
মন্টেনিগ্রো
Featured Image: Wikipedia Commons.

সাল
১২৯৯-১৯২২ ওসমানি সুলতানশাহি – সময়রেখা।
১৪০১-১৮০০ ওসমানি সুলতানশাহির কাছ থেকে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় স্বায়ত্তশাসন লাভ করল মন্টেনিগ্রো।
১৭৯৮ মন্টেনিগ্রোকে একটি স্বাধীন প্রিন্সিপালিটির স্বীকৃতি দেয়া হল।
১৮৭৮ আন্তর্জাতিক চুক্তিসমূহের অধীনে মন্টেনিগ্রোর স্বাধীনতাকে স্বীকৃতিপ্রদান করা হল।
১৯১৪-১৮ World War I – Wikipedia।
১৯১৮ সার্ব, ক্রোয়াট, ও স্লোভেনদের রাজ্য ঘোষিত হল।*
* মন্টেনিগ্রো এই রাজ্যের অংশ হয়ে গেল।
১৯১৮-৯২ যুগোস্লাভিয়া – সময়রেখা।
১৯২৯ সার্ব, ক্রোয়াট, ও স্লোভেনদের রাজ্যের নাম বদলেযুগোস্লাভিয়া রাখা হল।*
* যুগোস্লাভিয়া শব্দের মানে হল দক্ষিণ স্লাভদের ভূমি।
১৯৩৯-৪৫ World War II – Wikipedia।
১৯৪৫ যুদ্ধ শেষে যুগোস্লাভিয়ায় ক্ষমতায় আসল টিটোর পার্টিজানরা। একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠিত। জোসিপ ব্রজ টিটোর নেতৃত্বে যুগোস্লাভিয়া সমাজতান্ত্রিক ফেডারেল প্রজাতন্ত্র কায়েম করা হল যেখানে, কাগজেকলমে, সব জাতির সমঅধিকার ছিল।*
* ছয়টি প্রজাতন্ত্রের সমষ্টি ছিল এই ফেডারেল প্রজাতন্ত্র। সার্বিয়া (রাজধানী বেলগ্রেড), মন্টেনিগ্রো (রাজধানী টিটোগ্রাদ), স্লোভেনিয়া (রাজধানী জুবজানা), ক্রোয়েশিয়া (রাজধানী জাগরেব), বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা (রাজধানী সারায়েভো), এবং ম্যাকিদোনিয়া (রাজধানী স্কোপজে)। এদের মধ্যে সার্বিয়ায় দুটি স্বায়ত্তশাসিত প্রদেশ ছিল: কসোভো (রাজধানী প্রিস্টিনা) ও ভোজভোদিনা (রাজধানী নোভি সাদ)।
১৯৮০ মার্শাল টিটোর মৃত্যু।
১৯৯১ মন্টেনিগ্রোর প্রধানমন্ত্রী হলেন মিলো জুকানোভিচ। এসময় বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, ম্যাকিদোনিয়া, ক্রোয়েশিয়া, ও স্লোভেনিয়া যুগোস্লাভিয়া ছেড়ে বেরিয়ে এল। সার্বিয়ার সাথে ইউনিয়ন গঠন করল মন্টেনিগ্রো।
১৯৯২ সার্বিয়ার সাথে যুগোস্লাভিয়া ফেডারেল প্রজাতন্ত্রে যোগ দিল মন্টেনিগ্রো।
১৯৯৯ কসোভোয় ন্যাটোর বোমাবর্ষণ। মন্টেনিগ্রোর মিলো জুকানোভিচ নিরপেক্ষতা নীতি ঘোষণা করেন। মুদ্রা হিসাবে দিনারকে প্রতিস্থাপিত করল জার্মান ডয়েচেমার্ক।
২০০২ জানুয়ারি মুদ্রা হিসেবে ইওরো গ্রহণ করে নিল মন্টেনিগ্রো।
২০০৩ মে মন্টেনিগ্রোর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন ফিলিপ ভুজানোভিচ।
২০০৪ ডিসেম্বর বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) সদস্যপদের জন্য আহবান জানাল মন্টেনিগ্রো।
২০০৬ মে মন্টেনিগ্রোয় স্বাধীনতা গণভোট আয়োজিত। অধিকাংশ ভোটার স্বাধীনতার পক্ষে ভোট দিলেন। জুন: ১৯২তম সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে যোগ দিল মন্টেনিগ্রো।
২০০৭ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংকের সদস্যপদ লাভ করল মন্টেনিগ্রো।
২০০৮ নভেম্বর কসোভোর স্বাধীনতাকে স্বীকৃতিপ্রদান করল মন্টেনিগ্রো।
২০০৯ ডিসেম্বর মন্টেনিগ্রীয় নাগরিকদের ইওরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) শেনজেন জোনে ভিসামুক্ত ভ্রমণের অধিকার দেয়া হল।
২০১৭ জুন ন্যাটোয় যোগ দিল মন্টেনিগ্রো।
২০২০ শাসন ব্যবস্থা, বিচার ব্যবস্থা, নির্বাচন এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতার মানদণ্ড নিম্নমুখী হওয়ার কারণে মন্টেনিগ্রোকে গণতন্ত্রের পরিবর্তে একটি হাইব্রিড হুকুমত হিসেবে চিহ্নিত করলো ফ্রিডম হাউজ।
আগস্ট সাধারণ নির্বাচনে জয়লাভ করলো মন্টেনিগ্রোর বিরোধী দলগুলো। এঁরা হলো ফর দ্য ফিউচার অফ মন্টেনিগ্রো, পিস ইজ আওয়ার নেশন এবং ইন ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট। এর ফলে ১৯৯০ সালে বহুদলীয় রাজনীতি প্রবর্তনের পর থেকে ক্ষমতায় থাকা শাসক দল ডিপিএসের পতন ঘটে।
২০২২ এপ্রিল একটি আস্থা ভোটের ধারাবাহিকতায়, প্রধানমন্ত্রী দ্রিতান আবাজোভিচের নেতৃত্বে একটি নতুন সংখ্যালঘু সরকার গঠিত হলো। এই সরকার ইউরোপপন্থী ও সার্বপন্থী উভয় মনোভাবাপন্ন মধ্যপন্থী দলগুলোর সমন্বয়ে গঠিত।
২০২৪ মার্চ ৫ দক্ষিণ কোরিয়ার ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবসায়ী দো কোওনকে প্রতারণার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণের সিদ্ধান্ত বাতিল করে দিলো এক আপিল আদালত। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে মন্টিনিগ্রোতে গ্রেপ্তার করা হয়েছিলেন কোওন।
জুন ২০ সেতিনিয়ের স্পোর্টস হলে এক সন্দেহভাজন বোমা হামলায় দুই ব্যক্তি নিহত ও তিন জন আহত হন।
২১ ব্যাপক বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে দেশের অধিকাংশ এলাকা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়লো।
জুলাই ২ এক ঝড়ের পর চানজ ও লুস্তিকায় দুই ব্যক্তির মৃত্যু।
২৫ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় অক্ষশক্তির মিত্র ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্টেট অফ ক্রোয়েশিয়া কর্তৃক জাসেনোভাচ কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে সংঘটিত জাতিনিধনকে স্বীকৃতি দিয়ে মন্টেনিগ্রোর পার্লামেন্টে একটি প্রস্তাব পাস হওয়ার পর মন্টেনিগ্রোর পার্লামেন্ট স্পিকার আন্দ্রিয়া মানদিচ, উপ-প্রধানমন্ত্রী আলেক্সা বেচিচ এবং এমপি মিলান ক্নেজেভিচকে persona non grata ঘোষণা করলো ক্রোয়েশীয় সরকার।
আগস্ট ১ দো কোওনকে দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রত্যর্পণের অনুমতি দিলো এক আপিল আদালত।
ডিসেম্বর ৩১ মন্টেনিগ্রোর বিচার ও মানবাধিকার ও সংখ্যালঘু অধিকার বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়াশিংটনের একটি অনুরোধ গ্রহণ করার পর দো কোওনকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণ করা হলো।
২০২৫ জানুয়ারি ১ সেতিনিয়েতে এক গুলিবর্ষণের ঘটনায় ১৩ ব্যক্তি নিহত ও তিন জন আহত হন। হামলাকারী আত্মহত্যা করেন।
আগস্ট ১২ পোডগোরিকার কাছে একটি পানির ট্যাঙ্কার উল্টে গেলে দাবানল নেভাতে যাওয়া এক সেনা সদস্য নিহত হন।
ডিসেম্বর ২১ জাবলিয়াকের সাভিন কুকে দুটি চেয়ারলিফটের সংঘর্ষে জার্মান ফুটবলার সেবাস্টিয়ান হার্টনার নিহত ও তাঁর স্ত্রী আহত হন।
২০২৬ জানুয়ারি ২৬ ইওরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) কর্তৃক এন্ট্রি/এক্সিট সিস্টেম বাস্তবায়নের প্রতিবাদে দেশব্যাপী সীমান্ত ক্রসিংগুলোতে একটি সমন্বিত অবরোধ পালন করলেন ট্রাক চালকরা।
জুন ৩ ৮৭ জন সার্বীয় নাগরিকের দেশে প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা জারি করলো মন্টেনিগ্রো। যাঁরা একটি চার্টার্ড এয়ার সার্বিয়া ফ্লাইটে করে তিভাতে পৌঁছেছিলেন। ইইউ ও বলকান অঞ্চলের নেতাদের মধ্যকার শীর্ষ সম্মেলনের আগে নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগের কারণে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়।
তথ্যসূত্র
BBC.
Wikipedia
The Free Encyclopedia
https://www.wikipedia.org
নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।
অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ
দিব্যপ্রকাশ । বাতিঘর । বইবাজার । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী । বুক হাউজ । ওয়াফিলাইফ । রকমারি



