ইন্দোনেশিয়া

Spread the love

Featured Image: Wikimedia Commons.


Indonesia. Administrative Divisions. 2002.

Courtesy: The Perry-Castañeda Library Map Collection (PCLMC), The University of Texas at Austin.

পূর্বসাল

১৯ লক্ষ বছর আগে পিথেকানথ্রোপাসমেগানথ্রোপাস নামের দুটো হোমিনিড এ সময় জাভায় বাস করছে।

১৭-৫ লক্ষ বছর আগে ইন্দোনেশিয়ায় বাস করছে পিথেকানথ্রোপাস ইরেক্টাস, যারা জাভা ম্যান নামেই বেশি পরিচিত।

৪০ হাজার বছর আগে জাভায় বাস করছে হোমো স্যাপিয়েন্স ওয়াজাক ম্যান।

১৫-৮ হাজার বছর আগে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেল। জাভা, সুমাত্রা, ও কালিমান্তান এশীয় মূলভূমি থেকে আলাদা হয়ে গেল। নিউ গিনি অস্ট্রেলিয়া থেকে।

৩০০০ অস্ট্রোনেশীয়রা ইন্দোনেশিয়া থেকে ফিলিপাইনে সরে আসতে শুরু করলেন।

২৫০০ তাইওয়ান ও ফিলিপাইন হয়ে অস্ট্রেনেশীয় মানুষেরা ইন্দোনেশিয়ার* আওতাভুক্ত দ্বীপগুলোতে আসতে শুরু করলেন। ইন্দোনেশিয়ায় মৃৎপাত্র ও প্রস্তরনির্মিত হাতিয়ার ব্যবহৃত হচ্ছে।
* ইন্দোনেশিয়া একটি দ্বীপরাষ্ট্র। ১৭৫০০য়েরও বেশি দ্বীপ নিয়ে এই রাষ্ট্রটি গঠিত। এর ৬০০০য়েরও বেশি দ্বীপে মানুষের বসবাস আছে।

১০০০ ইন্দোনেশিয়ায় প্রবর্তন করা হল কেরবাউ

৫০০ বর্তমান ভারত, চীনের দক্ষিণাঞ্চল, আর দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার নানান দেশের সাথে সমুদ্র বাণিজ্য চালু করল উত্তর জাভার বন্দরগুলো।

সাল

১০০-৭০০ ভারত থেকে বিপুল সংখ্যক হিন্দু ইন্দোনেশিয়ায় আসেন। দেশটির অভিজাত শ্রেণি হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করে। এই সময়েই বৌদ্ধরাও ভারত থেকে ইন্দোনেশিয়ায় আসেন।

৩০০ বর্তমান ইন্দোনেশিয়ার সাথে আরব বণিকদের ব্যবসাবাণিজ্য শুরু।

৪০০ পশ্চিম জাভা ও পূর্ব কালিমান্তানে দুটি হিন্দু রাজ্য তরুমানেগারা ও কুটাইয়ের উত্থান।

৪১৩ চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং জাভায় আসলেন।

৪২৩ কাশ্মীরি রাজকুমার গণবর্মন সিংহল হয়ে জাভায় আসেন এবং স্থানীয় রাজপরিবারকে বৌদ্ধধর্মে দীক্ষিত করেন।

৬৭৫ সুমাত্রা দ্বীপের পালেমবাং-জাম্বির নিকটে শ্রীবিজয় রাজ্যের উত্থান।

৭৩২ সঞ্জয়ের নেতৃত্বে মাতারাম রাজ্যের উত্থান।

৭৬০ দিয়েংয়ে নির্মিত হচ্ছে শিব মন্দির।

৮২০/৮২৪ মধ্য জাভার হিন্দু-বৌদ্ধ মাতারাম রাজ্য কর্তৃক বোরোবোদুর মন্দিরের নির্মাণকাজ শুরু। ৮২৫ সালে এর নির্মাণকাজ শেষ হয়।

৮৪০ প্রাম্বানন মন্দিরের নির্মাণকাজ শুরু হল।

৮৬০-১০০০ শ্রীবিজয় রাজ্যের স্বর্ণযুগ।*
* এই রাজ্যের শাসকরা ধর্মীয় পরিচয়ে বৌদ্ধ ছিলেন। শ্রীবিজয় রাজ্য সেকালের একটি শক্তিশালি নৌ-বাণিজ্যশক্তি।

৯১৪-১০৮০ বালিতে হিন্দু রাজ্য।

৯২৯ জাভার রাজনৈতিক কেন্দ্র পূর্ব জাভায় সরে এল।

৯৩৬-১০০৬ মহাভারতের ইন্দোনেশীয় সংস্করণ এ সময়ই কখনো লিখিত হয়।

১০০৬ জাভায় হামলা চালাল শ্রীবিজয় রাজ্য।

১০১৯-৪৫ জাভা শাসন করছেন আইরলাঙ্গা।

১০২৩-৬৮ চোলাদের সুমাত্রা অভিযান।

১০৪৫ কিংবদন্তি অনুসারে, আইরলাঙ্গা তাঁর রাজ্যকে কেদিরি আর জাঙ্গালায় ভাগ করলেন।

১২০১-১৩০০ উত্তর সুমাত্রার প্রথম মুসলমান রাজ্যগুলো প্রতিষ্ঠিত হল।

১২২২ সিঙ্গাসারি প্রতিষ্ঠা করলেন কেন আঙ্গরক।

১২৯২ সিঙ্গাসারিতে গৃহযুদ্ধ। কের্তানেগারাকে খুন করলেন জয়াকাটওয়াং। মঙ্গোলরা জাভায় হামলা চালাল। ইতালিতে ফিরে যাওয়ার পথে সুমাত্রা আর জাভায় সাময়িক যাত্রাবিরতি করলেন পরিব্রাজক মার্কো পোলো।

১২৯৩ উইজায়া কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হল মাজাপাহিত রাজ্য।

১২৯৩-১৩০৯ কের্তারাজস নামে মাজাপাহিত রাজ্য শাসন করছেন উইজায়া।

১২৯৭ দ্বীপপুঞ্জটির প্রথম মুসলিম শাসক হলেন পাসাইয়ের সুলতান মালেক সালেহ।

১৩০০ এ সময় ইন্দোনেশিয়ার সবচে বড় রাজ্য হিন্দু-বৌদ্ধদের মাজাপাহিত। ১৪৭৮ সাল পর্যন্ত মাজাপাহিতরা প্রভাবশালী থাকবেন। এরা ইন্দোনেশিয়াকে ঐক্যবদ্ধ করেন।

১৩৩০-৫০ মিনাংকাবাউয়ে শাসন করছেন আদিত্যবর্মণ।

১৩৩১-৬৪ মাজাপাহিতের প্রধানমন্ত্রী হলেন গাজাহ মাদা।

১৩৮৭ প্রতিষ্ঠা করা হল বানজারমাসিন।

১৪০২ প্রতিষ্ঠা করা হল মেলাকা রাজ্য।

১৪০৬, ১৪০৮, ১৪১০, ১৪১৪, ১৪১৮ দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় অভিযান চালাচ্ছেন ঝেং হে।

১৪৭৮ জাভার প্রথম মুসলিম রাজ্যে পরিণত হল দেমাক।

১৫১১-১২ ইন্দোনেশিয়ায় পর্তুগিজদের আগমন, আম্বোনে ঘাঁটি গাড়ল তারা।

১৫১১ মালাক্কা দখল করল পর্তুগিজরা।

১৫১৩-১৬৪৯ পতুর্গিজ উপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে মালাক্কাবাসীদের নিরন্তর প্রতিরোধযুদ্ধ।

১৫২২ তার্নেতে একটা দুর্গ নির্মাণ করল পর্তুগিজরা।

১৫২৭ দেমাকের সুলতানশাহির হাতে পরাজিত হল হিন্দু-বৌদ্ধ রাজ্য মাজাপাহিত। জাভার প্রায় পুরোটাই এ সময়ের মধ্যে মুসলমান হয়ে গেছে।

১৫৫২-৭০ সুলতান হাসানুদ্দিনের নেতৃত্বে একটি স্বাধীন রাজ্য হিসেবে বানটেনের উত্থান।

১৫৬০ মানাদোয় স্পেনীয়দের আগমন।

১৫৭০ তার্নেতে পর্তুগিজ শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ দেখা দিল, গুপ্তঘাতকদের হাতে খুন হলেন তার্নেতের সুলতান।

১৫৭৫-১৬০১ এ সময় মাতারাম রাজ্য শাসন করছেন সেনোপাতি।

১৫৯৫ ওলন্দাজদের একটি অভিযাত্রিক দল প্রথমবারের মত বর্তমান ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপে পৌঁছাল ও স্থানীয়দের সাথে বাণিজ্য চুক্তি করল।

১৫৯৬ দে হাউটম্যানের নেতৃত্বে প্রথম ওলন্দাজ জাহাজগুলো বানটেনে এল।

১৬০২ গঠিত হল ওলন্দাজ সংযুক্ত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি (ভিওসি)।

১৬০৫ আম্বোন দখল করল ওলন্দাজরা।

১৬০৭-৪৫ সুলতান ইস্কান্দার মুদার নেতৃত্বে আচেহের উত্থান।

১৬১১ ওলন্দাজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি জয়াকের্তায়* একটি বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করল। ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন দ্বীপে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করল ব্রিটিশরা।
*জাকার্তার সেকালীন নাম।

১৬১৩-৪৫ এ সময় মাতারাম রাজ্য শাসন করছেন সুলতান আগুং।*
* জাভার প্রায় পুরোটাই জয় করেন তিনি। মাতারাম রাজ্যের মহত্তম শাসক বিবেচিত হন। ১৬৪১ সালে সুলতান উপাধি গ্রহণ করেন।

১৬১৮ ইন্দোনেশিয়ায় ওলন্দাজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর জেনারেল হলেন ইয়ান পিয়েতেরজুন কোয়েন।

১৬১৯ জাকার্তা শহরটিকে ধবংস করলেন ইয়ান পিয়েতেরজুন কোয়েন।  এটিকে একটি ওলন্দাজ বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে পুনর্নির্মাণ করলেন। নাম দিলেন বাতাভিয়া।

১৬২০-২৩ ওলন্দাজ উপনিবেশিক শক্তি বান্দায় একটা হত্যাযজ্ঞ চালাল।

১৬২১ বান্দা দ্বীপপুঞ্জের নিয়ন্ত্রণ নিল ওলন্দাজরা।

১৬২৩ আম্বোয়না হত্যাযজ্ঞ। গ্রেসিক ও সুরাবায়ার অধীনস্ত হল মাতারাম।

১৬২৫ মশলা দ্বীপপুঞ্জ বলে খ্যাত বর্তমান ইন্দোনেশিয়ার মালুকু দ্বীপগুলোর লোভনীয় লবঙ্গ ব্যবসা পর্তুগিজদের হাত থেকে ওলন্দাজদের হাতে এল।

১৬২৯ বাতাভিয়ায় একটি অসফল হামলা চালালেন সুলতান আগুং।

১৬৪১ মালাক্কা বন্দরের ওপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাল পর্তুগিজরা, এ বছরই মালাক্কা দুর্গ ওলন্দাজদের হাতে আসে।

১৬৪১-৭৫ আচেহ শাসন করছেন সুলতানা তাজ উল-আলম

১৬৪৪ ইন্দোনেশিয়ার সব পর্তুগিজ-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল ওলন্দাজদের অধিকারভুক্ত হল।

১৬৪৬ সুলতান আগুংয়ের মৃত্যু।

১৬৬৩ পাইনান চুক্তি, মিনাংকাবাউয়ে ওলন্দাজ প্রভাব প্রতিষ্ঠা করল।

১৬৬৭ ওলন্দাজ ও বুগিসদের যৌথ বাহিনীর হাতে মাকাসসারের পতন। বুনগায়া চুক্তি সাক্ষরিত। জাভার উত্তর উপকূলের নিয়ন্ত্রণ নিল ওলন্দাজ সংযুক্ত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি (ভিওসি)।

১৬৭১-৭৯ জাভায় দেখা দিল ত্রুনজয় বিদ্রোহ।

১৭০৪-০৮ জাভার প্রথম উত্তরাধিকার যুদ্ধ

১৭১৯-২৩ জাভার দ্বিতীয় উত্তরাধিকার যুদ্ধ

১৭২৩ ওলন্দাজদের কাছে প্রিয়াঙ্গানের রাজপ্রতিনিধিদের জবরদস্তিমূলক কফি সরবরাহ শুরু হল।

১৭৩২ জাকার্তায় ম্যালেরিয়া মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ল।

১৭৪০ বাতাভিয়ায় চীনাদের বিদ্রোহ।

১৭৪৬-৫৫ জাভার তৃতীয় উত্তরাধিকার যুদ্ধ

১৭৫৫ গিয়ান্তি চুক্তি সই।

১৭৮৮ প্রতিষ্ঠা করা হল বাতাভিয়ান সোসাইটি অফ আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেজ (Bataviaasch Genootschap der Kunsten en Wetenschappen)।

১৭৯০-১৮২০ পশ্চিম কালিমান্তানে স্বর্ণ অভিযান।

১৭৯৫ প্রতিষ্ঠা করা হল বাতাভীয় প্রজাতন্ত্র। জাভায় চালানো হল প্রথম আদমশুমারি।

১৭৯৯ ওলন্দাজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি (ভিওসি) দেউলিয়া হয়ে গেল।

১৮০০ জানুয়ারি ১ দেউলিয়া হয়ে যাওয়া কোম্পানির (ভিওসি) সম্পত্তিগুলো দখল করে নিল ওলন্দাজ রাষ্ট্র।

১৮০৩-৩৭ মধ্য সুমাত্রায় পাদেরি যুদ্ধ।

১৮০৮-১১ ওলন্দাজ ইন্ডিজ পরিচালনা করছেন হারমান ভিলেম দেন্দেলস।

১৮১১ আগস্ট-সেপ্টেম্বর জাভা দখল করল ব্রিটিশরা।

১৮১১-১৬ জাভার লেফটেন্যান্ট গভর্নর হিসেবে টমাস স্ট্যামফোর্ড র‍্যাফলসের রাজত্বকাল।

১৮১২ পালেমবাংয়ের কাছ থেকে বাংকা ও বেলিতুং দখল করল ব্রিটিশরা।

১৮১৩ প্রবর্তন করা হল প্রথম ভূমিকর। বিলুপ্ত করা হল বানটেন সুলতানশাহি।

১৮১৫ তম্বোরা আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত।*
*অগ্নুৎপাতের ফলে সরাসরি ১২,০০০ মানুষের মৃত্যু হয়। আগ্নেয়গিরির ছাই বহু ফসলী ক্ষেতের ক্ষতিসাধন করে। ফলে ক্ষুধায় আরো ৮০,০০০ মানুষ মারা যান।

১৮১৬ ব্রিটিশরা ইন্দোনেশিয়ার নিয়ন্ত্রণ ওলন্দাজদের হাতে ফিরিয়ে দিল।

১৮১৭ প্রতিষ্ঠা করা হল বোগোরের বোটানিকাল গার্ডেনস। আম্বোনে পাত্তিমুরা বিদ্রোহ।

১৮২১ ইন্দোনেশিয়ায় কলেরার প্রাদুর্ভাব।

১৮২৪ ইঙ্গ-ওলন্দাজ চুক্তি সই। প্রতিষ্ঠা করা হল নেদারল্যান্ডস ট্রেডিং সোসাইটি (Nederlandsche Handel-Maatschappij : NHM)।

১৮২৫-৩০ জাভা যুদ্ধ

১৮২৮ পাপুয়ার লোবোতে একটি ওলন্দাজ বসতি স্থাপন করা হল।

১৮৩১-৭৭ ইন্দোনেশিয়া থেকে নেদারল্যান্ডসের রাজকোষে জমা হল ৮২ কোটি ৩০ লক্ষ গিল্ডার। এই অর্থ দিয়ে ওলন্দাজরা ঋণ শোধ করে, রেলপথ তৈরি করে, এবং বেলজিয়ামের সাথে যুদ্ধের ব্যয়ভার বহন করে। আধুনিক ইওরোপ উপনিবেশিক লুঠের টাকায় গড়ে উঠেছে।

১৮৩৫ জাভায় জবরদস্তিমূলক চাষাবাদ ব্যবস্থা চাপিয়ে দিল ওলন্দাজরা।

১৮৪৫ জাভায় ভ্যানিলা উৎপাদন শুরু হল।

১৮৪৬ দক্ষিণ কালিমান্তানে বাণিজ্যিকভাবে কয়লা খনি কার্যক্রম চালু হল।

১৮৫৪ নেদারল্যান্ডস ইন্ডিজের সংশোধিত সংবিধান প্রবর্তন করা হল।

১৮৫৯ ইন্দোনেশিয়ায় দাসপ্রথার বিলোপসাধন করল ওলন্দাজরা।

১৮৫৯-৬৩ বানজারমাসিনে উত্তরাধিকার যুদ্ধ

১৮৬০ কালিমান্তানকে ওলন্দাজদের উপনিবেশিক সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করা হল।

১৮৬৩ পূর্ব সুমাত্রায় শুরু হল তামাক চাষ।

১৮৬৪ বানজারমাসিনকে ওলন্দাজদের উপনিবেশিক সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করা হল। প্রতিষ্ঠা করা হল প্রথম রেলরাস্তা।

১৮৭০ কৃষি আইন প্রবর্তন করা হল। “উদার নীতির” শুরুয়াত। নেদারল্যান্ড ইস্ট ইন্ডিজের শোষণকে ডিরেগুলেট করা হল।

১৮৭১ জাভা আর অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে সমুদ্রতলদেশীয় টেলিগ্রাফ কেবল।

১৮৭২-৯৫ দক্ষিণ সুমাত্রায় বাতাক যুদ্ধ।

১৮৭৩-৭৪ বর্তমান ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশে হামলা চালাল ওলন্দাজরা।

১৮৭৩-১৯০৪ আচেহ যুদ্ধ

১৮৭৮ কফি প্ল্যান্টেশনগুলা রোগের কারণে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হল।

১৮৮০ প্রবর্তন করা হল কুলি অধ্যাদেশ।

১৮৮৩ ক্রাকাতোয়া আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত।

১৮৮৪ এ. বাস্তিয়ান নামের জনৈক জার্মান পণ্ডিত ইন্দোনেশিয়া নামটি প্রথমবারের মত ব্যবহার করেন।*
* এর আগে অঞ্চলটি নুসানতারা নামে পরিচিত ছিল। নুসানতারা মানে “অন্য দ্বীপপুঞ্জ।”

১৮৮৬ পাংকালান ব্রান্দানে প্রথমবারের মত তেল আবিষ্কৃত হল।

১৮৮৭ মাদুরাকে ওলন্দাজদের উপনিবেশিক সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করা হল।

১৮৮৮ বানটেনে উপনিবেশবাদবিরোধী অভ্যুত্থান। প্রতিষ্ঠা করা হল প্যাকেট বাষ্পচালিত জাহাজের লাইন কেপিএম।

১৮৯০ বৈশ্বিক মন্দা।

১৮৯৪ লম্বোককে ওলন্দাজদের উপনিবেশিক সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করা হল।

১৮৯৮ আচেহ অভিযানের চিফ-অফ-স্টাফ হলেন জেনারেল ভ্যান হেউৎজ। নেদারল্যান্ডসের রানী হলেন ভিলহেলমিনা।

১৯০১ “নৈতিক নীতি” ঘোষণা করা হল।

১৯০৩ আচেহ প্রদেশ জয় করার ঘোষণা দেয়া হল।

১৯০৪ ভ্যান হেউৎজকে গভর্নর জেনারেল করা হল।

১৯০৫ উত্তর সুমাত্রার তাপানুলি দখল করল ওলন্দাজরা। ওলন্দাজ ভূখণ্ডগুলোয় বিকেন্দ্রীকরণ নীতি চালু করা হল। সুলাওয়েসিকে ওলন্দাজদের উপনিবেশিক সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করা হল।

১৯০৬ বালিকে ওলন্দাজদের উপনিবেশিক সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করা হল।

১৯০৮ আচেহকে ওলন্দাজদের উপনিবেশিক সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করা হল। ইন্দোনেশিয়ার প্রথম জাতীয়তাবাদী সংগঠন বুদি উতোমো গঠিত। এই সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ওয়াহিদিন সুদির হুসোদা। পশ্চিম সুমাত্রায় করবিরোধী বিদ্রোহ। বালির দক্ষিণাঞ্চল জয় করল ওলন্দাজরা।

১৯১০ জাভায় দেখা দিল বুবোনিক মহামারী।

১৯১১ মুসলমান বণিকদের সংগঠন সারেকাত দাগাং ইসলাম গঠিত।

১৯১২ রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করল সারেকাত ইসলাম। মধ্য জাভার আহমেদ কে. এইচ. দাহলান কর্তৃক ইন্দোনেশিয়ার সংস্কারপন্থী ইসলামপন্থী সংগঠন মুহাম্মদিয়া গঠিত।* গঠন করা হল ইন্ডিজশে পার্টিজ
* কুরআন ও হাদিসের অপেক্ষাকৃত আক্ষরিক ব্যাখ্যায় বিশ্বাসী।

১৯১৪-১৮ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ

১৯১৪ গঠন করা হল ইন্ডিজ সোশাল ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন (Indische Sociaal-Democratische Vereeniging : ISDV)।

১৯১৬ প্রবর্তন করা হল পিপল’স কাউন্সিল (Volksraad)।

১৯১৭ তোরাজা ভূমিতে বিদ্রোহ।

১৯১৮ বিশ্বজুড়ে ফ্লু মহামারী।

১৯২০ পশ্চিম পাপুয়াকে ওলন্দাজদের উপনিবেশিক সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করা হল।

১৯২৩ কমিউনিস্টদের সারেকাত ইসলাম থেকে বহিষ্কার করা হল।

১৯২৫ প্রতিষ্ঠা করা হল আলজেমেনে স্টাডিক্লাব।

১৯২৬ নভেম্বর বানটেনে সংঘটিত হল একটি কমিউনিস্ট অভ্যুত্থান। বোগেন দিভুলে একটি বন্দিশিবির স্থাপন করা হল।

ডিসেম্বর ৩১ ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহ্যবাদী ইসলামপন্থী সংগঠন নাদলাতুল উলামা (এনইউ) গঠিত।*
* ইসলামের মৌলিক বিশ্বাসগুলোর সাথে সাংঘর্ষিক না হলে হিন্দুবৌদ্ধ প্রভাবিত স্থানীয় ইন্দোনেশীয় সংস্কৃতির বিভিন্ন চর্চা সহ্য করার পক্ষপাতী।

১৯২৬-২৭ ইন্দোনেশীয় রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ইন্দোনেশীয় কমিউনিস্টদের বিদ্রোহ। ১৩,০০০ কমিউনিস্ট গ্রেপ্তার। এর মধ্য চার সহস্রাধিককে জেলে পাঠান হল।

১৯২৭ জানুয়ারি পশ্চিম সুমাত্রায় সংঘটিত হল একটি কমিউনিস্ট অভ্যুত্থান।

জুন ব্যাংককে তান মালাকা কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হল পার্টাই রিপাবলিক ইন্দোনেশিয়া (পারি)।

জুলাই আখমাদ সুকর্ণ* কর্তৃক গঠিত হল পার্টাই ন্যাসিয়নাল ইন্দোনেশিয়া (পিএনআই)।
* ইন্দোনেশিয়ার প্রথম স্বাধীন রাষ্ট্রপ্রধান ও বামঘেঁষা জাতীয়তাবাদী। ক্ষমতালাভের পর ক্রমেই একনায়কতন্ত্রী প্রবণতা প্রদর্শন করেন। ইন্দোনেশীয় কমিউনিস্টরা সুকর্ণকে নিঃশর্ত সমর্থন প্রদান করেছিল, তাদের জন্য যার ফল হয়েছিল মারাত্মক।

১৯২৯ সুকর্ণকে কারাবন্দী করা হল।

১৯৩১ সুতোমা সুরোবায়ার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হল ইউনিয়ন অফ দ্য ইন্দোনেশিয়ান পিপল।

১৯৩৩ ফেব্রুয়ারি জেভেন প্রভিন্সিয়েনে বিদ্রোহ।

বছরের মাঝামাঝি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সভাসমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিল ওলন্দাজরা।

আগস্ট ওলন্দাজরা সুকর্ণসহ ইন্দোনেশিয়ার জাতীয়তাবাদী নেতৃবৃন্দকে গ্রেপ্তার ও কারাবন্দী করল।

১৯৩৪ ফেব্রুয়ারি হাত্তা, জাহরির, ও অন্যান্য রাজনৈতিক নেতাকে কারাবন্দী ও নির্বাসিত করা হল।

১৯৩৫ ডিসেম্বর গঠন করা হল পার্টাই ইন্দোনেশিয়া রায়া।

১৯৩৬ জুলাই সুতার্জ পিটিশন জারি করা হল।

১৯৩৭ মে প্রতিষ্ঠা করা হল গেরাকান রাকইয়াত ইন্দোনেশিয়া। প্রতিষ্ঠা করা হল আনতারা নিউজ এজেন্সি।

১৯৩৯ ইন্দোনেশিয়ার রাজনৈতিক দলগুলোর ফেডারেশন দেশটির নয়টি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দলকে এক করে একটি জাতীয়তাবাদী মহাসম্মেলনের আয়োজন করে।

১৯৩৯-৪৫ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ

১৯৪১ জুলাই জাপানে তেল, টিন, ও রাবার রপ্তানি করা বন্ধ করে দিল নেদারল্যান্ডস ইন্ডিজ।

১৯৪২-৪৫ ইন্দোনেশিয়ায় জাপানি উপনিবেশিক শাসনের কাল।

১৯৪২ জাপানি ফ্যাসিস্ট শক্তি দখল করে নিল ইন্দোনেশিয়া। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে প্রায় দুই লক্ষ ইন্দোনেশীয় জাপানিদের ইন্টার্নমেন্ট ক্যাম্পে বন্দী ছিলেন। ওলন্দাজরা কারাগার থেকে পালাতে সক্ষম হলেন সুকর্ণ।

১৯৪৩ ইন্দোনেশীয় সেনাবাহিনীর ভ্রুণ পেটা গঠন করা হল। মিত্রপক্ষ ইন্দোনেশিয়া পুনঃদখল করতে শুরু করল।

১৯৪৫ আগস্ট ১৭ সুকর্ণ আর মোহাম্মদ হাত্তা* ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা দিলেন। ওলন্দাজদের সাথে চার বছরের স্বাধীনতাযুদ্ধ শুরু হল, একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন করা হল, সুকর্ণ প্রেসিডেন্ট ঘোষিত হলেন। পশ্চিম জাভায় দারুল ইসলাম প্রতিষ্ঠা করলেন মুসলমান সূফি ও উপনিবেশবাদবিরোধী সক্রিয়তাবাদী এস. এম. কার্তোসূর্য।
* পশ্চিম সুমাত্রায় জন্ম নেয়া একজন ইন্দোনেশীয় গণতন্ত্রী। ধর্মপ্রাণ মুসলমান ছিলেন। রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে মধ্যপন্থী হওয়ায় পরবর্তীকালে বামঘেঁষা সুকর্ণ আর ডানঘেঁষা সুহার্তো উভয়েরই সমালোচনা করেছেন।

১৯৪৮ কার্তোসূর্যের নেতৃত্বে দারুল ইসলামের বিদ্রোহ। কমিউনিস্টদের মাদিউন বিদ্রোহ। স্বাধীনতাকামী ইন্দোনেশীয়দের বিরুদ্ধে পুলিশি অ্যাকশন নিল ওলন্দাজরা।

১৯৪৯ ডিসেম্বর ২৭ ওলন্দাজ ইস্ট ইন্ডিজ ইন্দোনেশিয়া নামে স্বাধীন হল। দেশটির প্রথম প্রেসিডেন্ট হলেন সুকর্ণ, বাতাভিয়ার নাম বদলে জাকার্তা করা হল, এবং জাকার্তাকে দেশটির রাজধানী বানানো হল। ইন্দোনেশিয়ায় একটি ইসলামি রাষ্ট্র গঠন করলেন কার্তোসূর্য।

১৯৫০ ভারত আর অস্ট্রেলিয়ার তদবিরে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করল ইন্দোনেশিয়া। গারুদা ইন্দোনেশীয় এয়ারলাইন্স প্রতিষ্ঠা করা হল।

১৯৫১ ইন্দোনেশিয়ার কমিউনিস্ট পার্টির (পিকেআই) প্রধান হলেন এ. এন. আইদাত।

১৯৫৫ বান্দুংয়ে আফ্রো-এশীয় সম্মেলন।

১৯৫৭ প্রেসিডেন্ট সুকর্ণ গাইডেড ডেমোক্রেসির ধারণা প্রবর্তন করলেন।

১৯৫৮ ইন্দোনেশিয়ায় কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে রেভল্যুশনারি গভর্নমেন্ট অফ দ্য রিপাবলিক অফ ইন্দোনেশিয়ার (পিআরআরআই) পারমেস্তা (ইউনিভার্সাল স্ট্রাগল চার্টার) বিদ্রোহ।

১৯৫৯-৬৫ গাইডেড ডেমোক্রেসি

১৯৬০ ডিক্রি জারি করে সংসদ বিলুপ্ত করলেন সুকর্ণ।

১৯৬১ ইন্দোনেশিয়ার অধিকাংশ রাজনৈতিক দল বিলুপ্ত করা হল।

১৯৬২ কার্তোসূর্যকে পাকড়াও করে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হল। জাতিসংঘের তৎপরতায় পশ্চিম পাপুয়া ইন্দোনেশিয়ায় যোগ দিল। ইন্দোনেশিয়া ওপেকের সদস্য হল।

১৯৬৩ মালয়েশিয়ার বিরুদ্ধে প্রচারাভিযান চালাতে শুরু করলেন সুকর্ণ। সুকর্ণকে আমৃত্যু প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করা হল। এক একনায়কতন্ত্রকে সমর্থন দিয়েছিল ইন্দোনেশীয় কমিউনিস্ট পার্টি (পিকেআই)।

১৯৬৫ সুহার্তোকে সেনাপ্রধান হিসাবে নিয়োগ দেয়া হল। কারারুদ্ধ হলেন ইন্দোনেশিয়ার সবচে বিখ্যাত লেখকদের একজন, রাজনৈতিক ধ্যানধারণায় বামপন্থী, প্রমোদয়া অনন্ত তোয়ের। জাতিসংঘ থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিল ইন্দোনেশিয়া।

১৯৬৬ চাপের মুখে সুহার্তোকে বিশেষ ক্ষমতা দিলেন সুকর্ণ। গৃহবন্দী হলেন সুকর্ণ। এ সময় কার্যত সুহার্তোই ইন্দোনেশিয়ার অঘোষিত রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন।

১৯৬৫-৬৬ ১৯৬৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর এক রহস্যময় ও ব্যর্থ ক্যু প্রচেষ্টায় ইন্দোনেশীয় সেনাবাহিনীর পাঁচ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা খুন হন। এই হত্যাকাণ্ডকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে ১৯৬৫-৬৬ সালে কয়েক লক্ষ কমিউনিস্ট, তাদের দরদী, ও জাতিগত সংখ্যালঘু চীনাদের হত্যা করা হয়। ইন্দোনেশিয়া গণহত্যা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে, দেখুন, (Roosa 2020).

১৯৬৭ সুকর্ণ ক্ষমতাচ্যুত, ইন্দোনেশিয়ার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হলেন সুহার্তো।

আগস্ট ৮ প্রতিষ্ঠিত হল অ্যাসোসিয়েশন অফ সাউথইস্ট এশিয়ান নেশনস (আসিয়ান), ইন্দোনেশিয়া যার প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের একটি।

জাতিসংঘে পুনরায় যোগদান করল ইন্দোনেশিয়া।

১৯৭১ প্রথমবারের মত ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন সুহার্তো।

১৯৭৫ পর্তুগিজরা পূর্ব তিমুর ছেড়ে চলে গেল। পূর্ব তিমুরে হামলা চালাল ইন্দোনেশিয়া।

১৯৭৬ আচেহ প্রদেশে স্বাধীনতা ঘোষণা করলেন হাসান দ্য তিরো। ইন্দোনেশিয়া পূর্ব তিমুর দখল করে নিল এবং দেশটিকে ইন্দোনেশিয়ার ২৭তম প্রদেশ দাবি করল।

১৯৭৮ জানানা গুসমাওয়ের নেতৃত্বে ইন্দোনেশীয় শাসনের বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু হল।

১৯৮০ ইন্দোনেশিয়ায় স্থাপিত হল পিটিশন অফ ফিফটি গ্রুপ।

১৯৮০-৮৯ ইন্দোনেশীয় অর্থনীতির উদারীকরণ।

১৯৯০ প্রতিষ্ঠিত হল অল ইন্দোনেশিয়া অ্যাসোসিয়েশন অফ মুসলিম ইন্টেলেকচুয়ালস (আইসিএমআই)।

১৯৯১ দিলি হত্যাযজ্ঞ

১৯৯২ ইন্দোনেশীয় বাহিনী জানানা গুসমাওকে পাকড়াও ও কারারুদ্ধ করল।

১৯৯৩-৪ আবদুল্লাহ সাঙ্কার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হল জামায়া ইসলামিয়া। সংগঠনটির উদ্দেশ্য ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ব্রুনাই, থাইল্যান্ড, ও ফিলিপাইনের দক্ষিণ অংশ নিয়ে একটি বিশাল ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। জামায়া ইসলামিয়ার ঐতিহাসিক অনুপ্রেরণা কার্তোসূর্যের দারুল ইসলাম।

১৯৯৩ ইন্দোনেশিয়ার গণতন্ত্রী পার্টির (পিডিআই) প্রধান হলেন মেঘবতী সুকর্ণপুত্রী।

১৯৯৫ যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি সই করল অস্ট্রেলিয়া ও ইন্দোনেশিয়া।

১৯৯৭ এশীয় অর্থনৈতিক সংকট

১৯৯৮ ইন্দোনেশিয়ার ত্রিশক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বৈরতন্ত্রবিরোধী আন্দোলন চলাকালে চার ছাত্রকে গুলি করে হত্যা করা হল। পদত্যাগ করলেন সুহার্তো। দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট হলেন বাসারুদ্দিন ইউসূফ হাবিবি। মেঘবতী সুকর্ণপুত্রী কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হল ইন্দোনেশিয়ান ডেমোক্রেটিক পার্টি অফ স্ট্রাগল (পিডিআইপি)।

১৯৯৯ ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট বিজে হাবিবি জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে একটি গণভোটের আয়োজন করলে অধিকাংশ পূর্ব তিমুরি ইন্দোনেশীয় শাসনের বিপক্ষে ভোট দিলেন। জাকার্তাপন্থী মিলিশিয়াদের চালানো সহিংসতার মধ্যে দেশটির শাসনভার সাময়িকভাবে গ্রহণ করল জাতিসংঘ, কারাগার থেকে মুক্তিলাভ করলেন জানানা গুসমাও। এ বছর আংশিক স্বাধীনতালাভ করল পূর্ব তিমুর।

চারদশক পরে ইন্দোনেশিয়ার প্রথম মুক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত। দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন আবদুররহমান ওয়াহিদ।

২০০০ ১৯৬৫-৬৬ সালের গণহত্যার জন্য ক্ষমা চাইলেন প্রেসিডেন্ট আবদুররহমান ওয়াহিদ।

রবার্ট ক্রিব, হিস্টোরিকাল অ্যাটলাস অফ ইন্দোনেশিয়া

২০০১ অভিশংসনের শিকার হলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট আবদুররহমান ওয়াহিদ। দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট হলেন মেঘবতী সুকর্ণপুত্রী।

আর. ই. এলসন, সুহার্তো: আ পলিটিকাল বায়োগ্রাফি

২০০২ অক্টোবর ১২ ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপে জঙ্গি হামলায় দুইশতাধিক নিহত। এ বছর পূর্ব তিমুর পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে।*
* একবিংশ শতাব্দীর প্রথম স্বাধীন জাতি-রাষ্ট্র পূর্ব তিমুর।

এম. সি. রিকলেফস, আ হিস্টোরি অফ মডার্ন ইন্দোনেশিয়া সিন্স সি. ১২০০

২০০৩ ইন্দোনেশিয়ার ম্যারিয়ট হোটেলে বোমা মারল জামায়া ইসলামিয়া। ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশে শরিয়া আইন চালু হল। মদ্যপান, জুয়া খেলা, এবং বিবাহবহির্ভূত যৌন সম্পর্ককে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে বিধিবদ্ধ করা হল।

২০০৪ ইন্দোনেশিয়ার ইতিহাসের প্রথম প্রত্যক্ষ প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট হলেন সুশীল বামবাং যুধোজন। সুনামিতে ইন্দোনেশীয় উপকূলে ১ লক্ষ ৬৪ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু।

রবার্ট প্রিঙ্গল, আ শর্ট হিস্টোরি অফ বালি: ইন্দোনেশিয়াজ হিন্দু রিলম

২০০৫ ইন্দোনেশিয়া সরকারের সাথে আচেহ প্রদেশের বিদ্রোহীদের শান্তিচুক্তি। বেইজিং সফর করলেন ইন্দোনেশীয় প্রেসিডেন্ট যুধোজন।

২০০৬ ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশের প্রথম প্রত্যক্ষ নির্বাচনে জয়লাভ করে গভর্নর নির্বাচিত হলেন সাবেক বিচ্ছিন্নতাবাদী বিদ্রোহী নেতা ইরাওয়ান্দি ইউসূফ। অস্ট্রেলিয়ার সাথে লম্বোক চুক্তি সই করল ইন্দোনেশিয়া, এটি একটি নতুন নিরাপত্তা চুক্তি।

২০০৮ বালি ডেমোক্রেসি ফোরাম আয়োজন করল ইন্দোনেশিয়া।

২০০৯ পুলিশের গুলিতে খুন হলেন নুরুদ্দিন মুহাম্মদ তপ। তিনি ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার মোস্ট ওয়ান্টেড সশস্ত্র ইসলামপন্থী।

রবার্ট ল্যামেনসন, ফোর্টি ইয়ার্স অফ সাইলেন্স

২০১১ ব্লাসফেমির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সময় একদল মুসলমান মধ্য জাভার দুটি চার্চে অগ্নিসংযোগ করলেন। পশ্চিম জাভায় আহমদিয়া সম্প্রদায়ের তিন সদস্য খুন। একটি ইসলামি জঙ্গি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে মদত দেয়ার দায়ে উগ্রপন্থী আবু বকর বাসাইরকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হল।

২০১২ জোশুয়া ওপেনহাইমার, দ্য অ্যাক্ট অফ কিলিং

২০১৪ ইন্দোনেশিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন জোকো উইডোডো। ইন্দোনেশীয় ইসলামি জঙ্গি আমান আবদুর রহমান আইএসের কথিত খলিফার প্রতি আনুগত্য ঘোষণা করলেন।

জোশুয়া ওপেনহাইমার, দ্য লুক অফ সাইলেন্স

২০১৬ এ বছর দ্য স্ট্রেইট টাইমসের দেয়া তথ্যমতে, ইন্দোনেশিয়া থেকে ৩৯২ জন আই/এসের কথিত খেলাফতে বাস করতে ইরাক-সিরিয়ায় গিয়েছিলেন।

২০১৭ জাকার্তার খ্রিস্টান মেয়র বাসুকি জাহাজা পূর্নামাকে ব্লাসফেমির দায়ে দুই বছরের কারাদণ্ড দেয়া হল।

২০১৮ ভূমিকম্প ও সুনামিতে ইন্দোনেশিয়ায় ১০০০এরও বেশি মানুষের মৃত্যু। ইন্দোনেশিয়ার একটি আদালত সন্ত্রাসী তৎপরতায় যুক্ত থাকা ও নর হত্যার অভিযোগে আমান আবদুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করল।

২০২০ জন রুসা, বারিড হিস্টোরিজ: দ্য অ্যান্টিকমিউনিস্ট ম্যাসাকারস অফ ১৯৬৫-৬৬ ইন ইন্দোনেশিয়া

২০২২ প্রস্তাবিত নতুন রাজধানী নুসানতারার নির্মাণকাজ শুরু হল।

তথ্যসূত্র

রেহমান, তারেক শামসুর। ২০১৯। দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার রাজনীতি। শোভাপ্রকাশ।

ASEAN. n.d. “ASEAN member states.” Accessed March 6, 2025.
https://asean.org/member-states/.

BBC. 2024. “Indonesia Country Profile.” BBC, October 25.
https://www.bbc.com/news/world-asia-pacific-14921238
2019. “Indonesia profile – Timeline.” BBC, April 17.
https://www.bbc.com/news/world-asia-pacific-15114517

Church, Peter, ed. 2009. A Short History of South-East Asia. Wiley.

Drakeley, Steven. 2005. The History of Indonesia. Greenwood Press.

Kahin, Audrey. 2015. Historical Dictionary of Indonesia. 3rd ed. Rowman & Littlefield.

Oxford Reference. 2022. “Timeline: Dutch Empire.” Accessed May 23.
https://www.oxfordreference.com/view/10.1093/acref/9780191737565.timeline.0001

Phillips, Douglas A.. 2005. Indonesia. Chelsea House.

Roosa, John. 2020. Buried Histories: The Anticommunist Massacres of 1965-66 in Indonesia. The University of Wisconsin Press.

The Atlantic. 1956. “A Chronology of Indonesian History.” The Atlantic, June 1956 Issue.
https://www.theatlantic.com/magazine/archive/1956/06/a-chronology-of-indonesian-history/642694/

Vickers, Adrian. 2013. A History of Modern Indonesia. 2nd ed. Cambridge University Press.

নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।

অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ

দিব্যপ্রকাশ । বাতিঘর । বইবাজার । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী । বুক হাউজ । ওয়াফিলাইফ । রকমারি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *