ফ্রান্স

Spread the love

Featured Image: Wikipedia Commons.

France. Political Map. 1991.

Courtesy: The Perry-Castañeda Library Map Collection (PCLMC), The University of Texas at Austin.

পূর্বসাল

২০ লক্ষ বছর আগে ফ্রান্সে মানুষের আদিতম পূর্বপুরুষরা ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

৩ লক্ষ ৫০ হাজার বছর আগে নিয়ান্ডারথালরা মিউস নদীর তীরে বসবাস করতে শুরু করলো।

১ লক্ষ বছর আগে একটি বরফ যুগের সূচনা।*
* বরফ যুগ তীব্রতম আকার ধারণ করেছিল ইওরোপে। গ্রীষ্মকালের পরিমাণ অত্যন্ত কম হওয়ায় ইওরোপের উত্তরদিকে বরফ গলার সময় ইওরোপের উত্তরদিকে বরফ গলার সময় পায় নাই। ফলে পৃথিবীর একাংশ বরফের আবরণে ঢেকে যায়, দুই কিলোমিটার পুরু বরফ জমে এবং বহু পশুপাখি হয় মারা পড়ে আর না হয় পালিয়ে দক্ষিণদিকে চলে গিয়ে প্রাণ বাঁচায়।

৪৭ হাজার বছর আগে হোমো স্যাপিয়েন্স এ সময়ই কখনো প্রথম ইওরোপে আসে।

৪২-৩০ হাজার বছর আগে ইওরোপে হোমো স্যাপিয়েন্সদের অরিগনাসীয় সংস্কৃতি।

৩৯,৫০০-৩৫৫০০ বছর আগে ফ্রান্সের শাউভেত গুহায়* মানুষের দখলদারিত্বের প্রথম পর্ব।
* ১৯৯৪ সালের ১৮ ডিসেম্বর জা-মারি শাউভেত, এলিয়েত ব্রুনেল, আর ক্রিশ্চিয়ান হিলারি গুহাটি আবিষ্কার করেন।

৩৫-৩২ হাজার বছর আগে ফ্রান্সের শাউভেত গুহায় এসময় গুহাচিত্র আঁকা হচ্ছে।

৩৪-২৯ হাজার বছর আগে ফ্রান্সের শাউভেত গুহায় মানুষের দখলদারিত্বের দ্বিতীয় পর্ব।

৩০-১২ হাজার বছর আগে ইওরোপে গুহাচিত্র সংস্কৃতি।

২৫ হাজার বছর আগে মিসর থেকে ইওরোপ পর্যন্ত বহু জায়গায় এই সময় থেকে ভেনাস মূর্তির দেখা মেলে, যাকে মহামাতার মূর্ত রূপ বলে কল্পনা করা হত।

২২ হাজার বছর আগে স্পেন ও ফ্রান্সে গুহাচিত্র আঁকার উৎকর্ষের কাল। বিখ্যাততমটি ফ্রান্সের লাসকক্সে।*
* ১৯৪০ সালের ১২ সেপ্টেম্বর গুহাটি আবিষ্কৃত হয়।

১৯-১৭ হাজার বছর আগে ফ্রান্সের লাসকক্সের গুহাচিত্র আঁকার কাল।

১৮-১৫ হাজার বছর আগে ফ্রান্সের লাসকক্স গুহায় প্রাচীন প্রস্তর যুগের দখলদারিত্বের পর্ব।

১৫ হাজার বছর আগে এ সময় আলতামিরা আর লাসকক্সে গুহাচিত্র আঁকা হচ্ছে।

৮ হাজার ৫০০ বছর আগে ইওরোপের আদি কৃষকদের স্টারসেভো সংস্কৃতি।

৭ হাজার ৫০০ বছর আগে পশ্চিম ইওরোপের প্রথম কৃষকদের দেখা মিলছে।

৭-৫ হাজার বছর আগে উত্তর-পশ্চিম ফ্রান্সের কার্নাকে নির্মিত হচ্ছে মেগালিথিক কাঠামো।

৬ হাজার ৫০০ বছর আগে ফ্রান্সে কৃষিকাজের সূচনা।

৬ হাজার ৩০০ বছর আগে নব্য প্রস্তর যুগের অবসান। ইওরোপের প্রথম মেগালিথিক সমাধিগুলো নির্মিত হচ্ছে।

৫ হাজার ৫০০ বছর আগে ইওরোপ জুড়ে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে কৃষিকাজ।

২৫০০-৫০ কেল্টরা এ সময় গলে* আধিপত্য করছে।
* গল পশ্চিম ইওরোপের একটি অঞ্চল। রোমকরা প্রথম এর বর্ণনা দেয়। আজকের দিনের ফ্রান্স, বেলজিয়াম, দ্য নেদারল্যান্ডস, লুক্সেমবার্গ, এবং সুইজারল্যান্ড, জার্মানি ও উত্তর ইতালির একাংশ নিয়ে গঠিত ছিল।

৬০০ গ্রিকরা প্রতিষ্ঠা করল মাসিলিয়া।*
* বর্তমানে মার্সেই নামে পরিচিত।

১২৫-১২ রোমক সাম্রাজ্য এ সময় গলে অভিযান পরিচালনা করছে।

৫৮-৫১ জুলিয়াস সীজারের গল অভিযাত্রা, রোমক শাসনের শুরুয়াত।

৫২ আরিভের্নির ভার্সিনজেটোরিক্সের নেতৃত্বে গলীয় অভ্যুত্থান। আলেসিয়ায় তা কঠোর হস্তে দমন করলেন সীজার। প্রতিষ্ঠা করা হল লুটেশিয়া।*
* বর্তমানে প্যারিস নামে পরিচিত, আজকের ফ্রান্সের রাজধানী।

সাল

৪৩ প্রতিষ্ঠা করা হল লুগোডোনুম।*
* বর্তমানে লিওঁ নামে পরিচিত।

১০০-২০০ গলে খ্রিস্টধর্মের আগমন।

২৭৫ বর্বরদের হামলার সূচনা।

৪০৬ ফ্রাঙ্ক ও অন্যান্য জার্মানিক গোষ্ঠীগুলো গলে হামলা চালায় ও বসতিস্থাপন করে।

৪৭৬ জার্মানিক বর্বরদের আক্রমণে পশ্চিম রোমক সাম্রাজ্যের অবসান।

৪৮১ সিংহাসনে বসলেন ক্লভিস।

৪৮১-৫১১ ফ্রাঙ্কদের রাজা ক্লভিসের শাসনকাল।

৪৮১/৪৯৬/৪৯৮ খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত হলেন ক্লভিস।

৫০৮/৫১১ ম্যারোভিঞ্জীয় রাজা ক্লভিস প্যারিসকে তাঁর রাজধানী বানালেন।

৬০০ এসময়ই কখনো “ফ্রান্স” নামটির ব্যবহার শুরু হয়।

৭০০-৯০০ ফ্রান্সে প্রতিষ্ঠিত হল সামন্তবাদ ও ভূমিদাস প্রথা।

৭৩২ পয়তিয়ের্সের/তুর্সের সমর। ফ্রান্সে শার্ল মার্টেলের হাতে উমাইয়া সেনাবাহিনীর পরাজয়। ব্যর্থ হয়ে গেলো আরবদের ইওরোপ জয়ের প্রচেষ্টা।

৭৫১ প্রথম ক্যারোলিঞ্জীয় শাসক হলেন পেপিন দ্য শর্ট।

৮০০ পোপ তৃতীয় লিও শার্লামেইনের মাথায় পরিয়ে দিলেন পবিত্র রোমক সাম্রাজ্যের মুকুট। এসময় ইহুদিরা মুসলমান ও ক্যারোলিঞ্জীয় শাসনে বাস করছেন এবং স্পেন ও জার্মানিতে নিজেদের শক্ত উপস্থিতি তৈরি করছেন।

৮০০-৯১১ ক্যারোলিঞ্জীয় রাজবংশ।

৮০০-৯১০ এ সময়কালের মধ্যে ভাইকিং, আরব, আর মাগইয়াররা বারবার ফ্রান্সে অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

৮০৩ শার্লামেইন অ্যান্ডোরাকে মুসলমানদের হাত থেকে পুনরুদ্ধার করলেন। কথিত আছে, তিনি এর অধিবাসীদের একটি সনদ প্রদান করেছিলেন। শার্লামেইনের মৃত্যুর পর, অ্যান্ডোরার দায়িত্ব তাঁর নাতি ও স্পেনের উর্গেলের কাউন্ট দ্বিতীয় চার্লসের হাতে অর্পণ করা হয়।

৮৪৩ ভের্দুন চুক্তি। শার্লামেইনের সাম্রাজ্য প্রথম লুইয়ের তিন ছেলের মাঝে ভাগ করে দেয়া হল।

