৯৭৮ সংসদের একটি আংশিক ও অস্থায়ী বিকল্প হিসেবে একটা জাতীয় পরামর্শক পরিষদ নিয়োগ দিলেন রাজা হোসেন।
সেপ্টেম্বর ১৭ ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি। মিসর কর্তৃক ইসরায়েলকে স্বীকৃতিপ্রদান ও কূটনৈতিক সম্পর্কস্থাপন। ইসরায়েল এই চুক্তিতে পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকার ফিলিস্তিনিদের স্বশাসন দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়।
নভেম্বর ২-৫ বাগদাদে আরব লীগের সম্মেলনে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি প্রত্যাখ্যান করা হল।
১৯৮০-৮৮ সাদ্দাম হোসেনের ইরান আক্রমণের ফলে ইরান-ইরাক যুদ্ধ।*
* এই যুদ্ধে জর্দান ইরাকের পক্ষ নেয়।
১৯৮০ আম্মানে অনুষ্ঠিত হল আরব রাষ্ট্রপ্রধানদের সম্মেলন।
১৯৮১ জর্দানি-সিরীয় সীমান্ত সংঘর্ষ।
১৯৮৩ জাতীয় পরামর্শক পরিষদ বরখাস্ত করলেন রাজা হোসেন।
১৯৮৪ নতুন করে সংসদ ডাকা হল। জর্দান নদীর পূর্ব তীরে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হল। আম্মানে সাক্ষাৎ করল প্যালেস্টাইন ন্যাশনাল কাউন্সিল (পিএনসি)।
১৯৮৫ শান্তির জন্য একটি ফ্রেমওয়ার্কে সম্মত হলেন পিএলওর সভাপতি ইয়াসির আরাফাত ও জর্দানের রাজা হোসেন।
১৯৮৬ পিএলওর সাথে রাজনৈতিক যোগাযোগ ছিন্ন করলেন জর্দানের রাজা হোসেন। দেশটিতে পিএলও’র অফিসগুলো বন্ধ করে দেয়া হুকুম দিলেন। জর্দান নদীর পূর্ব তীরে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হল।
১৯৮৭ হোসেন-আরাফাত ফ্রেমওয়ার্ক স্থগিত করা হল। আম্মানে অনুষ্ঠিত হল আরব রাষ্ট্রপ্রধানদের বিশেষ সম্মেলন।
১৯৮৮ জর্দান নদীর পূর্ব তীর থেকে নিজেকে রাজনৈতিকভাবে ও প্রশাসনিকভাবে প্রত্যাহার করল ইসরায়েল। আরব কোঅপারেশন কাউন্সিল গঠন করল মিসর, ইরাক, জর্দান ও উত্তর ইয়েমেন।
১৯৮৯ প্রাদেশিক রাজধানীগুলোয় দাঙ্গা। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারের দাবি উঠল। একইসাথে দুর্নীতির অবসানের দাবিও।
১৯৯০ এপ্রিল দেশের রাজনৈতিক জীবনের নিয়মাবলি নির্ধারণের জন্য একটি জাতীয় সনদ প্রণয়নকল্পে জর্দানের বিভিন্ন সামাজিক স্তর ও সব রাজনৈতিক মতাদর্শ থেকে ৬০ সদস্যবিশিষ্ট একটি রাজকীয় কমিশন গঠন করলেন রাজা হোসেন।
আগস্ট সাদ্দাম হোসেনের নেতৃত্বাধীন ইরাক কুয়েতে হামলা চালাল। প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধ।
আগস্ট-ডিসেম্বর ৯ লক্ষ তৃতীয় দেশের নাগরিক কুয়েত থেকে জর্দানে পালিয়ে আসেন। আন্তর্জাতিক সহায়তার মাধ্যমে এসব লোককে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে সক্ষম হয় জর্দান।
ডিসেম্বর জর্দানের রাজনৈতিক জীবন সম্পর্কিত জাতীয় সনদ সম্পন্ন করল এবং অনুমোদন দিল রাজকীয় কমিশন।
এ বছর প্রায় ২ লক্ষ ৪০ হাজার জর্দানি, যাঁদের অধিকাংশই ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত, কুয়েত ছেড়ে জর্দানে বাস শুরু করেন।
পারস্য উপসাগর সংকট, যা ইরাকের কুয়েত আক্রমণ দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিল, জর্দান সহ গোটা অঞ্চলটিতে ব্যাপক ও আবেগময় রাজনৈতিক বাহাছ সৃষ্টি করে। আরব কোঅপারেশন কাউন্সিল কার্যত স্থগিত হয়ে যায়। উপসাগরীয় সংঘাত এবং এর সাথে সম্পর্কিত জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞার কারণে জর্দানে তীব্র অর্থনৈতিক সংকট সৃষ্টি হয়।
১৯৯১ জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন একটি সামরিক অভিযানের কারণে কুয়েত ছাড়ল ইরাক।*
* জর্দান এই যুদ্ধে অংশ নেয়নি এবং যুক্তরাষ্ট্র-নেতৃত্বাধীন জোটেও যোগ দেয়নি।
১৯৯১ ফিলিস্তিন-ইসরায়েলি সংঘাত সমাধানের আরেকটি বড় প্রচেষ্টায় জর্দানকে অন্তর্ভুক্ত করল যুক্তরাষ্ট্র।
জুন ২,০০০ নেতার একটি জাতীয় সম্মেলন জাতীয় সনদ অনুমোদন করল এবং তাতে সই করলেন রাজা হোসেন।
১৯৯৪ ইসরায়েলের সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে শান্তিচুক্তি সই করল জর্দান। ৪৬ বছরের যুদ্ধাবস্থার অবসান ঘটল।
রবার্ট সাটলফ, ফ্রম আবদুল্লাহ টু হোসেন: জর্দান ইন ট্রানজিশন।
১৯৯৯ জর্দানের রাজা হোসেনের মৃত্যু। তার স্থলাভিষিক্ত হলেন যুবরাজ আবদুল্লা। দ্বিতীয় আবদুল্লা নামে পরিচিত।
২০০২ লোহিত সাগর থেকে পাইপে করে মৃত সাগরে পানি বয়ে আনার ৮০০ মিলিয়ন ডলারের একটা যৌথ পরিকল্পনা হাতে নিল জর্দান ও ইসরায়েল। আম্মানে আল কায়েদার যোদ্ধাদের হাতে খুন হলেন শীর্ষ পর্যায়ের মার্কিন কূটনীতিক লরেন্স ফলি।
২০০৪ ইয়ারমুক নদীর ওপর এক আয়োজনে ওয়াহদা বাঁধ প্রকল্প চালু করলেন জর্দানের রাজা দ্বিতীয় আবদুল্লা এবং সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ।
২০০৫ আম্মানের তিনটি আন্তর্জাতিক হোটেলে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ৬০ জন মানুষের মৃত্যু। আল কায়েদা ইন ইরাক (আকি) এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে। এক দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হল।
২০০৬ ইরাকি প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করলেন, জন্মগতভাবে জর্দানি ও আল কায়েদা ইন ইরাকের নেতা আবু মুসাব আল জারকাওয়ি এক বিমান হামলায় খুন হয়েছেন।
মান আবু নোয়ার, দ্য ডেভলাপমেন্ট অফ ট্রান্সজর্দান ১৯২৯-৩৯: আ হিস্ট্রি অফ দ্য হাশেমাইট কিংডম অফ জর্দান।
২০০৮ ইরাক সফর করলেন জর্দানের রাজা দ্বিতীয় আবদুল্লা।
২০১৪ সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেট যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে বিমান হামলায় অংশ নেয়া চার আরব রাষ্ট্রের একটি জর্দান।
২০১৫ ফেব্রুয়ারি জর্দানি বৈমানিক মুয়াথ আল-কাসাসবেহকে জ্যান্ত আগুনে পুড়িয়ে মারার ভিডিও প্রকাশ করল কথিত ইসলামিক স্টেট গ্রুপ। প্রতিক্রিয়ায় জর্দান আইএসের বিরুদ্ধে বিমান হামলা তীব্রতর করল ও কারাবন্দী ইসলামপন্থীদের হত্যা করল।
মার্চ ইয়েমেনে সৌদি-নেতৃত্বাধীন বিমান হামলায় অংশ নিল জর্দান।
ইওরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কাছ থেকে ১০০ মিলিয়ন ডলার ধার হিসেবে পেল জর্দান।
২০১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৮৯ সালের পর প্রথমবারের মত সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে সংসদীয় নির্বাচন আয়োজিত হল।
২০১৭ আগস্ট দুই বছর বন্ধ থাকার পর জর্দান আর ইরাক তাঁদের সীমান্ত পারাপার চালু করল।
২০১৮ জুন কর বৃদ্ধি ও কৃচ্ছতাসাধনের উদ্দেশ্যে নেয়া অন্যান্য পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ হয়ে জর্দানের জনগণ রাস্তায় নেমে এলে প্রধানমন্ত্রী হানি মুলকির পতন, তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন শিক্ষামন্ত্রী ও অর্থনীতিবিদ ওমর আল-রাজ্জাজ।
২০১৯ জুন ১৩ নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেল জর্দানি টিভি সিরিজ জিন।
২০২০ মার্চ ১২-১৫ মধ্যপ্রাচ্য ঝড়।
২০২১ এপ্রিল ৩ জর্দানে একটি সন্দেহভাজন ক্যুদেতা প্রচেষ্টা।
২০২২ জুন ২৭ আকাবা বন্দরে ক্লোরিন গ্যাস লিক হয়ে ১৩ ব্যক্তির মৃত্যু ও অন্তত ২৬০ জন আহত।
নভেম্বর ১৫ হাউজ অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসের স্পীকার নির্বাচিত হলেন আহমেদ সাফাদি।
ডিসেম্বর ১৫ জ্বালানির দাম বৃদ্ধি নিয়ে জর্দানে প্রতিবাদ শুরু।
২০২৩ জুন ১ রাজওয়া আল-সাইফের সাথে জর্দানের যুবরাজ হুসেইনের বিয়ে।
অক্টোবর ৩১ ইসরায়েলি বোমাবর্ষণের ফলে গাজায় সৃষ্ট “মানবিক বিপর্যয়” অবিলম্বে বন্ধ করার ও আন্তর্জাতিক আইন বাস্তবায়নের আহবান জানালেন জর্দানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আইমান সাফাদি। একইসাথে মানবিক সাহায্যের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোরারোপ করলেন।
নভেম্বর ১ গাজা আগ্রাসনের প্রতিবাদ জানাতে ইসরায়েলে নিযুক্ত নিজ রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করল জর্দান।
৩ রাজা দ্বিতীয় আবদুল্লা যেন গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য চাপ প্রয়োগ করেন, সেই দাবিতে আম্মানের রাস্তায় জড়ো হলেন বিক্ষোভকারীরা।
৫ গাজার একটি ফিল্ড হাসপাতালে চিকিৎসা সহায়তা এয়ার ড্রপ করল রাজকীয় জর্দানি বিমান বাহিনী।
ডিসেম্বর ১২ জর্দান-সিরিয়া সীমান্তে গোলাগুলির সময় বেশ কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী ও ১ সৈন্য নিহত হলেন।
২০২৪ জানুয়ারি ২৮ টাওয়ার ২২ ড্রোন হামলা। সিরিয়া সীমান্তের কাছে একটি মার্কিন সামরিক ফাঁড়িতে ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়া ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাকের ড্রোন হামলায় নিহত হলেন ৩ মার্কিন সামরিক ব্যক্তি।
জুন ১৮ জর্দানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করল, মক্কায় হজ পালনের সময় ৪১ জন হাজি তাপপ্রবাহের কারণে মারা গেছেন।
জুলাই ২৬ উম্মে এল-জিমাল গ্রামটি ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে মনোনীত হল।
সেপ্টেম্বর ১০ জর্দানের সাধারণ নির্বাচন। হাউজ অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসে বৃহত্তম পার্টি হিসেবে আবির্ভূত হল ইসলামপন্থী দল ইসলামিক অ্যাকশন ফ্রন্ট। কিন্তু ১৩১টি আসনের মধ্যে মাত্র ৩৮টি জেতায় তারা সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হয়।
১২ জর্দানের নাগরিকদের অ্যাসাইলামের দাবি বেড়ে যাওয়ার কারণে যুক্তরাজ্য সফরকারী জর্দানি নাগরিকদের জন্য ভিসা-মুক্ত মর্যাদা স্থগিত করল যুক্তরাজ্য।
১৫ প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন বিশের খাসাওনেহ। একটি নতুন সরকার গঠন করার জন্য নিজ চিফ অফ স্টাফ জাফর হাসানকে মনোনয়ন দিলেন রাজা দ্বিতীয় আবদুল্লা।
নভেম্বর ২৪ আম্মানের রাবিয়া লোকালয়ে ইসরায়েলি দূতাবাসের কাছে এক বন্দুকযুদ্ধে ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু। বন্দুকধারী ব্যক্তিটি পরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
ডিসেম্বর ৬ সিরিয়ায় বিদ্রোহী বাহিনীগুলো মূল নাসিব সীমান্ত ক্রসিং দখল করে নিলে জর্দান তার সিরিয়া সীমান্ত বন্ধ করে দেয়।
১৩ আম্মানে এক ব্যক্তিমালিকানাধীন বৃদ্ধাশ্রমে আগুণ লেগে ৬ ব্যক্তির মৃত্যু।
২০২৫ ফেব্রুয়ারি ১০ জর্দান-ইসরায়েল সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ইসরায়েলে প্রবেশ করার চেষ্টা করার সময় জর্দানি সেনাবাহিনীর গুলিতে খুন হলেন এক ভারতীয় নাগরিক।
এপ্রিল ১৫ জাতীয় নিরাপত্তা ক্ষুণ্ণ করার ষড়যন্ত্রে জড়িত ১৬ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার কথা ঘোষণা করল জর্দানের জেনারেল ইন্টিলিজেন্স ডিপার্টমেন্ট।
২৩ মুসলিম ব্রাদারহুডের ওপর আরেকটি নিষেধাজ্ঞা জারি করল জর্দান সরকার।
মে ৪ মা’আন গভর্নরেটের ওয়াদি আল-নাখিলে এক আকস্মিক বন্যায় নিহত হলেন ২ বেলজিয়ান নাগরিক।
জুন ১৪ জুনে ইসরায়েলে ইরানি স্ট্রাইকের অংশ হিসেবে নিক্ষিপ্ত সন্দেহভাজন ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে ইরবিদে জখম হলেন ৫ ব্যক্তি।
জুলাই ৩১ ২০১৫ সালে সিরিয়ায় জর্দানি বৈমানিক মুয়াথ আল-কাসাসবেহকে হত্যার দায়ে ওসামা ক্রায়েম নামের কথিত ইসলামিক স্টেট গ্রুপের এক সুইডিশ সদস্যকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল সুইডেন। সে বছরের ফেব্রুয়ারিতে মুয়াথকে জ্যান্ত আগুণে পুড়িয়ে হত্যা করার ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছিল। যার প্রতিক্রিয়ায় জর্দান কারাবন্দী ইসলামপন্থীদের হত্যা করে।
আগস্ট ২৭ রাজা দ্বিতীয় আবদুল্লাহ এবং কাজাখস্তানের প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ট তোকায়েভ ঘোষণা দিলেন, ২০২৬ সালে রয়েল জর্দানিয়ান এয়ারলাইন্স আম্মান থেকে আলমাতি পর্যন্ত সরাসরি ফ্লাইট চালু করবে।
সেপ্টেম্বর ১৮ পশ্চিম তীরের সাথে অ্যালেনবি ব্রিজ সীমান্ত ক্রসিংয়ে দুই ইসরায়েলিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। হামলাকারী ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে নিহত হন।
২৪ অ্যালেনবি ব্রিজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয় ইসরায়েল।
২৭ আজলুন ও ইয়ারমুক ফরেস্ট রিজার্ভকে জীবমণ্ডল সংরক্ষণাগার হিসেবে মনোনীত করল ইউনেস্কো।
নভেম্বর ২৯ আনুষ্ঠানিকভাবে আমরা সিটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ঘোষণা করল জর্দান সরকার।
ডিসেম্বর ২৪ সুওয়াইদা গভর্নরেটে মাদক ও অস্ত্র পাচারকারীদের বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালাল জর্দানের সশস্ত্র বাহিনী।
২০২৬ জানুয়ারি ১৩ হামাসকে সমর্থন করার অভিযোগ এনে মুসলিম ব্রাদারহুডের জর্দানি শাখাকে সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের তালিকাভুক্ত করল যুক্তরাষ্ট্র।
ফেব্রুয়ারি ২৮ ২০২৬ সালে ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইরান সৌদি আরবসহ আশপাশের দেশগুলোর দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করল।
মার্চ ৯ ২০২৬ সালের ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জর্দানের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো রক্ষায় সহায়তাকল্পে ইন্টারসেপ্টর ড্রোন ও বিশেষজ্ঞ মোতায়েনের বিষয়টি নিশ্চিত করলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি।
তথ্যসূত্র
AP News.
BBC.
Gubser, Peter. 1991. Historical Dictionary of the Hashemite Kingdom of Jordan. The Scarecrow Press.
Middle East Eye.
The Kyiv Independent.
Wikipedia
The Free Encyclopedia
https://www.wikipedia.org
World History Encyclopedia.
নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।
অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ
দিব্যপ্রকাশ । বাতিঘর । বইবাজার । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী । বুক হাউজ । ওয়াফিলাইফ । রকমারি



