
ভেনেজুয়েলা
Featured Image: Wikimedia Commons.

সাল
১৪৯৮ ভেনেজুয়েলায় এলেন ক্রিস্টোফার কলম্বাস।
১৪৯৯ ভেনেজুয়েলার নামকরণ করলেন আলোনজো দে ওজেদা।
১৫২০ ভেনেজুয়েলার উত্তরপূর্ব উপকূলে স্পেনীয়রা বসতিস্থাপন করতে শুরু করল।
১৫২৮-৪৬ স্পেনীয় উপনিবেশিক শক্তি ভেনেজুয়েলার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ জার্মান ব্যাংকারদের হাতে তুলে দিল।
১৫৭৭ কারাকাসকে আনুষ্ঠানিকভাবে উপনিবেশিক ভেনেজুয়েলার রাজধানী করা হল।
১৭২৮-৮৯ স্পেনীয় উপনিবেশিক শক্তি ভেনেজুয়েলার অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ কারাকাস কোম্পানির হাতে তুলে দিল।
১৮১১ স্বাধীনতা আইন সই হল। সিমন বলিভারের নেতৃত্বে শুরু হল স্বাধীনতাযুদ্ধ।
১৮৩০ যক্ষা রোগে সিমন বলিভারের মৃত্যু।
গ্র্যান কলম্বিয়া থেকে বেরিয়ে এল ভেনেজুয়েলা। একটি স্বাধীন প্রজাতন্ত্রে পরিণত হল, যার রাজধানী কারাকাস। কডিলোসদের* শাসন শুরু।
* এক ধরণের কর্তৃত্ববাদী শাসক বা সমরপ্রভু বুঝায়।
১৯০৮ প্রেসিডেন্ট এক মেডিকেল ট্রিপে প্যারিসে গেলে বলপ্রয়োগ পূর্বক ক্ষমতা দখল করেন ভাইস প্রেসিডেন্ট হুয়ান ভিসেন্তে গোমেজ।
১৯১৪ ভেনেজুয়েলার প্রথম বাণিজ্যিক তেলকূপ জুমাক উৎপাদন শুরু করল।
১৯১৭ মারাকাইবো অববাহিকায় তেল আবিষ্কার করল রাজকীয় ওলন্দাজ শেল কোম্পানি।
১৯২২ ভেনেজুয়েলার প্রথম তেল আইন পাস করলেন গোমেজ, যা বিদেশি কোম্পানিগুলোকে তেল অনুসন্ধান ও উত্তোলনের ব্যাপক স্বাধীনতা দিল।
১৯৩০-৭০ ভেনেজুয়েলায় ইওরোপীয় অভিবাসন।
১৯৩০–৩৯ নিজ মুদ্রা বলিভারের অতিমূল্যায়নের অভিজ্ঞতা লাভ করল ভেনেজুয়েলা।
১৯৩৫ গোমেজের মৃত্যু, তাঁর ২৭ বছরের একনায়কতন্ত্রের অবসান।*
* এ সময় ভেনেজুয়েলা বিশ্বের সর্ববৃহৎ তেল রফতানিকারক রাষ্ট্র।
১৯৪০–৪৪ নিত্যপণ্যের দামে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করলেন এবং আমদানি সীমিত করলেন প্রেসিডেন্ট ইয়াইয়াস মেদিনা আঙ্গারিটা।
১৯৪৩ নতুন তেল আইন পাস করল ভেনেজুয়েলা। যা তেল কোম্পানিগুলোর ওপর রয়্যালটি ও আয়করের বাধ্যবাধকতা আরোপ করে। এই ৫০–৫০ নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র ও কোম্পানি সমানভাবে লাভ ভাগ করে নিবে তা নির্ধারণ করা হল।
১৯৪৫ প্রেসিডেন্ট মেদিনা আঙ্গারিটার বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান ঘটাল সামরিক বাহিনী। ভর্তুকিযুক্ত গ্যাসোলিন মূল্য ঘোষণা করল ভেনেজুয়েলা।
১৯৪৭ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর বাড়তি চাহিদার কারণে তেলের দাম বৃদ্ধি পেল।
১৯৪৮ সামরিক বাহিনী ভেনেজুয়েলার প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট রোমুলো গাল্লেগোসকে উৎখাত করল। এক “টেলিফোন ক্যুদেতায়।” দেশটিতে গঠন করা হল একটি জান্তা।
১৯৫০ ভেনেজুয়েলার তেল বুম পর্ব শুরু। গায়ানা উচ্চভূমিতে খনি কার্যক্রম শুরু করল দুটি মার্কিন কর্পোরেশন। এগুলো হল বেথলেহেম স্টিল আর ইউএস স্টিল।
১৯৫৩ ১৯৫২ সালের নির্বাচনে জালিয়াতি করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করলেন জেনারেল মার্কোস পেরেজ জিমেনেজ এবং তেল রাজস্ব দিয়ে ভেনেজুয়েলার আধুনিকীকরণের ওয়াদা করলেন।
১৯৫৮ সামরিক বাহিনী বেঁকে বসার পর ক্ষমতা ছাড়লেন পেরেজ জিমেনেজ। রাজনৈতিক দলগুলো “পাক্টো দে পুন্তো ফিজো” নামে গণতান্ত্রিক চুক্তি সই করল।
ডিসেম্বর গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হলেন প্রেসিডেন্ট রোমুলো বেতানকোর্ট।
১৯৬০ সৌদি আরব, ইরান, ইরাক, আর কুয়েতের সাথে মিলে অর্গানাইজেশন অফ পেট্রোলিয়াম এক্সপোর্টিং কান্ট্রিজ (ওপেক) গঠন করল ভেনেজুয়েলা।
১৯৭৩ আরব দেশগুলো পশ্চিমা দেশগুলোতে রপ্তানিকৃত তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এক বছরের মধ্যে তেলের দাম ২৬০ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। তেল বুম থেকে ব্যাপকভাবে লাভবান হল ভেনেজুয়েলা।
১৯৭৩–৭৯ কার্লোস আন্দ্রেস পেরেজকে নির্বাচিত করল ভেনেজুয়েলাবাসী। যিনি তেল সম্পদ দিয়ে “গ্রান ভেনেজুয়েলা” গড়ার ওয়াদা করলেন। এই সময়ে বলিভারের অতিমূল্যায়ন দেখা যায়।
১৯৭৫ গায়ানা উচ্চভূমির খনি কার্যক্রম জাতীয়করণ করল সরকার।
১৯৭৬ তেল শিল্পকে জাতীয়করণ করল ভেনেজুয়েলা।
১৯৮০ বৈশ্বিক তেল অতিপ্রাচুর্যের কারণে তেলের দামে ধ্বস নামল।
১৯৮৩ “ব্ল্যাক ফ্রাইডে”তে ভেনেজুয়েলার বলিভার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অবমূল্যায়নের মুখোমুখি হল। দশকের পর দশক জুড়ে থাকা স্থিতিশীলতার অবসান। রেকাডি নামে মুদ্রা বিনিময় নিয়ন্ত্রণ সংস্থা তৈরি করা হল।
১৯৮৯ ভেনেজুয়েলা পুঁজি নিয়ন্ত্রণ তুলে দিল, মুদ্রার অবমূল্যায়ন ঘটাল, এবং দুর্নীতিগ্রস্ত রেকাডি ডলার প্রশাসন বাতিল করল। গ্যাসোলিনের দাম ১০০ শতাংশ বাড়ানোসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম সমন্বয়ের কারণ। “এল কারাকাসো” বিদ্রোহ।
১৯৯২ প্রেসিডেন্ট কার্লোস আন্দ্রেস পেরেজের বিরুদ্ধে ব্যর্থ অভ্যুত্থান ঘটালেন প্যারাট্রুপার হুগো শ্যাভেজ এবং বন্দি হলেন।
১৯৯৩ দুর্নীতির অভিযোগে অভিশংসিত হলেন কার্লোস আন্দ্রেস পেরেজ।
১৯৯৪–৯৬ ভেনেজুয়েলা আবার মুদ্রা বিনিময় নিয়ন্ত্রণ আরোপ করল।
১৯৯৮ পঞ্চম প্রজাতন্ত্র আন্দোলন (এমআরভি) সংগঠিত করলেন হুগো শ্যাভেজ। প্রথম মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন হুগো শ্যাভেজ।
১৯৯৯ সংবিধান সংস্কারের জন্য গণভোট জিতলেন শ্যাভেজ এবং নতুন তেল আইন প্রণয়ন করলেন। একটি নয়া সংবিধানে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা বাড়ানো হল। প্রেসিডেন্টের অফিসের মেয়াদ চার বছর থেকে বাড়িয়ে ছয় বছর করা হল। ২০০০ সালে নতুন নির্বাচন আয়োজন করার ডাক দেয়া হল।
২০০১ দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন উগো চাভেজ।
২০০২ এপ্রিল অভ্যুত্থান প্রচেষ্টায় টিকে যান শ্যাভেজ।
ডিসেম্বর তেল শ্রমিকরা জাতীয় পর্যায়ে ধর্মঘট শুরু করেন।
২০০৩ ফেব্রুয়ারি তেল শ্রমিকদের দুই মাসব্যাপী ধর্মঘটের অবসান, যা শ্যাভেজকে অপসারণ করতে ব্যর্থ হয়। পুঁজি ও মূল্য নিয়ন্ত্রণ আরোপ করলেন শ্যাভেজ। হাজার হাজার পিডিভিএসএ কর্মীকে বরখাস্ত করেন এবং সামাজিক মিশনে ব্যয় করা শুরু করেন।
২০০৪ নিজ ক্ষমতা বিষয়ক গণভোটে জয়ী হলেন শ্যাভেজ। কিউবা আর ভেনেজুয়েলার মধ্যে পেট্রোলিয়ামের বিনিময়ে চিকিৎসক কর্মসূচি চালু হল।
২০০৫ একুশ শতকের সমাজতন্ত্র নির্মাণের ওয়াদা করলেন শ্যাভেজ। প্রথম কোম্পানিটি অধিগ্রহণ করলেন। বেসরকারি খাতের কোম্পানিগুলো জাতীয়করণের অভিযান শুরু করেন।
চেসা বউদিন, অনুবাদ, আন্ডারস্ট্যান্ডিং দ্য ভেনেজুয়েলান রেভল্যুশন: হুগো শ্যাভেজ টকস টু মার্তা হার্কেনার।
২০০৬ গ্রেগরি উইলপার্ট, চেঞ্জিং ভেনেজুয়েলা বাই টেকিং পাওয়ার: দ্য হিস্ট্রি অ্যান্ড পলিসিজ অফ দ্য শ্যাভেজ গাভার্নমেন্ট।
২০০৭ তৃতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন হুগো শ্যাভেজ। ওরিনোকো অববাহিকার তেল প্রকল্পগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিল সরকার। এক্সনমোবিল ও কনোকোফিলিপস পরিচালিত তেল প্রকল্পগুলো জাতীয়করণ করল ভেনেজুয়েলা।
২০০৮ তেলের দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চে পৌঁছায়, তারপর কমতে শুরু করে।
২০০৯ ভোটাররা এক গণভোটে রাষ্ট্রীয় পদে নির্বাচিত হওয়ার মেয়াদের ওপর থাকা সীমা তুলে দিল। ফলে, ২০১২ সালে শ্যাভেজের মেয়াদ ফুরিয়ে গেলেও তাঁর পুনঃনির্বাচিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হল।
মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও উদার সরকারি ব্যয়ের কারণে মুদ্রাস্ফীতি ২৭ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়।
ব্যারি কান্নন, হুগো শ্যাভেজ অ্যান্ড দ্য বলিভারিয়ান রেভল্যুশন: পপুলিজম অ্যান্ড ডেমোক্রেসি ইন আ গ্লোবালাইজড এজ।
হুগো শ্যাভেজ প্রেজেন্টস সিমন বলিভার: দ্য বলিভারিয়ান রেভল্যুশন।
২০১০ ভেনেজুয়েলায় ভয়ানক বন্যা। সংসদ প্রেসিডেন্ট শ্যাভেজকে বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করল। সমালোচকরা বললেন, দেশটি একনায়কতন্ত্রের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
২০১১ র্যালফ এস. ক্লেম আর অ্যান্থনি পি. মেইনগট (সম্পা.), ভেনেজুয়েলা’জ পেট্রো-ডিপ্লোমেসি: হুগো শ্যাভেজ’স ফরেন পলিসি।
২০১২ চতুর্থ মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন উগো চাভেজ।
২০১৩ হুগো শ্যাভেজের মৃত্যু। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন নিকোলাস মাদুরো। খাদ্য, টয়লেট পেপারসহ নিত্যপণ্যের তীব্র ঘাটতি দেখা দিল।
রায়ান ব্র্যাডিং, পপুলিজম ইন ভেনেজুয়েলা।
২০১৪ ভেনেজুয়েলাবাসী জাতীয় পর্যায়ে প্রতিবাদ শুরু করে এবং মুদ্রাস্ফীতি ৬৮ শতাংশ ছাড়ায়। জুমাক তেলকূপ এক শতাব্দী পূর্ণ করে। যুক্তরাষ্ট্রের শেল তেল উৎপাদন বাজার সয়লাব করে দেয়ায় তেলের দাম কমতে থাকে।
মাইক গনজালেস, হুগো শ্যাভেজ: সোশালিস্ট ফর দ্য টোয়েন্টি-ফার্স্ট সেঞ্চুরি।
২০১৫ ভেনেজুয়েলার মুদ্রাস্ফীতি ১৮০.৯ শতাংশে পৌঁছাল। দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ এবং তখনকার বিশ্বের সর্বোচ্চ।
ডিসেম্বর সংসদীয় নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করল বিরোধীদের গণতান্ত্রিক ঐক্যজোট, এটা সমাজতান্ত্রিক দলের ১৬ বছরের শাসনের অবসান ঘটে।
২০১৬ বছরের শুরুতে মাদুরো প্রধান মুদ্রা বিনিময় হার ৩৭ শতাংশ অবমূল্যায়ন করেন এবং তিনটি সরকারি বিনিময় হারের একটি বাতিল করেন। তিনি গ্যাসোলিনের দাম ৬০ গুণ বাড়ান — প্রায় বিশ বছরে প্রথম। তেলের স্বল্প আয় ভেনেজুয়েলাকে আমদানি ও ঋণ পরিশোধে ঝামেলায় ফেলে।
মুদ্রাস্ফীতির হার বৃদ্ধি পেয়ে ৮০০ শতাংশে পৌঁছাল।
অর্থনৈতিক সংকটের জন্য মাদুরো সরকারকে দায়ী করে লক্ষ লক্ষ লোক কারাকাসের রাস্তায় নামল।
পল হল্যান্ডার, ফ্রম বেনিতো মুসোলিনি টু হুগো শ্যাভেজ: ইন্টেলেকচুয়ালস অ্যান্ড আ সেঞ্চুরি অফ পলিটিকাল হিরো ওরশিপ।
রাউল গ্যালেগোস, ক্রুড নেশন: হাউ অয়েল রিচেস রুইনড ভেনেজুয়েলা।
২০১৭ সাংবিধানিক সংকটের সূচনা। বিরোধীরা সংবিধান সভা বয়কট করে। এই সভা আন্তর্জাতিক নিন্দাবাদের স্বীকার হয়।
২০১৮ একটি আন্তর্জাতিকভাবে সমালোচিত নির্বাচনে জিতে দ্বিতীয় মেয়াদে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হলেন নিকোলাস মাদুরো। বিরোধীরা এই নির্বাচনের ফল প্রত্যাখান করলেন। একাধিক দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা দেশটির ওপর অবরোধ দিল। মুদ্রাস্ফীতির হার ৪৫,০০০ শতাংশ। মাদুরো প্রশাসন চালু করল ক্রিপ্টোমুদ্রা পেট্রো। ব্যাপক খাদ্য ঘাটতি। জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব।
আগস্ট জাতিসংঘ জানাল, ২০১৪ সালের পর থেকে ২০ লক্ষ ভেনেজুয়েলান দেশটি ছেড়ে প্রতিবেশী দেশগুলোতে পালিয়ে গেছেন।
২০১৯ জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি বিরোধীদলীয় নেতা হুয়ান গুইডো নিজেকে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করলেন। প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর বিরুদ্ধে নির্বাচনী জালিয়াতির অভিযোগ এনে তাঁকে উৎখাত করার জন্য সেনাবাহিনীর প্রতি আহবান জানালেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইওরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) গুইডোকে স্বীকৃতিপ্রদান করল।
২০২০ ভেনেজুয়েলার বিরোধী দল আইনসভা নির্বাচন বয়কট করল। প্রেসিডেন্ট মাদুরোর দল ও জোটের নির্বাচনী জয়লাভ।
আনু মুহাম্মদ, হুগো শ্যাভেজের সাথে ভেনেজুয়েলার গল্প।
২০২২ উইলিয়াম নিউম্যান, থিংস আর নেভার সো ব্যাড দ্যাট দে কান্ট গেট ওর্স।
২০২৪ কার্লোস লিজাররালডে, ভেনেজুয়েলা’জ কলাপ্স: দ্য লং স্টোরি অফ হাউ থিংস ফেল অ্যাপার্ট।
তথ্যসূত্র
BBC. 2019. “Venezuela profile – Timeline.” BBC, February 25.
https://www.bbc.com/news/world-latin-america-19652436
Crooker, Richard A. 2006. Venezuela. Chelsea House.
Gallegos, Raúl. 2016. Crude Nation: How Oil Riches Ruined Venezuela. Potomac Books.
Tarver, Michael H. 2018. The History of Venezuela. 2nd ed. Greenwood Press.
নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।
অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ
দিব্যপ্রকাশ । বাতিঘর । বইবাজার । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী । বুক হাউজ । ওয়াফিলাইফ । রকমারি



