কসোভো

Spread the love

Featured Image: Wikimedia Commons.

Image: Perry-Castañeda Library Map Collection, The University of Texas at Austin

সাল

১-১০০ রুমিরা বর্তমান কসোভো নামের অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ নিল। তখন অঞ্চলটিতে দারদানি নামের গোষ্ঠীর বসবাস ছিল। ধারণা করা হয়, দারদানিরা ইলিরীয় বা থ্রেসীয়।*
* কসোভার আলবানীয়দের দাবি, ইসলাম গ্রহণের আগে, তাঁদের পূর্বপুরুষ ছিলেন এই দারদানি বা ইলিরীয়রা। এই দাবি মোতাবেক তাঁরাই কসোভোর আদিম অধিবাসী। এই দৃষ্টিভঙ্গিতে সার্বদের “দখলদার” হিসেবে দেখা হয়।
কিন্তু সার্বরা এই দাবি স্বীকার করেন না। তাঁরা দাবি করেন, তাঁরাই কসোভোর আদিম অধিবাসী। কসোভার আলবানীয়রা ওসমানি শাসনের সময় আসা বহিরাগত।
এই বাহাছ, বলাই বাহুল্য, অমীমাংসিত রয়ে গেছে।

৩৩০-১৪৫৩ Byzantine Empire – Wikipedia

৫০১-৬০০ স্লাভরা বর্তমান কসোভোয় বাস করতে শুরু করল। অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ বাইজেন্টাইনদের হাত থেকে ফসকে গেল। এটি হয়ে উঠল একটি বিসংবাদিত সীমান্ত এলাকা।

৫৪৭-৪৮ স্লাভ গোষ্ঠীরা কসোভায় এলেন ও বসতিস্থাপন করলেন।

৮৫০ বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের কাছ থেকে কসোভা ছিনিয়ে নিলেন প্রথম বুলগেরীয় সাম্রাজ্য।

১০১৪-১৮ কসোভায় বাইজেন্টাইন শাসন পুনর্বহাল।

১১০১-১২০০ বর্তমান সার্বিয়া বর্তমান কসোভোর নিয়ন্ত্রণ বুঝে পেল। কালক্রমে কসোভো সার্বীয় রাজত্বের কেন্দ্র হয়ে উঠল। এই শতাব্দীতে অঞ্চলটিতে প্রচুর সার্বীয় অর্থোডক্স গির্জা ও মঠ নির্মিত হতে দেখা যায়।

১১৮৪-৯৬ প্রথম স্তেফান নেমানজার অধীনে রাস্কা থেকে কসোভার পূর্বাঞ্চলে সার্ব সম্প্রসারণ ঘটল।

১২০৮ কসোভার পশ্চিমাঞ্চলের অধিকাংশ অঞ্চল দখল করে নিলেন প্রথম স্তেফান নেমানজা।

১২১৬ প্রিজরেনের শেষ বিজয়াভিযানের মধ্য দিয়ে কসোভার পুরোটা সার্ব শাসনের অধীনে চলে আসে।

১২১৯ দ্বিতীয় স্তেফান নেমানজার ভাই সাভা নেমানজা একটা অটোসেফালিক সার্বীয় অর্থোডক্স গির্জা প্রতিষ্ঠা করলেন। সব গ্রিক বিশপকে কসোভা থেকে তাড়িয়ে দেয়া হল।

১২৫২ পেজায় প্রতিষ্ঠা করা হল প্যাট্রিয়ার্কাট অফ দ্য সার্বিয়ান অর্থোডক্স চার্চ।

১২৯৯-১৯২২ ওসমানি সুলতানশাহি – সময়রেখা

১৩৩০ প্রতিষ্ঠা করা হল দেকান মঠ।

১৩৪৬ প্যাট্রিয়ার্ক (গোত্রপিতা) উপাধি নিলেন পেজার অর্থোডক্স আর্চবিশপ।

১৩৮৯ জুন ১৫ (পুরনো পঞ্জিকায় জুন ২৮) কসোভো মাঠের যুদ্ধে ওসমানিরা সার্ব অভিজাতদের হারান। বলকানে ওসমানি সুলতানশাহির পাঁচ শতাব্দীর শাসনের শুরুয়াত। কালক্রমে কসোভার আলবানীয়রা দেশটির সংখ্যাগুরু হয়ে উঠবে।

১৩৯৬ কসোভার কিছু অংশে তুর্কি গ্যারিসন ও ওসমানি প্রশাসন নানান মাত্রায় দেখা যেতে লাগল।

