
সাফাভি সাম্রাজ্য
Featured Image: Wikimedia Commons.

OER Project.
সাল
১২৯৯-১৯২২ ওসমানি সুলতানশাহি।
১৩৩৪ সাফাভি তরিকার প্রতিষ্ঠাতা শায়েখ সাফি আল-দীনের মৃত্যু।
১৪৫৬-৯ তুর্কমানদের আকুয়ুনলু রাজ্যের রাজা উজুন হাসানের সাথে সাফাভি তরিকার প্রধান শেখ জুনায়েদের বোনের বিয়ে।
১৪৬০ এক যুদ্ধে শেখ জুনায়েদের মৃত্যু হলে সাফাভি তরিকার নতুন প্রধান হলেন ছেলে হায়দার সাফাভি।
১৪৬৭ জাহান শাহ কারাকুয়ুনলুর মৃত্যু।
১৪৭১-৭২ উজুন হাসানের মেয়ের সাথে হায়দার সাফাভির বিয়ে।
১৪৭৩ বাশকেন্তে ওসমানি সুলতানশাহির হাতে আকুয়ুনলু রাজ্যের পরাজয়।
১৪৭৮ উজুন হাসানের মৃত্যু।
১৪৮৭ হায়দার সাফাভির তৃতীয় পুত্র ইসমাইলের জন্ম।
১৪৮৮ এক যুদ্ধে হায়দার সাফাভির মৃত্যু হলে সাফাভি তরিকার নতুন প্রধান হলেন পুত্র ইসমাইল।
১৫০১ ইসমাইলের তাবরিজ জয়।
শিয়া কিজিলবাশ যোদ্ধা গোষ্ঠীগুলোর সহায়তা নিয়ে পারস্যের সাফাভি রাজতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম শাসক হলেন প্রথম শাহ ইসমাইল।*
* সাফাভিরা নিজেদের সপ্তম শিয়া ইমাম মুসা আল-কাজিমের বংশধর দাবি করে জনসম্মতি আদায় করেন। সাফাভি রাজতন্ত্রের দরবারি ধর্ম ছিল শিয়া ইসলাম। এ সময় থেকেই ইরান শিয়া-সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে ওঠে।
১৫০১-১৭৩৬ সাফাভি সাম্রাজ্য।
১৫০৮ সাফাভি বাহিনীর হাতে বাগদাদের পতন।
১৫১০-১১ সাফাভি বাহিনীর হাতে খোরাসানের পতন।
১৫১২ খোরাসানে উজবেকদের হাতে সাফাভি বাহিনীর পতন ঘটল। হেরাত সাফাভিদের হাতছাড়া হয়ে গেল। পরে তারা তা পুনর্দখল করে।
১৫১৪ চালদিরানের যুদ্ধ। ওসমানি সুলতানশাহির হাতে সাফাভিদের পরাজয়। তাবরিজ সাফাভিদের হাতছাড়া হয়ে যায়। পরে তারা তা পুনর্দখল করে।
১৫১৫ পারস্য উপসাগরের হরমুজ দ্বীপের ওপর পর্তুগিজদের নিয়ন্ত্রণ পোক্ত হল।
১৫১৭ ওসমানিদের কায়রো আগমন।
১৫২৪-৪০ উজবেকরা টানা পাঁচবার খোরাসানে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালায়।
১৫২৪ শাহ প্রথম ইসমাইলের মৃত্যু হলে সাফাভি সাম্রাজ্যের নতুন শাসক হলেন শাহ তামাস্প।
১৫২৪-৩৬ সাফাভি পারস্যের প্রথম গৃহযুদ্ধ।
১৫২৬-১৮৫৮ মুঘল সাম্রাজ্য।
১৫৩২-৫৫ সাফাভি সাম্রাজ্যে অনেকগুলো অভিযান চালাল ওসমানি সুলতানশাহি।
১৫৩৩ ইমামের ডেপুটি হিসেবে আলী কারাকির নাম ঘোষণা করে ফরমান জারি করলেন শাহ তামাস্প।
১৫৩৩-৩৪ শাহ তামাস্পের প্রথম তওবা।
১৫৩৪ আলী কারাকির মৃত্যু।
বাগদাদ, নাজাফ, ও কারবালাকে অন্তর্ভুক্ত করে আরব ইরাক নিয়ে নিল ওসমানিরা।
১৫৩৬ শাহ তামাস্পের হাফ-ব্রাদার আলকাসের বিদ্রোহ।
১৫৫৫ আমাস্যা চুক্তি। ওসমানি সুলতানশাহির সাথে সন্ধি করল সাফাভি সাম্রাজ্য। আরব ইরাকের ওপর ওসমানিদের কর্তৃত্ব স্বীকৃত হল।
১৫৫৫-৫৬ শাহ তামাস্পের দ্বিতীয় তওবা।
১৫৫৬ ভবিষ্য দ্বিতীয় ইসমাইল গ্রেপ্তার। এ সময়ই কখনো কাজভিনে চিহিল সুতুন প্রাসাদের নির্মাণকাজ শেষ হয়।
১৫৫৭ শায়খ জয়নুল দ্বীন আমিলির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল ওসমানিরা।
১৫৬১-৬২ বিদ্রোহী বায়েজিদকে ওসমানিদের হাতে তুলে দিলেন শাহ তামাস্প।
১৫৬৩-৬৪ তমঘা ও সমরূপ কিছু চর্চা নিষিদ্ধ করে ফরমান জারি করলেন শাহ তামাস্প।
১৫৬৭ ওসমানি সুলতান দ্বিতীয় সেলিমের কাছে শাহনামার একটা কপি পাঠালেন শাহ তামাস্প।
১৫৭৪ শাহ তামাস্পের অসুখের সুযোগ নিয়ে নুকতাভির উত্থান।
১৫৭৬ শাহ তামাস্পের মৃত্যু। মসনদে বসলেন দ্বিতীয় ইসমাইল।
১৫৭৬-৯০ সাফাভি পারস্যের দ্বিতীয় গৃহযুদ্ধ।
১৫৭৭-৭৮ দ্বিতীয় ইসমাইলের মৃত্যু। মসনদে বসলেন মোহাম্মদ খোদাবন্দ।
১৫৭৮-৯০ এ সময় সাফাভি ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশ চালাচ্ছে ওসমানিরা।
১৫৭৯ মোহাম্মদ খোদাবন্দের স্ত্রী ও শাহ প্রথম আব্বাসের মা খাইর আল-নিসা মারাশির হত্যাকাণ্ড।
১৫৮৫ ওসমানিদের হাতে তাবরিজের পতন।
১৫৮৭ মসনদে বসলেন প্রথম আব্বাস।
১৫৮৭-১৬২৯ শাহ প্রথম আব্বাসের শাসনকাল।*
* দেশটিতে ধর্ম আর রাষ্ট্র আলাদা হতে শুরু করল। প্রথম শাহ আব্বাস সেনাসংস্কার করলেন। ইরানের রাজধানী তেসিফন থেকে ইস্ফাহানে স্থানান্তরিত করলেন এবং পশ্চিম ইওরোপের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করলেন।
১৫৯০ ওসমানিদের সাথে শান্তিচুক্তি সই করলেন প্রথম আব্বাস।
১৫৯২ কাজভিনে নুকতাভি দরবেশ খসরুর উত্থান।
১৫৯৪ কান্দাহার মুঘলদের অধিকারে গেল।
১৫৯৫ মোহাম্মদ খোদাবন্দের মৃত্যু।
১৫৯৮-৯৯ উজবেকদের কাছ থেকে মাশহাদ ও হেরাতকে অন্তর্ভুক্ত করে খোরাসানের পূর্বাঞ্চল উদ্ধার করল সাফাভিরা।
১৫৯৯ আবদাল্লাহ শুশতারি স্কুলের নির্মাণকাজ শুরু হল।
১৬০২ লুতফাল্লাহ মায়সি মসজিদের নির্মাণকাজ শুরু হল।
১৬০২-৩ ওসমানিদের কাছ থেকে তাবরিজকে অন্তর্ভুক্ত করে আজারবাইজান উদ্ধার করল সাফাভিরা। ইস্ফাহানে নকশ-ই-জাহান ময়দানের নির্মাণকাজ শুরু হল।
১৬০৪-৫ আরমানিদের জুলফা থেকে জোরপূর্বক বিতাড়িত করে ইস্ফাহানে পাঠানো হল।
১৬০৭-৮ ওসমানিদের কাছ থেকে শিরভান পুনরুদ্ধার করল সাফাভিরা।
১৬১১ ইস্ফাহানের শাহ মসজিদের নির্মাণকাজ শুরু হল।
১৬১৩ ইস্ফাহানে নির্মিত হল আরমানি চার্চ অফ ম্যারি।
১৬২০-২১ শেখ বাহাইয়ের মৃত্যু।
১৬২২ মুঘলদের কাছ থেকে কান্দাহার পুনরুদ্ধার করল সাফাভিরা।
১৬২৩-২৪ ওসমানিদের কাছ থেকে কুর্দিস্তান এবং বাগদাদ ও শিয়াদের পবিত্র শহরগুলো অন্তর্ভুক্ত করে ইরাকের পূর্বাঞ্চল পুনরুদ্ধার করল সাফাভিরা।
১৬২৪ উজির হিসেবে নিয়োগ পেলেন প্রথম আব্বাসের জামাতা খলিফা সুলতান।
১৬২৭-২৮ ইস্ফাহানে নির্মিত হল বেথলেহেম আরমানি চার্চ।
১৬২৯ প্রথম আব্বাসের মৃত্যু। মসনদে বসলেন তাঁর নাতি শফি। গিলানে গরিব শাহের উত্থান।
১৬৩০ হামাদান দখল করল ওসমানিরা।
১৬৩১ কাজভিনে দরবেশ রিজার উত্থান। মীর দামাদের মৃত্যু।
১৬৩২ সালাফি দরবারে খলিফা সুলতানের মৈত্রীজোটের পতন ঘটল।
১৬৩৩-৩৪ আবু মুসলিমবিরোধী প্রবন্ধ রচনা প্রতিযোগিতা, যা দুই দশক ধরে চালু থাকবে, তার শুরুয়াত।
১৬৩৪ নতুন উজির হলেন সারু ত্বকি। এ সময় ইস্ফাহানে ২০টিরও বেশি আরমানি গির্জা সক্রিয় আছে।
১৬৩৫ তাবরিজ লুট করল ওসমানিরা। শান্তির জন্য সাফাভিদের দরখাস্ত। রিজা আব্বাসির মৃত্যু।
১৬৩৭ সাফাভি পারস্যে এলেন জার্মান পণ্ডিত অ্যাডাম অলেরিয়াস।
১৬৩৮ বাগদাদ ও শিয়াদের পবিত্র শহরগুলো ওসমানিদের হাতে চলে গেল, আর কান্দাহার মুঘলদের হাতে।
১৬৩৯জুহাবের চুক্তি। ইরাক আর ককেশীয় অঞ্চলের সীমান্ত বিরোধ নিরসনে ওসমানিদের সাথে শান্তিচুক্তি সই করল সাফাভিরা। ‘পুনর্জন্ম লাভ করা’ দরবেশ রিজার উত্থান। কাজভিন সফর করলেন শাহ শফি।
১৬৪০ মোল্লা সদরার মৃত্যু।
১৬৪১ সাফাভি পারস্যের কাছ থেকে শেষবারের মত রেশন কিনল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি।
১৬৪২ শাহ শফির মৃত্যু। মসনদে বসলেন তাঁর পুত্র দ্বিতীয় আব্বাস।
১৬৪৩ আলি কাপু প্রাসাদের নির্মাণকাজ শুরু হল।
১৬৪৩-৪৫ পারস্যে পোর্সেলিন রপ্তানি করা হ্রাস করল চীন।
১৬৪৫ ওলন্দাজরা গমব্রুনে বোমাবর্ষণ করে এবং কিশম দখল করে নেয়। সারু ত্বকি হত্যা। উজির হিসেবে পুনরায় নিয়োগ পেলেন খলিফা সুলতান। দেশটির সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে নতুন করে প্রচারাভিযান চালানো শুরু করলেন নয়া উজির। মুদ্রার মূল্যহ্রাস।
১৬৪৭ ইস্ফাহানে চিহিল সুতুন অডিয়েন্স হলের নির্মাণকাজ সমাপ্ত।
১৬৪৮ মুদ্রার অধিকতর মূল্যহ্রাস।
১৬৪৯ মুঘলদের কাছ থেকে কান্দাহার ছিনিয়ে নিল সাফাভিরা।
১৬৫০ ইস্ফাহানের শায়খুল ইসলাম আলীনকি কামরাইয়ের মৃত্যু। রাজধানীর নয়া শায়খুল ইসলাম হিসেবে নিয়োগ পেলেন মুহাম্মদ বাকির সাবজাভারি।
১৬৫১-৫২ ইস্ফাহানে নির্মিত হল খাজা বা হাসনাবাদ সেতু।
১৬৫৩ সদর হাবিবুল্লা খারাকির মৃত্যু। নতুন সদর হিসেবে নিয়োগ পেলেন তাঁর পুত্র মির্জা মুহাম্মদ খারাকি।
১৬৫৪ ইস্ফাহানে জুমার নামাজে ইমামতি করার জন্য ফয়েজ কাশানিকে দাওয়াত দিলেন দ্বিতীয় আব্বাস।
১৬৫৪-৫৫ তীব্র শীত। খলিফা সুলতানের মৃত্যু। নয়া উজির হিসেবে নিয়োগ পেলেন আরমানি গোলাম মোহাম্মদ বেগ।
১৬৫৫ ইস্ফাহানে অল সেভিয়ার্স ক্যাথেড্রালের নির্মাণকাজ শুরু হল।
১৬৫৭ ওসমানি-সাফাভি বাণিজ্য চুক্তি।
১৬৫৭-৫৮ ইস্ফাহানে রিভুলেত সেতুর নির্মাণকাজ সমাপ্ত হল।
১৬৫৮-৬৬ ইস্ফাহানে ৬টি নতুন আরমানি গির্জা নির্মিত হল।
১৬৫৯ ত্বকি মজলিশির মৃত্যু।
১৬৫৯-৬০ ইস্ফাহানে চাহার বাগ-ই সা’আদাতাবাদের নকশা করা হল।
১৬৬১ উজিরের পদ থেকে মোহাম্মদ বেগকে বরখাস্ত করা হল। নয়া উজির হিসেবে নিয়োগ পেলেন সদর মির্জা মোহাম্মদ কারাকি।
১৬৬৩ আজারবাইজানে তীব্র দুর্ভিক্ষ।
১৬৬৬-৬৭ পারস্যে পরপর দুই বছর খারাপ ফলন হল।
১৬৬৬ দ্বিতীয় আব্বাসের মৃত্যু। দ্বিতীয় শফির প্রথম রাজ্যাভিষেক। ছারদিনের পারস্যে আগমন। হাশত বিহিশত প্রাসাদের নির্মাণকাজ শুরু হল।
১৬৬৮ সোলেমান নাম নিয়ে দ্বিতীয় শফির দ্বিতীয় রাজ্যাভিষেক।
১৬৬৯ ইস্ফাহানে খারাপ ফলন, প্লেগ ও দুর্ভিক্ষ। মোহাম্মদ কারাকিকে উজিরের পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হল। নয়া উজির হলেন কুর্দি আলী খান জঙ্গনা। আরমানি-বিরোধী তৎপরতা চালাতে শুরু করলেন নয়া উজির।
১৬৭০ রূপা আমদানির ওপর কর বসানো হল।
১৬৭২ তীব্র শীত, মুদ্রাস্ফীতি, ও খাদ্য সংকট। নয়া উজিরকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হল।
১৬৭৮-৭৯ বছরের পর বছর ধরে খরা, তীব্র শীত, আর পঙ্গপালের কারণে ইস্ফাহানে দুর্ভিক্ষ দেখা দিল।
১৬৭৯ ইস্ফাহানের শায়খুল ইসলাম বাকির সাবজাভারির মৃত্যু।
১৬৮০ ফয়েজ কাশানির মৃত্যু।
১৬৮১ আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানে দুর্ভিক্ষ।
১৬৮৩ পারস্যে পোর্সেলিন রপ্তানি করা পুনরায় শুরু করল চীন।
১৬৮৪ কিশম দখল করে নিল ওলন্দাজরা।
১৬৮৪-৮৫ গিলানের প্লেগ আরদাবিল ও হামাদানে ছড়িয়ে পড়ল।
১৬৮৭ ইস্ফাহানের শায়খুল ইসলাম হিসেবে নিয়োগ পেলেন বাকির মজলিসি। সূফিবাদ বিরোধী মোল্লা মোহাম্মদ তাহিরের মৃত্যু।
১৬৮৯ উজির আলী খানের মৃত্যু।
১৬৮৯-৯১ সিরাজ ও ইরাকের পূর্বাঞ্চলে প্লেগ দেখা দিল।
১৬৯০ ইস্ফাহানে নির্মাণ করা হল তালার-ই আশরাফ।
১৬৯১ উজির হিসেবে নিয়োগ পেলেন মুহাম্মদ তাহির কাজভিনি। শায়খ আলী আমিলির মৃত্যু।
১৬৯৩ শায়খ হুররি আমিলির মৃত্যু।
১৬৯৪ সোলেমানের মৃত্যু। মসনদে বসলেন সুলতান হুসাইন। মদ নিষিদ্ধ করে ফরমান জারি করা হল। কারমেলীয়দের ইস্ফাহান থেকে তাড়িয়ে দেয়া হল।
১৬৯৬ ফার্সে খরা ও দুর্ভিক্ষ দেখা দিল।
১৬৯৭ কারমেলীয়দের ইস্ফাহানে ফিরে আসার অনুমতি দেয়া হল।
১৬৯৯ মোহাম্মদ বাকির মজলিসির মৃত্যু। উজির হিসেবে নিয়োগ পেলেন শামলু।
১৭০৩ ইস্ফাহানের শায়খুল ইসলাম হিসেবে বাকির খাতুনাবাদীর নাম প্রস্তাব করা হল।
১৭০৪-০৫ চাহার বাগ কমপ্লেক্সের নির্মাণকাজ শুরু হল।
১৭০৬ কোম ও মাশহাদ শহরে সফর করতে শুরু করলেন সুলতান হুসাইন। ইস্ফাহানে খাদ্য দাঙ্গা।
১৭০৭ সাবেক উজির শায়খ আলী খানের পুত্র সুন্নি কুর্দি শাহ কুলি খান জঙ্গনাকে নয়া উজির হিসেবে নিয়োগ দেয়া হল।
১৭০৯ মীর উবাইসের দ্বিতীয় উত্থান।
১৭১০-১১ চাহার বাগ ইশকুল উদ্বোধন।
১৭১১ ইস্ফাহানের বাইরে ফারাহাবাদ চাহার বাগ ইশকুল নির্মাণ করা হল।
১৭১২ আরমানিদের মধ্যে ক্যাথলিক মিশনারিদের তৎপরতা নিষিদ্ধ করে ফরমান জারি করা হল। প্রথম মোল্লাবাসী হিসেবে বাকির খাতুনাবাদীর নাম প্রস্তাব করা হল।
১৭১৪ শেষবারের মত পারস্য থেকে রেশম খরিদ করল ওলন্দাজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি (ভিওসি)।
১৭১৫ গমের মূল্য বুদ্ধিতে ইস্ফাহান জুড়ে অসন্তোষ দেখা দিল।
১৭১৬ গিলানে মহামারী। তাবরিজ ও ইস্ফাহানে খাদ্য দাঙ্গা। আরমানিদের ওপর জারি থাকা কিছু কঠোর ব্যবস্থা শিথিল করা হল। ইস্ফাহানের দারোগা পরিবর্তন। সুন্নি কুর্দি উজির শাহ কুলি খান জঙ্গনার মৃত্যু। নয়া উজির হলেন ফতে আলী খান দাগেস্তানি।
১৭১৭ রুশ-পারসিক চুক্তি। কান্দাহারে ক্ষমতা দখল করলেন মীর উবাইসের পুত্র মাহমুদ।
১৭১৯ কিরমান ধবংস করলেন মাহমুদ।
১৭২০ উজির ফতে আলী খানের পতন।
১৭২২ মার্চ গুলনাবাদের সমর। ইস্ফাহানের পতন।
নভেম্বর দ্বিতীয় তামাস্পকে কাজভিনে শাহ ঘোষণা করা হল।
১৭২৪ হামাদান দখল করে নিল রুশরা।
১৭২৫ তাবরিজ দখল করে নিল ওসমানিরা।
১৭২৬ গুপ্তহত্যার শিকার হলেন আফগান মাহমুদ। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন আশরাফ। হামাদানের নিকটে কোথাও ওসমানি বাহিনীকে পরাস্ত করলেন আশরাফ। সুলতান হুসাইনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করলেন। মাশহাদ দখল করে নিলেন দ্বিতীয় তামাস্প।
১৭২৮ আফগানদের হাতে ধৃত ও খুন হলেন মির্জা আহমাদ মারাশি।
১৭২৯ আফগানদের কাছ থেকে হেরাত ও কান্দাহার ছিনিয়ে নিলেন দ্বিতীয় তামাস্প।
নভেম্বর ইস্ফাহানে ঢুকলেন দ্বিতীয় তামাস্প।
রুশ-পারসিক চুক্তি।
১৭৩২ শিশু তৃতীয় আব্বাসের পক্ষে দ্বিতীয় তামাস্পকে গদিচ্যুত করলেন নাদির। সাম্রাজ্যিক রাশিয়ার সাথে চুক্তি করল পারস্য। ১৭২২ সাল থেকে পারস্যের যেসব ভূখণ্ড কেড়ে নেয়া হয়েছিল, তা ফিরিয়ে দিতে।
১৭৩৩ পারস্য-ওসমানি চুক্তি।
১৭৩৬ নাদির আফশারের হাতে আফগান সেনাবাহিনী পরাজিত হল। তিনি পারস্যে আফশার রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করলেন। নাম নিলেন নাদির শাহ।
১৭৩৮-৩৯ কান্দাহার পুনরুদ্ধার করলেন নাদির শাহ। ভারতে হামলা চালালেন।
১৭৪০ দ্বিতীয় তামাস্প ও তৃতীয় আব্বাসের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করলেন নাদির শাহ।
১৭৪৭ গুপ্তঘাতকের হাতে খুন হলেন নাদির শাহ।
১৭৪৯, ডিসেম্বর ১৭-১৪ জানুয়ারি, ১৭৫০ সাফাভি প্রিটেন্ডর দ্বিতীয় সোলেমানের স্বল্পস্থায়ী রাজত্ব।
তথ্যসূত্র
Newman, Andrew J. 2006. Safavid Iran: Rebirth of a Persian Empire. I.B. Tauris.
নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।
অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ
দিব্যপ্রকাশ । বাতিঘর । বইবাজার । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী । বুক হাউজ । ওয়াফিলাইফ । রকমারি




One Reply to “সাফাভি সাম্রাজ্য”