
অ্যাসিরিয়া
Featured Image: World History Encyclopedia.

World History Encyclopedia.
“হে অশূরের রাজা, প্রভু তোমার সম্বন্ধে এই আদেশ দি.যেছেন; তোমার নাম ধরে রাখবার জন্য একজন উত্তরপুরুষ তুমি পাবে না| আমি তোমার মন্দিরে খোদাই করা মূর্তি এবং ধাতব মূর্তিগুলি ধ্বংস করে দেবো| আমি তোমার জন্য কবর তৈরী করছি| কারণ শীঘ্রই তোমার শেষ সময় আসছে|”
(নাহুম ১:১৪)
“এশিরিয়া ধুলো আজ—বেবিলন ছাই হয়ে আছে।”
জীবনানন্দ দাশ
পূর্বসাল
২৬০০-২০২৫ আদি অ্যাসিরীয় পর্ব।
২০২৫-৬০৯ অ্যাসিরিয়া।
২০২৫-১৩৬৪ পুরনো অ্যাসিরীয় পর্ব।
১৯০০ অ্যাসিরীয় সাম্রাজ্যের রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হল আশুর। সেমিটীয় একেশ্বরবাদী বিশ্বাসে বিশেষ গুরুত্ব রাখে আশুর। বাইবেলে বলা হয়েছে, নূহ নবীর পুত্র শেমের পুত্রের নাম আশুর, মহাপ্লাবনের পর যিনি নির্মাণ করেন আশুর নগরী।*
* এই বিশ্বাসের পক্ষে কোন ঐতিহাসিক-প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ নেই।
১৮১৩-১৭৯১ প্রথম শামসি আদাদের রাজত্বকাল।*
* আমোরীয়দের বিতাড়িত করেন, আশুরকে অ্যাসিরিয়ার রাজধানী বানান।
১৬৮০ হুররীয়রা অ্যাসিরিয়া দখল করে নিল।
১৪৭২ মিততানিরা অ্যাসিরিয়া দখল করে নিল।
১৪০০ স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করল অ্যাসিরিয়া।
১৩৬৩-৯১২ মধ্য অ্যাসিরীয় পর্ব।
১৩০৭-১২৭৫ প্রথম আদাদ নিরারির রাজত্বকাল।*
* অ্যাসিরিয়ার করদ রাজ্যে পরিণত হল মিততানি।
১২৫০ মিততানি রাজ্য জয় করলেন অ্যাসিরিয়ার সম্রাট প্রথম শালমানেসের, পরাজিত করলেন রাজ্যটির সব মিত্রকে।
১২৪৫ নিহরিয়ার সমর। হিত্তাইতদের চতুর্থ তুদাহালিজাকে পরাজিত করলেন অ্যাসিরিয়ার প্রথম তুকুলতি-নিনুর্তা।
১২৪৪-১২০৮ প্রথম তুকুলতি-নিনুর্তার রাজত্বকাল।*
* হিত্তাইতদের জয় করল অ্যাসিরিয়া।
১২২৫ ব্যাবিলনকে ধ্বংস করলেন তুকুলতি-নিনুর্তা।
১২২০ ব্যাবিলন এ সময় অ্যাসিরিয়ার নিয়ন্ত্রণে আছে।
১১১৫-১০৭৬ প্রথম টিগলাথ-পিলেসারের রাজত্বকাল।*
* ফিনিশিয়া জয় করেন।
৯১২-৮৯১ দ্বিতীয় আদাদ নিরারির রাজত্বকাল।
৯১২-৬১২/৯১১-৬০৯ নব্য-অ্যাসিরীয় সাম্রাজ্য।
৯০০-৮০০ অ্যাসিরীয় সভ্যতা থেকে টিকে থাকা স্ফিংস, সাধারণত প্রাসাদের বাইরে প্রহরী হিসেবে রাখা হতো।
৮৮৪-৮৫৯ প্রথম আশুরনাসিরপালের রাজত্বকাল।*
* রাজধানী আশুর থেকে সরিয়ে কালহুতে নিয়ে যান।
৮৫৩ এ সময় থেকে প্রাপ্ত একটি কিউনিফর্মে অ্যাসিরীয় রাজা তৃতীয় শালমানেসারের কারকারের সমরয়ের কথা বলা হল। যেখানে আরিবি শব্দটির ব্যবহার দেখা যায়। যার অর্থ: “যাযাবর”। ইতিহাসে এই প্রথমবারের মত আরবরা উল্লিখিত হল। অ্যাসিরীয় শিলালিপি থেকে আরো জানা যায়, গিন্দিবু নামের এক আরব অ্যাসিরীয়দের একটি শত্রু বাহিনীকে উট সরবরাহ করেছিল।
এ সময় ব্যাবিলনের রাজারা অ্যাসিরিয়ার সামরিক তাকতের ওপর নির্ভরশীল ছিলেন।
৮৪১ উত্তরের ইস্রাইল রাজ্য এ সময় অ্যাসিরিয়াকে খাজনা দিচ্ছে।
৮৩৯-৮৩০ অ্যাসিরীয় রাজা তৃতীয় শালমানেসারের বর্ষপঞ্জিতে প্রথমবারের মত লিখিত হরফে পারসিকদের উল্লেখ করা হল।
৮২৪-৮১১ চতুর্থ শামসি আদাদের রাজত্বকাল।*
* তাঁর শাসনামলেই কখনো অ্যাসিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ বেঁধে গেছিল।
৭৫০-৭০০ জাগরোস পর্বতমালার ওপর বসবাসকারী মিদীয় গোষ্ঠীর ওপর অ্যাসিরীয় সম্রাটদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হল।
৭৪৫-৭২৭ তৃতীয় টিগলাথ পিলেসারের রাজত্বকাল।*
* সরকার ও সেনাবাহিনী পুনর্গঠন করেন, এবং সাম্রাজ্যকে সম্প্রসারিত করেন।
৭৩৪ অ্যাসিরীয়দের গাজা জয়।
৭৩০ আরবদের রানী শামসিকে পরাজিত করলেন অ্যাসিরীয়রা।
৭২৯ ব্যাবিলনে অ্যাসিরীয় দখলদারিত্ব।
৭২৮-৬৬৮ জাকুতু।*
* সেনাচেরিবের স্ত্রী, এসারহাদ্দোনের মা এবং আশুরবনিপালের দাদী। অ্যাসিরিয়ার ইতিহাসে তিনিই একমাত্র নারী যিনি নিজ নামে নির্মাণ প্রকল্প কমিশন করতেন কিংবা চুক্তি সম্পাদন করতেন।
৭২৭-৭২২ পঞ্চম শালমানেসেরের রাজত্বকাল।
৭২২-৭০৫ দ্বিতীয় সারগনের রাজত্বকাল।*
* রাজধানী কালহু থেকে সরিয়ে দুর-শাররুকিনে যান। অ্যাসিরীয় সাম্রাজ্য এ সময় সমৃদ্ধির শীর্ষে ছিল।
৭২২ অ্যাসিরীয়রা সামারিয়া ও উত্তরের ইস্রাইল রাজ্য জয় করল। ইস্রাইল রাজ্যের উচ্চকোটিকে নির্বাসনে পাঠাল।
৭১৩ অ্যাসিরিয়ার যুবরাজ সেনাচেরিবের সাথে জাকুতুর বিয়ে হল।
৭০৫-৬৮১ সেনাচেরিবের রাজত্বকাল।
৭০৫ সেনাচেরিব রাজধানী দুর-শাররুকিন থেকে সরিয়ে নিনেভেতে নিয়ে যান।
৭০১ জুদাহয়ের লাচিশ শহরটি ধবংস করে দিলেন সেনাচেরিব, তবে জেরুসালেম দখল করতে ব্যর্থ হলেন।
৭০০-৬৯৮ নিনেভের পুনঃপ্রতিষ্ঠার কাল। পার্ক এবং সম্ভবত ঝুলন্ত উদ্যান নির্মাণ করেন সেনাচেরিব।
৭০০-৬০১ অ্যাসিরীয়রা তাদের পুতুল রানী তাবুয়াকে কেদারের ক্ষমতায় বসালেন।
৬৯৮-৬৯৪ এলাম ও ব্যাবিলনের সাথে যুদ্ধে জড়ালো অ্যাসিরিয়া।
৬৯৪ মসনদের উত্তরাধিকারী যুবরাজ আশুর-নাদিন-সুমির মৃত্যুর সম্ভাব্য বছর।
৬৮৯ ব্যাবিলনকে ধ্বংস করা হল।
৬৮৫ এসারহাদ্দোন ও আশুর-হামাতের ঘরে জন্ম নিলেন আশুরবনিপাল।
৬৮৩ জাকুতুর পুত্র এসারহাদ্দোনকে নিজ ওয়ারিশ হিসেবে মনোনীত করলেন সেনাচেরিব।
৬৮১ নিজের দুই পুত্রের হাতে গুপ্তহত্যার শিকার হলেন সেনাচেরিব।
৬৮১-৬৬৯ এসারহাদ্দোনের রাজত্বকাল।*
* সাম্রাজ্য সম্প্রসারিত করেন। এ সময় রানী দোওয়াগের হিসেবে তাঁর মা জাকুতুর উত্থান ঘটে।
৬৭৭-৬৭৩ নিনেভেতে এসারহাদ্দোনের জন্য নিজ নামে একটি প্রাসাদ নির্মাণের হুকুম দিলেন জাকুতু।
৬৭৬ অ্যাসিরিয়ায় সিথীয় ও মান্নাইয়ানরা একযোগে হামলা চালাল।
৬৭১ মিসরে দ্বিতীয়বারের মত অভিযান চালালো অ্যাসিরীয়রা। অ্যাসিরীয় সেনাবাহিনী সফলভাবে মেম্ফিস দখল করতে সক্ষম হল। অ্যাসিরীয়দের মিসর জয়।
৬৭০-৬৬৮ আনুগত্য চুক্তি জারি করলেন অ্যাসিরিয়ার রানী নাকিয়া-জাকুতু, যা আশুরবনিপালের রাজা হিসেবে উত্তরাধিকার নিশ্চিত করে।
৬৭০ মিদিয়ার ওপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাল অ্যাসিরীয় সাম্রাজ্য। এ সময় উত্তর আরবের ভেতর দিয়ে সিরিয়া জয় করতে যাচ্ছেন অ্যাসিরীয় সম্রাট।
৬৬৯ মিসরে নিজ শাসন পোক্ত করার পথে মারা যান এসারহাদ্দোন।
৬৬৮-৬২৭ আশুরবনিপালের রাজত্বকাল।*
* নব্য-অ্যাসিরীয় সাম্রাজ্যের শেষ রাজা।
৬৬৭-৬৬৫ বিদ্রোহ দমন করতে মিসরে অভিযান চালালেন আশুরবনিপাল।
৬৫৩ অ্যাসিরীয়দের তাড়িয়ে দিতে সক্ষম হল মিসর।
৬৫৩-৬৪৮ অ্যাসিরিয়ার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করলো ব্যাবিলন। ব্যাবিলন ঘেরাও করা হল।
৬৪৮ অ্যাসিরীয় ও এলামীয়দের মধ্যে যুদ্ধ বেঁধে গেল।
৬৪৭-৬২৯ নিনেভেতে এ সময়কালের মাটির ফলকের বিশাল সংগ্রহ পাওয়া গেছে যা আশুরবনিপালের পাঠাগার নামে পরিচিত।
৬৪৬ এলামীয় শহর সুসা ধ্বংস করলেন আশুরবনিপাল।
৬৪০ অ্যাসিরিয়ার রাজা আশুরবনিপালের বশ্যতা স্বীকার করলেন পরসুমাশের রাজা কুরুশ।
৬২৭ আশুরবনিপালের মৃত্যুতে সাম্রাজ্য ভেঙে পড়তে শুরু করলো।
৬১২ আশুর, কালহু ও নিনেভের মত অ্যাসিরীয় শহরগুলো ধ্বংস করলো ও পুড়িয়ে দিলো মিদীয়, ব্যাবিলনীয় ও পারসিক বাহিনী।
৬০৯ অ্যাসিরীয় সাম্রাজ্যের পতন।
পূর্বসাল ৬০৯-২৪০ সাল অ্যাসিরিয়ার সাম্রাজ্যোত্তর পর্ব।
সাল
২৪০ সাসানীয় সাম্রাজ্যের হাতে চূড়ান্তভাবে ধবংস হল আশুর।
তথ্যসূত্র
Wikipedia
The Free Encyclopedia
https://www.wikipedia.org
World History Encyclopedia.
নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।
অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ
দিব্যপ্রকাশ । বাতিঘর । বইবাজার । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী । বুক হাউজ । ওয়াফিলাইফ । রকমারি




2 thoughts on “অ্যাসিরিয়া”