আলবেনিয়া

Spread the love

Featured Image: Wikipedia Commons.

বিশ্ব মানচিত্র ব্লগ

পূর্বসাল

৬৯৯-৬০০ এপিডামনোস* আর অ্যাপোলোনিয়ায় গ্রিকরা উপনিবেশ স্থাপন করল।
* ডুরেস নামেও পরিচিত।

২৭২ এপিরুসে মলোসসির রাজা পাইরহুসের মৃত্যু।

২২৯ ইলিরিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল রোম। বলকানে প্রথমবারের মত সামরিক বাহিনী পাঠাল। ডুরেস রুমিদের হেফাজতে চলে এল।

২২৭ রুমিদের কাছে আত্মসমর্পণ করলেন ইলিরীয় রানী লেজহার তেউতা।

১৬৮ স্খোদরার শেষ ইলিরীয় রাজা জেনথিয়াসকে সম্পূর্ণরূপে পরাস্ত করল রোমক বাহিনী।

১৬৭ রুমিরা আলবেনিয়া দখল করে নিল, কালক্রমে দেশটি রোমক সাম্রাজ্যের অংশ হয়ে যাবে।

৪৮ রোমের প্রথম গৃহযুদ্ধ চলাকালে ডুরেসের উপকূলে জুলিয়াস সীজার আর পম্পেইয়ের মধ্যে নৌ সমর।

সাল

৩৯৫ রোমক সাম্রাজ্য পূর্ব পশ্চিমে ভাগ হয়ে গেল। ইলিরিকামকেও পূর্ব পশ্চিমে ভাগ করে ফেলা হয়। এপিরুস, দার্দানিয়া, ও মোয়েসিয়া প্রদেশ বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের* অন্তর্ভুক্ত হল।
* রোমক সাম্রাজ্যের ভাঙন পরবর্তী পূর্ব রোমক সাম্রাজ্য বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য ((Βασιλεία Ρωμαίων) নামে পরিচিত। এখানে বাইজেন্টাইন বলতে সাম্রাজ্যটির শাসকদেরকে বোঝাবে। বাইজেন্টাইনের কেন্দ্র ছিল কনস্টান্টিনোপল, বর্তমান তুরস্কের ইস্তানবুল।

৬০০ আলবেনিয়া স্লাভিক গোষ্ঠীর আক্রমণ ও বসতিস্থাপন।

৮৫১ আলবেনিয়ায় বুলগেরীয় আক্রমণ।

১০১৮ বুলগেরীয়দের তাড়িয়ে দেয়া হল, বাইজেন্টাইন শাসন পুনর্বহাল।

১০৩৮ বাইজেন্টাইন ঐতিহাসিক মাইকেল আত্তালেইয়াতেস প্রথমবারের মত আলবেনীয়দের কথা উল্লেখ করলেন।

১০৪৩ মন্টেনেগরিন জেতার স্লাভিক শাসকেরা স্খোদরা জয় করলেন।

১০৫৪ পশ্চিমের রোমক ক্যাথলিকবাদ আর প্রাচ্যের বাইজেন্টাইন অর্থোডক্সি মধ্যকার মহা বিভাজনের কারণে আলবেনীয় ভূখণ্ড বিভক্ত হয়ে গেল।

১০৮১-৮৫ আলবেনিয়ায় নরম্যান রাজত্ব।

১০৮১ ডুরেসে অবরোধ দিলেন আপুলিয়ার ডিউক রবার্ট গিসকার্ড দে হটেভিল ও সেখানকার বাইজেন্টাইন শাসককে পরাজিত করলেন।

১০৯৬ প্রথম ক্রুসেডের সেনাবাহিনী আলবেনিয়ার ভেতর দিয়ে গেল ও যেতে যেতে ধবংসযজ্ঞ চালাল।

১১৮০ স্খোদরা নিয়ে নিল স্তেপান নেমানজার সার্ব রাজবংশ।

১১৯০ প্রতিষ্ঠিত হল আরবানন রাজ্য, রাজধানী ছিল ক্রুজা।

১১৯০-১২৫৭ আরবানন প্রিন্সিপালিটি, ইতিহাসের প্রথম নথিবদ্ধ আলবেনীয় রাষ্ট্র।

১২০৪ চতুর্থ ক্রুসেডের সময় ইস্তানবুলে লুটতরাজ চালানো শেষ হলে সাময়িকভাবে হলেও পূর্ণ রাজনৈতিক স্বাধীনতা অর্জন করল আরবানন।

১২০৫ ভেনেশীয় বাহিনীগুলো ডুরেসের দখল নিল।

১২৪৮ ফ্রান্সিসকান অর্ডারের মঙ্করা আলবেনিয়ায় এলেন।

১২৫৭ একটি আলবেনীয় অভ্যুত্থানের কথা উল্লেখ করলেন বাইজেন্টাইন ঐতিহাসিক জর্জ অ্যাক্রোপোলাইটস।

১২৬৭ ডুরেসে একটি তীব্র ভূমিকম্পের কথা উল্লেখ করলেন বাইজেন্টাইন ঐতিহাসিক জর্জ পাখিমেরিস।

১২৬৯ ভ্লোরায় পা রাখলেন আনজুর চার্লস।

১২৭২ আলবেনিয়া রাজ্য (Regnum Albaniæ : Mbretëria e Arbërisë) ঘোষণা করলেন আনজুর চার্লস।

১২৮৫ দুব্রোভনিকে আলবেনীয় ভাষা প্রথমবারের মত উল্লেখকৃত হল।

১৩০৮ এ সময় থেকে পাওয়া “অ্যানোনিমাস ডেসক্রিপশন অফ ইস্টার্ন ইওরোপ” নামের একটি দলিলে আলবেনিয়া রাজ্যের বিবরণ পাওয়া গেছে।

১৩২২ আলবেনিয়া সফর করলেন আইরিশ মঙ্ক সিমন ফিৎজসিমনস।

১৩৩২ এ সময় থেকে পাওয়া Directorium ad passagium faciendum নামের একটি দলিলে আলবেনিয়া রাজ্যের বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া গেছে।

১৩৪৩-৫৫ আলবেনিয়ায় এ সময় স্তেফান দুশানের সার্ব রাজত্ব চলছে।

১৩৫৯-৮৮ আলবেনিয়ায় রাজকুমার চার্লস থোপিয়ার রাজত্বকাল।

১৩৮৫ সেপ্টেম্বর সাভরার সমর। ওসমানি সুলতানশাহির হাতে স্থানীয় শাসকদের পরাজয়। অধিকাংশ স্থানীয় শাসক ওসমানিদের সামন্তে পরিণত হল।

১৩৮৯ জুন ২৮ কসোভো পোলজের যুদ্ধ। সার্ব নেতৃত্বাধীন একটি বলকানি জোটকে পরাজিত করল ওসমানিরা। বলকানের নতুন শাসক হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করল।

১৩৯২ ভেনিশীয়রা দখল করে নিল ডুরেস।

১৩৯৩ ওসমানিদের স্খোদরা বিজয়।

১৩৯৬ স্খোদরা পুনরায় জয় করল ভেনেশীয়রা।

১৪০৫ আলবেনিয়ার জাতীয় বীর বিবেচিত সেকান্দার বেগের জন্ম।

১৪১৫ ওসমানিদের হাতে ক্রুজা দুর্গের পতন ঘটে।

১৪১৫-৩১ আলবেনিয়াকে ধীরে ধীরে ওসমানি সুলতানশাহির অন্তর্ভুক্ত করে নেয়া হল।

১৪১৭ ওসমানিদের দ্বারা ভ্লোরা, কানিনা ও বেরাত জয়।

১৪১৯ ওসমানিদের জিরোকাস্ত্রা জয়।

১৪৩১ সানজাক-ই আরনাভিদ। প্রতিষ্ঠিত হল আলবেনিয়ার ওসমানি সানজাক।

১৪৩২ ওসমানিদের বিরুদ্ধে জর্জ আরিয়ানিতির অভ্যুত্থান শুরু।

১৪৩৮ ক্রুজা দুর্গের সামরিক অধিনায়ক নিযুক্ত হলেন সেকান্দার বেগ।

১৪৪৩-৬৮ সেকান্দার বেগের অভ্যুত্থান।

১৪৪৪-৬৮ নিসের যুদ্ধ। ভার্না ক্রুসেডের অংশ এই যুদ্ধে ওসমানিরা হারে। জনৈক আলবেনীয় সামন্তপ্রভু ও সামরিক অধিনায়ক জের্জ কাস্ত্রিওতি স্ক্যান্দারবেগ লীগ অফ লেঝের অধীনে আলবেনীয় শাসকদের একতাবদ্ধ করেন। ওসমানি শাসনের বিরুদ্ধে আড়াই দশকের সংগ্রামের শুরুয়াত।

১৪৪৮ আলবেনীয় শরণার্থীরা ইতালির দক্ষিণাঞ্চলে বসতিস্থাপন করলেন।

১৪৬২ বাপ্তাইজকরণের সূত্র আলবেনীয় ভাষায় নথিবদ্ধ করা হল।

১৪৬৬ এলবাসান দুর্গ পুনর্নির্মাণ করলেন সুলতান মেহমেত।

১৪৬৮ জানুয়ারি ১৭ সেকান্দার বেগের মৃত্যু।

১৪৭৮ ওসমানিদের হাতে ক্রুজার পতন।

১৪৭৯ জানুয়ারি দীর্ঘ অবরোধ শেষে ওসমানিদের হাতে স্খোদরার পতন।

১৪৯২ নির্মিত হল বেরাতের সুলতান মসজিদ।

১৪৯৫ নির্মিত হল কোর্চের মিরাহর মসজিদ।

১৪৯৭ ডুরেসের এক বিবরণে আর্নল্ড ভন হার্ফের তীর্থযাত্রার কথা নথিবদ্ধ হল, নোটগুলো আলবেনীয় ভাষায়।

১৫০১ ওসমানির হাতে ডুরেসের পতন।

১৫০৪ মারিনাস বার্লেটিয়াস, অন দ্য সিয়েজ অফ স্খোদরা

১৫১৫ জন মুসাছির বিবরণ।

১৫৩১ ভ্লোরায় একটি দুর্গ নির্মাণ করলেন সুলতান সোলেমান।

১৫৩২-৩৩ ওসমানি দখলদারিত্বের পর মোরিয়া (পেলোপোনিজ) থেকে আলবেনীয়রা ইতালিতে পালিয়ে যান।

১৫৩৭-৪২ ভ্লোরার মুরাদ মসজিদ নির্মাণ।

১৫৫৫ প্রকাশিত হল আলবেনীয় ভাষার প্রথম বই জন বুজুকুর মিসাল।

১৫৯১ আলবেনিয়া জুড়ে ভেনিশীয় রাষ্ট্রদূত লরেঞ্জো বার্নার্দোর সফর।

১৫৯২ ইতালো-আলবেনীয় পুরোহিত লেকে মাতরেঞ্জা আলবেনীয় ভাষায় লিখলেন “ক্রিশ্চিয়ান ডকট্রিন”।

১৬১০ বারের ক্যাথলিক আর্চবিশপ মারিনো বিজ্জির উত্তর আলবেনিয়া সফর।

১৬১৪ ইতালীয় কূটনীতিক মারিয়ানো বলিজ্জার লেখায় কেলমেন্দি অঞ্চলকে অন্তর্ভুক্ত করে স্খোদরার সানজাকের বর্ণনা।

১৬১৮ আলবেনীয় ভাষায় “ক্রিশ্চিয়ান ডকট্রিন” লিখলেন ক্যাথলিক বিশপ জেতের বুদি।

১৬২১ আলবেনিয়ার উত্তরাঞ্চলের সাপা ও সার্ডার ক্যাথলিক বিশপ জেতের বুদি ওসমানিদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ডাক দিলেন।

১৬৩৫ ফ্রাঞ্জ বারধি কর্তৃক প্রকাশিত হল লাতিন-আলবেনীয় অভিধান।

১৬৭০ দক্ষিণ আলবেনিয়া সফর করেন ওসমানি পর্যটক এভলিয়া চেলেবি।

১৬৮৫ জেতের বোগদানি, কুনিয়াস প্রফেটারুম

১৭০১-১৯০০ আলবেনীয় রেনেসাঁ। এসময় সমাজ ও সংস্কৃতি ব্যাপক সমৃদ্ধিলাভ করে। সেইসাথে দেশটিতে জাতীয়তাবাদী চেতনার উত্থান ঘটতে থাকে।

১৭০৩ জানুয়ারি ১৪-১৫ লেঝার নিকটে বসল আলবেনীয় পরিষদ (Kuvendi i Arbënit)।

১৭১৬ আলবেনীয় ভাষার প্রথম ব্যাকরণের বই প্রকাশ করলেন ফ্রান্সেসকো মারিয়া দে লেচচে।

১৭২৫ আরবি হরফে আলবেনীয় ভাষার আদিতম কবিতাগুলোর একটি লিখলেন মুচি জাদে।

১৭৩১ নেজিম ফ্রাকুল্লার দিওয়ান।

১৭৩২ প্রতিষ্ঠিত হল কালাব্রিয়ার সান বেনেদেত্তো উল্লানোর কর্সিনি সেমিনারি।

১৭৪৪ ভোসকোপোজায় একটা নয়া শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে অর্থোডক্স নিউ অ্যাকাডেমি (Hellênikon Frontistêrion) প্রতিষ্ঠা করা হল।

১৭৪৪-৪৬ ইতালির পেসকারার কাছে ভিলা বাডেসায় আলবেনীয় বসতিস্থাপন।

১৭৫৭-৭৫ স্খোদরার পাশা মেহমেদ বুশাতলিউয়ের রাজবংশ।

১৭৬২ আলবেনীয় ভাষায় মাতা মরিয়মের একটি জীবনী প্রকাশ করলেন জিউলিও ভারিবোভা।

১৭৭৩-৭৪ নির্মিত হল স্খোদরার সীসা মসজিদ।

১৭৭৪ ইতালির পতেঞ্জার কাছে ব্রিন্দিসি ডি মন্তাগনায় আলবেনীয় বসতিস্থাপন।

১৭৭৭ আলবেনীয় ভাষার প্রথম সনেট লিখলেন সিসিলির পালেরমোর নিকোলা চেত্তা।

১৭৭৮-৯৬ আলবেনিয়ার উত্তরাঞ্চলের স্খোদরার পাশা কারা মাহমুদের রাজত্বকাল।

১৭৮৭-১৮২২ আলবেনিয়ার দক্ষিণাঞ্চল ও এপিরুসে ‘জানিনার সিংহ’ বলে খ্যাত আলী পাশা তেপেলেনার রাজত্বকাল।

১৭৯৩-৯৪ তিরানায় নির্মিত হল এথ’হেম বে মসজিদ।

১৮১১-৩২ স্খোদরার মুস্তফা পাশা বুশাতলিউয়ের রাজত্বকাল।

১৮২২ ফেব্রুয়ারি ৫ জানিনায় আলী পাশা তেপেলেনার মৃত্যু।

১৮২৭ কোর্ফুতে বাইবেলের নব সন্ধির একটি দ্বিভাষিক আলবেনীয়-গ্রিক সংস্করণ প্রকাশিত হল।

১৮৩৬ জিরোলামো দে রাদা আলবেনীয় ভাষায় তাঁর সর্বাপেক্ষা পরিচিত কবিতা “সংস অফ মিলোসাও”য়ের প্রথম সংস্করণ প্রকাশ করলেন।

১৮৩৯ নভেম্বর ৩ ওসমানি সুলতানশাহিতে তানজিমাত সংস্কারের সূচনা। বাধ্যতামূলক সামরিক পরিষেবার বিরুদ্ধে আলবেনীয়রা প্রতিরোধ গড়ে তুললেন।

১৮৪৫ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রদের জন্য প্রকাশিত হল নাউম ভেকিলহাজ্জির নতুন আলবেনীয় বানানের বই।

১৮৪৮ ইতালির নেপলসে প্রকাশিত হল প্রথম আলবেনীয় পত্রিকা l’Albanese d’Italia

১৮৫৪ আলবেনীয় অধ্যয়নের জনক জোহান জর্জ ভন হান কর্তৃক প্রকাশিত হল Albanesische Studien

১৮৫৫ স্খোদরায় প্রতিষ্ঠিত হল ফ্রান্সিস্কান স্কুল।*
* এই স্কুলেই প্রথম আলবেনীয় ভাষায় পাঠদান করা হয়।

১৮৫৯ স্খোদরায় জেসুইটরা খুললেন Kolegjia Papnore Shqyptare (আলবেনীয় পন্টিফিকাল সেমিনারি)।

১৮৬১ স্খোদরায় একটি ফ্রান্সিস্কান সেমিনারি উদ্বোধন করা হল।

১৮৭২ ঘেগ ডায়ালেক্টে নব সন্ধি অনুবাদ করলেন কন্সটান্দিন ক্রিস্টোফরিধি।

১৮৭৭ প্রতিষ্ঠা করা হল সেইন্ট ফ্রান্সিস জাভিয়ের কলেজ, যা Kolegja Saveriane নামেও পরিচিত।

ডিসেম্বর গঠন করা হল Komitet qendror për mbrojtjen e të drejtave të kombësisë shqiptare (আলবেনীয় জনগণের অধিকার রক্ষার কেন্দ্রীয় কমিটি)।

১৮৭৬ জুলাই ২ ওসমানি সুলতানশাহির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রো।

১৮৭৮ পাশকো ভাসা লিখলেন তাঁর তীব্র জাতীয়তাবাদী কবিতা “O moj Shqypni” (হে আলবেনিয়া, দুখিনী আলবেনিয়া)।

মার্চ ৩ সান স্তেফানো চুক্তি।

জুন ১০ প্রতিষ্ঠা করা হল লীগ অফ প্রিজরেন।
জুন ১৩-১৩ জুলাই বার্লিন কংগ্রেস।

১৮৮১ ওসমানি বাহিনী প্রিজরেন দখল করে নিয়ে লীগ অফ প্রিজরেনকে ছত্রভঙ্গ করে দিল।

১৮৮৩ জিরোলামো দে রাদা কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হল দ্বিভাষিক মাসিক জর্নল Fiàmuri Arbërit-La bandiera dell’Albania (আলবেনীয় পতাকা)।

১৮৮৪ আগস্ট ইস্তানবুলে প্রকাশিত হল আলবেনীয় ভাষার পিরিয়ডিকাল Drita (আলো)।

১৮৮৬ নাজিম বে ফ্রেশারি কর্তৃক প্রকাশিত হল তাঁর শ্লোক সংগ্রহ Bagëti e bujqësija (বুগোলিক ও জর্জিক)।

১৮৮৭ মার্চ ৭ কোর্চেতে প্রথম আলবেনীয় ভাষার ইশকুল খোলা হল।

১৮৯১ কোর্চেতে প্রতিষ্ঠিত হল আলবেনিয়ার প্রথম বালিকা বিদ্যালয়।

১৮৯৯ সামি বে ফ্রেশারি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হল তাঁর ইশতেহার Shqipëria-ç’ka qënë, ç’është e ç’do të bëhetëShqipëria-ç’ka qënë, ç’është e ç’do të bëhetë (আলবেনিয়া — কী ছিল, কী হয়েছে, কী হতে যাচ্ছে)।

১৮৯৯-১৯০০ পেজা লীগ।

১৯০১ নদ্রে ও লাজার জেদা কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হল Agimi (ঊষা) কালচারাল সোসাইটি।

১৯০৮ ফেব্রুয়ারি বোস্টনে ফ্যান নোলি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হল আলবেনীয় অটোসেলাফিক অর্থোডক্স চার্চ।
জুলাই তরুণ তুর্কি বিপ্লব।
নভেম্বর ১৪-২২ মোনাস্টির কংগ্রেসে একটি সাধারণ আলবেনীয় বর্ণমালা নির্ধারণ করা হল।

১৯০৯ ফ্যান নোলি ও ফাইক বে কোনিৎজা কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হল বোস্টনের সাপ্তাহিক Dielli (সূর্য)।
ডিসেম্বর ১ এলবাসানে খোলা হল আলবেনিয়ার প্রথম শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজ Shkolla Normale (নরমাল স্কুল)।

১৯০৯-১২ আলবেনিয়ার উত্তরাঞ্চল ও কসোভোতে অভ্যুত্থান।

১৯১২ এপ্রিল ২৮ বোস্টনে প্রতিষ্ঠিত হল নিখিল আলবেনীয় ভাত্রা ফেডারেশন।

অক্টোবর ৮ প্রথম বলকান যুদ্ধের সূচনা।

ওসমানি সুলতানশাহির কাছ থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করল আলবেনিয়া।

১৯১৪-১৮ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ

১৯২২ আলবেনিয়াকে de jure স্বীকৃতি প্রদান করল যুক্তরাষ্ট্র।

ডিসেম্বর ৪ আলবেনিয়ার সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করল যুক্তরাষ্ট্র।

১৯২৫-২৮ আলবেনীয় প্রজাতন্ত্র।

১৯২৮ প্রথম জগ আলবেনিয়াকে একটি রাজতন্ত্রে রূপদান করেন।

১৯৩৬-২০২৪ ইসমাইল কাদারের জীবনকাল।

১৯৩৯-১৯৪৫ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ।*
* যুদ্ধ শুরু হওয়ার অব্যবহিত আগে আলবেনিয়ায় হামলা চালায় ফ্যাসিস্ট ইতালি, রাজা জগ গ্রিসে পালিয়ে যান।

১৯৩৯ এপ্রিল ৮ ফ্যাসিস্ট ইতালির সেনাবাহিনী দখল করে নিল তিরানা।

জুন ৫ আলবেনিয়া-যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক সম্পর্কের অবসান।

১৯৪০ ইতালীয় সেনাবাহিনী আলবেনিয়া হয়ে গ্রিস আক্রমণ করে।

১৯৪১ নবগঠিত আলবেনীয় কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান হলেন আনোয়ার হোজ্জা।

১৯৪৩ ফ্যাসিস্ট ইতালির আত্মসমর্পণের প্রেক্ষিতে নাৎসি জার্মানির সেনাবাহিনী হামলা চালিয়ে আলবেনিয়া দখল করে নিল।

১৯৪৪ কমিউনিস্টদের প্রতিরোধের মুখে জার্মান নাৎসিরা পিছু হঠল, আলবানিয়ার নতুন রাষ্ট্রনায়ক হলেন আনোয়ার হোজ্জা।

১৯৪৫ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু।

১৯৪৬ সরকারি চাকরি থেকে অকমিউনিস্টদের পার্জ করা হল।

১৯৪৮ যুগোস্লাভিয়ার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করল আলবেনিয়া, সোভিয়েত ইউনিয়ন দেশটিকে আর্থিক সহায়তা দিতে আরম্ভ করল।

১৯৫০-৫২ যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র সরকার আলবেনীয় কমিউনিস্টদের বিরুদ্ধে ডানপন্থী গেরিলাদের মদত দিতে শুরু করল। কিন্তু কাগজে কলমে ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষে কাজ করা সোভিয়েত ডবল এজেন্ট কিম ফিলবি মস্কোর কাছে ইঙ্গ-মার্কিন পরিকল্পনা ফাঁস করে দেন। এর ফলে কমিউনিস্টবিরোধী পরিকল্পনাটি নস্যাৎ হয়ে যায় এবং ৩০০ জন অনুপ্রবেশকারীর প্রাণহানি ঘটে।

১৯৫৫ ওয়ারশ প্যাক্টের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের একটি হল আলবেনিয়া।

১৯৬১ সোভিয়েত ইউনিয়ন আলবেনিয়ার সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলে আলবেনিয়া চীনের সাথে মৈত্রীবন্ধনে আবদ্ধ হল। ফ্রান্সে মারা গেলেন রাজা জগ।

১৯৬৩ ইসমাইল কাদারে, দ্য জেনারেল অফ দ্য ডেড আর্মি

১৯৬৪ ক্রিস্তো ফ্রাশেরি, দ্য হিস্ট্রি অফ আলবেনিয়া (আ ব্রিফ সার্ভে)

১৯৬৭ শ্রমিক দল আলবেনিয়াকে দুনিয়ার প্রথম নাস্তিক রাষ্ট্র ঘোষণা করল।

১৯৬৮ চেকোস্লোভাকিয়ায় সোভিয়েত হামলার সূত্র ধরে ওয়ারশ চুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিল আলবেনিয়া।

১৯৭৮ যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চীনের পুনর্মিলনের জের ধরে আলবেনিয়ায় অর্থনৈতিক ও সামরিক সহায়তা দেয়া বন্ধ করে দিল চীন।

১৯৮১ ইসমাইল কাদারে, দ্য প্যালেস অফ ড্রিমস

১৯৮২ হিস্ট্রি অফ দ্য পার্টি অফ লেবার অফ আলবেনিয়া, দ্বিতীয় সংস্করণ।

১৯৮৫ আনোয়ার হোজ্জার মৃত্যু, ক্ষমতায় এলেন রমিজ আলিয়া।

১৯৮৯ পূর্ব ইওরোপের দেশে দেশে কমিউনিস্ট শাসনের পতন, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিলেন আলিয়া।

১৯৯০ আলবেনিয়ায় কয়েকটি স্বাধীন রাজনৈতিক দল গঠিত হল। আলবেনীয়রা বিদেশ ভ্রমণের অধিকার পেলে হাজার হাজার মানুষ পশ্চিমা দূতাবাসগুলো মারফত দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করলেন। আরো কয়েক হাজার নৌপথে অবৈধভাবে ইতালি গেলেন।

১৯৯১ বহুদলীয় নির্বাচনে মোট ২৫০টি আসনের মধ্যে কমিউনিস্ট পার্টি ও তার মিত্ররা ১৬৯টি আসন জিতল, আর নবগঠিত গণতন্ত্রী দল ৭৫টি আসন পেল।

মার্চ ১৫ আলবেনিয়ার সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুন:স্থাপন করল যুক্তরাষ্ট্র।

১৯৯২ নির্বাচনে গণতন্ত্রী দলের জয়লাভ। দেশটির প্রথম নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হলেন সাবেক কার্ডিওলজিস্ট স্যালি বেরিশা। প্রধানমন্ত্রী হলেন আলেকজান্দার মেকসি।

ইসমাইল কাদারে, দ্য পিরামিড

১৯৯৩ সাবেক কমিউনিস্ট নেতা ফাতোজ ন্যানো ও রমিজ আলিয়াকে দুর্নীতির দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে কারাগারে প্রেরণ করা হল।

১৯৯৫ আলিয়াকে কারাগার থেকে মুক্তি দেয়া হল।

১৯৯৭ জগের ছেলে লেকা আলবেনিয়ায় ফিরে আসলেন এবং পিতার মসনদ পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা চালালেন। গণভোটে রাজতন্ত্র পুনর্বহালের বিপক্ষে বেশি ভোট পড়ল। লেকার বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিদ্রোহে উসকানি দেয়ার অভিযোগ আনা হল, তিনি আবারও নির্বাসনে গেলেন।

১৯৯৯ কসোভার আলবানীয়দের একটি সম্ভাব্য গণহত্যার হাত থেকে বাঁচাতে যুগোস্লাভিয়ায় বোমাবর্ষণ শুরু করল ন্যাটো। সার্ব পরিচয়বাদীদের হাতে পাইকারি হত্যাকাণ্ড ও বিতাড়নের শিকার কসোভার আলবানীয়রা প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোয় শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নিতে লাগলেন। যুগোস্লাভিয়ার সাথে কূটনীতিক সম্পর্ক ছিন্ন করল আলবেনিয়া।

২০০১ জানুয়ারি যুগোস্লাভিয়ার সাথে কূটনীতিক সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠা করল আলবেনিয়া।

২০০২ নির্বাসন থেকে দেশে ফিরে এল আলবেনিয়ার রাজপরিবার।

২০০৩ ইসমাইল কাদারে, আগামেমননস ডটার

২০০৬ জুন ইইউয়ের সাথে স্টেবিলাইজেশন ও অ্যাসোসিয়েশন চুক্তি সই করল আলবেনিয়া। প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে আলবেনিয়া সফর করলেন জর্জ বুশ জুনিয়র।

জুলাই সংসদ শাসকদলের প্রধান বামির তোপিকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করল।

২০০৯ এপ্রিল আলবেনিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে ন্যাটোতে যোগদান করল এবং ইওরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্যপদের জন্য আবেদন জানাল।

জুলাই সংসদীয় নির্বাচনে সামান্য ব্যবধানে জিতল স্যালি বেরিশার মধ্য-ডানপন্থী গণতন্ত্রী দল।

নভেম্বর সংসদীয় নির্বাচনে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ এনে রাজধানী তিরানায় প্রতিবাদ সমাবেশ আয়োজন করতে শুরু করল বিরোধী সমাজতান্ত্রিক দল।

২০১০ মে আগের বছরের সংসদীয় নির্বাচনের ভোট আংশিক পুনর্গণনার দাবিতে নাগরিক অবাধ্যতা প্রচারাভিযানের ডাক দিলেন সমাজতান্ত্রিক নেতা এদি রামা।

নভেম্বর ইওরোপীয় ইউনিয়নের (ইউ) সদস্যপদের জন্য আলবেনিয়ার আবেদন বাতিল করে দিল সংগঠনটি। তবে আলবেনীয়দের জন্য ইইউভুক্ত দেশগুলোর ভিসাপ্রাপ্তি সহজ করা হল।

২০১১ জানুয়ারি: রক্তাক্ত সংঘর্ষে ৪ সরকারবিরোধী আন্দোলনকারী খুন হলেন। আলবেনিয়ার সাবেক গোয়েন্দা প্রধান ইলির কুম্বারো, নির্যাতনের অভিযোগে বিচার করতে দেশটি যাকে খুঁজছে, লন্ডনে জামিন এড়িয়ে স্রেফ নিখোঁজ হয়ে গেলেন। ১৯৯৬ সাল থেকে তিনি যুক্তরাজ্যে আত্মগোপন করে আছেন।

২০১২ সাবেক রাজা জগের দেহাবশেষ ফ্রান্স থেকে আলবেনিয়ায় ফিরিয়ে আনা হল।

২০১৩ জুন সাধারণ নির্বাচন। বিরোধী সমাজতান্ত্রিক দল ভূমিধবস বিজয় লাভ করল।

সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী হলেন সমাজতন্ত্রী নেতা এদি রামা।

২০১৪ জুন ইওরোপীয় কমিশন ইওরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ লাভের উপযুক্ত প্রার্থী বলে আলবেনিয়ার নাম সুপারিশ করল।

২০১৫ মার্চ আলবেনিয়ার “সমাজতান্ত্রিক” সরকার রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আলবপেট্রোলকে রাষ্ট্রীয় মালিকানায় ছেড়ে দেয়ার পরিকল্পনা ঘোষণা করল।

রবার্ট এলসি, দ্য ট্রাইবস অফ আলবানিয়া: হিস্ট্রি, সোসাইটি অ্যান্ড কালচার

২০১৯ নভেম্বর ৪০ বছরের মধ্যে ভয়ংকরতম ভূমিকম্পটি আলবেনিয়ায় আঘাত হানল। ৫১ জনের মৃত্যু। ৩০০০ আহত।

২০২২ বের্নড জে. ফিশার ও অলিভার জেন্স শ্মিট, আ কনসাইজ হিস্ট্রি অফ আলবেনিয়া

২০২৪ জুলাই ১ আলবেনীয় কথাসাহিত্যিক ইসমাইল কাদারের মৃত্যু।

তথ্যসূত্র

Balkan Insight

BBC

Elsie, Robert. 2010. Historical Dictionary of Albania. Scarecrow Press.

Office of the Historian, Foreign Service Institute
United States Department of State

নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।

অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ

দিব্যপ্রকাশ । বাতিঘর । বইবাজার । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী । বুক হাউজ । ওয়াফিলাইফ । রকমারি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *