
বাংলা সুলতানশাহি
Featured Image: Wikimedia Commons.

DeepSeek and Gemini.
সাল
১২০৪ লক্ষণ সেনকে হারিয়ে বখতিয়ার খলজির নবদ্বীপ জয়।
১২০৫ বখতিয়ার খলজির সৈন্যরা গৌড়ের পুরাতন রাজধানী লক্ষণাবতী – বর্তমান গৌড় ও মালদহ – দখল করে নিল। এই শহরের নামে বখতিয়ার তাঁর নবলব্ধ রাজ্যের নাম রাখলেন লখনৌতি।* চারদিক থেকেই নদীবেষ্টিত এই রাজ্যের পূর্বে ছিল করতোয়া, পশ্চিমে গঙ্গা, দক্ষিণে পদ্মা, আর উত্তরে তিস্তা।
* বর্তমান ভারতের বৃহত্তর পাটনা, ভাগলপুর, পূর্ণিয়া, মালদহ এবং বাংলাদেশের রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী ও বগুড়া ছিল এর অন্তর্গত।
১২০৬-১৫২৬ দিল্লি সুলতানশাহি।
১২২৭ দিল্লির সুলতান শামসুদ্দিন আলতামাসের বাহিনী গিয়াসুদ্দিন ইওজ খলজিকে হত্যা করে লখনৌতিকে দিল্লি সুলতানশাহির অন্তর্ভুক্ত করে নিল।
১২২৭-৮৭ লখনৌতি এ সময় দিল্লি সুলতানশাহির অধীনে ছিল।
১২৬০ দশরথদেবের আক্রমণে সূর্য সেনের পরাজয় মধ্য দিয়ে বাংলায় সেন রাজত্বের অবসান হল।
১২৭৯ দিল্লি সুলতানশাহির বিরুদ্ধে লখনৌতির সহকারী প্রশাসক তুগরল খানের বিদ্রোহ। সুলতান গিয়াস উদ্দিন বলবন কর্তৃক বিদ্রোহ দমন। রাজধানীর বাজারে তুগরলের পুরুষ আত্মীয়, মন্ত্রী, আর পাইকপেয়াদাদের পাইকারি হাতে হত্যা করেন বলবন।
১২৮৪ নাসিরুদ্দিন বুগরা খানের বঙ্গ বিজয়, বিক্রমাদিত্যদেবের পরাজয়।
১৩১৩ জাফর খাঁ গাজীর সাতগাঁও বিজয়।
১৩২৫-৩৮ লখনৌতি, সাতগাঁও, ও সোনারগাঁও দিল্লি সুলতানশাহির অধীনস্ত।
১৩৩৮ সোনারগাঁওয়ের প্রশাসক বাহরাম খানের মৃত্যু। তাঁর দেহরক্ষী ফখর দিল্লির কাছ থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে সোনারগাঁর সিংহাসনে বসলেন। নতুন নাম নিলেন ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ।*
* শের খান – পরবর্তীতে শেরশাহ – বাংলা জয় করার আগ পর্যন্ত দুইশো বছর বাংলা স্বাধীন থাকবে। স্বাধীন সুলতানদের যুগ বলে বিবেচিত হয়। শাহী বাংলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে, দেখুন, (করিম ২০১৩; মুখোপাধ্যায় ২০১৮)।
১৩৩৮-৫২ ফখরুদ্দিন মোবারক শাহি সুলতানদের রাজত্ব।
১৩৪০ ফখরুদ্দিন মোবারক শাহের কাছে ত্রিপুরারাজ প্রতাপমাণিক্যের পরাজয়।
১৩৪১ আলাউদ্দিন আলী শাহ নামে লখনৌতির সিংহাসনে বসলেন আলী মোবারক, যিনি ছিলেন দিল্লির সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলকের চাচাতো ভাই ফিরোজ বিন রজবের এক বিশ্বস্ত কর্মচারী।
১৩৪২ আলাউদ্দিন আলী শাহের দুধ ভাই ইলিয়াস আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করলে সেই যুদ্ধের এক পর্যায়ে আলাউদ্দিন আলী শাহ মৃত্যুবরণ করেন। ইলিয়াস নতুন নাম নিলেন শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ। লখনৌতি আর সাতগাঁওয়ের শাসক হয়ে পান্ডুয়ার মসনদে বসলেন।
