
আইসল্যান্ড
Featured Image: Wikimedia Commons.

পূর্বসাল
২ কোটি বছর আগে আগ্নেয়গিরির কর্মকাণ্ডের কারণে আইসল্যান্ড নামের একটি দ্বীপের জন্ম হলো, প্রক্রিয়াটা এখনো চালু আছে।*
* আগ্নেয়গিরি আইসল্যান্ডের জন্য একইসাথে শাপ ও বর। দ্বীপটি সবসময়ই প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকির মধ্যে থাকে। অন্যদিকে, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ভূতাপীয় শক্তির অফুরন্ত উৎস হওয়ায় দেশটিকে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভর করতে হয় না বললেই চলে।
৩২৫ গ্রিক অভিযাত্রিক পিথিয়াস তাঁর বিবরণে থুলে নামের একটি জায়গার কথা বললেন, অনেকে বিশ্বাস করেন এই থুলেই আইসল্যান্ড।
সাল
৭০১-৮০০ একাগ্রচিত্তে খোদার ইবাদতবন্দেগি করা যাবে এমন একটি দূরবর্তী নির্জন স্থান খুঁজতে গিয়ে আইরিশ সন্ন্যাসীরা আইসল্যান্ড আবিষ্কার করেন। তবে তারা স্থায়ী বসতি স্থাপন করেন নি। পরের শতাব্দীতে নরওয়ে, সুইডেন, ও ডেনমার্ক থেকে ভাইকিংদের আগমন শুরু হলে সন্ন্যাসীরা আইসল্যান্ড ছেড়ে চলে যান।
বসতিস্থাপন ও সাধারণতন্ত্র পর্বগুলো
৮৭০-১২৬৪
৮৭০-১১০০ সালের শেষভাগ নরওয়ে ও ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জ থেকে আইসল্যান্ডে বসতিস্থাপন।
৮৭৪ আইসল্যান্ডের প্রথম স্থায়ী বসতি রেইকিয়াভিক স্থাপন করলেন ইঙ্গোলফার আর্নারসন নামের এক ভাইকিং।*
* বর্তমানে আইসল্যান্ডের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর রেইকিয়াভিক।
৮৭৪-৯৩০ আইসল্যান্ডে বসতি স্থাপনের যুগ।
৯৩০ সমগ্র আইসল্যান্ডের জন্য আলথিংগি নামক একটি সাধারণ পরিষদ প্রথমবারের মতো থিংভেলির মাঠে বসলো । ১৭৯৮ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর কয়েক সপ্তাহের জন্য এখানে এই সভার অধিবেশন বসত। প্রথাগতভাবে এটিকে সাধারণতন্ত্রের যুগের সূচনাবর্ষ গণ্য করা হয়।
৯৩০-১২৬২/১২৬৪ সাধারণতন্ত্রের যুগ।
৯৩০-১০৩০ আইসল্যান্ডে দুঃসাহসিক অভিযাত্রা আর বীরগাথার যুগ।
৯৮১ জনৈক খ্রিস্টান মিশনারি আইসল্যান্ডে ধর্মপ্রচার শুরু করলেন। পরবর্তী দুই দশকে বহু আইসল্যান্ডার খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন। আলথিং রোমক ক্যাথলিক মতবাদকে স্বীকৃতি প্রদান করলে পরের পাঁচ শতাব্দী ক্যাথলিক চার্চ দেশটির সবচে ক্ষমতাশালী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।
৯৮৬ এরিক দ্য রেড একদল আইসল্যান্ডারকে নিয়ে গ্রিনল্যান্ডে গেলেন সেখানে বসতিস্থাপন করার জন্য।
৯৯৯/১০০০ গৃহযুদ্ধ এড়াতে আলথিংয়ে শান্তিপূর্ণভাবে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিলেন আইসল্যান্ডিক সমাজের নেতৃবৃন্দ।
১০২১ আমেরিকা আবিষ্কার করেন আইসল্যান্ডিক অভিযাত্রিক লেইফ এরিকসন।
১০৫৬ আইসল্যান্ডের প্রথম ক্যাথলিক বিশপ হিসেবে অভিষিক্ত হলেন ইসলেইফুর গিসুরারসন।
১০৯৬ গির্জাকে টিথে* দিতে রাজি হলো আইসল্যান্ডের বাসিন্দারা।
* ধর্মীয় কর।
১১০৪ মাউন্ট হেকলায় এক প্রকাণ্ড আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতে দক্ষিণ আইসল্যান্ডের থিওর্সার উপত্যকার বসতি ধ্বংস হয়ে গেলো।
১১০৬ হোলারের ডায়োসিসের প্রথম বিশপ হিসেবে অভিষিক্ত হলেন জোন ওগমুন্ডসন। আইসল্যান্ডকে দুটি বিশপরিকে ভাগ করা হলো। দেশের পূর্বাঞ্চল, দক্ষিণাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত স্খালহোল্ট, এবং হোলারের অধীনস্ত উত্তর আইসল্যান্ড।
১১১৭-১৮ আইসল্যান্ডিক আইনগুলো প্রথমবারের মতো লিখিত রূপ পেলো।
১১৩৩ আইসল্যান্ডের প্রথম বেনেডিক্টাইন মঠ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলো থিংগেইরার।
১২২০-১২৬২ কথিত স্টুরলুং যুগ। এটি ছিলো দেশটির প্রভাবশালী পরিবারগুলোর মধ্যে প্রায় নিরবচ্ছিন্ন গৃহযুদ্ধের এক উত্তাল সময়। সময়কালটির নামকরণ করা হয়েছে স্টুরলুং পরিবারের নামানুসারে।
১২৩৮ আগস্ট ২১ উত্তর আইসল্যান্ডের ওরলিগ্সস্তাদিরে একটি বড় যুদ্ধ সংঘটিত হলো। যেখানে সিগভাতুর স্টারলুসন এবং স্টার্লা সিগভাতসনের সেনাবাহিনীকে পরাজিত করে গিসুর থোরভাল্ডসন এবং কোলবেইন দ্য ইয়ংগার আরনোরসনের বাহিনী।
১২৪১ সেপ্টেম্বর ২৩ নরওয়ের রাজার নির্দেশে রেখোল্টে নিজ বাড়িতে খুন হলেন মধ্যযুগীয় আইসল্যান্ডের বিখ্যাত সাহিত্যিক স্নোরি স্টারলুসন।
১২৪৪ জুন ২৫ আইসল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলে হুনাফ্লোই উপসাগরে কোলবেইন দ্য ইয়ংগার ও সিগভাতুরের পুত্র থোরদুর সিগভাতসনের বাহিনীর মধ্যে এক বিশাল নৌযুদ্ধ সংঘটিত হলো। যুদ্ধে কোনো পক্ষই চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করতে পারে নি।
১২৪৬ এপ্রিল ১৯ আইসল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলের হাউগসনেসে থোরদুর সিগভাতসনের বাহিনী ব্রান্দুর কোলবেইনসনের সেনাবাহিনীকে পরাজিত করে। যুদ্ধের পর থোরদুর সিগভাতসন ও গিসুর থোরভাল্ডসন তাঁদের মধ্যকার বিরোধের মীমাংসার জন্য নরওয়ের রাজা হাকন হাকনারসনের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
১২৫৮ রাজা হ্যাকন কর্তৃক আইসল্যান্ডের প্রথম ও একমাত্র আর্ল নিযুক্ত হলেন গিসুর থোরভাল্ডসন।
১২৬২ হেকলা অগ্নুৎপাতের ধকল সামলে উঠতে না পারায় ও অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে দুর্বল হয়ে পড়ায় আইসল্যান্ড তার স্বাধীনতা হারালো। পরবর্তী ৬৮২ বছর দেশটি পরাধীন থাকে। এসময় আইসল্যান্ড শাসন করেন প্রথমে নরওয়ের রাজা, এরপর ডেনমার্কের রাজা।
১২৬২/১২৬৪ আইসল্যান্ড নরওয়ের রাজতন্ত্রের অন্তর্ভুক্ত হয়।
নরওয়েজীয় ও দিনেমার রাজাদের শাসনে আইসল্যান্ড
১২৬২/১২৬৪-১৮৭৪
১২৬২/১২৬৪ নরওয়ের রাজতন্ত্রের অধীনতা স্বীকার করে তার অন্তর্ভুক্ত হতে রাজি হলেন আইসল্যান্ডের গোত্রপ্রধানেরা।
১২৭১ আইসল্যান্ডের ইতিহাসে প্রথমবারের মত একটি আইনের বই প্রকাশের উদ্যোগ নিলেন নরওয়ের রাজা ম্যাগনাস। ইয়ার্নসিদা নামে একটি নতুন আইনসংহিতা গৃহীত হলো। এর ফলে আইসল্যান্ডের আইনব্যবস্থা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম নরওয়ের রীতিনীতির আরও কাছাকাছি চলে আসে।
১২৮১ ইয়োনসবোক নামে একটি নতুন আইনগ্রন্থ গৃহীত হলো। উনিশ শতক পর্যন্ত আইসল্যান্ডের আইন প্রণয়নের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে গ্রন্থটি কার্যকর ছিলো।
১৩৮০ দিনেমারদের অধীনে ইউনিয়ন গঠন করলো নরওয়ে, ডেনমার্ক, আর আইসল্যান্ড।
১৪০২ স্বার্তি দাউদি (কালো মৃত্যু) নামে পরিচিত এক মহামারীতে আইসল্যান্ড ভয়াবহভাবে বিপর্যস্ত হলো।
১৪১০-১৫৩৯ ইংরেজদের শতাব্দী।*
* এ সময় ইংরেজ জেলে, ব্যবসায়ী ও দুঃসাহসী অভিযাত্রীরা নিয়মিত আইসল্যান্ডে যাতায়াত করতেন। ডেনমার্কের রাজা আইসল্যান্ডের ওপর নিজের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন। জার্মান ব্যবসায়ীদের সহায়তায় তিনি ষোড়শ শতাব্দীর প্রথমার্ধে ইংরেজদের আইসল্যান্ড থেকে তাড়িয়ে দিতে সক্ষম হন।
১৪৬৭ বিয়র্ন থোরলেইফসন হত্যাকাণ্ড।
১৪৬৮-৭৩ ইঙ্গ-দিনেমার যুদ্ধ।
১৪৯০ আলথিংগিতে আদালতের রায়ের আকারে একটি নতুন আইন গৃহীত হলো। পিনিংসদোমুর, বা পিনিং রায় নামে পরিচিত এই আইন অনুযায়ী, বিদেশি বণিকদের শীতকালজুড়ে আইসল্যান্ডে অবস্থান নিষিদ্ধ করা হয়। একইসাথে, কুটিরবাসীদের অন্তত তিনটি গরুর সমমূল্যের গবাদিপশুর মালিক হওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়।
১৪৯৪ আইসল্যান্ডে আবারও এক মহামারী ছড়িয়ে পড়ে।
১৫৩৭ আইসল্যান্ডের নিয়ন্ত্রক ডেনমার্কের রাজা লুথারান খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত হলেন।
১৫৩৯ স্কালহোল্ট ডায়োসিসের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন আইসল্যান্ডের প্রথম লুথেরান বিশপ গিসুর আইনরসন।
১৫৪০ ডেনমার্কে নব সন্ধির একটি আইসল্যান্ডিক অনুবাদ প্রকাশিত হলো।
১৫৫০ নভেম্বর ৭ হোলার ডায়োসিসের ক্যাথলিক বিশপ ইয়োন আরাসনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হলো। এর মধ্য দিয়ে আইসল্যান্ডে লুথেরান ধর্মসংস্কার সম্পূর্ণ হয়।
১৫৬৪ জুন ৩০ স্টোরিদোমুর। আলথিংগিতে অনুমোদিত হলো একটি নতুন নৈতিক আচরণবিধি। ১৫৬৫ সালে ডেনমার্কের রাজা এতে সম্মতি দেন।
১৫৮১ আথলিং লুথারান মতবাদকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিল, এর মধ্য দিয়ে দেশটিতে ক্যাথলিক চার্চের পাঁচ শতাব্দীর আধিপত্যের অবসান ঘটলে।
১৫৮৪ বিশপ গুথব্রান্ডুর থরলাকসনের নামানুসারে প্রকাশিত হলো গুথব্রান্ডসবিবলিয়া। এটি আইসল্যান্ডিক ভাষায় পুরো বাইবেলের প্রথম অনুবাদ। যা হোলারে মুদ্রিত হয়েছিলো।
১৬০২ এপ্রিল ২০ এক রাজকীয় ফরমানের মাধ্যমে আইসল্যান্ডে ডেনমার্কের একচেটিয়া বাণিজ্যব্যবস্থা চালু হলো। এই ব্যবস্থা ১৭৮৭ সাল পর্যন্ত বহাল ছিলো। তবে এর পূর্ণ বিলোপ ঘটে ১৮৫৫ সালে।
১৬২৭ জুন-জুলাই বার্বারি উপকূল থেকে আসা জলদস্যুরা আইসল্যান্ডের পূর্ব ও দক্ষিণ উপকূলে হামলা চালায়। ওলন্দাজ বংশোদ্ভূত জলদস্যু ইয়ান ইয়ানসুনের নেতৃত্বে সংঘটিত এই আক্রমণগুলো ইতিহাসে তুর্কি অভিযান নামে পরিচিত।
১৬৬২ জুলাই ২৬ কোপাভোগুরে এক সভায় ডেনমার্কের নিরঙ্কুশ রাজতান্ত্রিক শাসন মেনে নিলেন আইসল্যান্ডের অভিজাত শ্রেণির প্রতিনিধিরা।
১৭০৩ সমগ্র আইসল্যান্ডে প্রথমবারের মতো আদমশুমারি পরিচালিত হলো।
১৭০৭-০৯ আইসল্যান্ডে গুটিবসন্তের এক ভয়াবহ মহামারী দেখা দিলো। ধারণা করা হয়, এতে দেশটির মোট জনসংখ্যার ২০-৩০ শতাংশের মৃত্যু হয়েছিলো।
১৭৫১ ইনরেত্তিঙ্গার। আইসল্যান্ডে রাষ্ট্রের মদতে একটি অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রকল্প শুরু হলো। এই প্রকল্পের প্রধান উদ্যোগ ছিলো রেইকিয়াভিকে একটি ছোট বস্ত্র কারখানা প্রতিষ্ঠা।
১৭৭০ মার্চ ২০ আইসল্যান্ডের আর্থসামাজিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার জন্য ল্যান্ডসনেফন্ড নামে একটি রাজকীয় কমিশন গঠন করেন ডেনমার্কের রাজা সপ্তম ক্রিশ্চিয়ান।
১৭৮৩ জুন ৮ আইসল্যান্ডের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের লাকি পর্বত এলাকায় এক ভয়াবহ আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত শুরু হলো। এটি আইসল্যান্ডের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ অগ্ন্যুৎপাত। পরের বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিলো।
১৭৮৪-৮৫ মোউধুহারধিন্দি।*
* লাকি আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সৃষ্ট এই দুর্ভিক্ষে খাদ্যসংকট দেখা দেয়। ক্ষুধা ও অন্যান্য কারণে আইসল্যান্ডের জনসংখ্যার প্রায় ২০ শতাংশের মৃত্যু হয়। ইতিহাসে এই বিপর্যয় কুয়াশার দুর্ভিক্ষ নামে পরিচিত।
১৭৮৫ স্কালহোল্টের বিশপের আসন রেইকিয়াভিকে স্থানান্তরিত হলো।
ফেব্রুয়ারি ২ আইসল্যান্ডের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা এবং দেশটির গভীর সংকট সমাধানের উপায় প্রস্তাব করার জন্য একটি নতুন রাজকীয় কমিশন গঠন করলেন ডেনমার্কের রাজা।
১৭৮৬ আগস্ট ১৮ ডেনমার্কের রাজা রেইকিয়াভিকের জন্য একটি রাজকীয় সনদ জারি করলেন।
১৭৮৭ জুন ১৩ একটি ডিক্রি জারি করে তাঁর সব প্রজাকে আইসল্যান্ডের সাথে বাণিজ্য করার অনুমতি দিলেন ডেনমার্কের রাজা। দেশটিতে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা ঘৃণিত একচেটিয়া বাণিজ্যব্যবস্থা বিলুপ্ত করার পথে এটিই ছিলো প্রথম পদক্ষেপ।
১৭৯৫ আলমেন্না বেইনার্সক্রাইন।*
* আইসল্যান্ডবাসীরা ডেনমার্কের রাজার কাছে একটি গণ আবেদনের মাধ্যমে বাণিজ্যে পূর্ণ স্বাধীনতার দাবি জানালেন।
১৭৯৮ জুলাই ২০ শেষবারের মতো থিংভেলিরে আলথিংগির অধিবেশনে বসে। এরপর উদীয়মান রাজধানী রেইকিয়াভিকে এই আইনসভার কার্যক্রম স্থানান্তর করা হয়।
১৮০০ জুন ৬ আলথিংগি বিলুপ্ত করলেন ডেনমার্কের রাজা।
জুলাই ১১ রেইকিয়াভিকে একটি নতুন উচ্চ আদালত প্রতিষ্ঠিত হলো যা আলথিংগির দায়িত্বভার গ্রহণ করে।
১৮০১ হোলারের বিশপের আসন বিলুপ্ত করা হলো। রেইকিয়াভিকে অবস্থিত বিশপের অধীনে একটি মাত্র ডায়োসিসে পরিণত হলো আইসল্যান্ড।
১৮০৯ জুন ২৫-২২ আগস্ট কথিত আইসল্যান্ডিক বিপ্লব। এক দিনেমার অভিযাত্রিক আইসল্যান্ডের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তিনি নিজেকে দেশটির “রক্ষক” বলে দাবি করেন।
১৮১১ জুন ১৭ আইসল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে জন্মগ্রহণ করলেন দেশটির জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ভবিষ্যৎ নেতা ইয়োন সিগুর্ডসন।
১৮৩০ জানুয়ারি ১২ আইসল্যান্ডের ইতিহাসের সর্বশেষ মৃত্যুদণ্ডটি কার্যকর করা হলো। উত্তর আইসল্যান্ডের হুনাভাতস অঞ্চলে খুনের দায়ে দণ্ডিত ফ্রিডরিক সিগুর্ডসন ও আগনেস ম্যাগনুসডোট্টিরের শিরশ্ছেদ করা হয়।
১৮৪০ মে ২০ আইসল্যান্ডের রাজকীয় কর্মকর্তাদের এক সভায় নির্বাচিত আইনসভা প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করতে বলেন ডেনমার্কের রাজা অষ্টম ক্রিশ্চিয়ান। প্রস্তাবিত এই আইনসভার নাম হওয়ার কথা ছিলো আলথিংগি।
১৮৪৩ মার্চ ৮ ডেনমার্কের রাজা আইসল্যান্ডে আলথিংগি নামের একটি নতুন পরামর্শমূলক আইনসভা প্রতিষ্ঠার আইন অনুমোদন করেন। ঘটনাটিকে দেশটিতে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। ভোটাধিকার অত্যন্ত সীমিত হলেও আইনসভার ৬ জন ছাড়া বাকি সব প্রতিনিধি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতেন।
১৮৪৫ জুলাই ১ রেইকিয়াভিকে প্রথমবারের মতো গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত আইনসভা হিসেবে আলথিংগির অধিবেশন বসে।
১৮৪৬ রেইকিয়াভিকে স্থানান্তরিত হলো বেসাস্তাদিরের লাতিন স্কুল।
১৮৪৭ রেইকিয়াভিকে প্রতিষ্ঠিত হলো ধর্মতত্ত্বের কলেজ। এটি আইসল্যান্ডের প্রথম উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। পরবর্তীতে কলেজটি আইসল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষদে পরিণত হয়।
১৮৪৮ নভেম্বর ৫ রেইকিয়াভিক থেকে প্রকাশিত হলো থিওদোলফুর পত্রিকার প্রথম সংখ্যা। পত্রিকাটি মাসে দুইবার প্রকাশিত হতো।
১৮৫১ জুলাই ৫ আইসল্যান্ডের জন্য একটি নতুন সংবিধান নিয়ে আলোচনা করতে রেইকিয়াভিকে একটি নির্বাচিত পরিষদের অধিবেশন বসে। কিন্তু ৯ আগস্ট আলোচনা অচলাবস্থায় শেষ হয়।
১৮৫৫ এপ্রিল ১ আইসল্যান্ডে দিনেমার একচেটিয়া বাণিজ্যের সর্বশেষ অবশিষ্টাংশও বিলুপ্ত করা হলো। এর ফলে ডেনমার্কের রাজতন্ত্রের বাইরের বণিকেরাও দেশটিতে অবাধ বাণিজ্য করার অধিকার পান।
১৮৭১ জানুয়ারি ২ স্টোথুলোগ।*
* তথাকথিত স্ট্যাটাস লয়ের অনুমোদন দিলেন ডেনমার্কের রাজা নবম ক্রিশ্চিয়ান। আগের বছর দিনেমার সংসদে পাশ হওয়া এই আইনটি রাজতন্ত্রের কাঠামোর মধ্যে আইসল্যান্ডের মর্যাদা নির্ধারণ করেছিলো। এছাড়া, আইসল্যান্ডের বাজেটে রাজকীয় অনুদান হিসেবে কী পরিমাণ অর্থ প্রদান করা হবে, তাও এই আইনের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
গভর্নরের পর্ব
১৮৭৩-১৯০৪
১৮৭৪ ডেনমার্ক আইসল্যান্ডকে সীমিত আকারে স্বায়ত্তশাসন প্রদান করল।
১৯০৪ আইসল্যান্ডে স্বরাজ প্রতিষ্ঠা।
১৯১১ স্থাপিত হল ইউনিভার্সিটি অফ আইসল্যান্ড।
১৯১৪-১৮ World War I – Wikipedia।
১৯১৮ দিনেমারদের অধীনে আইসল্যান্ডকে পূর্ণ স্বশাসন দেয়া হল।
১৯৩৯-৪৫ World War II – Wikipedia।
১৯৪০ জার্মানদের ডেনমার্ক দখল করে নেয়ার প্রতিক্রিয়ায় ব্রিটিশরা আইসল্যান্ড দখল করে নিল।
১৯৪১ নাৎসি আগ্রাসনের প্রেক্ষিতে আইসল্যান্ডের প্রতিরক্ষার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
১৯৪৩ দিনেমারদের সাথে করা ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে এল আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক তখনো নাৎসিদের কবলে আছে।
১৯৪৪ জুন ১৭ ডেনমার্কের সাথে সর্বপ্রকার সম্পর্ক ছিন্ন করে আইসল্যান্ড নিজেকে একটি প্রজাতন্ত্র বলে ঘোষণা করল। দেশটির প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হলেন ভেইন জর্নসন। একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন করা হল।
১৯৪৬ জাতিসংঘে যোগ দিল আইসল্যান্ড।
১৯৪৯ ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের একটি হল আইসল্যান্ড।
১৯৫১ আইসল্যান্ডের সামরিক প্রতিরক্ষার দায়িত্ব গ্রহণ করল যুক্তরাষ্ট্র।
১৯৫৫ সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেলেন আইসল্যান্ডের হ্যালডোর নাক্সনেস।
১৯৬৩-৬৭ সার্তসে দ্বীপের জন্ম।
১৯৮০ আইসল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন ভিগডিস ফিনবোগডট্টির। তিনি গণতান্ত্রিক নির্বাচনে জিতে রাষ্ট্রপ্রধান হওয়া ইতিহাসের প্রথম নারী। ১৯৮৪, ১৯৮৮, ও ১৯৯২ সালে পুনর্নির্বাচিত হন ভিগডিস।
১৯৮৫ আইসল্যান্ড নিজেকে পারমাণবিক মুক্ত অঞ্চল ঘোষণা করল।
১৯৮৬ মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান আর সোভিয়েত প্রিমিয়ার মিখাইল গর্বাচেভের মধ্যে একটি আলোচনা সভার স্থান হিসেবে আইসল্যান্ডের রাজধানী রিকজাভিককে বাছাই করা হল।
১৯৯৬ ভাত্নাজোকুলের নিচে একটি আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত।
২০০৮ বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের ধাক্কায় আইসল্যান্ডের অর্থনীতির অবনতি।
২০০৯ ইওরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ লাভ করার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করল আইসল্যান্ড।
২০১০ সমকামী বিবাহ আইন পাশ করল আইসল্যান্ড।
২০১২ অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠল আইসল্যান্ড।
২০১৫ ইওরোপীয় ইউনিয়নে অন্তর্ভুক্তির আবেদন ফিরিয়ে নিল আইসল্যান্ড।
২০১৬ এপ্রিল ৪ পানামা পেপার্সের কর নথিপত্র অনুযায়ী, লক্ষ লক্ষ ডলারের বিনিয়োগ গোপন করার চেষ্টা করেছিলেন আইসল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী গুনলাগসন। এমন অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায় রেইকিয়াভিকে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হলো।
৫ পানামা পেপার্সে তাঁর পরিবারের জড়িত থাকার অভিযোগে পদত্যাগ করলেন প্রধানমন্ত্রী গুনলাগসন।
২০১৭ জানুয়ারি ১১ আইসল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিলেন বিয়ার্নি বেনেডিক্টসন।
সেপ্টেম্বর ১৫ গোপনে এক অপরাধীকে ক্ষমা করার সুপারিশ করে একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন আইসল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বিয়ার্নি বেনেডিক্টসন। যা ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। তীব্র সমালোচনার মুখে ২৮ অক্টোবর আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দেন তিনি।
অক্টোবর ২৮ আগের নির্বাচনের মাত্র এক বছর পর আইসল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হলো আগাম জাতীয় নির্বাচন।
নভেম্বর ৩০ প্রায় এক মাস ধরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে জোট সরকার গঠনের আলোচনা চলার পর আইসল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হলেন কাত্রিন ইয়াকবসডোটির।
২০১৮ মে ২৬ ২০১৮ সালের আইসল্যান্ডীয় পৌরসভা নির্বাচন।
২০১৯ আগস্ট ১৮ ওকইয়োকুল হিমবাহের জন্য একটি প্রতীকী অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া আয়োজন করলেন আইসল্যান্ডের ১০০ জন পরিবেশকর্মী, সরকারি কর্মকর্তা এবং অন্যান্য উদ্বিগ্ন নাগরিক। একসময় ১৫.৫ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই হিমবাহটি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সম্পূর্ণরূপে গলে বিলীন হয়ে গেছে।
২০২০ ফেব্রুয়ারি ৯ প্রথম আইসল্যান্ডীয় হিসেবে একাডেমি পুরস্কার জিতলেন হিলদুর গুডনাডোটির।
২৮ আইসল্যান্ডে কোভিড-১৯য়ের প্রথম রোগী শনাক্ত হলো।
মার্চ ১৩ কোভিড-১৯ এর পরিপ্রেক্ষিতে জনসমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলো।
১৭ দ্বীপটিতে কোভিড-১৯ এ প্রথম মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করা হয়; মৃত ব্যক্তি ছিলেন একজন অস্ট্রেলীয় পর্যটক।
জুন ২৭ ২০২০ সালের আইসল্যান্ডীয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন।
২০২১ মার্চ ২৭ দুটি জ্বালামুখ সহ গেলডিঙ্গাডালসগোস আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত।
আগস্ট ২০ দ্য লাউড হাউস মুভি মুক্তি দিল নেটফ্লিক্স আইসল্যান্ড।
সেপ্টেম্বর ২৫ আলথিংয়ের সংসদীয় নির্বাচন।
২০২২ ফেব্রুয়ারি ৪ তিমির মাংসের দাম কমে যাওয়ার কারণ দেখিয়ে ২০২৪ সালের মধ্যে তিমি শিকার বন্ধ করার ঘোষণা দিলো আইসল্যান্ড।
এপ্রিল ৪ ইওরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), নরওয়ে, সুইজারল্যান্ড এবং লিশটেনস্টাইনের সাথে আইসল্যান্ডের সাংবাদিকদের জন্যও একটি সরলীকৃত পদ্ধতিতে রাশিয়ায় ভিসা লাভ করার সুযোগ তৈরি হলো।
জুন ১৭ আইসল্যান্ডে প্রথম মাঙ্কিপক্সের ঘটনা।
সেপ্টেম্বর ২১ আইসল্যান্ডের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একটি সন্ত্রাসী হামলার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগে ৪ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ।
২০২৩ অক্টোবর ২৪ ভেন্নাভেরফল, লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা এবং অসম বেতনের প্রতিবাদে একটি দেশব্যাপী ধর্মঘটে অংশ নিলেন আইসল্যান্ডীয় নারীরা, যাঁদের একজন প্রধানমন্ত্রী কাত্রিন ইয়াকবসডোটির।
২০২৪ মার্চ ১৬ রেইকিয়ানেস আগ্নেয়গিরি ব্যবস্থা পুনরায় অগ্ন্যুৎপাত করায় আইসল্যান্ডের দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলে জরুরি অবস্থা জারি করা হলো।
জুন ১ ২০২৪ সালের আইসল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। ৩২.১% ভোট পেয়ে নির্বাচিত হলেন হালা টমাসডোটির।
নভেম্বর ৩০ ২০২৪ সালের আইসল্যান্ডীয় সংসদীয় নির্বাচন। ক্ষমতাসীন ইন্ডিপেন্ডেন্স পার্টিকে পরাজিত করে আলথিংয়ে সর্বাধিক আসন লাভ করলো সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স।
ডিসেম্বর ২১ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন ক্রিস্টরুন ফ্রস্টাডোটির।
২০২৫ মার্চ ২০ একটি ধর্মীয় গোষ্ঠীর ২২ বছর বয়সী পরামর্শদাতা থাকাকালীন এক ১৫ বছর বয়সী ছেলের সাথে সম্পর্কের ফলে ১৯৮৯ সালে একটি সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন, এই কথা স্বীকার করার পর শিশু বিষয়ক মন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন আস্তিলদুর লোয়া থোর্সডোটির।
এপ্রিল ১ ও জুলাই ১৬২০২৩-২০২৫ সুন্দনুকুর অগ্ন্যুৎপাত। সুন্দনুকসগিগার জ্বালামুখ থেকে টানা দুইবার অগ্ন্যুৎপাত। নিকটবর্তী গ্রিন্ডাভিক ও ব্লু লেগুন থেকে লোকজনকে সরিয়ে নেয়া হলো।
সেপ্টেম্বর ১৬ মারকোসুর জোটের সাথে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করলো আইসল্যান্ড।
২৭ স্নাইফেলসনেস জাতীয় উদ্যানকে একটি জীবমণ্ডল সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করলো ইউনেস্কো।
অক্টোবর ১৬ আইসল্যান্ডের নথিবদ্ধ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আবিষ্কৃত হলো মশা, দেশটির কিয়োস প্রদেশের কিদাফেল শহরে।
ডিসেম্বর ১০ ইওরোপীয় ব্রডকাস্টিং ইউনিয়ন (ইবিইউ) কর্তৃক ইসরায়েলকে ইওরোভিশন ২০২৬ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়ার অনুমতি দেয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ইওরোভিশন ২০২৬ বয়কটের ঘোষণা দিলো আইসল্যান্ড।
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১০ ইওরোপোল ঘোষণা করলো, তারা আইসল্যান্ডে কোকেন পাচারকারী একটি মাদক চোরাচালানকারী চক্র ভেঙে দিয়েছে এবং ২৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
মার্চ ১২ ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অফ জাস্টিসে (আইসিজে) ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত জেনোসাইড মামলায় দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে হস্তক্ষেপ করবে বলে ঘোষণা দিলো নেদারল্যান্ডস ও আইসল্যান্ড।
মে ১৬ ২০২৬ সালের আইসল্যান্ডীয় পৌরসভা নির্বাচন।
তথ্যসূত্র
BBC.
Deutsche Welle.
Reuters.
Sandness, Roger K., and Gritzner, Charles F. 2003. Iceland. Chelsea House.
Wikipedia
The Free Encyclopedia
https://www.wikipedia.org
নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।
অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ
দিব্যপ্রকাশ । বাতিঘর । বইবাজার । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী । বুক হাউজ । ওয়াফিলাইফ । রকমারি



