
স্লোভেনিয়া
Featured Image: Wikipedia Commons.

সাল
১৯১৪-১৮ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।
১৯১৮ অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় সাম্রাজ্যের পতন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষে বলকানে সার্ব, ক্রোয়াট, ও স্লোভেনদের রাজ্য ঘোষিত হল। সার্ব, ক্রোয়াট, ও স্লোভেনদের রাজত্বে যোগ দিল স্লোভেনিয়া।
১৯২১ সার্ব, ক্রোয়াট, ও স্লোভেনদের রাজ্যের প্রথম সংবিধান প্রণীত হল।
১৯২৯ সার্ব, ক্রোয়াট, ও স্লোভেনদের রাজ্যের নাম বদলেযুগোস্লাভিয়া রাখা হল।* রাজকীয় একনায়কত্ব কায়েম। এর ফলে দেশটির সরকারব্যবস্থা আরো কেন্দ্রীভূত হল।
*যুগোস্লাভিয়া শব্দের মানে হল দক্ষিণ স্লাভদের ভূমি।
১৯৩৯-৪৫ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ।
১৯৪১ স্লোভেনিয়ায় নাৎসি জার্মানি ও ফ্যাসিস্ট ইতালির দখলদারিত্ব।
১৯৪৫ জোসিপ ব্রজ টিটোর নেতৃত্বে যুগোস্লাভিয়া সমাজতান্ত্রিক ফেডারেল প্রজাতন্ত্র কায়েম করা হল যেখানে, কাগজেকলমে, সব জাতির সমঅধিকার ছিল।* পরবর্তী প্রায় পাঁচ দশক ধরে স্লোভেনিয়া এই ফেডারেল প্রজাতন্ত্রের অংশ ছিল।
* ছয়টি প্রজাতন্ত্রের সমষ্টি ছিল এই ফেডারেল প্রজাতন্ত্র। সার্বিয়া (রাজধানী বেলগ্রেড), মন্টেনিগ্রো (রাজধানী টিটোগ্রাদ), স্লোভেনিয়া (রাজধানী জুবজানা), ক্রোয়েশিয়া (রাজধানী জাগরেব), বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা (রাজধানী সারায়েভো), এবং ম্যাকিদোনিয়া (রাজধানী স্কোপজে)। এদের মধ্যে সার্বিয়ায় দুটি স্বায়ত্তশাসিত প্রদেশ ছিল: কসোভো (রাজধানী প্রিস্টিনা) ও ভোজভোদিনা (রাজধানী নোভি সাদ)।
১৯৯০ প্রথম বহুদলীয় নির্বাচন। প্রেসিডেন্ট হলেন মিলান কুচান। গণভোটে অধিকাংশ স্লোভেন স্বাধীনতার পক্ষে ভোট দিলেন।
১৯৯১ ক্রোয়েশিয়ার মত করে স্লোভেনিয়াও স্বাধীনতা ঘোষণা করল। যুগোস্লাভ ফেডারেল সেনাবাহিনী ‘অখণ্ডতা’ রক্ষার অজুহাত দিয়ে অনুপ্রবেশ চালালে স্লোভেন বাহিনীগুলো রুখে দাঁড়াল। ইওরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যস্ততায় একটি যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হলে সেনা প্রত্যাহার করে নিল যুগোস্লাভিয়া।
১৯৯২ ইওরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও যুক্তরাষ্ট্র স্লোভেনিয়ার স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দিল। জাতিসংঘে যোগ দিল স্লোভেনিয়া। সদ্যস্বাধীন রাষ্ট্রে প্রথমবারের মত আয়োজিত হওয়া সংসদীয় ও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট হিসাবে পুনঃনির্বাচিত হলেন মিলান কুচান, প্রধানমন্ত্রী হলেন জানেজ দ্রনোভসেক।
১৯৯৬ ইইউয়ের সাথে অ্যাসোসিয়েশন চুক্তি সই করল ইইউ।
১৯৯৯ ন্যাটো কসোভো আর সার্বিয়ায় বোমাবর্ষণ চালানোর সময় সংগঠনটিকে নিজের আকাশপথ ব্যবহার করার অনুমতি দিল স্লোভেনিয়া, ন্যাটোর পার্টনারশিপ ফর পীস কর্মসূচির সদস্য।
২০০২ ডিসেম্বর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়লাভ করলেন জানেজ দ্রভোনসেক।
২০০৩ মার্চ গণভোটে অধিকাংশ ভোট ইইউ ও ন্যাটোর সদস্যপদের পক্ষে পড়ল।
২০০৪ মার্চ ন্যাটোর সদস্যপদ লাভ করল স্লোভেনিয়া।
মে ১ ইওরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) যোগ দিল স্লোভেনিয়া।
২০০৭ জানুয়ারি ১ ইওরোজোনে যোগ দিল স্লোভেনিয়া।
ডিসেম্বর ২১ শেনগেন জোনে যোগ দিল স্লোভেনিয়া।
২০০৮ জানুয়ারি প্রথম সাবেক কমিউনিস্টশাসিত দেশ হিসাবে ইইউ প্রেসিডেন্সি গ্রহণ করল স্লোভেনিয়া।
নভেম্বর নির্বাচনে জিতে একটি মধ্য-বামপন্থী জোট সরকার ক্ষমতায় এল। প্রধানমন্ত্রী হলেন সমাজ গণতন্ত্রী নেতা বোরুত পাহর।
২০১১ সেপ্টেম্বর আস্থা ভোটে হেরে মধ্য-বামপন্থী জোট সরকারের পতন।
২০১২ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী জানেজ জ্যানসার নেতৃত্বাধীন মূলত মধ্য-ডানপন্থী সরকার সংসদীয় অনুমোদন লাভ করল।
নভেম্বর-ডিসেম্বর জুবজানা আর মারিবরে কৃচ্ছসাধন বিরোধী প্রতিবাদে অংশ নিলেন হাজার হাজার মানুষ।
ডিসেম্বর মধ্য-বামপন্থী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বোরুত পাহর ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট দানিলো তুর্ককে পরাজিত করে এক রান-অফে ভোটে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন জিতলেন।
২০১৪ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী হলেন মিরো সেরার, তাঁর উদার এসএমসি দল দুটি মধ্য-বামপন্থী দলের সাথে মিশে জোট সরকার গঠন করল।
২০১৬ মার্চ স্লোভেনিয়া জানাল, যেসব অভিবাসী বলকানের পথ দিয়ে উত্তর ইওরোপে ঢুকতে চান, দেশটি তাদের অধিকাংশকেই ট্রানজিট দিবে না।
২০১৭ জুন একটি আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত ক্রোয়েশিয়ার সাথে স্লোভেনিয়ার একটা সমুদ্র বিষয়ক গ্যাঞ্জামে স্লোভেনিয়ার পক্ষে রায় দিল। রায়ে বলা হয়, আড্রিয়াটিক সাগরের আন্তর্জাতিক জলপথে এর স্লোভেনীয়দের প্রত্যক্ষ প্রবেশাধিকার থাকবে। এর জন্য তারা ক্রোয়েশীয় জলপথ পেরিয়ে যাওয়া একটা করিডোর ব্যবহার করতে পারবে।
২০১৮ সেপ্টেম্বর সরকারপ্রধান হলেন মধ্য-বামপন্থী এলএমএস পার্টির মারজান সারেক।
২০২০ মার্চ একটি মধ্য-ডানপন্থী জোট সরকারের প্রধান হিসেবে ক্ষমতায় ফিরলেন জানেজ জ্যানসা।
তথ্যসূত্র
BBC. 2018. “Slovenia profile – Timeline.” BBC, September 17, 2018.
https://www.bbc.com/news/world-europe-17847681
European Union. n.d. “Slovenia – EU Country Profile | European Union.” Accessed March 1, 2025.
https://european-union.europa.eu/principles-countries-history/eu-countries/slovenia_en
নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।
অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ
দিব্যপ্রকাশ । বাতিঘর । বইবাজার । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী । বুক হাউজ । ওয়াফিলাইফ । রকমারি



