
সান মারিনো
Featured Image: Wikipedia Commons.

পূর্বসাল
পূর্বসাল ৬-৩০ সাল বর্তমান ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের শহর বেথলেহেমে জন্ম নেয়া খ্রিস্টধর্মের প্রাণকেন্দ্র জেসাস ক্রাইস্টের জীবনকাল।
সাল
৩০১ জনশ্রুতি অনুসারে, মারিনাস নামের জনৈক খ্রিস্টান রাজমিস্ত্রী ধর্মীয় নিপীড়নের হাত থেকে পালানো মানুষদের জন্য তিতানো পাহাড়ের ওপর সান মারিনো প্রতিষ্ঠা করেন।
১২৪৩ সান মারিনোর প্রথম রাজপ্রতিনিধিদের নিয়োগ দেয়া হল।
১৪৬৩ ফিওরেন্তিনো, মন্তেজিয়ার্দিনো, আর সেরাভাল্লে শহর তিনটির দায়িত্ব সান মারিনোকে অর্পণ করলেন পোপ।
১৪৬৪ ফেতানো শহর সান মারিনো প্রজাতন্ত্রে যোগ দিল।
১৫০৩ সিজার বর্গিয়া আমৃত্যু সান মারিনো দখল করে রাখলেন।
১৫৯৯/১৬০০ সান মারিনোর সংবিধান প্রণয়ন করা হল।
১৬৩১ পাপাসি সান মারিনোর স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি প্রদান করল।
১৭৩৯ কার্ডিনাল আলবেরোনির বাহিনী সান মারিনো দখল করে নিল। শুরু হল নাগরিক অবাধ্যতা আন্দোলন এবং ভ্যাটিকানের প্রতি আবেদন। পোপ সান মারিনোর স্বাধীনতা পুনর্বহাল করলেন।
১৭৯৭ নেপোলিয়ন বোনাপার্তে ইতালিতে হামলা চালালেন, তবে সান মারিনোর অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করলেন।
১৮১৫ ভিয়েনার কংগ্রেস। সান মারিনোর স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি প্রদান করা হল।
১৮৪৯ ইতালীয় সৈনিক ও জাতীয়তাবাদী জিউসেপ্পে গ্যারিবাল্ডিকে অস্ট্রীয় বাহিনীদের কাছ থেকে আশ্রয় দিল সান মারিনো।
১৮৬২ ইতালির সাথে কাস্টমস ইউনিয়ন এবং মৈত্রী ও সহায়তা চুক্তি করল সান মারিনো।
১৯১৪-১৮ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।
১৯৩৯-৪৫ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ।
১৯৪০ ফ্যাসিস্ট ইতালি যুদ্ধে অংশ নিল। সান মারিনো নিরপেক্ষতা বজায় রাখল। প্রতিবেশী রাষ্ট্রের ১ লক্ষ মানুষকে আশ্রয় দিল।
১৯৪৪ সেপ্টেম্বর সান মারিনোতে নাৎসি জার্মানির দখলদারিত্বের কাল। দীর্ঘস্থায়ী হয় নাই। মিত্রপক্ষ সান মারিনোর সমরে দেশটিকে মুক্ত করে।
১৯৪৫-৫৭ সান মারিনোতে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত কমিউনিস্ট সরকারগুলোর শাসনকাল।*
* সাম্মারিনীয় কমিউনিস্ট পার্টি ও সাম্মারিনীয় সোশালিস্ট পার্টির জোট।
১৯৫৭ দ্য রোভেরেটা অ্যাফেয়ার। সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৫৬ সালের হাঙ্গেরি বিপ্লব ট্যাংক দিয়ে গুঁড়িয়ে দিলে তা নিয়ে সান মারিনোর কমিউনিস্ট আর সোশালিস্টদের মধ্যে মতভেদ দেখা দেয়। সোশালিস্টরা ক্ষমতাসীন জোট থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করলে দেশটিতে একটি সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টি হয়। পরস্পরবিরোধী সরকার গঠিত হতে থাকে, সশস্ত্র মিলিশিয়ারা রাস্তায় নেমে পড়ে; দেখা দেয় বিশৃঙ্খলা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইতালি দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপ চালায়। ইতালি অবরোধ দেয়। কমিউনিস্ট সরকার শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করতে বাধ্য হয় এবং ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্র্যাটরা ক্ষমতায় আসে।
১৯৮৮ কাউন্সিল অফ ইওরোপে যোগ দিল সান মারিনো।
১৯৯২ জাতিসংঘে যোগ দিল সান মারিনো।
২০০৮ নভেম্বর সংসদীয় নির্বাচনে মধ্য ডানপন্থীদের জোট জয়লাভ করল।
২০২২ আগস্ট গর্ভপাতকে আইনী বৈধতা দিল সান মারিনো।
২০২৩ মে সংস্কার কার্যক্রমে অগ্রগতির অভাবের দোহাই দিয়ে বামপন্থী রেতে সিভিক মুভমেন্ট বিদ্যমান জোট সরকার ছেড়ে দেয় ও বিরোধী শিবিরে চলে যায়।
জুন ইস্তফা দেয়া রেতে সদস্যদের স্থলে স্বাস্থ্য ও স্বরাষ্ট্র বিষয়ক সেক্রেটারি নিযুক্ত হলেন পিডিসিএসের ২ নতুন মন্ত্রিসভা সদস্য।
অক্টোবর ২৫ মাল্টিইভেন্তি স্পোর্ট ডোমাসের কংগ্রেস হলে “ওয়েলকাম টু সান মারিনো, আ কান্ট্রি টু ডিসকভার” শীর্ষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। পর্যটন সচিবালয় ও সান মারিনো ওয়েলকাম আয়োজিত এই সম্মেলনে দেশটির ইতিহাস, সংস্কৃতি, অর্থনীতি ও পর্যটন সম্ভাবনা উপস্থাপন করা হয়।
২০২৪ জুন ৯ ২০২৪ সালের সান মারিনো সাধারণ নির্বাচন। সাম্মারিনীয় ভোটাররা গ্র্যান্ড অ্যান্ড জেনারেল কাউন্সিলের সদস্যদের নির্বাচিত করলেন।
সেপ্টেম্বর ৫ সেরাভালেতে ফিফা-অনুমোদিত জাতীয় দলগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন র্যাঙ্কিংয়ের অধিকারী সান মারিনো লিশটেনস্টাইনকে ১-০ গোলে হারিয়ে দলটির ৩৬ বছরের ইতিহাসে প্রথম প্রতিযোগিতামূলক জয় অর্জন করল।
২০২৫ এপ্রিল ৪ কূটনৈতিক সম্পর্ককে আনুষ্ঠানিক রূপ দিল সলোমন দ্বীপপুঞ্জ ও সান মারিনো।
সেপ্টেম্বর ২৩ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিল সান মারিনো।
অক্টোবর ১ সান মারিনোর নতুন ক্যাপ্টেনস রিজেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন মাত্তেও রোসসি ও লরেঞ্জো বুগলি।
তথ্যসূত্র
BBC.
ESPN.com.
Freedom House.
libertas.
San Marino Aerospace.
San Marino RTV.
Solomon Star News.
WAFA.
Wikipedia
The Free Encyclopedia
https://www.wikipedia.org
নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।
অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ
দিব্যপ্রকাশ । বাতিঘর । বইবাজার । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী । বুক হাউজ । ওয়াফিলাইফ । রকমারি