১৪০৫ সেকান্দার বেগের জন্ম।

১৪০৯ কসোভার সমর। স্তেফান লাজারেভিচ ও তাঁর ভাইয়ের মধ্যে। এই যুদ্ধে লাজারেভিচের ভাই ওসমানি সুলতান সোলেমানের মদত পেয়েছিলেন।

১৪২৩ প্রিস্টিনায় এ সময় একটি ওসমানি আদালত ছিল।

১৪২৭ স্তেফান লাজারেভিচের স্থলাভিষিক্ত হলেন জুরাজ ব্রাঙ্কোভিচ। বৃহত্তর সার্ব ভূখণ্ডের অংশ কসোভার শাসক হিসেবে। সার্ব শাসকরা নিজেরাই এ সময় ওসমানিদের সামন্ত ছিলেন।

১৪৪৩-৬৮ আলবেনিয়ায় সেকান্দার বেগের অভ্যুত্থান।

১৪৪৮ অক্টোবর ১৭-১৯ কসোভার দ্বিতীয় সমর। হাঙ্গেরীয় অধিনায়ক ইয়ানোস হুয়ানদির নেতৃত্বে একটি বাহিনী অপেক্ষাকৃত বিশাল আকারের ওসমানি বাহিনীর সম্মুখীন হল। ৩ দিনের লড়াই শেষে হুয়ানদি আর তাঁর হাঙ্গেরীয় বাহিনী পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।

১৪৫৫ কসোভার পুরোটাই ওসমানি নিয়ন্ত্রণে চলে এল।

জুন ১ ৪০ দিন ঘেরাও হয়ে থাকার পর সুলতান দ্বিতীয় মেহমেতের নেতৃত্বাধীন ওসমানি বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করল খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ নগরী নভোবেরদা। শহরটির ৩২০ জন তরুণকে জেনিসারির অন্তর্ভুক্ত করতে ধরে নিয়ে যাওয়া হল। নারীদের বিজয়ী শক্তির “পৌত্তলিকদের মধ্যে বিলিবন্টন”* করা হল।
* ইসলাম সম্পর্কে মধ্যযুগীয় ইওরোপীয় খ্রিস্টানরা যেসব ভুল ধারণা পোষণ করতেন, তার একটি হল: মুসলমানরা প্রাকখ্রিস্টীয় ইওরোপের গ্রিক বা রুমিদের মতই “পৌত্তলিক”।

১৪৬১ প্রিস্টিনায় নির্মিত হল ফাতিহ মসজিদ।

১৪৬৮ জানুয়ারি ১৭ সেকান্দার বেগের মৃত্যু।

১৫৫৭ পেজায় ওসমানি উজির মেহমেদ পাশা সকোলোভিচ কর্তৃক সার্বীয় অর্থোডক্স গির্জা পুনর্বহাল করা হল।

১৫৯৩-১৬০৬ হাপসবুর্গ সাম্রাজ্য ও ওসমানি সুলতানশাহির মধ্যে যুদ্ধবিগ্রহ।

১৬৬০ কসোভা সফর করছেন ওসমানি পর্যটক এভলিয়া চেলেবি।

১৬৮৩-৯৯ হাপসবুর্গ সাম্রাজ্য ও ওসমানি সুলতানশাহির মধ্যে যুদ্ধবিগ্রহ।

১৬৮৫ জেতের বোগদানি, কুনিয়াস প্রফেটারুম।*
* প্রিজরেনের নিকটবর্তী গুরি ই হাসিতের বাসিন্দা ছিলেন।

১৬৮৯ হেমন্তকাল জেনারেল এনিও পিককোলোমিনির নেতৃত্বে একটি ছোট আকারের হাপসবুর্গ বাহিনী কসোভা দখল করে নিয়ে পুরো অঞ্চলটির ওপর অস্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ কায়েম করল।

১৬৯০ জানুয়ারি ২ কাসানিকে তুর্কিদের কাছে পরাস্ত হল অস্ট্রীয় বাহিনী। ধীরে ধীরে কসোভা থেকে পিছু হটতে বাধ্য হল। পরের মাসগুলোতে, মধ্য সার্বিয়া ও কসোভোর সার্ব জনগোষ্ঠীর একটা বড় অংশ সুরক্ষা পেতে উত্তরাভিমুখে অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় সাম্রাজ্যে হিজরত করে, যা ভেলিকা সেওবা নামে পরিচিত।

১৭৩৭ আগস্টের প্রথম দিকে ফিল্ড মার্শাল সেকেনডর্ফের নেতৃত্বে প্রিস্টিনা পুনরুদ্ধার করল হাপসবুর্গরা। কিন্তু কয়েক সপ্তাহ পরেই কসোভো ছেড়ে গেল। হ্যাবসবার্গ বাহিনী প্রিশটিনা পুনরুদ্ধার করে, কিন্তু কয়েক সপ্তাহ পরে কোসোভা ত্যাগ করে। এ বছরের শেষদিকে কথিত দ্বিতীয় হিজরতের সময় আরও কিছু শরণার্থী, যাঁদের মধ্যে আলবেনীয় কেলমেন্ডি গোষ্ঠীর সদস্যরাও ছিলেন, হাপসবুর্গ ভূখণ্ডে পুনর্বাসিত হন।

১৭৬৬ পেজার গ্রিক অধ্যুষিত সার্বীয় অর্থোডক্স প্যাট্রিয়ার্কাটের বিলুপ্তি।

১৯১২ ওসমানি তুর্কিদের থেকে কসোভো ছিনিয়ে নিল সার্বরা।*
* সার্ব নৃতাত্ত্বিক জাতীয়তাবাদীরা এই ঘটনাকে “বিজাতীয় ও বহিরাগত মুসলমানদের হাত থেকে কসোভোর মুক্তি” হিসেবে দেখেন, অন্যদিকে কসোভার আলবানীয় নৃতাত্ত্বিক জাতীয়তাবাদীরা দেখেন আধুনিক জামানায় সার্ব দখলদারিত্বের সূচনা হিসেবে।

১৯১৩ লন্ডন চুক্তি। কসোভোর ওপর সার্বিয়ার অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়া হল।

১৯১৪-১৮ World War I – Wikipedia

১৯১৫ সাময়িকভাবে কসোভোর ওপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাল সার্বিয়া।

১৯১৮ কসোভো আনুষ্ঠানিকভাবে আধুনিক সার্ব রাজত্বের অঙ্গীভূত হল।

১৯৩৯-৪৫ World War II – Wikipedia

১৯৪১ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কসোভোর প্রায় পুরোটাই ফ্যাশিস্ত ইতালি-নিয়ন্ত্রিত বৃহত্তর আলবানিয়ার অংশ হয়ে যায়।

১৯৪৬ যুদ্ধের পর কমিউনিস্টরা যুগোস্লাভিয়া সমাজতান্ত্রিক ফেডারেল প্রজাতন্ত্র গঠন করলে সার্বিয়া প্রজাতন্ত্রের একটি প্রদেশে পরিণত হয় কসোভো।*
* ছয়টি প্রজাতন্ত্রের সমষ্টি ছিল এই ফেডারেল প্রজাতন্ত্র। সার্বিয়া (রাজধানী বেলগ্রেড), মন্টেনেগ্রো (রাজধানী টিটোগ্রাদ), স্লোভেনিয়া (রাজধানী জুবজানা), ক্রোয়েশিয়া (রাজধানী জাগরেব), বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা (রাজধানী সারায়েভো), এবং ম্যাকিদোনিয়া (রাজধানী স্কোপজে)। এদের মধ্যে সার্বিয়ায় দুটি স্বায়ত্তশাসিত প্রদেশ ছিল: কসোভো (রাজধানী প্রিস্টিনা) ও ভোজভোদিনা (রাজধানী নোভি সাদ)।

১৯৭৪ যুগোশ্লাভিয়ার সংবিধানে কসোভোকে স্বায়ত্তশাসন প্রদান করা হল।

১৯৮১ কসোভোয় স্বাধীনতাকামী আন্দোলন দমন করল যুগোস্লাভ সেনারা।

১৯৮৭ যুগোস্লাভিয়ার ফেডারেল ব্যবস্থার ভেতরে সার্বীয় প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট হলেন স্লোবোদান মিলোসেভিচ। মিলোসেভিচের কসোভো সফর। সংখ্যাগুরু আলবানীয়দের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু সার্বদেরকে উত্তেজিত করলেন।

১৯৮৮ কসোভোয় সামরিক আইন জারি করলেন স্লোবোদান মিলোসেভিচ।

১৯৮৯ কসোভোর স্বায়ত্তশাসন কেড়ে নিতে ব্রতী হলেন মিলোসেভিচ।

১৯৯০ সার্বিয়া থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করলেন কসোভার আলবানীয়রা।

১৯৯২ কসোভোর আত্মস্বীকৃত প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট হলেন ইব্রাহিম রুগোভা।

১৯৯৩ কসোভো লিবারেশন আর্মি (কেএলএ) প্রতিষ্ঠিত হল।

১৯৯৮ সার্ব শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করল কসোভো লিবারেশন আর্মি (কেএলএ)। কসোভার আলবানীয়দের বিরুদ্ধে জাতিগত শুদ্ধি অভিযান শুরু করলেন স্লোবোদান মিলোসেভিচ। কসোভো যুদ্ধের সূচনা। বিপুলসংখ্যক বেসামরিক কসোভার আলবানীয় নাগরিক কসোভো ছেড়ে পালিয়ে গেলেন।

নোয়েল ম্যালকম, কসোভো: আ শর্ট হিস্ট্রি
মিরান্ডা ভিকার্স, বিটউইন সার্ব অ্যান্ড আলবানিয়ান: আ হিস্ট্রি অফ কসোভো

১৯৯৯ বিলুপ্তপ্রায় যুগোস্লাভিয়ার শেষ দুই প্রজাতন্ত্র সার্বিয়া ও মন্টেনেগ্রোর বিরুদ্ধে ৭৮ দিন ব্যাপী বিমান হামলা পরিচালনা করল ন্যাটো। কসোভো থেকে সেনা প্রত্যাহারে রাজি হলেন মিলোসেভিচ। বহু বেসামরিক সার্ব নাগরিক কসোভো ছেড়ে পালালেন। কসোভো সার্বিয়ার ভেতরে জাতিসংঘের প্রটেক্টোরেটে পরিণত হল। জাতিসংঘ স্থাপন করল কসোভো পীস ইমপ্লিমেন্টেশন ফোর্স (কেফোর)। কসোভো লিবারেশন আর্মি (কেএলএ) অস্ত্র সমর্পণে রাজি হল। কসোভো যুদ্ধের সমাপ্তি।*
* (Judah 2008)য়ের হিসেবে কসোভো যুদ্ধে প্রায় ৮ লক্ষ ৫০ হাজার মানুষ জাতিগত শুদ্ধি অভিযানের শিকার হন।

১৯৯৮-৯৯ সালে সার্বিয়া আর কেএলএ দুই পক্ষই বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত করে। ন্যাটোর বিমান হামলায়ও বেসামরিক নাগরিকদের মৃত্যু ঘটে। এইসব যুদ্ধাপরাধের দুটি সংক্ষিপ্ত ঘটনাপঞ্জি নিচে দেখুন:

http://archive.today/QPqRT
http://archive.today/G8KHi

২০০৪ মিত্রোভিচা শহরে সার্ব-আলবানীয় দ্বন্দ্বে ১৯ জনের মৃত্যু। কসোভোর প্রেসিডেন্ট হিসেবে পুনর্নিবাচিত হলেন ইব্রাহিম রুগোভা, দেশটির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হলেন সাবেক বিদ্রোহী কমাণ্ডার রামুশ হারাদিনাজ। কসোভোয় সংখ্যালঘু সার্বরা এই নির্বাচন বয়কট করেন।

২০০৫ দ্য নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরস্থ জাতিসংঘের যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল দ্বারা যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত হলেন রামুশ হারাদিনাজ, কসোভোর প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন।

২০০৬ সার্বিয়া গণভোটের মাধ্যমে একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন করল যেখানে কসোভোকে দেশটির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসাবে দেখানো হল।

২০০৮ ফেব্রুয়ারি ১৭ কসোভো সার্বিয়া থেকে নিজেকে স্বাধীন ঘোষণা করল, সার্বিয়া বলল এই স্বাধীনতার ঘোষণা অবৈধ। যুক্তরাষ্ট্রসহ ইওরোপীয় দেশগুলো কসোভোকে স্বীকৃতি দিল। রাশিয়া কসোভোকে সার্বিয়ার অংশ বলে বিবেচনা করে।*
* জাতিসংঘের সদস্য-রাষ্ট্র নয়। তবে জাতিসংঘের শতাধিক সদস্য-রাষ্ট্রের স্বীকৃতিলাভ করেছে কসোভো। সার্বিয়া কসোভোর ওপর সার্বভৌমত্ব দাবি করে থাকে।

জাতিসংঘের কাছ থেকে কসোভোর নিরাপত্তা রক্ষার ভার গ্রহণ করল ইওরোপীয় ইউনিয়ন মিশন (ইউলেক্স)।

২০১১ মার্চ কসোভোর প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হলেন আতিফেতে জাহজাগা।

২০১৩ এপ্রিল কসোভো আর সার্বিয়ার সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণে ঐতিহাসিক চুক্তি। উত্তরের সার্ব সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকাগুলোতে উঁচু মাত্রার স্বায়ত্তশাসন প্রদান করা হল। দুই পক্ষই এই ইস্যুতে সম্মত হল যে, পরস্পরের ইইউ-ভুক্তি ঠেকানোর চেষ্টা করবে না।

২০১৭ ফেব্রুয়ারি ২৭ কসোভোকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিল বাংলাদেশ।

সেপ্টেম্বর একটি নতুন সরকার গঠন করার দায়িত্ব পেলেন রামুশ হারাদিনাজ।

২০১৯ জুলাই নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগস্থ জাতিসংঘের একটি যুদ্ধাপরাধ বিষয়ক আদালত সন্দেহভাজন হিসেবে তলব করায় হারাদিনাজ প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন।

অক্টোবর সংসদীয় নির্বাচনে জিতল বিরোধী দল ভেতেভেনদোজে ও দ্য ডেমোক্রেটিক লীগ অফ কসোভো (এলডিকে)।

২০২০ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হলেন ভেতেভেনদোজের আলবিন কুর্তি।

জুন প্রধানমন্ত্রী হলেন এলডিকের আবদুল্লা হোতি।

নভেম্বর নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগস্থ জাতিসংঘের যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল দ্বারা যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত হওয়ায় হাশিম থাচি প্রেসিডেন্টের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন।

২০২১ মার্চ দ্বিতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হলেন ভেতেভেনদোজের আলবিন কুর্তি।

এপ্রিল প্রেসিডেন্ট হলেন সাবেক স্পীকার জোসা ওসমানি।

২০২২ কসোভো সরকার জাতিগত সার্ব সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকাগুলায় সার্বিয়ার ইস্যু করার গাড়ির নম্বর প্লেট কসোভোর ইস্যু করা গাড়ির নম্বরপ্লেট দিয়ে প্রতিস্থাপিত করার চেষ্টা করলে জাতিগত উত্তেজনা বৃদ্ধি পেল।

২০২৩ জানুয়ারি ৮ উত্তর কসোভোতে ১,০০০ পর্যন্ত সার্বীয় সেনা ও সামরিক পুলিশ মোতায়েনের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করলো ন্যাটো।

ফেব্রুয়ারি ৬ সার্বিয়ার সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি ১১-দফা স্বাভাবিকীকরণ চুক্তিতে রাজি হলেন প্রধানমন্ত্রী আলবিন কুর্তি। যেখানে সার্বদের স্বশাসনের জন্য আন্তর্জাতিক নিশ্চয়তার জরুরতের ওপর জোর দেয়া হয়।

এপ্রিল ৩ দ্য হেগ-য়ে স্বীয় যুদ্ধাপরাধের বিচারে অংশ নিলেন কসোভোর প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট হাশিম থাচি।

মে ১৯ সার্বরা স্থানীয় নির্বাচন বয়কট করার পর, মিত্রোভিচার সার্ব-সংখ্যাগরিষ্ঠ উত্তরাংশের জন্য শপথ গ্রহণ করলেন কসোভোর ক্ষমতাসীন দলের একজন জাতিগত আলবেনীয় মেয়র।
২৬ উত্তর কসোভোর পৌর ভবনগুলোতে জোরপূর্বক প্রবেশের নিন্দা জানালো ব্রিটেন, ফ্রান্স, ইতালি, জার্মানি এবং যুক্তরাষ্ট্র। একইসাথে উত্তেজনা প্রশমনের আহবানও জানায় তারা।
জাতিগত আলবেনীয় মেয়রদের উত্তর কসোভোর সার্ব-সংখ্যাগরিষ্ঠ পৌরসভাগুলোতে দপ্তরে নিয়ে যায় পুলিশ। যা সার্ব বিক্ষোভকারীদের সাথে সংঘর্ষের সূত্রপাত করে। এই সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হন এবং সার্বীয় সামরিক বাহিনীর সতর্কতা বৃদ্ধি পায়।
২৯ জাতিগত আলবেনীয় মেয়রদের নিয়োগকে কেন্দ্র করে উত্তর কসোভোতে জাতিগত সার্বদের সাথে সংঘর্ষে ন্যাটো-নেতৃত্বাধীন কেফোরয়ের ২৫ জন শান্তিরক্ষী আহত হন। এই সংঘর্ষের প্রতিক্রিয়ায় সার্বীয় সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ স্তরের যুদ্ধ সতর্কতায় রাখেন সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেকসান্দর ভুচিচ।

জুন ৩ উত্তরে উত্তেজনা কমাতে ব্যর্থ হওয়ায় কসোভোর উপর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা আরোপ করে ইইউ। উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠক থেকে বাদ দেয়া এবং ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রাক-প্রবেশ তহবিল স্থগিত করা যার অন্তর্ভুক্ত ছিল।
সংঘর্ষে প্রায় ৪০ জন শান্তিরক্ষী আহত হওয়ার পর কসোভোতে ৫০০ তুর্কি সৈন্য পাঠালো ন্যাটো। পরবর্তীতে ন্যাটো শান্তি আলোচনার আহবান জানায়। অঞ্চলটিতে নিজেদের উপস্থিতি বৃদ্ধি করে।
১৩ বিশেষ পুলিশের সদস্য সংখ্যা কমানোর ও নতুন নির্বাচনের প্রস্তাব দিলো কসোভো। কেফোরয়ের ওপর হামলার সাথে জড়িত এক সার্বকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় অধিকতর বিক্ষোভ শুরু হয়।
১৪ অবৈধভাবে সীমান্ত পেরোনোর অভিযোগে কসোভো পুলিশের ৩ কর্মকর্তাকে আটক করলো সার্বীয় বাহিনী। কসোভোর প্রধানমন্ত্রী আলবিন কুর্তি সার্বদের এই দাবি অস্বীকার করে বলেন, উক্ত কর্মকর্তাদের কসোভোর ভূখণ্ডের ৩০০ মিটার ভেতরে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অবিলম্বে আটককৃতদের মুক্তি দাবি করেন তিনি।

জুলাই ২৮-৩০ প্রিস্টিনায় অনুষ্ঠিত হলো সেভেন্থ মিটিং অফ স্টাইলস ইন্টারন্যাশনাল স্ট্রিট আর্ট অ্যান্ড গ্রাফিতি উৎসব। যেখানে ১০০ জনেরও বেশি শিল্পী অংশ নেন। উৎসবের মূল থিম ছিল “ক্রিটিক্যাল মাস”।

সেপ্টেম্বর ২৪ বাঞ্জস্কা হামলা। সার্বিয়া সীমান্তের কাছে উত্তর কসোভোতে টহলরত এক পুলিশ কর্মকর্তার উপর অতর্কিত হামলায় একজন নিহত। আর একজন আহত।

অক্টোবর ৪ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞাসহ কসোভো সার্ব নেতা মিলান রাদোইচিচকে মুক্তি দিলো সার্বিয়া। যা কসোভোর কর্মকর্তাদের তীব্র নিন্দা কুড়ালো।
১৭ ইইউয়ের বিশেষ প্রতিনিধি মিরোস্লাভ লাইচাক, মার্কিন দূত গ্যাব্রিয়েল এসকোবার এবং ফ্রান্স, জার্মানি ও ইতালির উপদেষ্টারা সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের ওয়াদা জোরদার করতে সার্বিয়া ও কসোভোর সাথে বৈঠক করেন।

২০২৪ এপ্রিল ২১ সার্ব-সংখ্যাগরিষ্ঠ উত্তর কসোভোর ৪টি পৌরসভায় জাতিগত আলবেনীয় মেয়রদের পদ থেকে অপসারণ করা হবে কিনা, সেই প্রশ্নে একটি গণভোট বেশিরভাগ সার্ব বর্জন করেন এবং মেয়রদের পদত্যাগের দাবি জানান।

মে ১৬ কাউন্সিল অফ ইওরোপে কসোভোর অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি সদস্য দেশগুলোকে বিবেচনা করার জন্য চিঠি লেখেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী দোনিকা গেরভালা-শোয়ার্জ।
২০ লেনদেনে সার্বীয় দিনার ব্যবহারের বিরুদ্ধে আইন লঙ্ঘণের দায়ে সার্বিয়া-ভিত্তিক পোস্তানস্কা শেদিওনিকা ব্যাংকের ছয়টি শাখা বন্ধ করে দেয় পুলিশ।

জুন ১৮ একটি ভিসা মওকুফ চুক্তিতে সই করলো কসোভো ও ইসরায়েল। যা তাদের নাগরিকদের এ বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ভিসা ছাড়াই দুই দেশের মধ্যে ভ্রমণের অনুমতি দেয়।
২৮ ২০১৮ সালে অলিভার ইভানোভিচকে হত্যার দায়ে ৪ জাতিগত সার্বকে দোষী সাব্যস্ত করে এবং চার থেকে দশ বছরের কারাদণ্ড দেয় প্রিস্টিনার এক আদালত।

জুলাই ১৬ ১৯৯৯ সালের কসোভো যুদ্ধের সময় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের জন্য কসোভো লিবারেশন আর্মির (কেএলএ) প্রাক্তন কমান্ডার পিয়েতের শালাকে দোষী সাব্যস্ত করে এবং তাকে ১৮ বছরের কারাদণ্ড দেয় কসোভো স্পেশালিস্ট চেম্বার্স।

আগস্ট ৩০ কসোভোর উত্তরে জাতিগত সার্ব সংখ্যালঘুদের জন্য পরিচালিত পাঁচটি “সমান্তরাল” প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান দেশীয় আইন লঙ্ঘণের কারণ দেখিয়ে বন্ধ করে দিলো কসোভো কর্তৃপক্ষ।

সেপ্টেম্বর ৬ সার্বিয়া-কসোভো সীমান্তের সার্বীয় অংশে বিক্ষোভকারীরা অবরোধ সৃষ্টি করায় সার্বিয়ার সাথে ব্রনজাক ও মের্দারে সীমান্ত ক্রসিং বন্ধ করে দিলো কসোভো কর্তৃপক্ষ।

অক্টোবর ৭ নিরাপত্তাজনিত কারণে ২০২৩ সালের জুনে সার্বিয়ার সাথে সীমান্ত ক্রসিংগুলোতে বন্ধ করে দেওয়া আমদানি পুনরায় শুরু করার ঘোষণা দিলো কসোভো।

নভেম্বর ২৯ জুবিন পোটোকের কাছে একটি বিস্ফোরণে দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে জল সরবরাহকারী একটি খাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দেশব্যাপী জল সরবরাহ ও বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটে। এই ঘটনার জন্য সার্বিয়াকে দায়ী করে কসোভো সরকার।

ডিসেম্বর ৫ বারবার উস্কানিপ্রদান এবং সংসদে দীর্ঘ অনুপস্থিতির কারণে সার্ব লিস্টের ৯ এমপিকে অ্যাসেম্বলি অফ দ্য রিপাবলিক থেকে বহিষ্কার করা হলো। ১৯৯৯ সালের কসোভো যুদ্ধের সময় সংঘটিত অপরাধের জন্য ৩ সামরিক কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিলো কসোভো স্পেশালিস্ট চেম্বার্স।

ডিসেম্বর ২৩ কসোভোকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকৃতি জানানো এবং সার্ব সরকারের সাথে সম্পর্ক রাখার কারণ দেখিয়ে সার্ব লিস্টকে ২০২৫ সালের কসোভো সংসদীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা থেকে নিষিদ্ধ করলো সেন্ট্রাল ইলেকশন কমিশন। ২৫ তারিখে ইলেকটোরাল প্যানেল ফর কমপ্লেইন্টস অ্যান্ড অ্যাপিল এই সিদ্ধান্তটি বাতিল করে দেয়।

২০২৫ জানুয়ারি ১৫ কসোভো সার্ব অধ্যুষিত দশটি পৌরসভার অফিসে অভিযান চালানোর পর সার্বিয়ার সাথে সম্পর্কিত সমস্ত “সমান্তরাল প্রতিষ্ঠান” বন্ধ করার ঘোষণা দিল কসোভো।

ফেব্রুয়ারি ৯ ২০২৫ সালের কসোভান সংসদীয় নির্বাচন। এই সংসদে কোনও দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেনি। ক্ষমতাসীন মধ্য-বামপন্থী রাজনৈতিক দল ভেতেভেন্দোজে মোট ভোটের ৪০% পায়।

মার্চ ২৬ কসোভোকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিল কেনিয়া।

এপ্রিল ১২ কসোভোকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিল সুদান।

সেপ্টেম্বর ১২ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নেয়া পদক্ষেপের কারণে দেশটিতে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার তৈরির কারণ দর্শিয়ে কসোভোর সাথে আলোচনা স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র।

অক্টোবর ১২ ২০২৫ সালের কসোভান স্থানীয় নির্বাচন (প্রথম রাউন্ড)
২৯ কসোভোকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিল সিরিয়া।

নভেম্বর ৯ ২০২৫ সালের কসোভান স্থানীয় নির্বাচন (দ্বিতীয় রাউন্ড)
১৯ প্রধানমন্ত্রী-মনোনীত গ্লাউক কনজুফকা ১২০ ভোটের মধ্যে মাত্র ৫৬ ভোটে জয়লাভ করার পর প্রজাতন্ত্রের সংসদ একটি নতুন সরকার নির্বাচিত করতে ব্যর্থ হলে নতুন করে সংসদীয় নির্বাচন শুরু হয়।

ডিসেম্বর ১২ মার্কিন সরকারের সাথে চুক্তির পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্বাসিত অভিবাসীদের গ্রহণ শুরু করতে শুরু করল কসোভো।
২৮ ২০২৫ সালের কসোভান সংসদীয় নির্বাচন। এই সংসদেও কোনও দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেনি। ক্ষমতাসীন মধ্য-বামপন্থী রাজনৈতিক দল ভেতেভেন্দোজে মোট ভোটের ৫০.৮% পায়।

২০২৬ জানুয়ারি ২৩ কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করলো, ২০২৫ সালের কসোভো সংসদীয় নির্বাচনের সময় প্রিজরেনে নির্বাচনী জালিয়াতির সন্দেহে ১০৯ জনকে আটক করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১১ প্রধানমন্ত্রী-মনোনীত আলবিন কুর্তি সংসদে ১২০ ভোটের মধ্যে ৬৬টি ভোট পেয়ে জয়ী হলে একটি নতুন সরকারকে অনুমোদন দেয় প্রজাতন্ত্রের সংসদ।

মার্চ ৫ ২০২৬ সালের কসোভো প্রেসিডেন্ট নির্বাচন (প্রথম রাউন্ড)
প্রজাতন্ত্রের সংসদ একজন নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ব্যর্থ হওয়ার প্রেক্ষাপটে সংসদ ভেঙে দিলেন প্রেসিডেন্ট জোসা ওসমানি। ৪৫ দিনের মধ্যে নতুন সংসদীয় নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নিলেন। কসোভোর সংবিধান সংসদকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চেষ্টা করার জন্য আরও ৬০ দিন সময় দিয়েছে দাবি করে সাংবিধানিক আদালতে ওসমানির এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করলো ভেতেভেনদোজে।
প্রেসিডেন্ট ওসমানির সংসদ ভেঙে দেওয়ার ডিক্রি স্থগিত করে একটি নিষেধাজ্ঞা জারি করলো সাংবিধানিক আদালত। পাশাপাশি, সাংবিধানিক আদালত চূড়ান্ত রায় না দেয়া পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট যেন নতুন নির্বাচনের ডাক না দেন এবং সংসদ যেন কোন কার্যক্রম না চালায়, সেই আদেশও দেয়া হলো।
৩০ গাজা উপত্যকায় একটি আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষী বাহিনীর অংশ হিসেবে সেনা পাঠানোর অনুমোদন দিলো কসোভো।

এপ্রিল ৪ জোসা ওসমানির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আলবুলেনা হাজিউ।
২৪ ২০২৩ সালের বাঞ্জস্কা হামলায় জড়িত থাকার দায়ে ৩ জাতিগত সার্বকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিলো প্রিস্টিনার মৌলিক আদালত।
২৮ ২০২৬ সালের কসোভো প্রেসিডেন্ট নির্বাচন (দ্বিতীয় রাউন্ড)। সংসদ নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করতে ব্যর্থ হলো সংসদ। আগাম সংসদ নির্বাচনের পথ খুলে গেলো।

জুন ৭ ২০২৬ সালের কসোভান সংসদীয় নির্বাচন। ক্ষমতাসীন মধ্য-বামপন্থী রাজনৈতিক দল ভেতেভেন্দোজে সংসদের ১২০টি আসনের মধ্যে ৫৩টি আসন লাভ করে।

তথ্যসূত্র

BBC.

Elsie, Robert. 2004. Historical Dictionary of Kosova. Scarecrow Press.

Embassy of Bangladesh The Hague, The Netherlands.
https://bangladeshembassy.nl/bangladesh-recognises-kosovo/

Judah, Tim. 2008. Kosovo: What Everyone Needs to Know. Oxford University Press.

Wikipedia
The Free Encyclopedia
https://www.wikipedia.org.

নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।

অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ

দিব্যপ্রকাশ । বাতিঘর । বইবাজার । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী । বুক হাউজ । ওয়াফিলাইফ । রকমারি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *