
ইয়েমেন
Featured Image: Wikimedia Commons.

পূর্বসাল
পূর্বসাল ৬৫০০-৬০১ সাল প্রাচীন নিকট প্রাচ্য – সময়রেখা।
সাল
৬৩২-১২৫৮ আরব-ইসলামী সাম্রাজ্য – সময়রেখা।
১২৯৯-১৯২২ ওসমানি সুলতানশাহি – সময়রেখা।
১৮৩৯ অ্যাডেন বন্দর ব্রিটিশদের নিয়ন্ত্রণে এল।
১৮৬৯ সুয়েজ খাল চালু হবার পর অ্যাডেন বন্দর একটা প্রধান রিফুয়েলিং পোর্ট হয়ে উঠল।
১৯১৪-১৮ World War I – Wikipedia।
১৯১৮ ওসমানিদের কাছ থেকে স্বাধীনতালাভ করল উত্তর ইয়েমেন। পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হল মুত্তাওয়াকিলাত জায়েদি ইমামত।
১৯১৮-৪৮ উত্তর ইয়েমেনে ইমাম ইয়াহিয়ার শাসনকাল।
১৯৩৪ সীমান্ত প্রশ্নে ব্রিটেন আর ইমামত একমত হল। সৌদি আরবের সাথে যুদ্ধে হেরে গেল ইমামত। ইয়েমেনের কাছ থেকে সীমান্তবর্তী আসির, নাজরান, আর জিজান প্রদেশ দখল করে নিল সৌদিরা, প্রাথমিকভাবে এক ২০ বছর মেয়াদী চুক্তিতে।
১৯৩৯-৪৫ World War II – Wikipedia।
১৯৪৮ গুপ্তহত্যার শিকার হলেন ইমাম ইয়াহিয়া। সংক্ষিপ্ত এক ‘উদারপন্থী’ পর্বের পর ক্ষমতা দখল করেন ইমাম আহমাদ, তাঁর সেনাদল সানায় একটা ধবংসযজ্ঞ চালায়। ইমামতের অধিকাংশ সময় তিনি তায়েজে অতিবাহিত করেন।
১৯৪৮-৬২ উত্তর ইয়েমেনে ইমাম আহমাদের শাসনকাল।
১৯৫৮ সংযুক্ত আরব প্রজাতন্ত্র (ইউএআর) গঠনে মিসর ও সিরিয়ার সাথে হাত মেলাল ইয়েমেনের ইমামত।
১৯৫৯ দক্ষিণ ইয়েমেনে প্রতিষ্ঠিত হল আরব আমিরশাহিদের ফেডারেশন। যা ব্রিটিশ আধিপত্যের অধীনে অ্যাডেনের পশ্চিমাঞ্চলের অধিকাংশ ও পূর্বাঞ্চলের একটি আশ্রিত রাজ্যকে একীভূত করে।
১৯৬২ সেপ্টেম্বর ২৬ দক্ষিণ আরব ফেডারেশনে অ্যাডেনের যোগদানের পক্ষে ভোট দিল অ্যাডেন বিধানসভা পরিষদ। ইমাম আহমাদের মৃত্যুর পর ক্ষমতায় আসার মাত্র ১০ দিনের মাথায় সানায় উৎখাত হলেন ইমাম বদর। ঘোষিত হল ইয়েমেন আরব প্রজাতন্ত্র, কিছুদিনের মধ্যেই নাসেরের মিসরের সমর্থন লাভ করে।
১৯৬২-৯০ ইয়েমেন আরব প্রজাতন্ত্র (ওয়াইএআর)।
১৯৬২-৭০ ইয়েমেন আরব প্রজাতন্ত্রে (ওয়াইএআর) গৃহযুদ্ধ। মিসরের মদতপুষ্ট প্রজাতন্ত্রীরা ইমামি রাজতন্ত্রীদের পরাস্ত করেন। কিন্তু যুদ্ধের পরে যে সরকার গঠিত হয়, তাতে বহু রাজতন্ত্রীকে ঠাঁই দেয়া হয়।
১৯৬৩ দক্ষিণে গঠিত হল ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট (এনএলএফ)।
অক্টোবর ১৪ ব্রিটেনের বিরুদ্ধে এনএলএফের সশস্ত্র সংগ্রামের সূচনা।
১৯৬৭ জুন জুন যুদ্ধের সময় অ্যাডেনের ক্রেটার এলাকা ১০ দিনের জন্য নিয়ন্ত্রণে রাখে এনএলএফ।
নভেম্বর দক্ষিণ আরব ফেডারেশন ছেড়ে চলে গেল ব্রিটেন। এনএলএফের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করল। এনএলএফ কর্তৃক গঠিত হল দক্ষিণ ইয়েমেন গণপ্রজাতন্ত্র (পিআরএসওয়াই)।
১৯৬৭-৬৮ সানা অবরোধ, প্রজাতন্ত্রীদের উৎখাত প্রচেষ্টা ব্যর্থ হল।
১৯৭০-৭৯ সৌদি আরবসহ অন্যান্য তেলসমৃদ্ধ রাষ্ট্রে কাজ করতে ইয়েমেন থেকে বিপুল সংখ্যায় অভিবাসন।
১৯৭০ দক্ষিণ ইয়েমেন গণপ্রজাতন্ত্র (পিআরএসওয়াই) ইয়েমেন জনগণের গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে (পিডিআরওয়াই) পরিণত হল।
১৯৭০-৯০ ইয়েমেন জনগণের গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র (পিডিআরওয়াই)।*
* আরব বিশ্বের ইতিহাসে একমাত্র ইয়েমেনেই কমিউনিস্টরা দুই দশক ধরে রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিলেন, স্নায়যুদ্ধের দ্বিমেরুকৃত দুনিয়ায় যাঁদের অবস্থান ছিল সমাজতান্ত্রিক ব্লকে।
১৯৭২ ওয়াইএআর আর পিডিআরওয়াইয়ের মধ্যে প্রথম সীমান্ত যুদ্ধ। আরব লীগের মধ্যস্ততায় যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হল। সই হল ঐক্য চুক্তি।
১৯৭৪ উৎখাত হলেন ইউএআরের প্রেসিডেন্ট আবদুল রহমান আল-ইরইয়ানি। এক রক্তপাতহীন ক্যুদেতায় তাঁকে প্রতিস্থাপিত করলেন ইব্রাহিম আল-হামদি।
১৯৭৭ সানায় গুপ্তঘাতকদের হাতে খুন হলেন আল-হামদি।
১৯৭৮ জুন-জুলাই পিডিআরওয়াই: সালমিনকে উৎখাত করা হয় ও জুনে তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
ওয়াইএআর: গুপ্তহত্যার শিকার হলেন প্রেসিডেন্ট আল-ঘাশমি। জুলাইয়ে নয়া প্রেসিডেন্ট হলেন আলী আবদুল্লা সালেহ।
অক্টোবর গঠন করা হল ইয়েমেনি সোশালিস্ট পার্টি (ওয়াইএসপি)। একইসাথে পার্টির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হলেন আবদুল ফাত্তা ইসমাইল।
ডিসেম্বর পিডিআরওয়াইয়ের ১৯৭০ সালের সংবিধান সংশোধন করা হল। সংশোধিত সংবিধান একদিকে রাজনৈতিক বহুত্ববাদের স্বীকৃতি দিল। অন্যদিকে ওয়াইএসপির ‘কেন্দ্রীয় ভূমিকা’ পালনের কথা বলল।
১৯৭৯ ওয়াইএআর আর পিডিআরওয়াইয়ের মধ্যে দ্বিতীয় সীমান্ত যুদ্ধ।
১৯৮০ একইসাথে ওয়াইএসপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হলেন আলী নাসের মোহাম্মেদ। আবদুল ফাত্তা ইসমাইলকে নির্বাসনে পাঠানো হল।
১৯৮২ ওয়াইএআরে প্রতিষ্ঠিত হল জেনারেল পিপল’স কংগ্রেস (জিপিসি)।
১৯৮৪ ওয়াইএআরের মারিভে বাণিজ্যিক পরিমাণের তেল আবিষ্কৃত হল।
১৯৮৫ নির্বাসন থেকে ফিরে এলেন আবদুল ফাত্তা ইসমাইল। পিডিআরওয়াইয়ে ক্ষমতার লড়াই। নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন হায়দার আবু বকর আল-আত্তাস।
১৯৮৬ জানুয়ারি ১৩ ঘটনাবলি। পিডিআরওয়াইয়ে সংক্ষিপ্ত গৃহযুদ্ধ। আলী নাসের মোহাম্মেদ ও তাঁর সমর্থকদের ওয়াইএআরে নির্বাসিত করা হল। ওয়াইএসপির সাধারণ সম্পাদক হলেন আলী সালেম আল-বিধ।
১৯৯০ মে ২২ ইয়েমেন আরব প্রজাতন্ত্র (ওয়াইএআর) ও ইয়েমেন জনগণের গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের (পিডিআরওয়াই) পুনরেকত্রীকরণ। প্রতিষ্ঠা করা হল ইয়েমেন প্রজাতন্ত্র (আরওওয়াই)। আরওওয়াইয়ের প্রথম প্রেসিডেন্ট হলেন আলী আবদুল্লা সালেহ।
ইরাকের কুয়েত আগ্রাসন। বলপ্রয়োগের বিরুদ্ধে জাতিসংঘে ভোট দিল আরওওয়াই। সৌদি আরব-সহ জিসিসিভুক্ত রাষ্ট্রগুলো থেকে ৮০ হাজার ইয়েমেনিকে বিতাড়িত করা হল।
১৯৯০-৯৯ সা’দা গভর্নরেটে জায়েদি পুনরুত্থানবাদী আন্দোলনের বিস্তার লাভ।
১৯৯১ সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্ত। ইথিওপিয়ায় মেঙ্গিস্তু হাইলে মারইয়ামকে উৎখাত করা হল। সোমালিয়ায় সিয়াদ বারে উৎখাত ও গৃহযুদ্ধের সূচনা।
হাদরামাউতে বাণিজ্যিক পরিমাণে তেল আবিষ্কৃত হল। গঠিত হল ইসলাহ।
১৯৯৩ সংসদীয় নির্বাচন।
১৯৯৪ মে-জুলাই জরুরি অবস্থা ঘোষণা করলেন প্রেসিডেন্ট সালেহ। ভাইস-প্রেসিডেন্ট আলী সালেম আল-বেইদসহ দক্ষিণাঞ্চলের কর্মকর্তাদের বরখাস্ত করা হল। জাতীয় সেনাবাহিনীর হাতে পরাজিত হওয়ার আগে যারা দক্ষিণের বিচ্ছিন্নতা ঘোষণা করেছিলেন।
প্রেসিডেন্টকে আরও ক্ষমতা প্রদানের জন্য সংবিধান পরিবর্তন।
১৯৯৫ ইয়েমেন সরকার আইএমএফের পরামর্শ মেনে নিল এবং কাঠামোগত সমন্বয় নীতি গ্রহণ করল।
লোহিত সাগরের বিতর্কিত হানিশ দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে ইয়েমেন আর ইরিত্রিয়ার মধ্যে সংঘাত দেখা দিল।
১৯৯৬ প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা।
১৯৯৭ সংসদীয় নির্বাচন।
১৯৯৮ আন্তর্জাতিক সালিশি হানিশ দ্বীপপুঞ্জের বড় অংশটাই ইয়েমেনের হাতে তুলে দিল।
১৯৯৯ প্রেসিডেন্ট নির্বাচন: নির্বাচিত হলেন আলী আবদুল্লাহ সালেহ।
২০০০ জেদ্দা চুক্তি। সৌদি আরব ও ইয়েমেন প্রজাতন্ত্রের (আরওওয়াই) মধ্যে। স্থায়ী সীমান্ত নির্ধারণের জন্য।
আদেন বন্দরে ইউএসএস কোলয়ের ওপর হামলা চালাল আল-কায়েদা।
২০০১ স্থানীয় পরিষদের প্রথম নির্বাচন।
দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা।
৯/১১র পর প্রেসিডেন্ট বুশের কথিত ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’কে সমর্থন করার জন্য ছুটে গেলেন আলী আবদুল্লাহ সালেহ।
২০০২ ইয়েমেনি জলসীমায় ফরাসি সুপার-ট্যাঙ্কার লিমবার্গের ওপর হামলা চালাল আল-কায়েদা।
প্রকাশিত হল দারিদ্র্য বিমোচন কৌশল পত্র (পিআরএসপি) ২০০৩-৫।
২০০৩ ইসলাহ, ইয়েমেনি সোশালিস্ট পার্টি, বাথ, নাসেরাইটস, পপুলার ফোর্সেস এবং আল হকের সদস্যরা মিলে গঠন করলেন জয়েন্ট মিটিং পার্টিজ (জেএমপি)।
সংসদীয় নির্বাচন।
ইরাকে মার্কিন আক্রমণ, সাদ্দাম হোসেনের বাথপন্থী হুকুমত উৎখাত।
২০০৪ প্রথম হুথী যুদ্ধ: নিহত হলেন হুসাইন বদর আল-দিন আল-হুথি।
২০০৫ দ্বিতীয় হুথী যুদ্ধ।
২০০৬ দ্বিতীয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। গঠন করা হল সাউদার্ন মিলিটারি রিটায়ারিজ অর্গানাইজেশন।
২০০৭ তৃতীয় হুথী যুদ্ধ। দক্ষিণ বিচ্ছিন্নতার জন্য বিক্ষোভ শুরু।
২০০৮ চতুর্থ হুথী যুদ্ধ।
২০০৯ পঞ্চম ও ষষ্ঠ হুথী যুদ্ধ। যার শেষোক্তকে ‘পোড়া মাটি’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সালেহ শাসনের সমর্থনে এগিয়ে এল সৌদি বিমান ও স্থল বাহিনী। সৌদির ক্ষতি হল। আল-কায়েদার সৌদি ও ইয়েমেনী শাখা এক করে গঠন করা হল আল-কায়েদা ইন দি অ্যারাবিয়ান পেনিনসুলা (একিউএপি)।
২০১০ হুথী যুদ্ধে যুদ্ধবিরতি। ধীরে ধীরে সা’দা গভর্নরেটের নিয়ন্ত্রণ নিল হুথীরা।
২০০৪-৭ হুথী বিদ্রোহীদের উত্থান।
২০০৮ সেপ্টেম্বর সানাস্থ মার্কিন দূতাবাসে আল-কায়েদার হামলায় ১২ জনের মৃত্যু।
২০১১ সেপ্টেম্বর মার্কিন বাহিনীগুলোর হাতে খুন হলেন ইয়েমেনে আল-কায়েদা নেতা আনোয়ার আল-আওলাকি, যিনি জন্মসূত্রে মার্কিনী।
নোয়েল ব্রেহোনি, ইয়েমেন ডিভাইডেড: দ্য স্টোরি অফ আ ফেইল্ড স্টেট ইন সাউথ অ্যারাবিয়া।
২০১১-১৪ আবদুল্লা মনসুর হাদির নেতৃত্বে ঐক্যের সরকারের শাসনকাল।
২০১১ দেশজুড়ে গণঅভ্যুত্থান শুরু হল। চাকরি, মর্যাদা ও দুর্নীতির অবসানের দাবিতে। সালেহ হুকুমতের পতন।
মার্চ ১৮ ‘মর্যাদার শুক্রবার’ হত্যাযজ্ঞ। স্নাইপারদের গুলিতে ৫০য়ের বেশি বিক্ষোভকারী খুন হলেন।
জুন ৩ মসজিদে জুমার নামাজ পড়ার সময় গুরুতরভাবে জখম হলেন সালেহ। অনেকে নিহত। সালেহকে চিকিৎসার জন্য সৌদি আরব নেয়া হল।
অক্টোবর ক্ষমতা হস্তান্তর বিষয়ে জিসিসির উদ্যোগকে সমর্থন জানাল জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব নং ২০১৪।
নভেম্বর ২৩ রিয়াদে সই হল জিসিসি চুক্তি।
ডিসেম্বর গঠিত হল জাতীয় ঐক্যের সরকার।
২০১২ ফেব্রুয়ারি দুই বছর মেয়াদে রূপান্তরকালীন সরকারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন আবদু রাব্বু মনসুর হাদি, আনুষ্ঠানিকভাবে সালেহের কাছ থেকে দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন।
মে ২১ সানা’র কুচকাওয়াজে সন্ত্রাসী হামলায় ১২০ জনেরও বেশি সামরিক স্নাতক নিহত হলেন। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব নং ২০৫১ স্যাংশন কমিটি গঠন করল।
সেপ্টেম্বর উন্নয়নের জন্য ৮.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদানের ওয়াদা করল আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য রূপান্তরকালীন কর্মসূচি (টিপিএসডি) জারি করল সরকার।
২০১৩ মার্চ ১৮ শুরু হল ন্যাশনাল ডায়ালগ কনফারেন্স (এনডিসি)।
এপ্রিল নতুন নেতৃত্ব নিয়োগ এবং সামরিক নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর পুনর্গঠন।
ডিসেম্বর সানা’র সামরিক হাসপাতালে হামলায় ৬৫ জন নিহত।
২০১৪-চলমান ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধ।
২০১৪ জানুয়ারি এনডিসির সমাপ্তি।
ফেব্রুয়ারি হাদির নিয়োগ দেয়া কমিটি ইয়েমেনকে একটি ৬ অঞ্চলে বিভক্ত ফেডারেশনে পরিণত করার সুপারিশ করল। সানা এবং মা’আবার (ধামার গভর্নরেট) ও ফিয়ুশ (লাহেজ গভর্নরেট) সহ অন্যান্য স্থানে ছড়িয়ে পড়ল দাম্মাজ থেকে বহিষ্কৃত সালাফি সম্প্রদায়।
মার্চ সংবিধান মুসাবিদা কমিটি কাজ শুরু করল।
জুন আমরান দখল করল হুথী-সালেহ জোট।
জুলাই জ্বালানির দাম বৃদ্ধি করল বাসেন্দওয়া সরকার। হুথী দুর্নীতিবিরোধী দাবির সমর্থনে বিক্ষোভের দিকে পরিচালিত করে।
সেপ্টেম্বর সানা দখল করল হুথী-সালেহ জোট।
২১ রূপান্তরকালীন সরকার আর হুথিদের মধ্যে সানা’য় শান্তি ও জাতীয় অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষরিত। ইস্তফা দিল জাতীয় ঐক্যের সরকার।
নভেম্বর ৯ প্রধানমন্ত্রী খালেদ বাহার নেতৃত্বে নতুন সরকার কাজ শুরু করল।
২০১৫ জানুয়ারি খসড়া সংবিধান প্রকাশিত, আলোচনার জন্য জমা দেওয়া হবে। হুথী-সালেহদের দাবিতে সাড়া দিয়ে ইস্তফা দিল হাদি, বাহা এবং সরকার। তাঁদের গৃহবন্দী করা হল।
ফেব্রুয়ারি আদেনে পালিয়ে গেলেন হাদি। আদেনকে অস্থায়ী রাজধানী ঘোষণা করা হল। হুথী-সালেহ আকাশপথে আদেনে আক্রমণ করলেন এবং একইসাথে ময়দানেও ভীষণ যুদ্ধ হল।
৬ ২ বছর মেয়াদী রূপান্তরের জন্য সাংবিধানিক ঘোষণাপত্র জারি করল হুথীরা।
মার্চ ওমান ও মিসরে আরব লীগ শীর্ষ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে সৌদি আরবে পালিয়ে গেলেন হাদি। হাদিকে পুনর্বহাল করতে সৌদি আরবের নেতৃত্বে শুরু হল অপারেশন ডিসাইসিভ স্টর্ম। বিশ্ব ব্যাংক সহ বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইয়েমেনে কার্যক্রম স্থগিত করল। সানায় শিয়া মসজিদগুলোকে লক্ষ্য করে চালানো আইএসের দুটি আত্মঘাতী বোমা হামলায় ১৩৭ জনের মৃত্যু।
জুন জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় জেনেভা শান্তি আলোচনা পাঁচ দিন ধরে চলল; দুই পক্ষ একই ঘরে বসতে আপত্তি জানাল। ইয়েমেনে এক মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হলেন আল-কায়েদা ইন দি অ্যারাবিয়ান পেনিনসুলার (একিউএপি) নেতা নাসের আল-উহায়শি।
জুলাই আদেনে সেনা মোতায়েন করল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। মাসের শেষের দিকে শহর থেকে হুথী-সালেহ বাহিনীকে বহিষ্কার করল।
ডিসেম্বর সুইজারল্যান্ডের বিয়েলে হুথী-সালেহ বাহিনী এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের মধ্যে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় জেনেভা আলোচনা কোন মীমাংসা ছাড়াই শেষ হল।
২০১৬ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী বাহাকে বরখাস্ত করলেন হাদি। আলী মোহসেনকে ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং আহমেদ ওবাইদ বিন দাঘরকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হল।
এপ্রিল কুয়েত আপোসরফা শুরু হল, আগস্টে ভেস্তে যায়।
এপ্রিল-মে মু্কাল্লা থেকে আল-কায়েদা ইন দি অ্যারাবিয়ান পেনিনসুলার (একিউএপি) প্রস্থানের ব্যবস্থা করল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ও যুক্তরাষ্ট্র। সংগঠনটি অভ্যন্তরীণভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
জুলাই সানায় বিপ্লবী কমিটিকে প্রতিস্থাপিত করার জন্য একটি সুপ্রীম পলিটিকাল কাউন্সিল (এসপিসি) প্রতিষ্ঠা করল হুথী-সালেহ জোট।
সেপ্টেম্বর ইয়েমেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (সিবিওয়াই) সদরদপ্তর আদেনে স্থানান্তরিত করার ডিক্রি জারি করল দেশটির আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার।
নভেম্বর সানায় জাতীয় মুক্তি সরকার ঘোষণা করল এসপিসি। ইয়েমেনে এ সময় ১ কোটি ৯০ লক্ষ মানুষ খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
২০১৭ জানুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং অন্যান্য জোট বাহিনী বাব আল-মান্দাব ও লোহিত সাগর উপকূলে আক্রমণ শুরু করে মার্চের মধ্যে মোখার বেশিরভাগ অংশ দখল করল। আল-বাইদা গভর্নরেটের ইয়াকলা গ্রামে বিমান হামলা শুরু করল ট্রাম্প প্রশাসন। পরের মাসগুলোতে ড্রোন ও বিমান হামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।
ইয়েমেনে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা ঘোষণা করল জাতিসংঘ।
আদেনে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব। হাদি এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহি-সমর্থিত সামরিক বাহিনীগুলোর মধ্যে। দ্বন্দ্বের কারণ গভর্নরের পদ।
২.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যমানের মানবিক সহায়তার জন্য আবেদন জানাল জাতিসংঘ।
এপ্রিল ১.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ওয়াদা করা হল।
মে আদেনের গভর্নরকে বরখাস্ত করলেন হাদি। বিভিন্ন গভর্নরেটের দক্ষিণী নেতাদের সাথে মিলে সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল (এসটিসি) গঠন করলেন আদেনের প্রাক্তন গভর্নর আইদারুস আল-জুবাইদি এবং প্রাক্তন পোর্টফোলিওবিহীন মন্ত্রী হানি বিন ব্রেইক।
জুন জাতিসংঘের চাওয়া মানবিক সহায়তার ৪০ শতাংশ অর্থায়ন করা হল।
জুলাই যুক্তরাজ্যের হাইকোর্ট সিদ্ধান্ত নিল, সৌদি আরবের কাছে যুক্তরাজ্যের অস্ত্র বিক্রি বৈধ।
হেলেন ল্যাকনার, ইয়েমেন ইন ক্রাইসিস: অটোক্রেসি, নিও-লিবারেলিজম অ্যান্ড দ্য ডিজইনটেগ্রেশন অফ আ স্টেট।
আশের ওরকাবি, বিয়োন্ড দি আরব কোল্ড ওয়ার: দি ইন্টারন্যাশনাল হিস্ট্রি অফ দি ইয়েমেন সিভিল ওয়ার, ১৯৬২-৬৮।
২০১৮ জানুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরশাহির মদতপুষ্ট দক্ষিণ ইয়েমেনি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা দক্ষিণের মূল শহর অ্যাডেনের নিয়ন্ত্রণ নিল।
ঈসা ব্লুমি, ডেস্ট্রয়িং ইয়েমেন: হোয়াট ক্যাওস ইন অ্যারাবিয়া টেলস আস অ্যাবাউট দ্য ওয়ার্ল্ড।
২০১৯ নভেম্বর ইয়েমেন সরকার ও বিচ্ছিন্নতাবাদীরা ক্ষমতা ভাগবাটোয়ারা করার চুক্তি সই করল, এর মধ্য দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলে সংঘাতের অবসান হল।
২০২৪ এলহাম মানিয়া, দি ইয়েমেনি সিভিল ওয়ার: দি আরব স্প্রিং, স্টেট ফর্মেশন অ্যান্ড ইন্টারনাল ইনস্টেবিলিটি।
২০২৫ ডিসেম্বর ২৬ দক্ষিণ ইয়েমেনে বিচ্ছিন্নতাবাদী বাহিনীর বিরুদ্ধে ধারাবাহিক বিমান হামলা চালাতে শুরু করল রাজকীয় সৌদি বিমান বাহিনী।
২০২৬ জানুয়ারি ২ সৌদি আরব-সমর্থিত ইয়েমেন সরকার সংযুক্ত আরব আমিরশাহি-সমর্থিত সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিলের (এসটিসি) কাছ থেকে হাদরামাউত গভর্নরেটের কিছু অংশ পুনরুদ্ধারকল্পে একটি সামরিক অভিযান শুরু করলো।
হাদরামাউত গভর্নরেটের আল-খাসা এলাকায় এসটিসির একটি ক্যাম্পে একাধিক বিমান হামলা চালালো রাজকীয় সৌদি বিমান বাহিনী (আরএসএএফ), এতে ৭ জন নিহত হন।
৭ সৌদি আরবে শান্তি আলোচনায় যোগ দিতে ব্যর্থ হওয়ায় এসটিসির চেয়ারম্যান আইদারুস আল-জৌবাইদিকে প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিল (পিএলসি) থেকে বহিষ্কার করা হল।
৯ সৌদি আরবে আলোচনার পর এসটিসিকে বিলুপ্তি ঘোষণা করলেন সংস্থাটির মহাসচিব আবদুলরহমান জালাল আল-সুবাইহি। তবে, এসটিসির সংযুক্ত আরব আমিরশাহি-ভিত্তিক মুখপাত্র আনওয়ার আল-তামিমি এই বিলুপ্তির কথা অস্বীকার করেন।
১০ পিএলসি ঘোষণা করল, তারা অতীতে এসটিসির নিয়ন্ত্রণে থাকা এলাকাগুলোর ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে।
১৫ পররাষ্ট্রমন্ত্রী শায়া আল-জিন্দানিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিল পিএলসি।
২১ আদেনের উত্তরে জা’আওলায় একটি গাড়ি বোমা হামলায় ৫ জন নিহত। সাউদার্ন জায়ান্টস ব্রিগেডের জনৈক কমাণ্ডার হামদি শুকরির বহর এই হামলার লক্ষ্য ছিল।
২৯ হুথিদের হয়রানির মুখে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি হুথি-নিয়ন্ত্রিত এলাকায় তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দিল। সানায় ছয়টি জাতিসংঘ অফিসের সরঞ্জাম ও যানবাহন জব্দ করল হুথিরা।
ফেব্রুয়ারি ৬ পিএলসি প্রধানমন্ত্রী জিন্দানির অধীনে একটি নতুন মন্ত্রিসভা নিয়োগ দিল পিএলসি।
১১ আতাক শহরের একটি সরকারি ভবনে হামলা চালালো এসটিসি-সম্পর্কিত বিক্ষোভকারীরা। এতে ৫ ব্যক্তি নিহত হন।
১৯ এসটিসি-সম্পর্কিত বিক্ষোভকারীরা আদেনের আল-মা’শিক প্রাসাদের গেটে অভিযান চালানোর চেষ্টা চালালে ১ ব্যক্তি নিহত ও ১১ জন আহত হন।
২৮ ২০২৬ সালে ইরানে ইসরায়েল-মার্কিন হামলা।
মার্চ ৬ সংঘাতের মধ্যে ইরান ও লেবাননের প্রতি সংহতি জানিয়ে সানায় সমাবেশ করল বিক্ষোভকারীরা।
২৮ ২০২৬ সালের ইরান যুদ্ধে যোগ দিল হুথীরা। ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালালো। বীরশেবায় এয়ার রেইড সাইরেন।
মে ১৪ বন্দী বিনিময়ের অংশ হিসেবে ১,৬৮০ জন বন্দীকে মুক্তি দিতে সম্মত হলো হুথী ও পিএলসি।
১৭ সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের সাথে সহযোগিতার দায়ে ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিলো সানায় অবস্থিত হুথী-নিয়ন্ত্রিত বিশেষায়িত ফৌজদারি আদালত।
জুন ১১ আদেনে সাউদার্ন জায়ান্টস ব্রিগেড পরিচালিত একটি সামরিক ঘাঁটিতে এক বিস্ফোরণে ১২ জন সৈন্য নিহত হন।
জুলাই ৩ হুথীরা দাবি করলো, সানায় অবতরণ করতে আসা একটি ইরানি বিমানকে বাধা দেয়ার চেষ্টা করার সময় একটি সৌদি যুদ্ধবিমানের মুখোমুখি হয়েছিল তারা।
৪ ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধ: হোদাইদার দক্ষিণে এক হামলায় হুথীরা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেনি সরকারের ১৬ জন সৈন্যকে হত্যা করে। একজন কর্মকর্তা জানান, সরকারপন্থী সৈন্যরা হেইস জেলায় হামলাটি প্রতিহত করেছে। “শনিবার ভোরে কয়েক ঘণ্টা ধরে চলা সংঘর্ষে।” তিনি আরও যোগ করেন, “এই লড়াইয়ে (হুথী) পক্ষের মধ্যে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।” সরকারপন্থী সৈন্যরা ৫০ জন হুথী যোদ্ধাকে হত্যা করেছে বলে জানা গেছে।
১৩ ইয়েমেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ঘোষণা করলো, একটি ইরানি বিমানকে অবতরণে বাধা দিতে সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়েতে হামলা চালিয়েছে তারা। হুথীরা এই হামলার জন্য সৌদি আরবকে দায়ী করে। পরবর্তীতে সৌদি আরবের আভা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে হুথীরা।
১৪ হুথীরা দাবি করলো, একটি সৌদি গোয়েন্দা ড্রোন ভূপাতিত করেছে।
২০ বাব-এল-মান্দেবে সৌদি আরবের বন্দর ও জাহাজ অবরোধ ঘোষণা করলো হুথীরা।
২৩ লোহিত সাগরে দুটি সৌদি ট্যাংকারের ওপর হামলার দায় স্বীকার করে হুথিরা।
২৪ ইয়েমেনের হুদাইদা বন্দর এবং হোদেইদা ও কামারানে রাষ্ট্রীয় টেলিযোগাযোগ সংস্থার মালিকানাধীন স্থাপনাগুলোতে হামলা চালালো সৌদি আরব।
২৫ সৌদি আরবে অবস্থিত একটি গ্রিক বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইয়েমেন থেকে নিক্ষিপ্ত দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করলো। মারিব এবং আল-জাওফ গভর্নরেটে হুথীদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলোতে হামলা চালালো ইয়েমেনের বিমান বাহিনী। হুথীরা জানালো, তারা জিজান এবং ইয়ানবুতে সৌদি আরামকোর স্থাপনাগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে।
২৬ একটি সৌদি ড্রোন ভূপাতিত করলো হুথীরা।
২৭ সৌদি আরব জানালো, পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ ও রিয়াদে তেল স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান-সমর্থিত ইরাকি মিলিশিয়ারা। তবে হুথীরা এই হামলার দায় স্বীকার করে।
২৯ বাব এল-মান্দেব প্রণালী, লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরে নৌচলাচলের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য একটি সামুদ্রিক সামরিক জোট গঠনের ঘোষণা দিলো সৌদি আরব। ইসলামি প্রজাতন্ত্রী ইরানের বিরুদ্ধে গঠিত এই জোটের অন্য ১৩টি সাক্ষরকারী দেশ হলো: পাকিস্তান, বাংলাদেশ, বাহরাইন, কুয়েত, কাতার, জর্দান, মিসর, তুরস্ক, ইয়েমেন, জিবুতি, সোমালিয়া, সুদান ও কমোরোস। উল্লেখ্য যে, একই ধরনের নিরাপত্তা লক্ষ্য থাকা সত্ত্বেও সংযুক্ত আরব আমিরশাহি আর ওমান এতে যোগ দেয় নি।
আগস্ট ৪ নাজরান আঞ্চলিক বিমানবন্দরের আশেপাশে একটি সৌদি নিশানায় আঘাত করেছে বলে দাবি করলো হুথীরা।
৫ হুথীরা দাবি করলো, লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরে তারা একটি সৌদি জাহাজে আঘাত করেছে।
৬ হুথীদের হামলায় অন্তত ৫৮ জন সরকারি সেনা নিহত। পরে সৌদি আরব জানালো, দেশটির নাজরান প্রদেশে হুথীদের এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১১ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন।
৭ মারিব গভর্নরেটে হুথী হামলায় ৮ সেনা এবং আরও ১২ জন আহত হয়েছেন। সরকার জানালো, মারিবে হুথী হামলায় ২ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। মক্কায় একটি ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সই করলো তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তান।
৯-১০ হুথীরা দাবি করলো, তারা জিজানে সৌদি আরামকোর একটি তেল শোধনাগারে এবং মোখা বন্দরে হামলা চালিয়েছে। শেষোক্ত হামলায় অন্তত ৭ জন নিহত হন। যাঁদের মধ্যে ৩ জন বেসামরিক নাগরিক।
১১ বাব এল-মান্দেবে একটি পণ্যবাহী জাহাজ হুথী হামলায় ৬ নাবিক নিহত।
১৩ জাজানে অবস্থিত আরামকো তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলা চালানোর ঘোষণা দিলো হুথীরা। হাইফান জেলার দক্ষিণে আল-মাফালিস ফ্রন্টে হুথীদের এক হামলা প্রতিহত করলো সরকারি সেনারা। বাব এল-মান্দেবকে নিশানা করলো হুথী ক্ষেপণাস্ত্র।
সৌদি আরব তাদের নেতৃত্বে লোহিত সাগর প্রতিরক্ষা জোট গঠনের সূচনা ঘোষণা করলো।
১৪ নাজরানে অবস্থিত আরামকোর একটি স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালালো হুথীরা। মোখায় এক হুথী হামলায় ৬ জন নিহত। এঁদের মধ্যে ৪ জন বেসামরিক নাগরিক।
সেপ্টেম্বর ৩ লোহিত সাগর উপকূল ও তাইজ গভর্নরেটে লড়াই চলাকালে ১৩ সরকারি সেনা ও ১৮ হুথী বিদ্রোহী নিহত হন
৪ হুথী বিদ্রোহী ও সরকারি সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষে নিহতদের সংখ্যা বেড়ে ১২০ ছাড়িয়ে গেলো।
৬ সরকারি বাহিনী জানালো, তারা হায়েস জেলা পুনরুদ্ধার করেছে।
৭ হুথীরা সৌদি আরবকে আল-জাওফ গভর্নরেট, আল-বায়দা গভর্নরেট, মারিব গভর্নরেট ও তাইজ গভর্নরেটে বিমান হামলা চালানোর অভিযোগে অভিযুক্ত করলো। আল হাজমের একটি কারাগারে চালানো এমনই এক হামলায় এক শিশুসহ ৭ ব্যক্তি নিহত এবং এক নারীসহ অন্তত ৭ জন আহত হন। হুথীরা একইসাথে জানালো, আল-জাওফ গভর্নরেটে তারা একটি সৌদি গোয়েন্দা ড্রোন ভূপাতিত করেছে।
৮ সৌদি আরবের আবহা, জিজান, নাজরান ও খামিস মুশাইতে বেসামরিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালালো হুথীরা। এতে নারী ও শিশুসহ ৭৩ জন আহত হন। সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের তেল স্থাপনা ও বিভিন্ন সেবামূলক অবকাঠামোতেও আগুন ধরে যায়।
হুথীদের কাছ থেকে সানা পুনর্দখল করার লক্ষ্যে সরকারি বাহিনী পাল্টা অভিযান শুরু করলো।
৯ হুথীরা জানালো, মারিব গভর্নরেট, আল-জাওফ গভর্নরেট, তাইজ গভর্নরেট ও আল-হুদায়দা গভর্নরেটে ৩০টিরও বেশি হামলা চালিয়েছে সৌদি বাহিনী।
১০ লোহিত সাগরের তীরে এবং বাব আল-মান্দেব প্রণালী থেকে ৫০ মাইলেরও কম দূরত্বে অবস্থিত ইয়েমেনের কৌশলগত বন্দর মোখার নিয়ন্ত্রণ নিলো হুথীরা। ইয়েমেনের সরকারি কর্মকর্তারা রয়টার্সকে এই তথ্যটি নিশ্চিত করেন। হুথীরা মোখার নিয়ন্ত্রণ নেয়ার প্রেক্ষাপটে ইয়েমেন নিয়ে জরুরি সভায় বসলো জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ (ইউএনএসসি)।
ইয়েমেনের একটি সামরিক সূত্র এএফপিকে জানায়, “রকেট হামলা ও যোদ্ধাবাহী নৌকা ব্যবহার করে চালানো স্থল আক্রমণের পর” লোহিত সাগরের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত জুকার দ্বীপ দখল করে নিয়েছে হুথীরা।
ইয়েমেনের সরকারি নৌ সেনারা সরে যাওয়ার পর লোহিত সাগরের কৌশলগত গুরুত্বসম্পন্ন হানিশ দ্বীপপুঞ্জে হুথীরা তাদের বাহিনী মোতায়েন করেছে বলে ইয়েমেন সরকারের এক কর্মকর্তা সিনহুয়াকে জানিয়েছেন। এই পদক্ষেপের ফলে দক্ষিণ লোহিত সাগরে হুথীদের সামরিক উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং তাদের বাহিনী বাব আল-মান্দেব প্রণালীর আরও কাছাকাছি পৌঁছেছে। বাব আল-মান্দাব প্রণালীর উত্তরে এবং প্রধান আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচল পথের সন্নিকটে অবস্থিত হওয়ায়, সামুদ্রিক চলাচল পর্যবেক্ষণ ও সুরক্ষার ক্ষেত্রে হানিশ দ্বীপপুঞ্জটি বিশেষ কৌশলগত গুরুত্ব বহন করে।
মারিব গভর্নরেট, আল-জাওফ গভর্নরেট, তাইজ গভর্নরেট ও আল-হুদায়দা গভর্নরেটে সৌদি বাহিনীর প্রায় ৪০টি হামলার কথা জানালো হুথীরা। পরবর্তীতে ধুবাব জেলায় সৌদি বাহিনীর ১০টি হামলার খবর দিলো ইয়েমেনি সংবাদমাধ্যম আল-মাসিরা।
আলজেরিয়ায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত এবং পররাষ্ট্র দপ্তরের সাবেক উপ-সহকারী মন্ত্রী হেনরি এনশারের মতে, ইয়েমেনের হুথীরা বাব আল-মান্দেব প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিতে পারে এবং এটা ঠেকানোর সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের নেই।
ইরানের পার্লামেন্টারি স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ Xয়ে দেয়া এক পোস্টে ইয়েমেনের হুথীদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে লিখলেন, “ইয়েমেনের বীর জনগণ নিশ্চিতভাবেই জয়ী হবে।”
১১ হুথীরা ইয়েমেনের ধুবাব শহরে পৌঁছেছে বলে রয়টার্সকে জানালেন ইয়েমেন সরকারের দুই কর্মকর্তা। শহরটি বাব আল-মান্দেব প্রণালীর ঠিক তীরে, পেরিম দ্বীপের বিপরীত পাশে অবস্থিত। উল্লেখ্য, ধুবাব ও পেরিমের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া বাব আল-মান্দেব প্রণালীটির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
দুই মার্কিন কর্মকর্তা অ্যাক্সিওসকে জানালেন, গতকাল বিষ্যুদবার (সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬) প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ২ বার কল করে হুথীদের ওপর হামলা চালানোর অনুরোধ জানিয়েছিলেন এমবিএস। ট্রাম্প সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছেন। মার্কিন কর্মকর্তারা জোর দিয়ে বলেন, আপাতত হুথীদের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো পদক্ষেপ নেয়ার বা হস্তক্ষেপের করা পরিকল্পনা মার্কিন প্রশাসনের নেই।
হুথীদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি জানালেন, তারা সৌদি-সমর্থিত বাহিনীকে ৬ টি জেলা থেকে হটিয়ে দিয়েছেন। তিনি নিশ্চয়তা দিতে বললেন, সৌদি জাহাজ ছাড়া আর সব জাহাজ কোম্পানির জন্য সমুদ্রপথে চলাচল নিরাপদ। মাত্র দুই দিনে ইয়েমেনের পুরো লোহিত সাগর উপকূলের নিয়ন্ত্রণ হুথীদের হাতে এসে গেছে, ফলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথ বাব আল-মান্দেব প্রণালীর ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও পোক্ত হয়েছে।
সৌদি আরব জানালো, আগের দিনের হামলায় কয়েকজন আহত হওয়ার পর রিয়াদ ও মদিনা এলাকায় ইস্ট-ওয়েস্ট ক্রুড অয়েল পাইপলাইন সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
১২ সরকারি সেনারা ঘোষণা করলো, মোখায় তারা হুথীদের আঘাত করেছে।
১৩ সৌদি আরবের জাজান প্রদেশে হুথী হামলায় দুই ব্যক্তি আহত। হুথীরা ঘোষণা করলো, তারা শারুরাহ সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ইয়েমেনি সংবাদমাধ্যম আল-মাসিরা জানালো, সা’দা এলাকায় দুটি হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব।
১৪ সোমবার (সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬) এক বিবৃতিতে হুথীরা জানালো, তারা সৌদি আরবের বিভিন্ন নিশানায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এই হামলার লক্ষ্য ছিল সৌদি আরবের খামিস মুশাইতের কিং খালিদ বিমান ঘাঁটির নানান সামরিক স্থাপনা ও অবকাঠামো। হুথীরা দাবি করলো, গত পাঁচ দিনে ইয়েমেনজুড়ে সৌদি আরবের চালানো ৩০০টির বেশি বিমান হামলার জবাব হিসেবে এই পাল্টা হামলা চালানো হয়েছে।
১৬ হুথীরা জানালো, তারা মারিব গভর্নরেটের আকাশে সৌদি আরবের একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে। তারা আরও জানালো, তারা ইয়ানবুতে অবস্থিত কিং খালিদ বিমান ঘাঁটি এবং আরামকোর স্থাপনাগুলোকে নিশানা করে হামলা চালিয়েছে। এ সময় তারা দাবি করে, আগের ২৪ ঘণ্টায় সৌদি আরব ইয়েমেনে ৪০টি বিমান হামলা চালিয়েছে।
১৭ ইয়েমেনি সংবাদমাধ্যম আল-মাসিরা জানালো, সৌদি হামলায় তাইজ গভর্নরেটের ৩টি টেলিযোগাযোগ টাওয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া আবস এলাকায় চালানো হামলায় একজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। আরেকজন আহত হয়েছেন।
২২ সাবা নিউজ এজেন্সি জানালো, মোখায় সৌদি হামলায় দুই শিশু ও এক নারীসহ ৬ বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং এক শিশু ও এক নারীসহ আরও ৮ জন আহত হয়েছেন।
হুথী হামলা মোকাবেলার লক্ষ্যে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম ঘোষণা করলেন, সৌদি বিমানগুলোকে এয়ার-টু-এয়ার জ্বালানি সরবরাহ করবে আরএএফ।
২৩ সরকারি সেনারা দাবি করলো, তারা তাইজ গভর্নরেটের মাউন্ট কারফান দখল করে নিয়েছে।
২৪ সৌদি-নেতৃত্বাধীন জোট ঘোষণা করলো, তারা তায়েফ ও ইয়ানবুর দিকে হুথীদের ছোঁড়া ছয়টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে।
হুথিরা দাবি করলো, তারা রিয়াদের একটি “সংবেদনশীল নিশানা” এবং ইয়ানবুতে অবস্থিত আরামকোর অবকাঠামোতে আঘাত হেনেছে।
সরকার দাবি করলো, তারা এডেনগামী একটি গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ রুটে হুথীদের হামলা প্রতিহত করেছে।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ ঘোষণা করলেন, রিয়াদের সাথে সম্পাদিত একটি চুক্তির অংশ হিসেবে লোহিত সাগরের তেল পরিবহন রুটে সৌদি আরবকে সুরক্ষা প্রদানের জন্য সেনা পাঠাবে ফ্রান্স।
২৫ হুথীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সশস্ত্র বাহিনীতে যোগ দেয়ার জন্য ইয়েমেনি জনগণের প্রতি আহবান জানালেন প্রেসিডেন্ট রাশাদ আল-আলিম। তিনি ঘোষণা করলেন, যেসব হুথী যোদ্ধা ও তাদের সহযোগীরা পরদিন থেকে পক্ষত্যাগ করবেন, তাদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হবে।
২৬ সৌদি-নেতৃত্বাধীন জোট জানালো, তারা খামিস মুশাইত ও রিয়াদের দিকে হুথীদের ছোঁড়া দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ও দুটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে।
২৭ হুথী-নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানালো, তাইজ গভর্নরেটের মাউইয়া জংশনের একটি বাজারে এক হামলায় ৭ ব্যক্তি নিহত। এই হামলায় শিশুসহ আরও ৪০ জন আহত হন। সরকারি ভাষ্যমতে, ওই এলাকায় হুথীদের একটি সামরিক ঘাঁটি ও যানবাহন ছিলো তাদের হামলার নিশানা।
অক্টোবর ১ সৌদি-নেতৃত্বাধীন জোট জানালো, হুথীরা মদিনার মসজিদে নববীতে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আঘাত হেনেছে। যার ফলে একটি ট্রান্সফর্মার অকেজো হয়ে পড়েছে। হুথীরা এই দাবি অস্বীকার করে।
সৌদি-নেতৃত্বাধীন জোট আরও জানালো, তারা সৌদি আরবের দিকে হুথীদের নিক্ষেপ করা চারটি ড্রোন ও দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে।
২ সানায় সৌদি হামলার খবর জানালো সাবা নিউজ এজেন্সি।
ইয়েমেনি বিমানবাহিনী ঘোষণা করলো, তারা তাইজ গভর্নরেটে হুথী নিশানাগুলোর ওপর ২০টি হামলা চালিয়েছে।
হুথীরা জানালো, গত ২৪ ঘণ্টায় তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন ইয়েমেনের বিভিন্ন এলাকায় সৌদি আরব ৯৪টি হামলা চালিয়েছে।
সৌদি-নেতৃত্বাধীন জোট ঘোষণা করলো তারা খামিস মুশাইত লক্ষ্য করে হুথীদের নিক্ষেপ করা তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে।
৩ সৌদি কর্তৃপক্ষ জানালো, হুথীদের একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার পর তার ধ্বংসাবশেষের আঘাতে আহাদ রাফিদা এলাকায় আহত হয়েছেন এক ব্যক্তি।
তথ্যসূত্র
রাফিন, ইরফানুর রহমান। ২০২২। সময়রেখা: মহাবিশ্বের উৎপত্তি থেকে করোনাসংকট পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত ঘটনাপঞ্জি। দিব্যপ্রকাশ।
AFP.
Al Jazeera.
AP News.
Axios.
BBC.
Channel A.
Lackner, Helen. 2023. Yemen in Crisis: Devastating Conflict, Fragile Hope. new updated ed. Saqi Books.
Middle East Eye.
Reuters.
Wikipedia
The Free Encyclopedia
https://www.wikipedia.org
X.
Xinhua.
Yonhap News Agency.
YTN.
নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।
অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ
দিব্যপ্রকাশ । বাতিঘর । বইবাজার । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী । বুক হাউজ । ওয়াফিলাইফ । রকমারি



