
মাল্টা
Featured Image: Wikipedia Commons.

পূর্বসাল
পূর্বসাল ৬৫০০-৬০১ সাল প্রাচীন নিকট প্রাচ্য – সময়রেখা।
৫২০০-৪৫০০ ঘার ডালাম পর্ব। মাল্টায় প্রথম মানব বসতি।
৪৫০০-৪৪০০ ধূসর স্কোরবা পর্ব।
৪৪০০-৪১০০ লাল স্কোরবা পর্ব।
৪১০০-২৫০০ মাল্টায় এ সময় নির্মিত হচ্ছে মেগালিথিক মন্দির।
২৫০০-৮০০ মাল্টায় ব্রোঞ্জ যুগ।
৮০০-৪৮০ মাল্টায় ফিনিশীয় উপনিবেশবাদ।
১১০০-১৪৬ প্রাচীন গ্রিস – সময়রেখা।
পূর্বসাল ৭৫৩-৪৭৬/৪৮০ সাল প্রাচীন রোম – সময়রেখা।
৭০০-৬০০ মাল্টায় গ্রিক উপস্থিতি।
৪৮০-২১৮ মাল্টায় কার্থেজীয় শাসন।
২৬৪-১৪৬ পিউনিক যুদ্ধ। রোম আর কার্থেজের* মধ্যে। এই যুদ্ধের অবসান ঘটে কার্থেজের ধবংসের মধ্য দিয়ে।
* আফ্রিকার উত্তরাঞ্চলে ফিনিশীয় বণিকদের প্রতিষ্ঠা করা শহর। সামুদ্রিক বাণিজ্যে তাদের তুলনা মেলা ভার ছিল। বর্তমান তিউনিসিয়ায় অবস্থিত।
২১৮ কার্থেজীয়রা আত্মসমর্পণ করলো। কনসাল সেমপ্রোনিয়াস লঙ্গাস মাল্টায় যান এবং তাদের আত্মসমর্পণ গ্রহণ করেন। এরপর রুমিরা মাল্টার নিয়ন্ত্রণ নেয়।
সাল
রোমক শাসন
৬০-৩৯৫
৬০ সেইন্ট পল দি অ্যাপোসলের জাহাজডুবি।
১১৭ সম্রাট হাদ্রিয়ানের অধীনে একটি মিউনিসিপিয়াময়ে পরিণত হলো মাল্টা।
৩৩০-১৪৫৩ বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য।
৩৯৫ মাল্টায় রোমক শাসনের অবসান।
জার্মানিক গোত্রদের দখলদারিত্ব
৩৯৫-৫৩৫
৩৯৫-৫৩৫ মাল্টায় এ সময় ভিসিগথ বা অস্ট্রোগথরা অবস্থান করছে।
৪৫৪ ভ্যান্ডালরা দখল করে নিলো মাল্টা।
৪৬৪ গথরা দখল করে নিলো মাল্টা।
বাইজেন্টাইন শাসন
৫৩৫-৮৭০
৫৩৩ মাল্টা বাইজেন্টাইন শাসনের অধীনস্ত হলো।
৬৩২-১২৫৮ আরব-ইসলামী সাম্রাজ্য – সময়রেখা।
আরব-ইসলামী শাসন
৮৭০-১০৯০
১০৪৮ মাল্টা পুনরুদ্ধার করার প্রথম বাইজেন্টাইন প্রচেষ্টা।
নর্ম্যান শাসন
১০৯১-১১৯৪
১০৯১ মাল্টাকে সিসিলির সীমানাভুক্ত করে নেয়া হলো।
১১২২ মাল্টায় আরব অভ্যুত্থান।
১১২৭ রাজা রজারের মাল্টা পুনর্বিজয়।
১১৪৪ মাল্টা পুনরুদ্ধার করার দ্বিতীয় বাইজেন্টাইন প্রচেষ্টা।
১১৫৪ পালেরমো আর মাল্টার বিশপ হলেন জন।
১১৫৪-১২০৫ মাল্টায় জেনোয়ার প্রভাব।
সোয়াবীয় শাসন
১১৯৪-১২৬৬
১২২৪ সিসিলি ও মাল্টা থেকে আরবদের শেষবারের মতো বহিষ্কার করা হলো।
আঞ্জুভিন শাসন
১২৬৬-৮৩
১২৮২ সিসিলিতে ফরাসি শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ।
আরাগীঁয় ও কাস্তিলীয় শাসন
১২৮৩-১৪১২
১২৮৩ জুলাই ১২ মাল্টার সমর। রজার দে লরিয়ার নেতৃত্বে গ্র্যান্ড হারবারে প্রবেশ করলো আরাগীঁয় বাহিনী। ধ্বংস করলো আঞ্জুর নৌবহর।
১৩৫০ প্রতিষ্ঠালাভ করলো মাল্টার অভিজাত শ্রেণি।
১৩৫০-৫৭ প্রথমবারের মতো প্রত্যক্ষভাবে রাজকীয় শাসনের অধীনে এলো মাল্টা।
১৩৯৩-৯৭ জুলুমবাজদের সময়।
১৩৯৭ দ্বিতীয়বারের মতো প্রত্যক্ষভাবে রাজকীয় শাসনের অধীনে এলো মাল্টা। গোজোয় প্রতিষ্ঠা করা হলো ‘ইউনিভার্সিতা’। সিসিলির কাছে পেশ করা হলো বিভিন্ন দাবিদাওয়া।
১৪২০ মাল্টা ডন আন্তোনিও কার্দোনার সামন্তীয় অধিকারভুক্ত হলো।
১৪২১ মার্চ ৭ ডন গনজালভো দে মোনরয়ের কাছে হস্তান্তর করা হলো মাল্টা ও গোজো।
১৪২৩ মাল্টা দ্বীপপুঞ্জে হামলা চালালো মুসলিম বাহিনী। এ সময় তাঁরা অনেক গ্রামাঞ্চল ধ্বংস করে। বহু বাসিন্দাকে দাস হিসেবে ধরে নিয়ে যায়।
১৪২৫ ডন গনজালভো দে মোনরয়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করলো গোজোবাসী।
১৪২৮ জুন ২০ শেষবারের মতো প্রত্যক্ষভাবে রাজকীয় শাসনের অধীনে এলো মাল্টা।
১৪২৯ সেপ্টেম্বর মাল্টা দ্বীপপুঞ্জ দখলের চেষ্টা করলো তিউনিসীয় সারাসেনরা। এ সময় তারা মাল্টার জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশকে বন্দী করে নিয়ে যায়।
সেইন্ট জনের নাইটদের শাসন
১৫৩০-১৭৯২
১৫৩০ মার্চ ২৩ সিসিলি ও মাল্টার রাজা পঞ্চম চার্লস মাল্টা দ্বীপটি সেইন্ট জনের নাইটদের হাতে তুলে দিলেন।
অক্টোবর ২৬ নাইটরা গ্র্যান্ড হারবারে পৌঁছে দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ নিলো।
১৫৫১ জুলাই গোজোতে হামলা চালিয়ে এর অধিকাংশ বাসিন্দাকে বন্দী করে দাস হিসেবে নিয়ে গেলেন দ্রাগুত রেইস।
১৫৬১ মাল্টায় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠা করা হলো ইনকুইজিশন।
১৫৬৫ মে ১৯ মাল্টায় অবতরণ করলো ওসমানি বাহিনীর অগ্রবর্তী সেনারা। মাল্টার মহা অবরোধ শুরু।
৩১ তুরগুত রেইস ১,৬০০ সৈন্য নিয়ে মাল্টায় পৌঁছালেন তুর্গুত রেইস।
জুন ২৩ আত্মসমর্পণ করলো ফোর্ট সেইন্ট এলমো। পাঁচ দিন আগে পাওয়া আঘাতে আহত দ্রাগুত রেইস একই দিনে মারা যান।
সেপ্টেম্বর ১১ সিসিলি থেকে ৮,০০০ সৈন্যের এক বাহিনী মাল্টায় পৌঁছালে ওসমানি বাহিনী সেখান থেকে সরে যায়। এর মধ্য দিয়ে অবরোধের অবসান ঘটে।
১৫৬৬ মার্চ ২৮ ভ্যালেট্টা শহরের পত্তন।
১৫৬৮ আগস্ট ২১ জ্যাঁ পারিসো দ্য লা ভ্যালেট্টার মৃত্যু। তাঁকে ভ্যালেট্টায় সমাহিত করা হয়।
১৫৭১ অক্টোবর ৭ লেপান্তোর সমর। ওসমানি নৌবহরকে পরাজিত করলো ক্যাথলিক শক্তিগুলোর একটি জোট।
১৫৭৩ সেইন্ট জন’স কো-ক্যাথেড্রালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হলো।
১৫৭৮ সেইন্ট জন’স কো-ক্যাথেড্রাল আনুষ্ঠানিকভাবে ধর্মীয় কাজে উৎসর্গ করা হলো।
১৫৯২ ভ্যালেট্টায় চালু হলো জেসুইট কলেজ (Collegium Melitense)।
১৬১৪ জেইতুনে জলদস্যুদের সর্বশেষ নথিবদ্ধ হামলা প্রতিহত করা হলো। এরপর ৬০টি জাহাজের এক ওসমানি নৌবহর মেল্লিহায় হামলা চালায়।
১৬১৫ এপ্রিল ২১ উইনাকোর্ট জল সরবরাহ ব্যবস্থার (Wignacourt Aqueduct) নির্মাণকাজ সম্পন্ন।
১৬৭৬ ডিসেম্বর ১৯ স্যাক্রেড ইনফার্মারিতে অ্যানাটমি ও সার্জারি স্কুল প্রতিষ্ঠিত হলো।
১৭৩২ জানুয়ারি ৯ উদ্বোধন করা হলো মানোয়েল থিয়েটার।
১৭৬৮ পোপের নির্দেশে জেসুইটদের মাল্টা থেকে বহিষ্কার করা হলো। তাঁদের সম্পত্তি সেইন্ট জনের নাইটদের হাতে তুলে দেয়া হলো।
১৭৬৯ নভেম্বর ২২ জেসুইট কলেজকে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত করা হলো।
১৭৭৫ ফেব্রুয়ারি ৯ ‘পুরোহিতদের বিদ্রোহ’ (Uprising of the Priests)।
১৭৮৪ সেপ্টেম্বর ১৯ গ্র্যান্ড মাস্টার রোহানের অধীনে Diritto Municipale নামে একটি আইনি বিধি প্রণয়ন করা হলো।
১৭৮৯ ফরাসি বিপ্লব।
১৭৯২ সেপ্টেম্বর ১৯ ফ্রান্সের বিপ্লবী সরকার একটি ডিক্রি জারি করলো। তাতে দেশটিতে থাকা সেইন্ট জনের নাইটদের সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হলো।
ফরাসি দখলদারিত্ব
১৭৯৮-৯৯
১৭৯৮ ইনকুইজিশন বিলুপ্ত করা হলো।
জুন ১২ ফরাসি বাহিনীর মাল্টা আক্রমণ। মাল্টায় অবতরণ করলেন নেপোলিয়ন বোনাপার্তে।
১৮ মাল্টা ছেড়ে গেলেন সেইন্ট জনের নাইটদের ৭১তম গ্র্যান্ড মাস্টার ফার্দিনান্দ ফন হমপেশ। তাঁর সাথে অনেক নাইটও মাল্টা ত্যাগ করেন। এরপর নাইটদের সংগঠন রাশিয়ায় স্থানান্তরিত হয়।
আগস্ট ১-২ আবু কির উপসাগরের সমরে পরাজিত হলো নেপোলিয়নের নৌবহর।
সেপ্টেম্বর ২ ফরাসি শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করলো মাল্টার জনগণ।
১৭৯৯ জানুয়ারি ১৭ ডন মিকিয়েল জেরিকে মৃত্যুদণ্ড দিলো ফরাসিরা। এরপর দুই সিসিলির রাজার নামে মাল্টা দ্বীপপুঞ্জের দায়িত্ব নেয় ব্রিটিশরা।
***
১৮০০ ব্রিটেনের রাজকীয় নৌবহরের দেয়া একটা অবরোধের মুখে পড়ে ফরাসি সৈন্যরা ব্রিটিশ বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করল।
১৮১৪ ভিয়েনা চুক্তি, নেপোলীয়নীয় যুদ্ধগুলোর সমাপ্তি। মাল্টাকে ব্রিটেনের একটা ক্রাউন উপনিবেশ করা হল। ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে জিব্রাল্টারের মত মাল্টাও ব্রিটিশদের একটি প্রধান নৌবহরে পরিণত হল।
১৯১৪-১৮ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।
১৯৩৯-৪৫ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ।
১৯৪২ মাল্টায় অবস্থিত মিত্রশক্তির ঘাঁটির ওপর ব্যাপক বোমাবর্ষণ করল ফ্যাসিস্ট ইতালি আর নাৎসি জার্মানি। রাজা ষষ্ঠ জর্জ মাল্টাকে জর্জ ক্রস দিলেন। এটা বীরত্বের জন্য ব্রিটেনের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান।
১৯৪৭ মাল্টাকে স্বশাসন প্রদান করা হল।
১৯৬৪-৭১ মাল্টাকে স্বাধীনতা দেয়া হল। রক্ষণশীল জাতীয়তাবাদীদের শাসন। স্নায়ুযুদ্ধকালীন দ্বিমেরুকৃত পৃথিবীতে এঁরা পশ্চিমঘেঁষা ছিলেন।
১৯৭১ মাল্টার শাসনক্ষমতায় এল ডোম মিন্টফের শ্রমিক দল। পররাষ্ট্রনীতির পটপরিবর্তন। মাল্টা সমাজতান্ত্রিক শিবির ও লিবিয়ার দিকে ঝুঁকে পড়ল।
১৯৭৪ মাল্টা একটি প্রজাতন্ত্রে পরিণত হল।
১৯৭৯ মাল্টার শেষ ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করে দেয়া হল।
১৯৮৯ সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ আর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের মধ্যে প্রথম সম্মেলন আয়োজন করল মাল্টা।
১৯৯০ ইওরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দেয়ার আবেদন করল মাল্টা।
১৯৯৫ এপ্রিল ন্যাটোর পার্টনারশিপ ফর পীস কর্মসূচিতে যোগ দিল মাল্টা।
১৯৯৬ জুলাই ন্যাটোর পার্টনারশিপ ফর পীস কর্মসূচি থেকে বেরিয়ে এল মাল্টা।
২০০৪ মে ১ ইওরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) যোগ দিল মাল্টা।
২০০৭ ডিসেম্বর ২১ শেনগেন জোনে যোগ দিল মাল্টা।
২০০৮ জানুয়ারি মুদ্রা হিসেবে ইওরো গ্রহণ করে নিল মাল্টা।
২০১১ জুলাই মাল্টার সংসদে বিবাহবিচ্ছেদের পক্ষে আইন পাশ হল।*
* ক্যাথলিক সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্রটি ইওরোপের শেষ দেশ যেখানে এই আইন পাশ হওয়ার আগ পর্যন্ত বিবাহবিচ্ছেদের ওপর নিষেধাজ্ঞা ছিল।
২০১২ জানুয়ারি স্ট্যান্ডার্ড আর পুওর রেটিং এজেন্সি মাল্টার ক্রেডিট রেটিং কয়েক ধাপ নামিয়ে দিল। যেমনটা ঘটেছিল আরো কয়েকটি ইওরোজোন দেশের ক্ষেত্রে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) মাল্টাকে সতর্ক করে দিল, মাল্টীয় অর্থনীতি বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা দ্বারা সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকিতে আছে।
২০১৭ মার্চ মাল্টার গোজো দ্বীপের বিখ্যাত পর্যটন আকর্ষণ “অ্যাজিউর উইনডো” তুমুল ঝড়বাদলার কারণে ভেঙে পড়ল।
অক্টোবর এক গাড়ি বোমা বিস্ফোরণে ক্ষমতাশালীদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার মাল্টীয় সাংবাদিক ডাফনে কারুয়ানা গালিজিয়ার মৃত্যু হল। তীব্র গণ প্রতিবাদের মুখে মাল্টা সরকার একটা স্বাধীন গণতদন্তের আয়োজন করতে বাধ্য হল।
২০২০ জানুয়ারি সাংবাদিক ডাফনে কারুয়ানা গালিজিয়া হত্যা বিষয়ে তদন্তের জের ধরে দেশটিতে তৈরি হল তীব্র রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকট। প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন জোসেফ মাসকাত। মাল্টার শ্রমিক দলের নেতা ও দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন রবার্ট অ্যাবেলা।
২০২১ জুলাই একটা স্বাধীন তদন্ত কমিশন ৪৩৭ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে যাতে অনুসন্ধানী সাংবাদিক ডাফনে কারুয়ানা গ্যালিজিয়ার মৃত্যুর জন্য মাল্টা সরকারের “দায়মুক্তির সংস্কৃতি” তৈরি করাকে দায়ী করা হয়।
তথ্যসূত্র
BBC. 2022. “Malta profile – Timeline.” BBC, December 9.
https://www.bbc.com/news/world-europe-17598542
European Union.
Rudolf, Uwe Jens. 2018. Historical Dictionary of Malta. 3rd edition. Rowman & Littlefield.
The Guardian.
নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।
অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ
দিব্যপ্রকাশ । বাতিঘর । বইবাজার । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী । বুক হাউজ । ওয়াফিলাইফ । রকমারি



