
প্রাচীন গ্রিস
Featured Image: Wikimedia Commons.

“We are all Greeks.”
Percy Bysshe Shelley (1792-1822), English Poet
পূর্বসাল
৩০০০-২০০০ মাইসেনী এলাকায় প্রথম বসতিস্থাপন।
৩০০০ ক্রিটে পাথরের সমাধি।
২১০০ মাইসেনীতে ভবনসদৃশ কাঠামো নির্মাণের প্রথম নিদর্শন।
মিনোয়ান সভ্যতা
২০০০-১৪৫০ পূর্বসাল

বিস্তারিত জানতে, পড়ুন, মিনোয়ান সভ্যতা।
২০০০-১৪৫০ ক্রিটসহ ইজিয়ান সাগরের অন্যান্য দ্বীপে গড়ে উঠল মিনোয়ান সভ্যতা। দ্বিতীয় সহস্রাব্দে যার ব্যাপক সমৃদ্ধি ঘটে। প্রত্নতাত্ত্বিক খনন থেকে জানা গেছে, এই সভ্যতার নসোসের মত শহরগুলো অত্যন্ত ধনশালী ছিল।
২০০০ গ্রিক গোষ্ঠীগুলো দক্ষিণপূর্ব ইওরোপের দিকে সরে এল। ক্রিটে মিনোয়ান সভ্যতায় প্রবর্তিত হল কুমোরের চাকা।
২০০০-১৭০০ ফাইস্টোসের প্রথম মিনোয়ান প্রাসাদ।
২০০০-১৬৫০ ব্যবহৃত হতে শুরু করলো ক্রিটান হায়ারোগ্লিফিক লিপি।
২০০০-১৪০০ ফাইস্টোস এ সময় সাংস্কৃতিক সমৃদ্ধির চূড়ায় আছে।
১৯০০ নসোসের প্রথম মিনোয়ান প্রাসাদ। এলুসিসে প্রথম নথিবদ্ধ বসতিস্থাপন।
১৯০০-১৬৭৫ মালিয়ার প্রথম মিনোয়ান প্রাসাদ।
১৯০০-১৫০০ মিনোয়ান শিল্পকর্মে মৃৎপাত্র, ফলক ও বস্ত্রের মধ্যে স্ফিংসের চিত্র আঁকা হচ্ছে।
১৮৫০-১৪৫০ ব্যবহৃত হচ্ছে মিনোয়ান সভ্যতার লিনিয়ার এ লিপি।
১৮০০ এ সময় নাগাদ মিনোয়ান সভ্যতা ভূমধ্যসাগরের সবচে শক্তিশালী নৌশক্তিতে পরিণত হয়।
মাইসেনীয় সভ্যতা
১৭০০-১১০০ পূর্বসাল

বিস্তারিত জানতে, পড়ুন, মাইসেনীয় সভ্যতা।
১৭৫০-১০৫০/১৭০০-১০০০ মাইসেনীয় সভ্যতা।
১৭০০-১৬০০ নির্মিত হচ্ছে মাইসেনীর প্রথম খাদ সমাধিগুলো।
১৭০০-১৪০০ মিনোয়ান ক্রিট দ্বারা ক্রমবর্ধমানভাবে প্রভাবিত হচ্ছে সাইক্লেডসের সংস্কৃতি।
১৭০০-১১০০ এ সময়ই কখনো এথেন্সে নির্মিত হয় অ্যাগোরা।
১৭০০ ক্রিটে নসোসের দ্বিতীয় প্রাসাদ।
১৬৭৫-১৪৫০ মালিয়ায় দ্বিতীয় মিনোয়ান প্রাসাদ।
১৬৫০ একটা ভয়াবহ অগ্নুৎপাতের ফলে সৃষ্ট সুনামিতে ভূমধ্যসাগরের পুবদিকের সংস্কৃতিগুলোর মারাত্মক ক্ষতি সাধিত হল।
১৬৫০-১৫৫০ থেরা অগ্ন্যুৎপাত থেকে রক্ষা পেল নসোস।
১৬০০-১২০০ কস দ্বীপে সমৃদ্ধিলাভ করলো মাইসেনীয় বসতি সেরাইয়া।
১৬০০ তৈরি করা হলো ফাইস্টোস ডিস্ক। এ সময় রোডসের সাথে মিনোয়ান ক্রিটের উল্লেখযোগ্য যোগাযোগ ছিল। মাইসেনীতে অভিজাত শ্রেণির ভবন নির্মাণের প্রথম নিদর্শন।
১৫৫০ মাইসেনীতে নির্মিত হচ্ছে সোনালি মৃত্যু মুখোশ।
১৫০০-১৪৫০ মিনোয়ান উৎসের ‘হারভেস্টার ভেস’ একজন সিস্ট্রাম বাদকের চিত্র প্রদর্শন করে।
১৫০০-১৪০০ মাইসেনীতে নির্মিত হল প্রথম প্রাসাদ কাঠামো এবং পৌরাণিক রাজা অ্যাট্রিয়াসের সমাধির কোষাগার।
১৫০০-১৩০০ মাইসেনীয় থিবস এ সময় সমৃদ্ধি ও প্রভাবের শীর্ষে আছে।
১৫০০-১২০০ মাইসেনীয় শিল্পকর্মে, বিশেষত মৃৎপাত্র ও গজদন্তের খোদাইকর্মে, স্ফিংসের চিত্রায়ন দেখা যাচ্ছে। মাইসেনী এ সময় প্রভাবের শীর্ষে আছে। ব্যবহৃত হচ্ছে মাইসেনীয় সভ্যতার লিনিয়ার বি লিপি।
১৫০০ নির্মিত হচ্ছে মাইসেনীর প্রথম থোলোস সমাধিগুলো।
১৪৫০-১৪০০ মিনোয়ান প্রাসাদ যুগকে পেরিয়ে গেল মাইসেনীয় প্রাসাদ যুগ।
১৪৫০ মিনোয়ানদের সাফল্যই, প্যারাডক্সিকালি, তাদের পতন ডেকে আনে। সভ্যতাটির কৌশলগত অবস্থান আর বিপুল ধনসম্পদ দেখে অনেক বহিঃশক্তিরই চোখ টাটাতে শুরু করে। এরকমই একটি গ্রিক গোষ্ঠী ছিল মাইসেনীয়রা, যাদের হাতে মিনোয়ান সভ্যতার পতন ঘটে। ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ডে মালিয়ায় মিনোয়ান যুগের অবসান। ধবংস হয়ে গেল জাকরোসের মিনোয়ান প্রাসাদ। এপিডুরাসে দেখা গেল মাইসেনীয় স্মারক স্থাপত্যের প্রথম নিদর্শন। ক্রিটের নসোস পর্যন্ত বিস্মৃত হল মাইসেনীয় প্রভাব।
১৪০০ এ সময় রোডসের সাথে মাইসেনীয় সভ্যতার উল্লেখযোগ্য যোগাযোগ ছিল।
১৪০০-১৩০০ টাইরিনসে মাইসেনীয় প্রাসাদ স্থাপত্য। আর্গোসে নির্মিত হল মাইসেনীয় দুর্গ, প্রাসাদ ও সমাধি।
১৪০০-১১০০ সাইক্লেডসের সংস্কৃতি এ সময় মাইসেনীয় সভ্যতা দ্বারা ক্রমবর্ধমানভাবে প্রভাবিত হচ্ছে।
১৩৫০ মাইসেনীয় সংস্কৃতিতে গ্রিক দেবতা ডায়োনিসসের একটি কাল্ট থাকার প্রথম প্রমাণ মিললো।
১৩৩৪ সামোসের ডুরিসের মতে, ট্রয় যুদ্ধ ঘটার বছর।
১৩০০ মাইসেনিতে প্রথম প্রাসাদটি ধ্বংস হওয়ার পর মেরামত করা হলো, সিংহদ্বার যুক্ত করা হলো এবং দুর্গপ্রাচীর সম্প্রসারিত করা হলো।
১৩০০-১২৫০ মাইসেনীর কাছে নির্মিত হল সাইক্লোপীয় পাথরসেতু।
১৩০০-১২০০ মাইসেনীয় টাইরিনস এ সময় গুরুত্বের শীর্ষে রয়েছে।
১২৫০-১২০০ থিবসে নির্মিত হল মাইসেনীয় প্রকোষ্ঠ সমাধি।
১২৫০ হেরোডোটাসের মতে, ট্রয় যুদ্ধ ঘটার বছর।
১২০০ ভূমিকম্পে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলো টাইরিনস। ধ্বংস হয়ে গেল মাইসেনীর দ্বিতীয় প্রাসাদ। শুরু হল নগরীর পতন।
১২০০-১১০০ এ সময় মাইসেনীয় এপিডুরাস সমৃদ্ধির শীর্ষে আছে। আর্গোলিড অঞ্চলের সবচে গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে মাইসেনীর স্থান দখল করলো আর্গোস।
১১৮৪ এরাতোস্থেনেসের মতে, ট্রয় যুদ্ধ ঘটার বছর।
১১০০-৯০০ হোমারীয় যুগ, গ্রিসে ডোরীয় গ্রিক গোষ্ঠীগুলোর বসতি স্থাপন সম্পন্ন। এটা একটা বৃহত্তর অভিবাসনের ফল ছিল, যার চেইন রিএকশন মধ্যপ্রাচ্য আর মিসরের মত দূরবর্তী অঞ্চলগুলোকেও স্পর্শ করেছিল। বাইবেলে এই ঘটনাটির বর্ণনা পাওয়া যায়, যেখানে এটিকে ফিলিস্তিনের উপকূলে বসতি স্থাপনকারী “সমুদ্রবাসীদের আগ্রাসন” হিসেবে দেখে হয়েছে।*
১০০০ অ্যাটিকা শহরের পত্তন।
৯০০-৭০০ গ্রিসে স্থবিরতার কাল।
সেকেলে গ্রিস
৮০০-৪৭৯ পূর্বসাল

বিস্তারিত জানতে, পড়ুন, সেকেলে গ্রিস।
৮০০-৭০০ মহাকবি হোমার এ সময়ই লিখছেন ইলিয়াড ও ওডিসি।*
* ইজিয়ান পারের শহর স্মিরনায় জন্মেছিলেন হোমার, আজকে অবশ্য শহরটি তুর্কি নামে পরিচিত: ইজমির।
৭৭৬ প্রাচীন গ্রিসের প্রথম অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হল।
৭০০-৬০১ গ্রিকরা ভূমধ্যসাগর অঞ্চল ও তা পেরিয়ে গিয়ে অন্যত্রও উপনিবেশ প্রতিষ্ঠা করতে শুরু করল। পরবর্তী দুই শতাব্দী ধরে এসব অঞ্চলের নানান জনগোষ্ঠী হেলেনীয় সংস্কৃতির প্রভাবে আসবে। ইওরোপের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মত হেলেনীয় সংস্কৃতির ছাতার নিচে একটা বিশ্বনাগরিকতাবাদী জীবনযাপন দেখা দিল।
৬৬৭ গ্রিসের মূল ভূখণ্ড থেকে যাওয়া উপনিবেশিকরা বসফরাস প্রণালির ইওরোপীয় অংশে একটি বসতি স্থাপন করলেন। তাঁরা বসতিটির নাম রাখলেন বাজনাতিন। শহরটি পরবর্তীতে যথাক্রমে কন্সটান্টিনোপল ও ইস্তানবুল নামে পরিচিত হবে, যা আজকের দিনের তুরস্কে অবস্থিত।
৬২০ এথেন্সে এ সময়ই প্রবর্তিত হয় দ্রাকোনের আইন। এই আইনগুলো ছিল ভয়াবহ রকমের কঠোর, ধনীদের বাগানের আঙুর পাড়ার শাস্তি ছিল মৃত্যুদণ্ড। ইংরেজিতে “ড্রাকোনিয়ান ল” বলতে যে কালাকানুন বোঝায়, তার মূলে আছে এই দ্রাকোনের আইন।
৬০০-৫০১ মিলেতুস আর আয়োনিয়া বিজ্ঞানচর্চার কেন্দ্রে পরিণত হয়।
৫৯৪ “গণতন্ত্রের জনক” সোলোন এথেন্সের শাসনকর্তা নির্বাচিত হলেন। নানাপ্রকার সংস্কার করলেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য কীর্তি চাষীদের ঋণ মকুব করা।
৫৫০-৫০১ কৃষ্ণসাগর আর ইজিয়ান সাগরের তীরে কিছু গ্রিক উপনিবেশ গড়ে ওঠে।
৫০০-৪০১ পেরিক্লিসের স্বর্ণযুগ।
৪৯৭ গ্রিক নাট্যকার সফোক্লিজের জন্ম।
৪৯০ ম্যারাথনের যুদ্ধ, পারসিক দখলদারদের পরাস্ত করে গ্রিকরা। পরে সালামিসের যুদ্ধেও তারা পারসিকদেরকে হারায়। ইওরোপের মাটি থেকে পারসিকদেরকে চিরতরে তাড়িয়ে দেয়।
ধ্রুপদী গ্রিস
৪৮০-৩২৩ পূর্বসাল

বিস্তারিত জানতে, পড়ুন, ধ্রুপদী গ্রিস।
৪৭০ বিজ্ঞানী দেমোক্রিতোস আনুমানিক এ বছর জন্মলাভ করেন, আনুমানিক ৪০০ পূর্বসালে তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি অণুর ধারনা প্রবর্তন করার জন্য বিখ্যাত। দার্শনিক সক্রেটিসের জন্মও আনুমানিক এই বছরই।
৪৬০ অলিম্পিয়ায় জিউসের মন্দিরের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হল।
৪৫০ ইতিহাসের জনক হেরোদোতোস এ সময়ের কাছাকাছি কখনো রচনা করেন তাঁর গ্রিস-পারস্য যুদ্ধের ইতিহাস।
৪৪৭-৩২ এথেন্সে পার্থেননসহ অ্যাক্রোপলিসের নির্মাণ কাজ শেষ হল।
৪৩১-৪০৪ স্পার্টা আর এথেন্সের মধ্যে পেলোপনেসীয় যুদ্ধ, এই যুদ্ধ শেষ হয় স্পার্টার বিজয় ও এথেনীয় সাম্রাজ্যের অবসানের মাধ্যমে।
৪৩০ সফোক্লিজ, ইদিপাস রেক্স।
৪২৭ দার্শনিক প্লেটোর জন্ম।
৪০৭ প্লেটো সক্রেটিসের একজন শিষ্যে পরিণত হলেন।
৪০৬ নাট্যকার সফোক্লিজের মৃত্যু।
৩৯৯ সক্রেটিসের বিচার ও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হল।
৩৮৭ প্লেটো তাঁর বিখ্যাত একাডেমি খুললেন।
৩৮৪ দার্শনিক আরিস্তোতলের জন্ম।
৩৬৭ একাডেমিতে ক্লাস করতে এলেন আরিস্তোতল।
৩৫৬-২৩ ম্যাকিদোনিয়ার সেকান্দার শার রাজত্বকাল।
৩৪৭ গ্রিক দার্শনিক প্লেটোর মৃত্যু।
৩৪৩ সেকান্দার শার শিক্ষক নিযুক্ত হলেন দার্শনিক আরিস্তোতল, ৩৩৯ সাল পর্যন্ত গুরুগিরি করবেন তিনি।
৩৪১ গ্রিক দার্শনিক এপিকিউরাসের জন্ম।
৩৩৮ কাইরোনিয়ার যুদ্ধ, নিভে গেল গ্রিক সভ্যতার আলো।
৩৩৫ দার্শনিক জেনোর জন্ম। এ বছরই লাইসিয়াম খোলেন আরিস্তোতল।
৩২৪ এথেন্সে এলেন এপিকিউরাস।
৩২৩ সেকান্দার শার মৃত্যু।
হেলেনীয় গ্রিস
৩২৩-৩০ পূর্বসাল

বিস্তারিত জানতে, পড়ুন, হেলেনীয় গ্রিস।
৩২২-২৪২ দিয়াদোচিদের যুদ্ধসমূহ।*
* এঁরা ছিলেন সেকান্দার শার সেনাপতি, আর যুদ্ধগুলো হচ্ছিল সেকান্দার শার সাম্রাজ্যের ভাগবাটোয়ারা নিয়ে।
৩২২ দার্শনিক আরিস্তোতলের মৃত্যু।
৩২০-১৮৫ মৌর্য সাম্রাজ্য।
৩১৬ এথেনীয় পুরস্কার জিতলেন গ্রিক নাট্যকার মিনান্দার। এথেন্সে এলেন জেনো।
৩১২-৬৩ সেলুসীয় সাম্রাজ্য।
৩১০ শ্বেত তিউনিসের সমর।
৩০৭ এপিকিউরাস এথেন্সে তাঁর ইশকুল খুললেন।
৩০৫-৩০ টলেমীয় রাজ্য।
৩০৫ দক্ষিণ আফগানিস্তানে এক যুদ্ধে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের কাছে হেরে যান প্রাচ্যে সেকান্দার শার এক সেনাপতি সেলুকাস প্রথম নিকাটোর। তবে ব্যাকট্রিয়া রাজ্যটি দখলে রাখতে সমর্থ হন। উভয়ের মধ্যে একটা শান্তি চুক্তি সম্পাদিত হয়, চন্দ্রগুপ্তের কাছ থেকে পাওয়া ৫০০ হাতির বিনিময়ে উপমহাদেশের ওপর নিজের দাবি ছেড়ে দেন সেলুকাস প্রথম নিকাটোর।
সেলুকাস প্রথম নিকাটোর কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হল সেলুসিয়া*, যা সেলুসিয়া-অন-টাইগ্রিস বা সেলুসিয়া অন দ্য টাইগ্রিস নামেও পরিচিত।
* বর্তমান ইরাকে অবস্থিত।
৩০১ ইপসুসের সমর।
৩০০ জেনো এথেন্সে তাঁর ইশকুল খুললেন। সেলুকাস প্রথম নিকাটোর তাঁর পিতা অ্যান্টিওকাসের সম্মানে প্রতিষ্ঠা করলেন অ্যান্টিওক শহর।
ইউক্লিড, এলিমেন্টস।
২৯৫ দেমিত্রিয়াসের হাতে এথেন্সের পতন, খুন হলেন ল্যাচারেস।
২৮২-১২৯ পেরগামন রাজ্য।
২৮০-১৪৬ আকাইন লীগ।
২৮০ স্থাপন করা হল গ্রিক উপনিবেশ আসপালাথোস (Aσπάλαθος)।*
* বর্তমান ক্রোয়েশিয়ার স্প্লিট।
২৮১-২৭৫ পিররিক যুদ্ধ।
২৭৯ বলকান অঞ্চলে গল গোত্রগুলোর আগ্রাসন।
২৭৪-২৭১ প্রথম সিরীয় যুদ্ধ।
২৭০ গ্রিক দার্শনিক এপিকিউরাসের মৃত্যু।
২৬৭-২৬১ ছ্রেমোনিদিয়ান যুদ্ধ।
২৬৫ আর্কিমিডিসের স্ক্রু, আপেক্ষিক গুরুত্ব ও ভরকেন্দ্রের ধারণা উদ্ভাবন করেন এবং ইন্টিগ্রাল ক্যালকুলাসের আবিষ্কারগুলোর পূর্বাভাস দেন গ্রিক গণিতবিদ আর্কিমিডিস।
২৬৪ গ্রিক দার্শনিক জেনোর মৃত্যু।
২৬০-২৫৩ দ্বিতীয় সিরীয় যুদ্ধ।
২৫৬-১২০ গ্রেকো-ব্যাকট্রীয় রাজ্য।
২৪৬-৪১ তৃতীয় সিরীয় যুদ্ধ।
২৩৫ মিলেতুস থেকে আসা বণিক অভিযাত্রীদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হল তানাইস।*
* রাশিয়ার রস্তোভ-অন-দনের নিকটবর্তী।
২২০ কাশগড় ও উরুমচি পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করেন গ্রেকো-ব্যাকট্রীয়দের প্রথম ইউথিডেমাস। যার ফলে চীন ও পাশ্চাত্যের মধ্যে প্রথম জ্ঞাত যোগাযোগ স্থাপিত হয়।
২১৯-২১৭ চতুর্থ সিরীয় যুদ্ধ।
২১৪-২০৫ প্রথম ম্যাকিদোনীয় যুদ্ধ।
২০২-১৯৫/২০৩-২০০ পঞ্চম সিরীয় যুদ্ধ।
২০০-১৯৭ দ্বিতীয় ম্যাকিদোনীয় যুদ্ধ।
২০০-১০১ এ সময় নাগাদ গ্রিস তার গৌরব হারিয়ে রোমক সাম্রাজ্যের এক মামুলি প্রদেশে পরিণত হয়।
২০০-১০ ইন্দো-গ্রিক রাজ্য।*
* যবন রাজ্য নামেও পরিচিত।
২০০ গ্রিক পণ্ডিত এরাতোস্থেনেস জিওগ্রাফি শব্দটা ব্যবহার করলেন, যার আক্ষরিক অর্থ: “ভূমির ব্যাপারে লেখা”।
১৯২-১৮৮ রুমি-সেলুসীয় যুদ্ধ।
১৭২-১৬৭/১৭১-১৬৮ তৃতীয় ম্যাকিদোনীয় যুদ্ধ।
১৭০-১৬৮ ষষ্ঠ সিরীয় যুদ্ধ।
১৫৫ মেগাস্থিনিসের বর্ণনা অনুযায়ী, পাটালিপুত্রে হামলা চালালো ইন্দো-গ্রিকরা। যা ছিল ৫৭০টি মিনার ও ৬৪টি প্রবেশদ্বার বিশিষ্ট এক চমৎকার সুরক্ষিত নগরী। তাঁর বিবরণে তিনি নগর প্রাচীরের চূড়ান্ত ধ্বংসের বর্ণনা দিয়েছেন।
১৫০ পেরগামনের রাজা দ্বিতীয় অ্যাটালাস তাঁর সম্মানে অ্যাটালেইয়া বা আনতালিয়া শহরটি প্রতিষ্ঠা করেন।
১৫০-১৪৮ চতুর্থ ম্যাকিদোনীয় যুদ্ধ।
১৪৬ করিন্থের সমর।
৩০ রানী ক্লিওপেট্রার মৃত্যুতে মিসরে টলেমীয় রাজবংশের অবসান।
তথ্যসূত্র
করোভকিন, ফিওদর। ১৯৮৬। পৃথিবীর ইতিহাস: প্রাচীন যুগ। দ্বিতীয় সংস্করণ। মূল রুশ থেকে হায়াৎ মামুদ কর্তৃক অনূদিত। প্রগতি প্রকাশন।
Johnston, Derek. 2017. A Brief History of Philosophy: From Socrates to Derrida. Bloomsbury.
Pavlovi´c, Zoran. 2006. Greece. Chelsea House.
Wikipedia
The Free Encyclopedia
https://www.wikipedia.org
World History Encyclopedia.
নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।
অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ
দিব্যপ্রকাশ । বাতিঘর । বইবাজার । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী । বুক হাউজ । ওয়াফিলাইফ । রকমারি