৯১১ নর্ম্যান্ডির ভবিষ্যৎ ডাচির ভিত্তি স্থাপন করা হল।

৯৮৭ শেষ ক্যারোলিঞ্জীয় শাসক পঞ্চম লুইয়ের মৃত্যু। ফ্রান্সের নতুন রাজা নির্বাচিত হলেন হুগ কাপেত।

৯৮৭-১৩২৮ কাপেতীয় রাজবংশ।

৯৮৭ কাপেতীয় রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করলেন হুগ কাপেত, প্যারিসকে বানালেন তাঁর রাজ্যের রাজধানী।

১০৯৫ ক্লেরমন্তের কাউন্সিলে প্রথম ক্রুসেডের ডাক দিলেন পোপ দ্বিতীয় আরবান।

১০৯৫-১২৭০ মূলত ফ্রান্সের নেতৃত্বে সংঘটিত হল আটটি ক্রুসেড।

১১১৫ ক্লেয়ারভক্সের বার্নার্দ তাঁর প্রথম মঠ স্থাপন করলেন।

১১২০ এ সময়ই কখনো আবেলার্দ লিখছেন সিক এত নন।

১১৬৩ প্যারিসে নটরডেম গির্জার নির্মাণকাজ শুরু হলো।

১১৩০-১৪০০ গথিক শিল্পের সমৃদ্ধিকাল।

১১৮০ সিংহাসনে বসলেন দ্বিতীয় ফিলিপ, অগুস্ত।

১২০০ এ সময়ই কখনো প্রতিষ্ঠা করা হয় প্যারিস বিশ্ববিদ্যালয়।

১২০৪ নর্ম্যান্ডি দখল করে নিলেন ফ্রান্সের রাজা ফিলিপ।

১২০৮-১৩ আলবিজেন্সীয়দের বিরুদ্ধে ক্রুসেড।

১২১৪ বুভিনের সমর।

১২২৬ সিংহাসনে বসলেন নবম লুই।

১২২৬-৭০ নবম লুইয়ের রাজত্বকাল।*
* প্যারিসের সংসদের প্রতিষ্ঠাতা, বর্তমানে ন্যায়বিচারের উচ্চ আদালত।

১২৮৫ সিংহাসনে বসলেন ফিলিপ ল্য বেল, বা সুদর্শন ফিলিপ, বলে পরিচিত চতুর্থ ফিলিপ।

১২৮৫-১৩১৪ চতুর্থ ফিলিপের রাজত্বকাল।*
* ‘দ্য ফেয়ার’ বলে পরিচিত। তাঁর রাজত্বকালে ফ্রান্সে আমলাতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থা চালু হয়। প্রতিষ্ঠিত হয় জনপ্রতিনিধিদের সংসদ দ্য এস্টেটস জেনারেল।

১২৯৭ নবম লুইকে সেইন্ট হিসেবে কানুনীকৃত করা হল।*
* তিনিই একমাত্র ফরাসি রাজা যিনি সেইন্টহুড পেয়েছেন।

১৩০৯-৭৮ এসময়ই কখনো পাপাসিকে আভিননে সরিয়ে আনা হল।

১৩২৮-১৫৮৯ ভ্যালোয়েস রাজাদের শাসনকাল।

১৩৩৭ ইংল্যান্ডের তৃতীয় এডওয়ার্ডের কাছ থেকে গাসকোনি ছিনিয়ে নিলেন ফ্রান্সের ষষ্ঠ ফিলিপ, দেশ দুটির মধ্যে শতবর্ষের যুদ্ধের সূচনা।

১৩৩৭-১৪৫৩ ইংল্যান্ড আর ফ্রান্সের মধ্যে শতবর্ষের যুদ্ধ।*
* এই যুদ্ধের শেষে ক্যালে ছাড়া ফ্রান্সে নিজের সব ভূখণ্ড হারায় ইংল্যান্ড।

১৩৪৮-৫০ বুবোনিক প্লেগ। যা ব্ল্যাক ডেথ নামেও পরিচিত। ফ্রান্সের ওপর এর ফল হয় মারাত্মক, পরবর্তী পঞ্চাশ বছরে জনসংখ্যা অর্ধেকে নেমে আসে।

১৩৪৯ ডফিনেকে ফ্রান্সের অন্তর্ভুক্ত করে নেয়া হল।

১৩৫৮ জাকেরি। ফ্রান্সের উত্তরাঞ্চলে চাষীদের বিদ্রোহ।

১৩৬৩-১৪৭৭ বেলজিয়ামের লো কান্ট্রিগুলো বার্গ্যাণ্ডির ফরাসি ডিউকদের হাতে চলে গেল।*
* ফলে, ফ্রান্স আর ইংল্যান্ডের শতবর্ষের যুদ্ধে (১৩৩৭-১৪৫৩ সাল) জড়িয়ে যায় বেলজিয়াম।

১৪১৩ প্যারিসে কাবোচিয়েন অভ্যুত্থান।

১৪২৮-২৯ ইংরেজদের কাছ থেকে অর্লিয়েন্স মুক্ত করলেন জোয়ান অফ আর্ক, রিয়েমসে সপ্তম চার্লসকে মুকুট পরানো হল।

১৪৩৮ বর্জেসের ওপর বাস্তবসম্মত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হল।

১৪৬১ সিংহাসনে বসলেন একাদশ লুই।

১৪৭০ আনুমানিক এ সময় ফ্রান্সে ছাপাখানা প্রবর্তিত হয়।

১৪৮১ প্রভেন্স, আনজু, মাইন, আর বারকে ফ্রান্সের অন্তর্ভুক্ত করে নিলেন রাজা লুই।

১৪৮২ বার্গ্যাণ্ডির ডাচিকে ফ্রান্সের অন্তর্ভুক্ত করে নেয়া হল।

১৪৯১ ব্রিটানি দখল করে নিলেন অষ্টম চার্লস।

১৫২৬ শ্যাম্বোর্দ নির্মাণের মধ্য দিয়ে লোয়ার উপত্যকায় শাত্যু বানানোর চল শুরু হলো।

১৫৩০ প্রতিষ্ঠা করা হল কলেজ দ্য ফ্রান্স।

১৫৩২ ফ্রাঁসোয়া র‍্যাবেলে, পান্তাগ্রুয়েল।

১৫৩৯ ভিলে-কত্তেরের ডিক্রি। ফ্রান্সে আইনী কাজের ভাষা হিসেবে লাতিনের বদলে ফরাসি ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হলো।

১৫৪১ জন কালভিন, নিজকৃত ফরাসি অনুবাদ, ইন্সটিটিউটস অফ দ্য ক্রিশ্চান রিলিজিয়ন।

১৫৬২-৯৮ ফ্রান্সে ধর্মযুদ্ধের কাল।

১৫৮০ মঁতেইন, এসে।

১৫৮৯-১৭৯২ বুর্বো রাজবংশ।

১৫৮৯ প্রথম বুর্বো নৃপতি হিসেবে ফ্রান্সের সিংহাসনে বসলেন চতুর্থ অঁরি।

১৫৯৮ নান্তেসের ফরমান।*
* এই ফরমানে ধর্মীয় সহিষ্ণুতার নিশ্চয়তা দেয়া হয়।

১৬০৭ ফরাসি এক রাজকীয় ফরমানে ফ্রান্সের রাষ্ট্রনায়ক ও উর্গেলের বিশপকে অ্যান্ডোরার যৌথ-রাজকুমার বানানো হল।

১৬০৮ কুইবেক প্রতিষ্ঠা করা হল।

১৬১০ চতুর্থ অঁরি নিহত হন। এরপর সিংহাসনে আরোহণ করেন অল্পবয়সী ত্রয়োদশ লুই। তাঁর শাসনামলের শুরুতে অভিভাবক-শাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তাঁর মা মারি দ্য মেদিসি।

১৬১৮-৪৮ তিরিশ বছরের যুদ্ধ।

১৬৩৫ প্রতিষ্ঠিত হলো আকাদেমি ফ্রসেঁ।

১৬৩৬-৩৭ পিয়েরে কর্নেই, লে সিড।
রেনে দেকার্ত, লে ডিসকুর্স দে লা মেথোড।

১৬৪৩ ত্রয়োদশ লুইয়ের মৃত্যু। তাঁর উত্তরসূরি চতুর্দশ লুই অপ্রাপ্তবয়স্ক থাকায় অভিভাবক-শাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন অ্যান দ’অত্রিশ।

১৬৪৮ ভেস্টফালিয়ার শান্তি। এর মধ্য দিয়ে তিরিশ বছরের যুদ্ধের অবসান ঘটে। ইওরোপে জাতি-রাষ্ট্রের উত্থানের শর্ত তৈরি হয়।
অস্ট্রিয়ার অ্যানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করল প্যারিস।

১৬৪৮-৫৩ The Fronde – Wikipedia।

১৬৬৭-১৭১৩ চতুর্দশ লুইয়ের যুদ্ধসমূহ।

১৬৭০ জ্যাঁ রাসিন, বেরেনিস।
মলিয়ের, লে বুর্জোয়া জঁতিয়োম।
ব্লেইজ পাসকাল, আংশিক সংস্করণ, পঁসে।

১৬৮০ প্রতিষ্ঠিত হল কমেডি-ফ্রসেঁ।

১৬৮১ স্ট্রাসবুর্গ দখল করলেন চতুর্দশ লুই।

১৬৮২ ভার্সাইয়ে রাজদরবার স্থাপন করা হলো। লুইজিয়ানা প্রতিষ্ঠিত।

১৬৮৫ প্রত্যাহার করা হল নান্তেসের ফরমান।*
* এর ফলে ফ্রান্সে প্রোটেস্ট্যান্টদের ধর্মীয় স্বাধীনতা মারাত্মকভাবে সীমিত হয়ে পড়ে।

১৭১৫ ফ্রান্সের সিংহাসনে বসলেন পঞ্চদশ লুই। ১৭২৩ সাল পর্যন্ত অভিভাবক-শাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অর্লেয়ঁর ডিউক।

১৭২৫-৪৩ কার্ডিনাল ফ্লেউরির মন্ত্রণাকাল।

১৭৩৪ ভলতেয়ার, লেত্রেঁ ফিলোসফিক।

১৭৪৮ মতেঁস্কু, দে ল’এস্পিরিত দেস লয়েস।

১৭৫১ এনসাইক্লোপিডি, প্রথম খণ্ড।

১৭৫৬-৬৩ সপ্তবর্ষীয় যুদ্ধ।

১৭৬২ রুশো, দু কন্ত্রাত সোশাল।

১৭৬৩ প্যারিস শান্তি। ক্যানাডা, লুইজিয়ানা, ও সেনেগাল হারাল ফ্রান্স।

১৭৬৬-১৭৬৮ লোরেইন ও কর্সিকা অধিগ্রহণ করে নিল ফ্রান্স।

১৭৭৪ ফ্রান্সের সিংহাসনে বসলেন ষোড়শ লুই।

১৭৭৮ আমেরিকান বিপ্লবের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে জোট বাঁধলো ফ্রান্স।

১৭৮৩ প্যারিস শান্তি। সেনেগাল পুনরুদ্ধার করলো ফ্রান্স। মন্তগলফিয়ের ভাইদের বেলুন উড্ডয়ন।

১৭৮৭ অভিজাতদের সংসদের প্রথম সভা।

১৭৮৮ অভিজাতদের সংসদের দ্বিতীয় সভা।

১৭৮৯ ফরাসি বিপ্লব।

মে এস্তেত জেনারেলের সূচনা।

জুলাই ১৪ বাস্তিল দুর্গের পতন।

আগস্ট বিলুপ্ত করে দেয়া হলো এনসিয়েন রেজিম।
৪ সামন্ততান্ত্রিক বিশেষাধিকার বিলুপ্ত করা হলো।
২৬ মানুষ ও নাগরিকদের অধিকার ঘোষণা করা হলো।

অক্টোবর রাজপরিবারকে জোরপূর্বক ভার্সাই থেকে প্যারিসে আনা হলো।

১৭৯০ যাজকদের নাগরিক বিধি। ফ্রান্সকে ৮৩টি ডিপার্টমেন্টে বিভক্ত করা হলো।

১৭৯১ মেট্রিক ব্যবস্থা চালু করা হলো।

১৭৯২ আগস্ট ফ্রান্সে রাজতন্ত্রের বিলুপ্তি। অস্ট্রিয়া ও প্রুশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ।

সেপ্টেম্বর ২-৬ সেপ্টেম্বর হত্যাযজ্ঞ।
২১ ফ্রান্সে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হলো। বিপ্লবী ফ্রান্সের জাতীয় সঙ্গীতে পরিণত হলো মার্সেই।

প্রথম প্রজাতন্ত্র
১৭৯২-১৮০৪

১৭৯২-১৮০৪ French First Republic – Wikipedia।

১৭৯৩ জানুয়ারি ২১ রাজা ষোড়শ লুইয়ের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলো।

ফেব্রুয়ারি গ্রেট ব্রিটেন ও নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষিত হলো।

আগস্ট ২৩ লেভে এন মাস।

সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসের রাজত্ব শুরু।

১৭৯৩-৯৪ সন্ত্রাসের রাজত্ব।

১৭৯৪ ক্ষমতাচ্যুত হলেন রোবসপীয়ার। বিপ্লবী ফ্রান্সের সেনাবাহিনী বেলজিয়াম দখল করে নিলো।

১৭৯৫-৯৯ ডিরেক্টরির শাসন।

১৭৯৮ মুলহাউসকে ফ্রান্সের অন্তর্ভুক্ত করে নেয়া হলো। রাইন নদীর পুবদিকের এলাকা de facto ফ্রান্সের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেলো। দ্বিতীয় জোটের বিরুদ্ধে যুদ্ধ।

১৭৯৯ অষ্টাদশ ব্রুমেয়ারের ক্যুদেতা।

নভেম্বর ৯-১০ কার্যত ফ্রান্সের শাসক বনে গেলেন নেপোলীয়ন। নেপোলীয়ন বোনাপার্তেকে ফ্রান্সের কনসাল ঘোষণা করা হল।

১৭৭৯-১৮০৪ কনস্যুলেট শাসন।

১৮০০ তৈরি করা হলো প্রিফে কার্যালয়।

১৮০১ কনকর্ডাক্ট চুক্তি সই।

১৮০২ শাতোব্রিয়াঁ, লে জিনি দু ক্রিশ্চিয়ানিজমে।

১৮০৩ লুইজিয়ানা টেরিটোরি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিক্রি করল ফ্রান্স।

১৮০৪ মার্চ ২১ প্রবর্তিত হলো দেওয়ানি বিধি।

ডিসেম্বর ২ নেপোলীয়নকে সম্রাটের মুকুট পরানো হল।

প্রথম সাম্রাজ্য
১৮০৪-১৫

১৮০৪-১৫ First French Empire – Wikipedia।*
* ‘নাগরিক সম্রাট’ হিসেবে পরিচিতি পেলেন নেপোলীয়ন বোনাপার্তে।

১৮০৫-১৫ ইওরোপে নেপোলীয়নীয় যুদ্ধ।

১৮০৬ চতুর্থ জোটের বিরুদ্ধে যুদ্ধ।

১৮০৭ স্পেন ও নেপোলীয়নের ফ্রান্স পর্তুগালে যৌথ হামলা চালাল ও লিসবন দখল করে নিল।

১৮০৮ প্রতিষ্ঠা করা হলো লে’ইউনিভার্সিতে ইম্পেরিয়াল।

১৮০৯ পঞ্চম জোটের বিরুদ্ধে যুদ্ধ।

১৮১২ সেপ্টেম্বর-অক্টোবর নেপোলীয়ন বোনাপার্তের সেনাবাহিনী মস্কো দখল করলো।

১৮১৪ মিত্রপক্ষের ফ্রান্স আক্রমণ।

এপ্রিল ৬ সিংহাসন ছাড়তে বাধ্য হলেন নেপোলীয়ন। প্রথম পুনর্বহাল। অষ্টাদশ লুইকে গদিতে বসিয়ে রাজতন্ত্রকে ফেরানো হল।

জুন ৬ অষ্টাদশ লুইয়ের সাংবিধানিক ঘোষণা।

১৮১৫ নেপোলীয়ন বোনাপার্তেকে এলবা দ্বীপে* নির্বাসিত করা হল। ওয়াটারলুর যুদ্ধ। ব্রিটিশদের কাছে পরাজিত হলেন নেপোলীয়ন।
* ইতালির তাসকানিতে অবস্থিত।

মার্চ বোনাপার্তে একশো দিনের’ জন্য ফিরে আসেন, যার পরিসমাপ্তি ঘটে ওয়াটারলুতে।

জুন ২২ দ্বিতীয়বারের মতো সিংহাসন ত্যাগ করলেন বোনাপার্তে।

জুলাই ৮ দ্বিতীয় পুনর্বহাল।

ফ্রান্সে বুর্বো পুনর্বহাল
১৮১৫-৩০

১৮১৫-৩০ Bourbon Restoration in France – Wikipedia।

১৮১৫-১৬ শ্বেত সন্ত্রাস।

১৮২০ গুপ্তঘাতকদের হাতে খুন হলেন বেরির ডিউক। তড়িৎচুম্বকত্বের আইনগুলো প্রণয়ন করলেন আম্পেরে।

১৮২১ নেপোলীয়ন বোনাপার্তের মৃত্যু।

১৮২৪ আলোকচিত্র আবিষ্কার করলেন নিপসে।

১৮২৫ সিংহাসনে বসলেন দশম চার্লস।

১৮৩০ জুলাই ২৭-২৯ লেস ত্রোয়েস গ্লোরিউসেস, অভ্যুত্থানের তিন দিন।

আগস্ট ২ লুই-ফিলিপের পক্ষে সিংহাসন ছাড়তে বাধ্য হলেন দশম চার্লস। ফ্রান্সের রাজা হিসেবে মুকুট পরলেন প্রথম লুই-ফিলিপ। ফ্রান্সের আলজেরিয়া অভিযান শুরু।

হেক্টর বার্লিওজ, লা সিম্ফোনি ফ্যান্তাসতিক।
ভিক্টর হুগো, হার্নানি।

জুলাই রাজতন্ত্র
১৮৩০-৪৮

১৮৩০-৪৮ July Monarchy – Wikipedia।

১৮৩০-৪৯ চিত্রকলার রিয়েলিস্ট স্কুলের পথচলা শুরু।

১৮৩১ ফরাসি ফরেন লিজিয়ন প্রতিষ্ঠা করা হল।

দেলাক্রোয়া, লা লিবার্তে গাইদান্ত লে পিউপল।

১৮৩৩ গুইজো আইন প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা চালু করল।

১৮৩৪/১৮৩৫ অরিঁ দ্য বালজাক, লে পেরে গরিয়ত।

১৮৩৬ প্যারিসে আনুষ্ঠানিকভাবে আর্ক দে ত্রিয়োম্পের উদ্বোধন ঘটানো হলো।

১৮৩৬/১৮৩৭ প্যারিস ও সাঁ-জার্মেইন-এন-লায়ির মধ্যে রেলপথ চালু করা হলো।

১৮৪০ লেস ইনভ্যালিদেসে বোনাপার্তের দেহাবশেষ সমাধিস্থ করা হলো।

১৮৪০-৪৮ গুইজোর মন্ত্রণাকাল।

১৮৪১ ফরাসি মিশনারিদের দ্বারা এ বছর নাগাদ প্রায় ১০ লক্ষ ভিয়েতনামী খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত হলেন।

১৮৪৭ দা নাংয়ে ১০,০০০ ভিয়েতনামীকে হত্যা করে ফরাসিরা।

১৮৪৮ ফেব্রুয়ারি ফেব্রুয়ারি বিপ্লব।
২৪ গণঅসন্তোষের মুখে প্রথম লুই-ফিলিপের রাজত্বের অবসান। দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হলো।

জুন প্যারিসে শ্রমিক অভ্যুত্থান।

নভেম্বর ৪ প্রণীত হলো দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্রের সংবিধান।

ডিসেম্বর প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন বোনাপার্তের ভাগ্নে লুই-নেপোলীয়ন।

দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্র
১৮৪৮-৫২

১৮৪৮-৫২ French Second Republic – Wikipedia।

১৮৫০ শিক্ষা বিষয়ক ফ্যালুক্স আইন, নির্বাচনবিধি।

১৮৫১ নেপোলীয়ন বোনাপার্তের ভাগ্নে লুই-নেপোলিয়নের ক্যুদেতা।

ডিসেম্বর ২ লুই-নেপোলীয়ন নিজেকে তৃতীয় নেপোলীয়ন ঘোষণা করলেন। বনে গেলেন প্রেসিডেন্ট ফর লাইফ।

দ্বিতীয় সাম্রাজ্য
১৮৫২-৭০

১৮৫২-৭০ Second French Empire – Wikipedia।
* এক ক্যুদেতায় প্রেসিডেন্ট থেকে সম্রাট বনে গেলেন তৃতীয় নেপোলীয়ন।

১৮৫৩ প্যারিসকে নতুনভাবে নকশা করতে শুরু করলেন হাউজম্যান।

১৮৫৪ রুশ-ফরাসি যুদ্ধ।

১৮৫৫ প্যারিস প্রদর্শনী।

১৮৫৬ প্যারিসে শান্তি কংগ্রেস।

১৮৫৭ লুই ফেদের্ব কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হলো ডাকার বন্দর।

গুস্তাভ ফ্লবেয়ার, মাদাম বোভারি।
শার্ল বোদলেয়ার, লে ফ্ল্যুর দু মাল।

১৮৫৮ ফরাসি সম্রাট তৃতীয় নেপোলিয়ান ভিয়েতনামকে একটি আশ্রিত রাজ্যে পরিণত করার জন্য একটি নৌ অভিযাত্রিক দল প্রেরণ করলেন। ভিয়েতনামে ফরাসি উপনিবেশিক শাসনের সূচনা হল।

১৮৫৯ ফরাসি হানাদার বাহিনী সায়গন দখল করে নিলো। সুয়েজ খালের নির্মাণকাজ শুরু।

১৮৬০-৬৯ দ্বিতীয় সাম্রাজ্যের লিবারেল পর্ব শুরু। চিত্রকলার ইম্প্রেশনিস্ট স্কুলের পথচলা শুরু।

১৮৬০ স্যাভয় ও নিস দখল করে নিলো ফ্রান্স। গ্রেট ব্রিটেনের সাথে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।

১৮৬১ মেক্সিকোতে সামরিক অভিযান।

১৮৬২ সায়গন চুক্তি।*
* ফরাসিদের সাথে একটি অন্যায্য চুক্তিতে সই করতে বাধ্য হলেন ভিয়েতনামের শেষ স্বাধীন সম্রাট তু দাক। এই চুক্তিতে সায়গনের নিকটবর্তী তিনটি প্রদেশ ফরাসিদের হাতে তুলে দেয়া হয়। মেকং নদী ব্যবহার করে কম্বোডিয়ার সাথে বাণিজ্য করার অধিকারও লাভ করে ফরাসিরা।

কোচিন-চিনকে ফরাসি সাম্রাজ্যের সীমানাভুক্ত করে নেয়া হলো।

ভিক্তর উগো, লা মিজারেবল।

১৮৬২-৬৭ ফ্রান্সের মেক্সিকো অভিযান।

১৮৬৩ ফ্রান্সের একটি আশ্রিত রাজ্যে পরিণত হলো কম্বোডিয়া।

এদুয়ার মানে, ল্য দেজ্যনে সুর লের্ব।

১৮৬৩-১৯৫৩ কম্বোডিয়ায় ফরাসি ঔপনিবেশিক শাসনের কাল।

১৮৬৪ ধর্মঘটের আইনী স্বীকৃতি লাভ করলেন ফরাসি শ্রমিকেরা।

১৮৬৬ লুক্সেমবার্গের ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা নিয়ে ফ্রান্স আর প্রুশিয়ার মধ্যে যুদ্ধ বেঁধে যাওয়ার উপক্রম হলো। মেক্সিকো থেকে ফরাসি সেনা প্রত্যাহার করা হলো।

১৮৬৭ দ্বিতীয় লন্ডন চুক্তি। লুক্সেমবার্গ নিয়ে ফ্রান্স আর প্রুশিয়ার দ্বন্দ্বের অবসান। দেশটির স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতার নিশ্চয়তা দেয়া হল।

১৮৬৯ সুয়েজ খাল উন্মুক্ত করা হলো।

১৮৭০-৭১ ফ্রাঙ্কো-প্রুশীয় যুদ্ধ।*
* এই যুদ্ধে প্রুশিয়ার কাছে হেরে যায় ফ্রান্স। ধরা পড়েন নেপোলীয়ন। বিজয়ীরা প্যারিস দখল করে নেয়, ফরাসিদের ওপর কঠোর শর্তে শান্তি আরোপ করে; এবং পরাজিত ফ্রান্স আলজাস-লোরেইন হারায়।

১৮৭০ জুলাই ১৯ প্রুশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলো ফ্রান্স।

সেপ্টেম্বর ৪ সাম্রাজ্যের পতন। ঘোষণা করা হলো তৃতীয় প্রজাতন্ত্র।

তৃতীয় প্রজাতন্ত্র
১৮৭০-১৯৪০

১৮৭০-১৯৪০ French Third Republic – Wikipedia।

১৮৭১ মার্চ ১৮ প্যারি কমিউনের সূচনা।

মে ১০ ফ্রাঙ্কফুর্ট চুক্তি আলজাস-লোরেইনকে জার্মানির হাতে তুলে দিলো।
২৮ কমিউনার্ডরা পরাজিত হলেন।

মে প্যারি কমিউন।

১৮৭২ আলসাসে-লোরেইন দখল করে নিল জার্মানি।

১৮৭৩ লুই-নেপোলীয়নের মৃত্যু। স্যাক্রে-করের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হলো।

১৮৭৫ তৃতীয় প্রজাতন্ত্রের সংবিধানকে অনুমোদন দেয়া হলো।

ফেব্রুয়ারি ওয়ালোন সংশোধনী।

এ সময় জর্জ বিজেত লিখছেন কারমেন।

১৮৭৬ ফ্রান্সের আঙুরক্ষেতগুলো থেকে ছড়িয়ে পড়লো ফিলোজেরা মহামারী।

১৮৭৭ মে ১৬ প্রেসিডেন্ট মরিস দ্য ম্যাকমাহনের ক্যুদেতা প্রচেষ্টা। ব্যর্থ হয়। শুরু হলো প্রজাতন্ত্রের সংহতকরণ।

১৮৭৯ শিক্ষাসংস্কার শুরু করলেন ফেরি।

১৮৮০ নির্বাসিত কমিউনার্ডদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হলো।

১৮৮০-১৯০১ পশ্চিম ও ইকুয়েটোরিয়াল আফ্রিকায় ফরাসি সম্প্রসারণ।

১৮৮১ ফ্রান্সের একটি আশ্রিত রাজ্যে পরিণত হলো তিউনিসিয়া। ফ্রান্সে সেক্যুলার গণ শিক্ষাব্যবস্থা চালু করা হলো।

১৮৮২ গঠিত হলো লিগ দে পাত্রিওত।

১৮৮২-৮৩ ফরাসিরা হামলা চালিয়ে হ্যানয় দখল করে নিলো। তু দাকের মৃত্যু। ভিয়েতনামে রাজতন্ত্রের অবসান।

১৮৮৪ ফ্রান্সের ট্রেড ইউনিয়নগুলোকে আইনি বৈধতা দেয়া হলো।

১৮৮৫ জলাতঙ্ক বিরোধী প্রতিষেধক আবিষ্কার করলেন লুই পাস্তুর।

১৮৮৬ যুদ্ধমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেলেন বুলাঁজে।

১৮৮৭-৮৯ নির্মিত হলো ইফেল টাওয়ার।

১৮৮৮ প্রতিষ্ঠিত হলো পাস্তুর ইনস্টিটিউট।

১৮৮৯ জানুয়ারি প্যারিসে নির্বাচিত হলেন জর্জেস বুলাঁজে।

এপ্রিল বুলাঁজের দেশত্যাগ।

১৮৯২ নভেম্বর পানামা খাল কেলেঙ্কারি।

১৮৯৩ ভিয়েতনামকে তার পার্শ্ববর্তী দেশ কম্বোডিয়া আর লাওসের অধিকাংশ অঞ্চলের সাথে জুড়ে দিয়ে ফরাসিরা ইন্দোচীন ইউনিয়ন গঠন করলো।*
* ইতিহাসের পরিহাস হচ্ছে, এই তিনটি দেশেই ফরাসিরা দীর্ঘমেয়াদে মার খাবে, এবং প্রতিটি দেশেই কমিউনিস্টরা ক্ষমতা দখল করবে।

১৮৯৪ লুমিয়ের ভাইয়েরা নির্মাণ করলেন তাঁদের প্রথম সিনেমা।

ডিসেম্বর আলফ্রেড দ্রেইফুসকে দোষী সাব্যস্ত করা হলো।

পিয়েরে দে কোউবার্তিন কর্তৃক গঠিত হলো ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটি।

১৮৯৪-৯৯ দ্রেইফুস অ্যাফেয়ার।

১৮৯৫ প্রতিষ্ঠা করা হলো জেনারেল কনফেডারেশন অফ লেবার (Confédération Général du Travail-CGT: কনফেদেরাসিওঁ জেনেরাল দু ত্রাভাই-সিজিটি)।

১৮৯৬ মাদাগাস্কারকে ফ্রান্সের অন্তর্ভুক্ত করা হলো।

১৮৯৮ জানুয়ারি এমিল জোলা, জ্য’এক্যুজে।

১৮৯৯ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় কোর্ট-মার্শালেও দ্রেইফুস দোষী সাব্যস্ত হন।

১৯০০ রেডিয়াম আবিষ্কার করলেন পিয়েরে ও মেরি কুরি।

১৯০২ ক্লদ দ্যবুসি, পেলিয়াস এ মেলিসান্দে।

১৯০৩ টুর দ্য ফ্রান্সের সূচনা।

১৯০৪ ইঙ্গ-ফরাসি আঁতাত। দৈনিক ১০ ঘণ্টা কর্মদিবস আইন পাস।

১৯০৫ সেক্যুলারাইজেশন। ফ্রান্সে রাষ্ট্র আর গির্জাকে আলাদা করা হল। প্রতিষ্ঠা করা হল সেকসিয়ঁ ফ্রঁসেজ দ্য লঁতের্নাসিওনাল উভ্রিয়ের-এসএফআইও (Section Française de l’Internationale Ouvrière-SFIO)।

১৯০৭ ত্রয়ী শক্তির আঁতাত।*
* রুশ সাম্রাজ্য, ফ্রান্সের তৃতীয় প্রজাতন্ত্র, এবং গ্রেট ব্রিটেন ও আয়ারল্যান্ড যুক্তরাজ্যের মধ্যে অনানুষ্ঠানিক বোঝাপড়া।

১৯০৮ ভিয়েতনামীদের ফ্রি স্কুল মুভমেন্ট দমন করল ফরাসিরা।

১৯০৮ জর্জেস সোরেল, রেফ্লেক্সিওঁ সুর লা ভায়োলঁস।

১৯০৯ জোয়ান অফ আর্ককে বিয়াটিফাইড ঘোষণা করা হলো।

ইংলিশ চ্যানেলের ওপর দিয়ে উড়লেন লুই ব্লেরিও।

১৯১২ ফ্রান্সের একটি আশ্রিত রাজ্যে পরিণত হলো মরক্কো।

১৯১৩ বাধ্যতামূলক সামরিক সেবার মেয়াদ বাড়িয়ে তিন বছর করা হলো।

মার্সেল প্রুস্ত, রিমেমব্রেন্স অফ থিংস পাস্ট/ইন সার্চ অফ লস্ট টাইম, প্রথম খণ্ড।

১৯১৪-১৮ World War I – Wikipedia।

১৯১৪ জুন ২৮ সারায়েভোতে গুপ্তহত্যার শিকার হলেন অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির আর্চডিউক ফার্দিনান্দ।

জুলাই ৩১ গুপ্তঘাতকদের হাতে খুন হলেন জাঁ জরেস।

আগস্ট ৩ ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলো জার্মানি।
২২ আর্দেনেসে পরাজিত হলো ফরাসিরা।

সেপ্টেম্বর ৫-১২ মার্নের সমর।

১৯১৬ ফেব্রুয়ারি ২১ ভার্দুনের সমর শুরু হলো।

জুলাই-সেপ্টেম্বর সম্মের সমর।

ডিসেম্বর সর্বাধিনায়ক নিযুক্ত হলেন রবার্ট নিভেল।

১৯১৭ এপ্রিল ১৬ নিভেল আক্রমণ।

মে নিভেলকে বরখাস্ত করা হলো। ফরাসি সেনাবাহিনীতে বিদ্রোহ দেখা দিলো। নিয়োগ পেলেন ফশ ও পেতাঁ।

নভেম্বর গঠিত হলো জর্জেস ক্লেমেন্সুর সরকার।

১৯১৮-১৯ স্পেনীয় ইনফ্লুয়েঞ্জা মহামারীতে ফ্রান্সে বিপুলসংখ্যক মানুষের মৃত্যু।

১৯১৮ মার্চ-জুলাই লুডেনডর্ফ আক্রমণ।

জুলাই ১৮ ফশের পাল্টা আক্রমণ।

নভেম্বর ১১ যুদ্ধবিরতি।

১৯১৯ প্যারিস শান্তি সম্মেলন।

জুন ২৮ ভার্সাই চুক্তি সই।

১৯২০ ফরাসি কমিউনিস্ট পার্টি গঠন করা হল।*
* প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্যদের একজন ছিলেন হো চি মিন।

ডিসেম্বর তুর্সে সোশালিস্ট কংগ্রেস।

১৯২৩-২৫ বর্তমান জার্মানির রুর অঞ্চল এসময় ফরাসি দখলদারিত্বে ছিলো।

১৯২৩ জানুয়ারি রুর অঞ্চলে ফরাসি দখলদারিত্বের সূচনা।

১৯২৪ সুররিয়ালিজমের ইশতেহার জারি করলেন আদ্রে ব্রেতোঁ। ডাউয়েস পরিকল্পনা।

১৯২৫ জুলাই রুর অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু।

অক্টোবর লোকর্নো চুক্তি সই।

হো চি মিন, ফ্রেঞ্চ কলোনিয়ালিজম অন ট্রায়াল।

১৯২৮ সামাজিক নিরাপত্তা আইন প্রবর্তন করা হলো।

ম্যাজিনো লাইন নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হলো।

মরিস রাভেল, বোলেরো।

১৯২৯ ম্যাজিনো লাইনের নির্মাণ কাজ শুরু হলো।

অক্টোবর Wall Street crash of 1929 – Wikipedia।

১৯৩০ জুন রাইনল্যান্ড থেকে সেনা প্রত্যাহার করলো ফ্রান্স।

১৯৩৩ স্টাভিস্কি অ্যাফেয়ার।

১৯৩৪ ফেব্রুয়ারি ৬ ডানপন্থী লিগগুলো ক্ষমতা দখলের এক দুর্বল প্রচেষ্টা চালালো।
৯ পাল্টা বিক্ষোভ প্রদর্শন করলো বামপন্থীরা।

১৯৩৫ মে ফ্রাঙ্কো-সোভিয়েত চুক্তি নিয়ে আলোচনা সম্পন্ন হলো।

১৯৩৬ মার্চ রাইনল্যান্ডের পুনঃসামরিকায়ন।

এপ্রিল-মে আইনসভা নির্বাচনে জয়লাভ করলো পপুলার ফ্রন্ট। ধর্মঘট ও অবস্থান কর্মসূচি।

জুন প্রধানমন্ত্রী হলেন লিওঁ ব্লুম। ম্যাতিনিয়ঁ চুক্তি সই।

অক্টোবর ফ্রাঙ্কের অবমূল্যায়ন। স্পেনের গৃহযুদ্ধ।

১৯৩৬-৩৯ স্পেনীয় গৃহযুদ্ধ যেন অ্যান্ডোরায়ও ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য দেশটিতে ফরাসি সেনা পাঠানো হলো।

১৯৩৬-৩৮ পপুলার ফ্রন্ট সরকার।

১৯৩৭ ফেব্রুয়ারি সংস্কারের পথে “বিরতি” নেয়ার ঘোষণা দিলেন ব্লুম।

জুন ব্লুম সরকারের পতন।

জঁ রেনোয়ার, লা গ্রঁদ ইল্যুজিয়ঁ।

১৯৩৮ সেপ্টেম্বর ২৯ মিউনিখ সম্মেলন।

*******

১৯৩৯-৪৫ World War II – Wikipedia।

১৯৪০ নাৎসি জার্মানি ফ্রান্স দখল করে নিল। দক্ষিণপূর্ব ফ্রান্সে দালাল ভিকি সরকারকে ক্ষমতায় বসানো হল। দ্য গল প্রতিষ্ঠা করলেন দা ফ্রি ফ্রেঞ্চ।

১৯৪৩ জাঁ-পল সার্ত্র, বিয়িং অ্যান্ড নাথিংনেস।

১৯৪৪ জুন ৬ ডি-ডে অবতরণ, নর্ম্যান্ডিতে নামল মিত্রপক্ষ।

আগস্ট ২৫ প্যারিসের মুক্তি। প্রাপ্তবয়স্ক ফরাসি নারী নাগরিকদেরকে ভোটাধিকার দেয়া হল।

১৯৪৫ অক্টোবর গণভোটের মাধ্যমে তৃতীয় প্রজাতন্ত্রের অবসান ঘটান হল। ফরাসি নারীরা প্রথমবারের মত পৌরসভা নির্বাচনে ভোট দেয়ার অধিকার পেলেন। ইঙ্গ, ফরাসি, মার্কিন, ও সোভিয়েত দখলদারিত্বে অস্ট্রিয়া।

১৯৪৫/৪৬ ফরাসিদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু হল।

১৯৪৫-৭৫ টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির তিন দশক।

১৯৪৬ লাওসের ওপর ফরাসি নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হল, যুদ্ধোত্তর কম্বোডিয়া পুনরায় ফ্রান্সের প্রটেক্টরেটে পরিণত হল। ফরাসি উপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামে নামলেন কম্বোডিয়ার কমিউনিস্ট গেরিলারা। প্রথম ইন্দোচীন যুদ্ধ, ফরাসিদের সাথে ভিয়েত মিনদের (ভিয়েতনাম স্বাধীনতা লীগ) যুদ্ধ শুরু।

চতুর্থ প্রজাতন্ত্র
১৯৪৬-৫৮

১৯৪৬-৫৮ French Fourth Republic – Wikipedia।

১৯৪৯ গঠিত হল নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (ন্যাটো)।*
* ন্যাটোর আনুষ্ঠানিক ভাষা দুইটি: ইংরেজি আর ফরাসি। ফরাসিতে সংগঠনটির নাম Organisation du Traité de l’Atlantique Nord. সংক্ষিপ্ত রূপ OTAN.

সিমন দ্য বোভোয়ার, দা সেকেন্ড সেক্স।

১৯৫০ ফরাসিদের ব্যাপারে লাওদের ক্রমবর্ধমান অসন্তোষ আর ভিয়েতনামীদের সাথে ফরাসিদের যুদ্ধের প্রেক্ষিতে লাওসকে সীমিত আকারে স্বায়ত্তশাসন দিল ফ্রান্স।

১৯৫১ প্যারিস চুক্তি, গঠিত হল ইওরোপীয় কয়লা ও ইস্পাত সম্প্রদায়।

১৯৫৩ ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করল কম্বোডিয়া। সিহানুকের অধীনে ঘোষিত হল কম্বোডিয়া রাজ্য। দিয়েন বিয়েন ফুর ঐতিহাসিক সমর শুরু হল।

১৯৫৪ মে ৭ ৫৫ দিনের যুদ্ধ শেষে ভিয়েতনামীদের হাতে দিয়েন বিয়েন ফুর ফরাসি ঘাঁটির পতন ঘটল। পরাজিত ফরাসি বাহিনী ভিয়েতনামীদের কাছে আত্মসমর্পণ করল। ভিয়েতনামে ফরাসি উপনিবেশিক শাসনের আনুষ্ঠানিক পরিসমাপ্তি।

ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করল লাওস।

নভেম্বর ফরাসি শাসনের বিরুদ্ধে আলজেরিয়ার স্বাধীনতাযুদ্ধ শুরু হল।

১৯৫৪-৬২ আলজেরিয়ার স্বাধীনতাযুদ্ধ।

১৯৫৫ অস্ট্রিয়াকে পশ্চিমা ব্লক আর সোভিয়েত ব্লকের মধ্যে একটি বাফার জোন হিসাবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে একটি চুক্তি সাক্ষরিত হল।

১৯৫৬ ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতালাভ করল মরোক্কো আর তিউনিসিয়া।

১৯৫৭ রোম চুক্তি, গঠিত হল ইওরোপীয় অর্থনৈতিক সম্প্রদায়।

১৯৫৮ জানুয়ারি ১ ইওরোপীয় অর্থনৈতিক সম্প্রদায়ে (ইইসি) যোগ দিল ফ্রান্স।

জুন ১ শার্ল দ্য গল একটি সরকার গঠন করলেন।

সেপ্টেম্বর ২৮ গণভোটে পঞ্চম প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দেয়া হল।

পঞ্চম প্রজাতন্ত্র
১৯৫৮-বর্তমান

১৯৫৮-বর্তমান French Fifth Republic – Wikipedia।

১৯৬০ জানুয়ারি “নয়া ফ্রাঙ্ক” প্রবর্তন করা হল।

ফেব্রুয়ারি প্রথম ফরাসি আণবিক বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হল। আফ্রিকার ১৪টি ফরাসি উপনিবেশকে স্বাধীনতা দেয়া হল।

১৯৬১ প্রেসিডেন্ট শার্ল দ্য গলের বিরুদ্ধে ব্যর্থ ক্যুদেতা প্রচেষ্টা।

১৯৬২ ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করল আলজেরিয়া। প্রাপ্তবয়স্ক ফরাসি নাগরিকদেরকে সর্বজনীন ভোটাধিকার দেয়া হল। প্রেসিডেন্ট পদে প্রত্যক্ষ নির্বাচন অনুমোদন লাভ করল।

১৯৬৮ মে মে সিক্সটি-এইট, ফ্রান্সে ছাত্র ও শ্রমিক অভ্যুত্থান।

১৯৬৯ এপ্রিল প্রেসিডেন্টের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন শার্ল দ্য গল।

জুন ফ্রান্সের নতুন প্রেসিডেন্ট হলেন জর্জেস পম্পিদু।

১৯৭১ এপিনেতে সমাজতন্ত্রী দল প্রতিষ্ঠা করা হল।

১৯৭২ ফ্রান্সের নারী নাগরিকদেরকে আইনী সমঅধিকার দেয়া হল।

১৯৭৪ মে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হল গিসকার্ড এস্তাইং।

১৯৭৫ গর্ভপাতকে বৈধতা দিয়ে ওয়েইল আইন পাশ হল।

১৯৭৬ (Rassemblement du Peuple Français: রাসেমব্লেমেন্ত দ্যু পিউপেল ফ্রসেঁ) প্রতিষ্ঠা করা হল।

১৯৮১ এপ্রিল-মে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন সমাজতন্ত্রী ফ্রাসোয়া মিতেরাঁ।

১৯৮৫ ফ্রান্সে নারী নাগরিকদেরকে পূর্ণ পারিবারিক অধিকার দেয়া হল।

১৯৮৬ ফরাসিভাষী দেশগুলোর প্রথম সম্মেলন।

মার্চ প্রথমবারের মত গঠিত হল ‘কোহ্যাবিটেশন’ সরকার।

১৯৮৮ প্রেসিডেন্ট হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হলেন ফ্রাসোয়া মিতেরাঁ।

১৯৯১ মে ফ্রান্সের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এডিথ কার্সন সরকার গঠন করলেন।

কম্বোডিয়া সংকট নিরসনে প্যারিসে একটি শান্তি চুক্তি সই হল।

১৯৯২ ফেব্রুয়ারি ম্যাসট্রিচ চুক্তি, গঠিত হল একটি ইওরোপীয় অর্থনৈতিক ও মুদ্রাবিষয়ক সম্প্রদায়।

১৯৯৩ মার্চ ফ্রান্সে আইনসভা নির্বাচনে মধ্য-ডানপন্থীরা জয়লাভ করলেন, দ্বিতীয়বারের মত গঠিত হল ‘কোহ্যাবিটেশন’ সরকার। ফ্রান্স আর স্পেন অ্যান্ডোরায় দূতাবাস স্থাপন করল।

১৯৯৪ প্রথম ফরাসি হিসেবে মানবতা বিরোধী অপরাধের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হলেন পল তউভিয়ে।

১৯৯৫ মার্চ ২৬ শেনগেন জোনে যোগ দিল ফ্রান্স।

এপ্রিল-মে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট হলেন রক্ষণশীল রাজনীতিক জ্যাক শিরাক।

জুন প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ফ্রান্সের চালানো পারমাণবিক পরীক্ষাগুলো তীব্র আন্তর্জাতিক নিন্দার শিকার হল।

জুলাই প্যারিসে সন্ত্রাসবাদীদের বোমা হামলা।

ইওরোপীয় সম্প্রদায়ের (ইসি) নাম বদলে ইওরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) রাখা হল।

১৯৯৭ ফ্রান্সে আইনসভা নির্বাচনে বামপন্থীরা জয়লাভ করলেন, তৃতীয়বারের মত গঠিত হল ‘কোহ্যাবিটেশন’ সরকার।

২০০১ প্রতিটি ফরাসি ওয়েব পেজ আনুষ্ঠানিকভাবে সংরক্ষণ করা বাধ্যতামূলক ঘোষণা করে একটি আইন পাশ করলো ফরাসি সরকার।

বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা বিলুপ্ত করা হলো।

২০০২ জানুয়ারি ২ আনুষ্ঠানিক মুদ্রা হিসেবে ফ্রাঙ্ককে প্রতিস্থাপিত করল ইওরো।

মে দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন জ্যাক শিরাক। (Union pour un Mouvement Populaire-UMP: ইউনিয়ন পৌ উন মুয়েভমেন্ত পপুলেয়া – ইউএমপি) গঠন করা হলো।

২০০৩ সাংবিধানিক সংশোধনীর মধ্য দিয়ে অঞ্চল ও ডিপার্টমেন্টগুলোর মধ্যে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ঘটানো হলো।

আগস্ট তীব্র দাবদাহে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু।

২০০৪ মার্চ ১৫ ফ্রান্সের ইশকুলগুলোতে “দৃশ্যমান” ধর্মীয় প্রতীক ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলো একটি আইন। আইনটি মূলত হিজাবকে নিশানা করে। তবে এটি ইহুদি ও খ্রিস্টধর্মীয় প্রতীকগুলোকেও নিষিদ্ধ করে।

২০০৫ মে প্রস্তাবিত ইওরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) সংবিধানকে গণভোটে পরাজিত করা হল।

অক্টোবর-নভেম্বর 2005 French riots – Wikipedia।

২০০৬ মার্চ-এপ্রিল ব্যাপক প্রতিবাদের মুখে তরুণ বেকারত্ব আইন বর্জন করা হল।

জুন নতুন অভিবাসন আইন বিধিনিষেধ জোরদার করল।

২০০৭ মে ১৫ ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন নিকোলা সারকোজি।

নভেম্বর বেতন সংকোচন ও অবসরভাতা সংস্কারের বিরুদ্ধে ফরাসি কর্মচারীরা ধর্মঘটে নেমে দেশ অচল করে দিলেন।

২০০৮ ফেব্রুয়ারি লিসবন চুক্তি অণুসমর্থিত।

জুলাই ইউ প্রেসিডেন্সির দায়িত্ব হাতে নিল ফ্রান্স।

অক্টোবর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেলেন জাঁ-মারি লে ক্লেজিও।

২০০৯ ফেব্রুয়ারি অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে প্রণোদনা কর্মসূচি হাতে নিল সরকার।

২০১০ আগস্ট ফ্রান্স অবৈধ রোমা ক্যাম্পগুলো ভেঙে দিল এবং তাঁদের বাসিন্দাদের রোমানিয়া ও বুলগেরিয়ায় ফেরত পাঠাল।

সেপ্টেম্বর ফরাসি সরকার অবসরে যাওয়ার বয়স ৬০ থেকে বাড়িয়ে ৬২ করল, যা ২০১৮ সাল থেকে বলবৎ হবে।
১৪ ফ্রান্সের সিনেটে জনসমক্ষে মুখ ঢেকে রাখা নিষিদ্ধ করে একটি আইন পাস হলো। এর আগে ২০১০ সালের ১৩ জুলাই ফ্রান্সের জাতীয় পরিষদে আইনটি পাস হয়েছিলো। আইনটি মূলত বোরকা ও নিকাবকে লক্ষ্য করেই প্রণীত হয়; প্রেসিডেন্ট সারকোজি ফ্রান্সে যেসবের উপস্থিতি “অনাকাঙ্ক্ষিত” বলে ঘোষণা করেছিলেন।

২০১১ মার্চ মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে ক্ষমতাচ্যুত করার লক্ষ্যে লিবিয়ায় ন্যাটো হস্তক্ষেপের নেতৃত্ব দিলো ফ্রান্স।

এপ্রিল মুখঢাকা নিকাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলো ফ্রান্স।

অক্টোবর ২০ নিহত হলেন গাদ্দাফি।

২০১২ মে ৬ ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন ফ্রাসোয়া ওলাঁ।

এলাইন আর. টমাস, ইমিগ্রেশন, ইসলাম, অ্যান্ড দ্য পলিটিকস অফ বিলোংগিং ইন ফ্রান্স: আ কমপেয়ারেটিভ ফ্রেমওয়ার্ক।

২০১৩, জানুয়ারি ১১-১৫ জুলাই, ২০১৪ Operation Serval – Wikipedia।

২০১৩ মে ১৮ ফ্রান্সে আইনী বৈধতা পেলো সমকামী বিবাহ।

২০১৪ সেপ্টেম্বর প্রথমবারের মত ফরাসি সিনেটে আসন জিতল উগ্রডানপন্থী রাজনৈতিক দল দ্য ন্যাশনাল ফ্রন্ট (এফএন)।

মায়ান্থি এল. ফার্নান্দো, দ্য রিপাবলিক আনসেটেলড: মুসলিম ফ্রেঞ্চ অ্যান্ড দ্য কন্ট্রাডিকশনস অফ সেক্যুলারিজম।

২০১৫ জানুয়ারি ৭ Charlie Hebdo shooting – Wikipedia।
১০-১১ শার্লি হেবদোতে সন্ত্রাসী হামলার পর সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে এবং বাকস্বাধীনতার সমর্থনে সারা দেশজুড়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করলেন প্রায় ৩৭ লক্ষ মানুষ।

নভেম্বর ১৩ প্যারিসে একাধিক নিশানায় হামলা চালানোর জন্য আত্মঘাতী বোমারুদের তিনটি দল পাঠালো কথিত ইসলামিক স্টেট গ্রুপ। যার মধ্যে রয়েছে একটি ফুটবল স্টেডিয়াম, একটি কনসার্ট ও বেশ কয়েকটি রেস্তোরাঁ। এতে ১২০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হন।

২০১৬ জুলাই ১৪ 2016 Nice truck attack – Wikipedia।

২০১৭ মে ১৪ ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন উদারনীতিক ইমানুয়েল মাখোঁ।

২০১৮ এপ্রিল রেল শ্রমিকরা ৩ মাসের জন্য ধর্মঘটে গেলেন।

পল এ. সিলভারস্টেইন, পোস্টকলোনিয়াল ফ্রান্স: দ্য কোশ্চেন অফ রেস অ্যান্ড দ্য ফিউচার অফ দ্য রিপাবলিক।
জেমস উলফ্রেইজ, রিপাবলিক অফ ইসলামোফোবিয়া: দ্য রাইজ অফ রেসপেক্টেবল রেসিজম ইন ফ্রান্স।
পার-এরিক নিলসন, আনভেইলিং দ্য ফ্রেঞ্চ রিপাবলিক: ন্যাশনাল আইডেন্টিটি, সেকুলারিজম, অ্যান্ড ইসলাম ইন কনটেম্পোরারি ফ্রান্স।

২০১৮, নভেম্বর ১৭-২৮ জুন, ২০২০ Yellow vests protests – Wikipedia।

২০২০ সেপ্টেম্বর ১ শার্লি হেবদো ঘোষণা দিল, পূর্বপ্রকাশিত ইসলামের নবি বিষয়ক কার্টুনগুলো তারা পুনঃপ্রকাশ করতে যাচ্ছে।
২ ২০১৫ সালের প্যারিস আক্রমণের বিচার শুরু হল।
২৫ শার্লি হেবদোর পুরনো অফিসের সামনে কাটারিধারীর হামলা, এই হামলায় ২ জন জখম হন।

অক্টোবর ২ মাখোঁ বললেন, ইসলাম একটি “সংকটে থাকা ধর্ম”।
৫ ইতিহাস বিষয়ের ইশকুলশিক্ষক স্যামুয়েল পেটি তাঁর ক্লাসে শিক্ষা উপকরণ হিসেবে কার্টুনগুলো ব্যবহার করলেন।
৭ পেটির এক ১৩-বছর-বয়সী শিক্ষার্থীর বাবা মেয়ের কাছ থেকে ঘটনা শুনে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে পেটির সমালোচনা করে পোস্ট দিলেন এবং ইসলামপন্থী নেতা আবদেলহাকিম সেফরুইকে সাথে নিয়ে ইশকুলের হেডমিস্ট্রেসের কাছে পেটির নামে বিচার দিতে গেলেন।
৮ পেটির বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফিক ছবি বিতরণের অভিযোগ দায়ের করলেন উক্ত শিক্ষার্থীর বাবা, পেটি মানহানির পাল্টা অভিযোগ দায়ের করলেন।
১২ পেটির সমালোচনা করে একটা ইউটিউব ভিডিও পোস্ট করা হল, যাতে ছিলেন আবদেলহাকিম সেফরুই।
১৬ আবদুল্লাখ আবুইয়েজিদোভিচ আনজোরোভ নামের এক চেচেন-রুশ মুসলমান শরণার্থী প্রকাশ্যে স্যামুয়েল পেটির শিরশ্ছেদ করলেন। মুহূর্ত পরেই পুলিশের গুলিতে তিনি নিহত হন।
১৭-১৮ স্যামুয়েল পেটির সম্মানে ও বাকস্বাধীনতার পক্ষে ফ্রান্সের হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এলেন।
১৯ ফ্রান্সের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী জেরাল্ড ডারমানিন উক্ত শিক্ষার্থীর বাবা ও আবদেলহাকিম সেফরুইয়ের বিরুদ্ধে পেটি হত্যার ফতোয়া ইস্যু করার অভিযোগ আনলেন। ফরাসি পুলিশ ইসলামপন্থীদের ওপর ধরপাকড় শুরু করল।
২০ প্যারিসের পান্তিন মসজিদ বন্ধ করে দেয়া হল।
২২ স্যামুয়েল পেটিকে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার লেজিওঁ দনর প্রদান করা হল।
২৪ তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেসিপ তাইয়েপ এরদোয়ান বললেন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর “মানসিক চিকিৎসা” দরকার। বহু মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীরা ফরাসি পণ্য বর্জন করার ডাক দিলেন।
২৮ এরদোয়ানের একটা কার্টুন প্রকাশ করল শার্লি হেবদো। এরদোয়ান বললেন, পশ্চিমারা নতুন ক্রুসেডে নামতে চায়।
২৯ নিসে এক ছুরিধারীর আক্রমণে ৩ জন নিহত। কয়েক ঘন্টা পরেই আভিননের নিকটবর্তী মন্তফাভেতে বন্দুক হাতে পথচারীদের হুমকি দেয়া এক ব্যক্তি পুলিশের গুলিতে নিহত হলেন।

নাদিয়া কিওয়ান, সেকুলারিজম, ইসলাম অ্যান্ড পাবলিক ইন্টেলেকচুয়ালস ইন কনটেম্পোরারি ফ্রান্স।

২০২২ এপ্রিল দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন ইমানুয়েল মাখোঁ।

২০২৩ এপ্রিল ফরাসি প্রজিকিউটররা পেটি হত্যার জন্য ১৪ জনকে বিচারের জন্য খুঁজছে বলে জানা গেল।

আবদেল্লালি হাজ্জাত ও মারওয়ান মোহাম্মদ, স্টিভ গার্নার কর্তৃক অনূদিত, ইসলামোফোবিয়া ইন ফ্রান্স: দ্য কনস্ট্রাকশন অফ দা “মুসলিম প্রবলেম”।

২০২৪ জানুয়ারি-জুন 2020s French farmers’ protests – Wikipedia।

২০২৫ জানুয়ারি ৬ ব্রিটানি অঞ্চলে এমপক্স ভাইরাসের ক্লেড ১বি ধরনের প্রথম সংক্রমণ শনাক্ত হলো। আক্রান্ত ব্যক্তি মধ্য আফ্রিকা সফর করে আসা কয়েকজন লোকের সংস্পর্শে এসেছিলেন।
সাহেল অঞ্চলে সশস্ত্র ইসলামপন্থী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে ফ্রান্সের সামরিক হস্তক্ষেপকে সঠিক সিদ্ধান্ত বললেন প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ। এ সময় তিনি আরও বলেন, ওই অঞ্চলের দেশগুলোর কাছ থেকে এখনো “ধন্যবাদ” পাওয়ার অপেক্ষায় আছেন। তবে ফরাসি সেনাবাহিনীকে অত্র অঞ্চল থেকে জোর করে বের করে দেয়া হয়েছে এ কথা তিনি অস্বীকার করেন।
১১ স্ত্রাসবুর-ভিল রেলস্টেশনে দুটি ট্রামের সংঘর্ষে ৬৮ জন আহত।
১৫ ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চল ও অ্যান্টার্কটিক ভূখণ্ডের আমস্টারডাম দ্বীপে দাবানল ছড়িয়ে পড়লো। ৩১ জন বাসিন্দাকেই সরিয়ে নেয়া হয়। ১০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে দ্বীপটির ৪৫ শতাংশ এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
১৬ বাম দল লা ফ্রঁস আঁসমিজের (এলএফআই) আনা অনাস্থা প্রস্তাবে টিকে গেলেন প্রধানমন্ত্রী ফ্রাঁসোয়া বায়রু।
২৪ ২০২০ সালের প্যারিসের ছুরিকাঘাতের ঘটনায় জড়িত পাকিস্তানি নাগরিক জহির মাহমুদকে হত্যাচেষ্টা ও সন্ত্রাসী ষড়যন্ত্রের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হলো।
মাদক পাচারের অভিযোগে ২০০৭ সাল থেকে ইন্দোনেশিয়ায় মৃত্যুদণ্ডের অপেক্ষায় থাকা ফরাসি নাগরিক সের্ঝ আতলাউইকে দেশে ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়ে একটি চুক্তি সই করলো ইন্দোনেশিয়া ও ফ্রান্স।
২৯ ফরাসি আল্পসের ভাল-সেনি এলাকায় তুষারধ্বসে ৪ নরওয়েজীয় স্কিয়ারের মৃত্যু।

ফেব্রুয়ারি ১ বুঁফমোঁ শহরের এক বৃদ্ধনিবাসে আগুন লেগে ৩ ব্যক্তির মৃত্যু।

তথ্যসূত্র

BBC.

European Union.

Jett, Stephen C. and Roberts, Lisa. 2003. France. Chelsea House.

Haine, W. Scott. 2019. The History of France. 2nd ed. Greenwood.

Raymond, Gino. 2008. Historical Dictionary of France. The Scarecrow Press.

State, Paul F. 2010. A Brief History of France. Facts On File.

Wikipedia
The Free Encyclopedia
https://www.wikipedia.org

নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।

অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ

দিব্যপ্রকাশ । বাতিঘর । বইবাজার । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী । বুক হাউজ । ওয়াফিলাইফ । রকমারি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *