বার্বাডোস

Spread the love

Featured Image: Wikimedia Commons.

বিশ্ব মানচিত্র ব্লগ

সাল

১৫৩৬ বার্বাডোস সফর করলেন পর্তুগিজ অভিযাত্রিক পেদ্রো আ কাম্পোস।

১৬২৭ কাপ্তান হেনরি পাওয়েলের নেতৃত্বে একদল ইংরেজ বসতিস্থাপনকারী বার্বাডোসে একটি উপনিবেশ স্থাপন করলেন। উপনিবেশিক বার্বাডোসে চিনি প্ল্যান্টেশনের অর্থনীতির বিকাশ ঘটালেন। যার ভিত ছিলেন আফ্রিকা থেকে ধরে আনা দাসেরা।

১৬৩৯ বার্বাডোসের প্রথম সংসদ অধিবেশন বসল।

১৬৬৩ বার্বাডোসকে একটি ইংরেজ মুকুট উপনিবেশের মর্যাদা দেয়া হল।

১৮১৬ বার্বাডোসে দাস বিদ্রোহ।

১৮৩৪ বার্বাডোসে দাসপ্রথার বিলোপসাধন।

১৮৭৬ বার্বাডোস আর উইন্ডওয়ার্ড দ্বীপপুঞ্জের মধ্যে একটি কনফেডারেশন তৈরির ব্রিটিশ প্রস্তাবের জের ধরে বার্বাডোসে রক্তক্ষয়ী দাঙ্গা দেখা দিল।

১৯৩৭ নাজুক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে দাঙ্গা বেঁধে গেল। তদন্ত করতে ব্রিটিশরা একটা রাজ কমিশন পাঠাল। গ্র্যান্টলি অ্যাডামস কর্তৃক গঠিত হল বার্বাডোস লেবার পার্টি (বিএলপি)।

১৯৫১ সর্বজনীন প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকার প্রবর্তন করা হল। সাধারণ নির্বাচনে জয়লাভ করল বিএলপি।

১৯৫৪ গ্র্যান্টলি অ্যাডামসকে প্রধান করে একটি মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার স্থাপন করা হল।

১৯৫৫ বার্বাডোস লেবার পার্টি (বিএলপি) থেকে বেরিয়ে আসা একটি অংশ গঠন করল ডেমোক্রেটিক লেবার পার্টি (ডিএলপি)।

১৯৫৮-৬২ ব্রিটিশ-মদতপুষ্ট ওয়েস্ট ইন্ডিজ ফেডারেশনের সদস্য হল বার্বাডোস, এর প্রথম প্রধানমন্ত্রী হলেন গ্র্যান্টলি অ্যাডামস।

১৯৬১ বার্বাডোসকে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ স্বশাসন প্রদান করা হল। সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত। তাতে বিএলপির জয়লাভ।

১৯৬৬ ব্রিটিশদের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করল বার্বাডোস, স্বাধীন দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হলেন এরোল ব্যারো।

১৯৬৭ জাতিসংঘে যোগ দিল বার্বাডোস।

১৯৭২ কিউবার সাথে কূটনৈতিক যোগাযোগ স্থাপন করল বার্বাডোস।

১৯৭৬ গ্র্যান্টলি অ্যাডামসের ছেলে টম অ্যাডামসের নেতৃত্বে সাধারণ নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় ফিরল বিএলপি।

১৯৮৩ গ্রেনাডায় যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসন সমর্থন করল বার্বাডোস, কার্যত একটি মার্কিন ঘাঁটি হয়ে উঠল।

১৯৮৫ টম অ্যাডামসের মৃত্যু। নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন বিএলপির বার্নার্ড সেইন্ট জন।

১৯৮৬ সাধারণ নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় এল ডিএলপি, প্রধানমন্ত্রী হলেন এরোল ব্যারো।

১৯৮৭ এরোল ব্যারোর মৃত্যু। নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন ডিএলপির এরস্কিন লয়েড স্ট্যানডিফোর্ড।

১৯৯৪ সাধারণ নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় ফিরল বিএলপি, বার্বাডোসের নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন ওয়েন আর্থার।

১৯৯৯ সাধারণ নির্বাচনে ভূমিধ্বস বিজয় লাভ করল বিএলপি।

২০০০ অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা (ওইসিডি) তার অসহযোগিতামূলক কর স্বর্গ বিবেচিত দেশগুলোর তালিকায় বার্বাডোসের নাম যুক্ত করল।

২০০২ ওইসিডির তালিকা থেকে বার্বাডোসের নাম সরিয়ে ফেলা হয়।

২০০৩ মে সাধারণ নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় ফিরল বিএলপি, তৃতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হলেন ওয়েন আর্থার।

২০০৪ ফেব্রুয়ারি এক বার্বাডীয় জেলের গ্রেপ্তারের ঘটনা ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর সাথে সমুদ্রসীমা নিয়ে বিরোধ উসকে দিল। বার্বাডোস মামলাটিকে জাতিসংঘ-মদতপুষ্ট ট্রাইব্যুনালে নিয়ে যায়।

২০০৮ জানুয়ারি সাধারণ নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় ফিরল ডিএলপি। বার্বাডোসের নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন ডেভিড থম্পসন।

জুলাই অফশোরে তেল অনুসন্ধানের জন্য দরপত্র আহবান করলে সমুদ্রসীমার সীমানা নির্ধারণ নিয়ে ভেনেজুয়েলার সাথে বার্বাডোসের বিরোধ দেখা দিল।

২০০৯ মার্চ ত্রিনিদাদভিত্তিক বীমা কোম্পানি ক্লিকোর পতনের ফলে সৃষ্ট আর্থিক সংকট মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী ডেভিড থম্বসনের রাখা ভূমিকার জন্য তাঁর বিরুদ্ধে বার্বাডোসের সংসদে আনা অনাস্থা ভোটে টিকে গেলেন থম্বসন।

২০১০ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী থম্পসনের মৃত্যু, নতুন প্রধানমন্ত্রী ফ্রন্ডেল স্টুয়ার্ট।

২০১৩ ফেব্রুয়ারি সংসদীয় নির্বাচনে সামান্য ব্যবধানে জিতল ক্ষমতাসীন ডিএলপি।

২০১৪ খুনের অপরাধে আবশ্যিকভাবে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার বিধি রহিত করার পরিকল্পনা ঘোষণা করল বার্বাডোস সরকার।*
* ১৯৮৪ সালের পর আর কোন মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়নি।

২০১৫ এপ্রিল অস্ট্রেলীয় খনি জায়ান্ট বিএইচপি বিলিটনকে বার্বাডোসের দক্ষিণপূর্বাঞ্চলে তেল অনুসন্ধানের লাইসেন্স দেয়া হল।

ডিসেম্বর রাষ্ট্রপ্রধানের পদ থেকে রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথকে সরিয়ে ফেলা ও প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী ফ্রন্ডেল স্টুয়ার্ট।

২০১৭ মে বার্বাডোসসহ ১৭টি বিচারব্যবস্থার বিরুদ্ধে কর সংক্রান্ত বিষয়ে অসহযোগিতার অভিযোগ এনে একটি তালিকা প্রকাশ করলেন ইওরোপীয় ইউনিয়নের অর্থমন্ত্রীরা।

২০২১ ব্রিটিশ সাধারণতন্ত্রের ভেতরে একটি প্রজাতন্ত্রে পরিণত হল বার্বাডোস।

তথ্যসূত্র

BBC.

নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।

অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ

দিব্যপ্রকাশ । বাতিঘর । বইবাজার । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী । বুক হাউজ । ওয়াফিলাইফ । রকমারি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *