
ভারত
Featured Image: Wikipedia Commons.

বিশ্ব মানচিত্র ব্লগ
পশ্চিমবঙ্গের সময়রেখা: https://shomoyrekha.com/westbengal/
কাশ্মীরের সময়রেখা: https://shomoyrekha.com/kashmir/
সাল
১৯৪৭ আগস্ট ১৫ ব্রিটিশ সাধারণতন্ত্রের একটি স্বাধীন সদস্যরাষ্ট্র ঘোষিত হল ভারত অধিরাজ্য (Dominion of India)।*
* ১৯৫০ সালের ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত টিকে ছিল। দরবারি প্রধান ছিলেন ব্রিটেনের রাজা। ১৯৫০ সালে প্রজাতন্ত্র গঠিত হলে ভারতের ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ফেডারেল অধিরাজ্য স্ট্যাটাস বিলুপ্ত হয়।
১৭ পার্টিশন বাউন্ডারি ঘোষণা করা হল। বাউন্ডারি কমিশন প্রধান সীরিল র্যাডক্লিফ কর্তৃক ব্রিটিশ ভারত ভাগ হল। জন্ম নিল ভারত ও পাকিস্তান নামের দুটি রাষ্ট্র। হিন্দু, মুসলমান, ও শিখদের আন্তঃসাম্প্রদায়িক সহিংসতা। ২ লক্ষ ৫০ হাজার মানুষের মৃত্যু। গৃহহীন হলেন ২ কোটি ৪০ লাখ মানুষ।
চৌধুরী গোলাম আব্বাসের নেতৃত্বাধীন মুসলিম কনফারেন্স পাকিস্তানে যোগ দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল। শেখ
আবদুল্লার কারামুক্তি। পুঞ্চ গণহত্যা, জম্মুর মুসলমানদের ওপর গণহত্যা চালাল দোগরা সৈন্য ও আরএসএস ভাবাদর্শী হিন্দু জাতীয়তাবাদীরা, জম্মু হিন্দু-সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলে পরিণত হল।*
* এই গণহত্যার আগ পর্যন্ত কাশ্মিরের মত জম্মুও মুসলমান-সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল। হিন্দু-সংখ্যাগরিষ্ঠ ভারতে অল্প কয়েকটি অঞ্চলে অহিন্দুরা সংখ্যাগরিষ্ঠ, যার প্রায় প্রতিটির সাথে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার সংঘাতে লিপ্ত আছে। এই অঞ্চলগুলো হল: জম্মু ও কাশ্মির, পাঞ্জাব, মণিপুর, মিজোরাম, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড ও অরুণাচল।
১৯৪৭-৪৯ অধিকাংশ দেশীয় রাজ্য ভারতে এবং অল্প কয়েকটি পাকিস্তানে যোগ দেয়। জুনাগড় আর হায়দারাবাদকে জোরপূর্বক ভারতভুক্ত করা হয়। জম্মু ও কাশ্মীরের সামনে ভারত পাকিস্তান যেকোন একটিতে যোগদানের সুযোগ রাখা হয়। মহারাজা হরি সিং কালক্ষেপন করেন। জম্মু ও কাশ্মীরের ওপর ভারত ও পাকিস্তান উভয়ের দাবি থাকায় দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। সেই দ্বন্দ্ব এখনো চলছে।
১৯৪৭-৬৩ এসময় সক্রিয় ছিল আরএসএসের বিশেষ সংগঠন অল জম্মু অ্যান্ড কাশ্মীর প্রজা পরিষদ।*
* এই সংগঠন গঠনের পেছনে উদ্দেশ্য ছিল জম্মু ও কাশ্মীরের আঞ্চলিক রাজনীতিতে পাকিস্তান চীনের সাথে যে কোন ধরণের আপোসরফার প্রচেষ্টাকে হিন্দুদের সাথে গাদ্দারি হিসাবে দেখানো ও উপত্যকার মুসলমানদের ব্যাপারে ইচ্ছাকৃতভাবে ও পরিকল্পিতভাবে আতঙ্ক ছড়ানো।
১৯৪৭-৬৪ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর শাসনামল।
১৯৪৮ গান্ধী কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হল সর্ব সেবা সংঘ।
জানুয়ারি ৩০ হিন্দুত্ববাদী নাথুরাম গডসের হাতে খুন হলেন গান্ধী। কাশ্মির নিয়ে এর আগের বছর শুরু হওয়া প্রথম ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ থামাতে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ: যুদ্ধবিরতি ও উভয়পক্ষের সেনাপ্রত্যাহার।*
* কাশ্মির ইস্যু নিয়ে ভারত জাতিসংঘে গেল। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ একটি প্রস্তাব পাশ করে, যাতে কাশ্মির সংকট সমাধানে গণভোট আয়োজনের প্রস্তাব দেয়া হয়। ভারত প্রতিশ্রুতি দিল গণভোটে যে সিদ্ধান্ত হয় মেনে নেবে, কিন্তু পরবর্তীতে ভারত তার এই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে।
বলরাজ মোধক কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)।*
* এবিভিপি গঠনের পেছনে ক্যাম্পাসগুলোতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর বামপন্থীদের প্রভাব ঠেকানোর উদ্দেশ্য কাজ করেছিল।
ভারতের রিজার্ভ ব্যাংক (আরবিআই) জাতীয়করণ করা হল।
তেলেঙ্গনা কৃষক আন্দোলন। ২৫,০০ গ্রাম ছোট ছোট কমিউনে সংগঠিত হল। চীনের অনুসরণে ভারতে “জনযুদ্ধ” সংগঠিত করার ডাক।
১৯৪৯ নভেম্বর ২৬ অনুমোদন লাভ করল স্বাধীন ভারতের সংবিধান। এর খসড়া করেছিলেন আম্বেদকার। স্বাধীন ভারতের সংবিধানে পরিষ্কারভাবে ঘোষণা করা হল, জাতপাতের ভিত্তিতে কোন নাগরিকের সাথে বৈষম্যপূর্ণ আচরণ করা হবে না।*
* “The State shall not discriminate against any citizen on grounds only of religion, race, caste, sex, place of birth or any of them.” [Article 15, ‘The Constitution of India’]
হিন্দু ম্যারেজ ভ্যালিডেটিং অ্যাক্ট, ভারতে আন্তঃবর্ণ বিয়ের ব্যাপারে যে সকল আইনী বাধা বিদ্যমান ছিল তা তুলে নেয়া হল।
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার মধ্য দিয়ে প্রথম ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের অবসান ঘটল।*
* যুদ্ধে কাশ্মীরের দুই-তৃতীয়াংশ ভারতের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।
প্রতিষ্ঠিত হল ব্রাহ্মণ্যবাদবিরোধী দল দ্রাবিড়া মুনেত্রা কাজাগাম (ডিএমকে)।
১৯৫০ জানুয়ারি ২৬ নয়া সংবিধান পাশ। ভারতকে একটি গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্ররূপে প্রতিষ্ঠা করা হল। সংবিধান রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন হিসেবে গৃহীত হল।
লিয়াকত-নেহরু চুক্তি, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা প্রশমিত করতে লিয়াকত আলি খান আর পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু চুক্তিবদ্ধ হলেন। কাশ্মীরে গণভোট প্রসঙ্গে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে ভারত। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১এ কাশ্মীরকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দেখান হয়, তবে ৩৭০ নং ধারায় জম্মু ও কাশ্মিরকে স্বায়ত্তশাসন প্রদান করা হয়।
ভারতে পরিকল্পনা কমিশন গঠন করা হল। কাশ্মীরে অনুমোদিত হল বিগ স্টেট এবলিশন অ্যাক্ট। গতি পেল ভূমি ও কৃষি সংস্কার।
১৯৫১-৫২ অক্টোবর ২৫-ফেব্রুয়ারি ২৪ পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর নেতৃত্বে ভারতের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে জিতল ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস (আইএনসি)।
গঠিন হল কিষান মজদুর প্রজা পার্টি।
শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি গঠন করলেন ভারতীয় জনসংঘ।*
* ১৯৭৭ সালে জয়প্রকাশ নারায়ণের জনতা পার্টির (জেপি) সাথে একীভূত হয় এবং ১৯৮০ সালে বিজেপির সাথে মিলেমিশে যায়।
কাশ্মির সমস্যা সমাধানে গণভোটের প্রস্তাব দিল জাতিসংঘ। কাশ্মীরে সংবিধান সভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হল। সবকটা আসনেই জিতল শেখ আবদুল্লার ন্যাশনাল কনফারেন্স। প্রথম সাধারণ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী হলেন শেখ আবদুল্লাহ।
বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় একটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা পেল।
নীরদচন্দ্র চৌধুরী, দ্য অটোবায়োগ্রাফি অফ অ্যান আননোন ইণ্ডিয়ান।
১৯৫১ অক্টোবর অর্থনৈতিক সহায়তা নিয়ে প্রথম মার্কিন-ভারত চুক্তি সই।
১৯৫১/৫৫-১৯৫৫/৫৬ প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা।
১৯৫২ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু।*
* ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত কংগ্রেস সরকারগুলোর প্রধানমন্ত্রী থাকবেন তিনি।
তাঞ্জোরের এক অনামা কৃষক আমেরিকান কৃষি-অর্থনীতিবিদ উলফ ইসহাক লাডেজিনস্কিকে জানালেন, জমিদার ঝামেলা করলে তিনি “লালপতাকার সংগঠনের” লোকদের কাছে যাবেন, লাডেজিনস্কি নিশ্চিত হলেন কৃষকদের ভূমি সমস্যার সমাধান না হলে ভারত কমিউনিস্টদের হাতে চলে যাবে।
ভারত সরকারের সাথে চুক্তি করলেন শেখ আবদুল্লাহ। দিল্লিতে সম্পাদিত এই চুক্তি অনুযায়ী কাশ্মির ভারতভুক্ত হবে, এবং একইসাথে স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হবে। হরি সিং’য়ের পুত্র করন সিংকে কাশ্মীরের সদর ই রিয়াসত হিসেবে নিযুক্ত করা হল।
প্রতিষ্ঠিত হল আরএসএসের শাখা সংগঠন অখিল ভারতীয় বনবাসী কল্যাণ আশ্রম। গোরখপুরে আরএসএসের মদতে প্রথমবারের মত খোলা হল একটি সরস্বতী শিশু মন্দির।
১৯৫৩ কাশ্মীরের ভারতভুক্তির দাবিতে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির আন্দোলন শুরু। প্রতিক্রিয়ায় কাশ্মীরের স্বাধীনতার দাবি তুললেন শেখ আবদুল্লাহ। শেখ আবদুল্লাহকে কাশ্মীরের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হল এবং গ্রেপ্তার করা হল।
নয়া দিল্লিতে ভারত আর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক। বৈঠকে সাব্যস্ত হল, পরের বছর গণভোট হবে। কিন্তু এটা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়নি কেউ।
১৯৫৪ ভারত-চীন সম্পর্কোন্নয়নের লক্ষ্যে পঞ্চশীলা নীতি গৃহিত। তিব্বত নিয়ে ভারত-চীন চুক্তি। ভারতস্থ ফরাসি উপনিবেশগুলো ভারতভুক্ত করে নেয়া হল।
কাশ্মীরের সংবিধান সভায় ভারতভুক্তি অনুমোদন পেল।
আর্থার লেভেলিন ব্যাশাম, দ্য ওয়ান্ডার দ্যাট ওয়াজ ইন্ডিয়া: আ সার্ভে অফ দ্য কালচার অফ দ্য ইন্ডিয়ান সাবকনটিনেন্ট বিফোর দ্য কামিং অফ দ্য মুসলিমস।
১৯৫৫ ভারতে হিন্দু বিবাহ ও সম্পত্তির উত্তরাধিকার সংক্রান্ত কিছু সংস্কারমূলক ও সম্পত্তিতে নারীর অধিকার নিশ্চিতকারী আইন প্রণীত হল। কথিত অস্পৃশ্যদের সাথে বৈষম্যমূলক আচরণকে আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ সাব্যস্ত করা হল এবং লোকসভা, প্রাদেশিক বিধানসভা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি চাকরিতে তফসিলি বর্ণ আর জাতিগুলো জন্য কোটা রাখা হল। শেখ আবদুল্লার মুক্তি ও কাশ্মীরে গণভোট আয়োজনের দাবিতে গঠিত হল গণভোট ফ্রন্ট।
ইম্পেরিয়াল ব্যাংকের জাতীয়করণ। সোভিয়েত ইউনিয়ন সফর করলেন জওহরলাল নেহরু। দত্তপন্থী ঠেংরিজি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হল আরএসএসের শাখা সংগঠন অখিল ভারতীয় মজদুর সংঘ।*
* দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর দুনিয়ায় শ্রমিকশ্রেণির ওপর কমিউনিস্টদের প্রভাব ঠেকানোর ডানপন্থী উদ্দেশ্যে গঠন করা হয়।
১৯৫৬/৫৭-১৯৬০/৬১ দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা।
১৯৫৬ স্টেটস রিঅর্গানাইজেশন অ্যাক্ট, ভারত সরকার সীমানা পুনর্নিধারণের মাধ্যমে ১৪টি রাজ্য ও ৬টি ইউনিয়ন টেরিটোরি গঠন করল।*
* ভারতের ফেডারেটিভ কাঠামোয় রাজ্যগুলোর নিজস্ব সরকার রয়েছে, কিন্তু ইউনিয়ন টেরিটোরিগুলো কেন্দ্রীয় সরকার শাসিত।
কথিত অস্পৃশ্যদের নেতা বাবাসাহেব ভীমরাও আম্বেদকার বৌদ্ধধর্মে দীক্ষিত হলেন। বাবাসাহেবের অনুসারীদের অনেকেই তাঁর পদাঙ্ক অনুসরণ করলেন।
১৯৫৭ এপ্রিল কেরালায় কমিউনিস্টরা নির্বাচনে জিতে সরকার গঠন করল। কাশ্মীরের ভাগ্যনির্ধারণে গণভোট আয়োজনের তাগিদ দিল জাতিসংঘ। জম্মু ও কাশ্মীরের নিজস্ব সংবিধান গৃহীত হল, তাতে জম্মু ও কাশ্মিরকে ভারতের অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হল।
১৯৫৮ জামশেদপুরে টাটা ইস্পাত কারখানার শ্রমিকদের সাধারণ ধর্মঘট। আবাদী শ্রমিকদের সাধারণ ধর্মঘট। এপ্রিল ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির পঞ্চম জরুরি অধিবেশনে শান্তিপূর্ণ উন্নয়নের কর্মসূচি নেয়া হল।
ভারত সরকার কর্তৃক প্রকাশিত হতে শুরু করল দ্য কালেক্টেড ওয়ার্কস অফ মহাত্মা গান্ধী। প্রকাশিত হল সাবিত্রী দেবী মুখার্জির দ্য লাইটনিং অ্যান্ড দ্য সান।*
* এই বইয়ে মুখার্জি দাবি করেন, নাৎসি জার্মানির ফ্যুয়েরার অ্যাডলফ হিটলার আসলে ভগবান বিষ্ণুর অবতার।
১৯৫৯ পঞ্চায়েত রাজ পরিকল্পনা, ভারতে কৃষি ও গ্রাম উন্নয়নের উদ্যোগ সংগঠিত। প্রতিষ্ঠিত হল স্বতন্ত্র পার্টি। আইএনসির নাগপুর সম্মেলনে কৃষিনীতি সংক্রান্ত প্রস্তাব গৃহীত।
ভারত-চীন সীমান্ত বিরোধ।
চীনের বিরুদ্ধে তিব্বতে গণঅভ্যুত্থান দেখা দেয়। বেইজিং কঠোরভাবে তা দমন করে। ভারতে পালিয়ে যান দালাই লামা।
১৯৬০ সিন্ধু নদের পানির ভাগ নিয়ে ভারত-পাকিস্তান চুক্তি। মহারাষ্ট্র ও গুজরাত রাজ্য গঠন করা হল।
১৯৬০-৬৯ এই দশকে হিন্দুধর্ম পশ্চিমে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
১৯৬১/৬২-১৯৬৫/৬৬ তৃতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা।
১৯৬১ যৌতুক নিবারণ আইন।
১৯৬২ লাদাখ অঞ্চল নিয়ে শুরু হল চীন-ভারত যুদ্ধ। যুদ্ধে ভারত হারে। ফলে আকসাই চীন* চীনের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।
* আকসাই চীনকে ভারত লাদাখের অংশ দাবি করে। অন্যদিকে, চীন দাবি করে এটি ঝিনঝিয়াংয়ের অংশ। অঞ্চলটির স্ট্যাটাস অমীমাংসিত।
ডিসেম্বর স্বাধীনতা লাভ করল গোয়া।
১৯৬৩ শ্রীনগরে হজরতবাল দরগা শরিফ থেকে সেখানে সংরক্ষিত হযরত মুহাম্মদের (সা.) মাথার চুল চুরি
যাওয়ায় জম্মু ও কাশ্মীরে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখা দিল। নাগাল্যান্ড রাজ্য গঠন করা হল। প্রতিষ্ঠিত হল আরএসএসের শাখা সংগঠন ভারতীয় বিকাশ পরিষদ।
ইরফান হাবিব, দ্য এগ্রেরিয়ান সিস্টেম অফ মুঘল ইন্ডিয়া ১৫৫৬-১৭০৭।
১৯৬৪ মে ২৭ জওহরলাল নেহরুর মৃত্যু। ভারতের নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন লাল বাহাদুর শাস্ত্রী।
প্রতিষ্ঠিত হল আরএসএসের শাখা সংগঠন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি)।
১৯৬৫ ভারতে সবুজ বিপ্লব, চলবে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত।
দেশটির লোকসভায় জম্মু ও কাশ্মিরকে “একটি ভারতীয় প্রদেশ” বলে ঘোষণা করা হল। সেখানকার সরকার ও তার কার্যক্রমকে প্রত্যাখ্যান করে গভর্নর নিয়োগ দেয়া হল। কাশ্মির নিয়ে দ্বিতীয় ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু হল।
দামোদর ধর্মানন্দ কোসাম্বি, দ্য কালচার অ্যান্ড সিভিলাইজেশন অফ এনসিয়েন ইন্ডিয়া ইন হিস্টোরিকাল আউটলাইন।
১৯৬৬ জানুয়ারি ৩-১০ তাশখন্দ চুক্তি, সোভিয়েত ইউনিয়নের হস্তক্ষেপে যুদ্ধ থামল। ভারতের প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর রহস্যময় মৃত্যু। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের (আইএনসি) নেতৃবৃন্দ কর্তৃক নতুন প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হলেন পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর কন্যা ইন্দিরা প্রিয়দর্শিনী গান্ধী।*
* ভারতীয় রাজনীতিতে মিসেস গান্ধী নামেই বেশি পরিচিত।
হরিয়ানা রাজ্য গঠিত হল।
১৯৬৭ সংসদে সরকারি ভাষাবিধি গ্রহণ করে নেয়া হল। মিসেস গান্ধীর দশ দফা প্রগতিশীল কর্মসূচি গৃহীত।
নকশালবাড়ি আন্দোলন শুরু।
ইউনাইটেড ফ্রন্ট সরকারের সাথে সিপিআই(এম)-এর বিরোধের সূচনা। মাদ্রাজে ক্ষমতায় আসল দ্রাবিড়া মুনেত্রা কাজাগাম (ডিএমকে)। ভারতের পাঞ্জাবের নিয়ন্ত্রণ নিল শিখদের আকালি দল।
১৯৬৮ গণতান্ত্রিক ও বাম শক্তিগুলোর মধ্যে ঐক্যের আহবান জানাল ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিআই)।
গঠিত হল ভারতীয় ক্ষেতমজুর ইউনিয়ন।
চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেলেন হরবিন্দ খোরানা।
১৯৬৯ ১৪টি ব্যক্তিমালিকানাধীন ব্যাংক জাতীয়করণ করলেন মিসেস গান্ধী। আইএনসিতে ভাঙন, গঠিত হল দুই কংগ্রেস। কেরালায় বামপন্থী যুক্তফ্রন্ট সরকার গঠন করা হল।
অন্ধ প্রদেশের শ্রীকাকুলামে পুলিশের গুলিতে ৭ নকশাল নেতাকর্মী খুন।
১৯৭০ সাবেক দেশীয় রাজ্যগুলো ভারতভুক্তির প্রতিদান হিসেবে প্রিভি পার্স নামে অভিহিত যে অর্থ পেত, মিসেস গান্ধী তা বিলুপ্ত করলেন। তামিলনাড়ুতে সিপিআই(এম-এল)-এর প্রতিষ্ঠাতা আপ্পু পুলিশের গুলিতে খুন। শ্রীকাকুলাম অভ্যুত্থানের দুই নেতা পুলিশের গুলিতে খুন। ভারভারা রাও, শ্রী শ্রী, আর সি বি জয়লক্ষীর মত নামকরা তেলেগুভাষী লেখকরা গঠন করলেন রেভল্যুশনারি রাইটার্স অ্যাসোসিয়েশন (আরডব্লিউএ)।
গঠিত হল ভারতীয় ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র (আইটিইউসি)। যুক্তরাষ্ট্রে শাখা খুলল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি)। প্রতিষ্ঠিত হল আরএসএসের শাখা সংগঠন বালাগোকুলম।*
* কচি কাঁচাদের শাখা। ভারতজুড়ে হিন্দুত্ববাদের শিশুতোষ সংস্করণ প্রচার করে বালাগোকুলম। হিন্দু পরিবারে জন্ম নেয়া শিশুদের সহজাত মানবিক অনুভূতিকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করে তাদেরকে বাবু বজরঙ্গীদের মত পিশাচে পরিণত করার সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে চলেছে এই শিশু সংগঠন।
১৯৭১ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ।
আগস্ট ৯ ভারত আর সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে বিশ বছর মেয়াদী শান্তি, মৈত্রী, ও সহযোগিতা চুক্তি সই হল।
ডিসেম্বর ৩-১৬ তৃতীয় ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ।
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস (আইএনসি) থেকে বিতাড়িত হয়ে ইন্দিরা গান্ধী দারিদ্র্য দূরীকরণের প্ল্যাটফর্মে নিজের নতুন রাজনৈতিক দল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রস (রিকুইজিশনিস্ট) [আইএনসি(আর)] গঠন করলেন।
তামিলনাড়ু সরকার এই মর্মে ডিক্রি জারি করল যে, সংস্কৃত লিটার্জির একমাত্র ভাষা হবে না।
১৯৭২ দ্বিতীয় মেয়াদে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হলেন মিসেস গান্ধী।
মার্চ ১৫ বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় সেনা প্রত্যাহার শেষ হল।
১৯ ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ২৫ বছর মেয়াদী শান্তি, মৈত্রী ও সহযোগিতা চুক্তি সই।
মে প্রতিষ্ঠিত হল ভারতের ট্রেড ইউনিয়নগুলোর জাতীয় পরিষদ।
জুলাই ৩ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে শিমলা চুক্তি সই। এই চুক্তিতে ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে জাতিসংঘ যে যুদ্ধবিরতি রেখা নির্ধারণ করেছিল তাকে নিয়ন্ত্রণ রেখা, লাইন অফ কন্ট্রোল (এলওসি), বলে ঘোষণা করা হল।
১৯৭৩ নভেম্বর ভারত সফর করলেন সোভিয়েত রাষ্ট্রপ্রধান লিওনিদ ব্রেজনেভ।
১৯৭৪ এপ্রিল বামপন্থীদের সর্বভারতীয় অধিবেশন।
মে নিখিল ভারত রেলশ্রমিক ধর্মঘট।
১৮ অপারেশন স্মাইলিং বুদ্ধা, রাজস্থানের পোখরানে সফলভাবে পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর মাধ্যমে পৃথিবীর ষষ্ঠ পারমাণবিক রাষ্ট্র হয়ে উঠল ভারত।
সেপ্টেম্বর ইসলামাবাদে ভারত-পাকিস্তান সংলাপ।
শেখ আবদুল্লার কারামুক্তি, কাশ্মীরে ফেরার অনুমতি পেলেন। তাঁকে জম্মু ও কাশ্মীরের মুখমন্ত্রী করা হল। বিনিময়ে তাঁর রাজনৈতিক সহযোগী মির্জা আফজাল বেগ এই মর্মে ভারতের সাথে চুক্তি করলেন যে, জম্মু ও কাশ্মির ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
শুরু হল জয়প্রকাশ নারায়ণের “সম্পূর্ণ ক্রান্তি” আন্দোলন।
১৯৭৫-৭৭ ইমার্জেন্সি, জরুরি অবস্থা।
১৯৭৫ এপ্রিল উৎক্ষিপ্ত হল ভারতের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ আর্যভট্ট।
ইন্দিরা সরকারের বিরুদ্ধে গঠিত হল জনতা মোর্চা। উত্তর প্রদেশের হাইকোর্ট ইন্দিরা প্রিয়দর্শিনী গান্ধীর নির্বাচনী অনিয়মের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করল এবং তাঁর প্রধানমন্ত্রী পদে থাকার ওপর বাধানিষেধ আরোপ করল।
জুন ২৬ জরুরী অবস্থা জারি করলেন ইন্দিরা প্রিয়দর্শিনী গান্ধী, ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত তা বহাল থাকবে।*
* সংবিধানে প্রদত্ত নাগরিক অধিকার স্থগিত করা হয়। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের গণ হারে জেলে পাঠান হয়। এসময় ব্যাপক আকারে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটে। ইন্দিরার ছেলে সঞ্জয় ত্রাসের রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করেন। শহুরে বস্তি ভাঙা ও গরিবদের জোরপূর্বক বন্ধ্যাকরণের মত ভয়াবহ কর্মসূচী হাতে নেয়া হয়। এটা ছিল ভারতীয় গণতন্ত্রের ওপর প্রথম আঘাত, পরবর্তীতে যা আসবে হিন্দুত্বের দিক থেকে। জরুরী অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে, দেখুন, (Kapoor 2015).
ওলন্দাজদের সাবেক উপনিবেশ সুরিনাম স্বাধীনতা লাভ করল। সুরিনামি হিন্দুদের এক-তৃতীয়াংশ উন্নত জীবনের প্রত্যাশায় দ্য নেদারল্যান্ডসে পারি জমালেন। উল্লেখ্য যে, এই হিন্দুরা হচ্ছেন সেই ভারতীয়দের বংশধর, উপনিবেশিক আমলে যাদেরকে প্ল্যান্টেশন শ্রমিক হিসাবে নিয়ে আসা হয়েছিল।
১৯৭৬ ভারতে জয়প্রকাশ নারায়ণের “সম্পূর্ণ ক্রান্তি” গতি পেল।
মে পাকিস্তানের সাথে ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্কের উন্নতি ঘটল।
১৯৭৭ মার্চ জরুরি অবস্থার অবসান ঘোষণা করলেন ইন্দিরা গান্ধী। রাজবন্দিদের মুক্তি দিলেন। নির্বাচন ঘোষণা করলেন। নির্বাচনে জিতে জনতা মোর্চা সরকার গঠন করল। ভারতের নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন মোরারজি দেশাই।*
* ভারতের নতুন প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেশাইয়ের সাথে সাক্ষাৎ করতে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবছরই প্রথম ভারত সফর করেন।
মে আনুষ্ঠানিকভাবে গঠন করা হল জনতা দল।
অক্টোবর সোভিয়েত ইউনিয়ন সফর করলেন মোরারজি দেশাই।
কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন বিষয়ে ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারার প্রতি সম্মান দেখানো না হলে কাশ্মির বিচ্ছিন্নতাবাদের পথ বেছে নেবে, কেন্দ্রকে এই হুমকি দিলেন শেখ আবদুল্লাহ। ব্রিটেনে জম্মু অ্যান্ড কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্ট (জেকেএলএফ) গঠন করলেন কয়েকজন প্রবাসী কাশ্মিরী।
প্রতিষ্ঠিত হল আরএসএসের শাখা সংগঠন বিদ্যা ভারতী।
জনার্দন ঠাকুর, অল দ্য প্রাইম মিনিস্টার’স ম্যান।
১৯৭৮-৮০ ভারতের মোরারজি দেশাইয়ের নেতৃত্বাধীন জনতা সরকার গঠিত মণ্ডল কমিশনের প্রতিবেদনে ৩০০০য়েরও বেশি নতুন বর্ণ ও সম্প্রদায়কে আদার ব্যাকওয়ার্ডস ক্লাসেস (ওবিসি) হিসেবে শনাক্ত করা হল, যাঁরা শিক্ষা ও সরকারি চাকরিতে বিশেষ বিবেচনার দাবি রাখেন।
১৯৭৮ জানুয়ারি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসে (আইএনসি) ভাঙন।
১৯৭৯ মার্চ ভারত সফর করলেন সোভিয়েত রাষ্ট্রপ্রধান অ্যালেক্সেই কোসিগিন। দুদেশের মধ্যে বাণিজ্যিক ও বৈজ্ঞানিক-কৃৎকৌশলগত সহযোগিতা চুক্তি সই।
জুলাই জনতা দলের ভাঙন। দেশাই সরকারের পতন। ভারতের নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন চৌধুরী চরণ সিং।
অন্ধ্র প্রদেশে কোন্ডাপল্লী সীতারামাইয়াহ প্রতিষ্ঠা করলেন পিপলস ওয়ার গ্রুপ।
নিবন্ধিত হল আরএসএসের শাখা সংগঠন, কাগজে-কলমে সমবায় সংগঠন, সহকার ভারতী।
১৯৭৯ আগস্ট-জানুয়ারি ১৯৮০ চরণ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন যুক্তফ্রন্ট সরকারের শাসনকাল।
১৯৮০ জানুয়ারি ভারতের নির্বাচনে মিসেস গান্ধী নেতৃত্বাধীন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের (আইএনসি-আই) কাছে জনতা দলের পরাজয়। ভারতের নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন ইন্দিরা গান্ধী। এক বিমান দুর্ঘটনায় সঞ্জয় গান্ধীর মৃত্যু হল।
প্রতিষ্ঠিত হল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) রাজনৈতিক ফ্রন্ট ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। প্রতিষ্ঠিত হল অখিল ভারতীয় কিষান সংঘ।
কম্বোডিয়াকে স্বীকৃতি দিল ভারত।
১৯৮০/৮১ প্রতিষ্ঠিত হল আরএসএসের শাখা সংগঠন সংস্কৃত ভারতী।
১৯৮১ ভারতে গঠিত হল মজদুর কিষান সংগ্রাম সমিতি (এমকেএসএস)।
তামিলনাড়ু রাজ্যের মীনাক্ষীপুরমের কথিত অস্পৃশ্যরা গণহারে ইসলাম গ্রহণ করলেন, যাঁদের অনেকেই পরবর্তীতে আবার ইসলাম ত্যাগ করেন।
লখনৌতে প্রতিষ্ঠিত হল আরএসএসের শাখা সংগঠন সংস্কার ভারতী।*
* সংস্কৃত ভারতী দেব ভাষা সংস্কৃতের মাহাত্ম্যপ্রচার করে।
এপ্রিল মার্কিন-ভিত্তিক খালিস্তানি মতাদর্শী গঙ্গা সিং ধীলন খালিস্তানের দাবি তুললেন।
সেপ্টেম্বর পাঞ্জাবি পুলিশ দমদমি টাঁকশালের জাঠেদার জর্নাইল সিং ভ্রিন্দানওয়ালেকে গ্রেপ্তার করল। এক মাস পরে তাঁকে ছেড়ে দেয়া হয়।
সালমান রুশদী, মিডনাইট’স চিলড্রেন।
১৯৮২ শেরে কাশ্মির শেখ আবদুল্লার মৃত্যু। কাশ্মীরের নতুন মুখ্যমন্ত্রী তাঁর ছেলে ফারুক আবদুল্লাহ।
আগস্ট আনন্দপুর সাহেব প্রস্তাব বাস্তবায়ন এবং হরিয়াণা ও হিমাচল প্রদেশের পাঞ্জাবিভাষী অংশকে পাঞ্জাবের হাতে তুলে দেয়ার লক্ষ্য অর্জন করতে ভ্রিন্দানওয়ালের সাথে মিলে ধর্ম যুদ্ধ মোর্চা গঠন করলেন আকালি দলের নেতা এইচ. এস. লঙ্গোওয়াল ও প্রকাশ সিং বাদল।
পাঞ্জাবে প্রতিষ্ঠিত হল আরএসএসের বিশেষ সংগঠন রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা সমিতি।*
* উদ্দেশ্য ছিল শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী/স্বাধীনতাকামীদের খালিস্তান আন্দোলন ঠেকান।
১৯৮৩ ভারতে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি) একাত্মযাত্রা আয়োজন করল, শুরু হল হিন্দুত্ব ফ্যাসিস্টদের রামজন্মভূমি প্রচারাভিযান। নেলি গণহত্যা, ৫ হাজার অসমীয় মুসলমান খুন। নিহতদের সবাই হতদরিদ্র, অধিকাংশই নারী ও শিশু।
পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করলেন সুব্রামানিয়াম চন্দ্রশেখর।
১৯৮৪ ভারতে আরএসএস কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হল বজরং দল। কাছাকাছি সময়েই গঠিত হয় ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি), যা হিন্দুত্ব ফ্যাসিস্ট আরএসএসয়ের রাজনৈতিক ফ্রন্ট হিসেবে কাজে করে।
চালু হল ভারতের প্রথম মেট্রোরে ল – কলকাতা মেট্রো।
জুন অপারেশন ব্লু স্টার, শিখ উগ্রপন্থী ভ্রিন্দানওয়ালে ও তার শিষ্যদের খতম করতে ভারতীয় সেনাবাহিনী শিখদের চোখে মহাপবিত্র অমৃতসরের স্বর্ণমন্দিরে অভিযান চালাল। খুন হলেন ভ্রিন্দানওয়ালে। অক্টোবর ৩১ নিজ শিখ দেহরক্ষীদের হাতে খুন হলেন মিসেস গান্ধী।
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতাদের একাংশের মদতে দিল্লিতে শিখদের ওপর ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক নিপীড়ণ শুরু হল। ৮ হাজার শিখ খুন, অগণিত নারী ধর্ষণের শিকার। পরবর্তীতে ইন্দিরার ছেলে রাজীবকে এব্যাপারে মন্তব্য করতে বলা হলে তিনি বলেন, “বড় বৃক্ষের পতন হলে ভূমিতে কিছুটা কম্পন দেখা দেয়াটাই স্বাভাবিক।”
ভারতের নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন ইন্দিরাপুত্র রাজীব গান্ধী। নির্বাচন আহবান করলেন। ইন্দিরার মৃত্যুতে যে শোকের ছায়া নেমে এসেছিল, তার কল্যাণে অনায়াসে জিতল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস (আইএনসি)।
মধ্যপ্রদেশের ভোপালে ইউনিয়ন কার্বাইড কোম্পানির ফ্যাক্টরিতে গ্যাসবিস্ফোরণ। ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু। আহত হলেন আরও ১০ হাজার।
নিম্নবর্ণ ও কথিত অস্পৃশ্যদের রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত করতে কাশীরাম প্রতিষ্ঠা করলেন বহুজন সমাজ পার্টি (বিএসপি)।
জেকেএলএফ ব্রিটেনে ভারতীয় কূটনীতিক রবীন্দ্র মৈত্রকে অপহরণ ও হত্যা করল। কাশ্মীরে ফারুক আবদুল্লাহ সরকারকে বরখাস্ত করা হল, নতুন মুখ্যমন্ত্রী নিযুক্ত হলেন গোলাম মোহাম্মদ শাহ। মকবুল ভাটের ফাঁসি।
পাকিস্তানের কাছ থেকে সিয়াচেন দখল করে নিল ভারত।
উত্তর প্রদেশে (ইউপি) প্রতিষ্ঠিত হল আরএসএসের শাখা সংগঠন বজরং দল। প্রতিষ্ঠিত হল আরএসএসের শাখা সংগঠন সেবা ভারতী।
১৯৮৪-৯৫ পাঞ্জাবে শিখদের অভ্যুত্থান এসময় তীব্রতার চরমে পৌঁছায়।
১৯৮৫ ভারতে শাহবানো মামলার রায় রক্ষণশীল মুসলমানদের ক্ষুব্ধ করে তুললে পরিস্থিতি সামাল দিতে ও সংখ্যালঘু ভোটের লোভে রাজীব গান্ধী সরকার ভারতীয় মুসলমানদের জন্য শরিয়া আইনকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিল।
জুলাই-আগস্ট প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর সাথে শান্তি চুই সই করলেন আকালি দলের নেতা এইচ. এস. লঙ্গোওয়াল। পাঞ্জানে ফেরার পরপরই চরমপন্থীদের হাতে খুন হন।
১৯৮৬ কাশ্মিরে সরকারি চাকরিতে মুসলমানদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি।
ঝাড়খণ্ডে প্রতিষ্ঠিত হল আরএসএসের শাখা সংগঠন একল বিদ্যালয় ফাউন্ডেশন (ইভিএফ)।
১৯৮৭ ভারতে সরকারের বফরস স্ক্যান্ডাল ফাঁস করে দেয়ায় ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস (আইএনসি) থেকে বিতাড়িত হলেন ভি. পি. সিং। নতুন দল গঠন করলেন সিং – জনতা দল।
এ বছর থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত শ্রীলঙ্কা সরকারের পক্ষ নিয়ে লিবারেশন টাইগার্স অফ তামিল এলামের (এলটিটিই) বিরুদ্ধে লড়ল রাজীব গান্ধী সরকার।
সাইয়ীদ আতহার আব্বাস রিজভি, দ্য ওয়ান্ডার দ্যাট ওয়াজ ইন্ডিয়া পার্ট টু: আ সার্ভে অফ দ্য হিস্ট্রি অ্যান্ড কালচার অফ দ্য ইন্ডিয়ান সাবকনটিনেন্ট ফ্রম দ্য কামিং অফ দ্য মুসলিমস টু দ্য ব্রিটিশ কনকোয়েস্ট, ১২০০-১৭০০।
১৯৮৮ ভারত রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে জেকেএলএফের সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু।
সালমান রুশদী, দ্য স্যাটানিক ভার্সেস।
১৯৮৯ ভারতে ভি. পি. সিংয়ের জনতা দলের নেতৃত্বে ন্যাশনাল ফ্রন্ট রাজীব গান্ধী সরকারকে পরাজিত করে জোট সরকার গঠন করল। ভারতের নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন ভি. পি. সিং। লোকসভা নির্বাচনে হেরে গেলেন মমতা ব্যানার্জি।
প্রতিষ্ঠিত হল আরএসএসের শাখা সংগঠন বনবন্ধু পরিষদ।
১৯৯০-৯৯ প্রতিষ্ঠিত হল আরএসএসের শাখা সংগঠন স্বদেশী জাগরণ মঞ্চ।*
* নয়াউদারবাদী বিশ্বায়নের বিরুদ্ধে স্থাপিত হয়েছিল, বৃহৎ পুঁজিবান্ধব মোদি জমানায় এসে কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলেছে।
১৯৯০ ভারতে ভি. পি. সিং সরকার মণ্ডল কমিশনের প্রতিবেদনের পরামর্শগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিলে উচ্চবর্ণ হিন্দুরা এর প্রতিবাদ শুরু করেন এবং কয়েকজন উচ্চবর্ণ শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেন।
বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি) এবছরের অক্টোবরের মধ্যে কথিত রামজন্মস্থানে – অযোধ্যায় বাবরি মসজিদের স্থলে – রামমন্দির নির্মাণের ঘোষণা দিল। ভিএইচপির রামজন্মভূমি আন্দোলনের সমর্থনে গুজরাট থেকে বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদভানি রথযাত্রা শুরু করলেন। রথযাত্রা বিহারে পৌঁছালে গ্রেপ্তার হলেন লালকৃষ্ণ আদভানি।
কাশ্মীরে শুরু হল ব্যাপক মাত্রায় সামরিকায়ন। শ্রীনগরের গোকদাল সেতু এলাকায় গণহত্যা সংঘটিত হল। জাতিসংঘের প্রতিনিধি দলের সামনে প্রতিশ্রুত গণভোটের দাবিতে মিছিল করলেন প্রায় ৫ লক্ষ কাশ্মীরি। গেরিলা কমান্ডার আশফাক মাজিদ ওয়ানি খুনকে কেন্দ্র করে উপত্যকায় জারি করা হল আর্মড ফোর্সেস স্পেশাল পাওয়ার্স অ্যাক্ট। জেকেএলএফের সশস্ত্র সংগ্রামের মুখে কাশ্মীরি পন্ডিতদের এক্সোডাস।
ভারতের এলাহাবাদে গঠিত হল অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (এআইএসএ)। প্রতিষ্ঠিত হল আরএসএসের শাখা সংগঠন অখিল ভারতীয় অধিভক্তা পরিষদ।
১৯৯১ এক তামিল গেরিলার হাতে খুন হলেন রাজীব গান্ধী।
সাধ্বী রিতম্ভরা কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হল আরএসএসের শাখা সংগঠন দুর্গা বাহিনী।* নাগপুরে প্রতিষ্ঠিত হল আরএসএসের শাখা সংগঠন বিজ্ঞান ভারতী।**
* রাষ্ট্রীয় সেবিকা সমিতির মতই মা বোনদের শাখা। ‘পশ্চিমা’ ও/বা ‘নারীবাদী’দের আছর থেকে মুক্ত হয়ে মনুসংহিতার পথে ফিরে এসে মহাভারত-রামায়ণের মহীয়সী নারীদের আদর্শে জীবন গঠন করবে এমন ‘সাংস্কারি লাড়কি’ উৎপাদন করা এই শাখার উদ্দেশ্য। তবে পৌরাণিক যুগেও যে সবাই সীতা ছিলেন না, দুচারজন প্রমীলাও ছিলেন; এই সত্য এঁরা কৌশলে আড়াল করেন।
** বিজ্ঞান ভারতী আন্তর্জাতিক মানে চর্চিত বিজ্ঞানকে “পশ্চিমা বিজ্ঞান” হিসাবে চিহ্নিত করে এর বিপরীতে প্রচার করে “স্বদেশি বিজ্ঞান।”
পি ভি নরসীমা রাওয়ের নেতৃত্বে জোট সরকার গঠন করল আইএনসি। রাওয়ের নয়াউদারনীতিবাদে বিশ্বাসী অর্থমন্ত্রী মনমোহন সিং ভারতের বাজারকে বিশ্ব পুঁজির জন্য উন্মোচন করলেন।
ভারতীয় সেনাবাহিনীর চার রাজপুতানা রাইফেলস কাশ্মীরের কুপওয়ারা জেলার কুনান ও পোশপোরা গ্রামের মুসলমান নারীদের সম্মিলিতভাবে ধর্ষণ করে।
১৯৯২ বাংলাদেশের কাছে তিনবিঘা করিডোর হস্তান্তর করল ভারত।
ডিসেম্বর ৬ অযোধ্যায় কথিত রামজন্মস্থানস্থিত ঐতিহ্যবাহী বাবরি মসজিদ ভাঙল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) আর বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (ভিএইচপি) করসেবকরা। সমগ্র ভারত জুড়ে ছড়িয়ে পড়ল সহিংসতা। ২ হাজার মানুষের মৃত্যু। উত্তর ভারতের মুসলমানরা সাম্প্রদায়িক আক্রমণের শিকার হলেন। প্রধানমন্ত্রী নরসীমা রাও সাময়িকভাবে আরএসএস, ভিএইপি, ও বজরং দলকে নিষিদ্ধ করলেন। বাবরি মসজিদ ভাঙন ও ভারতীয় মুসলমানদের আক্রান্ত হওয়ার অজুহাতে বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি হিন্দুরা সাম্প্রদায়িক আক্রমণের শিকার হলেন।
বিহার ও উত্তর প্রদেশে আদার ব্যাকওয়ার্ড ক্লাসদের (ওবিসি) রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত করতে গঠন করা হল সমাজবাদী দল (এসপি)।
অন্ধ্র প্রদেশে নিষিদ্ধ হল পিপলস ওয়ার গ্রুপ।
মহারাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত হল আরএসএসের শাখা সংগঠন ক্রীড়া ভারতী।
১৯৯৩ কাশ্মীরে আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের দাবিতে গঠিত হল অল পার্টি হুররিয়েত কনফারেন্স। উর্দু ভাষায় হুররিয়েত শব্দের অর্থ হচ্ছে স্বাধীনতা। সাপোর গণহত্যায় ৫৫ জন বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু।
মুম্বাইয়ে এক ভূমিকম্পে প্রায় ১০,০০০ মানুষের মৃত্যু।
প্রতিষ্ঠিত হল আরএসএসের শাখা সংগঠন রাষ্ট্রবাদী শিক্ষক পরিষদ।
১৯৯৪ কাশ্মিরকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ঘোষণা করে ভারতীয় সংসদে প্রস্তাব পাশ। ভারত সরকার ও জেকেএলএফের মধ্যে অস্ত্রবিরতি চুক্তি। ইয়াসিন মালিকের মুক্তিলাভ।
নিবন্ধিত হল আরএসএসের শাখা সংগঠন, কাগজে-কলমে ক্ষুদ্র শিল্পের সর্বভারতীয় সংগঠন, লঘু উদ্যোগ ভারতী।
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেল, এসময় যুক্তরাষ্ট্রে ৮০০রও বেশি হিন্দু মন্দির আছে।
১৯৯৫ আগস্ট খালিস্তানিদের হাতে খুন হলেন পাঞ্জাবির মুখ্যমন্ত্রী বিন্ত সিং।
১৯৯৬ কাঞ্চা ইলাইহা শেফার্ড, হোয়াই আই অ্যাম নট আ হিন্দু।
১৯৯৭ কাশ্মিরে মানবাধিকার কর্মী জালিল আন্দ্রাবি অপহরণ ও হত্যা।
অরুন্ধতী রায়, দ্য গড অফ স্মল থিংস।
১৯৯৮ ভারতে বিজেপি তার হিন্দুত্ব রাজনৈতিক এজেন্ডার মূল উপাদানগুলো বর্জন করে একটি জোট সরকার গঠন করতে সমর্থ হল। বিজেপির নেতৃত্বে গঠিত হল ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ)।
এবছর ভারত ও পাকিস্তান পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটায়, এই নিয়ে দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে তিক্ততা দেখা দেয়।
ক্রিস্তোফ জ্যাফরেলো, দ্য হিন্দু ন্যাশনালিস্ট মুভমেন্ট ইন ইন্ডিয়া।
নিকোলাস গুডরিক-ক্লার্ক, হিটলার’স প্রিস্টেস: সাবিত্রী দেবী, দ্য হিন্দু-আরইয়ান মিথ, অ্যান্ড নিও-নাৎসিজম।
অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করলেন অমর্ত্য সেন।
১৯৯৯ অটল বিহারি বাজপেয়ীর ঐতিহাসিক পাকিস্তান সফর। নওয়াজ শরিফের সাথে সাক্ষাৎ। দুইদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক লাহোর শান্তি চুক্তি সই।
কার্গিলে কাশ্মির নিয়ে চতুর্থ ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু, ৫০ দিনের এই যুদ্ধে ভারত জেতে।
ওড়িশা রাজ্যে আদিবাসী খ্রিস্টানদের ওপর প্রায় শতাধিক হামলা।
প্রতিষ্ঠিত হল আর্থিক উপদেষ্টাদের সংগঠন ভারতীয় বিত্ত সলাহকার সমিতি।
২০০০ নয়া দিল্লির লাল কেল্লায় পাকিস্তান-সমর্থিত সন্ত্রাসবাদী হামলা। এতে ৩ জন মানুষের মৃত্যু ঘটে। কলকাতা পৌরসংস্থা নির্বাচনে জিতল সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি)। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে দুই দশকের মধ্যে
প্রথমবারের মত সংস্থাটির কর্তৃত্ব বামফ্রন্টের হাতছাড়া হল। মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন জ্যোতি বসু। নয়া মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। মণিপুরের মালম গ্রামের নিকটবর্তী এক বাসস্টপে অপেক্ষারত দশ বেসামরিক নাগরিককে খুন করল আসাম রাইফেলস। প্রতিবাদে কবি ইরম শর্মিলা চানু শুরু করলেন আমরণ অনশন। কাশ্মীরের অনন্তনাগে অজ্ঞাত বন্দুকধারীদের গুলিতে নিহত হলেন ৩৬ জন শিখ। কাশ্মীরে নিঃশর্ত যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করল ভারত। পরের বছরের মে পর্যন্ত এই ঘোষণা কার্যকর ছিল। মধ্যপ্রদেশে পিপলস ওয়ার গ্রুপের হামলায় ২৩ জন পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হলেন।
ভারতের জনসংখ্যা এবছর ১০০ কোটিতে পৌঁছায়।
জন কিয়াই, ইন্ডিয়া: আ হিস্ট্রি।
গুরুচরণ দাশ, ইন্ডিয়া আনবাউন্ড: ফ্রম ইনডিপেন্ডেন্স টু দ্য গ্লোবাল ইনফরমেশন এজ।
আব্রাহাম এরালি, দ্য লাস্ট স্প্রিং: দ্য লাইভস অ্যান্ড টাইমস অফ গ্রেট মুঘলস।
২০০১ গঙ্গা ও যমুনা নদীর সঙ্গমস্থলে, এলাহাবাদে, আয়োজিত কুম্ভবেলায় ৭ কোটি মানুষ সমবেত হলেন; যা ইতিহাসের বৃহত্তম মানব সমাবেশ।
গুজরাতের ভুজ শহরে এক প্রলয়ংকরী ভূমিকম্প সংঘটিত হল। সরকারি হিসেবে প্রায় ২০,০০০ মানুষের মৃত্যু হয়। ৬ লক্ষ মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েন। গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী হলেন নরেন্দ্র মোদি।
ভারতের পার্লামেন্টে সন্ত্রাসবাদী হামলায় ১৪ জন নিহত। ভারত এই হামলার জন্য পাকিস্তান-ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়েবা ও জইশ-ই-মুহাম্মদকে দায়ী করে। কাশ্মীরে অজ্ঞাত বন্দুকধারীদের গুলিতে নিহত হলেন মধ্যপন্থী হুররিয়েত নেতা আবদুল গণি লোন।
২০০২ ভারতের প্রেসিডেন্ট হলেন আভুল পাকির জয়নুলাবেদিন আবদুল কালাম।
ভারতে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি) অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ভাঙনের দশ বছর পূর্তি উদযাপন করল। ভারতের গুজরাট রাজ্যের মুসলমানরা গণহত্যার শিকার হলেন।* কাশ্মীরের সংসদে সন্ত্রাসবাদী হামলায় ৩৮ জনের মৃত্যু।
* সবরমতি এক্সপ্রেসে অগ্নিকাণ্ডে ৫৮ জন মানুষ পুড়ে মারা গেলেন, যাদের অধিকাংশই হিন্দু তীর্থযাত্রী। হিন্দুত্ব ফ্যাসিস্টরা রাজ্যের মুসলমানদের ঘাড়ে দায় চাপাল। শুরু হল গণহত্যা। সরকারি হিসেবে হাজারখানেক মানুষের মৃত্যুর কথা স্বীকার করা হলে ও বেসরকারি হিসেবে দুইহাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া যায়, যাদের অধিকাংশই মুসলমান। এসময় মুসলমান নারীরা গণহত্যামূলক ধর্ষণের শিকার হন। ২০০৭ সালের নভেম্বরে তেহেলকা ম্যাগাজিন Gujarat 2002: The Truth নামে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে যাতে এই গণহত্যায় সমর্থন প্রদান করার জন্য গুজরাটের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দায়ী করা হয়। গুজরাট গণহত্যা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে, দেখুন, (Engineer 2003)।
রোমিলা থাপার, আর্লি ইন্ডিয়া: ফ্রম দ্য অরিজিনস টু এডি ১৩০০।
আব্রাহাম এরালি, জেম ইন দ্য লোটাস: দ্য সিডিং অফ ইন্ডিয়ান সিভিলাইজেশন।
২০০৩ ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের উন্নতি, লাহোর-অমৃতসর বাস সার্ভিস চালু।
২০০৪ ভারতে আইএনসির নেতৃত্বে গঠিত হল ইউনাইটেড প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স (ইউপিএ)। দেশটির সাধারণ
নির্বাচনে বিজেপি হেরে গেল, নির্বাচনে জিতে সরকার গঠন করল আইএনসি-নেতৃত্বাধীন ইউপিএ। ভারতের নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন অর্থনীতিবিদ মনমোহন সিং। ভারতের এলাহাবাদে কথিত ‘এনকাউন্টারে’ ইশরাত জাহান খুন। পিপলস ওয়ার গ্রুপ (পিডব্লিউজি) আর মাওয়িস্ট কমিউনিস্ট সেন্টার (এমসিসি) মিলে গঠন করল ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মাওবাদী)। নিউ ইয়র্কে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফের মধ্যে কাশ্মির নিয়ে আলোচনা শুরু।
রোমিলা থাপার, সোমনাথ: দ্য মেনি ভয়েসেস অফ আ হিস্ট্রি।
২০০৫ ভারত দখলকৃত কাশ্মীর আর পাকিস্তান দখলকৃত মুজাফফরবাদের মধ্যে বাস সার্ভিস চালু করা হল। প্রতিষ্ঠিত হল আরএসএসের বিশেষ সংগঠন মাই হোম ইন্ডিয়া।*
* আসাম, ত্রিপুরা, মণিপুর, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, অরুণাচল। এই সাতটি রাজ্য সাতবোন অঙ্গরাজ্য নামে পরিচিত। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে (North-East) অবস্থিত। কেন্দ্রের সাথে এই রাজ্যগুলোর ঐতিহাসিক ঝামেলা আছে। সাত বোনের বিচ্ছিন্ন/স্বাধীন হতে চাওয়ার রাজনীতি আছে। তাদের সম্পদ নিষ্কাশন করতে চাওয়ার অর্থনীতিও আছে। মাই হোম ইন্ডিয়ার উদ্দেশ্য সাতবোন অঙ্গরাজ্যে জাতীয়তাবাদ প্রচার করা ও ভারতের বাকি অংশের সাথে তাঁদের আত্মীকরণ ঘটানো।
ভারতে মাওবাদী দমনের নামে সালওয়া জুদুম গঠিত, সংগঠনটি আদিবাসী অঞ্চলগুলোতে আতঙ্ক তৈরি করল।
২০০৬ কাশ্মির নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে শান্তি আলোচনা শুরু। কাশ্মির সমস্যার সমাধান করার উদ্দেশ্যে ‘চারদফা ফর্মুলা’ প্রদান করলেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফ। ভারত সফর করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ জুনিয়র। দুই দেশের মধ্যে একটি পারমাণবিক চুক্তি সাক্ষরিত হল।
২০০৭ ভারতের প্রথম নির্বাচিত নারী প্রেসিডেন্ট হলেন প্রতিভা দেবি সিং পাতিল। দেশটির উত্তর প্রদেশে বহুজন সমাজ পার্টির (বিএসপি) ভূমি ধবস জয়, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হলেন মায়াবতী।
রামচন্দ্র গুহ, ইন্ডিয়া আফটার গান্ধী: দ্য হিস্ট্রি অফ দ্য ওয়ার্ল্ডস লার্জেস্ট ডেমোক্রেসি।
২০০৮ ভারতের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে সালওয়া জুদুম বিলুপ্ত।
অমরনাথ মন্দিরের জমি বরাদ্দ দেয়া কেন্দ্র করে কাশ্মীরে নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হল।
মুম্বাইয়ে পাকিস্তান-ভিত্তিক জঙ্গিদের হামলায় দেড়শতাধিক মানুষ নিহত।
কেরালায় কুম্মানাম রাজাসেখারান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হল আরএসএসের শাখা সংগঠন সবরিমালা আয়াপ্পা সেবা সমাজম।
২০০৯ ভারতে সাধারণ নির্বাচনে জিতে জোট সরকার গঠন করল আইএনসি-নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স (ইউপিএ)। কাশ্মীরি মানবাধিকার গ্রুপ অনুসন্ধান চালিয়ে উত্তর কাশ্মীরে ২৭০০ অচিহ্নিত গণকবরের সন্ধান পেল। সুরেশ টেন্ডুলকারের নেতৃত্বাধীন টেন্ডুলকার কমিটি জানাল, ভারতের ৩৭.৫% মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করেন। ‘অপারেশন গ্রিন হান্ট’: মাওবাদী দমনের নামে আদিবাসীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল ভারত রাষ্ট্র।
রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করলেন ভেঙ্কটরমণ রামকৃষ্ণান।
ওয়েন্ডি ডোনিগার, দ্য হিন্দুজ: অ্যান অল্টারনেটিভ হিস্ট্রি।
২০১০ ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক। দুই দেশের মধ্যে তিন চুক্তি ও দুই সমঝোতা স্মারক সাক্ষরিত হল। এলাহাবাদের আদালত রায় দিল, অযোধ্যার বিতর্কিত জমি তিন ভাগ করে দাবিদারদের বন্টন করে দেয়া হবে।
ভারতীয় সেনাবাহিনীর হাতে খুন হল ৮-বছর-বয়সী কাশ্মীরি শিশু তুফায়েল ভুট্টো খুন, উপত্যকা জুড়ে প্রচণ্ড বিক্ষোভ, বহু কাশ্মীরি তরুণের হিজবুল মুজাহিদিনে যোগদান।
বি. জেড. খসরু, মিথস অ্যান্ড ফ্যাক্টস বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার: হাউ ইন্ডিয়া, ইউএস, চায়না, অ্যান্ড দ্য ইউএসএসআর শেপড দ্য আউটকাম।
২০১১ ভারতে জন লোকপাল বিলের দাবিতে দুর্নীতি বিরোধ আন্দোলন। এই আন্দোলনকারীদের একাংশ আলাদা হয়ে আম আদমি পার্টি প্রতিষ্ঠা করলেন। অযোধ্যার ব্যাপারে এলাহাবাদের আদালতের রায় বহাল রাখল ভারতের সর্বোচ্চ আদালত।
আব্রাহাম এরালি, দ্য ফার্স্ট স্প্রিং: দ্য গোল্ডেন এজ অফ ইন্ডিয়া।
২০১২ মানসী লাহিড়ী, ম্যাপিং ইন্ডিয়া।
২০১৩ ভারতে অপরাধের শক্ত প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও কাশ্মীরি আফজাল গুরুর ফাঁসি হল, রায়ে বলা হল, ভারতীয় সমাজের সামষ্টিক চেতনাকে তৃপ্ত করার জন্যই গুরুকে এই শাস্তি দেয়া হয়েছে।
ওয়েন্ডি ডোনিগার, অন হিন্দুইজম।
২০১৪ নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় এল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)।
মার্চ ২৬ ভারতের পঞ্চদশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন মোদি।*
* প্রথমবারের মত সার্ক-ভুক্ত বিভিন্ন রাষ্ট্রের নেতৃবৃন্দকেও এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানান হয়েছিল।
সেপ্টেম্বর ২৫ বিজেপির “মেক ইন ইন্ডিয়া” প্রচারাভিযান শুরু হল।**
** উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিতদের মধ্যে ছিলেন বৃহৎ ব্যবসায়ী মুকেশ আম্বানি ও আজিম প্রেমজি।
অক্টোবর ২ মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর ১৫০তম জন্মবার্ষিকীতে ‘স্বচ্ছ ভারত’ অভিযান শুরু করলেন নরেন্দ্র মোদি।
ভারত সফর করলেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।
আব্রাহাম এরালি, দ্য এজ অফ র্যাথ: আ হিস্ট্রি অফ দ্য দিল্লি সালতানাত।
২০১৫ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রথম বাংলাদেশ সফর। ১৯টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক এবং ২০০ কোটি ডলার ঋণ চুক্তি সই হল। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে ছিটমহল বিনিময়, এর মধ্য দিয়ে সাত দশকের একটি মানবিক সংকটের অবসান ঘটে।
মুফতি মুহাম্মদ সাঈদের নেতৃত্বে কাশ্মীরে কোয়ালিশন সরকার। প্রথমবারের মত পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টির (পিডিপি) জোটসঙ্গী হিসেবে কাশ্মীরে শাসন করার সুযোগ পেল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)।
২০১৬ নভেম্বর ৮ রাত ৮টার সময় টেলিভিশনের পর্দায় হাজির হয়ে ৫০০ আর ১০০০ টাকার নোট ডিমানিটাইজ করার ঘোষণা দিলেন মোদি। সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে, এই হঠকারী সিদ্ধান্তের কারণে তৈরি হওয়া আর্থিক চাপের দরুণ মাত্র এক সপ্তাহে ৩৩ জন মানুষের মৃত্যু হয়। বিরোধীদের দাবি, মৃতের সংখ্যা ১০০ জনেরও বেশি।
কাশ্মীরে মুফতি মুহাম্মদ সাঈদের মৃত্যু, নতুন মুখ্যমন্ত্রী হলেন তাঁর কন্যা মেহবুবা
সাঈদ, যিনি মেহবুবা মুফতি নামেও পরিচিত। ভারতীয় সেনাবাহিনীর হাতে নিহত হলেন বুরহান ওয়ানি।*
* হিজবুল মুজাহিদিনের সদস্য। বুরহানের জানাজায় অংশ নেন ৫ লক্ষ কাশ্মিরি। কাশ্মিরজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ। তিন মাসে ৯ হাজার নিহত। কাশ্মির সীমান্তের কাছাকাছি চারটি গণকবরের সন্ধান মিলল। সেখানে প্রায় ২ হাজার মৃতদেহ শনাক্ত করা হল। এরা হচ্ছেন কাশ্মিরের “গুম হয়ে যাওয়া” মানুষ।
অদ্রে ত্রুশকা, কালচার অফ এনকাউন্টারস: সাংস্কৃত অ্যাট দ্য মুঘল কোর্ট।
শশী থারুর, অ্যান এরা অফ ডার্কনেস: দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার ইন ইন্ডিয়া।
২০১৭ ফেব্রুয়ারি ১ রেলওয়ে আর ইউনিয়ন বাজেট একীভূত করা হল। বাজেট পেশ করেন তৎকালীন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, ১৯২৪ সালে ব্রিটিশ উপনিবেশিক শাসকরা আইন করে একাধিক বাজেট একীভূত করা নিষিদ্ধ করে দিয়েছিল।
জুন-আগস্ট ভুটানের দোকলাম ভূখণ্ড নিয়ে সাময়িক চীন-ভারত উত্তেজনা।
জুলাই ১ গুডস অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্যাক্ট (জিএসটি) প্রয়োগ করা হল। মোদি বললেন, এটা গুড অ্যান্ড সিম্পল ট্যাক্স। বিভিন্ন শিল্পের ট্রেডাররা এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করেন।
নভেম্বর ১৪ রাফায়েল জেট ‘স্ক্যাম’ বিতর্ক।
বুরহান ওয়ানির প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে কাশ্মিরজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ। বন্দুকধারীদের হামলায় ১৯ জন হিন্দু তীর্থযাত্রীর মৃত্যু।
অদ্রে ত্রুশকা, আওরঙ্গজেব: দ্য লাইফ অ্যান্ড লিগ্যাসি অফ ইন্ডিয়া’জ মোস্ট কন্ট্রোভার্শিয়াল কিং।
অরুন্ধতী রায়, দ্য মিনিস্ট্রি অফ আটমোস্ট হ্যাপিনেস।
সাগরিকা ঘোষ, ইন্দিরা: ইন্ডিয়া’জ মোস্ট পাওয়ারফুল প্রাইম মিনিস্টার।
২০১৮ সেপ্টেম্বর ৬ ভারতীয় পেনাল কোডের (আইপিসি) ৩৭৭ ধারাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে কার্যত সমকামিতাকে ডিক্রিমিনালাইজ করল ভারতের সর্বোচ্চ আদালত।
ভারতের কাশ্মীরে পাহাড়ি যাযাবর ও মুসলমান বাকারওয়াল সম্প্রদায়ের ৮-বছর বয়সী শিশু আসিফা বানোকে একটা মন্দিরের মধ্যে সম্মিলিতভাবে ধর্ষণ করে মাথায় পাথর দিয়ে আঘাত করে খুন করা হয়।
মার্কিন-ভিত্তিক শিখস ফর জাস্টিস ঘোষণা করল ‘রেফারেন্ডাম ২০২০’। উদ্দেশ্য ভারত থেকে পাঞ্জাবের বিচ্ছিন্ন হওয়ার পক্ষে পাঞ্জাবির মধ্যে জনমত তৈরি করা।
আনন্দ তেলতুম্বদে, রিপাবলিক অফ কাস্ট: থিংকিং ইকুয়ালিটি ইন দা টাইম অফ নিওলিবারেল হিন্দুত্ব।
রুবি লাল, এমপ্রেস: দ্য অ্যাস্টোনিশিং রেইন অফ নূর জাহান।
টনি জোসেফ, আর্লি ইন্ডিয়ানস: দ্য স্টোরি অফ আওয়ার অ্যানসেস্টরস অ্যান্ড হোয়ার উই কেইম ফ্রম।
ওয়েন্ডি ডনিগার, অ্যাগেইন্সট ধার্মা: ডিসেন্ট ইন দ্য এনসিয়েন ইন্ডিয়ান সায়েন্সেস অফ সেক্স অ্যান্ড পলিটিকস।
২০১৯ ফেব্রুয়ারি ১৪ জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামায় এক জঙ্গি হামলায় সিপিআরএফের ৪০ জন জওয়ান নিহত হলেন। জইশে মোহাম্মদ এই হামলার দায় স্বীকার করে।
২৬ পাকিস্তানের বালাকোটে বিমানহামলা চালাল ভারতীয় বিমান বাহিনী (আইএএফ)।
মে ৩০ দ্বিতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন নরেন্দ্র মোদি।
৩১ ফাঁস হওয়া সরকারি নথি থেকে জানা গেল, এসময় ভারতে বেকারত্বের হার ৬.১ শতাংশ, ৪৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
আগস্ট ৫ ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা, যা ভারতের ভেতরেই জম্মু ও কাশ্মীরকে বিশেষ স্ট্যাটাস দিয়েছে, তুলে নিল বিজেপি সরকার। উপত্যকায় একটা লকডাউন চাপিয়ে দেয়া হল। হাজার হাজার ভারতীয় সেনা মোতায়েন করা হল। জম্মু ও কাশ্মীরের বিরোধী নেতৃবৃন্দকে গৃহবন্দী করা হল, যাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন মেহবুবা মুফতি ও ওমর আবদুল্লা।
নভেম্বর ভারতের সর্বোচ্চ আদালত বাবরি মসজিদ মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করল: কথিত রামজন্মস্থানে রামমন্দির নির্মাণের অনুমতি দেয়া হল।
ডিসেম্বর ১১ সংসদে নাগরিকত্ব (সংশোধন) আইন পাশ করা হল।* দিল্লিতে শাহীনবাগ আন্দোলন।
* এর বিরুদ্ধে দেশটিতে তীব্র আন্দোলন দেখা দেয়। জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া (জেএমইউ), আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় (এএমইউ), জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়-সহ (জেএনআই) বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা ব্যাপক পুলিশি সহিংসতার শিকার হলেন। ডিসেম্বর পর্যন্ত শুধু উত্তর প্রদেশেই গ্রেপ্তার হন ১৮ হাজার ৭০৫ জন, খুন হন ১৮ জন।
ভারতীয় পাঞ্জাবের পাঠানকোটের একটি আদালত শিশু আসিফা বানো ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে সানজিরামসহ তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল।*
* এর কৃতিত্ব শিশু আসিফা বানোর আইনজীবী দীপিকা সিং রাজাওয়াতের, যিনি কাশ্মীরের কুপওয়ারার একটি রাজপুত হিন্দু পরিবারের মেয়ে।
রিচার্ড ইটন, ইন্ডিয়া ইন দ্য পারসিয়ানাত এজ ১০০০-১৭৬৫।
হিলাল আহমেদ, সিয়াসি মুসলিমস: আ স্টোরি অফ পলিটিকাল ইসলামস ইন ইন্ডিয়া।
কপিল সতিশ কমিরেড্ডি, ম্যালোভেলেন্ট রিপাবলিক: আ শর্ট হিস্ট্রি অফ দ্য নিউ ইন্ডিয়া।
অরুন্ধতী রায়, মাই সেডিশিয়াস হার্ট: কালেক্টেড নন-ফিকশন।
২০২০ ফেব্রুয়ারি ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লিতে রাষ্ট্রীয় ইন্ধনে সহিংসতা।
মার্চ লাদাখের গালওয়ানে লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলে (এলএএস) ভারতীয় ও চীনা সেনাদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘাত ছড়িয়ে পড়ল। অন্তত ২০ জন জওয়ান এতে নিহত হন। দেশদুটির মধ্যে পারমাণবিক যুদ্ধের আশঙ্কা দেখা দেয়।
আগস্ট ৫ অযোধ্যায় যেখানে ১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ভাঙা হয়েছিল, সেখানে কথিত ‘রামজন্মভূমি’ মন্দিরের ভিত্তি স্থাপন করলেন নরেন্দ্র মোদি।
সেপ্টেম্বর-অক্টোবর ১৯৯২ সালের বাবরি মসজিদ ভাঙনের ঘটনায় বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদভানি, মুরলী মনোহর যোশী, উমা ভারতীসহ ৩২ জন অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিল আদালত। বলা হল ভাঙনের ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল না।
সেপ্টেম্বর ২০ সংসদে তিনটি বিতর্কিত কৃষি আইন পাশ হল। এসব আইনের উদ্দেশ্য ছিল কৃষি খাতের বেসরকারিকরণ। সারা দেশের কৃষকরা ক্ষোভে ফেটে পড়লেন, আইনগুলো বাতিলের দাবিতে হরিয়ানা আর পাঞ্জাবের চাষীরা মিছিল করে দিল্লিতে আসলেন।
বাংলাদেশে মুজিববর্ষ (২০২০-২১) উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আসার কথা থাকলেও করোনা সংকটের কারণে সফর স্থগিত করা হল।
ভারতের সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রণব মুখার্জির মৃত্যু।
ভারতীয় অভিনেতা ইরফান খান, ঋষি কাপুর, সুশান্ত সিং রাজপুত, আর সৌমিত্র চ্যাটার্জির মৃত্যু।
ক্রিস্তোফ জ্যাফরেলো ও প্রতিনাভ অনিল, ইন্ডিয়া’জ ফার্স্ট ডিক্টেটরশিপ: দ্য ইমার্জেন্সি, ১৯৭৫-৭৭।
আকর প্যাটেল, আওয়ার হিন্দু রাষ্ট্র: হোয়াট ইট ইজ। হাউ উই গট হেয়ার।
মান্নান আহমেদ আসিফ, দ্য লস অফ হিন্দুস্তান: দি ইনভেনশন অফ ইন্ডিয়া।
২০২১ জানুয়ারি ২৬ প্রজাতন্ত্র দিবসে মূলত হরিয়ানা আর পাঞ্জাবের হাজার হাজার বিদ্রোহী কৃষক তাঁদের ট্রাক্টর নিয়ে লাল কেল্লায় ঢুকে পড়লেন।
মে ৩১ ২০২০-২১ সালে ভারতের জিডিপি প্রায় ৭.৬% সংকুচিত হল, যা চার দশকের মধ্যে সবচে দেশটির সবচে খারাপ পারফর্মেন্স।
জুলাই ১৮ দ্য পেগাসাস স্ক্যান্ডাল, বিভিন্ন গণমাধ্যমের একটি স্বাধীন তদন্তে জানা গেল, ভারতের সরকারি কর্মকর্তা, বিরোধী নেতৃবৃন্দ, অধিকার কর্মী, ও জ্যৈষ্ঠ সাংবাদিকদের অন্তত ৩০০ ফোন নম্বর টার্গেট করতে ইসরায়েলি স্পাইওয়্যার পেগাসাস ব্যবহৃত হয়েছে।
নভেম্বর ১৯ দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়ে বিতর্কিত কৃষি আইনগুলো বাতিল করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
মহারাষ্ট্রে পুলিশের কথিত এনকাউন্টারে মাওবাদী নেতা মিলিন্দ তেলতুম্বদে-সহ ২৬ জন নকশাল নেতাকর্মীর মৃত্যু। হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ভারতের প্রতিরক্ষাপ্রধান বিপিন রাওয়াতের মৃত্যু। কাশ্মীরের আজাদি আন্দোলনের অন্যতম নেতা সাইয়েদ আলী শাহ গিলানির মৃত্যু।
নমিত অরোরা, ইন্ডিয়ানস: আ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ আ সিভিলাইজেশন।
অদ্রে ত্রুশকা, দ্য ল্যাঙ্গুয়েজ অফ হিস্ট্রি: সাংস্কৃত ন্যারেটিভস অফ ইন্দো-মুসলিম রুল।
আকর প্যাটেল, প্রাইস অফ দ্য মোদি ইয়ার্স।
চন্দ্রশেখর দাসগুপ্ত, ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার।
টেরি মিলেউস্কি, ব্লাড ফর ব্লাড: ফিফটি ইয়ার্স অফ দ্য গ্লোবাল খালিস্তান প্রজেক্ট।
২০২২ জুন ১৪ সামরিক বাহিনীভুক্তির ব্যাপারে অগ্নিপথ পরিকল্পনা ঘোষণা করল সরকার, দেশ জুড়ে ভয়াবহ প্রতিবাদ দেখা দিল।
জুলাই ১৯ স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেল, দোকলাম মালভূমির ভুটানি অংশের পুব দিকে চীনারা বসতিস্থাপন করছে। উল্লেখ্য যে, দোকলাম নিয়ে ভারত-চীন দ্বন্দ্ব আছে।
সাগরিকা ঘোষ, অটল বিহারি বাজপেয়ী।
শশী থারুর, আম্বেদকর: আ লাইফ।
২০২৩ মে ১৯ রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া (আরবিআই) ঘোষণা দিল, ২০০০ টাকার নোট সরবরাহ থেকে তুলে নেয়া হল।
জুলাই মণিপুরে উন্মত্ত জনতার একটি দঙ্গল পুলিশের জিম্মা থেকে দুজন আদিবাসী মহিলাকে টেনে নিয়ে গিয়ে বিবসন করে রাস্তায় হাঁটায় ও সম্মিলিতভাবে ধর্ষণ করে, যার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এই ঘটনায় দেশ জুড়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে, ও শাসকদলের নির্লিপ্ততা তীব্রভাবে সমালোচিত হয়। স্থানীয় মহিলারা সন্দেহভাজন অপরাধীর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেন।
আগস্ট ২৩ যুক্তরাষ্ট্র, সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন, ও চীনের পর চতুর্থ দেশ হিসেবে চাঁদে গেল ভারত।
সেপ্টেম্বর কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো অভিযোগ তুললেন, ভারত সরকারের এজেন্টরা গত জুনে ব্রিটিশ কলম্বিয়াস্থ শিখ কমিউনিটি লিডার হরদীপ সিং নিজ্জরকে খুন করেছে।
আজাদ এসসা, হোস্টাইল হোমল্যান্ডস: দ্য নিউ অ্যালায়েন্স বিটউইন ইন্ডিয়া অ্যান্ড ইসরায়েল।
২০২৪ এপ্রিল-জুন লোকসভা নির্বাচন আয়োজিত। ২০১৪ সালের পরে প্রথমবারের মত সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে ব্যর্থ হল বিজেপি, এনডিএ জোট ২৯৩টি আসন পেল। বিরোধীদের ইন্ডিয়া কোয়ালিশন ২৩৪টি আসন পেল।
রুবি লাল, ভ্যাগাবন্ড প্রিন্সেস: দ্য গ্রেট এডভেঞ্চার্স অফ গুলবদন।
হিলাল আহমেদ, আ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ দ্য প্রেজেন্ট: মুসলিমস ইন নিউ ইন্ডিয়া।
২০২৫ মার্চ ১৭ নাগপুর সহিংসতা, মহারাষ্ট্রের নাগপুরে মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের সমাধি সরিয়ে ফেলার হিন্দুত্ববাদী দাবিকে কেন্দ্র করে সহিংসতা দেখা দিলে অন্তত ৩০ জন আহত, কারফিউ জারি, ৩ শিশু সহ ৬৫ জন গ্রেপ্তার।
১৮ ১৯৮১ সালে উত্তর প্রদেশের দেহুলি গ্রামে ২৪ জন দলিতকে হত্যা করার দায়ে এক বিশেষ আদালত ৩ ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করল ও মৃত্যুদণ্ড দিল।
২৯ ছত্তিশগড়ের সুকমা জেলায় ভারতীয় পুলিশের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ১৬ জন মাওবাদী নিহত।
এপ্রিল গুজরাটের দিশায় এক অবৈধ আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণের কারণে অন্তত ১৮ ব্যক্তির মৃত্যু।
অদ্রে ত্রুশকা, ইন্ডিয়া: ফাইভ থ্যাউজ্যান্ডস ইয়ারস অফ হিস্ট্রি অন দ্য সাবকনটিনেন্ট।
তথ্যসূত্র
আন্তোনভা, কোকা, বোনগার্দ-লেভিন, গ্রিগোরি, ও কতোভস্কি, গ্রিগোরি। ১৯৮৮। ভারতবর্ষের ইতিহাস। তৃতীয় সংস্করণ। মঙ্গলাচরণ চট্টোপাধ্যায় ও দ্বিজেন শর্মা কর্তৃক অনূদিত। প্রগতি প্রকাশন।
আব্দুল্লাহ, শোয়েব। ২০২১। জানাজা থেকে স্বাধীনতা: কাশ্মীরে আজাদির লড়াই ও তার সাম্প্রতিক বৃত্তান্ত। আদর্শ।
ইসলাম, ড. শামসুল। ২০২২। আরএসএস: জাতীয়তাবাদের আড়ালে ফ্যাসিবাদ। তাসমিম মাহমুদ কর্তৃক রূপান্তরিত। রেড।
বন্দ্যোপাধ্যায়, সত্যজিৎ। ২০২১। সংঘ পরিবারের ভিতরের কথা। একুশশতক।
বাংলাপিডিয়া।
মনু, রক। ২০১৩। “সহমরণ হতে সতীদাহ।” বাছবিচার।
https://bacbichar.net/2013/07/art.1154.bb/
রাফিন, ইরফানুর রহমান। ২০২২। সময়রেখা: মহাবিশ্বের উৎপত্তি থেকে করোনাসংকট পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত ঘটনাপঞ্জি। দিব্যপ্রকাশ।
রায়, সুপ্রকাশ। ২০১৮। ভারতের কৃষক-বিদ্রোহ ও গণতান্ত্রিক সংগ্রাম। দ্বিতীয় র্যাডিকাল প্রকাশ। র্যাডিক্যাল ইম্প্রেশন।
রায়, সুমিত। ২০২২। “গুর্জর-প্রতীহার রাজবংশ (৭৩০-১০৩৬ খ্রি.) : রাজবৃত্তান্ত।” বিবর্তনপথ, জানুয়ারি ৩১।
https://www.bibortonpoth.com/10542
শর্মা, রাম শরণ। ২০১৭। প্রাচীন ভারত। ষষ্ঠ মুদ্রণ। সুমন চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক ভাষান্তরিত। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্তক পর্ষৎ।
BBC.
Bhatt, Chetan. 2001. Hindu Nationalism: Origins, Ideologies and Modern Myths. Berg.
Brown, Stephen F.. 2009. Protestantism. 3rd ed. Chelsea House.
Brown, Stephen F. and Anatolias, Khaled. 2009. Catholicism & Orthodox Christianity. 3rd ed. Chelsea House.
Doniger, Wendy. 2014. On Hinduism. Oxford University Press.
— 2018. Against Dharma: Dissent in the Ancient Indian Sciences of Sex and Politics. Yale University Press.
Engineer, Asgar Ali. 2003. The Gujarat Carnage. Orient Longman.
Gordon, Matthew S.. 2009. Islam. 4th ed. New York.
Hartz, Paula R.. 2009a. Zoroastrianism. 3rd ed. Chelsea House.
Jones, Constance A., and Ryan, James D. 2007. Encyclopedia of Hinduism. Facts On File.
Joseph, Tony. 2018. Early Indians: The Story of Our Ancestors and Where We Came From. Juggernaut.
Kapoor, Coomi. 2015. The Emergency: A Personal History. Penguin Books.
Louër, Laurence. 2020. Sunnis and Shiʻa: A Political History of Discord. Translated by Ethan Rundell. Princeton University Press.
M, Kaunain Sheriff, and Sahu, Manish. 2020. “Babri Masjid demolition: Advani, Joshi and Uma among all 32 cleared, court says no evidence.” The Indian Express, October 1.
https://indianexpress.com/article/india/babri-masjid-demolition-ayodhya-6656454/
Mansingh, Surjit. 2006. Historical Dictionary of India. 2nd ed. The Scarecrow Press.
McHugo, John. 2018. A Concise History of Sunnis & Shi‘is. Georgetown University Press.
Mcleod, John. 2015. The History of India. 2nd ed. Greenwood.
Phillips, Douglas A., and GritAner, Charles F. 2003. India. Chelsea House.
Robinson, Andrew. 2014. India: A Short History. Thames & Hudson.
Rose, Jenny. 2011. Zoroastrianism: A Guide for the Perplexed. Bloomsbury.
Sardar, Ziauddin. 2017. Mecca: The Sacred City. Paperback ed. Bloomsbury.
Singh, Nikky-Guninder Kaur. 2009. Sikhism. 3rd ed. Chelsea House.
The Indian Express. 2023. “9 Years of Narendra Modi Government: A Timeline.” The Indian Express, May 30.
https://indianexpress.com/article/india/nine-years-of-narendra-modi-government-timeline-major-event-decisions-policies-protests-8636401/.
Thapar, Romila. 2003. The Penguin History of Early India: From the Origins to AD 1300. Penguin Books.
Tharoor, Shashi. 2016. An Era of Darkness: The British Empire in India. Aleph Book Company.
Truschke, Audrey. 2020. “Hindutva’s Dangerous Rewriting of History”, South Asia Multidisciplinary Academic Journal [Online], 24/25 | 2020, Online since 23 October 2020, connection on 05 June 2023. URL: http://journals.openedition.org/samaj/6636; DOI: https://doi.org/10.4000/samaj.6636
Wangu, Madhu Bazaz. 2009a. Buddhism. 4th ed. New York: Chelsea House.
— 2009b. Hinduism. 4th ed. Chelsea House.
Wikimedia Foundation. 2025. “2025 in India.” Last modified April 1, at 17:13 (UTC).
https://en.wikipedia.org/wiki/2025_in_India
The New York Times
Observer Research Foundation
DW
INSIGHTSIAS
Hindustan Times
The Hindu
News 18
নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।
অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ
দিব্যপ্রকাশ । বাতিঘর । বইবাজার । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী । বুক হাউজ । ওয়াফিলাইফ । রকমারি