১৩৪২-১৪৫২ শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ ও ইলিয়াসশাহী সুলতানদের রাজত্ব।
১৩৪৫-৪৬ শাহি বাংলা সফর করলেন ইবনে বতুতা।
১৩৪৬ সিলেটে হযরত শাহ জালালের সাথে সাক্ষাৎ করলেন মরক্কীয় পরিব্রাজক ইবনে বতুতা।
১৩৫০ শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহের নেপাল অভিযান।
১৩৫১ শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহের দিল্লি অভিযান।
১৩৫২ বাংলা সুলতানশাহি ঘোষণা করলেন শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ।*
* উপাধি শাহ-ই-বাঙ্গাল।
১৩৩৮-১৫৭৬ বাংলা সুলতানশাহি।
১৩৫৩ দিল্লির সুলতান ফিরোজ শাহের সেনাবাহিনী শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহের বাহিনীকে ধাওয়া করল।
১৩৫৪ দিল্লিতে ফিরে গেলেন ফিরোজ শাহ।
১৩৫৮ শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহের মৃত্যু। মসনদে বসলেন তাঁর পুত্র সেকান্দর শাহ।*
* উপাধি নিলেন ইমাম-উল-আজম। যা প্রকারান্তরে নিজেকে খলিফা ঘোষণা করার সমতুল্য। তিনি ১৩৯০ সাল পর্যন্ত শাসন করেন।
১৩৯৩-১৪১০ গিয়াসুদ্দিন আজম শাহের রাজত্ব।
১৪০০ বড়ু চণ্ডীদাস, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন।
১৪০৫ চীনের সম্রাট ইউং লির সাথে নিয়মিত দূত ও উপহার বিনিময় করা শুরু করেন সুলতান গিয়াসুদ্দিন আজম শাহ।
১৪০৫-০৯ বাংলা-চীন দূত বিনিময়।
১৪১১ ভাতুড়িয়ার জমিদার গণেশনারায়ণ রায়ভাদুড়ির কাছ থেকে উৎকোচ গ্রহণ করে কিছু বিক্ষুব্ধ সৈন্য অতর্কিত আক্রমণ চালিয়ে গিয়াসুদ্দিন আজম শাহকে হত্যা করল।
১৪১১-১২ সাইফুদ্দিন হামজা শাহের রাজত্ব।
১৪১৩-১৪ শিহাবুদ্দিন বায়েজিদ শাহের রাজত্ব।
১৪১৪ শিহাবুদ্দিন বায়েজিদ শাহের শিশুপুত্র আলাউদ্দিন ফিরোজ শাহকে অপসারণ করে বাংলার মসনদে বসলেন মহারাজ গণেশনারায়ণ রায়ভাদুড়ি, ‘রাজা গণেশ’ নামেই যিনি বেশি পরিচিত।
১৪১৫-৩৩ রাজা গণেশের পুত্র জালালুদ্দিন মুহাম্মদ শাহের রাজত্ব।
১৪১৮ রাজা গণেশের আরেক পুত্র মহেন্দ্রদেবের রাজত্ব।
১৪৩৩-৩৬ শামসুদ্দিন আহমদ শাহের রাজত্ব।
১৪৩৬-৮৭ মাহমুদ শাহ* ও মাহমুদ শাহি সুলতানদের রাজত্ব।
* তিনি শাহ-ই-বাঙ্গাল শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহের বংশধর ছিল।
১৪৮০ বাংলায় ক্ষমতায় আসলেন জালালুদ্দিন ফতেহ শাহ।
১৪৮১ বাংলায় ফতেহ শাহের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করলেন প্রভাবশালী হাবশি মালিক আন্দিল, সীমান্তে স্থাপন করলেন একটি ছোট স্বাধীন রাজ্য।
১৪৮৬-১৫৩৩ নবদ্বীপে শ্রীচৈতন্যের সময়কাল।
১৪৮৭ বাংলায় জালালুদ্দিন ফতেহ শাহের বিরুদ্ধে হাবশি সৈন্যদের বিদ্রোহ, সুলতানের দেহরক্ষীদের উৎকোচ দিয়ে সুলতানকে খুন করাল তারা।
১৪৮৭-৯৩ হাবশি সুলতানদের রাজত্ব।*
* এঁরা বাংলায় আবিসিনিয়া, বর্তমানে ইথিওপিয়া, থেকে এসেছিলেন।
১৪৯২ বিপ্রদাস চক্রবর্তী, মনসামঙ্গল।
১৪৯৩ বাংলার শেষ হাবশি সুলতান শামসুদ্দিন মুজাফফর শাহের উজির আলাউদ্দিনের হাতে হাবশি সুলতানশাহির অবসান, সুলতান হয়ে আলাউদ্দিন হোসেন শাহ নাম ধারণ করে সিংহাসনে বসলেন তিনি।
বিজয়গুপ্ত, পদ্মপুরাণ।
১৪৯৩-১৫১৯ আলাউদ্দিন হোসেন শাহের রাজত্ব।
১৪৯৩-১৫৩৮ হোসেন শাহি সুলতানদের রাজত্ব।
১৪৯৪ দিল্লির সুলতান সিকান্দার লোদির হাতে পরাস্ত হলেন জৌনপুরের সুলতান হোসেন শাহ শর্কি, প্রাণভয়ে পরাজিত সুলতান রাজনৈতিক আশ্রয় নিলেন বাংলায়।
১৪৯৮ ভারতে এ সময় পর্তুগিজদের আগমন ঘটে।
১৪৯৯ আলাউদ্দিন হোসেন শাহের সেনাবাহিনীর কামতারাজ্য আক্রমণ, রাজ্যটির একাংশ বাংলার অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেল।
১৫০১-১৬০০ এ সময় বঙ্গীয় বদ্বীপ থেকে ভারত, মালদ্বীপ, ইন্দোনেশিয়াসহ দুনিয়ার বহু দেশে চাল রফতানি হচ্ছে। বৃহৎ টেক্সটাইল শিল্প। বহির্বিশ্বে বাংলা রফতানি করছে তুলা আর রেশম।
১৫০১-১৭০০ বঙ্গীয় বদ্বীপে এ সময় ইসলাম প্রসার লাভ করে।
১৫১৮ চট্টগ্রামে পর্তুগিজ কুঠি স্থাপনের অনুমতি চেয়ে গোয়ার শাসনকর্তা আল বুকার্ক তাঁর দূত হোয়াও দ্য সিলভেরাকে সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের কাছে পাঠালেন, নানান ঘটনাচক্রে এযাত্রায় অনুমতি পেল না পর্তুগিজরা।
১৫১৯-৩২ নাসিরুদ্দিন নসরত শাহের রাজত্ব।
১৫২৬ পানিপথের প্রথম যুদ্ধ। জাহিরুদ্দিন মুহাম্মদ বাবুরের কাছে হেরে গেলেন দিল্লির লোদি রাজবংশের শেষ সুলতান ইব্রাহিম লোদি। দিল্লি সুলতানশাহির অবসান।
১৫২৬-১৮৫৮ মুঘল সাম্রাজ্য।
১৫২৮ বাবুরের কাছে আশ্রয় চাইলেন শের খান, যাঁর বাবা হাসান খান সূরি আফগানিস্তান থেকে ভারতে এসে দিল্লির সুলতান বাহালুল খান লোদির আনুকূল্য ও বিহারের তিনটি পরগনার – তান্ডা, সাসারাম, আর খাবাসপুর – জমিদারি লাভ করেছিলেন।
১৫২৯ বাবুরের বাংলা আক্রমণ।
১৫৩০ মুঘল সম্রাটের পক্ষে বিহারের অল্পবয়স্ক শাসনকর্তা জালাল খান লোহানির অভিভাবক নিযুক্ত হলেন শের খান।
১৫৩২ একনাখায় বাবার কবর জিয়ারত করার সময় গুপ্তঘাতকের হাতে খুন হয়ে গেলেন সুলতান নসরত শাহ।
১৫৩২-৩৩ আলাউদ্দিন ফিরোজ শাহের রাজত্ব।
১৫৩৩ মাত্র এক বছর রাজত্ব করার পর নসরত শাহের ছেলে দ্বিতীয় আলাউদ্দিন ফিরোজ শাহ তাঁর চাচা আবদুল বদরের হাতে খুন হয়ে গেলেন। গিয়াসুদ্দিন মাহমুদ শাহ নাম নিয়ে বাংলার মসনদে বসেন আবদুল বদর। তাঁর শাসনামলেই পর্তুগিজরা প্রথমবারের মত বাংলায় ঘাঁটি গাড়ার অনুমতি পায়। মখদুম-ই-আলমের বিরুদ্ধে গিয়াসুদ্দিন মাহমুদ শাহের সেনাপতি কুতুব খানের অভিযান। কুতুব খান পরাজিত ও নিহত হলেন। পুরীতে শ্রীচৈতন্যের মৃত্যু। অনেকের মতে হত্যাকাণ্ডের শিকার।
১৫৩৩-৩৯ গিয়াসুদ্দিন মাহমুদ শাহের রাজত্ব।
১৫৩৪ লোহানিদের কর্তৃত্ব মেনে নিতে অস্বীকার করেন শের খান, প্রাণভয়ে জালাল খান লোহানি বাংলার সুলতানের আশ্রয় প্রার্থনা করলেন। কুতুব খানের ছেলে ইব্রাহিম খানের নেতৃত্বে বিশাল এক সেনাবাহিনী শের খানের বাহিনীকে আক্রমণ করল, যুদ্ধে পরাজিত ও নিহত হলেন ইব্রাহিম খান। আত্মবিশ্বাসে বলীয়ান শের খান বাংলা আক্রমণ করার সিদ্ধান্ত নিলেন।
১৫৩৫ ঈসা খাঁর জন্ম, যার বাবা ক্ষত্রিয় রাজপুত কালিদাস – ইসলাম গ্রহণের পরে সুলাইমান খান – আর মা গিয়াসুদ্দিন মাহমুদ শাহের মেয়ে মোমেনা খাতুন।
১৫৩৮ শের খানের পুত্র জালাল খান আর সেনাপতি খাওয়াস খানের বাংলা বিজয়। গিয়াসুদ্দিন মাহমুদ শাহের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে শেষ হল বাংলার দুইশো বছরের স্বাধীন সুলতানদের যুগ।
১৫৪০ ফরিদুদ্দিন শেরশাহ নামে দিল্লির মসনদে বসলেন শের খান। এ সময়ই বৃন্দাবনে বাঙালি বৈষ্ণব-গোস্বামীরা প্রতিষ্ঠালাভ করেন।
১৫৪০-৪৫ বাংলায় পাঠান রাজত্ব।
১৫৪১ শেরশাহের গৌড় আগমন। এ বছরই শাসনকর্তার পদ তুলে দেন শেরশাহ। বাংলাকে ১৯টি সরকারে বিভক্ত করে প্রত্যেক সরকারে ১ জন করে আমির নিযুক্ত করেন।
১৫৪৫ গিয়াসুদ্দিন মাহমুদ শাহের মেয়ের জামাই সুলাইমান খানকে হত্যা করা হল। প্রাসাদ লুট করা হল। তাঁর দুই ছেলে ইসমাইল খাঁ আর ঈসা খাঁকে ইরানি বণিকদের কাছে দাস হিসেবে বেচে দেয়া হল।
কলিঙ্গ দুর্গ অবরোধ করাকালে শেরশাহের মৃত্যু।
১৫৫০ কবি চন্দ্রাবতীর জন্ম।*
* বাংলা ভাষার প্রথম নারী কবি বলে বিবেচিত চন্দ্রাবতী তিনি রামায়ণের একটি স্বকীয় বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন অনুবাদ করেন।
১৫৫৩-৬৩ মুহাম্মদ শাহি সুলতানদের রাজত্ব।
১৫৬২ মোট অঙ্কের মুক্তিপণ দিয়ে ইসমাইল খাঁ আর ঈসা খাঁর দাসত্ব মোচন করলেন তাঁদের চাচা কুতুব খান।
১৫৬৪ শেরশাহের এককালীন সেনাপতি তাজ খান কররানি মুঘলদের ধাওয়া খেয়ে বিহার থেকে বাংলায় এসে নিজেকে বাংলার সুলতান বলে ঘোষণা করলেন।
১৫৬৪-৭৬ কররানিদের রাজত্ব।
১৫৬৮ ওড়িশার রাজা মুকুন্দ দেবের বিরুদ্ধে পুত্র বায়েজিদ আর সেনাপতি কালাপাহাড়ের নেতৃত্বে সৈন্যদল পাঠালেন তাজ খান কররানির পুত্র সুলায়মান খান কররানি। যিনি মুঘলদের কর্তৃত্ব পুনরায় স্বীকার করে নিয়েছিলেন। এই অভিযানে যোগ দেন ঈসা খাঁ।
* জন্মগত নাম রাজীবলোচন রায়। ইসলাম গ্রহণ করার পর প্রচণ্ড হিন্দুবিদ্বেষীতে পরিণত হন।
১৫৭২ সুলায়মান খান কররানির মৃত্যু। বাংলার শাসক হলেন তাঁর ছেলে দাউদ খান কররানি।
১৫৭৩ ত্রিপুরার রাজা উদয়মাণিক্যের চট্টগ্রাম আক্রমণ। ঈসা খাঁ কররানিদের পক্ষে চট্টগ্রাম গিয়ে উদয়মাণিক্যকে বিতাড়িত করলেন।
১৫৭৪ দাউদ খান কররানির কাছ থেকে রাজা উপাধি পেলেন প্রতাপাদিত্যের পিতা বিক্রমাদিত্য। গৌড়ের যশ হরণ করে বিক্রমাদিত্যের রাজ্যের সমৃদ্ধি ঘটেছে দাবি করে গৌড় থেকে আসা কিছু লোক রাজ্যটিকে ‘যশোহর’ ডাকা শুরু করল। কালক্রমে যা লোকমুখে যশোর হয়ে উঠবে।
১৫৭৫ সুলায়মান খান কররানির ছেলে দাউদ খান কররানির বিদ্রোহ দমন করতে বাংলায় এলেন দিল্লির সুলতান জালালুদ্দিন মুহাম্মদ আকবর। বিদ্রোহ দমন করে মুনেম খানকে সুবাদার নিযুক্ত করে আকবর ফিরে গেলেন আগ্রায়। মহামারীতে মুনেম খানের মৃত্যু। সোনারগাঁওয়ের কাছাকাছি অবস্থান নেয়া মুঘল নৌবহর ধবংস করে ফেললেন ঈসা খাঁ। দাউদ খান কররানি দ্বিতীয়বারের মত বাংলা দখলের চেষ্টা চালালেন।
১৫৭৬ জুলাই ১২ রাজমহলের যুদ্ধ। মুঘলদের কাছে পরাজিত হলেন দাউদ খান কররানি। তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হল।
তথ্যসূত্র
আজাদ, হুমায়ুন। ২০১৯। লাল নীল দীপাবলি বা বাঙলা সাহিত্যের জীবনী। দ্বিতীয় সংস্করণ সপ্তদশ মুদ্রণ। আগামী।— ২০২১। কতো নদী সরোবর বা বাঙলা ভাষার জীবনী। দ্বিতীয় সংস্করণ একাদশ মুদ্রণ। আগামী।
করিম, আবদুল। ২০১৩। বাংলার ইতিহাস: সুলতানী আমল। দ্বিতীয় মুদ্রণ। জাতীয় সাহিত্য প্রকাশ।
মুখোপাধ্যায়, সুখময়। ২০১৮। বাংলার ইতিহাসের দুশো বছর: স্বাধীন সুলতানদের আমল (১৩৩৮-১৫৩৮)। দিব্যপ্রকাশ।
রহমান, মুহাম্মদ হাবিবুর। ২০০৮। বাংলাদেশের তারিখ। তৃতীয় সংস্করণ। মাওলা ব্রাদার্স।
রাফিন, ইরফানুর রহমান। ২০২২। সময়রেখা: মহাবিশ্বের উৎপত্তি থেকে করোনাসংকট পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত ঘটনাপঞ্জি। দিব্যপ্রকাশ।
— প্রকাশিতব্য। ২০২৬। আমলনামা: বাংলাদেশের ইতিহাসের কালপঞ্জি। জ্ঞানকোষ।
শাহরিয়ার, খন্দকার স্বনন। ২০২১। মধ্যযুগের বাংলা: বখতিয়ার খলজি থেকে সিরাজ-উদ-দৌলা। প্রথম সংস্করণ। বাতিঘর।
Schendel, Williem Van. 2020. A History of Bangladesh. 2nd ed. Cambridge University Press.
নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।
অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ
দিব্যপ্রকাশ । বাতিঘর । বইবাজার । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী । বুক হাউজ । ওয়াফিলাইফ । রকমারি




One Reply to “বাংলা সুলতানশাহি”