
মৌর্য সাম্রাজ্য
Featured Image: Wikimedia Commons.

World History Encyclopedia.
পূর্বসাল
৩৫০-২৭৫ কৌটিল্য।*
* সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান উপদেষ্টা।
৩৪০-২৯৮ চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য।
৩২১ মগধের রাজা ধন নন্দকে খুন করলেন চন্দ্রগুপ্ত।
৩২০-১৮৫ মৌর্য সাম্রাজ্য।
৩২০ মগধের মসনদে বসলেন চন্দ্রগুপ্ত, সাম্রাজ্য সম্প্রসারিত করলেন।
৩২১/৩২০-২৯৮/২৯৭ চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের রাজত্বকাল।
৩০৫/৩০৩ দক্ষিণ আফগানিস্তানে এক যুদ্ধে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের কাছে হেরে যান প্রাচ্যে সেকান্দার শার এক সেনাপতি সেলুকাস, প্রথম নিকাটোর। তবে ব্যাকট্রিয়া রাজ্যটি দখলে রাখতে সমর্থ হন। উভয়ের মধ্যে একটা শান্তি চুক্তি সম্পাদিত হয়, চন্দ্রগুপ্তের কাছ থেকে পাওয়া ৫০০ হাতির বিনিময়ে ভারতবর্ষের ওপর নিজের দাবি ছেড়ে দেন সেলুকাস, প্রথম নিকাটোর।
৩০৪-২৩২ অশোক মৌর্য।
পূর্বসাল ৩০০-৩০০ সাল রচিত হল মহাভারত।*
* মহাভারতয়ের আদি নাম ছিল জয় সংহিতা। শুরুতে এতে ছিল মাত্র ৮ হাজার ৮০০টি স্তবক। পরে স্তবকের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৪ হাজার। সেইসাথে বদলে গেল বইটির নাম, হল ভারত। চূড়ান্ত রূপে স্তবকের সংখ্যা ১ লাখে পৌঁছাল। ফলে, বইটির নাম আবারও বদলে হল শতসহস্রী সংহিতা। আজকে এই চূড়ান্ত রূপটিই মহাভারত নামে পরিচিত। (শর্মা ২০১৭)
৩০০-২০১ এ সময় প্রাকৃত ভাষায় শিলালিপি খোদাই করা হচ্ছে।
৩০০-২০০ বৈশেষিক দর্শনের ধারা প্রতিষ্ঠা করলেন মহর্ষি কণাদ।
ভরত মুণি, নাট্যশাস্ত্র।
৩০০-১০০ ধর্মসূত্রগুলোর সম্ভাব্য রচনাকাল।
৩০০ বাংলায় মৌর্য শাসনের সূচনা। গৃহ্যসূত্রগুলোর সম্ভাব্য রচনাকাল।*
* গৃহ্যসূত্রগুলোতে পাই প্রাচীন ভারতের পারিবারিক আচার-অনুষ্ঠানের বিবরণ।
পাণিনি, অষ্টাধ্যায়ী।
?-২৭৩ বিন্দুসার মৌর্য।
২৯৮ পুত্র বিন্দুসারের পক্ষে স্বেচ্ছায় সিংহাসন ত্যাগ করেন চন্দ্রগুপ্ত। জৈন সূত্রানুসারে, চন্দ্রগুপ্ত তপস্বী ও জৈনধর্মাবলম্বী হয়ে দক্ষিণে চলে যান। অনাহারে মৃত্যুবরণ করেন।
২৯৭-২৭৩ বিন্দুসার মৌর্যের রাজত্বকাল।
২৬৮ মৌর্য সাম্রাজ্যের সিংহাসনে বসলেন সম্রাট অশোক মৌর্য।
২৬৮-২৩২ অশোক মৌর্যের রাজত্বকাল।
২৬২ বৌদ্ধধর্মে দীক্ষিত হলেন সম্রাট অশোক। ন্যায়ানুগ শাসনের বর্ণনা দিয়ে ১৪টি ফরমান জারি করলেন। যা শাসক হিসেবে তাঁর ক্ষমতাকে সীমিত করল।
২৬০ অশোক কলিঙ্গ জয় করেন। রক্তপাত তাঁকে অনুতপ্ত করে। তিনি অহিংসার পথ বেছে নেন।
২৫০ পাটালিপুত্রে অনুষ্ঠিত হল তৃতীয় বৌদ্ধ কাউন্সিল।
২৩২-২৪ দশরথ মৌর্যের রাজত্বকাল।
২২৪-২১৫ সম্প্রতি মৌর্যের রাজত্বকাল।
২১৫-২০২ শালিশুক মৌর্যের রাজত্বকাল।
পূর্বসাল ২০০-২০০ সাল বাল্মীকি, রামায়ণ।
২০২-১৯৫ দেববর্মণ মৌর্যের রাজত্বকাল।
২০০-১০০ ন্যায় দর্শনের ধারা প্রতিষ্ঠা করলেন গৌতম।
২০০ এ সময়ই কখনো অজন্তায় গুহাচিত্র আঁকা শুরু হয়।
১৯৫-১৮৭ শতধনবান মৌর্যের শাসনকাল।
১৮৭-১৮৫ বৃহদ্রথ মৌর্যের রাজত্বকাল।
১৮৫ মৌর্য সাম্রাজ্যের শেষ শাসক বৃহদ্রথ তাঁর সেনাপতি পুষ্যমিত্র শুঙ্গের হাতে গুপ্তহত্যার শিকার হলেন। গান্ধারা অঞ্চলে একটি নিষ্পত্তিমূলক বিজয় লাভ করলেন গ্রেকো-ব্যাকট্রীয় রাজা দিমিত্রিয়াস, অত্র অঞ্চলে যবন শাসনের সূচনা।*
* যবন সংস্কৃত শব্দ। আদিতে সম্ভবত গ্রিসের আয়োনীয় দ্বীপপুঞ্জের বাসিন্দা বুঝাত। পরে শব্দটি নিন্দার্থে অহিন্দু অর্থ লাভ করে।
তথ্যসূত্র
শর্মা, রাম শরণ। ২০১৭। প্রাচীন ভারত। ষষ্ঠ মুদ্রণ। সুমন চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক ভাষান্তরিত। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্তক পর্ষৎ।
Wikipedia
The Free Encyclopedia
https://www.wikipedia.org
World History Encyclopedia.
নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।
অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ
দিব্যপ্রকাশ । বাতিঘর । বইবাজার । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী । বুক হাউজ । ওয়াফিলাইফ । রকমারি




One Reply to “মৌর্য সাম্রাজ্য”