Spread the love

Featured Image: Wikipedia Commons.

Image: The Nations Online Project.

পূর্বসাল

১০০০ জার্মানিক গোষ্ঠীগুলো রোমক গল ও পূর্ব ইওরোপে অভিবাসিত হল।

সাল

টিউটোবার্গের জঙ্গলে তিনটি রোমক বাহিনীকে পরাস্ত করলেন আর্মিনিয়াস।

৯৮ ট্যাসিটাস লিখলেন দ্য জার্মানিয়া

৪০৭ জার্মানদের সাথে লড়তে ইংল্যান্ড থেকে রোমক সৈন্যদলকে ডেকে আনা হল।

৪১০ ভিসিগথ রাজা অ্যালারিক রোমকে ধবংস করে দিলেন।

৪৭৬ শেষ রোমক সম্রাট রোমুলুস অগাস্টুলুসকে ক্ষমতাচ্যুত করলেন ওডোসেয়ার।

৪৮১-৫১১ ফ্রাঙ্কদের রাজা ক্লভিসের শাসনকাল।

৪৯৮ খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত হলেন ক্লভিস।

৭৩২ ‘পয়তিয়ের্সের/তুর্সের সমর’, ফ্রান্সে শার্ল মার্টেলের হাতে উমাইয়া সেনাবাহিনীর পরাজয়; ব্যর্থ হয়ে গেল আরবদের ইওরোপ জয়ের প্রচেষ্টা।

৮০০-৯১১ ক্যারোলিঞ্জীয় রাজবংশ।

৮০০ পোপ তৃতীয় লিও শার্লামেইনের মাথায় পরিয়ে দিলেন পবিত্র রোমক সাম্রাজ্যের মুকুট। এসময় ইহুদিরা মুসলমান ও ক্যারোলিঞ্জীয় শাসনে বাস করছেন এবং স্পেন ও জার্মানিতে নিজেদের শক্ত উপস্থিতি তৈরি করছেন।

৮৪৩ ‘ভের্দুনের চুক্তি’, ক্যারোলিঞ্জীয় জার্মানি ত্রিখণ্ডিত হয়ে গেল।

৯১৯-১০০২ অটোনীয় রাজবংশ।

১০০২-১১২৫ স্যালীয় রাজবংশ।

১০৯৬ ‘রাইনল্যান্ড ম্যাসাকারস’: প্রথম ক্রুসেড চলাকালে জার্মানি আর ফ্রান্সের কৃষকরা ইহুদিদের ওপর এক ভয়াবহ নিধনযজ্ঞ চালান।

১১৩৮-১২৫৪ হোহেনস্টাউফেন রাজবংশ।

১২৪৫-৭৩ বিদেশি রাজাদের শাসন, ক্ষমতা বাড়ল জার্মান রাজকুমারদের।

১২৭৩-১৯১৮ হাপসবুর্গ রাজবংশ।

১৩৩৮ সম্রাট নির্বাচন ও তাঁর অভিষেকের ক্ষেত্রে পোপের কর্তৃত্ব মেনে নিলেন জার্মান নির্বাচকরা।

১৩৪৮-৫০ ব্ল্যাক ডেথে জার্মানির জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশের মৃত্যু হল।

১৩৫৬ সাম্রাজ্যিক নির্বাচন প্রক্রিয়ার অনুমোদন দিল পাপাল গোল্ডেন বুল।

১৪৫৩-১৫১৯ এসময় ফ্ল্যান্ডার্স, বারগ্যান্ডি, স্পেন, হাঙ্গেরি, ও বোহেমিয়ায় ক্ষমতা সংহত করছেন সম্রাট প্রথম ম্যাক্সিমিলিয়ান।

১৫১৭ মার্টিন লুথার প্রকাশ করলেন তাঁর ‘৯৫ থিসিস’, এর মধ্য দিয়ে শুরু হল প্রোটেস্ট্যান্ট সংস্কার।

১৫১৯-৫৫ পবিত্র রোমক সম্রাট পঞ্চম চার্লসের শাসনকাল।

১৫২৪-২৫ দক্ষিণ জার্মানিতে কৃষকযুদ্ধ।

১৫৫৫ ‘অগসবুর্গের চুক্তি’, পবিত্র রোমক সাম্রাজ্যে রোমক ক্যাথলিকবাদ ও লুথারানবাদকে বৈধতা দেয়া হল।

১৫৫৬ পঞ্চম চার্লস ক্ষমতা ছাড়লেন এবং সাম্রাজ্যকে তিন ভাগে বিভক্ত করলেন। স্পেন আর বারগ্যান্ডি গেল তাঁর ছেলে দ্বিতীয় ফিলিপের হাতে। জার্মানি গেল তাঁর ভাই ফার্দিনান্দের হাতে।

১৬১৮-৪৮ ধর্মীয়, রাজবংশীয়, রাজনৈতিক ইস্যুতে ৩০ বছরের যুদ্ধ।

১৬৪৮ ‘ভেস্টফালিয়ার চুক্তি’: তিরিশ বছরের যুদ্ধের অবসান। জার্মান রাজ্যগুলোর ওপর প্রায় হাজার বছর ধরে বলবৎ থাকা পবিত্র রোমক সম্রাটের রাজনৈতিক ক্ষমতা কেড়ে নেয়া হল। স্বাধীন রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দেয়া হল।

১৬৫৫-৬০ সুইডেনের সাথে প্রথম উত্তরাঞ্চলীয় যুদ্ধ।

১৬৬৭-৯৭ ফ্রান্সের রাজা চতুর্দশ লুইয়ের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হল জার্মানি, হারাতে হল স্ট্রাসবুর্গ ও আলসাসে।

১৭০০-২১ সুইডেনের সাথে উত্তরাঞ্চলের মহাযুদ্ধ।

১৭০১ ব্র্যান্ডেনবুর্গ/প্রুশিয়ায় স্বাধীন হোহেনজলের্ন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করা হল।

১৭৪০-৮৬ দ্বিতীয় ফ্রেডরিখের রাজত্বকাল, ‘ফ্রেডরিখ দ্য গ্রেট’ বলে খ্যাত।

১৭৮০ ‘হাসকালাহ’, যা ইহুদি আলোকায়ন হিসাবেও পরিচিত। এর বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন জার্মান ইহুদি দার্শনিক মোজেস ম্যান্ডেলসন। ম্যান্ডেলসন ইহুদিধর্মের বিশ্বাসগুলোকে আলোকায়নের বাস্তবতায় পুনঃব্যাখ্যা করেন।

১৭৮৯ ফরাসি বিপ্লব।

১৭৯২ বিপ্লবী ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত ইওরোপীয় মৈত্রীজোটে যোগ দিল প্রুশিয়া।

১৮০৩ রাইষডেপুটেশনশহাউপশ্লুস: জার্মানিকে পুনর্বিন্যস্ত করলেন নেপোলিয়ন বোনাপার্তে, শত শত সার্বভৌম রাজ্যকে ৩৫টি রাজ্যে পুনর্গঠিত করলেন।

১৮০৬ ‘রাইন কনফেডারেশন’, জার্মান পবিত্র রোমক সাম্রাজ্যের অবসান।

১৮১৮ ‘হাবসবুর্গ টেম্পল’: জার্মানিতে আয়োজিত হল সংস্কারপন্থী ইহুদিদের প্রথম ধর্মসভা।

১৮৪৮-৫১ দিনেমার-জার্মান যুদ্ধ, এই যুদ্ধে ডেনমার্ক জয়লাভ করে। 

১৮৫১ রিচার্ড ভাগনার লিখলেন ইহুদিবিদ্বেষী বই জিউইশনেস ইন মিউজিক

১৮৬২

প্রকাশিত বই

মোজেস হেস, রোম অ্যান্ড জেরুসালেম

১৮৭১ মূলত প্রুশিয়ার নেতৃত্বে গঠিত হল জার্মান সাম্রাজ্য।

১৮৭৮ ‘বার্লিন কংগ্রেস’: ওসমানি তুর্করা তাঁদের অধিকাংশ ইওরোপীয় ভূখণ্ড হারায়, এসময় থেকেই জার্মানি তুরস্কের বন্ধুরাষ্ট্র হয়ে উঠতে থাকে।

১৮৯০ ব্রিটিশ ও জার্মানদের মধ্যে শান্তি চুক্তি সই, ব্রিটিশরা বর্তমান উগান্ডার অধিকার লাভ করল। উরুন্ডি আর রুয়ান্ডাকে জার্মান পূর্ব আফ্রিকার অন্তর্ভুক্ত করা হল।

১৯১৪ জার্মান সাম্রাজ্যের বেলজিয়াম আক্রমণ, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা।

১৯১৪-১৮ ‘প্রথম বিশ্বযুদ্ধ’।

এই যুদ্ধে ওসমানি সুলতানশাহি জার্মানি ও অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির অক্ষশক্তির পক্ষ হয়ে লড়ে। যুদ্ধে অক্ষশক্তি হেরে গেলে এবং জার্মানির কাইজারশাহি ও অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির রাজতন্ত্র বিলুপ্ত হলে ওসমানি সুলতানশাহির পতন সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায় মাত্র।

১৯১৭ ফেব্রুয়ারি: বিপ্লবের মাধ্যমে রাশিয়ায় জারতন্ত্রের পতন ঘটে। অক্টোবর: লেনিনের নেতৃত্বে বলশেভিকরা ক্ষমতা দখল করেন।

১৯১৭-৯০ সোভিয়েত ইউনিয়ন।

১৯২১ গঠিত হল ইউনিয়ন অফ সোভিয়েত সোশালিস্ট রিপাবলিকস (ইউএসএসআর), যা সংক্ষেপে সোভিয়েত ইউনিয়ন নামেই বিশ্বব্যাপী পরিচিতি লাভ করেছে।

১৯১৮ আত্মসমর্পণ করল জার্মানি। সিংহাসন ছাড়লেন কাইজার, প্রতিষ্ঠিত হল ভাইমার প্রজাতন্ত্র। ভার্সাই চুক্তি সাক্ষরিত।

১৯২২ রাজা তৃতীয় ভিক্টর ইম্মানুয়েল মুশোলিনিকে ইতালিতে ডেকে পাঠালেন এবং দেশটির প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত করলেন।

১৯২২-৪৩ ফ্যাশিস্ত ইতালি।

১৯৩৩ জার্মানির চ্যান্সেলর হলেন নাৎসি নেতা অ্যাডলফ হিটলার। ইহুদি নিপীড়ন শুরু। প্রথমেই দেশটির সিভিল সার্ভিস, ইশকুল, ও বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত ইহুদিদেরকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠান হল।

১৯৩৫ ‘নুরেমবার্গ বর্ণবাদী আইন’: জার্মান ইহুদিদের নাগরিকত্ব আইনীভাবে কেড়ে নেয়া হল। কথিত ‘আর্য রক্তের’ শুদ্ধতা রক্ষা করার দোহাই দিয়ে জার্মানির অইহুদিদের সাথে ইহুদিদের প্রেম, বিয়ে, বা যেকোন যৌন সম্পর্ক নিষিদ্ধ করা হল।

১৯৩৩-৪৫ নাৎসি জার্মানি।

১৯৩৬ নাৎসি জার্মানির সাথে জোট বাঁধে ফ্যাশিস্ত ইতালি।

১৯৩৮ ‘মিউনিখ চুক্তি’। নভেম্বর ৯: ‘ক্রিস্টালনাষট’ জার্মানি আর অস্ট্রিয়ায় ইহুদিদের ঘরবাড়ি ও দোকানপাটে হামলা চালাল সশস্ত্র নাৎসি দাঙ্গাবাজরা। ‘আনশলুস’, অস্ট্রিয়াকে নাৎসি জার্মানির অন্তর্ভুক্ত করে নেয়া হল।

১৯৩৯ নাৎসি জার্মানির সাথে অনাগ্রাসন চুক্তি করল সোভিয়েত ইউনিয়ন।

নাৎসি জার্মানির সাথে দশ বছরের জন্য অনাগ্রাসন চুক্তি সই করল ডেনমার্ক।

জার্মানি, জাপান, ও ইতালির অ্যান্টাই-কমিনটার্ন প্যাক্টে যোগ দিল হাঙ্গেরি, লীগ অফ নেশনস থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিল।

নাৎসি জার্মানির পোল্যান্ড আক্রমণ, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা।

১৯৩৯-৪৫ ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ’।

এসময় তুরস্ক প্রজাতন্ত্র নিরপেক্ষতা নীতি গ্রহণ করে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির সাথে মৈত্রীবন্ধনে আবদ্ধ থাকতে গিয়ে তার যে ক্ষতি হয়েছিল তার পুনরাবৃত্তি এড়াতেই এই সতর্কতা। ১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে নাৎসি জার্মানি ও সাম্রাজ্যিক জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে তুরস্ক।

নাৎসিদের নেতৃত্বে পূর্ব রণাঙ্গনে লড়াই করছে অস্ট্রীয়রা।

১৯৪০-৪৯ হলোকাস্ট: ইওরোপীয় ইহুদিদের ওপর পদ্ধতিগত নাৎসি নিধনযজ্ঞ।

১৯৪০ ডেনমার্কে আগ্রাসন চালাল নাৎসি জার্মানি, এর প্রতিক্রিয়ায় ব্রিটিশরা আইসল্যান্ড দখল করে নিল।

জার্মান নাৎসিরা নরওয়েতে আগ্রাসন চালাল। রাজপরিবার আর নরওয়ে সরকার ব্রিটেনে পালিয়ে গেল, লন্ডনে একটি প্রবাসী সরকার গঠন করা হল। ভিডকুন কুইন্সলিং নিজেকে অধিকৃত নরওয়ের রাষ্ট্রপ্রধান ঘোষণা করলেন।

নাৎসি জার্মানির উৎসাহে রুমানিয়ার কাছ থেকে উত্তর ট্রান্সসিলভানিয়া ফিরে পেল হাঙ্গেরি। নাৎসি জার্মানির সাথে সহযোগিতা চুক্তি সই করল ফিনল্যান্ড। সাম্রাজ্যিক জাপান, নাৎসি জার্মানি, আর ফ্যাশিস্ত ইতালি গঠন করল ত্রিদলীয় ঐক্যজোট।

১৯৪১ নাৎসি আগ্রাসনের প্রেক্ষিতে আইসল্যান্ডের প্রতিরক্ষার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

জার্মান নাৎসিরা গ্রিস দখল করে নিল। অধিকৃত গ্রিসে দুর্ভিক্ষে ১ লক্ষ মানুষ প্রাণ হারালেন।

নাৎসি জার্মানি কর্তৃক আক্রান্ত হল সোভিয়েত ইউনিয়ন। সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল ফিনল্যান্ড।

১৯৪২-৪৪ নাৎসিদের বিরুদ্ধে গ্রিকরা ব্যাপক প্রতিরোধ গড়ে তুললেন।

১৯৪৩ নাৎসিদের হাতে গণহত্যার শিকার হওয়ার হাত থেকে বাঁচার জন্য কয়েক হাজার দিনেমার ইহুদি সুইডেনে আশ্রয় নিলেন।ডেনমার্ক তখনো নাৎসিদের কবলে আছে। নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল ইতালি।

১৯৪৪ সেপ্টেম্বর: সোভিয়েত ইউনিয়ন আর ফিনল্যান্ডের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সই। ফিনল্যান্ড সোভিয়েত ইউনিয়নকে আরো জমি ও বিরাটাকারে ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি হল। নাৎসি জার্মানির সাথে ল্যাপল্যান্ড যুদ্ধে লিপ্ত হল ফিনল্যান্ড।

হাঙ্গেরীয় নাৎসিদের ক্ষমতাদখল। দেশটির ইহুদি আর জিপসিদেরকে মৃত্যুশিবিরে পাঠানো হল।

১৯৪৪-৪৫ জার্মান নাৎসিরা কারাগার থেকে মুসোলিনিকে বের করে আনলেও শেষ রক্ষা হল না, ফ্যাসিবিরোধী পার্টিজানরা বেনিতো মুসোলিনিকে পাকড়াও করলেন ও তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করলেন।

১৯৪৫ নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে ল্যাপল্যান্ড যুদ্ধে ফিনদের জয়লাভ।

নরওয়ে অবস্থানকারী জার্মান বাহিনীগুলো আত্মসমর্পণ করল। নরওয়ের রাজা দেশে ফিরে আসলেন। নাৎসি দালালের ভূমিকা পালন করে নিজ দেশের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করার অপরাধে ভিডকুন কুইন্সলি’য়ের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হল।

এপ্রিল: সোভিয়েতরা জার্মানদেরকে হাঙ্গেরি থেকে বের করে দিল।

সোভিয়েত সেনারা ভিয়েনাকে মুক্ত করল।

মে ২: লাল ফৌজের হাতে বার্লিনের পতন ঘটল।

আত্মসমর্পণ করল জার্মানি।

ওডার নদীর পূর্বদিকের এলাকা পোল্যান্ডকে দেয়া হল। জার্মানির বাকি অংশ মিত্রপক্ষ ও সোভিয়েত ইউনিয়নের দখলদারিত্বে থাকল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে বিশ্ববাসী জানতে পারল, জার্মানির নাৎসিরা ৬০ লক্ষ ইহুদিকে খুন করেছে।

১৯৪৫-৪৬ ‘নুরেমবার্গ ট্রায়াল’।

১৯৪৮-৪৯ ‘বার্লিন অবরোধ’।

১৯৪৯ জার্মানির পশ্চিমে মার্কিন, ফরাসি, ও ব্রিটিশ জোনগুলো নিয়ে জার্মান ফেডারেল প্রজাতন্ত্র (Bundesrepublik Deutschland: BRD) আর পূর্বে সোভিয়েত জোনে জার্মান গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র (Deutsche Demokratische Republik: DDR) প্রতিষ্ঠা করা হল। পশ্চিম জার্মানির প্রথম চ্যান্সেলর হলেন খ্রিস্টীয় গণতন্ত্রী কনরাড অ্যাডেনাউয়ের। পূর্ব জার্মানির প্রথম রাষ্ট্রপ্রধান হলেন ওয়াল্টার উলব্রিষট।

গঠিত হল নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (ন্যাটো)।*

* ন্যাটোর আনুষ্ঠানিক ভাষা দুইটি: ইংরেজি আর ফরাসি। ফরাসিতে সংগঠনটির নাম Organisation du Traité de l’Atlantique Nord. সংক্ষিপ্ত রূপ OTAN.

১৯৫৫ ন্যাটোতে যোগ দিল পশ্চিম জার্মানি। জবাবে সোভিয়েত ইউনিয়ন গঠন করা ওয়ারশ প্যাক্ট। শেষোক্ত সামরিক জোটটি সোভিয়েত বলয়ভুক্ত দেশগুলো নিয়ে গঠিত হয়েছিল, যার একটি ছিল পূর্ব জার্মানি।

১৯৫৭ জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, আর লুক্সেমবার্গ মিলে গঠন করল ইওরোপীয় অর্থনৈতিক সম্প্রদায় (ইইসি)। ফরাসি প্রটেক্টরেট সারল্যান্ডের ভোটাররা স্বাধীন রাষ্ট্র কায়েমের ধারণার বিরুদ্ধে ভোট দিলেন। এর ধারাবাহিকতায় সারল্যান্ড পশ্চিম জার্মানিতে যোগ দেয়।

১৯৫৩ জুন: সোভিয়েত শাসনের বিরুদ্ধে পূর্ব বার্লিনে ব্যাপক গণঅভ্যুত্থান।

১৯৬১ পূর্ব জার্মানি থেকে পশ্চিম জার্মানিতে অভিবাসন ঠেকানোর জন্য বার্লিন দেয়াল তৈরি করা হল। জেরুসালেমে নাৎসি যুদ্ধাপরাধী অ্যাডলফ আইখম্যানের বিচার হল, যাকে মোসাদের এজেন্টরা আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে আর্জেন্টিনা থেকে ধরে আনে।

১৯৬২ মে ৩১: অ্যাডলফ আইখম্যানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হল।

১৯৬৩

প্রকাশিত বই

হান্না আরেন্ট, আইখম্যান ইন জেরুসালেম: আ রিপোর্ট অন দ্য ব্যানালিটি অফ এভিল

১৯৬৭ ইওরোপীয় অর্থনৈতিক সম্প্রদায় (ইইসি) ইওরোপীয় সম্প্রদায় (ইসি) পরিণত হল।

১৯৬৯ পশ্চিম জার্মানির চ্যান্সেলর হলেন সমাজ গণতন্ত্রী উইলি ব্র্যান্ট। ওস্টপলিটিক (পুবমুখী) নীতির অধীনে পূর্ব জার্মানি ও সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে সম্পর্ক জোরদার করলেন।

১৯৭১ পূর্ব জার্মানিতে ওয়াল্টার উলব্রিষটের স্থলাভিষিক্ত হলেন এরিক হোনেকার।

১৯৭২ সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের উদ্দেশ্যে বেসিক চুক্তি সই করল দুই জার্মানি, যার মধ্য দিয়ে তারা একে অপরকে স্বীকৃতি দিল।

১৯৭৩ জার্মান ফেডারেল প্রজাতন্ত্র আর চেকোস্লোভাকিয়ার মধ্যে একটি চুক্তি সই হল যা ১৯৩৮ সালের মিউনিখ চুক্তিকে রদ করে দিল। পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানি জাতিসংঘে যোগ দিল।

১৯৭৪ জার্মান ফেডারেল প্রজাতন্ত্রের চ্যান্সেলর হলেন হেলমুত স্মিডট।

১৯৭৫ হেলসিংকি চুক্তিকে অনুমোদন দিল জার্মান ফেডারেল প্রজাতন্ত্র।

১৯৭৬ জার্মান ফেডারেল প্রজাতন্ত্রের চ্যান্সেলর হিসাবে পুনর্নির্বাচিত হলেন হেলমুত স্মিডট।

১৯৮২ জার্মান ফেডারেল প্রজাতন্ত্রের চ্যান্সেলর হলেন হেলমুত কোহল।

১৯৮৯ সোভিয়েত বলয়ভুক্ত দেশগুলোতে সফরবিষয়ক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হলে দলে দলে পূর্ব জার্মানরা দেশত্যাগ করেন। বার্লিন দেয়ালের পতন।

১৯৯০ পূর্ব জার্মানিতে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এল। অক্টোবর ৩: দুই জার্মানির পুনরেকত্রীকরণ।* ঐক্যবদ্ধ দেশটি জার্মান ফেডারেল প্রজাতন্ত্র নামেই পরিচিত।

* চ্যান্সেলর হেলমুত কোহলের নেতৃত্বে একটি একক রাষ্ট্র হয়ে ওঠে জার্মানি। পূর্ব ও পশ্চিম বার্লিনকে একটি একক শহরে ঐক্যবদ্ধ করা হয়। কালক্রমে বার্লিন পুনরেকত্রীকৃত জার্মানির রাজধানীতে পরিণত হবে।

১৯৯১ ডিসেম্বর ২৫: সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তি।

১৯৯২ ‘ম্যাসট্রিচ চুক্তি’: গঠিত হল একটি ইওরোপীয় অর্থনৈতিক ও মুদ্রাবিষয়ক সম্প্রদায়।

১৯৯৩ ইওরোপীয় কমিউনিটির সাধারণ বাজারের সূচনা।

১৯৯৪ জার্মানি ছেড়ে গেল শেষ সোভিয়েত সেনারা। আয়োজিত হল বুন্দেসটাগ নির্বাচন।

১৯৯৫ ইওরোপীয় সম্প্রদায় (ইসি) নাম বদলে ইওরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) রাখা হল। ত্রয়হ্যান্ড ট্রাস্ট এজেন্সি বিলুপ্ত করে দেয়া হল। বসনিয়ায় জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীতে জার্মান সেনাদের যোগদান।

১৯৯৬ জানুয়ারি ১৬: জার্মান বুন্দেসতাগে বক্তব্য রাখলেন ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট এজার ওয়াইজম্যান।

১৯৯৮ ইওরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) আরো ১১টি দেশের মত জার্মানিও নতুন মুদ্রা ইওরো ব্যবহার করতে শুরু করল।

২০০১ মার্কিন নেতৃত্বে আফগানিস্তান আগ্রাসনে অংশ নিল জার্মানি।

২০০২ মুদ্রা হিসাবে ডয়েচে মার্ককে প্রতিস্থাপিত করল ইওরো।

২০০৩ মার্কিন নেতৃত্বে ইরাক আগ্রাসনে অংশ নিল জার্মানি।

২০০৫ জার্মানির প্রথম মহিলা চ্যান্সেলর হলেন অ্যাঞ্জেলা মার্কেল।

২০০৫-২১ জার্মানির ‘মার্কেল যুগ’।

২০০৯ দ্বিতীয় মেয়াদে জার্মানির চ্যান্সেলর হলেন অ্যাঞ্জেলা মার্কেল।

২০১৩ তৃতীয় মেয়াদে জার্মানির চ্যান্সেলর হলেন অ্যাঞ্জেলা মার্কেল।

২০১৫-১৬ জার্মানি সরকার মধ্যপ্রাচ্য ও অন্যান্য জায়গা থেকে আসা ১০ লক্ষেরও বেশি শরণার্থীকে দেশটিতে বাস করার অনুমতি দিল। এতে জার্মান জনগণের মধ্যে অপরাধ ও জন পরিষেবা বিষয়ক উদ্বেগ দেখা দেয়। যা দেশটিতে উগ্রডান রাজনীতির জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করে।

২০১৭ চতুর্থ মেয়াদে জার্মানির চ্যান্সেলর হলেন অ্যাঞ্জেলা মার্কেল।

২০২১ জার্মান ফেডারেল প্রজাতন্ত্রের চ্যান্সেলর হলেন ওলাফ শোলজ। পশ্চিম ইওরোপের একাংশে প্রলয়ঙ্করী বন্যা দেখা দিল। জার্মানিতে ১০০ জনের মৃত্যু, বেলজিয়ামে ২২ জনের।

তথ্যসূত্র

বইপত্র

Horne, William R.. 2007. Germany. 2nd ed. New York: Chelsea House.

Turk, Eleanor L.. 1999. The History of Germany. Westport, Connecticut: Greenwood.

সংবাদপত্র ও সাময়িকপত্র

BBC

নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।

অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ

দিব্যপ্রকাশ । রকমারি । বইবাজার । বাতিঘর । ওয়াফিলাইফ । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী

By irrafinofficial

ইরফানুর রহমান রাফিনের জন্ম ঢাকায়, ১৯৯২ সালে। বর্তমানে একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমে লিখে অন্নসংস্থান করেন। নিজেকে স্মৃতি সংরক্ষণকারীদের পরম্পরার একজন হিসাবে দেখেন। যোগাযোগ: irrafin2022@gmail.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Creative Commons License
Except where otherwise noted, the content on this site is licensed under a Creative Commons Attribution-ShareAlike 4.0 International License.