
মধ্যযুগীয় জাপান
Featured Image: World History Encyclopedia.

সাল
১১৯২-১৮৬৮ জাপানে শোগুনশাহির কাল।*
* মধ্যপর্বের জাপানের সামরিক স্বৈরতন্ত্রীরা শোগুন নামে পরিচিত। এঁদের শাসনই শোগুনশাহি। ১৮৬৮ সালে মেইজিরা শোগুনশাহি বিলুপ্ত করে দেয়।
কামাকুরা জিদাই
১১৮৫-১৩৩৩

১১৯২ জাপানের প্রথম শোগুন হলেন মিনামোতো নো ইয়োরিতোমো। প্রতিষ্ঠা করলেন তিনি কামাকুরা শোগুনশাহি। যা কামাকুরা বাকুফু নামেও পরিচিত।
১১৯২-১৩৩৩ কামাকুরা শোগুনশাহি/বাকুফু।
১১৯২-৯৯ শোগুন মিনামোতো নো ইয়ারিতোমোর শাসনকাল।
১১৯৫ নারায় তোদাইজি মন্দির পুনঃপ্রতিষ্ঠা করল মিনামোতো কুল।
১২০২-০৩ শোগুন মিনামোতো নো ইয়োরির শাসনকাল।
১২০৩-০৫ জাপানের শোগুনের রাজপ্রতিনিধি হলেন হোজো তোকিমাসা।
১২০৩-১৯ শোগুন মিনামোতো নো সানেতোমোর শাসনকাল।
১২১৮ প্রকাশিত হল হাইকে মনোগাতারি।
১২২১ জকিউ গণ্ডগোল।
১২২৪ শিনরান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হল ট্রু পিওরল্যান্ড সেক্ট।
১২২৫ শোগুনের উপ-রাজপ্রতিনিধির পদ রেনশো তৈরি করা হল।
১২৩২ প্রণীত হল নয়া আইন বিধি জোয়ি শিকিমোকু।
১২৪৬-৫৯ সম্রাট গো-ফুকাকুসার শাসনকাল।
১২৪৯ হিকিৎসুকেশুতে একটি উচ্চ আদালত স্থাপন করা হল।
১২৪৯-৫৩ কামাকুরায় জেন বৌদ্ধ মঠ কেনছোজি নির্মিত হল।
১২৫৩ প্রতিষ্ঠিত হল নিশিরেন সেক্ট।
১২৫৯-৭৪ সম্রাট কামেয়ামার শাসনকাল।
১২৭৪, ১২৮১ কুবলাই খানের নেতৃত্বে জাপানে পরপর দুইবার হামলা চালাল মঙ্গোলরা। কিন্তু দেশটি দখল করতে ব্যর্থ হল।
১২৮৩ কামাকুরায় জেন বৌদ্ধ মঠ এনগাকুজি নির্মিত হল।
১৩২৭-১৩৩৩ শোগুন হোজো মোরিতোকির শাসনকাল।
১৩৩৩ নিত্তা ইয়োশিসাদা হামলা চালিয়ে কাকামুরা শোগুনশাহি/বাকুফুর রাজধানী কামাকুরা ধবংস করে দিলেন। কামাকুরা শোগুনশাহি/বাকুফুর অবসান। শোগুনের সহকারী রাজপ্রতিনিধির পদ (কানরেই) তৈরি করা হল।
মুরোমাছি জিদাই
১৩৩৩-১৫৭৩ সাল
১৩৩৩-৩৬ কেনমু পুনর্বহাল, জাপানি সম্রাট গো-দাইগো কামাকুরা শোগুনশাহি/বাকুফু’কে উৎখাত করার কাজে বিদ্রোহী সমরপ্রভুদের কাজে লাগালেন।
১৩৩৮ জাপানের নতুন শোগুন হলেন আশিকাগা তাকাউজি।
১৩৩৮-১৫৭৩ আশিকাগা/মুরোমাছি শোগুনশাহি/বাকুফু।
১৩৩৮-৫৮ শোগুন আশিকাগা তাকাউজির শাসনকাল।
১৩৫০-৫২ শোগুন আশিকাগা তাকাউজির সাথে তাঁর ভাই তাদাইয়োশির যুদ্ধ।
১৩৫৯-৬৮ শোগুন আশিকাগা ইয়োশিআকিরার শাসনকাল।
১৩৬৮-৯৪ শোগুন আশিকাগা ইয়োশিমিৎসুর শাসনকাল।
১৩৯৫-১৪২৩ শোগুন আশিকাগা ইয়োশিমোচির শাসনকাল।
১৩৯৭ হেইয়ান-কোতে নির্মিত হল কিনকাকুজি (সোনালি শিবির) মন্দির।
১৪০৭ ইৎসুকুশিমা শ্রাইনে একটি পাঁচতলা প্যাগোডা যুক্ত করা হল।
১৪২০-১৫০৬ প্রখ্যাত জেন ভিক্ষু ও শিল্পী সেশুর জীবনকাল।
১৪২৩-২৫ শোগুন আশিকাগা ইয়োশিকাজুর শাসনকাল।
১৪২৯-৪১ শোগুন আশিকাগা ইয়োশিনোরির শাসনকাল।
১৪৪২-৪৩ শোগুন আশিকাগা ইয়োশিকাৎসুর শাসনকাল।
১৪৪৯-৭৪ শোগুন আশিকাগা ইয়োশিমাসার শাসনকাল।
১৪৬০-৭৩ হেইয়ান-কোতে নির্মিত হল গিনকাকুজি (রূপালি শিবির) মন্দির।
১৪৬৭-৭৭ জাপান জুড়ে সমরপ্রভুদের মধ্যে চলছে ওনিন যুদ্ধ।
১৪৬৭-১৫৬৮ সেনগোকু, যুদ্ধরত রাজ্যসমূহের পর্ব।
১৪৭৩ হেইয়ান-কোর রোয়ানজি একটি জেন বৌদ্ধ মন্দিরে পরিণত হল।
১৪৭৪-৮৯ শোগুন আশিকাগা ইয়োশিহিসার শাসনকাল।
১৪৯০-৯৩ শোগুন আশিকাগা ইয়োশিতানের প্রথম শাসনকাল।
১৪৯৪-১৫০৮ শোগুন আশিকাগা ইয়োশিজুমির শাসনকাল।
১৫০৮-২১ শোগুন আশিকাগা ইয়োশিতানের দ্বিতীয় শাসনকাল।
১৫২১-৪৬ শোগুন আশিকাগা ইয়োশিহারুর শাসনকাল।
১৫৪৩ জাপানের তেনেগাশিমায় পর্তুগিজদের আগমন।
১৫৪৬-৬৫ শোগুন আশিকাগা ইয়োশিতেরুর শাসনকাল।
১৫৬০ ওকেহাজামা যুদ্ধ, মিকাওয়ার সমরপ্রভু ইমাগাওয়া ইয়োশিমোতোকে পরাস্ত করলেন ওডা নোবুনাগা।
আজুছি-মোমোইয়ামা পর্ব
১৫৬৮-১৬০০ সাল

১৫৬৮-১৬০০ আজুছি-মোমোইয়ামা পর্ব।
১৫৬৮ শোগুন আশিকাগা ইয়োশিহিদের শাসনকাল।
১৫৬৮-৮৮ শোগুন আশিকাগা ইয়োশিআকির শাসনকাল।
১৫৬৮-৮২ হেইয়ান-কো দখল করে নিলেন ওডা নোবুনাগা, তিনি এ সময় মধ্য জাপানের সবচে প্রভাবশালী সামরিক নেতা।
১৫৭১ এনরিয়াকুজি মন্দির কমপ্লেক্সে হামলা চালালেন ওডা নোবুনাগা।
১৫৭৩ শোগুন আশিকাগা ইয়োশিআকিকে দেশছাড়া করলেন ওডা নোবুনাগা।
১৫৭৫ নাগাশিনোর যুদ্ধে জিতলেন ওডা নোবুনাগা।
১৫৭৬ এক তলোয়ার শিকারয়ের আয়োজন করলেন ওডা নোবুনাগা, উদ্দেশ্য ছিল চাষীদের অস্ত্রশস্ত্র কেড়ে নেয়া।
১৫৭৯ আজুচি প্রাসাদে একটি নতুন সদরদপ্তর স্থাপন করলেন ওডা নোবুনাগা।
১৫৮০ সামুরাইদের মধ্যে একসাথে দুটি তলোয়ার (দাইশো) বহন করা কেতাদুরস্ত ব্যাপার হয়ে উঠল। ওসাকার ইশিয়ামা হোনগাজি মন্দির-দুর্গে হামলা চালালেন নোবুনাগা।
১৫৮১ হিমেজি প্রাসাদের প্রথম সংস্করণটা নির্মাণ করলেন তোয়োতোমি হিদেয়োশি।
১৫৮২-৯৮ জাপান জুড়ে ব্যাপক আকারে ভূমি মালিকানা জরিপ চালালেন প্রথমে নোবুনাগা, এরপর হিদেয়োশি।
১৫৮২ জুন ২১ আত্মহত্যা করলেন প্রভাবশালী জাপানি দাইম্যো* ওডা নোবুনাগা।
* দাইম্যো মানে সামন্তপ্রভু।
১৫৮২-৯৮ জাপানের সামরিক নেতা তোয়োতোমি হিদেয়োশি।
১৫৮৬ বিশাল ওসাকা প্রাসাদ নির্মাণ করলেন তোয়োতোমি হিদেয়োশি।
১৫৮৭ জাপানকে সামরিকভাবে ঐক্যবদ্ধ করলেন তোয়োতোমি হিদেয়োশি। খ্রিস্টান প্রচারকদের বিরুদ্ধে জারি করলেন তাঁর প্রথম ফরমান।
১৫৮৮ তোয়োতোমি হিদেয়োশি এই মর্মে ফরমান জারি করলেন যে, কেবল পূর্ণ পদমর্যাদা থাকা সামুরাই’রাই একসাথে দুটি তলোয়ার বহন করতে পারবে। সাধারণ জাপানিদের অস্ত্র বহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেন।
১৫৯১ তোয়োতোমি হিদেয়োশি এই মর্মে বিধান জারি করলেন যে, সামুরাই’রা আর নিজেদের জমি নিজেরা চাষ করতে পারবে না। ফলে জীবিকার জন্য সামন্তপ্রভুদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ল সামুরাই’রা। জাপানের শ্রেণি ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনলেন হিদেয়োশি।
হেইয়ান-কোকে ঘিরে বিশাল ওডোই দুর্গপ্রাকার দেয়াল তৈরি করলেন হিদেয়োশি।
১৫৯১ প্রথমবারের মত কোরিয়ায় হামলা চালালেন তোয়োতোমি হিদেয়োশি, কিন্তু দেশটি দখল করতে ব্যর্থ হলেন।
১৫৯৪ হেইয়ান-কোর বাইরে নির্মাণ করা হল ফুশিমি প্রাসাদ।
১৫৯৭ তোয়োতোমি হিদেয়োশি খ্রিস্টান প্রচারকদের বিরুদ্ধে জারি করলেন তাঁর দ্বিতীয় ফরমান, নাগাসাকিতে ২৬ জন খ্রিস্টানকে ক্রুশবিদ্ধ করা হল।
১৫৯৭ দ্বিতীয়বারের মত কোরিয়ায় হামলা চালালেন তোয়োতোমি হিদেয়োশি, এবারও দেশটি দখল করতে ব্যর্থ হলেন।
১৫৯৮ সেপ্টেম্বর ১৮ তোয়োতোমি হিদেয়োশির মৃত্যু।
১৬০০ সেকিগাহারা যুদ্ধ। তোয়োতোমি হিদেয়োশির পুত্রের পক্ষে লড়া সেনাপতিদের বিরুদ্ধে জয়লাভ করলেন তোকুগাওয়া ইয়েসু। আজুছি-মোমোইয়ামা পর্বয়ের সমাপ্তি।
তথ্যসূত্র
Perez, Louis G. 2009. The History of Japan. 2nd ed. Greenwood.
World History Encyclopedia.
নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।
অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ
দিব্যপ্রকাশ । বাতিঘর । বইবাজার । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী । বুক হাউজ । ওয়াফিলাইফ । রকমারি



