জার্মান জাতির পবিত্র রোমক সাম্রাজ্য

Spread the love

Featured Image: Wikimedia Commons.

World History Encyclopedia.

“The Holy Roman Empire was in no way holy, nor Roman, nor an empire.”

Voltaire (1694-1778), French Philosopher

সাল

৭১৮-৪১ শার্ল মার্টেলের রাজত্বকাল।

৭৩২ পয়তিয়ের্সের/তুর্সের সমর। ফ্রান্সিয়ায় শার্ল মার্টেলের হাতে উমাইয়া সেনাবাহিনীর পরাজয়। 

৭৫১-৮৮৭ ফ্রান্সিয়া ও জার্মান জাতির পবিত্র রোমক সাম্রাজ্যে ক্যারোলিঞ্জীয় বংশের রাজত্ব।

৭৫১-৬৮ ক্যারোলিঞ্জীয় বংশের প্রতিষ্ঠাতা পেপিন দ্য শর্টের রাজত্বকাল।

৭৬৮-৭১ ভাই প্রথম কার্লোমানের সাথে মিলে যুগ্নভাবে ফ্রান্সিয়া শাসন করছেন শার্লামেইন।

৭৬৮-৮১৪ ফ্রাঙ্কদের রাজা হিসেবে শাসন করছেন শার্লামেইন।

৭৭২-৮০৪ সাক্সন যুদ্ধ। সাক্সনদের পরাজিত করলেন শার্লামেইন। সাক্সনিতে কায়েম করলেন খ্রিস্টধর্ম।

৭৭৪-৮১৪ ফ্রাঙ্ক ও লম্বার্ডদের রাজা হিসেবে শাসন করছেন শার্লামেইন।

৮০০-১৮০৬ জার্মান জাতির পবিত্র রোমক সাম্রাজ্য।*
* লাতিনে এর আনুষ্ঠানিক নাম ছিল Sacrum Imperium Romanum Nationis Germanicae আর জর্মনে Heiliges Römisches Reich Deutscher Nation

৮০০ শার্লামেইনের মাথায় পবিত্র রোমক সাম্রাজ্যের মুকুট পরিয়ে দিলেন পোপ তৃতীয় লিও।

৮০০-১৪ পবিত্র রোমক সম্রাট হিসেবে শার্লামেইনের রাজত্বকাল।

৮১৪-৪০ ফ্রাঙ্কদের রাজা ও পবিত্র রোমক সম্রাট লুই দ্য পায়াসের রাজত্বকাল।

৮৪০-৪৩ লুই দি পায়াসের ছেলেদের মধ্যে গৃহযুদ্ধ বেঁধে গেল।

৮৪৩ ভের্দুন চুক্তি। গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটল। ফ্রান্সিয়াকে পূর্ব, মধ্য, ও পশ্চিম এই তিন ভাগে ভাগ করা হল।

৮৪৩-৫৫ পবিত্র রোমক সম্রাট ও মধ্য ফ্রান্সিয়ার রাজা হিসেবে প্রথম লোথারের রাজত্বকাল।

৮৪৩-৭৬ পূর্ব ফ্রান্সিয়ার রাজা হিসেবে লুই দ্য জার্মানের রাজত্বকাল।

৮৪৩-৭৭ পশ্চিম ফ্রান্সিয়ার রাজা হিসেবে চার্লস দ্য বাল্ডের রাজত্বকাল।

৮৫৫ পবিত্র রোমক সম্রাট প্রথম লোথারের মৃত্যু। প্রুমের চুক্তি। মধ্য ফ্রান্সিয়ার পার্টিশন: লোথারিঞ্জিয়া, ইতালি, ও প্রভেন্স।

৮৫৫-৬৯ লোথারিঞ্জিয়ার রাজা হিসেবে দ্বিতীয় লোথারের রাজত্বকাল।

৮৫৫-৭৫ পবিত্র রোমক সম্রাট হিসেবে দ্বিতীয় লুইয়ের রাজত্বকাল।

৮৭৫-৭৭ পবিত্র রোমক সম্রাট ও ইতালির রাজা হিসেবে চার্লস দ্য বাল্ডের রাজত্বকাল।

৮৭৭-৭৯ পশ্চিম ফ্রান্সিয়ার রাজা হিসেবে লুই দ্য স্ট্যামারারের রাজত্বকাল।

৮৭৯-৮৪ পশ্চিম ফ্রান্সিয়ার রাজা হিসেবে দ্বিতীয় কার্লোমানের রাজত্বকাল।

৮৮১-৮৭ পবিত্র রোমক সম্রাট হিসেবে চার্লস দ্য ফ্যাটের রাজত্বকাল।

৮৮৭ নভেম্বর সাম্রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের অভিজাতদের দ্বারা চার্লস দ্য ফ্যাট সিংহাসনচ্যুত হওয়ার ফলে ক্যারোলিঞ্জীয়দের পতন ঘটে।

৯১৯-১০২৪ পবিত্র রোমক সাম্রাজ্যে অটোনীয় বংশের রাজত্ব।

৯৬২-৭৩ পবিত্র রোমক সম্রাট হিসেবে প্রথম অটোর রাজত্বকাল।

৯৭৩-৮৩ পবিত্র রোমক সম্রাট হিসেবে দ্বিতীয় অটোর রাজত্বকাল।

৯৯৬-১০০২ পবিত্র রোমক সম্রাট হিসেবে তৃতীয় অটোর রাজত্বকাল।

১০১৪-২৪ পবিত্র রোমক সম্রাট হিসেবে দ্বিতীয় হেনরির রাজত্বকাল।

১০২৪-১১২৫ পবিত্র রোমক সাম্রাজ্যে স্যালীয় বংশের রাজত্ব।

১০২৭-৩৯ পবিত্র রোমক সম্রাট হিসেবে দ্বিতীয় কনরাডের রাজত্বকাল।

১০৪৬-৫৬ পবিত্র রোমক সম্রাট হিসেবে তৃতীয় হেনরির রাজত্বকাল।

১০৭৬-১১২২ ধর্মযাজক নিয়োগ বিতর্ক। সাধারণ ধর্মযাজক নিয়োগ প্রথা নিয়ে। পবিত্র রোমক সাম্রাজ্য ও পোপতন্ত্রের মধ্যে।

১০৭৭-৮৮ পবিত্র রোমক সম্রাট চতুর্থ হেনরির বিরুদ্ধে সাক্সনদের মহাবিদ্রোহ।

১০৮৪-১১০৫ পবিত্র রোমক সম্রাট হিসেবে চতুর্থ হেনরির রাজত্বকাল।

১০৯৬ রাইনল্যান্ড ম্যাসাকারস। প্রথম ক্রুসেড চলাকালে জার্মানি আর ফ্রান্সের কৃষকরা ইহুদিদের ওপর এক ভয়াবহ নিধনযজ্ঞ চালান।

১১১১-১১২৫ পবিত্র রোমক সম্রাট হিসেবে পঞ্চম হেনরির রাজত্বকাল।

১১২২ ওয়ার্মসের চুক্তিপত্র। সাধারণ ধর্মযাজক নিয়োগের সেক্যুলার ও ধর্মীয় দিকগুলো সংজ্ঞায়িত করলো। ধর্মযাজক নিয়োগ বিতর্কের অবসান।

১১৩৮-১২৫৪ পবিত্র রোমক সাম্রাজ্যে হোহেনস্টাউফেন বংশের রাজত্ব।

১২৪৫-৭৩ বিদেশি রাজাদের শাসন, ক্ষমতা বাড়ল জার্মান রাজকুমারদের।

১২৭৩-১৯১৮ হাপসবুর্গ রাজবংশ।

১২৭৮ মার্চফিল্ডের যুদ্ধ। বোহেমিয়ার রাজা দ্বিতীয় অটোকারকে হারিয়ে স্টিরিয়া ও অস্ট্রিয়ার ডাচি জয় করলেন জার্মানির হাপসবুর্গ শাসক প্রথম রুডলফ।

১২৯৯-১৯২২ ওসমানি সুলতানশাহি

১৩০১-১৫০০ অস্ট্রিয়ার ডাচির প্রতিবেশী রাজ্যগুলো হাপসবুর্গের হস্তগত হল।

১৩৩৮ সম্রাট নির্বাচন ও তাঁর অভিষেকের ক্ষেত্রে পোপের কর্তৃত্ব মেনে নিলেন জার্মান নির্বাচকরা।

১৩৪৮-৫০ ব্ল্যাক ডেথে জার্মানির জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশের মৃত্যু হল।

১৩৪৭-১৪৩৭ পবিত্র রোমক সাম্রাজ্যে লুক্সেমবুর্গ বংশের রাজত্ব।

১৩৫৬ সাম্রাজ্যিক নির্বাচন প্রক্রিয়ার অনুমোদন দিল পাপাল গোল্ডেন বুল।

১৪৩৮-১৮০৬ পবিত্র রোমক সাম্রাজ্যে হাপসবুর্গ বংশের রাজত্ব।

১৪৫৩-১৫১৯ এসময় ফ্ল্যান্ডার্স, বারগ্যান্ডি, স্পেন, হাঙ্গেরি, ও বোহেমিয়ায় ক্ষমতা সংহত করছেন সম্রাট প্রথম ম্যাক্সিমিলিয়ান।

১৫১৭ মার্টিন লুথার প্রকাশ করলেন তাঁর “৯৫ থিসিস”।*
* এর মধ্য দিয়ে শুরু হল প্রোটেস্ট্যান্ট সংস্কার।

১৫১৯-৫৫ পবিত্র রোমক সম্রাট পঞ্চম চার্লসের রাজত্বকাল।

১৫২৪-২৫ দক্ষিণ জার্মানিতে কৃষকযুদ্ধ।

১৫৫৫ অগসবুর্গের চুক্তি। পবিত্র রোমক সাম্রাজ্যে রোমক ক্যাথলিকবাদ ও লুথারানবাদকে বৈধতা দেয়া হল।

১৫৫৬ পঞ্চম চার্লস ক্ষমতা ছাড়লেন এবং সাম্রাজ্যকে তিন ভাগে বিভক্ত করলেন। স্পেন আর বারগ্যান্ডি গেল তাঁর ছেলে দ্বিতীয় ফিলিপের হাতে। জার্মানি গেল তাঁর ভাই ফার্দিনান্দের হাতে।

১৬১৮-৪৮ ধর্মীয়, রাজবংশীয়, রাজনৈতিক ইস্যুতে ৩০ বছরের যুদ্ধ।

১৬৪৮ ভেস্টফালিয়ার চুক্তি।*
* তিরিশ বছরের যুদ্ধের অবসান। জার্মান রাজ্যগুলোর ওপর প্রায় হাজার বছর ধরে বলবৎ থাকা পবিত্র রোমক সম্রাটের রাজনৈতিক ক্ষমতা কেড়ে নেয়া হল। স্বাধীন রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দেয়া হল।

১৬৫৫-৬০ সুইডেনের সাথে প্রথম উত্তরাঞ্চলীয় যুদ্ধ।

১৬৬৭-৯৭ ফ্রান্সের রাজা চতুর্দশ লুইয়ের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হল জার্মানি, হারাতে হল স্ট্রাসবুর্গ ও আলসাসে।

১৭০০-২১ সুইডেনের সাথে উত্তরাঞ্চলের মহাযুদ্ধ।

১৭০১ ব্র্যান্ডেনবুর্গ/প্রুশিয়ায় স্বাধীন হোহেনজলের্ন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করা হল।

১৭৪০-৮৬ “ফ্রেডরিখ দ্য গ্রেট” খ্যাত দ্বিতীয় ফ্রেডরিখের রাজত্বকাল।

১৭৮০ হাসকালাহ। যা ইহুদি আলোকায়ন হিসাবেও পরিচিত। এর বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন জার্মান ইহুদি দার্শনিক মোজেস ম্যান্ডেলসন। ম্যান্ডেলসন ইহুদিধর্মের বিশ্বাসগুলোকে আলোকায়নের বাস্তবতায় পুনঃব্যাখ্যা করেন।

১৭৮৯ ফরাসি বিপ্লব

১৭৯২ বিপ্লবী ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত ইওরোপীয় মৈত্রীজোটে যোগ দিল প্রুশিয়া।

১৮০৩ রাইষডেপুটেশনশহাউপশ্লুস। জার্মানিকে পুনর্বিন্যস্ত করলেন নেপোলিয়ন বোনাপার্তে। শত শত সার্বভৌম রাজ্যকে ৩৫টি রাজ্যে পুনর্গঠিত করলেন।

১৮০৬ রাইন কনফেডারেশন। পবিত্র রোমক সাম্রাজ্যের অবসান।

তথ্যসূত্র

করোভকিন, ফিওদর। ১৯৮৬। পৃথিবীর ইতিহাস: প্রাচীন যুগ। দ্বিতীয় সংস্করণ। মূল রুশ থেকে হায়াৎ মামুদ কর্তৃক অনূদিত। প্রগতি প্রকাশন।

Horne, William R.. 2007. Germany. 2nd ed. Chelsea House.

Turk, Eleanor L. 1999. The History of Germany. Greenwood.

World History Encyclopedia.

নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।

অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ

দিব্যপ্রকাশ । বাতিঘর । বইবাজার । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী । বুক হাউজ । ওয়াফিলাইফ । রকমারি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *