
সুমেরীয় সভ্যতা
Featured Image: Wikimedia Commons.

World History Encyclopedia.
পূর্বসাল
৬৫০০-৪০০০ সুমেরে উবাইদ পর্ব।
৫৪০০ প্রতিষ্ঠা করা হল এরিদু নগর।
৫০০০ গোদিন তেপে মানুষ বসতিস্থাপন করল। এ সময় সুমেরে মৃতদের সমাধিস্থ করা হচ্ছে।
৫০০০-৪৫০০ প্রতিষ্ঠা করা হল উরুক নগরী।
৪৫০০ সুমেরীয়রা নির্মাণ করলেন তাঁদের প্রথম মন্দির।
৪০০০-৩১০০ মেসোপটেমিয়ায়* উরুক পর্ব, দেখা দিল প্রথম নগররাষ্ট্রগুলো।
* “দুই নদীর মধ্যবর্তী স্থান”। মেসোপটেমিয়া ইরাক ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোর গ্রিকদের দেয়া নাম। এই দুই নদী হল দজলা ও ফোরাত।
৪৩০০-২৩৩৫/৩৩০০-১৯০০ সুমেরীয় সভ্যতা।
৩৬০০ উরুক শহরে লিখন পদ্ধতি আবিষ্কার করলেন সুমেরীয়রা।*
* ইতিহাসের এই প্রথম লেখাগুলো গল্প-কবিতা ছিল না — ছিল ধারকর্জের হিসাব — মানুষের হাতে মানুষের বন্দী হয়ে যাওয়ার দলিল।
৩৬০০-৩৫০০ সুমেরিয়ায় প্রথম লিখিত ভাষার নিদর্শন দেখা গেল।
৩৪০০ প্রাচীন মেসোপটেমীয় শহরগুলোর শাসক হয়ে উঠলেন পুরোহিতরা।
৩০০০-২৯০০ দজলা নদীর পূর্ব তীরে মারি নগরীর উত্থান।
২৯০০-২৩৩৪ সুমেরের আদি রাজবংশীয় পর্ব।
২৬০০ সুমেরীয় ভাষায় সাহিত্যচর্চার সূচনা।
২৬০০-২০০০ এ সময় উরের রাজকীয় সমাধিগুলো ব্যবহৃত হচ্ছে।
২৫০০ লাগাশের প্রথম রাজবংশ।*
* মেসোপটেমিয়ার প্রথম সাম্রাজ্য বিবেচিত হয়।
২৪০০ আদিতম কয়েকটি সুমেরীয় সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে, এসময় মেসোপটেমিয়ায় অভিবাসিত হন আমোরীয় গোষ্ঠী।
২৩৫০ মেসোপটেমীয় নগররাষ্ট্র লাগাশের রাজা উরুকাগিনা একগুচ্ছ বিধিবিধান প্রণয়ন করলেন, যা শাসকের ক্ষমতাকে সীমিত করার আদিতম পদক্ষেপগুলোর একটি।*
২২১৮-২০৪৭/২১৪১-২০৫০ সুমেরে গুতীয় পর্ব।
২১৫০- ২০০০ নব্য সুমেরীয় পর্ব।
২১০০-১৪০০ এ সময়ই কখনো রচিত হয় সুমেরীয় মহাকাব্য গিলগামেশ। এই মহাকাব্যে একটি মহাপ্লাবনের কথা বলা আছে। যা সেমিটিক ধর্মগুলোতে বর্ণিত মহাপ্লাবনের ঐতিহাসিক উৎস।
২১১২ উরের তৃতীয় রাজবংশের শাসন শুরু হল।
২১০০ উর, এরিদু, উরুক, আর নিপ্পুর শহরগুলোতে মেসোপটেমিয়ার প্রথম জিগুরাতগুলো নির্মিত হয়। উরুক শহরে এসময় রাজত্ব করছেন উতু-হেগাল। তৈরি হচ্ছে প্রথম সুমেরীয় রাজাদের তালিকা। এসময় থেকে ২০৫০ সালের মধ্যবর্তী কোনো সময়ে রচিত হল উর-নাম্মুর বিধান।
২১১৯-২১১২ সুমেরের উরুক নগরীতে উতু-হেগালের রাজত্ব।
২১১২-২০৯৪ সুমেরে উর-নাম্মুর রাজত্ব।
২১১২-২০০৪ সুমেরীয় রেনেসাঁ।
২০৩৮ সুমেরের মহাপ্রাচীর নির্মাণ করলেন উরের রাজা শুলগি।
২০০৪ এলামীয়দের হাতে উৎখাত হল উরের তৃতীয় রাজবংশ।
১৯০০ অ্যাসিরীয় সাম্রাজ্যের রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হল আশুর। সেমিটীয় একেশ্বরবাদী বিশ্বাসে বিশেষ গুরুত্ব রাখে আশুর। বাইবেলে বলা হয়েছে, নূহ নবীর পুত্র শেমের পুত্রের নাম আশুর, মহাপ্লাবনের পর যিনি নির্মাণ করেন আশুর নগরী।*
* এই বিশ্বাসের পক্ষে কোন ঐতিহাসিক-প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ নেই।
১৭৫০ আমোরীয় অভিবাসন ও এলামীয় আগ্রাসনে ধ্বংস হয়ে গেল সুমেরীয় সভ্যতা।
১১২০ অনেক পুরোনো একটি পাঠ্য থেকে তৈরি করা হল সুমেরীয় এনুমা এলিশের (সৃষ্টি কাহিনী) বিদ্যমান প্রতিলিপি।
তথ্যসূত্র
World History Encyclopedia.
নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।
অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ
দিব্যপ্রকাশ । বাতিঘর । বইবাজার । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী । বুক হাউজ । ওয়াফিলাইফ । রকমারি




One Reply to “সুমেরীয় সভ্যতা”