দিল্লি সুলতানশাহি

Spread the love

Featured Image: Wikimedia Commons.

World History Encyclopedia.

সাল

৫৭০ মক্কার কুরাইশ গোত্রে জন্ম নিলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.)।

৬৩২-৬১ রাশিদুন খেলাফত

৬৩৬/৪৪ ভারতীয় জলদস্যুদের ওপর রাশিদুন খেলাফতের আক্রমণ।

৬৪৪ রাশিদুন খেলাফতের বালুচিস্তান জয়।*
* বালুচিস্তান বর্তমান পাকিস্তানের ৭টি প্রশাসনিক অঞ্চলের একটি।

৬৬১-৭৫০ উমাইয়া খেলাফত।*
* এই খেলাফতের কেন্দ্র ছিল বর্তমান সিরিয়ার দামিশক।

৬৭৪ আরবরা প্রথমবারের মত আমু দরিয়া পার হল।

৭১২ উমাইয়া খেলাফতের পক্ষে আরব সেনাপতি মুহাম্মদ ইবনে কাশিমের সিন্ধ বিজয়।*
* সিন্ধ বর্তমান পাকিস্তানের ৭টি প্রশাসনিক অঞ্চলের একটি।

৯৬২-১১৮৬ এ সময় আফগানিস্তানের গজনী থেকে বর্তমান ভারতের উত্তরপশ্চিমাঞ্চল শাসন করছে গজনবী রাজবংশ।

৯৭৭ আরব সেনাপতি ইবনে শায়বানকে সিন্ধে পাঠানো হল। সিন্ধ প্রদেশে আরও ভূখণ্ড যোগ করতে। তিনি মুলতান জয় করেন।

৯৯৪ এ সময় আমু দরিয়ার দক্ষিণে খোরাসানের সব অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করছেন সবুক্তগিন।

৯৯৭ গজনীর মসনদে আসীন হন সুলতান মাহমুদ, তিন দশকে ১৭ বার উপনিবেশ আক্রমণ করেন।

৯৯৮ আফগানিস্তানের গজনীর মসনদে বসলেন সবুক্তগীনের পুত্র মাহমুদ।*
* ভারতবর্ষে ইনি “গজনীর সুলতান মাহমুদ” নামে পরিচিতি। তাঁর রাজত্ব কুর্দিস্তান থেকে কাশ্মীর আর আমু দরিয়া থেকে গঙ্গা নদী পর্যন্ত প্রসারিত ছিল। ১০৩০ সালে মৃত্যুবরণ করার আগ পর্যন্ত শাসন করেন মাহমুদ। জীবদ্দশায় মোট ১৭ বার ভারতবর্ষে আক্রমণ চালান। তাঁর বিরুদ্ধে মন্দির লুঠ করার অভিযোগ আছে, আছে হিন্দু নির্যাতনের অভিযোগ, যা সমকালীন ভারতের অন্যতম ঐতিহাসিক বাহাছ। তবে মাহমুদ জ্ঞানবিজ্ঞান ও শিল্পসাহিত্যের সমঝদার ছিলেন। শাহনামার রচয়িতা কবি ফেরদৌসী থেকে শুরু করে ঐতিহাসিক আল-বিরুনি অনেকেই তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছেন।

১০০১ সুলতান মাহমুদ প্রথমবার ভারতবর্ষ আক্রমণ করলেন।

১০০১-২১ উত্তর-পশ্চিম ভারতে অভিযান চালাচ্ছেন গজনীর সুলতান মাহমুদ।

১০২৬ গজনীর সুলতান মাহমুদ কর্তৃক সোমনাথ মন্দির ধবংসসাধন।

১০৩০ গজনীর সুলতান মাহমুদের মৃত্যু।

আল বিরুনি, কিতাব আল-হিন্দ

১১৫১ আফগানিস্তানে শেষ হয়ে গেল গজনভী বংশের রাজত্ব। আফগান তুর্কিদের আরেকটি রাজবংশ ঘুরীদের রাজত্ব শুরু। ঘুরীরা গজনীতে গণহত্যা চালায়। শহরটির বিখ্যাত লাইব্রেরি ও ভবনগুলো পুড়িয়ে দেন আলাউদ্দিন। ধারণ করেন জাহানসুজ উপাধি। যার অর্থ: “দুনিয়াদগ্ধকারী”।

১১৭৫ আফগান সমরপ্রভু শাহাবুদ্দিন মুহাম্মদ ঘুরির মুলতান বিজয়।

১১৯১ অযোধ্যায় মালিক হিশাম উদ্দিনের সেনাদলে কাজ পেলেন আফগানিস্তানের হেলমান্দ নদীর ধারের তেরে আগা গ্রাম থেকে আসা ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি।

তরাইনের প্রথম যুদ্ধ।*
* সুলতান মুহাম্মদ ঘুরিকে পরাস্ত করেন রাজপুত পৃথ্বীরাজ চৌহান।

১১৯২ তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ।*
* রাজপুত পৃথ্বীরাজ চৌহানকে পরাস্ত করেন ও মৃত্যুদণ্ড দেন মুহাম্মদ ঘুরি।

১১৯৩ ওদন্তপুরীর বৌদ্ধ মহাবিহার বখতিয়ার খলজির হস্তগত হল। তিনি সংশ্লিষ্ট এলাকাটির নাম রাখলেন বিহার শরিফ। কালক্রমে বিহার একটি প্রদেশের নাম হয়ে গেল।

১২০৪ লক্ষণ সেনকে হারিয়ে বখতিয়ার খলজির নবদ্বীপ জয়।

১২০৫ বখতিয়ার খলজির সৈন্যরা গৌড়ের পুরাতন রাজধানী লক্ষণাবতী – বর্তমান গৌড় ও মালদহ – দখল করে নিল। এই শহরের নামে বখতিয়ার তাঁর নবলব্ধ রাজ্যের নাম রাখলেন লখনৌতি।* চারদিক থেকেই নদীবেষ্টিত এই রাজ্যের পূর্বে ছিল করতোয়া, পশ্চিমে গঙ্গা, দক্ষিণে পদ্মা, আর উত্তরে তিস্তা।
* আজকের ভারতের বৃহত্তর পাটনা, ভাগলপুর, পূর্ণিয়া, মালদহ এবং বাংলাদেশের রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী ও বগুড়া ছিল এর অন্তর্গত।

১২০৬-১৫২৬ দিল্লি সুলতানশাহি

১২০৬-৯০ দিল্লি সুলতানশাহির মামলুক বংশ।

১২০৬-১০ কুতুবুদ্দিন আইবেকের রাজত্বকাল।*
* দিল্লি সুলতানশাহির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন কুতুবুদ্দিন আইবেক। ছোটকালে তাঁকে গোলাম হিসেবে বিক্রি করা হয়েছিল। এই তুর্কিস্তানি গোলামকে কিনে নেন মুহাম্মদ ঘুরি, কালক্রমে আইবেক প্রতিষ্ঠা করেন দিল্লি সুলতানশাহি।

১২১০-১১ আরাম শাহের রাজত্বকাল।

১২১১-৩৬ শামসুদ্দিন ইলতুতমিশের রাজত্বকাল।

১২১৩-২৭ গিয়াসুদ্দিন ইওজ খলজির রাজত্ব।

১২২৭ দিল্লির সুলতান শামসুদ্দিন আলতামাসের বাহিনী গিয়াসুদ্দিন ইওজ খলজিকে হত্যা করে লখনৌতিকে দিল্লি সুলতানশাহির অন্তর্ভুক্ত করে নিল।

১২২৭-৮৭ লখনৌতি এ সময় দিল্লি সুলতানশাহির অধীনে ছিল।

১২৩৬ আজমিরে সূফী মঈনুদ্দিন চিশতির মৃত্যু।

১২৩৬ এপ্রিল-নভেম্বর রোকনুদ্দিন ফিরোজের রাজত্বকাল।

১২৩৬-৪০ রাজিয়া সুলতানের রাজত্বকাল।*
* দিল্লি সুলতানশাহির প্রথম ও একমাত্র নারী সুলতান।

১২৪০ অক্টোবর মাত্র ৩৪/৩৫ বছর বয়সে নিজের ভাই মুঈযুদ্দিন বাহরামের হাতে খুন হয়ে যান রাজিয়া।

১২৪০-৪২ মুঈযুদ্দিন বাহরামের রাজত্বকাল।

১২৪২-৪৬ আলাউদ্দিন শাহের রাজত্বকাল।

১২৪৬-৬৬ নাসিরুদ্দিন মাহমুদ শাহের রাজত্বকাল।

১২৬৬-১২৮৬ গিয়াসুদ্দিন বলবনের রাজত্বকাল।

১২৭৯ দিল্লি সুলতানশাহির বিরুদ্ধে লখনৌতির সহকারী প্রশাসক তুগরল খানের বিদ্রোহ। সুলতান গিয়াসুদ্দিন বলবন কর্তৃক বিদ্রোহ দমন। রাজধানীর বাজারে তুগরলের পুরুষ আত্মীয়, মন্ত্রী, আর পাইকপেয়াদাদের পাইকারি হাতে হত্যা করেন বলবন।

১২৯০ ফেব্রুয়ারি-জুন শামসুদ্দিন কায়ুমার্সের রাজত্বকাল।

১২৯০-১৩২০ দিল্লি সুলতানশাহির খলজি রাজবংশ।

১২৯০ দিল্লির সাথে লখনৌতির শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপিত হল, বাড়তে শুরু করল লখনৌতির রাজ্যসীমা।

১২৯০-৯৬ জালালুদ্দিন খিলজির রাজত্বকাল।

১২৯১-১৩০১ রোকনুদ্দিন কায়কাউসের রাজত্ব।

১২৯৬-১৩১৬ আলাউদ্দিন খিলজির রাজত্বকাল।

১৩০৭ দেবগিরি ও ওয়ারঙ্গল দখল করলেন মালিক কাফুর।

১৩১৩ জাফর খাঁ গাজীর সাতগাঁও বিজয়।

১৩১৬ জানুয়ারি-এপ্রিল শিহাবুদ্দিন ওমরের রাজত্বকাল।

১৩১৬-২০ কুতুবুদ্দিন মোবারক শাহের রাজত্বকাল।

১৩২০ জুলাই-সেপ্টেম্বর খসরু খানের রাজত্বকাল।*
* জন্মসূত্রে গুজরাতি হিন্দু। দাস হিসেবে দিল্লিতে ধরে নিয়ে আসা হয়। ইসলামে ধর্মান্তরিত হলে কুতুবুদ্দিন মোবারক শাহের নেক নজরে পড়েন, এবং “খসরু খান” উপাধি লাভ করেন।

১৩২০-১৪১৪ দিল্লি সুলতানশাহির তুঘলক বংশ।

১৩২০-২৫ গিয়াসুদ্দিন তুঘলকের রাজত্বকাল।*
* তুঘলক বংশের প্রতিষ্ঠাতা, গাজী মালিক নামেও পরিচিত।

১৩২৫ দিল্লির চিশতিয়া তরিকার সূফী নিজামুদ্দিন আউলিয়ার মৃত্যু।

১৩২৫-৫১ মুহাম্মদ বিন তুঘলকের রাজত্বকাল।*
* প্যারানয়েড পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডারের (পিপিডি) লক্ষণ প্রদর্শন করা এই শাসক অদ্ভুত রাজকুমার ও পাগল সুলতান নামে পরিচিত ছিলেন।

১৩২৫-৩৮ লখনৌতি, সাতগাঁও, ও সোনারগাঁও দিল্লি সুলতানশাহির অধীনস্ত।

১৩৩৮ সোনারগাঁওয়ের প্রশাসক বাহরাম খানের মৃত্যু। তাঁর দেহরক্ষী ফখর দিল্লির কাছ থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে সোনারগাঁর সিংহাসনে বসলেন। নতুন নাম নিলেন ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ।*
* শের খান – পরবর্তীতে শেরশাহ – বাংলা জয় করার আগ পর্যন্ত দুইশো বছর বাংলা স্বাধীন থাকবে। 

১৩৩৮-১৫৩৮ স্বাধীন সুলতানদের যুগ।

১৩৩৮-১৫৭৬ বাংলা সুলতানশাহি

১৩৪১ আলাউদ্দিন আলী শাহ নামে লখনৌতির সিংহাসনে বসলেন আলী মোবারক, যিনি ছিলেন দিল্লির সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলকের চাচাতো ভাই ফিরোজ বিন রজবের এক বিশ্বস্ত কর্মচারী।

১৩৫১-৮৮ ফিরোজ শাহ তুঘলকের রাজত্বকাল।

১৩৫১ শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহের দিল্লি অভিযান।

১৩৫২ বাংলা সুলতানশাহি ঘোষণা করলেন শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ।*
* উপাধি শাহ-ই-বাঙ্গাল

১৩৫৩ দিল্লির সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলকের সেনাবাহিনী শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহের বাহিনীকে ধাওয়া করল।

১৩৫৪ দিল্লিতে ফিরে গেলেন ফিরোজ শাহ তুঘলক।

১৩৮৮-৮৯ দ্বিতীয় গিয়াসুদ্দিন তুঘলক শাহের রাজত্বকাল।

১৩৮৯-৯০ আবু বকর শাহ তুঘলকের রাজত্বকাল।

১৩৯০-৯৪ তৃতীয় নাসিরুদ্দিন মুহাম্মদ শাহের রাজত্বকাল।

১৩৯৪ জানুয়ারি-মার্চ আলাউদ্দিন সিকান্দার শাহের রাজত্বকাল।

১৩৯৪-১৪১৪ তুঘলক বংশের শেষ সুলতান নাসিরুদ্দিন মাহমুদ শাহের রাজত্বকাল।

১৩৯৮ আমির তৈমুরের আক্রমণে দিল্লি ধবংস হয়ে গেল।

১৪১৪-৫১ দিল্লি সুলতানশাহির সৈয়দ বংশ।

১৪১৪-২১ খিজির খানের রাজত্বকাল।

১৪২১-৩৪ মোবারক শাহের রাজত্বকাল।

১৪৩৪-৪৫ মুহাম্মদ শাহের রাজত্বকাল।

১৪৪৫-৫১ আলাউদ্দিন আলম শাহের রাজত্বকাল।

১৪৫১ দক্ষিণপূর্ব আফগানিস্তানের গিলজাই পশতুনদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয় উপমহাদেশের দিল্লি সুলতানশাহির লোদি বংশ।

১৪৫১-১৫২৬ দিল্লি সুলতানশাহির লোদি বংশ।

১৪৫১-৮৯ বাহলুল খান লোদির রাজত্বকাল।

১৪৮৯-১৫১৭ সিকান্দার খান লোদির রাজত্বকাল।

১৪৯৪ দিল্লির সুলতান সিকান্দার খান লোদির হাতে পরাস্ত হলেন জৌনপুরের সুলতান হোসেন শাহ শর্কি। প্রাণভয়ে পরাজিত সুলতান প্রাণভয়ে বাংলায় রাজনৈতিক আশ্রয় নিলেন।

১৫০৪ মায়ের দিক থেকে চেঙ্গিজ খান আর বাপের দিক থেকে আমির তৈমুরের বংশধর ১৯-বছর-বয়সী তুর্কি যুবক জহিরুদ্দিন মুহাম্মদ বাবুর কাবুল জয় করেন।

১৫১৭-২৬ ইব্রাহিম লোদির রাজত্বকাল।

১৫২৬ পানিপথের প্রথম যুদ্ধ। জাহিরুদ্দিন মুহাম্মদ বাবুরের কাছে হেরে গেলেন দিল্লির লোদি রাজবংশের শেষ সুলতান ইব্রাহিম লোদি। দিল্লি সুলতানশাহির অবসান।

তথ্যসূত্র

আন্তোনভা, কোকা, বোনগার্দ-লেভিন, গ্রিগোরি, ও কতোভস্কি, গ্রিগোরি। ১৯৮৮। ভারতবর্ষের ইতিহাস। তৃতীয় সংস্করণ।

শাহরিয়ার, খন্দকার স্বনন। ২০২১। মধ্যযুগের বাংলা: বখতিয়ার খলজি থেকে সিরাজ-উদ-দৌলা। প্রথম সংস্করণ। বাতিঘর।

Burki, Shahid Javed. 2006. Historical Dictionary of Pakistan. 3rd ed. The Scarecrow Press.

Crompton, Samuel Willard. 2007. Pakistan. 2nd Ed. Chelsea House.

Malik, Iftikhar H.. 2008. The History of Pakistan. Greenwood Press.

Mansingh, Surjit. 2006. Historical Dictionary of India. 2nd ed. The Scarecrow Press.

Mcleod, John. 2015. The History of India. 2nd ed. Greenwood.

Phillips, Douglas A., and Gritzner, Charles F. 2003. India. Chelsea House.

Wahab, Shaista, and Youngerman, Barry. 2007. A Brief History of Afghanistan. Facts On File.

Wikipedia
The Free Encyclopedia
https://www.wikipedia.org

World History Encyclopedia.

Wynbrandt, James. 2009. A Brief History of Pakistan. Facts On File.

নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।

অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ

দিব্যপ্রকাশ । বাতিঘর । বইবাজার । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী । বুক হাউজ । ওয়াফিলাইফ । রকমারি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *