
দক্ষিণ কোরিয়া
Featured Image: Wikimedia Commons.

পূর্বসাল
পূর্বসাল ২৩৩৩-৯৩৫ সাল প্রাচীন কোরিয়া – সময়রেখা।
সাল
৯১৮-১৯১০ মধ্যযুগীয় কোরিয়া – সময়রেখা।
বিভাগপূর্ব কোরিয়ায় জাপানি দখলদারিত্বের বছরগুলো
১৯১০-৪৫
১৯১০ আগস্ট ২২ কোরিয়াকে নিজ সীমানাভুক্ত করে নিল সাম্রাজ্যিক জাপান। দেশটি ইয়ি রাজবংশের শাসনের অবসান। জাপানি উপনিবেশে পরিণত হল কোরিয়া।
১৯১৪-১৮ World War I – Wikipedia।
১৯১৯ জানুয়ারি ২২ প্রাক্তন কোরীয় সম্রাট কোজংয়ের মৃত্যু।
মার্চ ১ ঘোষিত হল কোরিয়ার স্বাধীনতা, দেশজুড়ে জাপবিরোধী বিক্ষোভ।
এপ্রিল ৯ সাংহাইয়ে প্রতিষ্ঠিত হল অস্থায়ী কোরিয়া সরকার।
১৯২৬ জুন ১০ সম্রাট সুনজংয়ের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া।
১৯৩৯-৪৫ World War II – Wikipedia।
১৯৪৫ ৩৮ ডিগ্রি অক্ষরেখায় কোরিয়াকে পার্টিশনড করা হল। উত্তর কোরিয়ায় কার্যত সোভিয়েত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হল। আর দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রতিষ্ঠিত হল মার্কিন নিয়ন্ত্রণ।*
* কোরিয়ায় জাপানি উপনিবেশিক শাসনের যুগ শেষ হল।
মার্কিন সামরিক প্রশাসন
১৯৪৫-৪৮
১৯৪৬ কোরিয়ার দুই অংশেই গঠিত হল ওয়ার্কার্স পার্টি।
১৯৪৮ কোরীয় উপদ্বীপের উত্তরে কোরিয়া গণতান্ত্রিক গণপ্রজাতন্ত্র (ডিপিআরকে) প্রতিষ্ঠিত হল। উত্তর কোরিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপ্রধান কিম ইল-সুং। উত্তর কোরিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার করল সোভিয়েত ইউনিয়ন।
উপদ্বীপটির দক্ষিণে প্রতিষ্ঠিত হল কোরিয়া প্রজাতন্ত্র (আরওকে)। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট হলেন সিংম্যান রি। দক্ষিণ কোরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি অব্যাহত রইল।
প্রথম প্রজাতন্ত্র
১৯৪৮-৬০
১৯৪৯ দুই কোরিয়ার দুই ওয়ার্কার্স পার্টি মার্জড হয়ে গঠন করল ওয়ার্কার্স পার্টি অফ কোরিয়া (ডব্লিউপিকে)।
১৯৫০ কোরীয় যুদ্ধের সূচনা।
১৯৫৩ জুলাই ২৭ জাতিসংঘের বাহিনী, চীনা বাহিনী, আর উত্তর কোরিয়ার বাহিনী কোরীয় যুদ্ধবিরতি চুক্তি সই করল। এর মধ্য দিয়ে রণাঙ্গনের লড়াইয়ের অবসান ঘটল।* দক্ষিণ কোরিয়া কোনদিনই এই চুক্তিতে সই করেনি, ফলে টেকনিকালি কোরীয় যুদ্ধ এখনো চলছে।
* কোরীয় যুদ্ধে ২০-৩০ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়।
১৯৫০-৫৯ প্রেসিডেন্ট সিংম্যান রির নেতৃত্বাধীন দক্ষিণ কোরিয়া বিপুল পরিমাণে মার্কিন আর্থিক, সামরিক, ও রাজনৈতিক সহায়তা লাভ করল।
১৯৬০ নির্বাচনী জালিয়াতির বিরুদ্ধে দক্ষিণ কোরিয়ায় ছাত্র বিক্ষোভ। প্রেসিডেন্টের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সিংম্যান রি। দক্ষিণ কোরিয়ায় একটি নতুন সংবিধান প্রণয়নের মাধ্যমে দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা হল।
দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্র
১৯৬০-৬৩
১৯৬১ দক্ষিণ কোরিয়ায় এক সামরিক ক্যুদেতার মধ্য দিয়ে ক্ষমতা দখল করলেন জেনারেল পার্ক চুং-হি।
১৯৬৩ জেনারেল পার্ক সামরিক শাসন সামান্য শিথিল করলেন। ঘোষণা করলেন তৃতীয় প্রজাতন্ত্র। হাতে নিলেন ব্যাপক শিল্প উন্নয়নের কর্মসূচি।
তৃতীয় প্রজাতন্ত্র
১৯৬৩-৭২
১৯৭১ দুই কোরিয়ার রেড ক্রস সোসাইটিগুলোর মধ্যে কোরীয় পুনরেকত্রীকরণের জন্য আলোচনা শুরু হল।
১৯৭২ দক্ষিণ কোরিয়ায় সামরিক আইন জারি করা হল। জেনারেল পার্ক দেশটির চতুর্থ প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করলেন এবং সংবিধানে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন এনে নিজের ক্ষমতা ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে নিলেন। শান্তিপূর্ণ পুনরেকত্রীকরণের আশাবাদ ব্যক্ত করে যৌথ বিবৃতি প্রদান করল উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া।
চতুর্থ প্রজাতন্ত্র
১৯৭২-৮১
১৯৭৯ আততায়ীদের হাতে খুন হলেন জেনারেল পার্ক।
১৯৮০ দক্ষিণ কোরিয়ায় ক্ষমতা দখল করলেন জেনারেল ছুন দো-হোয়ান। ব্যাপক ছাত্র বিক্ষোভের মুখে সামরিক আইন জারি, গোয়াংজু শহরে সেনাবাহিনী অন্তত ২০০ জন প্রতিবাদীকে খুন করল। পঞ্চম প্রজাতন্ত্র ও নয়া সংবিধান ঘোষিত হল।
১৯৮০-৮৯ দক্ষিণ কোরিয়ায় হাই-টেক ও কম্পিউটার শিল্পের ব্যাপক বিকাশ।
১৯৮১ দক্ষিণ কোরিয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে সামরিক আইনের অবসান হল, কিন্তু ভিন্নমতাবলম্বীদের ওপর দমনপীড়ন জারি থাকল।
পঞ্চম প্রজাতন্ত্র
১৯৮১-৮৮
১৯৮৬ দক্ষিণ কোরিয়ার সংবিধানে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হল। প্রেসিডেন্ট পদে সরাসরি নির্বাচন আয়োজন করার অনুমোদন প্রদান করা হল। উত্তর কোরিয়ায় ইয়ংবিয়ন গবেষণামূলক পারমাণবিক রিঅ্যাক্টর চাল হল।
১৯৮৭ জুন গণতান্ত্রিক অভ্যুত্থানের ভেতর দিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার ষষ্ঠ প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হল, এখন পর্যন্ত এই প্রজাতন্ত্রই টিকে আছে। প্রেসিডেন্ট ছুন দো-হোয়ানের স্থলাভিষিক্ত হলেন জেনারেল রোহ তাই-উও। দক্ষিণ কোরিয়ায় রাজনৈতিক উদারীকরণের পর্ব শুরু হল।
১৯৮৮ দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত হল গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস। দেশটির ইতিহাসের প্রথম মুক্ত সংসদীয় নির্বাচন।
ষষ্ঠ প্রজাতন্ত্র
১৯৮৮-বর্তমান
১৯৯১ উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া জাতিসংঘে যোগ দিল। দুই কোরিয়ার প্রতিনিধিদের মধ্যে পুনরেকত্রীকরণের জন্য আলোচনা শুরু হল। ইউনিফিকেশন ফ্ল্যাগের নকশা আঁকা হল।
১৯৯২ কোরীয় উপদ্বীপকে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত রাখতে দুই কোরিয়ার মধ্যে একটি চুক্তি সাক্ষরিত হল।
১৯৯৩ দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম মুক্তভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হলেন কিম ইয়ুং স্যাম।
১৯৯৬ অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কোঅপারেশন অ্যান্ড ডেভলাপমেন্টের (ওইসিডি) সদস্যপদ লাভ করল দক্ষিণ কোরিয়া।
এপ্রিল উত্তর কোরিয়া ঘোষণা করল, সে আর ১৯৫৩ সালের যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চলার ব্যাপারে আগ্রহী নয়। হাজার হাজার উত্তর কোরীয় সেনাকে ডিমিলিটারাইজড জোনে প্রেরণ করা হল।
১৯৯৭ ডন ওবারডর্ফার, দ্য টু কোরিয়াজ: আ কনটেম্পোরারি হিস্ট্রি।
১৯৯৮ দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ নিলেন কিম দাই-জুং। গ্রহণ করলেন উত্তর কোরিয়াকে নিঃস্বার্থ অর্থনৈতিক ও মানবিক সহায়তা দেয়ার “সানশাইন পলিসি।” কিম ইল-সুংকে উত্তর কোরিয়ার “এটারনাল প্রেসিডেন্ট” ঘোষণা করা হল।
২০০০ জুন উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ে দেশটির রাষ্ট্রপ্রধান কিম জং ইলের সাথে সাক্ষাৎ করলেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম দাই-জুং। ৩,৫০০য়েরও বেশি রাজবন্দীর প্রতি সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করল দক্ষিণ কোরিয়া। ১০০ উত্তর কোরীয়কে তাঁদের দক্ষিণ কোরীয় আত্মীয়দের সাথে দেখা করার সুযোগ দেয়া হল।
আগস্ট শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জিতলেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম দাই-জুং।
২০০১ দক্ষিণ কোরিয়ায় চালু হল ইনচেওন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
২০০২ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ জুনিয়র ইরাক ও ইরানের সাথে উত্তর কোরিয়াকেও শয়তানের অক্ষ বলে চিহ্নিত করলেন।
জুন দুই কোরিয়ার মধ্যে সাময়িক নৌ সংঘাতের ফলে ৪ জন দক্ষিণ কোরীয় ও ৩০ জন উত্তর কোরীয়র মৃত্যু।
ডিসেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট হলেন রোহ মু-হিউন।
২০০৩ জানুয়ারি ইন্টারন্যাশনাল নিউক্লিয়ার নন-প্রলিফারেশন ট্রিটি থেকে বেরিয়ে আসল উত্তর কোরিয়া। নিউক্লিয়ার ইস্যুর সমাধানকল্পে ছয় জাতির ধারাবাহিক সংলাপ শুরু হল। এরা হচ্ছে উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, জাপান, রাশিয়া, ও যুক্তরাষ্ট্র।
মে কোরীয় উপদ্বীপকে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত রাখার উদ্দেশ্যে ১৯৯২ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে সম্পাদিত একটি চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসল উত্তর কোরিয়া।
অক্টোবর কোরীয় যুদ্ধের পরে সর্বাধিক সংখ্যক কোরীয়র ডিমিলিটারাইজড জোন (ডিএমজেড) অতিক্রমণ। দক্ষিণ কোরিয়ার হুন্দাই কনগ্লোমারেটের অর্থায়নে তৈরি এক জিমনেশিয়ামের উদ্বোধন উপলক্ষ্যে শত শত দক্ষিণ কোরীয় পিয়ংইয়ং সফর করলেন।
২০০৪ ফেব্রুয়ারি ইরাক যুদ্ধে ৩০০০ সেনা পাঠাল দক্ষিণ কোরিয়া।
জুন যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাব দিল, দক্ষিণ কোরিয়ায় সেনা উপস্থিতি এক তৃতীয়াংশ কমিয়ে আনবে। দক্ষিণ কোরিয়ার বিরোধী রাজনীতিকরা নিরাপত্তা আশঙ্কা প্রকাশ করল।
২০০৬ অক্টোবর জাতিসংঘের নতুন মহাসচিব হলেন দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বান কি-মুন। উত্তর কোরিয়া একটি ভূগর্ভস্থ ফ্যাসিলিটিতে প্রথমবারের মত পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা করল। যুক্তরাষ্ট্র উত্তর কোরিয়ার ওপর অবরোধ আরোপ করল।
ইয়ান জেফরিজ, নর্থ কোরিয়া: আ গাইড টু ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিকাল ডেভলাপমেন্টস।
বালাস জালনতাই, কিম ইল সুং ইন দ্য ক্রুশ্চেভ এরা: সোভিয়েত-ডিপিআরকে রিলেশনস অ্যান্ড দ্য রুটস অফ নর্থ কোরিয়ান ডেসপটিজম, ১৯৫৩-৬৪।
২০০৭ ফেব্রুয়ারি দুই কোরিয়া শীর্ষ পর্যায়ের সংলাপে বসতে সম্মত হল। উত্তর কোরিয়া তার পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে দিতে রাজি হল।
এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের সাথে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে যেতে সম্মত হল দক্ষিণ কোরিয়া।
মে ৫৬ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মত কোরিয়ার উত্তর-দক্ষিণ সীমান্ত অতিক্রম করল যাত্রীবাহী ট্রেন।
আগস্ট সিউলের কাছে খাদ্য সহায়তা চাইল পিয়ংইয়ং, দক্ষিণ কোরিয়া জানাল তারা উত্তরে ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সাহায্য পাঠাবে।
অক্টোবর দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম প্রেসিডন্ট হিসাবে ডিমিলিটারাইজড জোন (ডিএমজেড) অতিক্রম করলেন রোহ মু-ইউন।
ডিসেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট হলেন লি মুং-বাক।
সুং ছুল কিম, নর্থ কোরিয়া আন্ডার কিম জং ইল: ফ্রম কনসলিডেশন টু সিস্টেমিক ডিজোন্যান্স।
মার্ক এডওয়ার্ড হ্যারিস, ইনসাইড নর্থ কোরিয়া।
২০০৮ ফেব্রুয়ারি আগুন লেগে ধবংস হয়ে গেল দক্ষিণ কোরিয়ার মহত্তম সাংস্কৃতিক নিদর্শন নামদাইমুন গেট।
মার্চ দুই কোরিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ব্যাপক অবনতি।
অক্টোবর বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের মুখে ১৩০ বিলিয়ন ডলারের আর্থিক উদ্ধার প্যাকেজ ঘোষণা করল দক্ষিণ কোরিয়া সরকার।
২০০৯ জানুয়ারি উত্তর কোরিয়া জানাল দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে হওয়া সব আর্থসামরিক চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসবে।
আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট কিম দাই-জুংয়ের মৃত্যু, মৃতের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সিউলে প্রতিনিধি পাঠাল উত্তর কোরিয়া। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের বিশেষ তৎপরতায় মুক্তি পেলেন গ্রেপ্তারকৃত মার্কিন সাংবাদিকদ্বয় লরা ও ইউনা, যাদের ১২ বছর কঠোর শ্রমের দণ্ড দেয়া হয়েছিল।
নভেম্বর বিতর্কিত নৌসীমা কেন্দ্রিক বিরোধের জের ধরে দুই কোরিয়ার যুদ্ধজাহাজগুলোর মধ্যে গুলি বিনিময়।
২০১০ জানুয়ারি দক্ষিণ কোরিয়ার কাছ থেকে খাদ্য সহায়তা গ্রহণ করল উত্তর কোরিয়া।
মে একটি উত্তর কোরীয় টর্পেডো দক্ষিণ কোরীয় নৌজাহাজ চেওনানকে ডুবিয়ে দিলে উত্তরের সাথে সর্বপ্রকার বাণিজ্য থেকে বেরিয়ে এল দক্ষিণ কোরিয়া, দক্ষিণের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করল উত্তর কোরিয়া।
নভেম্বর দুই কোরিয়ার মধ্যে সীমিত আকারে গুলি বিনিময়।
২০১২ আগস্ট প্রথম দক্ষিণ কোরীয় প্রেসিডেন্ট হিসাবে লিয়ানকোর্ট রকস সফর করলেন লি-মিউং বাক। লিয়ানকোর্ট রকসের ওপর জাপানেরও দাবি থাকায় প্রতিবাদ হিসাবে টোকিও সিউল থেকে নিজ রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করে নিল।
অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের সাথে একটি সামরিক চুক্তিতে গেল দক্ষিণ কোরিয়া, নিজ ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার পরিসীমা প্রায় তিনগুন বৃদ্ধি করল।
ডিসেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হিসাবে নির্বাচিত হলেন পার্ক গিউন-হুই।
২০১৩ মার্চ উত্তর কোরিয়াকে সাইবার আক্রমণের দায়ে অভিযুক্ত করল দক্ষিণ কোরিয়া।
প্রথমবারের মতো নিজেদের মাটি থেকে উৎক্ষেপিত রকেট ব্যবহার করে একটি উপগ্রহকে কক্ষপথে পাঠালো দক্ষিণ কোরিয়া। উত্তর কোরিয়া একটি রকেট দ্বারা কক্ষপথে একটি উপগ্রহ স্থাপন করার কয়েক সপ্তাহ পরেই ঘটনাটি ঘটলো।
২০১৪ মার্চ বিতর্কিত সমুদ্রসীমা নিয়ে দুই কোরিয়ার মধ্যে গুলিবিনিময়।
এপ্রিল দক্ষিণ কোরিয়ার পশ্চিম উপকূলে সেউল ফেরি ডুবে যাওয়ায় অন্তত ২৮১ জনের মৃত্যু, অধিকাংশই হাইস্কুল শিক্ষার্থী।
ডিসেম্বর ‘উত্তর কোরিয়াপন্থী’ হওয়ার দায়ে অভিযুক্ত করে দক্ষিণ কোরিয়ার বামপন্থী রাজনৈতিক দল ইউনিফাইড প্রগ্রেসিভ পার্টিকে নিষিদ্ধ করল দেশটির সাংবিধানিক আদালত।
২০১৫ নভেম্বর-ডিসেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ায় সরকারের অর্থনৈতিক নীতির বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রতিবাদ দেখা দিল।
২০১৬ ডিসেম্বর ৯ ক্ষমতার অপব্যবহারের দায়ে অভিশংসিত হলেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট পার্ক গিউন-হুই।
২০১৭ মে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট হলেন মুন জে-ইন, উত্তর কোরিয়ার সাথে সংকট কূটনৈতিক উপায়ে নিরসনের প্রতিজ্ঞা করলেন এই মধ্য-বামপন্থী।
২০১৮ সম্পর্কের বরফ গলার পর দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত শীতকালীন অলিম্পিকে একই পতাকার নিচে মার্চ করতে রাজি হলো দুই কোরিয়া।
এপ্রিল একটি শীর্ষ সম্মেলনে বৈরী কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে এবং উপদ্বীপে পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাসের লক্ষ্যে কাজ করতে সম্মত হলেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে-ইন এবং উত্তর কোরিয়ার কিম জং-উন।
২০২৪ সামরিক আইন জারির ব্যর্থ প্রচেষ্টার পর সংসদ কর্তৃক অভিশংসিত হলেন প্রেসিডেন্ট ইউন।
তথ্যসূত্র
BBC.
Hoare, James E. 2020. Historical Dictionary of the Republic of Korea. The Scarecrow Press.
Salter, Christopher L. 2002. South Korea. Chelsea House.
নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।
অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ
দিব্যপ্রকাশ । বাতিঘর । বইবাজার । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী । বুক হাউজ । ওয়াফিলাইফ । রকমারি



