হাখমানেশি সাম্রাজ্য

Spread the love

Featured Image: Carole Raddato/World History Encyclopedia.

World History Encyclopedia.

পূর্বসাল

৭২০০ চোঘা বনুতে প্রতিষ্ঠা লাভ করল এলামীয় সম্প্রদায়।

৪৩৯৫ প্রতিষ্ঠা করা হল অন্যতম প্রাচীন নগরী সুসা।*
* বর্তমানে এটি ইরানের খুজেস্তান প্রদেশের সীমানায় অবস্থিত।

৩০০০ ইন্দো-ইরানি আর্যদের একটি শাখা পারস্যে প্রবেশ করল। পারসিকরা এঁদের অংশ। আর্যদের আরেকটি শাখা পরবর্তীতে ভারতে প্রবেশ করে।*
* ফারসি আর সংস্কৃত ভাষার মিলের রহস্য এটাই।

প্রাচীন পারস্যে ধর্মের বিকাশ ঘটতে শুরু করল।

১৫০০-১০০০ আধুনিক পণ্ডিতদের হিসেবে, পারস্যের নবি জরাথুস্ট্রের জীবনকাল। জরাথুস্ট্রবাদের পবিত্র বই আবেস্তা নামে পরিচিত, এসময়ই তা মৌখিকভাবে বিকশিত হতে শুরু করে। আবেস্তার সাথে ঋগ্বেদের বহু মিল পাওয়া গেছে।*
* জরাথুস্ট্রবাদ সম্পর্কে সংক্ষেপে জানতে দেখুন, (Hartz 2009).

১০০০ এশিয়ার স্তেপ থেকে পারস্যে অভিবাসিত হল সিথিয়ানরা।

৯১১-৬০৯ নয়া অ্যাসিরীয় সাম্রাজ্য

৮৩৯-৮৩০ অ্যাসিরীয় রাজা তৃতীয় শালমানেসারের বর্ষপঞ্জিতে প্রথমবারের মত লিখিত হরফে পারসিকদের উল্লেখ করা হল।

৮৫০ এশিয়া থেকে ইরানে অভিবাসিত হল মিদীয়রা।

৭৫০-৭০০ জাগরোস পর্বতমালার ওপর বসবাসকারী মিদীয় গোষ্ঠীর ওপর অ্যাসিরীয় সম্রাটদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হল।

৭২৭-৬৭৫ মিদীয়রা তাঁদের রাজা দায়ুককুর রাজত্বকালে ঐক্যবদ্ধ হলেন।

৬৭৫-৬৪০ পারসিকরা তাঁদের রাজা তেইসপেসের রাজত্বকালে পারসিসে বসতিস্থাপন করল।

৬৭০ মিদিয়ার ওপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাল অ্যাসিরীয় সাম্রাজ্য।

৬৪০ অ্যাসিরিয়ার রাজা আশুরবনিপালের বশ্যতা স্বীকার করলেন পরসুমাশের রাজা কুরুশ।

৬৪০-৫৫০ মিদিয়ার ক্ষমতার উৎকর্ষকাল।

৬২৮-৫৫১ পাহলবি উৎসগুলোতে দেয়া পারস্যের নবি জরাথুস্ট্রের জীবনকাল। এসব উৎসের ঐতিহাসিকতা খুব মজবুত না। সাম্রাজ্যিক প্রচারণা মনে হয়।

৬২৬-৫২৯ নয়া বাবেলীয় সাম্রাজ্য

৬১২ মিদীয় আর বাবেলীয়রা অ্যাসিরীয় সাম্রাজ্যের রাজধানী নিনেভে ধবংস করে দেয়, যার মধ্য দিয়ে অ্যাসিরীয় সাম্রাজ্যের পতনের শুরুয়াত।

৬০৯ অ্যাসিরীয় সাম্রাজ্যের পতন।

৫৮৫ মিদিয়ার রাজা হলেন অস্তাইজেস। লিডিয়ার সাথে যুদ্ধ। ফল অনির্ধারিত হওয়ায় শান্তিচুক্তি সই হল।

৫৫৯ পারস্যের রাজা হলেন কুরুশ।

৫৫৯-৫৩০ কুরুশের রাজত্বকাল।

৫৫০ মিদিয়ার রাজা অস্তাইজেসকে পরাস্ত করলেন কুরুশ।

৫৫০-৩৩০ হাখমানেশি সাম্রাজ্য*
* ৫৫০ পূর্বসালে পারস্যের কুরুশ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়। যিনি সাইরাস দ্য গ্রেট নামে অধিক পরিচিত। দরবারি ধর্ম হিসেবে জরাথুস্ট্রবাদ গ্রহণ করে নেয়। তবে হাখমানেশি সম্রাটরা ধর্ম প্রশ্নে উদার ছিলেন। তাঁরা সাম্রাজ্যবিস্তার করেছেন। কিন্তু বিজিতদের ওপর নিজেদের ধর্ম চাপিয়ে দেননি। হাখমানেশি সাম্রাজ্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে দেখুন, (Brosius 2020; Waters 2014).

হাখমানেশি সাম্রাজ্যের শেষদিকে জরবানবাদের বিকাশ শুরু হয়।*
* জরাথুস্ট্রবাদের একটি শাখা। তবে জরবানবাদকে জরাথুস্ট্রবাদের “হেরেসি” বিবেচনা করা হয়। এর কারণ হল, দুটি ক্ষেত্রে জরবানবাদ এমন বিশ্বাস প্রচার করে, যার জরাথুস্ট্রবাদের বিশ্বাসের সাথে একেবারে সরাসরি সাংঘর্ষিক: (১) জরবানবাদ দাবি করে, সুনীতির প্রতীক আহুরা মাজদা আর দুর্নীতির প্রতীক আংরা মান্যু আসলে যমজ ভাই, দুজনেই সৃষ্ট। প্রকৃত সৃষ্টিকর্তার নাম জরবান আকারানা, “অসীম সময়।” তাই একমাত্র অসীম সময়ই মানুষের উপাসনার যোগ্য। (২) জরবানবাদ দাবি করে, মানুষের স্বাধীন ইচ্ছা নেই; কেননা সময়ের ওপর মানুষের নিয়ন্ত্রণ নেই। মানুষ নিয়তির হাতের পুতুল।

৫৫০-৩৩০ হাখমানেশি সাম্রাজ্যে নীতি নির্ধারণে ভূমিকা রাখছে আবেস্তা। গ্রিক সূত্রগুলো বলছে, এ সময়ই পারস্য জুড়ে দেখা দেয় অগ্নি মন্দির, জরাথুস্ট্রবাদের উপাসনাস্থল। জরাথুস্ট্রীরা ‘অগ্নিপূজারী’, এরকম একটি ভুল ধারণা রয়েছে; বাস্তবে আগুন অপার্থিবের একটি প্রতীক মাত্র।

৫৪৯-৫৪০ কুরুশের লিডিয়া জয়।*
* লিডিয়ার রাজা ক্রসাস হাখমানেশি সাম্রাজ্যে হামলা চালান। এই হামলা চালানোর আগে পরামর্শের জন্য ক্রসাস ডেলফির ওরাকলের কাছে গেলে ওরাকল তাঁকে জানায়, এই যুদ্ধে এক বৃহৎ সাম্রাজ্য ধবংস হবে। যুদ্ধ শেষে দেখা গেল ওরাকল ঠিকই অনুমান করেছিল, যুদ্ধে আসলেই এক বৃহৎ সাম্রাজ্য ধবংস হয়ে যায়, তবে সেই সাম্রাজ্যটি হল – লিডিয়া।

৫৪৭ হাখমানেশিদের আনাতোলিয়া জয়। ফ্রিজিয়া হাখমানেশি সাম্রাজ্যের একটি ক্ষত্রপে পরিণত হল। প্রাচীন পারস্যে সাম্রাজ্যিক প্রদেশগুলোকে বলা হত ক্ষত্রপ।

৫৪৬ সিপ্রিয়ট নেতাদের আহবানে সাইপ্রাস দখল করল হাখমানেশিরা।

৫৪৫-৪০ বর্তমান মধ্য এশিয়ায় অভিযান চালালেন কুরুশ।

৫৩৯ কুরুশের ব্যাবিলন জয়। ইহুদিদের ব্যাবিলনের বন্দিদশা থেকে মুক্তি দিলেন কুরুশ।* পুরো উর্বর চন্দ্রকলা** হাখমানেশিদের নিয়ন্ত্রণে চলে এল।
* বাইবেলের ইসায়ার কেতাবে কুরুশকে মসীহা বলা হয়েছে। কুরুশের সাথে অনেক ইহুদিই ইরানে চলে আসেন। এই ইহুদিরাই হলেন আজকের ইরানি ইহুদিদের পূর্বপুরুষ।
** এই অঞ্চলটি সভ্যতার দোলনা বলে বিবেচিত হয়। বর্তমান ইরাক, সিরিয়া, লেবানন, জর্দান, ফিলিস্তিন, এবং মিসর, তুরস্ক ও ইরানের অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত উর্বর চন্দ্রকলা অঞ্চল। ১৯১৬ সালে মিসরবিদ জে. এইচ. ব্রেস্টেড প্রথমবারের মত ‘উর্বর চন্দ্রকলা’ পদটি ব্যবহার করেন।

৫৩৯-৫১০ পাসারগাদে মূল নির্মাণকাজ সমাপ্ত হল।

৫৩০ সমরে কুরুশের মৃত্যু। নতুন সম্রাট হলেন ক্যামবিসেস। হাখমানেশিদের সিন্ধু বিজয়।

৫৩০-৫২২ দ্বিতীয় ক্যামবিসেসের রাজত্বকাল।

৫২৫-৪০৪ ক্যামবিসেসের মিসর বিজয়।

৫২২ এপ্রিল দ্বিতীয় ক্যামবিসেসের মৃত্যু। মসনদে বসে মাত্র ৬ মাস রাজত্ব করার পর দারিয়ুস ও তাঁর ৬ সহযোগীর হাতে খুন হলেন বারদিয়া। এর মধ্য দিয়ে প্রথম দারিউস হিসেবে মসনদে বসলেন দারিউস, এবং ক্ষমতায় এসেই বাবেলীয়দের একটি বিদ্রোহ দমন করলেন।

৫২২-৪৮৬ প্রথম দারিউসের রাজত্বকাল।

৫২১ হাখমানেশি সাম্রাজ্যজুড়ে অসংখ্য বিদ্রোহ দেখা দিল, এসব বিদ্রোহ কঠোরভাবে দমন করলেন প্রথম দারিউস।

৫২০-৫১৯ বেহিস্তুন লিপি কমিশন করলেন প্রথম দারিউস।

৫১৯-৫১০ প্রাচীন পারসিক উপাসনা ও উৎসবকেন্দ্র পার্সিপোলিস নির্মিত। ইওরোপ ও ভারতে অভিযান চালালেন প্রথম দারিউস।

৫১৩ প্রথম দারিউসের সিথিয়া অভিযান।

৫১২-১১ থ্রেসে পারস্যের দখলদারিত্ব।

৫০০-৪০১ মিসরের বিরুদ্ধে নিজেদের সীমান্ত রক্ষার কাজে আরবদের নিয়োগ দিলেন হাখমানেশিরা।

৪৯৯ নাক্সোসে একটি হাখমানেশি অভিযান ব্যর্থ হয়ে গেল।

৪৯৯-৪৯৩ আয়োনীয় বিদ্রোহ।

৪৯০ ম্যারাথনের যুদ্ধ।

৪৮৬ প্রথম দারিউসের মৃত্যু। নতুন সম্রাট প্রথম জেরজেস। হাখমানেশি সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে মিসরে বিদ্রোহ দেখা দিল।

৪৮৬-৪৬৫ প্রথম জেরজেসের রাজত্বকাল।

৪৮৪ বাবেলে বিদ্রোহ।

৪৮১ সার্ডিসে প্রথম জেরজেসের আগমন। গ্রিসে হাখমানেশি অভিযান ঠেকাতে বদ্ধপরিকর গ্রিক নগররাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিরা স্পার্টায় মিলিত হলেন। গোয়েন্দাগিরি করার জন্য সার্ডিসে গুপ্তচর পাঠানো হল।

৪৮০ হেলেসপন্ত পেরোলেন প্রথম জেরজেস। অ্যাথেনীয়রা শহর খালি করার পক্ষে ভোট দিল। থার্মোফিলি, আর্তেমিসিয়াম, আর হিমেরার যুদ্ধ। এথেন্স দখল করে শহরটি পুড়িয়ে দিলেন প্রথম জেরজেস। সালামিসের যুদ্ধ। গ্রিকদের প্রতিরোধের মুখে পিছু হঠলেন প্রথম জেরজেস। ফিরে এলেন সার্ডিসে।

৪৭২ মঞ্চস্থ হল এস্কাইলাসের লেখা নাটক দ্য পার্সিয়ানস

৪৬৫ গুপ্তহত্যার শিকার হলেন জেরজেস।

৪৬৫-৪২৪ প্রথম আর্তাজেরজেসের রাজত্বকাল।

৪৬৪/৪৬৩-৪৫৪ মিসরীয়দের বিদ্রোহ।

৪৪৯ এথেন্স আর পারস্যের মধ্যে শান্তিচুক্তি সই হল।

৪২৪ প্রথম আর্তাজেরজেসের মৃত্যু, মসনদে বসলেন দ্বিতীয় জেরজেস।

৪২৪ দ্বিতীয় জেরজেসের রাজত্বকাল।*
* মাত্র ৪৫ দিন রাজত্ব করেন। এরপর গুপ্তহত্যার শিকার হন। মসনদে বসেন দ্বিতীয় দারিউস।

৪২৩-৪০৫ দ্বিতীয় দারিউসের রাজত্বকাল।

পূর্বসাল ৪২০-১০৫ সাল উত্তর আরবে নাবাতীয় সভ্যতা

৪০৮ কনিষ্ঠ কুরুশকে বিশেষ দায়িত্ব দিয়ে আনাতোলিয়ায় পাঠানো হল।

৪০৫ দ্বিতীয় দারিউসের মৃত্যু, ক্ষমতায় এলেন দ্বিতীয় আর্তাজেরজেস।

৪০৫-৩৫৯ দ্বিতীয় আর্তাজেরজেসের রাজত্বকাল।

৪০১ ভাইয়ে ভাইয়ে যুদ্ধ। দ্বিতীয় আর্তাজেরজেসের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করলেন কনিষ্ঠ কুরুশ। কুনাক্সার সমর

৪০১-৩৪৩/৩৪২ মিসরে বিদ্রোহ দেখা দিল। তা কার্যত হাখমানেশি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেল।

৩৮৭/৩৮৬ আন্তালসিডাসের সন্ধি, গ্রিসের ওপর রাজার সন্ধি চাপিয়ে দেয়া হল।

৩৫৯ দ্বিতীয় আর্তাজেরজেসের মৃত্যু, মসনদে বসলেন তৃতীয় আর্তাজেরজেস।

৩৫৯-৩৩৮ তৃতীয় আর্তাজেরজেসের রাজত্বকাল।

৩৪৩/৩৪২ পুনরায় মিসর দখল করে নিলেন তৃতীয় আর্তাজেরজেস।

৩৩৮ তৃতীয় আর্তাজেরজেসের মৃত্যু, মসনদে বসলেন চতুর্থ আর্তাজেরজেস।

৩৩৮-৩৩৬ চতুর্থ আর্তাজেরজেসের রাজত্বকাল।

৩৩৬ গুপ্তহত্যার শিকার হলেন চতুর্থ আর্তাজেরজেস, মসনদে বসলেন তৃতীয় দারিউস।

৩৩৬-৩৩০ তৃতীয় দারিউসের রাজত্বকাল।

৩৩৪ হাখমানেশি সাম্রাজ্যে হামলা চালালেন ম্যাকিদোনিয়ার সেকান্দার শা। গ্রানিকুসের সমর

৩৩৩ ইস্যুসের সমর। দামিশকে তৃতীয় দারিউসের পরিবারের বৃহৎ অংশটুকুকে পাকড়াও করা হল।

৩৩১ গউগামেলার সমর। বাবেল ও সুসায় সেকান্দার শাকে স্বাগত জানাল হল। তিনি ফার্সে অভিযান চালালেন।

৩৩০ ম্যাকিদোনিয়ার সেকান্দার শার হাতে হাখমানেশি সাম্রাজ্যের পতন।*
* তৃতীয় দারিউসের মৃত্যু। পারস্যের গুরুত্বপূর্ণ শহর পার্সিপোলিসকে পুড়িয়ে ফেলা হল। কিছুদিন পরেই অবশ্য সেকান্দার শা পারস্যের সমৃদ্ধ সংস্কৃতির প্রতি ব্যাপকভাবে আকৃষ্ট হয়ে পড়েন। দেশটির এক রাজকন্যা রোকসানাকে বিয়ে করেন তিনি। নিজের সেনাবাহিনীর ১০,০০০ সেনাকে পারসিক নারী বিয়ে করতে তাগিদ দেন সেকান্দার শা। পারস্যের শহর সুসায় সম্পন্ন হয় গণবিবাহ। সেকান্দার শা চেয়েছিলেন একটি গ্রেকো-পারসিক সংস্কৃতির নির্মাণ।

তথ্যসূত্র

Brosius, Maria. 2020. A History of Ancient Persia: The Achaemenid Empire. Willey Blackwell.

Hartz, Paula R. 2009. Zoroastrianism. 3rd ed. Chelsea House.

Holland, Tom. 2007. Persian Fire: The First World Empire and the Battle for the West. Anchor Books.

Waters, Matt. 2014. Ancient Persia: A Concise History of the Achaemenid Empire, 550–330 BCE. Cambridge University Press.

World History Encyclopedia.

নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।

অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ

দিব্যপ্রকাশ । বাতিঘর । বইবাজার । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী । বুক হাউজ । ওয়াফিলাইফ । রকমারি

One Reply to “হাখমানেশি সাম্রাজ্য”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *