
যুক্তরাষ্ট্র
Featured Image: Wikipedia Commons.

বিশ্ব মানচিত্র ব্লগ
পূর্বসাল
২২ হাজার বছর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোতে এ সময় মানুষের উপস্থিতি ছিল।
২০ হাজার বছর আগে এশিয়া থেকে বার্লিং ভূমি সেতু পেরিয়ে আসা অভিবাসীরা সেখানে থিতু হলেন, আজকে যেখানে দুই আমেরিকা মহাদেশ অবস্থিত।
১০ হাজার বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রে এ সময় আদিবাসী আমেরিকানরা বাস করছেন।
সাল
১৪৯৭ ইংল্যান্ডের রাজা সপ্তম হেনরির পৃষ্ঠপোষকতায় উত্তর আমেরিকায় অভিযান চালালেন ইতালীয় অভিযাত্রিক জিওভান্নি কাবোতো, যিনি ইংরেজিভাষীদের কাছে জন ক্যাবট নামেই বেশি পরিচিত।
১৫০৭ মানচিত্রে প্রথমবারের মত ‘আমেরিকা’ শব্দটি ব্যবহৃত হল।
১৫২৫-১৮৬৬ এ সময় ১ কোটি ২৫ লক্ষ আফ্রিকানকে জাহাজে করে নতুন দুনিয়ায় আনা হয়। জাহাজের চরম অমানবিক পরিস্থিতির কারণে গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই ১৮ লক্ষ আফ্রিকানের মৃত্যু হয়। ইতিহাসের অন্ধকারতম অধ্যায়গুলোর একটি আন্তঃঅতলান্তিক দাস বাণিজ্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে, দেখুন, (Eltis & Richardson 2010; Araujo 2024)।
১৫৪০ ফ্রান্সিসকো করোনাডোর নেতৃত্বে একদল স্পেনীয় অভিযাত্রিক নিউ মেক্সিকো ও আশেপাশের এলাকায় অভিযাত্রা চালালেন।
১৫৬৫ ফ্লোরিডায় উত্তর আমেরিকার প্রথম স্থায়ী ইওরোপীয় বসতি-উপনিবেশ সেইন্ট অগাস্টিন স্থাপন করল স্পেনীয়রা।
১৬০৭ ভার্জিনিয়ার জেমসটাউনে ইংরেজ বসতি-উপনিবেশ স্থাপনকারীরা বসতিস্থাপন করল, এটিই উত্তর আমেরিকার প্রথম ইংরেজ বসতি-উপনিবেশ।
১৬১০ নিউ মেক্সিকোর সান্তা ফেতে স্পেনীয়দের বসতি-উপনিবেশ স্থাপন।
১৭৬৩ ফ্রান্সের সাথে সপ্তবর্ষীয় যুদ্ধে জেতায় মিসিসিপি নদী পর্যন্ত আমেরিকান ভূখণ্ডের ওপর ব্রিটেনের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হল।
১৭৭৪ ব্রিটিশরা বোস্টন পোতাশ্রয় বন্ধ করে দিল। ম্যাসাচুসেটসে সেনা মোতায়েন করল। এই প্রেক্ষিতে আহবান করা হল প্রথম কন্টিনেন্টাল কংগ্রেস।
১৭৭৫ আমেরিকান বিপ্লব। ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করল জর্জ ওয়াশিংটনের নেতৃত্বাধীন কন্টিনেন্টাল সেনাবাহিনী।
১৭৭৬ জুলাই ৪ দ্বিতীয় কন্টিনেন্টাল কংগ্রেসে ব্রিটিশ আমেরিকার তেরোটি উপনিবেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হল।
১৭৭৭ নভেম্বর ১৫ আর্টিকেলস অফ কনফেডারেশনের অনুমোদন দিলেন দ্বিতীয় কন্টিনেন্টাল কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা।
১৭৮১ ইয়র্কটাউনের সমরে ব্রিটিশদের পরাস্ত করার পর আমেরিকার বিদ্রোহী রাজ্যগুলো কনফেডারেশন গঠন করল।
মার্চ ১ তেরোটি উপনিবেশের শেষটি হিসেবে আর্টিকেলস অফ কনফেডারেশনকে অনুসমর্থন করল মেরিল্যান্ড।
মে ২৬ উত্তর আমেরিকার একটি ব্যাংক প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবকে অনুমোদন দিল কংগ্রেস।
১৭৮২ জানুয়ারি ৭ ফিলাডেলফিয়ার চেস্টনাট স্ট্রিটে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালু করল দ্য ব্যাংক অফ নর্থ আমেরিকা।
১৭৮৩ সেপ্টেম্বর ৩ প্যারিস চুক্তি। ব্রিটিশ আমেরিকার তেরোটি উপনিবেশ নিয়ে গঠিত যুক্তরাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিল ব্রিটেন।
১৭৮৭ জুলাই ১৩ গঠন করা হল নর্থওয়েস্ট টেরিটোরি।
ডিসেম্বর ৭ প্রথম রাজ্য হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুসমর্থন করল ডেলাওয়্যার।
১২ যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুসমর্থন করল পেনসিলভেনিয়া।
১৮ যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুসমর্থন করল নিউ জার্সি।
১৭৮৮ জানুয়ারি ২ যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুসমর্থন করল জর্জিয়া।
৯ যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুসমর্থন করল কানেকটিকাট।
ফেব্রুয়ারি ৬ যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুসমর্থন করল ম্যাসাচুসেটস।
এপ্রিল ২৮ যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুসমর্থন করল মেরিল্যান্ড।
মে ২৩ যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুসমর্থন করল সাউথ ক্যারোলিনা।
জুন ২১ যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুসমর্থন করল নিউ হ্যাম্পশায়ার।*
* বলবৎ হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় অনুসমর্থন সংখ্যা সম্পন্ন।
২৫ যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুসমর্থন করল ভার্জিনিয়া।
জুলাই ২৬ যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুসমর্থন করল নিউ ইয়র্ক।
ডিসেম্বর ১৫-১০ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচন।
১৭৮৯ মার্চ ৪ যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান বলবৎ হল।
এপ্রিল ১ হাউজ অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসের প্রথম আনুষ্ঠানিক অধিবেশন।
৬ অনুষ্ঠিত হল মার্কিন সিনেটের প্রথম সভা।
৩০ যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন জর্জ ওয়াশিংটন।
নভেম্বর ২১ যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুসমর্থন করল নর্থ ক্যারোলিনা।
১৭৯০ ফেব্রুয়ারি ২ প্রথমবারের মত শুরু হল সুপ্রীম কোর্টের অধিবেশন।
এপ্রিল ২ গঠন করা হল সাউথওয়েস্ট টেরিটোরি।
মে ২৯ তেরোটি উপনিবেশের শেষটি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুসমর্থন করল রোড আইল্যান্ড।
জুলাই ১৬ প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটনের সই করা একটি বিল আইনে পরিণত হল। যা নিশ্চিত করল, দেশটির নতুন রাজধানী ওয়াশিংটন, ডিসি পটোম্যাক নদীর তীরে নির্মিত হবে। ফেডারেল সরকারের কাছে মেরিল্যান্ড ও ভার্জিনিয়ার ছেড়ে দেয়া জমির ওপরে।
ডিসেম্বর ২০ রোড আইল্যান্ডের পাউটাকেটে একটি সফল মার্কিন তুলা কারখানা চালু করলেন স্যামুয়েল স্লটার।
১৭৯১ মার্চ ৪ ১৪তম রাজ্য হিসেবে ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হল ভারমন্ট।
ডিসেম্বর ১২ যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম ব্যাংকের ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালু হল।
১৫ অনুসমর্থিত হল যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম ১০টি সংশোধনী, সমষ্টিগতভাবে বিল অফ রাইটস নামে পরিচিত।
১৭৯২ ফিলাডেলফিয়া ও ল্যাঙ্কাস্টার টার্নপাইকের নির্মাণকাজ শুরু হল।
মে ১৭ প্রতিষ্ঠা করা হল নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ।
জুন ১ ১৫তম রাজ্য হিসেবে ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হল কেনটাকি।
১৭৯৫ অক্টোবর ২৭ উত্তর আমেরিকার দক্ষিণপূর্বাঞ্চলে স্পেনের সার্বভৌমত্বের পশ্চিম সীমা হবে মিসিসিপি নদী। আর উত্তর সীমা হবে ৩১° উত্তর সমান্তরাল। স্পেনীয় ও মার্কিন আলোচনাকারীরা এই বিষয়ে একমত হলেন।
১৭৯৬ জুন ১ ১৬তম রাজ্য হিসেবে ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হল টেনেসি।
১৭৯৭ মার্চ ৪ যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন জন অ্যাডামস।
১৭৯৮ এপ্রিল ৭ গঠন করা হল মিসিসিপি টেরিটোরি।
১৮০০ জুলাই ৪ গঠন করা হল ইন্ডিয়ানা টেরিটোরি।
নভেম্বর ১৭ ওয়াশিংটন, ডিসির ক্যাপিটোল বিল্ডিংয়ে প্রথমবারের মত বসল কংগ্রেস অধিবেশন।
১৮০১ মার্চ ৪ যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় প্রেসিডেন্ট হলেন টমাস জেফারসন।
১৮০৩ মার্চ ১ ১৭তম রাজ্য হিসেবে ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হল ওহাইও।
এপ্রিল ৩০ ১৫ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে ফ্রান্সের কাছ থেকে লুইজিয়ানা কিনে নিল যুক্তরাষ্ট্র।
১৮০৪ অক্টোবর ১ গঠন করা হল অরলিন্স টেরিটোরি।
১৮০৫-৪৪ জোসেফ স্মিথ।
১৮০৫ জুন ৩০ গঠন করা হল মিশিগান টেরিটোরি।
জুলাই ৪ গঠন করা হল লুইজিয়ানা টেরিটোরি।
১৮০৮ জানুয়ারি ১ দাস আমদানি নিষিদ্ধ করা আইন বলবৎ হল।
এপ্রিল ৬ আমেরিকান ফার কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করলেন জন জ্যাকব অ্যাস্টর। যা যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক একচেটিয়ায় পরিণত হল।
১৮০৯ মার্চ ১ গঠন করা হল ইলিনয় টেরিটোরি।
৪ যুক্তরাষ্ট্রের চতুর্থ প্রেসিডেন্ট হলেন জেমস ম্যাডিসন।
১৮১০ অক্টোবর ২৭ পশ্চিম ফ্লোরিডাকে নিজ সীমানাভুক্ত করে নিল যুক্তরাষ্ট্র।
১৮১১ মার্চ ৩ যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম ব্যাংকের ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেল।
১৮১২ এপ্রিল ৩০ ১৮তম রাজ্য হিসেবে ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হল লুইজিয়ানা।
মে ১৪ উত্তর আমেরিকায় স্পেনীয় সাম্রাজ্যের অংশবিশেষ মোবাইলকে নিজ সীমানাভুক্ত করে নিল যুক্তরাষ্ট্র।
জুন ৪ লুইজিয়ানা টেরিটোরির নাম বদলে “মিসৌরি টেরিটোরি” রাখা হল।
১৮ গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল যুক্তরাষ্ট্র, শুরু হল ১৮১২ সালের যুদ্ধ।
১৮১৪ ডিসেম্বর ২৪ ঘেন্ট চুক্তি সই। ১৮১২ সালের যুদ্ধের অবসান। কিন্তু শান্তির খবর উত্তর আমেরিকায় পৌঁছায়নি।
১৮১৫ জানুয়ারি ৮ নিউ অরলিন্সের সমর। মার্কিন বাহিনীর হাতে পরাস্ত হল ব্রিটিশ সেনাদল।
১৮১৬ এপ্রিল ১০ প্রতিষ্ঠা করা হল যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় ব্যাংক।
ডিসেম্বর ১১ ১৯তম রাজ্য হিসেবে ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হল ইন্ডিয়ানা।
১৮১৭ জানুয়ারি ৭ যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় ব্যাংকের ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালু হল।
মার্চ ৪ যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম প্রেসিডেন্ট হলেন জেমস মুনরো।
আগস্ট ১৫ গঠন করা হল আলাবামা টেরিটোরি।
ডিসেম্বর ১০ ২০তম রাজ্য হিসেবে ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হল মিসিসিপি।
১৮১৮ অক্টোবর ২০ ১৮১৮ সালের কনভেনশনে সই করল যুক্তরাষ্ট্র ও গ্রেট ব্রিটেন। যা যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ব্রিটিশ উত্তর আমেরিকার আন্তর্জাতিক সীমানা নির্ধারণ করে। ঠিক হল, গ্রেট প্লেইনস থেকে রকি পর্বতমালা পর্যন্ত ৪৯তম সমান্তরাল ধরে সীমানা নির্ধারিত হবে।
ডিসেম্বর ৩ ২১তম রাজ্য হিসেবে ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হল ইলিনয়।
১৮১৯ যুক্তরাষ্ট্র প্রথম শান্তিকালীন আর্থিক সংকটের সম্মুখীন হল।
ফেব্রুয়ারি ২২ স্পেনের সাথে এডামস-ওনিস চুক্তি।*
* সমগ্র ফ্লোরিডার ওপর সার্বভৌমত্ব অর্জন করল যুক্তরাষ্ট্র। লাভ করল সেই সব ভূখণ্ড যা বর্তমানে দক্ষিণ আলাবামা, দক্ষিণ মিসিসিপি, দক্ষিণপশ্চিম লুইজিয়ানা ও পশ্চিম কলোরাডোর অংশবিশেষ গঠন করেছে। বিনিময়ে উত্তর আমেরিকা মহাদেশের পশ্চিম ও দক্ষিণপশ্চিমের অধিকাংশের ওপর স্পেনীয় সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দিল যুক্তরাষ্ট্র।
জুলাই ৪ গঠন করা হল আরকানসাস টেরিটোরি।
ডিসেম্বর ১৪ ২২তম রাজ্য হিসেবে ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হল আলাবামা।
১৮২০ মার্চ ৬ মিসৌরি সমঝোতা চুক্তিতে সই করলেন প্রেসিডেন্ট মুনরো।
১৫ ২৩তম রাজ্য হিসেবে ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হল মাইন।
অক্টোবর ২৬ ইরি খাল নির্মাণের ফলে পূর্বাঞ্চলীয় শহরগুলিতে খাদ্যের খরচ কমে এবং মধ্যপশ্চিম অভিবাসীদের জন্য উন্মুক্ত হয়ে যায়।
মর্মন বিশ্বাস অনুসারে, খোদা ও জেসাস ক্রাইস্টের কাছ থেকে নবুয়ত লাভ করলেন জোসেফ স্মিথ।
১৮২১ আগস্ট ১০ ২৪তম রাজ্য হিসেবে ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হল মিসৌরি।
১৮২২ মার্চ ৩০ গঠন করা হল ফ্লোরিডা টেরিটোরি।
১৮২৩ মর্মন বিশ্বাস অনুসারে, প্রথমবারের মত জোসেফ স্মিথের কাছে আবির্ভূত হলেন দেবদূত মোরোনি।
১৮২৩ ডিসেম্বর ২ প্রেসিডেন্ট জেমস মুনরো ইউরোপীয় শক্তিগুলোকে সতর্ক করে দিলেন। তিনি বললেন, মধ্য, উত্তর বা দক্ষিণ আমেরিকায় উপনিবেশ স্থাপনের যে কোনও প্রচেষ্টা “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বন্ধুত্বহীন মনোভাবের প্রকাশ” হিসেবে বিবেচিত হবে। মুনরো ডকট্রিন পরবর্তীতে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির একটি ভিত্তিপ্রস্তর হয়ে ওঠে।
১৮২৪ ১৭ এপ্রিল ৫৪° ৪০’ উত্তর অক্ষাংশের দক্ষিণ অঞ্চলগুলোর ওপর সার্বভৌমত্বের দাবি ছেড়ে দিল রাশিয়া। যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করল। বর্তমান এটি আলাস্কা প্যানহ্যান্ডেলের দক্ষিণ প্রান্ত।
১৮২৫ মার্চ ৪ যুক্তরাষ্ট্রের ষষ্ঠ প্রেসিডেন্ট হলেন জন কুইন্সি অ্যাডামস।
১৮২৭ মর্মন বিশ্বাস অনুসারে, স্বর্ণপাত লাভ করলেন স্মিথ।
১৮২৯ মার্চ ৪ যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তম প্রেসিডেন্ট হলেন অ্যান্ড্রু জ্যাকসন।
আগস্ট ৮ পেনসিলভেনিয়ার হোনেসডেলে প্রাথমিক যাত্রা শুরু করল যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম বাণিজ্যিক বাষ্পীয় লোকোমোটিভ স্টুরব্রিজ লায়ন।
মর্মন কিতাবের তর্জমা শেষ করলেন জোসেফ স্মিথ। আরোনিক ও মেলছিজেদিক পুরোহিততন্ত্র পুনর্বহাল করা হল।
১৮৩০ মে ২৮ ইন্ডিয়ান রিমুভাল অ্যাক্টে সই করলেন প্রেসিডেন্ট জ্যাকসন।
মর্মন কিতাব। মর্মন গির্জা সংগঠিত করা হল।
১৮৩১ সেপ্টেম্বর ২৬-২৮ প্রথম আমেরিকান রাজনৈতিক দল হিসেবে একটি জাতীয় সম্মেলন আয়োজন করল বাল্টিমোরের এন্টাই-মেসোনিক পার্টি।
মর্মন সন্তদের মিলনস্থল হয়ে উঠল ওহাইওর কির্টল্যান্ড। মর্মন বিশ্বাস অনুসারে, খোদা মিসৌরির ইন্ডিপেন্ডেন্সকে জায়ন শহর হিসেবে নির্ধারিত করল।
১৮৩২ ডিসেম্বর ২৮ ভাইস প্রেসিডেন্টের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন জন সি. ক্যালহুন।*
* এই পদ থেকে স্বেচ্ছায় ইস্তফা দেয়া প্রথম ব্যক্তি।
১৮৩৩ মিসৌরির জ্যাকসন কাউন্টির সন্তদের কাউন্টি ছেড়ে যেতে বাধ্য করা হল।
১৮৩৪ ইসরায়েল শিবির (জায়নের শিবির) ওহাইও থেকে মিসৌরিতে স্থানান্তরিত করলেন জোসেফ স্মিথ।
১৮৩৬ জুন ১৫ ২৫তম রাজ্য হিসেবে ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হল আরকানসাস।
জুলাই ৩ গঠন করা হল উইসকনসিন টেরিটোরি।
মর্মনদের কির্টল্যান্ড মন্দির ঈশ্বরের জন্য উৎসর্গকৃত হল। কির্টল্যান্ড মন্দিরে পুরোহিততন্ত্রের চাবি জোসেফ স্মিথ ও অলিভার কাউডেরির হাতে তুলে দেয়া হল।
১৮৩৭ যুক্তরাষ্ট্র একটা অর্থনৈতিক মন্দায় প্রবেশ করে যা ১৮৪০য়ের দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত চলবে।
জানুয়ারি ২৬ ২৬তম রাজ্য হিসেবে ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হল মিশিগান।
মার্চ ৪ যুক্তরাষ্ট্রের অষ্টম প্রেসিডেন্ট হলেন মার্টিন ভ্যান বুরেন।
১৮৩৮ জানুয়ারি ২৬ যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নিষিদ্ধকরণ আইন পাশ করল টেনিসি। দোকানপাট ও সরাইখানায় “চোলাই করা কড়া মদ” বিক্রিকে অপরাধ হিসেবে বিধিবদ্ধ করা হল।
জুলাই ৪ গঠন করা হল আইওয়া টেরিটোরি।
জোসেফ স্মিথকে লিবার্টি কারাগারে আটক করা হল।
১৮৩৯ ইলিনয়ের মর্মন সন্তদের সাথে যোগ দিয়ে নাউভো প্রতিষ্ঠায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখলেন স্মিথ।
১৮৪০ মৃতদের বাপ্তাইজীকরণের শিক্ষা দিতে শুরু করলেন স্মিথ।
১৮৪১ মার্চ ৪ যুক্তরাষ্ট্রের নবম প্রেসিডেন্ট হলেন উইলিয়াম হ্যারি হ্যারিসন।*
* তিনি দেশটির গৃহযুদ্ধের আগে জন্মানো শেষ প্রেসিডেন্ট।
এপ্রিল ৪ প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করা প্রথম প্রেসিডেন্ট হলেন হ্যারিসন। ভাইস প্রেসিডেন্ট জন টাইলের তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন। যুক্তরাষ্ট্রের দশম প্রেসিডেন্ট হলেন জন টাইলের।
১৮৪২ আগস্ট ৯ ওয়েবস্টার-অ্যাশবার্টন চুক্তি। মাইন ও ব্রুন্সউইকের মধ্যকার সীমান্ত নির্ধারণ করল। লেক সুপিরিয়র থেকে লেক অফ দ্য উডস পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সীমানা রেখা বসাল।
মর্মন ত্রাণ সংস্থা সংগঠিত করা হল।
১৮৪৩ মর্মন পুরুষদের বহুবিবাহের অধিকার দেয়া প্রত্যাদেশ নথিবদ্ধ হল।
১৮৪৪ আততায়ীদের হাতে খুন হলেন জোসেফ ও হিরাম স্মিথ।
১৮৪৫ মার্চ ৩ ২৭তম রাজ্য হিসেবে ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হল ফ্লোরিডা।
৪ যুক্তরাষ্ট্রের একাদশ প্রেসিডেন্ট হলেন জেমস কে. পোল্ক।
ডিসেম্বর ২৯ ২৮তম রাজ্য হিসেবে ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হল টেক্সাস।
১৮৪৬-৪৮ যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো যুদ্ধ।
১৮৪৬ এপ্রিল ২৫ ব্রাউন্সভিলের কাছে বিসংবাদিত অঞ্চলে ১৬ জন মার্কিন ড্রাগুনকে হত্যা করল মেক্সিকান অশ্বারোহীরা।*
* যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো যুদ্ধের সূচনা।
জুন ১৫ ওরেগন চুক্তি। ওরেগন কান্ট্রির ওপর একক সার্বভৌমত্ব অর্জন করল যুক্তরাষ্ট্র। পুনঃনির্ধারিত হল ব্রিটিশ উত্তর আমেরিকার সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সীমা।
ডিসেম্বর ২৮ ২৯তম রাজ্য হিসেবে ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হল আইওয়া।
বহু মর্মন সন্ত সল্ট লেক উপত্যকার উদ্দেশ্যে তাঁদের সফর শুরু করলেন। মর্মনদের নাউভো মন্দির ঈশ্বরের জন্য উৎসর্গকৃত হল।
১৮৪৮ জানুয়ারি ২৪ শাটার’স মিলে সোনা আবিষ্কার করলেন জেমস ডব্লিউ. মার্শাল, শুরু হল ক্যালিফোর্নিয়া গোল্ড রাশ।
ফেব্রুয়ারি ২ গুয়াডালুপে হিডালগো চুক্তি।*
* যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো যুদ্ধের সমাপ্তি।
মে ২৯ ৩০তম রাজ্য হিসেবে ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হল উইসকনসিন।
জুন ১২ ম্যালারিনো-বিডলাক চুক্তি। এতে সই করেন প্রেসিডেন্ট পোল্ক। পানামার ইস্থমুস জুড়ে ট্রানজিট অধিকার পেল যুক্তরাষ্ট্র।
আগস্ট ১৪ গঠন করা হল ওরেগন টেরিটোরি।
১৮৪৯ জানুয়ারি ২৩ নিউ ইয়র্কের জেনেভা মেডিকেল কলেজে নিজ ক্লাসের প্রথম গ্র্যাজুয়েট হলেন এলিজাবেথ ব্ল্যাকওয়েল। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রাতিষ্ঠানিকভাবে যোগ্য নারী চিকিৎসক।
মার্চ ৩ গঠন করা হল মিনেসোটা টেরিটোরি।
৪ যুক্তরাষ্ট্রের দ্বাদশ প্রেসিডেন্ট হলেন জাখারি টেইলর।
১৮৫০ এপ্রিল ১৯ ক্লেটন-বুলওয়ের চুক্তি সই।*
* এর শর্তাবলী অনুসারে, গ্রেট ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্র মধ্য আমেরিকা জুড়ে একটা খাল স্রেফ তখনই খনন করতে পারে, যদি তাতে অপরপক্ষের সম্মতি থাকে এবং খালটি সব ধরণের জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হয়।
জুলাই ৯ জাখারি টেইলরের মৃত্যু। ভাইস প্রেসিডেন্ট মিলার্ড ফিলমোর তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন। যুক্তরাষ্ট্রের ত্রয়োদশ প্রেসিডেন্ট হলেন মিলার্ড ফিলমোর।
সেপ্টেম্বর ৯ ৩১তম রাজ্য হিসেবে ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হল ক্যালিফোর্নিয়া। গঠন করা হল নিউ মেক্সিকো টেরিটোরি আর ইউটা টেরিটোরি।
১৮৫৩ ফেব্রুয়ারি ২৭ ইন্ডিয়ান অ্যাপ্রোপ্রিয়েশনস অ্যাক্ট।*
* ফেডারেল এজেন্সিগুলিকে মিসিসিপি নদীর পশ্চিমে আদিবাসী আমেরিকান গোত্রগুলোর জন্য রিজার্ভেশন তৈরির ক্ষমতা দেয়া হল।
মার্চ ২ গঠন করা হল ওয়াশিংটন টেরিটোরি।
৪ যুক্তরাষ্ট্রের চতুর্দশ প্রেসিডেন্ট হলেন ফ্রাঙ্কলিন পিয়ার্স।
১৮৫৪ মার্চ ২০ গঠন করা হল রিপাবলিকান পার্টি।
মে ৩০ গঠন করা হল কানসাস টেরিটোরি ও নেব্রাস্কা টেরিটোরি।
জুন ৮ গ্যাডসডেন পারচেজ।*
* মেক্সিকোর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত নির্ধারণ করল এবং যুক্তরাষ্ট্রের আয়তন ২৯ হাজার ৬৪০ বর্গমাইল বাড়াল।
জুলাই ৩ গঠন করা হল উইসকনসিন টেরিটোরি।
১৮৫৫ আগস্ট ৩ ক্যাসল ক্লিনটন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম অভিবাসন স্টেশন। নিউ ইয়র্ক সিটির ম্যানহাটন দ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে খোলা হয়।
১৮৫৬ আগস্ট ১৮ গুয়ানো দ্বীপপুঞ্জ আইনে সই করলেন প্রেসিডেন্ট পিয়ার্স। যা মার্কিনীদের অন্য রাজ্যের সার্বভৌমত্বের অধীনে না থাকা দ্বীপগুলোকে দখল করার এবং সার ও বারুদ তৈরির জন্য তাঁদের সম্পদ কাজে লাগানোর অনুমতি দেয়। দাবিকৃত দ্বীপপুঞ্জ যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম বিদেশি আঞ্চলিক অধিগ্রহণ।
১৮৫৭ যুক্তরাষ্ট্রের বাজার একটা মন্দা পরিস্থিতিতে প্রবেশ করল। আর্থিক বাজারে আতঙ্ক। ৫ হাজারেরও বেশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান লোকসানের শিকার।
মার্চ ৪ যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চদশ প্রেসিডেন্ট হলেন জেমস বুকানান।
৬ ড্রেড স্কট মামলা। যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রীম কোর্ট রায় দিল, কৃষ্ণাঙ্গরা দেশটির নাগরিক নন। মিসৌরি সমঝোতা অসাংবিধানিক।
১৮৫৮ মে ১১ ৩২তম রাজ্য হিসেবে ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হল মিনেসোটা।
১৮৫৯ ফেব্রুয়ারি ১৪ ৩৩তম রাজ্য হিসেবে ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হল ওরেগন।
জুলাই কলোরাডোর লিটল ড্রাই ক্রিকে সোনা আবিষ্কার, শুরু হল পাইকের পিক গোল্ড রাশ।
ডিসেম্বর ২ খুন ও রাষ্ট্রদ্রোহের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে ভার্জিনিয়ার চার্লস টাউনে ফাঁসি দেয়া হল দাসপ্রথা বিলোপবাদী জন ব্রাউনকে।
১৮৬০ সেপ্টেম্বর ৩০ ক্যানাল গুলচে সোনা আবিষ্কার, আইডাহো টেরিটোরিতে ভাগ্য সন্ধানীদের আগমন।
ডিসেম্বর ২০ ইউনিয়ন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল সাউথ ক্যারোলিনা।
১৮৬১ জানুয়ারি ৯ ইউনিয়ন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল মিসিসিপি।
১০ ইউনিয়ন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল ফ্লোরিডা।
১১ ইউনিয়ন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল আলাবামা।
১৯ ইউনিয়ন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল জর্জিয়া।
২৬ ইউনিয়ন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল লুইজিয়ানা।
২৯ ৩৪তম রাজ্য হিসেবে ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হল কানসাস।
ফেব্রুয়ারি ১ ইউনিয়ন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল টেক্সাস।
৭ ইউনিয়ন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া ৭টি রাজ্য মিলে গঠন করল কনফেডারেট স্টেটস অফ আমেরিকা (সিএসএ), প্রণয়ন করল একটি অস্থায়ী সংবিধান।
১৮ কনফেডারেসির প্রেসিডেন্ট হিসেবে জেফারসন ডেভিসের অভিষেক হল।
২৮ গঠন করা হল কলোরাডো টেরিটোরি।
মার্চ ২ গঠন করা হল ডাকোটা টেরিটোরি ও নেভাদা টেরিটোরি।
৪ যুক্তরাষ্ট্রের ষোড়শ প্রেসিডেন্ট হলেন আব্রাহাম লিংকন।
এপ্রিল ১২ সাউথ ক্যারোলিনার চার্লসটন বন্দরের প্রবেশপথ রক্ষাকারী ফোর্ট সামটারে কনফেডারেট বোমাবর্ষণের মধ্য দিয়ে গৃহযুদ্ধ শুরু হল।
১৭ কনফেডারেসিতে যোগ দিল ভার্জিনিয়া।
মে ৬ কনফেডারেসিতে যোগ দিল আরকানসাস।
৭ কনফেডারেসিতে যোগ দিল টেনেসি।
২০ কনফেডারেসিতে যোগ দিল নর্থ ক্যারোলিনা।
১৮৬১-৬৫ যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধ। এই যুদ্ধে দক্ষিণের কনফেডারেটরা লড়ছিল দাসপ্রথা টিকিয়ে রাখার উদ্দেশ্যে, আর উত্তরের ইউনিয়নিস্টরা লড়ছিল দাসপ্রথার বিলোপসাধন করার উদ্দেশ্যে। কার্ল মার্ক্স এই যুদ্ধটার ওপর নজর রাখছিলেন। ১৮৬৪ সালের নভেম্বর মাসের ২২ থেকে ২৯ তারিখের মধ্যে তিনি প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের উদ্দেশ্যে একটা চিঠি লেখেন। যা ছাপা হয় পরের বছরের ৭ জানুয়ারি। এই চিঠিতে মার্ক্স লিংকনকে “শ্রমিক শ্রেণীর সাধু সন্তান” বলে অভিহিত করেন, এবং এই আশা ব্যক্ত করেন যে, “স্বাধীনতার জন্য আমেরিকান যুদ্ধ যেমন বুর্জোয়া প্রভূত্বের যুগটার সূত্রপাত করেছিল, তেমনি দাসপ্রথার বিরুদ্ধে আমেরিকান যুদ্ধও শ্রমিক শ্রেণীর আধিপত্যের যুগটার সূত্রপাত করবে।” পরিষ্কারভাবেই মার্ক্সের সমর্থন ছিল উত্তরের ইউনিয়নিস্টদের প্রতি।
১৮৬২ এপ্রিল ৬-৭ শিলোহের সমর। প্রায় ২,৫০০–৩,৫০০ জন নিহত হন।
মে ২০ হোমস্টেড আইনে সই করলেন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন। যা অ্যাপালাচিয়ান পর্বতমালার পশ্চিমে বসতি স্থাপনকে উৎসাহিত করে। এই আইনের অধীনে প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকরা ১৬০ একর সরকারি জমি দাবি করে খামার স্থাপন করতে পারতেন।
সেপ্টেম্বর ১৭ অ্যান্টিটামের সমর। আনুমানিকভাবে, ৩,৫০০–৫,৪০০ জন নিহত হন।
২২ প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন ঘোষণা করলেন, বিদ্রোহী রাজ্যগুলোর দাসেরা ১৮৬৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে স্বাধীন বলে বিবেচিত হবে।
১৮৬৩ জানুয়ারি ১ মুক্তির ঘোষণাপত্র। প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন কর্তৃক জারিকৃত। ১৮৬২ সালের ২২ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর বলে ধরে নিতে হবে।
ফেব্রুয়ারি ২৪ গঠন করা হল অ্যারিজোনা টেরিটোরি।
মার্চ ৩ গঠন করা হল আইডাহো টেরিটোরি।
জুন ২০ ৩৫তম রাজ্য হিসেবে ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হল ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া।
জুলাই ১-৩ গেটিসবার্গের সমর। প্রায় ৭,০০০-৮,০০০ জন প্রাণ হারান।
অক্টোবর ৩ প্রেসিডেন্ট লিংকন ঘোষণা করলেন, নভেম্বরের শেষ বিষ্যুদবার থ্যাংকসগিভিংয়ের জাতীয় ছুটি হিসেবে পালিত হবে।
ডিসেম্বর ৮ একটি ক্ষমা ও পুনর্গঠন ঘোষণাপত্র জারি করলেন প্রেসিডেন্ট লিংকন। যেখানে তিনি হুকুম দিলেন, ১৮৬০-৬১ সালে ইউনিয়ন থেকে পৃথক হওয়া প্রতিটি রাজ্য তখনই পুনরায় ফিরতে পারবে, যখন সেই রাজ্যের ১৮৬০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটদানকারী ভোটারদের ১০ শতাংশের সমতুল্য ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্যের শপথ নেবে। এবং সেই রাজ্যের সরকার দাসপ্রথা নিষিদ্ধ করেছে এমন একটি সংবিধান গ্রহণ করবে।
১৮৬৪ মে ২৬ গঠন করা হল মন্টানা টেরিটোরি।
অক্টোবর ৩১ ৩৬তম রাজ্য হিসেবে ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হল নেভাডা।
১৮৬৫ এপ্রিল ৯ আত্মসমর্পণ করল কনফেডারেসি।
১৪ ওয়াশিংটন, ডি.সি.তে একটি থিয়েটার অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার সময় মাথায় গুলিবিদ্ধ হলেন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন।
১৫ গুলির ক্ষত থেকে মৃত্যুবরণ করলেন প্রেসিডেন্ট লিংকন। যুক্তরাষ্ট্রের ১৭তম প্রেসিডেন্ট হলেন সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রু জনসন।
মে ৯ গৃহযুদ্ধের সমাপ্তি ঘোষণা করলেন প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রু জনসন।
ডিসেম্বর ৬ মার্কিন সংবিধানের ১৩তম সংশোধনী অনুমোদনের মাধ্যমে দাসপ্রথা বিলুপ্ত করা হল।
১৮৬৬ জুলাই ২৪ টেনেসিকে পুনরায় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত করে নেয়া হল।
১৮৬৭ মার্চ ১ ৩৭তম রাজ্য হিসেবে ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হল নেব্রাস্কা।
অক্টোবর ১৮ রাশিয়ার কাছ থেকে আলাস্কা কিনে নিল যুক্তরাষ্ট্র।*
* এর জন্য খরচ পড়েছিল ৭.২ মিলিয়ন ডলার।
১৮৬৮ ফেব্রুয়ারি ২৪ প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে অভিশংসনের মুখোমুখি হলেন জনসন।
মে ১৬ মাত্র এক ভোটের ব্যবধানে সিনেট প্রেসিডেন্ট জনসনকে অভিশংসনের অভিযোগ থেকে খালাস দিল সিনেট।
জুন ২২ আরকানসাসকে পুনরায় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত করে নেয়া হল।
২৫ আলাবামা, ফ্লোরিডা, লুইজিয়ানা, নর্থ ক্যারোলিনা ও সাউথ ক্যারোলিনাকে পুনরায় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত করে নেয়া হল।
জুলাই ২১ কংগ্রেস ঘোষণা করল, সংবিধানের ১৪তম সংশোধনী অণুসমর্থন করা হয়েছে, যার ফলে মুক্তিপ্রাপ্ত দাসেরা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
২৫ গঠন করা হল ওয়াইমিং টেরিটোরি।
১৮৬৯ মার্চ ৪ যুক্তরাষ্ট্রের ১৮তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন ইউলিসিস এস. গ্র্যান্ট।
এপ্রিল ১৬ হাইতিতে আবাসিক মন্ত্রী নিযুক্ত হলেন অ্যাবেঞ্জার বাসেট। যার মাধ্যমে তিনি প্রথম আফ্রিকান আমেরিকান হিসেবে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রেসিডেন্টের পদ অলংকৃত করেন। আট বছর এই দায়িত্ব পালন করেন বাসেট।
মে ১০ প্রথম ট্রান্সকন্টিনেন্টাল রেলরাস্তা নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হল। যা নিউ ইয়র্ককে সান ফ্রান্সিসকোর সাথে সংযুক্ত করে।
১৮৭০ জানুয়ারি ২৬ ভার্জিনিয়াকে পুনরায় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত করে নেয়া হল।
ফেব্রুয়ারি ৩ মার্কিন সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী অণুসমর্থিত হল। এটি ফেডারেল ও রাজ্য সরকারকে “বর্ণ, গাত্রবর্ণ বা পূর্বের গোলামির দশার” দোহাই দিয়ে নাগরিকদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করতে নিষেধ করে।
২৩ মিসিসিপিকে পুনরায় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত করে নেয়া হল।
২৫ সিনেটে দায়িত্ব পালন করা প্রথম আফ্রিকান আমেরিকান হওয়ার গৌরব অর্জন করলেন মিসিসিপি রিপাবলিকান হিরাম রোডস রেভেলস।
মার্চ ৩০ টেক্সাসকে পুনরায় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত করে নেয়া হল।
জুলাই ১৫ জর্জিয়াকে পুনরায় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত করে নেয়া হল।
ডিসেম্বর ১২ হাউজ অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসে দায়িত্ব পালন করা প্রথম আফ্রিকান আমেরিকান হওয়ার গৌরব অর্জন করলেন সাউথ ক্যারোলিনা রিপাবলিকান জোসেফ রেইনি।
১৮৭২ মার্চ ১ মনোনীত হল যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম জাতীয় উদ্যান—ইয়েলোস্টোন।
১৮৭৩ গৃহযুদ্ধ শেষের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি একটি আর্থিক সংকটে রূপ নিল।
১৮৭৫
- ৩ মার্চ: কংগ্রেস প্রথমবারের মতো অভিবাসন সংক্রান্ত আইন পাস করে; পেজ আইন চীনা নারীদের লক্ষ্য করে, যাতে “ওরিয়েন্টাল” দেশগুলোর নাগরিকদের অভিবাসন অধিকার অস্বীকার করা হয় যারা “অশ্লীল ও অনৈতিক” কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হতে চান বা জোরপূর্বক শ্রমের শিকার হবেন।
১৮৭৬
- ১০ মার্চ: আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল প্রথম বোধগম্য টেলিফোন বার্তা প্রেরণ করেন।
- ২৫–২৬ জুন: লিটল বিঘর্নের যুদ্ধে আরাপাহো, লাকোটা সিউক্স এবং নর্দার্ন শায়েন সম্প্রদায়ের যোদ্ধারা ফেডারেল সৈন্যদের পরাজিত করে, লেফটেন্যান্ট কর্নেল জর্জ আর্মস্ট্রং কাস্টারের নেতৃত্বাধীন ৭ম ক্যাভালরি ডিটাচমেন্টের সকল সৈন্য নিহত করে।
- ১ আগস্ট: কলোরাডো ৩৮তম রাজ্য হিসেবে ইউনিয়নে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- ৫ নভেম্বর: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তবে ফ্লোরিডা, লুইজিয়ানা, অরেগন এবং সাউথ ক্যারোলিনার ফলাফল বিতর্কিত হয়।
১৮৭৭
- ২৯ জানুয়ারি: ১৮৭৬ সালের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণের জন্য একটি নির্বাচনী কমিশন গঠিত হয়।
- ২ মার্চ: নির্বাচনী কমিশন বিতর্কিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট রাদারফোর্ড বি. হেইসকে প্রদান করে।
- ৪ মার্চ: রাদারফোর্ড বি. হেইস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৯তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
১৮৮১
- ৪ মার্চ: জেমস এ. গারফিল্ড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২০তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- ২ জুলাই: রাষ্ট্রপতি গারফিল্ড ওয়াশিংটন, ডি.সি.-তে ট্রেনে ওঠার অপেক্ষায় থাকাকালীন গুলিবিদ্ধ হন এবং গুরুতর আহত হন।
- ১৯ সেপ্টেম্বর: ২ জুলাই চার্লস জুলিয়াস গিতেও (মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভোগা একজন আইনজীবী) কর্তৃক নিক্ষিপ্ত গুলির জখমে রাষ্ট্রপতি গারফিল্ড মৃত্যুবরণ করেন।
- ২০ সেপ্টেম্বর: ভোরের প্রথম প্রহরে, চেস্টার এ. আর্থার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২১তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
১৮৮২
- ৬ মে: চাইনিজ এক্সক্লুশন আইন কার্যকর হয়, যা চীনা শ্রমিকদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ করে।
- ৩ আগস্ট: রাষ্ট্রপতি চেস্টার এ. আর্থার একটি অভিবাসন আইনে স্বাক্ষর করেন; এর বিধানসমূহ এই নীতি প্রতিষ্ঠা করে যে, যেসব ব্যক্তি জাতির জন্য আর্থিক বোঝা হয়ে উঠতে পারেন তাদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ অস্বীকার করা যেতে পারে।
১৮৮৩
- ১৬ জানুয়ারি: রাষ্ট্রপতি চেস্টার এ. আর্থার পেন্ডলটন সিভিল সার্ভিস রিফর্ম আইনে স্বাক্ষর করেন, যা ফেডারেল সরকারের সেই চাকরির সংখ্যা সীমিত করে যা যোগ্যতার পরিবর্তে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে পূরণ করা যেতে পারে।
১৮৮৫
- ৪ মার্চ: গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
১৮৮৬
- ২৮ অক্টোবর: স্ট্যাচু অফ লিবার্টি উৎসর্গ করা হয়।
১৮৮৭
- ৮ ফেব্রুয়ারি: রাষ্ট্রপতি গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড ডস আইনে স্বাক্ষর করেন, যা ফেডারেল কর্তৃপক্ষকে ভারতীয় সংরক্ষণ জমিগুলো উপবিভক্ত করে এবং সেই প্লটগুলো ব্যক্তি ও পরিবারের মধ্যে বিতরণ করতে সক্ষম করে, যার মাধ্যমে যৌথ মালিকানার অবসান ঘটে।
১৮৮৯
- ৪ মার্চ: বেঞ্জামিন হ্যারিসন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- ২ নভেম্বর: নর্থ ডাকোটা এবং সাউথ ডাকোটা যথাক্রমে ৩৯তম ও ৪০তম রাজ্য হিসেবে ইউনিয়নে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- ৮ নভেম্বর: মন্টানা ৪১তম রাজ্য হিসেবে ইউনিয়নে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- ১১ নভেম্বর: ওয়াশিংটন ৪২তম রাজ্য হিসেবে ইউনিয়নে অন্তর্ভুক্ত হয়।
১৮৯০
- আদমশুমারির প্রতিবেদন ইঙ্গিত দেয় যে মার্কিন জনসংখ্যার ১৪.৮ শতাংশ বিদেশে জন্মগ্রহণকারী—যা এ পর্যন্ত রেকর্ডকৃত সর্বোচ্চ অনুপাত।
- ২ মে: ওকলাহোমা টেরিটরি গঠিত হয়।
- ৩ জুলাই: আইডাহো ৪৩তম রাজ্য হিসেবে ইউনিয়নে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- ১০ জুলাই: ওয়াইওমিং ৪৪তম রাজ্য হিসেবে ইউনিয়নে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- ২৯ ডিসেম্বর: উন্ডেড নি হত্যাকাণ্ড ভারতীয় যুদ্ধের অবসান ঘটায়।
১৮৯২
- ১ জানুয়ারি: এলিস দ্বীপের অভিবাসন কেন্দ্র চালু হয়।
১৮৯৩
- ফিলাডেলফিয়া অ্যান্ড রিডিং রেলরোড এবং ন্যাশনাল কর্ডেজ কোম্পানির পতন একটি আর্থিক আতঙ্ক সৃষ্টি করে, যা ১৫,০০০-এরও বেশি ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণ ঘটায়।
- ৪ মার্চ: গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র রাষ্ট্রপতি হন যিনি দুইটি অসমসাময়িক মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন, তিনি ২৪তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন (ইতিপূর্বে ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন)।
১৮৯৬ জানুয়ারি ৪ ৪৫তম রাজ্য হিসেবে ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হল উটাহ।
মে ১৮ সুপ্রীম কোর্টের এক রায়ে বলা হল, আফ্রিকান আমেরিকানদের জন্য প্রদত্ত ব্যবস্থা যদি শ্বেতাঙ্গদের জন্য প্রদত্ত ব্যবস্থার সমমানের হয়, তাহলে বর্ণগত বিচ্ছিন্নতা বাধ্যতামূলক করে তোলা আইন সাংবিধানিক।
১৮৯৭ মার্চ ৪ যুক্তরাষ্ট্রের ২৫তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন উইলিয়াম ম্যাককিনলি।
অক্টোবর ২০ যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম বীমা পলিসি ইস্যু করলো ওহাইওর ডেটনের ট্রাভেলার্স ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি।
১৮৯৮ ফেব্রুয়ারি ১৫ হাভানা বন্দরে অবস্থিত ইউএসএস মেইনে বিস্ফোরণে ২৬৬ জন নাবিক নিহত।
এপ্রিল ২১ স্পেনীয়-আমেরিকান যুদ্ধ শুরু।
মে ১ ফিলিপাইনের ম্যানিলা উপসাগরে একটি স্প্যানিশ স্পেনীয় নৌবহর ধ্বংস করলো মার্কিন যুদ্ধজাহাজ।
জুন ১০ কিউবা আক্রমণ শুরু করলো মার্কিন বাহিনী।
২০ মার্কিন সেনাদের কাছে আত্মসমর্পণ করলো গুয়াম।
জুলাই ৭ হাওয়াইকে নিজ সীমানাভুক্ত করে নিল যুক্তরাষ্ট্র।
২৫ মার্কিন সেনারা পুয়ের্তো রিকো আক্রমণ করলো।
ডিসেম্বর ১০ প্যারিস চুক্তি। স্পেনীয়-আমেরিকান যুদ্ধের অবসান। স্পেন ২০ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে ফিলিপাইনকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিক্রি করে, গুয়াম ও পুয়ের্তো রিকো হস্তান্তর করে এবং কিউবা থেকে সরে আসতে রাজি হয়।
১৮৯৯ জুন ২ প্রথম ফিলিপাইন প্রজাতন্ত্রের বিপ্লবী সরকার দ্বীপটির মার্কিন প্রশাসকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলো।
১৮৯৮-১৯০২ কিউবায় মার্কিন দখলদারিত্ব।
১৯০০ টেক্সাসে এক হারিকেনে প্রায় ৮০০০ মানুষের মৃত্যু।
১৯০২ কিউবা থেকে মার্কিনীদের সেনা প্রত্যাহার।
১৯০৬ সান ফ্রান্সিসকোর ভূমিকম্পে ৫০০ মানুষের মৃত্যু। ভূমিকম্পের ফলে শহরটি প্রায় ধবংস হয়ে গেল।
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে একটি ৫০ বছর মেয়াদী চুক্তি করল দমিনিকান প্রজাতন্ত্র।
১৯১২ দ্য হাইতিয়ান আমেরিকান সুগার কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হল।
১৯১৪-১৮ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।*
*যুক্তরাষ্ট্র এতে অংশ নেয়। কিন্তু যুদ্ধোত্তর সময়ে গঠিত লীগ অফ নেশনসে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানায়।
১৯১৪ যুক্তরাষ্ট্র ভেরাক্রুজ দখল করে নিল।
১৯১৫ হাইতিতে প্রায় দুই দশকের মার্কিন দখলদারিত্বের সূচনা।
১৯১৬-২৪ আভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলার জের ধরে দমিনিকান প্রজাতন্ত্রে মার্কিন দখলদারিত্ব।
১৯২০ যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের উনবিংশ সংশোধনী নারীদেরকে ভোটাধিকার দিল।
১৯২৪ যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস আদিবাসী আমেরিকানদেরকে নাগরিকত্ব প্রদান করল। দমিনিকান প্রজাতন্ত্র থেকে সেনা প্রত্যাহার করল মার্কিনীরা।
১৯২৯ ওয়াল স্ট্রিট ক্রাশ।
১৯২৯-৩৩ মহামন্দা। ১ কোটি ৩০ লক্ষ মানুষ বেকার।
১৯৩৩ প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্টের (এফডিআর) ‘নিউ ডিল’।
হাইতিতে প্রায় দুই দশকের মার্কিন দখলদারিত্বের অবসান।
১৯৪১-৪৫ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ।
১৯৪১ হাওয়াইয়ের পার্ল হারবারয়ে অবস্থিত মার্কিন নৌবহরে হামলা চালাল সাম্রাজ্যিক জাপান, এর ধারাবাহিকতায় যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির বিরুদ্ধে মিত্রপক্ষে যোগদান করে।
১৯৪৫ হিরোশিমা আর নাগাসাকিতে আণবিক বোমা ফেলল আমেরিকা, এর ধারাবাহিকতায় সাম্রাজ্যিক জাপান আত্মসমর্পণ করে।
১৯৪৭ ট্রুম্যান ডক্ট্রিন। সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে স্নায়ুযুদ্ধ শুরু।
১৯৪৮ মার্শাল পরিকল্পনা। যুদ্ধোত্তর ইওরোপীয় অর্থনীতি পুনর্গঠনের জন্য।
১৯৫০-৫৩ কোরীয় যুদ্ধ। উত্তর কোরীয় আর চীনা সেনাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেতৃত্বমূলক ভূমিকা পালন করল যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী।
১৯৫০-৫৪ ম্যাককার্থিজম। যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর জোসেফ ম্যাককার্থি কমিউনিস্ট-বিরোধী ক্রুসেড শুরু করলেন।
১৯৫০ ভেনেজুয়েলার তেল বুম পর্ব শুরু। গায়ানা উচ্চভূমিতে খনি কার্যক্রম শুরু করল দুটি মার্কিন কর্পোরেশন। এগুলো হল বেথলেহেম স্টিল আর ইউএস স্টিল।
১৯৫৪ মার্কিন বিদ্যালয়গুলোতে বর্ণভিত্তিক বিচ্ছিন্নতাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হল। আফ্রিকান আমেরিকানদের জন্য নাগরিক অধিকারের দাবিতে যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে নাগরিক অবাধ্যতা আন্দোলন শুরু হল।
১৯৫৫ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আইসেনহাওয়ার দক্ষিণ ভিয়েতনামে টাকা ও সামরিক উপদেষ্টাদেরকে পাঠাতে শুরু করলেন।
১৯৫৮ ফেব্রুয়ারিতে মার্কিনীদের প্রতি অনুগত নগো দিন দিয়েম সরকার দক্ষিণ ভিয়েতনামের ফু লোই বন্দীশিবিরে ১,০০০ বিপ্লবীকে খুন করল।
১৯৫৯ কিউবা বিপ্লব। ফুলজেনসিও বাতিস্তা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেন। ফিদেল ক্যাস্ট্রো রুজের নেতৃত্বে ক্ষমতা দখল করলেন গেরিলারা। দেশটিতে ফুলজেনসিও বাতিস্তার মার্কিন-সমর্থিত একনায়কতন্ত্রের অবসান ঘটল।
আলাস্কা আর হাওয়াই যুক্তরাষ্ট্রের যথাক্রমে ৪৯তম আর ৫০তম রাজ্যে পরিণত হল।
১৯৬০ মার্কিন ব্যবসা ও সম্পত্তি জাতীয়করণ করল কিউবা। প্রতিক্রিয়ায় কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করল যুক্তরাষ্ট্র। কিউবার ওপর আংশিক বাণিজ্য অবরোধ আরোপ করল।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হলেন ডেমোক্রেটিক পদপ্রার্থী জন এফ কেনেডি।
১৯৬১ প্লায়া গিরোন (পিগস উপসাগর) হামলা।*
* মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সেন্ট্রাল ইন্টিলিজেন্স এজেন্সি (সিআইএ) কিউবায় একটা ক্যুদেতা ঘটানোর চেষ্টা করল। কিন্তু ব্যর্থ হল। কিউবার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করল যুক্তরাষ্ট্র।
কিউবার ওপর পূর্ণ বাণিজ্য অবরোধ দিল যুক্তরাষ্ট্র।
১৯৬২ কিউবা ক্ষেপনাস্ত্র সংকট।
দক্ষিণ ভিয়েতনামে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপদেষ্টার সংখ্যা এ-সময় ১২,০০০।
১৯৬৩ আততায়ীদের হাতে খুন হলেন জন এফ. কেনেডি। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট হলেন লিন্ডন জনসন। শুরু হয়ে গেল দ্বিতীয় ইন্দোচীন যুদ্ধ, যুক্তরাষ্ট্রে যা ভিয়েতনাম যুদ্ধ নামে পরিচিত।
১৯৬৪ ভিয়েতনাম নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জনসন-ম্যাকনামারা পরিকল্পনা, যার উদ্দেশ্য ছিল দক্ষিণ ভিয়েতনামকে ১৯৬৫ সালের মধ্যে “ঠাণ্ডা করা।”
আগস্ট ৫ টংকিং উপসাগরের কথিত উসকানিমূলক ঘটনা। উত্তর ভিয়েতনামে মার্কিনীদের নির্বিচার বোমাবর্ষণ শুরু হল।
যুক্তরাষ্ট্রে বিধিবদ্ধ করা হল নাগরিক অধিকার আইন।
আলাস্কায় রিখটার স্কেলে ৯.২ মাত্রার একটা ভূমিকম্প হল।
১৯৬৫ ভিয়েতনামে ২ লক্ষ মার্কিন সেনার আগমন ঘটল।
১৯৬৮ বিখ্যাত টেট অফেন্সিভ: ভিয়েতনামে মার্কিনীদের বিরুদ্ধে দুই ভিয়েতনামের প্রতিরোধ যোদ্ধাদের চালানো রক্তক্ষয়ী হামলা, টেলিভিশনে এই হামলায় নিহত মার্কিন সেনাদের লাশ বিমানে করে দেশে আনার দৃশ্য দেখে মার্কিনীদের মধ্যে ব্যাপক যুদ্ধবিরোধী মানস তৈরি হয়। মাই লাই গণহত্যা: মার্কিনীদের হাতে ৫০০ ভিয়েতনামী বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু। ভিয়েতনামীদের তীব্র প্রতিরোধের মুখে মার্কিনীরা দেশটিতে বোমাবর্ষণ বন্ধ করতে বাধ্য হল।
গুপ্তঘাতকের হাতে খুন হলেন নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র।
১৯৬৯ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হলেন রিপাবলিকান পদপ্রার্থী রিচার্ড নিক্সন। ভিয়েতনামে মার্কিন সেনার সংখ্যা ৫ লক্ষ ছাড়াল। চন্দ্রপৃষ্ঠে হাঁটা প্রথম ব্যক্তি হলেন মার্কিন নভোচারী নীল আর্মস্ট্রং।
নোয়াম চমস্কি, আমেরিকান পাওয়ার অ্যান্ড দ্য নিউ ম্যান্ডারিনস।
১৯৭০ প্যারিসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার ও ভিয়েতনাম সরকারের প্রতিনিধি লি ডাক থো-র মধ্যে শান্তি আলোচনা শুরু হল।
১৯৭২ শেষ মার্কিন সেনারা দক্ষিণ ভিয়েতনাম ছেড়ে গেল। দ্বিতীয় ইন্দোচীন যুদ্ধে ১৭ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়, যাদের অধিকাংশই ভিয়েতনামী। এই সংঘাতে ৫৮,০০০ মার্কিন সেনার মৃত্যু হয়।
দ্বিতীয় মেয়াদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হলেন রিচার্ড নিক্সন। প্রেসিডেন্ট নিক্সনের ঐতিহাসিক চীন সফর। মার্কিন-চীন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের স্বাভাবিকীকরণের সূচনা।
জ্যামাইকায় নর্ম্যান ম্যানলির ছেলে মাইকেল ম্যানলির নেতৃত্বে সমাজতন্ত্রীরা ক্ষমতায় এলেন। যুক্তরাষ্ট্রের আপত্তির মুখে কিউবার সাথে সম্পর্ক তৈরি করলেন মাইকেল। জ্যামাইকার অর্থনীতির অবক্ষয় শুরু হল, রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দিল।
১৯৭৩ প্যারিসে মার্কিনী আর ভিয়েতনামীদের মধ্যে যুদ্ধবিরোধী চুক্তি সই হল। মার্চের মধ্যে ভিয়েতনাম ছেড়ে গেল শেষ মার্কিন সেনা।* এই যুদ্ধে ৫৮,০০০ মার্কিন সেনার মৃত্যু হয়।
* যুক্তরাষ্ট্র ভিয়েতনামে কোনো সমরে হারেনি। কিন্তু তারা যুদ্ধে হেরে গেছে। সারা বিশ্বের জনমত ছিল ভিয়েতনামীদের পক্ষে।
১৯৭৪ ওয়াটারগেট স্ক্যান্ডাল, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন নিক্সন।
১৯৭৫ ফিদেল ক্যাস্ট্রোকে আততায়ী হামলায় হত্যা করার প্রচেষ্টা বিষয়ে তদন্ত করল মার্কিন সিনেট কমিটি।
১৯৭৬ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হলেন ডেমোক্রেটিক পদপ্রার্থী জিমি কার্টার।
১৯৭৯ আফগানিস্তানে সোভিয়েত আগ্রাসন। তেহরানে আয়াতুল্লাহপন্থী ছাত্ররা মার্কিন দূতাবাসের দখল নেয়, শুরু হয় ৪৪৪ দিনের জিম্মি সংকট। এই সংকট প্রেসিডেন্ট কার্টারের জনপ্রিয়তা হ্রাস করে, পরের বছরের নির্বাচনে যার প্রতিফলন ঘটবে।
১৯৭৯ গ্রেনাডায় মরিস বিশপের নেতৃত্বে বামপন্থী নিউ জুয়েল আন্দোলন কর্তৃক সংঘটিত এক ক্যুদেতায় উৎখাত হলেন প্রধানমন্ত্রী গাইরি।
১৯৭৯-৮৩ গ্রেনাডা বিপ্লব।
১৯৮০ জানুয়ারি ২৯ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার সোভিয়েত আগ্রাসন বিরোধী মুজাহিদিনকে পাকিস্তান সরকারের মাধ্যমে অস্ত্র সরবরাহ করার একটা সিআইএ কভার্ট অপারেশন অনুমোদন করেন।* কংগ্রেসকে এই কভার্ট অপারেশনের ব্যাপারে জানান হয়। এই কর্মসূচির জন্য কংগ্রেস বছরে ৫০ মিলিয়ন ডলার অর্থ বরাদ্দ দেয়া অনুমোদন করে। সোভিয়েত ইউনিয়নের আফগানিস্তান আগ্রাসনের প্রতিবাদে এ বছরের মস্কো অলিম্পিক বয়কট করে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হন রিপাবলিকান পার্টির রোনাল্ড রিগ্যান।
* প্রেসিডেন্ট কার্টারের চোখে এই মুজাহিদিনরা ‘মুক্তিযোদ্ধা’ ছিলেন। পরে এদের একাংশ বন্দুকের নল রাশিয়া থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে ঘুরিয়ে দিলে এরা ‘সন্ত্রাসবাদীতে’ পরিণত হয়। এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার জন্য দেখুন, (Eqbal 2001)।
ম্যারিয়েল বোটলিফট, ফিদেল ক্যাস্ট্রো ঘোষণা দিলেন, ১ লক্ষ ২৫ হাজার কিউবান চাইলে বেআইনিভাবে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যেতে পারবেন। এসময় বহু কিউবান ফ্লোরিডা প্রণালী পাড়ি দেন। এই বিপজ্জনক অভিযাত্রায় অনেকে পানিতে তলিয়ে যান।
জ্যামাইকায় এডওয়ার্ড সিয়েগার নেতৃত্বে একটি নতুন সরকার গঠিত হল। এটি যুক্তরাষ্ট্রের শক্ত সমর্থন পেয়েছিল।
মাউন্ট সেইন্ট হেলেনসের অগ্নুৎপাতে ৫৭ জনের মৃত্যু।
১৯৮৩ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান মুজাহিদিন নেতাদেরকে হোয়াইট হাউজে স্বাগত জানান, তাঁদেরকে দেশটির প্রতিষ্ঠাতা পিতাদের সাথে তুলনা করেন।
সাবেক বামপন্থী সতীর্থ বিপ্লবীদের হাতে প্রথমে উৎখাত, ও এরপর খুন, হলেন মরিস বিশপ। জেনারেল হাডসন অস্টিনের নেতৃত্বে সংঘটিত এই ক্যুদেতায় গ্রেনাডায় মার্কিন আগ্রাসনের পথ করে দেয়। গ্রেপ্তার হলেন অস্টিন, পুনর্বহাল হল চুয়াত্তরের সংবিধান।
গ্রেনাডায় যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসন সমর্থন করল বার্বাডোস, কার্যত একটি মার্কিন ঘাঁটি হয়ে উঠল। গ্রেনাডায় যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসন সমর্থন করল অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা।
নোয়াম চমস্কি, দ্য ফেটফুল ট্রায়াঙ্গল: দ্য ইউনাইটেড স্টেটস, ইসরায়েল, অ্যান্ড দ্য প্যালেস্টাইনিয়ানস।
১৯৮৬ সিআইএ আফগান মুজাহিদিনকে স্টিঞ্জার এন্টিএয়ারক্রাফট মিসাইল সরবরাহ করল।
১৯৮৫-৮৭ দ্য ইরান-কন্ট্রা স্ক্যান্ডাল।
১৯৮৭ ডিসেম্বর মিখাইল গর্বাচেভ আর রোনাল্ড রিগ্যানের মধ্যে আফগানিস্তান নিয়ে আলোচনা শুরু হল।
১৯৮৮ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে (নাফটা) সই করল যুক্তরাষ্ট্র ও ক্যানাডা।
এপ্রিল ১৪ জেনেভায় আফগানিস্তান, পাকিস্তান, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শান্তিচুক্তি সাক্ষরিত হল। এই চুক্তি মোতাবেক, সোভিয়েত ইউনিয়ন আফগানিস্তান থেকে তাঁর সব সেনা সরিয়ে নিতে শুরু করল।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হলেন জর্জ বুশ সিনিয়র।
১৯৮৯ ফেব্রুয়ারি ১৫ শেষ সোভিয়েত সেনাটি আফগানিস্তান ছেড়ে গেলেন। ইসলামাবাদে সিআইএ’র প্রধান সংস্থাটির সদরদপ্তরে একটি দুই শব্দের সংক্ষিপ্ত বার্তা পাঠান: “আমরা জিতেছি।” যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচে সফল এই কভার্ট অপারেশনে ৩ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছিল।
পানামায় হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র। মাদক পাচারে যুক্ত থাকার দায়ে পানামার নেতা ম্যানুয়েল নরিয়েগাকে গ্রেপ্তার করল। নরিয়েগা নিজেই একসময় সিআইএর গুপ্তচর ছিলেন।
১৯৯০ সাদ্দাম হোসেনের নেতৃত্বাধীন ইরাক কুয়েতে হামলা চালাল। প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধ। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন একটি সামরিক অভিযানের কারণে পরের বছরের ফেব্রুয়ারিতে কুয়েত ছাড়ল ইরাক।
হাইতির ইতিহাসের প্রথম মুক্ত ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন জাঁ-বার্তান্দ আরিস্তিদ।
১৯৯১ ব্রিগেডিয়ার-জেনারেল রাউল সেদ্রাসের নেতৃত্বে সংঘটিত এক সামরিক ক্যুদেতায় ক্ষমতাচ্যুত হলেন আরিস্তিদ। হাইতির ওপর অবরোধ দিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অর্গানাইজেশন অফ আমেরিকান স্টেটস (ওএএস)।
নোয়াম চমস্কি, ডেটারিং ডেমোক্রেসি।
১৯৯২ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হলেন ডেমোক্রেটিক পদপ্রার্থী বিল ক্লিনটন। মার্কিন কংগ্রেসে পাশ হল মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (নাফটা)। টরিসেলি বিল কিউবায় মার্কিন অবরোধ আরো জোরদার করল। যুক্তরাষ্ট্রে কিউবা গণতন্ত্র আইন প্রণয়ন করা হল। ফলে, যেসব বিদেশি ব্যবসা কোন মার্কিন কোম্পানির নিয়ন্ত্রণে আছে, তাদের জন্য কিউবার সাথে বাণিজ্য নিষিদ্ধ হয়ে গেল। এই আইন কিউবান আমেরিকানদের বছরে একবার আত্মীয়স্বজনের সাথে দেখা করতে কিউবা যাওয়ার অনুমতি দিল।
১৯৯৩ নিউ ইয়র্ক সিটির ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে ট্রাক বোমা হামলা চালাল আল কায়েদা।
১৯৯৪ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ও মেক্সিকোর মধ্যে গঠিত হল উত্তর আমেরিকার মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (নাফটা)।
মার্কিন আগ্রাসনের হুমকিতে ক্ষমতা ছাড়ল হাইতির সেনাকর্তৃপক্ষ। হাইতিতে আবার বেসামরিক শাসন চালু করা হল। ক্ষমতায় ফিরলেন আরিস্তিদ।
এসময় আফগানিস্তানের ভেতর দিয়ে তেলের পাইপলাইন বসানো নিয়ে মার্কিন কোম্পানি ইউনোকল আর আর্হেন্তাইন কোম্পানি ব্রিডাসের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। উভয়েই তালেবানের সাথে আলোচনায় বসে। অফিস খোলে আফগানিস্তানে।
ভিয়েতনামের ওপর থেকে তিন দশকের বাণিজ্যিক অবরোধ প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র।
১৯৯৫ যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপন করল ভিয়েতনাম। ওকলাহোমা বোমা হামলায় ১৬০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু।
১৯৯৬ তালেবানদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন বৃদ্ধি পেল। পাকিস্তান আর তুর্কমেনিস্তানের সাথে ইউনোকলের চুক্তি সাক্ষর। চুক্তিতে ঠিক হল, ১৯৯৮ সালে ২ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের পাইপলাইন বসানোর কাজ শুরু হবে। পাইপলাইনটি দৌলতাবাদ গ্যাসক্ষেত্র থেকে পাকিস্তানে প্রবেশ করবে।
১৯৯৮ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানের খোস্তে ক্রুজ মিসাইল হামলা চালায়। ইউনোকলের পাইপলাইন প্রকল্প বাতিল হয়ে যায়। অপারেশন ডেজার্ট ফক্স। যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের এই যৌথ বোমা হামলার ঘোষিত উদ্দেশ্য ছিল ইরাকের পারমাণবিক, রাসায়নিক, ও জৈব অস্ত্রের কর্মসূচিগুলোর বিনাশ ঘটান। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্ততায় ইরাকি কুর্দিস্তানে যুদ্ধের অবসান ঘটে।
হোয়াইট হাউজের কর্মচারী মনিকা লিউনিস্কির সাথে যৌন সম্পর্কে যুক্ত থাকার দায়ে মার্কিন কংগ্রেস কর্তৃক অভিশংসিত হলেন বিল ক্লিনটন।
১৯৯৯-২০০০ যুক্তরাষ্ট্রের একটা মাছ ধরার জাহাজ এলিয়ান গনজালেজকে জাহাজডুবির হাতে থেকে উদ্ধার করল, যাতে তার মায়ের মৃত্যু ঘটে। মা আর ছেলে একসাথে কিউবা ছেড়ে পালাচ্ছিলেন। সাত মাসের আইনী লড়াই শেষে যুক্তরাষ্ট্র বাচ্চা ছেলেটিকে তার বাবার সাথে বাস করতে কিউবায় ফেরত পাঠাল।
১৯৯৯ কসোভো যুদ্ধে জাতিগত আলবানীয়দের বিরুদ্ধে সার্বীয় ফ্যাসিস্টদের সহিংসতা থামাতে ন্যাটো বোমাবর্ষণ করলে নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালন করে যুক্তরাষ্ট্র।
২০০০ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হলেন জর্জ বুশ জুনিয়র।
২০০১ ৯/১১, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত পেন্টাগন আর নিউইয়র্ক সিটিতে অবস্থিত বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্রে – টুইন টাওয়ার নামে পরিচিত – আল কায়েদার হামলায় ৩,০০০ মানুষের মৃত্যু। খুনীদের কেউ আফগান না হওয়া সত্ত্বেও এই হত্যাযজ্ঞকে অজুহাত হিশাবে ব্যবহার করে আফগানিস্তানে হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র। জর্জ বুশ জুনিয়রের “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের” সূচনা। আফগানিস্তানে এই মিশনের নাম শুরুতে ছিল অপারেশন ইনফিনিট জাস্টিস, পরবর্তীতে নাম বদলে রাখা হয় অপারেশন এনডিউরিং ফ্রিডম। যুক্তরাজ্য শুরু থেকেই এই যুদ্ধের পার্টনার ছিল; ফ্রান্স, জার্মানি, ক্যানাডা, ও অস্ট্রেলিয়া ভবিষ্যৎ সহায়তার প্রতিশ্রুতি প্রদান করে। ঘোষিত উদ্দেশ্য “আফগানিস্তানের জঙ্গি শিবিরগুলো ধবংস করা।”
সেপ্টেম্বর ১৮ প্রেসিডেন্ট বুশ জুনিয়র একটা জয়েন্ট রেজল্যুশনে সাক্ষর করে সেটিকে আইনে পরিণত করেন যা পরবর্তীতে আফগানিস্তান আগ্রাসন, মার্কিন নাগরিকদের ওপর বেআইনী সরকারি নজরদারি, ও কুখ্যাত গুয়ানতানামো বে কারাগার প্রতিষ্ঠাকে বৈধতাদানে ব্যবহৃত হয়।
নোয়াম চমস্কি, ৯-১১।
২০০১-২০০৯ মার্কিন কংগ্রেস আফগানিস্তানে ৩৮ বিলিয়ন ডলারের মানবিক ও পুনঃনির্মাণ সাহায্য বরাদ্দ করে।
২০০২ মার্চ অপারেশন অ্যানাকোন্ডা, আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম বড়মাপের গ্রাউণ্ড অ্যাসল্ট, তোরা বোরার পর সবচে বড় সামরিক অপারেশন।
এপ্রিল ভার্জিনিয়া মিলিটারি ইন্সটিটিউটে এক বক্তৃতায় বুশ যুদ্ধবিধবস্ত আফগানিস্তান “পুনঃনির্মাণের” ডাক দিলেন, নিজেদেরকে জর্জ মার্শালের উত্তরসূরী ঘোষণা করলেন।*
* যুদ্ধোত্তর ইওরোপের অর্থনীতি পুনঃগঠনের পেছনে থাকা মার্শাল পরিকল্পনা যাঁর নামে রাখা হয়েছিল।
২০০৩ মার্চ ২০ জর্জ বুশ জুনিয়রের নেতৃত্বে ইরাকে হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র।*
* যুক্তরাষ্ট্রের ইরাক আগ্রাসনে অংশ নেয়া থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিল কানাডা। ইরাকে আগ্রাসনে সমর্থন দেয়া থেকে বিরত থাকল মেক্সিকোর ফক্স প্রশাসন।
এপ্রিল ৯ সাদ্দাম সরকারের পতন।
মে ১ বুশ বললেন, ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য পূরণ হয়েছে।
মে ২৩ দ্য কোয়ালিশন প্রভিন্সিয়াল অথোরিটি ইন ইরাকের প্রধান পল ব্রেমার এক হুকুমে ইরাকি সেনাবাহিনী বিলুপ্ত করে দিলেন।
মে কাবুলে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অফ ডিফেন্স ডোনাল্ড রামসফেল্ড বললেন, ‘মূল সংঘাতের’ অবসান ঘটেছে।
জুন ২২ ইরাকের উত্তরাঞ্চলের শহর মসুলে যুক্তরাষ্ট্রীয় সেনাদের হাতে খুন হলেন সাদ্দাম হোসেনের দুই ছেলে উদয় আর কুসাই।
আগস্ট ১৯ বাগদাদে যুক্তরাষ্ট্রের সদরদপ্তরে ট্রাক বোমা হামলা। এতে ইরাকে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি সার্জিও ভিয়েরা দে মিলোর মৃত্যু হয়।
আগস্ট ২৯ নাজাফে এক গাড়ি বোমা হামলায় ১২৫ জনের মৃত্যু হল। নিহতদের একজন শিয়া নেতা আয়াতুল্লাহ মোহাম্মদ বাকির আল-হালিম।
ডিসেম্বর ১৪ তিকরিতে মার্কিনীদের হাতে ধরা পড়লেন সাদ্দাম হোসেন।
তারিক আলী, বুশ ইন ব্যাবিলন: দ্য রিকলোনাইজেশন অফ ইরাক।
নোয়াম চমস্কি, হেজিমনি অর সার্ভাইভাল: আমেরিকাজ কোয়েস্ট ফর গ্লোবাল ডমিন্যান্স।
২০০৪ জানুয়ারি ২৪ বুশ প্রশাসন স্বীকার করল, যে-গণবিধবংসী অস্ত্রের দোহাই পেড়ে ইরাকে যুদ্ধ করে গেছিল তারা, তার কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
মার্চ ৩১ ফাল্লুজায় ৪ জন মার্কিন কন্ট্রাক্টরকে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যা করে তাদের পোড়া লাশ ফোরাত নদীর ওপরকার এক সেতুতে ঝুলিয়ে রাখা হল।
এপ্রিল ২৮ বাগদাদের আবু ঘারিব কারাগারে ইরাকি বন্দীদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রীয় সেনাদের অত্যাচারের আলোকচিত্রীয় প্রমাণ মিলল।
মে ৩১ মার্কিন ব্যবসায়ী নিকোলাস বার্গের অপহরণকারীরা আবু ঘারিবের প্রতিশোধ নেয়ার দোহাই দিয়ে বার্গকে জবাই করল এবং জবায়ের দৃশ্যটি ভিডিওতে ধারণ করে একটি জঙ্গি ওয়েবসাইটে আপলোড করল, যুক্তরাষ্ট্র পরে দাবি করে জবাইকারী আল কায়েদা ইন ইরাকের (আকি) প্রতিষ্ঠাতা আবু মুসাব আল-জারকাওয়ি।
আগস্ট নাজাফে মার্কিন সেনাদের সাথে ইরাকি শিয়া নেতা মুকতাদা আল-সদরের শিয়া মিলিশিয়ার লড়াই চলছে এ-সময়।
সেপ্টেম্বর ৮ ফাল্লুজায় যুক্তরাষ্ট্রের অভিযান, পেন্টাগনের হিসাবে ১২০০ জন বিদ্রোহীর মৃত্যু হয়, রেড ক্রসের হিসাবে এর পাশাপাশি ৮০০ জন বেসামরিক নাগরিক মারা যান।
নোয়াম চমস্কি, পল ফার্মার, ও এমি গুডম্যান, গেটিং হাইতি রাইট দিস টাইম: দ্য ইউ.এস. অ্যান্ড দ্য ক্যু।
টমাস ডব্লিউ. লিপম্যান, ইনসাইড দ্য মিরেজ: আমেরিকা’জ ফ্র্যাজাইল পার্টনারশিপ উইথ সৌদি অ্যারাবিয়া।
২০০৫ মে ২৩ আফগান প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ জুনিয়র এক যৌথ ঘোষণা ইস্যু করলেন, যাতে দেশ দুটিকে স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার বলে দাবি করা হল। জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র-নেতৃত্বাধীন কোয়ালিশন বাহিনী, এবং আফগান সরকার সম্মিলিতভাবে প্রচারণা অভিযান চালিয়ে আফিম চাষ দমন করার চেষ্টায় নামে। মার্কিন আগ্রাসন পরবর্তী ইরাকের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত।
ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসানের পর প্রথম ভিয়েতনামী নেতা হিসাবে যুক্তরাষ্ট্র সফর করলেন ভিয়েতনামের প্রধানমন্ত্রী ফান ভ্যান খাই।
হারিকেন ক্যাটরিনায় প্রায় ২০০০ মানুষের মৃত্যু হল।
নোয়াম চমস্কি, ইম্পেরিয়াল অ্যাম্বিশনস: কনভারসেশনস উইথ নোয়াম চমস্কি অন দ্য পোস্ট-৯/১১ ওয়ার্ল্ড (ইন্টারভিউজ উইথ ডেভিড বারসামিয়ান)।
— ফেইল্ড স্টেটস: দ্য এবিউজ অফ পাওয়ার অ্যান্ড দ্য অ্যাসল্ট অন ডেমোক্রেসি।
২০০৬ ইংরেজিতে পাঠদানের ব্যবস্থাসহ, ও সহশিক্ষার নীতিতে, আমেরিকান ইউনিভার্সিটি অফ আফগানিস্তান পথচলা শুরু করল।
নভেম্বর ৮ পদত্যাগ করলেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র সচিব ডোনাল্ড রামসফেল্ড।
ডিসেম্বর ৩০ ঈদের দিন সাদ্দাম হোসেনকে ফাঁসিতে ঝোলান হল।
রাচেল ব্রনসন, থিকার দ্যান অয়েল: আমেরিকা’জ আনইজি পার্টনারশিপ উইথ সৌদি অ্যারাবিয়া।
রবার্ট ভাইটালিস, আমেরিকা’জ কিংডম: মিথমেকিং অন দ্য সৌদি অয়েল ফ্রন্ট।
উইলিয়াম জে. স্পারলিন, ইম্পেরিয়ালিজম উইদিন দ্য মার্জিনস: কুইয়ার রিপ্রেজেন্টেশন অ্যান্ড দ্য পলিটিকস অফ কালচার ইন সাউদার্ন আফ্রিকা।
রবিন এল. রিলে ও নাঈম ইনায়েতুল্লা (সম্পা.), ইন্টারোগেটিং ইম্পেরিয়ালিজম: কনভারসেশনস অন জেন্ডার, রেস, অ্যান্ড ওয়ার।
২০০৭ ফেব্রুয়ারি ১০ ইরাকে মার্কিন বাহিনীর প্রধান হলেন ডেভিড পেট্রাস।
জুন ১ ইরাকে ইসলামি জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সুন্নী গোত্রগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করতে শুরু করল যুক্তরাষ্ট্র।
সেপ্টেম্বর ইরাকের রাজধানী বাগদাদে ব্ল্যাকওয়াটারের নিরাপত্তারক্ষীদের গুলিতে ১৭ জন বেসামরিক ইরাকি নাগরিকের মৃত্যু হল।
ই. সান জুয়ান, জুনিয়র, ইউ.এস. ইম্পেরিয়ালিজম অ্যান্ড রেভল্যুশন ইন দ্য ফিলিপাইন্স।
নোয়াম চমস্কি, ইন্টারভেনশনস।
লিওনার্দ এ. কোল, টেরর: হাউ ইসরায়েল হ্যাজ কোপড অ্যান্ড হোয়াট আমেরিকা ক্যান লার্ন।
ব্রায়ান দে পালমা, রিডাক্টেড।
২০০৮ পশ্চিম হেরাত প্রদেশের শিনদান্দ জেলায় একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ থেকে চালানো এলোপাতাড়ি গুলিতে কয়েকজন আফগান বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু। ফারাহ প্রদেশে এরকম আরেকটি ঘটনায় ১৪০ জন আফগান বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু।
সেপ্টেম্বর ১ ইরাকের সুন্নী অধ্যুষিত আনবার প্রদেশের নিয়ন্ত্রণ শিয়া নেতৃত্বাধীন সরকারের সাথে তুলে দিল যুক্তরাষ্ট্র।
নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের প্রথম আফ্রিকান আমেরিকান প্রেসিডেন্ট হলেন ডেমোক্রেটিক সিনেটর বারাক ওবামা।
ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের সাথে একটা নিরাপত্তা চুক্তির অনুমোদন দিল ইরাকি সংসদ। যেই চুক্তির অধীনে ২০১১ সালের মধ্যে সব যুক্তরাষ্ট্রীয় সেনাকে ইরাক ছেড়ে যেতে হবে।
ডিসেম্বর ১৪ ইরাকে এক সংবাদ সম্মেলন চলাকালে প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ জুনিয়রের দিকে জুতা ছুঁড়ে মারেন ইরাকি সাংবাদিক মুনতাজার আল-জায়েদি। জুতানিক্ষেপের সময় মুনতাজার আরবিতে চিৎকার করে বলেন, “This is a farewell kiss from the Iraqi people, dog.” এই ঘটনার কারণে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিসেম্বর ১৫ বাগদাদ, বসরা, ও নাজাফে হাজার হাজার ইরাকি মুনতাজারের মুক্তির দাবিতে পথে নেমে আসেন। পরের বছরের সেপ্টেম্বরে আল-জায়েদিকে মুক্তি দেয়া হয়।
ডেক্সটার ফিলকিনস, দ্য ফরএভার ওয়ার।
রবিন এল. রিলে, চন্দ্র তালপাড়ে মোহান্তি, ও মিন্নি ব্রুস প্রাট (সম্পা.), ফেমিনিজম অ্যান্ড ওয়ার: কনফ্রন্টিং ইউ ইম্পেরিয়ালিজম।
ক্যাথরিন বিগলো, দ্য হার্ট লকার।
২০০৯ যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা আফগানিস্তানে আরো ১৭,০০০ সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করলেন। তিনি একটা নতুন রণনীতির ঘোষণাও দিলেন, যেখানে আফগানিস্তানে মার্কিন যুদ্ধপ্রয়াসের সাফল্যকে পাকিস্তানের স্থিতিশীলতার সাথে যুক্ত করা হল। আফগান পুলিশ ও সেনাবাহিনীকে প্রশিক্ষণ প্রদানে সহায়তার জন্য দেশটি আরো ৪,০০০ মার্কিন সেনা পাঠানোর পরিকল্পনাও ব্যক্ত হল।
কারজাইয়ের বৈধতা নিয়ে মার্কিনীদের মনে প্রশ্ন ওঠে, সেক্রেটারি অফ স্টেট হিলারি ক্লিনটন জানান ভবিষ্যতে বেসামরিক সহায়তা পেতে হলে দুর্নীতি দমনে কারজাই প্রশাসনকে আরো বেশি উদ্যোগ নিতে হবে।
ডিসেম্বর প্রেসিডেন্ট ওবামা একটা জাতীয়ভাবে টেলিভাইজড বক্তৃতায় আফগানিস্তানে আরো ৩০,০০০ সেনা পাঠানোর ঘোষণা দেন। ইতোমধ্যেই দেশটিতে ৬৮,০০০ মার্কিন সেনা মোতায়েন ছিল। আট বছরে এই প্রথম আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের সময়সীমা নির্ধারণ করা হল, প্রেসিডেন্ট ওবামা বললেন ২০১১ সালের জুলাইয়ে শুরু হবে সেনা প্রত্যাহার।
২০১০ অক্টোবর ইরাক ওয়ার লগস , জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের উইকিলিকস ইরাক যুদ্ধ বিষয়ক ৩৯১,৮৩২টি গোপন মার্কিন নথি ফাঁস করে দিল।
ফ্রান্সিস শোর, ডায়িং এম্পায়ার: ইউ.এস. ইম্পেরিয়ালিজম অ্যান্ড গ্লোবাল রেজিস্টেন্স।
ডানা এইচ. অ্যালিন, ও স্টিভেন সিমন, দ্য সিক্সথ ক্রাইসিস: ইরান, ইসরায়েল, আমেরিকা, অ্যান্ড দ্য রিউমারস অফ ওয়ার।
২০১১ মে ১ পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে মার্কিন বাহিনীর অভিযানে খুন হলেন আল কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেন। বিভিন্ন জরিপে দেখা গেল, যুক্তরাষ্ট্রের রেকর্ড সংখ্যক নাগরিক আফগানিস্তান আগ্রাসন সমর্থন করেন না।
জুন বিশেষত ডেমোক্রেটিক পার্টির আইনপ্রণেতাদের চাপে আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার প্রক্রিয়া জোরদার করার পরিকল্পনা ব্যক্ত করলেন প্রেসিডেন্ট ওবামা। ২০১২ সালের গ্রীষ্মের মধ্যে ৩৩,০০০ সেনা প্রত্যাহারের একটা রূপরেখা প্রকাশ করলেন তিনি, যার মধ্যে ১০,০০০ সেনাকে ২০১১’র শেষ নাগাদ প্রত্যাহার করা হবে।
এবছর তালেবান নেতৃত্বের সাথে শান্তি আলোচনার প্রাথমিক পর্বটা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র সরকার।
ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় মার্কিন সেনাবাহিনী দেশটিতে যে-বিষাক্ত এজেন্ট অরেঞ্জ ছড়িয়েছিল, তার দূষণ থেকে দেশটিকে মুক্ত করতে ভিয়েতনাম সরকার আর যুক্তরাষ্ট্র সরকার যৌথভাবে কাজ করতে শুরু করল।
২০১২ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ডিফেন্স সেক্রেটারি লিওন পেনেট্টা ঘোষণা করেন, ২০১৩ সালের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে আফগানিস্তানে সংঘাত মিশনগুলো গুটিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে পেন্টাগনের।
মাইকেল প্যাট্রিক কালিনান, লিবার্টি অ্যান্ড আমেরিকান এন্টাই-ইম্পেরিয়ালিজম ১৮৯৮-১৯০৯।
এরিক পল, নিওলিবারেল অস্ট্রেলিয়া অ্যান্ড ইউএস ইম্পেরিয়ালিজম ইন ইস্ট এশিয়া।
নোয়াম চমস্কি, অকুপাই।
— মেকিং দ্য ফিউচার: অকুপেশনস, ইন্টারভেনশনস, এম্পায়ার অ্যান্ড রেজিস্টেন্স।
ক্যাথরিন বিগলো, জিরো ডার্ক থার্টি।
২০১৩ এপ্রিল বোস্টন ম্যারাথনে জোড়া বোমা হামলায় ৩ জন নিহত হলেন। আহতের সংখ্যা ১৭০য়েরও বেশি।
মে জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার (এনএসএ) সাবেক ঠিকাদার এডওয়ার্ড স্নোডেন রাশিয়ায় পালিয়ে গেলেন। মার্কিন নজরদারির বিপুল তথ্য ফাঁস করেছিলেন স্নোডেন।
জেরেমি কেনান, দ্য ডায়িং সাহারা: ইউএস ইম্পেরিয়ালিজম অ্যান্ড টেরর ইন আফ্রিকা।
২০১৪ প্রেসিডেন্ট ওবামা ২০১৬ সালের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে সব মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করার ঘোষণা দিলেন।
আনন্দ গোপাল, নো গুড মেন অ্যামাং দা লিভিং: আমেরিকা, দ্য তালিবান, অ্যান্ড দ্য ওয়ার থ্রো আফগান আইজ।
তাজ হাশমী, গ্লোবাল জিহাদ অ্যান্ড আমেরিকা: দ্য হান্ড্রেড-ইয়ার ওয়ার বিয়োন্ড ইরাক অ্যান্ড আফগানিস্তান।
জেমস ই. মর্গান, ইনটু নিউ টেরিটোরি: আমেরিকান হিস্টোরিয়ানস অ্যান্ড দ্য কনসেপ্ট অফ ইউএস ইম্পেরিয়ালিজম।
২০১৫ জানুয়ারি হাভানায় কিউবা আর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দুই দিন ব্যাপী এক ঐতিহাসিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হল। ওয়াশিংটন ডি.সি.’তে পুনরায় বৈঠকের অঙ্গীকার ব্যক্ত হল। প্রেসিডেন্ট রাউল ক্যাস্ট্রো প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রতি মার্কিন কংগ্রেস বাইপাস করতে নিজের নির্বাহী ক্ষমতা ব্যবহার করার ও কিউবার ওপর জারি থাকা মার্কিন অবরোধ তুলে নেয়ার আহবান জানালেন।
ফেব্রুয়ারি কিউবান ও মার্কিন কূটনীতিকরা জানালেন, দুই দেশের সম্পর্ক পুরোপুরি পুনর্বহাল করার ব্যাপারে ওয়াশিংটন ডি.সি.’তে আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে।
মে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ব্যাংকিং সম্পর্ক পুনর্বহাল করল কিউবা। দেশটির নাম সন্ত্রাসবাদে মদদদাতা দেশের তালিকা থেকে সরিয়ে দেয়া হল।
জুলাই কিউবা আর যুক্তরাষ্ট্র একে অন্যের দেশে দূতাবাস খুলল, এবং চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স বিনিময় করল।
জেমস পেট্রাস ও হেনরি ভেল্টমায়ার (সম্পা.), পাওয়ার অ্যান্ড রেজিস্টেন্স: ইউএস ইম্পেরিয়ালিজম ইন লাতিন আমেরিকা।
কেলি নাইকস, জ্যারেড পি. স্কট, পিটার ডি. হাচিসন, রিকোয়েম ফর দ্য আমেরিকান ড্রিম।
২০১৬ জানুয়ারি কিউবার ওপর থাকা বাণিজ্য অবরোধ শিথিল করল যুক্তরাষ্ট্র। ৮৮ বছরের মধ্যে প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে কিউবা সফর করলেন যুক্তরাষ্ট্রের বারাক ওবামা।
ইন্টারন্যাশনাল পিপলস ট্রাইব্যুনাল ১৯৬৫ তার প্রতিবেদনে ইন্দোনেশিয়ার ১৯৬৫-৬৬ সালের
ঘটনাবলীকে মানবতা বিরোধী অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করল এবং যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ও অস্ট্রেলিয়াকে এতে সহায়তা করার দায়ে অভিযুক্ত করল।
পাকিস্তানের বালুচিস্তান প্রদেশে যুক্তরাষ্ট্রের এক ড্রোন হামলায় খুন হলেন আফগান তালেবানদের নতুন নেতা মোল্লা আখতার মনসুর।
মার্ক ম্যানসন, আ সাটল আর্ট অফ নট গিভিং আ ফাক: আ কাউন্টার-ইনটিটিউটিভ অ্যাপ্রোচ টু গুড লাইফ।
২০১৭ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হলেন রিপাবলিকান পার্টির ডোনাল্ড ট্রাম্প।
আফগানিস্তানের নানগারহরের এক গুহায় সন্দেহভাজন আইএস যোদ্ধাদের ওপর দা মাদার অফ অল বোম্বস (মোয়াব) নিঃক্ষেপ করল যুক্তরাষ্ট্র। ওবামার আফগানিস্তান নীতিতে পরিবর্তন আনলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি জানালেন, অতীতে নির্ধারণ করা কোন সময়সীমা নয়, “মাঠের পরিস্থিতি” কেমন সেই বিবেচনায় সেনা প্রত্যাহার করা হবে। আফগানিস্তানকে নতুন করে গড়ে তোলার কাজে সাহায্য করার জন্য ভারতের প্রতি আহবান জানালেন তিনি, আর সন্ত্রাসবাদীদেরকে আশ্রয় দেয়ার অভিযোগে পাকিস্তানকে দুষলেন।
ডিসেম্বর জেরুসালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসাবে স্বীকৃতি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ওয়াশিংটন ডি.সি.তে নারী অধিকারের দাবিতে উইমেনস মার্চ।
২০১৮ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, আর মেক্সিকো একটা নতুন বাণিজ্য চুক্তি করল। দ্য ইউনাইটেড স্টেটস-কানাডা-মেক্সিকো এগ্রিমেন্ট (ইউএসএমসিএ)। এটা নাফটাকে প্রতিস্থাপিত করে।
যুক্তরাজ্য আর যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ভোট জালিয়াতিতে যুক্ত থাকার দায়ে দেউলিয়া হয়ে গেল ব্রিটিশ পলিটিকাল কনসালটেন্সি ফার্ম কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা। মার্কিন অভিনেত্রী মেগান মার্কেলের সাথে বিবাহসূত্রে আবদ্ধ হলেন যুক্তরাজ্যের রাজপুত্র হ্যারি। তালেবানদের সাথে দরকষাকষি করতে আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত জালমাই খালিলজাদকে তাঁর বিশেষ প্রতিনিধি নিযুক্ত করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
২০১৯ জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেতা হুয়ান গুইডো নিজেকে দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করলেন। প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর বিরুদ্ধে নির্বাচনী জালিয়াতির অভিযোগ এনে তাঁকে উৎখাত করার জন্য সেনাবাহিনীর প্রতি আহবান জানালেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইওরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) গুইডোকে স্বীকৃতিপ্রদান করল।
ফেব্রুয়ারি দোহায় যুক্তরাষ্ট্র আর তালেবানদের মধ্যে শান্তি সংলাপ তার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়।
মার্চ গোলান উপত্যকার ওপর ইসরায়েলের সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দিল যুক্তরাষ্ট্র।
সেপ্টেম্বর ট্রাম্প শান্তি সংলাপ বন্ধ করে দেন। তিনি জানান, তালেবানদের আক্রমণে এক মার্কিন সেনা নিহত হওয়ায়, তিনি ক্যাম্প ডেভিডে আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি আর তালেবান নেতৃত্বের সাথে হতে যাওয়া একটা গোপন বৈঠক বাতিল করেছেন।
অক্টোবর উত্তর সিরিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র।
ডিসেম্বর মার্কিন হাউজ অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস কর্তৃক অভিশংসিত হলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
ইরাকে ২০০৩ সালের মার্চে মার্কিন হামলার পর থেকে ২০২৩ সালের মার্চ পর্যন্ত যুদ্ধরত সকল পক্ষের হাতে প্রায় ২ লক্ষ ৮০ হাজার থেকে ৩ লক্ষ ১৫ হাজারের মাঝামাঝি সংখ্যক বেসামরিক ইরাকি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। (Watson Institute for International and Public Affairs 2022a)
জেমস এইচ. লেবোভিচ, প্ল্যানিং টু ফেইল : দ্য ইউএস ওয়ার্স ইন ভিয়েতনাম, ইরাক, অ্যান্ড আফগানিস্তান।
২০২০ জানুয়ারি বাগদাদ বিমানবন্দরে মার্কিন ড্রোন হামলায় খুন হলেন ইরানি সেনাপতি কাশেম সোলেমানি
ফেব্রুয়ারি ২৯ দোহায় যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত জালমাই খালিদজাদ আর শীর্ষ তালেবান নেতা মোল্লা আবদুল গণি বারাদারের মধ্যে শান্তি চুক্তি সাক্ষরিত।
মে মিনিয়াপোলিস পুলিশ কর্তৃক আফ্রিকান আমেরিকান জর্ড ফ্লয়েড খুন হলে দেশ জুড়ে ব্যাপক প্রতিবাদ দেখা দিল।
নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের তরফে আফগানিস্তান থেকে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় সেনা প্রত্যাহার করার ঘোষণা এল।
আফগানিস্তানে মার্কিন যুদ্ধাপরাধ খতিয়ে দেখার উদ্যোগ নিল আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)। প্যারিস চুক্তি থেকে বেরিয়ে এল যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরাজয়, দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট হলেন জো বাইডেন। যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত এলজিবিটিকিউ ও ট্রান্স মানুষদের বিরুদ্ধে বৈষম্যনীতিকে বেআইনি ঘোষণা করল।
মার্কিন নৃবিজ্ঞানী ও অকুপাই ওয়াল স্ট্রিট আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ডেভিড গ্রেইবারের মৃত্যু। মার্কিন
আইনজীবী রুথ বাডের গিনসবার্গের মৃত্যু।
রবার্ট ড্রেপার, টু স্টার্ট আ ওয়ার: হাউ দ্য বুশ এডমিনিস্ট্রেশন টুক আমেরিকা টু ইরাক।
জেমস পেট্রাস, ইউএস ইম্পেরিয়ালিজম: দ্য চেঞ্জিং ডাইনামিকস অফ গ্লোবাল পাওয়ার।
জোয়ানা ব্রুকস, মর্মনিজম অ্যান্ড হোয়াইট সুপ্রিমেসী: আমেরিকান রিলিজয়ন অ্যান্ড দ্য প্রবলেম অফ রেসিয়াল ইনোসেন্স।
২০২১ জানুয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকরা ইউএস ক্যাপিটোলে নজিরবিহীন হামলা চালাল, দাঙ্গায় ৫ জনের মৃত্যু হল। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ঘোষণা করলেন, সৌদি আরব আর সংযুক্ত আরব ইমারাতের কাছে ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে ব্যবহার করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র এতদিন যে-অস্ত্র বিক্রি করছিল, তা বন্ধ করা হবে। যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে প্যারিস চুক্তিতে পুনরায় যোগদান করল।
এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সেপ্টেম্বরের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে সব মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করার ঘোষণা দিলেন।
জুলাই মার্কিন সেনাবাহিনী বাগরাম বিমানবন্দর ছেড়ে গেল।
১৫ আগস্ট তালেবানদের হাতে কাবুলের পতন ঘটল। তালেবানরা রাষ্ট্রপতি প্রাসাদে ঢোকার কয়েক ঘন্টা আগে প্রেসিডেন্ট ঘানি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। ক্ষমতার শান্তিপূর্ণ হস্তান্তরের জন্য সাবেক প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাইয়ের সাথে তালেবানদের আলোচনা চলতে থাকে।
আগস্ট সেনা প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানের বৈদেশিক রিজার্ভ ফ্রিজ করল। ইওরোপীয় ইউনিয়ন জানিয়ে দিল, তালেবান সরকারের সাথে তাঁরা কোন ধরণের আলাপ-আলোচনায় অংশ নেবে না। পাকিস্তান, চীন, ও রাশিয়া কিছু শর্তসাপেক্ষে তালেবান সরকারের সাথে সম্পর্ক রক্ষায় আগ্রহ দেখাল।
কাবুল বিমানবন্দরে আইএস-খোরাসানের হামলায় ১০ জন মার্কিন সামরিক ব্যক্তিত্ব ও ১১০ জনেরও বেশি আফগান বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু। প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় ১০ জন বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু। এদের কনিষ্ঠতম মালিকা আহমাদি, বয়স ২ বছর।
প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের প্রভাব ঠেকাতে যুক্তরাজ্য আর অস্ট্রেলিয়ার সাথে মিলে যুক্তরাষ্ট্র গঠন করল সামরিক জোট অকাস।
কিউবার কমিউনিস্ট পার্টির নেতা রাউল ক্যাস্ট্রোর পদত্যাগ। খাদ্য ও অষুধের দাবিতে পার্টিবিরোধী আন্দোলন। বিরোধীরা সংকটের জন্য মুক্তবাজার ও গণতন্ত্রের অভাবকে দায়ী করলেন, সমর্থকরা দায়ী করলেন মার্কিন অবরোধকে।*
* জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ তার বার্ষিক প্রস্তাবে ২৯তম বারের মত কিউবায় মার্কিন অবরোধের অবসান ঘটানোর পক্ষে ভোট দিল। ইউক্রেন, কলম্বিয়া, আর ব্রাজিল ভোটদানে বিরত থাকে। মাত্র দুটি দেশ এই প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেয়, তারা হল যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরায়েল।
মার্কিন নৃবিজ্ঞানী মার্শাল শাহলিনসের মৃত্যু। মার্কিন রাজনীতিক ও যুদ্ধাপরাধী ডোনাল্ড রামসফেল্ডের মৃত্যু। মার্কিন নারীবাদী লেখক বেল হুকসের মৃত্যু।
কারি ম্যালট, আ হিস্ট্রি অফ এডুকেশন ফর দ্য মেনি: ফ্রম কলোনাইজেশন অ্যান্ড স্লেভারি টু দ্য ডিক্লাইন অফ ইউএস ইম্পেরিয়ালিজম।
২০২২ আফগানিস্তানে ২০০১ সালের অক্টোবরে মার্কিন হামলার পর থেকে ২০২২ সালের আগস্ট পর্যন্ত যুদ্ধরত পক্ষগুলোর হাতে প্রায় ২ লক্ষ ৪৩ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। দুই দশকে এই আগ্রাসনের পেছনে যুক্তরাষ্ট্র খরচ করেছে প্রায় ২.২৬ ট্রিলিয়ন ডলার। আগ্রাসনের কারণে ২ কোটি ৭০ লক্ষ আফগান ভিটেমাটি হারিয়ে শরণার্থী হয়ে পড়েছেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্র পাকিস্তান আর ইরানে যাপন করছেন মানবেতর জীবন। (Watson Institute for International and Public Affairs 2022a)
ইলিয়া জিপোলিয়া, হিউম্যান রাইটস, ইম্পেরিয়ালিজম, অ্যান্ড করাপশন ইন ইউএস ফরেন পলিসি।
২০২৩ ইরাকে ২০০৩ সালের মার্চে মার্কিন হামলার পর থেকে ২০২৩ সালের মার্চ পর্যন্ত যুদ্ধরত সকল পক্ষের হাতে প্রায় ২ লক্ষ ৮০ হাজার থেকে ৩ লক্ষ ১৫ হাজারের মাঝামাঝি সংখ্যক বেসামরিক ইরাকি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। (Watson Institute for International and Public Affairs 2022b)
সনি কোরানেজ বোল্টন, ক্রিপ কলোনি: মেস্তিজাজে, ইউএস ইম্পেরিয়ালিজম, অ্যান্ড দ্য কুইয়ার পলিটিকস অফ ডিজ্যাবিলিটি ইন দ্য ফিলিপাইনস।
২০২৪ জানুয়ারি ২ আল উদেইদ বিমান ঘাঁটিতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর হাজিরা আরও ১০ বছরের জন্য বাড়ানোর উদ্দেশ্যে কাতারের সাথে একটি চুক্তিতে পৌঁছাল যুক্তরাষ্ট্র।
আগস্ট ১৬ কাতারের স্টেট সিকিউরিটির প্রধান আবদুল্লাহ বিন মোহাম্মদ আল-খুলাইফিকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে গোয়েন্দা সহযোগিতা জোরদার এবং “জাতীয় ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা বজায় রাখার” ভূমিকার জন্য জর্জ টেনেট পদক প্রদান করল সিআইএ।
জুলাই ১৫-২৪ “ঈগল পার্টনার” নামের যৌথ সামরিক মহড়া পরিচালনা করল আর্মেনিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র।
সেপ্টেম্বর ২৪ ব্রুনাইয়ের পর দ্বিতীয় মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা মকুব কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত হল কাতার।
আনা লুসিয়া আরাউজো, হিউম্যানস ইন শ্যাকেলস: অ্যান আটলান্টিক হিস্ট্রি অফ স্লেভারি।
২০২৫ জানুয়ারি দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
২১ নানহারগড় প্রদেশে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক প্রেপ্তারকৃত ও কারারুদ্ধ মোহাম্মদ খানের মুক্তির বিনিময়ে ২ জন মার্কিন নাগরিককে মুক্তি দিল ইসলামি আমিরশাহি আফগানিস্তান সরকার।
ফেব্রুয়ারি ১১ ২০২১ সাল থেকে মাদকের অভিযোগে রাশিয়ায় আটক থাকা মার্কিন শিক্ষক মার্ক ফোগেলকে মুক্তি দেওয়া হল। বন্দী বিনিময়ের অংশ হিসেবে তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যাবাসন করা হল।
১২ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সাথে একটা ফোন কলের ধারাবাহিকতায় ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করতে রাশিয়ার সাথে আলাপ-আলোচনা শুরু করার ঘোষণা দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
১৩ সাইবার অপরাধের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রে কারাবন্দী থাকা ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ অপারেটর আলেকজান্ডার ভিনিককে বন্দী বিনিময়ের অংশ হিসেবে মুক্তি দেয়া হল ও রাশিয়ায় ফিরিয়ে আনা হল।
১৮ ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানের বিষয়ে সৌদি আরবে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা শুরু করল রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র।
২১ অনুমোদনহীনভাবে ড্রোন ব্যবহারের দায়ে চীনা-আমেরিকান নাগরিক ফায়ে হলকে গ্রেপ্তার করল সরকার।
মার্চ ১২ যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত অ্যাডাম বোয়েলারের সফরের পর মাদক-সংক্রান্ত অভিযোগে কুয়েতে আটক ৬ মার্কিন নাগরিককে মুক্তি দেয়া হয় এবং যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়।
২০ ২০২২ সাল থেকে জিম্মি থাকা মার্কিন পর্যটক জর্জ গ্লেজমানকে কাতারের মধ্যস্ততায় মুক্তি দিল ইসলামি আমিরশাহি আফগানিস্তান সরকার।
২৩ ইসলামি আমিরশাহি আফগানিস্তান সরকার জানাল, সিরাজুদ্দিন হাক্কানিসহ তাঁদের যে ৩ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার মাথার দাম ঘোষণা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র, সেই ঘোষণা প্রত্যাহার করা হয়েছেন।
২৯ চীনা-আমেরিকান নাগরিক ফায়ে হলকে মুক্তি দেয়া হল।
এপ্রিল ৮ যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার বন্দী অদলবদলের অংশ হিসেবে মুক্তি পেলেন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার দ্বৈত নাগরিক কেসেনিয়া কারেলিনা।
১২ ২০১৮ সালের পর ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নিজেদের প্রথম উচ্চ-স্তরের আলোচনায় অংশ নিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, ওমানের মাস্কাটে।
মে ১২ ইসরায়েলি-আমেরিকান সৈনিক ইডান আলেক্সান্ডারকে মুক্তি দিল হামাস। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্ততায় একটি চুক্তির মধ্য দিয়ে ইসরায়েলে ফিরে আসেন ইডান।
জুন ৪ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি প্রোক্লেমেশন জারি করলেন, যাতে আফগান নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হল।
১৩-২৪ ইরান-ইসরায়েল জুন যুদ্ধ। বারো দিনের যুদ্ধ নামেও পরিচিত।
২১ ইরানে বিমানহামলা চালানোর ভেতর দিয়ে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে প্রবেশ করল যুক্তরাষ্ট্র।
২৩ ইরানি বিমান বাহিনী দোহার আল উদেইদ বিমান ঘাঁটি লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করল, যেখানে মার্কিন বিমান বাহিনী অবস্থান করে। কাতারের সশস্ত্র বাহিনী ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রতিহত করে। এই হামলার প্রতিক্রিয়ায় কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশটির আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়, যুদ্ধবিরতির পর যা পুনরায় চালু করা হয়।
২৪ যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
আগস্ট ৮ হোয়াইট হাউজে ডোনাল্ড ট্রাম্প আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শান্তিচুক্তি সই করলেন প্রেসিডেন্ট আলিয়েভ ও আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান।
সেপ্টেম্বর ৯ দোহায় হামাসের রাজনৈতিক নেতাদের ওপর একটি বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। যাঁরা যুক্তরাষ্ট্রের পেশ করা একটি সক্রিয় জিম্মি-যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করতে মিলিত হয়েছিলেন। লক্ষ্যবস্তুভুক্ত সদস্যরা দৈবক্রমে বেঁচে গেলেও এই হামলায় অন্য ৬ ব্যক্তি নিহত হন।
২৪ ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপকে রিপ্লেনিশ করার পর ওমানের উপকূলে ডুবে গেল এবং ক্ষতিগ্রস্ত হল মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজ ইউএসএনএস বিগ হর্ন।
নভেম্বর ১৬ ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানালেন, ইরান-ইসরায়েল জুন যুদ্ধ এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্রটির পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে মার্কিন হামলার ফলে পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরান আর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করছে না।
ডিসেম্বর ৩ নেসেটে আনুষ্ঠানিক অনুমোদনলাভ করল ট্রাম্পের গাজা প্ল্যান।
১৬ ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের জারি করা ভ্রমণ নথিধারী ব্যক্তিদের যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের উপর আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা জারি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
২০২৬ জানুয়ারি ২ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে একটি বার্তা লেখেন। তিনি তাতে বলেন, ইরান যদি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের হত্যা করে, যুক্তরাষ্ট্র তাঁদের রক্ষা করবে। উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলা করেছিল মার্কিন বাহিনী। ট্রাম্প আরও লেখেন, “আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত।”
৫ ইসরায়েল ও সিরিয়ার মধ্যে ১৯৭৪ সালের ডিজএনগেজমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক পুনরুজ্জীবিত করার আলোচনা কয়েক মাস বিরতির পর মার্কিন মধ্যস্থতায় আবার শুরু হল।
১১ ট্রাম্প বললেন, তাঁর হামলার হুমকির পর ইরান আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে।
১৩ হামাসকে সমর্থন করার অভিযোগ এনে মুসলিম ব্রাদারহুডের জর্দানি শাখাকে সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের তালিকাভুক্ত করল যুক্তরাষ্ট্র। কথিত গাজা শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপ শুরুর ঘোষণা দিল। ট্রাম্প বললেন, তিনি ইরানের সঙ্গে বৈঠক বাতিল করেছেন এবং, “সহায়তা আসছে।”
১৪ ইরান হুমকি দিল, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল হস্তক্ষেপ করলে প্রতিশোধ নেয়া হবে।
১৫ জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তারা সম্মুখীন হন। মার্কিন প্রতিনিধি আবারও হুমকি দেন। এ সময় একজন ইরানি কূটনীতিক অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অস্থিরতায় সরাসরি জড়িত।
২৬ ট্রাম্পের হামলার হুমকির প্রেক্ষিতে পশ্চিম এশিয়ায় পৌঁছালো মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন ও তিনটি যুদ্ধজাহাজ।
ফেব্রুয়ারি ২ ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে পুনরায় আলোচনা শুরু করার নির্দেশ দিলেন প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান।
৩ ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড জানাল, ইরানি বাহিনী হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন পতাকাবাহী ট্যাঙ্কার এম/ভি স্টেনা ইম্পারেটিভ দখলের চেষ্টা চালালে মার্কিন নৌবাহিনী তা রুখে দেয়। আরব সাগরে একটি ইরানি শাহেদ ১৩৯ ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করল মার্কিন বাহিনী। ইরানি সংবাদমাধ্যমের দাবি, ড্রোনটি আন্তর্জাতিক জলসীমায় নজরদারি মিশন সম্পন্ন করছিল।
৪ ওমানে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ব্যাপারে আলোচনা করার ব্যাপারে সম্মত হল ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র।
৬ ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা মাস্কাটে অনুষ্ঠিত হল।
৭ ইরানের সাথে ব্যবসা করা দেশগুলোর ওপর ২৫% শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়ে একটি নির্বাহী আদেশে সই করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
৮-৯ ২০২৫-২৬ সালের ইরান বিক্ষোভের সময় “দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার” চেষ্টা এবং ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে কাজ করার অভিযোগে আজার মানসুরি, ইব্রাহিম আসগরজাদে এবং মোহসেন আমিনজাদে সহ ৪ জন সংস্কারপন্থী রাজনীতিককে গ্রেপ্তার করা হল।
৯ আর্মেনিয়া সফরকারী প্রথম মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট হিসেবে ইয়েরেভান পৌঁছলেন জেডি ভ্যান্স। দুই দেশের মধ্যে বেসামরিক পারমানবিক সহায়তা বিষয়ক একটি চুক্তি সই হল। সই হল যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি।
১০ বাকু সফর করলেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। যুক্তরাষ্ট্র ও আজারবাইজানের মধ্যে একটা স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশীপ এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরের তদারকি করলেন।
২৮ ২০২৬ সালে ইরানে ইসরায়েল-মার্কিন হামলা। ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা শুরু করল এবং একে প্রিএম্পটিভ স্ট্রাইক হিসেবে অভিহিত করল। যুক্তরাষ্ট্র এই হামলায় অংশ নেয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সুবিধা এবং নৌ সম্পদ লক্ষ্য করে একটি “বড় ধরনের মার্কিন যুদ্ধ অভিযান” চলছে। তিনি ইরানি সামরিক বাহিনীর প্রতি দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিকে ক্ষমতাচ্যুত করার আহবান জানালেন। তেহরানে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেল। কারণ সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়সহ হুকুমতের লক্ষ্যবস্তুগুলোতে আঘাত হেনেছে মার্কিন-উৎক্ষেপিত টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো। শনিবার সকালে এয়ারবাসের নেয়া ও পরবর্তীতে নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রকাশ করা স্যাটেলাইট চিত্রে খামেনির কম্পাউন্ড ধ্বংস হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেল। ইরান জানাল, হরমোগজান প্রদেশের মিনাবে বিমান হামলার ফলে অন্তত ৮৫ জন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ুয়া শিশু খুন হয়েছে এবং অনেকে আহত হয়েছে। বাহরাইন, জর্দান, কুয়েত, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে অবস্থিত মার্কিন ঘাটিগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করল ইরান। শেষোক্ত দেশটির কর্মকর্তাদের মতে, এতে আবুধাবিতে একজন নিহত হয়েছেন। বাহরাইন ও কাতারে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসগুলো তাদের কর্মীদের নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দিল। সমস্ত জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালী বন্ধ ঘোষণা করল আইআরজিসি নৌবাহিনী।
মার্চ ১ ইরান নিশ্চিত করল, আগেরদিন (ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬) তেহরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় সর্বোচ্চ নেতা (রাহবারে মোয়াজ্জেম ইনকেলাবে ইসলামি) আলী খামেনির মৃত্যু হয়েছে। ২০২৬ সালে ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলার জবাবে সাইপ্রাসের দিকে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করল ইরান। লক্ষ্যবস্তুটি আক্রোতিরি ও ধেকেলিয়ার ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটির কাছাকাছি ছিল। দ্বীপে পৌঁছানোর আগেই ক্ষেপণাস্ত্র দুটি ইন্টারসেপ্ট করা হয়। ২০২৬ সালে ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলার সময় ওমানেও আঘাত হানে ইরান। ইরানি হামলায় দুকম বন্দরে আঘাত লাগে, এতে অবকাঠামোগত ক্ষতি হয় এবং এক ব্যক্তি আহত হন। এ ছাড়া খাসাব বন্দরের উত্তরে একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারেও আঘাত লাগে, যাতে ৪ ব্যক্তি আহত হন। পোর্ট শুয়াইবায় একটি মার্কিন সামরিক অপারেশন কেন্দ্রের ওপর ইরানি ড্রোন হামলায় ৬ মার্কিন সেনা নিহত। মানামা শহরের ক্রাউন প্লাজা হোটেলে আঘাত হানল একটি ইরানি ড্রোন। যেখানে মার্কিন দূতাবাস কর্মীরা অবস্থান করছিলেন। কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
২ ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের সময় কুয়েতে মার্কিন বিমান বাহিনীর তিনটি ম্যাকডোনেল ডগলাস এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনায় পতিত হয়, তবে সব ক্রু সদস্য বেঁচে যান। কুয়েত সশস্ত্র বাহিনী ভুলবশত এগুলো গুলি করে ভূপাতিত করেছিল। ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড ঘটনাটিকে ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ার’ বলে নিশ্চিত করে। একই দিনে ইরানি ড্রোন কুয়েতে মার্কিন দূতাবাসে আঘাত হানে। কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইরানি হামলা চলাকালে কুয়েত নৌবাহিনীর ২ সদস্য নিহত হন।
৩ যুক্তরাষ্ট্রের রিয়াদ দূতাবাসে একটি ড্রোন হামলা।
৪ আল উদেইদ এয়ার বেজে আঘাত হানলো একটি ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, যা অঞ্চলটির সবচে বড় মার্কিন সামরিক ঘাঁটি।
৫ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের দোহা দূতাবাসের আশেপাশের বাসিন্দাদের সরিয়ে নিল কাতারি কর্তৃপক্ষ।
৯ ২০২৬ সালের ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জর্দানের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো রক্ষায় সহায়তাকল্পে ইন্টারসেপ্টর ড্রোন ও বিশেষজ্ঞ মোতায়েনের বিষয়টি নিশ্চিত করলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি। তুরস্কের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক হাল্কব্যাংকের সাথে একটি বিচার স্থগিতকরণ চুক্তিতে পৌঁছালো যুক্তরাষ্ট্র। যার মাধ্যমে ইরানকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়াতে সহায়তা করার অভিযোগে ব্যাংকটির বিরুদ্ধে আনা ফৌজদারি অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হল। চুক্তির আওতায়, হাল্কব্যাংককে অবশ্যই কমপ্লায়েন্স মনিটরিং বাস্তবায়ন করতে হবে এবং ইরানের সুবিধা হয় এমন লেনদেন এড়িয়ে চলতে হবে, এরপর আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে অভিযোগগুলি খারিজ হয়ে যেতে পারে।
১৪ প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতে এক ইরানি ড্রোন হামলায় ৫ মার্কিন যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত।
২৮ ইরান জানালো, তারা দুবাইয়ে একটি ইউক্রেনীয় অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেমের ডিপোকে নিশানা করেছে, যা তাদের দাবি অনুযায়ী মার্কিন বাহিনীকে সহায়তা করতে ব্যবহৃত হচ্ছিলো।
তথ্যসূত্র
মার্কস, কার্ল, ও এঙ্গেলস, ফ্রিডরিখ। ১৯৮০। নির্বাচিত রচনাবলীর পঞ্চম খণ্ড। ননী ভৌমিক কর্তৃক অনূদিত। প্রগতি প্রকাশন।
রাফিন, ইরফানুর রহমান। ২০২২। সময়রেখা: মহাবিশ্বের উৎপত্তি থেকে করোনাসংকট পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত ঘটনাপঞ্জি। দিব্যপ্রকাশ।
Ahmad, Eqbal. 2001. Terrorism: Theirs & Ours. Seven Stories Press.
Araujo, Ana Lucia. 2024. Humans in Shackles: An Atlantic History of Slavery. The University of Chicago Press.
BBC.
The Church of Jesus Christ of Latter-Day Saints.
Eltis, David, and Richardson, David. 2010. Atlas of the Transatlantic Slave Trade. Yale University Press.
Gritzner, Charles F. 2007. The United States of America. Chelsea House.
Marxists Internet Archive.
https://www.marxists.org/
Panton, Kenneth J. 2022. Historical Dictionary of the United States. Rowman & Littlefield.
Office of the United States Trades Representative
https://ustr.gov/
Reidel, Bruce. 2014. What We Won: America’s Secret War in Afghanistan, 1979-89. Brookings Institution Press.
The Watson School of International and Public Affairs, Brown University.
https://home.watson.brown.edu/
নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।
অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ
দিব্যপ্রকাশ । বাতিঘর । বইবাজার । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী । বুক হাউজ । ওয়াফিলাইফ । রকমারি



