
প্রাচীন মিসর
Featured Image: Wikimedia Commons.

World History Encyclopedia.
পূর্বসাল
৩২০০ মিসরে হায়ারোগ্লিফিক লিপির বিকাশ ঘটছে।
৩১৫০ বিজয়াভিযানের মাধ্যমে মিসরকে ঐক্যবদ্ধ করলেন রাজা মেনেস।
৩১৫০-৩০ প্রাচীন মিসর।
৩১৫০-২৬১৩ আদি রাজতান্ত্রিক পর্ব।
৩১৫০-০০ রাজা মেনেসের শাসনকাল।*
* নার্মার নামেও পরিচিত।
৩০০০ সিরিয়া আর মিসরের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক স্থাপিত।
২৬৭০ এ সময় মিসর শাসন করছেন রাজা জোসের, আমাদের জানাশোনার মধ্যে প্রথম পিরামিডটির নির্মাতা।
২৬৭০-৫০ রাজা জোসেরের শাসনামলে ইমহোতেপ কর্তৃক নির্মিত হল স্টেপ পিরামিড।
২৬১৩-২১৮১ পুরনো রাজত্ব পর্ব।
২৫৬০ ফারাও খুফু কর্তৃক নির্মিত হল গিজার মহা পিরামিড।
২৫০০ নির্মিত হল গিজার স্ফিংস।
২১৮১-২০৪০ প্রথম মধ্যবর্তী পর্ব।
২০২৫-৬০৯ অ্যাসিরিয়া।
১৮০০ মিসরের ব্রোঞ্জের ব্যবহার শুরু হল। কাহুনের গাইনাকোলজিকাল প্যাপিরাসে নারী স্বাস্থ্য ও গর্ভনিরোধের প্রসঙ্গ উল্লিখিত হল।
১৭৮৩ হিকসোরা আভারিস নির্মাণ করে শহরটিকে তাদের রাজধানী বানাল।
১৭৮২-১৫৭০ দ্বিতীয় মধ্যবর্তী পর্ব।
১৭০০ মিসরের দক্ষিণাঞ্চলে গঠিত হল কুশ রাজ্য।
১৭০০-১১৭৮ হিট্টাইট সাম্রাজ্য।
১৬০০ এডউইন স্মিথ প্যাপিরাস, একটি মিসরীয় মেডিকেল টেক্সট।
১৫৭০ হিকসোদের মিসর থেকে তাড়িয়ে দিলেন প্রথম আহমোস, ধবংস করে দিলেন তাদের রাজধানী আভারিস।
১৫৭০-১০৬৯ নতুন রাজত্ব পর্ব।
১৫৫০- ১০৭০ এ সময়ই কখনো লিখিত হয় ইজিপশিয়ান বুক অফ দ্য ডেড।
১৫০৪-১৪৯২ মিসরীয় সাম্রাজ্যকে ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত করলেন ফারাও তুতমোস।
১৫০০ ফোরাত নদী পর্যন্ত সম্প্রসারিত হল মিসরীয় সাম্রাজ্য।
১৪৭৯-৫৮ রানী হাতশেপসুতের শাসনামল।
১৪৫৮-২৫ ফারাও তৃতীয় তুতমোসের রাজত্ব।
১৪৫৮ কানান – ফিলিস্তিনের একটি প্রাচীন নাম – আক্রমণ করলেন ফারাও তৃতীয় তুতমোস। কাদেশ ও মেজিদ্দোর নেতৃত্বে গঠিত হল কানান, কাদেশ, মিত্তানি, ও মেজিদ্দোদের কানানীয় ঐক্যজোট। মেজিদ্দোর যুদ্ধ, কাদেশের রাজা দুরুশার নেতৃত্বাধীন ঐক্যজোটকে পরাস্ত করলেন ফারাও তৃতীয় তুতমোস।
১৩৮৬-৫৩ ফারাও তৃতীয় আমেনহোতেপের রাজত্ব।
১৩৫৩-৩৬ ফারাও আখেনাতেনের রাজত্ব। তিনি ও তাঁর স্ত্রী নেফারতিতি মিসরের বহুদেবত্ববাদ ত্যাগ করে একপ্রকার একেশ্বরবাদ প্রচার করেন।* তাই ঐতিহ্যিক বহুদেবত্ববাদীদের নজরে তাঁরা ছিলেন ধর্মদ্রোহী।
*এই একেশ্বরবাদ ইহুদি-খ্রিস্টান-মুসলমানদের নিরাকার ঈশ্বরের ধর্ম না। আখেনাতেন সূর্যদেবতা আতেনকে একমাত্র ঈশ্বর মনে করতেন। তথাপি একেশ্বরবাদের প্রথম প্রবক্তা হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ আখেনাতন।
১৩৩৬-২৭ ফারাও তুতেনখামুনের রাজত্ব।
১৩২৭-২৩ ফারাও আঈয়ের রাজত্ব। এসময় আখেনাতেনের একেশ্বরবাদের প্রভাব প্রায় ফুরিয়ে এসেছে। মিসর ফিরে গেছে তার ঐতিহ্যিক বহুদেবত্ববাদী ধর্মে।
১৩২০ আঈকে উৎখাত করে ফারাও হলেন সেনাপ্রধান হোরেমহেব।
১৩২০-১২৯২ ফারাও হোরেমহেবের রাজত্ব।
১২৯৫ ফারাও রামেসিস প্রতিষ্ঠান করলেন মিসরের ১৯তম রাজত্ব।
১২৯৪-৭৯ ফারাও প্রথম সেতির রাজত্ব।
১২৭৯-১২ ফারাও দ্বিতীয় রামেসিসের রাজত্বকাল।*
* সেমিটীয় একেশ্বরবাদী বিশ্বাসের ফেরাউন এই দ্বিতীয় রামেসিস। যিনি ইহুদিদের বন্দী করে রেখেছিলেন এবং মুসা নবি যার অত্যাচারের হাত থেকে ইহুদিদেরকে রক্ষা করে কানানে – বর্তমান ফিলিস্তিন – নিয়ে যান। বাইবেলের ওল্ড টেস্টামেন্টে বর্ণিত এই কথিত এক্সোডাসের পক্ষে আজ পর্যন্ত কোনো প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
১২৭৪ হিত্তীয় আর মিসরের ফারাও দ্বিতীয় রামেসিসের মধ্যে কাদেশের যুদ্ধ। অমীমাংসিতভাবে শেষ হল। দুই পক্ষই নিজেকে বিজয়ী দাবি করল।
১২৬৪-৪৪/১২৪৪-২৪ আবু সিম্বেল মন্দির নির্মাণের সম্ভাব্য সময়কাল।
১২৫৮ কাদেশের সন্ধি, মিসরীয় ও হিত্তীয়দের মধ্যে শান্তি চুক্তি সাক্ষরিত হল, যা ইতিহাসের প্রথম শান্তি চুক্তি।
১১৮৪-৫৩ ফারাও তৃতীয় রামেসিসের রাজত্ব।
১১৮০ সমুদ্রচারী গোষ্ঠীদের আক্রমণের শিকার হল মিসর।
১১৭৮ সমুদ্রচারী গোষ্ঠীদের পরাস্ত করলেন রাজা দ্বিতীয় রামেসিস।
১০৬৯-৫২৫ তৃতীয় মধ্যবর্তী পর্ব।
৭৫০ মিসরে লোহার ব্যবহার শুরু হল।
৭১২-৬৭১ এ সময় মিসর শাসন করছেন কুশীয়রা।
৬৭১ অ্যাসিরীয়রা মেম্ফিস দখল ও মিসর জয় করলেন।
৬৬৭-৬৫ মিসরীয় বিদ্রোহ দমন করলেন অ্যাসিরীয় সম্রাট আশুরবনিপাল।
৬৫৩ অ্যাসিরীয়দের মিসর থেকে বিতাড়িত করা হল।
৬০১ মিসর দখলের একটা ব্যর্থ প্রচেষ্টা চালালেন বাবেলের সম্রাট দ্বিতীয় নেবুশেডনেজার।
৫২৫ মিসরীয় পলিম্যাথ ইমহোতেপের ওপর দেবত্ব আরোপিত হল। পারস্যের রাজা দ্বিতীয় ক্যামবিসাস পেলুসিয়াম জয় করলেন। ৩৪১ পূর্বসালে পারস্যের মিসর জয় সম্পূর্ণ হবে।
৫২০ পারস্যের রাজা দারিউস একটি খালের মাধ্যমে নীল নদকে লোহিত সাগরের সাথে যুক্ত করলেন।
৩৩১ বিনা প্রতিরোধে মিসর জয় করলেন সেকান্দার শা। মিসরের বন্দরনগরী হ্রাকোটিসে প্রতিষ্ঠা করলেন একটি নগরী। এটিই বিখ্যাত আলেকজান্দ্রিয়া।
৩২৩ সেকান্দার শার মৃত্যু। মিসর জয় করলেন তাঁর সেনাপতি টলেমি প্রথম সটার। প্রতিষ্ঠা করলেন টলেমীয় রাজবংশ।
৩২৩-৩১ হেলেনীয় যুগ।
৩০০ আলেকজান্দ্রিয়ার যাদুঘর প্রতিষ্ঠা করলেন রাজা প্রথম টলেমি।
২৮৫-৪৬ এ সময়ই কখনো নির্মিত হয় আলেকজান্দ্রিয়ার বিখ্যাত পাঠাগার।
২৪৭ আলেকজান্দ্রিয়ার বাতিঘরের – ফারোস – নির্মাণকাজ শেষ হল।
৬৯ রানী ক্লিওপেট্রার জন্ম।
৪৭ মিসরের নিরঙ্কুশ শাসক হয়ে উঠলেন ক্লিওপেট্রা, নিজেকে তিনি দেবী আইসিস হিসেবে উপস্থাপন করেন।
৩০ রানী ক্লিওপেট্রার মৃত্যুতে মিসরে টলেমীয় রাজবংশের অবসান। রোমক সাম্রাজ্যের একটি প্রদেশে পরিণত হল মিসর। ৪৭৬ সাল পর্যন্ত এই পরিস্থিতি বহাল থাকবে।
তথ্যসূত্র
রিজন, শাহরিয়ার। ২০১৮। “ফারাও আখেনাতেন এবং মিসরীয় একেশ্বরবাদ।” ইতিবৃত্ত, আগস্ট ১৪।
https://itibritto.com/pharaoh-akhenaten-and-egyptian-monotheism/
World History Encyclopedia.
নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।
অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ
দিব্যপ্রকাশ । বাতিঘর । বইবাজার । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী । বুক হাউজ । ওয়াফিলাইফ । রকমারি




One Reply to “প্রাচীন মিসর”