প্রাচীন ভারত

Spread the love

Featured Image: World History Encyclopedia.

“Indian society has no history at all, at least no known history. What we call its history, is but the history of the successive intruders who founded their empires on the passive basis of that unresisting and unchanging society. The question, therefore, is not whether the English had a right to conquer India, but whether we are to prefer India conquered by the Turk, by the Persian, by the Russian, to India conquered by the Briton.”

Karl Marx (1818-83), German Social and Political Theorist

“Despite the lack of political unity, political formations all over India assumed more or less a single form. The idea that India constituted one single geographical unit persisted in the minds of the conquerors and cultural leaders. The unity of India was also recognized by foreigners. They first came into contact with the people living on the Sindhu or the Indus, and so they named the entire country after this river. The word Hind or Hindu is derived from the Sanskrit term Sindhu, and on the same basis, the country became known as ‘India’ which is very close to the Greek term for it. India came to be called ‘Hind’ in the Persian and Arabic languages. In post-Kushan times, the Iranian rulers conquered the Sindh area and named it Hindustan.”

Ram Sharan Sharma (1919-2011), Indian Historian and Indologist

“We peruse the halls of history where societies and states were quite dif­ferent than they are today. In this sense, my insistence on using “India” is also a corrective against gross presentism. The Indian nation-state is quite new in human history, and its recent advent does not require us to abandon the deeper, more historically grounded sense of “India” as the broader subcontinent.”

Audrey Truschke (1982-), American Historian

পূর্বসাল

৭০০০-২৬০০ মেহেরগড়।*
* সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতার গ্রামীণ পটভূমি বিবেচিত হয়।

৭০০০ সিন্ধু উপত্যকায় এ সময় ধর্মীয় চর্চা চালু ছিল, তার পক্ষে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

৬০০০ বালুচিস্তানে নব্যপ্রস্তরযুগের বসতি। রাজস্থান ও কাশ্মীরে কৃষিকাজ শুরু হল।

৫০০০ মেহেরগড়ে এ সময় তুলা চাষ শুরু হয়।

৪০০০-৩০০০ সিন্ধু উপত্যকায় স্থাপিত হল বহু কৃষি বসতি।

৩৩০০-১৩০০ সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতা

৩১০২ ফেব্রুয়ারি ১৭/১৮ কলি যুগয়ের সূচনা।*
* হিন্দু পুরাণে সময় যে চারটি চক্রে বিভক্ত, তাঁর শুরু বলে বিবেচিত হয়ে থাকে। ইন্টারেস্টিংলি, ইতিহাস বা সভ্যতার বয়স ৫ হাজার বছর, এরকম একটি মত চালু আছে। যা এই তারিখের সাথে বেশ মিলে যায়। আমরা মনে রাখতে পারি, এই সময়ই মেহেরগড়ের গ্রাম জীবন ছেড়ে হরপ্পার নগর জীবনে আসতে শুরু করেন মানুষ। হয়তো অনেকেই পরিবর্তনটা মেনে নিতে পারেন নাই। তাই এটাকে অধঃপতনের যুগের শুরু হিসেবে দেখেছেন, নগরের প্রতি প্রকাশ করেছেন অন্তহীন আক্রোশ। নগরের প্রতি আক্রোশ অবশ্য সেমিটীয় পরম্পরায়ও আছে, বাইবেলে বহু পাপের নগরীর কথা মেলে।

২৮০০-১৯০০ মহেঞ্জো দারো আর হরপ্পার মত নগরগুলোর উত্থান।

২৬০০-২৫০০ উপমহাদেশে ব্রোঞ্জযুগের সূচনা।

২৬০০ সিন্ধু উপত্যকায় গড়ে উঠল শত শত শহর ও নগর।

২৬০০-১৭০০ বৃহৎ নগরগুলোর সভ্যতা: সিন্ধু উপত্যকায় (মহেঞ্জো দারো, হরপ্পা), পাঞ্জাবে (কালীবাঙ্গান) ও গুজরাতে (লোথাল)।

হরপ্পার নগরায়ন: পরিণত (Mature) ও আখেরি জামানার (Late) হরপ্পা।

২৫০০ সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতায় ব্যবহৃত লিপির আদিতম ব্যবহার।*
* এই লিপির পাঠোদ্ধার করা এখনো সম্ভব হয়নি।

২০৫০ ইন্দো-ইরানিরা এ সময় ইরান ও আফগানিস্তানে বসতিস্থাপন করছেন।

২০০০-১৬০০ হরপ্পায় নাগরিক সভ্যতার পতনের কাল শুরু হল।

২০০০-১৫০০ ভারতীয় সভ্যতার কেন্দ্র সরস্বতী নদী উপত্যকা থেকে গঙ্গা নদীর উপত্যকায় স্থানান্তরিত হল।

২০০০-১০০১ মধ্য এশিয়া থেকে প্রাচীন ভারতে ইন্দো-আর্য অভিবাসন।*
* “হিন্দুত্ববাদী চিন্তকরা একটা বহির্গমন তত্ত্ব প্রচার করেন। যার সারকথা হচ্ছে, সংস্কৃতভাষী আর্যদের উৎপত্তিস্থল ভারত। সেখান থেকে বেরিয়ে তাঁরা বাকি দুনিয়ায় গেছেন। এই তত্ত্বের অসারতা দেখিয়ে দিয়েছেন টনি জোসেফ। তিনি খেয়াল করেছেন যে, বহির্গমন তত্ত্বটির পক্ষে “একটাও বৈজ্ঞানিক গবেষণাপত্র নেই, যা সতীর্থদের দ্বারা যাচাই করা হয়েছে।” […] হিন্দু জাতীয়তাবাদীরা প্রায়শই আরেকটা দাবি করে থাকেন। উপমহাদেশের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলে যে একটি প্রাচীন সভ্যতা ছিল, সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতা, আর্যদের আগমনের কয়েকশো বছর আগে ক্ষয়লাভ করেছিল; তাদের দাবি বৈদিক সভ্যতা সেটির ধারাবাহিকতা। হিন্দুত্ববাদের অনুসারীরা অসততার বিস্ময়কর পর্যায়ে পৌঁছে গেছেন। যার মধ্যে রয়েছে সম্পূর্ণরূপে জাল প্রমাণ বানানো। যেমন, ঘোড়ার সীলমোহর। এই জালিয়াতির উদ্দেশ্য হচ্ছে সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতা আর বৈদিক সংস্কৃতিকে এক করে দেখানো (উইজেল ও ফার্মার ২০০০)। বহির্গমন তত্ত্বের মত এই প্রমাণেরও একটাই সমস্যা। এই হাওয়াই দাবির কোন বিদ্যায়তনিক ভিত্তি নেই।” (Truschke 2020, translation mine)

১৯০০ সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতার অবসানের সূচনা।

পূর্বসাল ১৫০০-৫০০ সাল গান্ধারা সভ্যতা।*
* পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চল ও আফগানিস্তানের অধিকাংশ অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল প্রাচীন গান্ধারা অঞ্চল।

বৈদিক যুগ
১৫০০-৫০০ পূর্বসাল

World History Encyclopedia.

১৫০০-১০০০ ঋগ্বেদয়ের সম্ভাব্য রচনাকাল।

১৫০০-৫০০ বৈদিক যুগ।*
* উপমহাদেশের বিভিন্ন অংশে নব্যপ্রস্তরযুগীয় ও তাম্রপ্রস্তরযুগীয় সংস্কৃতি। মূলত উপদ্বীপে মহাপাথুরে (megalithic) সমাধির অস্তিত্ব।

আধুনিক পণ্ডিতদের হিসেবে, ইরানি নবি জরাথুস্ট্রের জীবনকাল। জরাথুস্ট্রবাদের পবিত্র বই আবেস্তা নামে পরিচিত, এসময়ই তা মৌখিকভাবে বিকশিত হতে শুরু করে। আবেস্তার সাথে ঋগ্বেদের বহু মিল পাওয়া গেছে।*
* জরাথুস্ট্রবাদ সম্পর্কে সংক্ষেপে জানতে দেখুন, (Hartz 2009).

পূর্বসাল ১৫০০-৫০০ সাল গান্ধারা সভ্যতা।*
* পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চল ও আফগানিস্তানের অধিকাংশ অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল প্রাচীন গান্ধারা অঞ্চল।

১৪০০-৯০০ আদি (Early) বৈদিক পর্ব। পাঞ্জাব এবং পশ্চিম গঙ্গা-যমুনা দোয়াবে আর্যদের বসতিস্থাপন।

১৩০০ সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতা এসময় পুরোপুরি অদৃশ্য হয়ে যায়।*
* একসময় “আর্য আগ্রাসন”কে দায়ী করা হত। বর্তমানে এই আগ্রাসন তত্ত্ব অতিকথা বিবেচিত হয়। ধারণা করা হয়, সম্ভবত কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতার মানুষেরা অঞ্চলটি ছেড়ে চলে গিয়ে থাকবে।

১২০০-৯০০ অথর্ববেদ, যজুর্বেদ, ও সামবেদগুলোর সম্ভাব্য রচনাকাল।

১২০০-৬০১ এ সময় ভারতে নির্মিত হচ্ছে রঙিন ধূসর মৃৎপাত্র।

১২০০-৫০০ বর্তমান উত্তর ভারত জুড়ে আর্য সংস্কৃতির বিস্তার। গড়ে উঠতে থাকল বহু কতিপয়তন্ত্র ও রাজত্ব।

১০০০ উপমহাদেশে লৌহযুগের সূচনা। বাংলায় দক্ষিণ থেকে দ্রাবিড়দের আগমন।*
* বাংলা শব্দটির সত্যিকার উৎস কেউই জানেন না। অনেকগুলো তত্ত্ব রয়েছে। এর একটি হল, এ সময় যে দ্রাবিড়রা বাংলায় বসতি গেড়েছিলেন, তাঁদের একটি গোত্রের নাম বঙ্গ থেকেই বাংলা।

৯৫০-৬৫০ মুখের ভাষা হিসেবে সংস্কৃতের ব্যবহার হ্রাস পেল।

৯০০-৫০০ আখেরি জামানার (Late) বৈদিক পর্ব। মধ্য ও পূর্ব গাঙ্গেয় সমভূমিতে আর্যদের বসতিস্থাপন। আদি মহাজনপদগুলোর উদ্ভব।

৮০০-৬০০ ব্রাহ্মণ্যগুলোর সম্ভাব্য রচনাকাল।

৮০০-৪০০ বৈদিক বসতি এলাকাগুলোয় চিত্রিত ধূসর মৃৎপাত্র।

৭৫০ উপমহাদেশের বিভিন্ন সংস্কৃতিতে প্রাকৃত ভাষাগুলোর বিকাশ ঘটছে।

৬০০-৫০১ লোহার নিদর্শনের ব্যবহার পরিসর ও সংখ্যায় বাড়ল।

৬০০-৩৪৫ গাঙ্গেয় উপত্যকায় নগরায়ন, গড়ে উঠল ১৬টি মহাজনপদ।*
* অবন্তী, অশ্মক, অঙ্গ, কম্বোজ, কাশী, কুরু, কোশল, গান্ধার, চেদি, বৃজি, বৎস, পাঞ্চাল, মগধ, মৎস্য, মল্ল ও শূরসেন।

৬০০-৫০০ আরণ্যকগুলোর সম্ভাব্য রচনাকাল।

৬০০-১০১ প্রাচীন ভারতে নির্মিত হচ্ছে কালো রঙপালিশ মৃৎপাত্র।

৫৯৯-৫২৭/৫৬০-৪৬৭ মহাবীর বর্ধমানের জীবনকাল। জৈনধর্মের অনুসারীদের ২৪তম তীর্থঙ্কর বলে বিবেচিত হন। অহিংসা, তপশ্চর্যা, ও নিরামিষবাদ প্রচার করেছেন মহাবীর।

৫৬৩-৪৮৩/৪৮০-৪০০ সিদ্ধার্থ গৌতমের জীবনকাল। “বুদ্ধ” নামেই অধিক পরিচিত। রাজপরিবারে জন্মেছিলেন; জগতের মায়া কাটাতে গৃহত্যাগ করেন, নির্বাণ লাভ করে পরিশেষে বৌদ্ধধর্ম* প্রবর্তন করেন।
* বৌদ্ধধর্ম সম্পর্কে সংক্ষেপে জানতে দেখুন, (Wangu 2009a).

৫৪৪-৪১৩ মগধে হর্ষঙ্ক রাজবংশ

৫৪৪-৪৯২ মগধে বিম্বিসারের রাজত্বকাল।

পূর্বসাল ৫২০-৩২৫ সাল গান্ধারায় হাখমানেশি শাসন।

৫১৮ গান্ধারা ও সিন্ধ শাসন করছেন হাখমানেশি ক্ষত্রপরা।

৫০০-৪০০ আদিপর্বের উপনিষদগুলোর সম্ভাব্য রচনাকাল।

৫০০-২০০ ধর্মশাস্ত্রগুলোর সম্ভাব্য সংকলন।*
* এগুলো আইনের বই।

৫০০ শ্রৌতসূত্রগুলোর* সম্ভাব্য রচনাকাল।
* শ্রৌতসূত্রগুলোতে প্রাচীন ভারতের রাজাদের সিংহাসন আরোহণ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অভিষেকানুষ্ঠান ও উচ্চবর্ণীয়দের নানাবিধ উপলক্ষ্যে বলিদানের বিবরণ পাওয়া যায়।

যাস্ক, নিরুক্ত

৪৯২-৪৬০ মগধে অজাতশত্রুর রাজত্বকাল।

৪৫০ স্থাপিত হল গঙ্গাঋদ্ধি রাজ্য। উয়ারী-বটেশ্বরে নাগরিক সভ্যতা।*
* বর্তমান বাংলাদেশের নরসিংদীতে অবস্থিত।

শৌনক, বৃহদেবতা

৪১৩-৩৪৫ মগধে শিশুনাগ রাজবংশ

৪০০-১০০ শেষপর্বের উপনিষদগুলোর সম্ভাব্য রচনাকাল।

৪০০ জৈমিনি, পূর্ব মীমাংসা সূত্র ও বাদরায়ণ, বেদান্ত সূত্র

৩৬২-৩২১/৩৪৫-৩২২ মগধ ও গাঙ্গেয় উপত্যকায় নন্দ সাম্রাজ্য

৩৫০-২৭৫ কৌটিল্য।*
* সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান উপদেষ্টা।

৩৪৫-৩৪০ মহাপদ্ম নন্দের রাজত্বকাল।

৩৪০-২৯৮ চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য

৩২৯-৩২২ ধন নন্দের রাজত্বকাল।

৩২৬ খাইবার পাস দিয়ে উপমহাদেশে ঢুকলেন সেকান্দার শা। পাঞ্জাবের রাজা পুরুকে যুদ্ধে পরাস্ত করলেন। পরে অবশ্য পুরুর সাথে তার বন্ধুত্ব হয়ে গেছিল।

৩২১ মগধের রাজা ধন নন্দকে খুন করলেন চন্দ্রগুপ্ত।

মৌর্য সাম্রাজ্য
৩২০-১৮৫ পূর্বসাল

World History Encyclopedia.

৩২০-১৮৫ মৌর্য সাম্রাজ্য

৩২০ মগধের মসনদে বসলেন চন্দ্রগুপ্ত, সাম্রাজ্য সম্প্রসারিত করলেন।

৩২১/৩২০-২৯৮/২৯৭ চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের রাজত্বকাল।

৩০৫/৩০৩ দক্ষিণ আফগানিস্তানে এক যুদ্ধে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের কাছে হেরে যান প্রাচ্যে সেকান্দার শার এক সেনাপতি সেলুকাস, প্রথম নিকাটোর। তবে ব্যাকট্রিয়া রাজ্যটি দখলে রাখতে সমর্থ হন। উভয়ের মধ্যে একটা শান্তি চুক্তি সম্পাদিত হয়, চন্দ্রগুপ্তের কাছ থেকে পাওয়া ৫০০ হাতির বিনিময়ে ভারতবর্ষের ওপর নিজের দাবি ছেড়ে দেন সেলুকাস, প্রথম নিকাটোর।

৩০৪-২৩২ অশোক মৌর্য

পূর্বসাল ৩০০-৩০০ সাল রচিত হল মহাভারত।*
মহাভারতয়ের আদি নাম ছিল জয় সংহিতা। শুরুতে এতে ছিল মাত্র ৮ হাজার ৮০০টি স্তবক। পরে স্তবকের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৪ হাজার। সেইসাথে বদলে গেল বইটির নাম, হল ভারত। চূড়ান্ত রূপে স্তবকের সংখ্যা ১ লাখে পৌঁছাল। ফলে, বইটির নাম আবারও বদলে হল শতসহস্রী সংহিতা। আজকে এই চূড়ান্ত রূপটিই মহাভারত নামে পরিচিত। (শর্মা ২০১৭)

৩০০-২০১ এ সময় প্রাকৃত ভাষায় শিলালিপি খোদাই করা হচ্ছে।

৩০০-২০০ বৈশেষিক দর্শনের ধারা প্রতিষ্ঠা করলেন মহর্ষি কণাদ।

ভরত মুণি, নাট্যশাস্ত্র

৩০০-১০০ ধর্মসূত্রগুলোর সম্ভাব্য রচনাকাল।

৩০০ বাংলায় মৌর্য শাসনের সূচনা। গৃহ্যসূত্রগুলোর সম্ভাব্য রচনাকাল।*
গৃহ্যসূত্রগুলোতে পাই প্রাচীন ভারতের পারিবারিক আচার-অনুষ্ঠানের বিবরণ।

পাণিনি, অষ্টাধ্যায়ী

?-২৭৩ বিন্দুসার মৌর্য

২৯৮ পুত্র বিন্দুসারের পক্ষে স্বেচ্ছায় সিংহাসন ত্যাগ করেন চন্দ্রগুপ্ত। জৈন সূত্রানুসারে, চন্দ্রগুপ্ত তপস্বী ও জৈনধর্মাবলম্বী হয়ে দক্ষিণে চলে যান। অনাহারে মৃত্যুবরণ করেন।

২৯৭-২৭৩ বিন্দুসার মৌর্যের রাজত্বকাল।

২৬৮ মৌর্য সাম্রাজ্যের সিংহাসনে বসলেন সম্রাট অশোক মৌর্য।

২৬৮-২৩২ অশোক মৌর্যের রাজত্বকাল।

২৬২ বৌদ্ধধর্মে দীক্ষিত হলেন সম্রাট অশোক। ন্যায়ানুগ শাসনের বর্ণনা দিয়ে ১৪টি ফরমান জারি করলেন। যা শাসক হিসেবে তাঁর ক্ষমতাকে সীমিত করল।

২৬০ অশোক কলিঙ্গ জয় করেন। রক্তপাত তাঁকে অনুতপ্ত করে। তিনি অহিংসার পথ বেছে নেন।

২৫০ পাটালিপুত্রে অনুষ্ঠিত হল তৃতীয় বৌদ্ধ কাউন্সিল।

২৩২-২৪ দশরথ মৌর্যের রাজত্বকাল।

২২৪-২১৫ সম্প্রতি মৌর্যের রাজত্বকাল।

২১৫-২০২ শালিশুক মৌর্যের রাজত্বকাল।

পূর্বসাল ২০০-২০০ সাল বাল্মীকি, রামায়ণ

২০২-১৯৫ দেববর্মণ মৌর্যের রাজত্বকাল।

২০০-১০০ ন্যায় দর্শনের ধারা প্রতিষ্ঠা করলেন গৌতম।

২০০ এ সময়ই কখনো অজন্তায় গুহাচিত্র আঁকা শুরু হয়।

১৯৫-১৮৭ শতধনবান মৌর্যের শাসনকাল।

১৮৭-১৮৫ বৃহদ্রথ মৌর্যের রাজত্বকাল।

১৮৫ মৌর্য সাম্রাজ্যের শেষ শাসক বৃহদ্রথ তাঁর সেনাপতি পুষ্যমিত্র শুঙ্গের হাতে গুপ্তহত্যার শিকার হলেন। গান্ধারা অঞ্চলে একটি নিষ্পত্তিমূলক বিজয় লাভ করলেন গ্রেকো-ব্যাকট্রীয় রাজা দিমিত্রিয়াস, অত্র অঞ্চলে যবন শাসনের সূচনা।*
* যবন সংস্কৃত শব্দ। আদিতে সম্ভবত গ্রিসের আয়োনীয় দ্বীপপুঞ্জের বাসিন্দা বুঝাত। পরে শব্দটি নিন্দার্থে অহিন্দু অর্থ লাভ করে।

১৮০-৮০ গান্ধারায় ইন্দো-গ্রিক শাসন।

১৫০ পতঞ্জলি, যোগসূত্র

পূর্বসাল ২০০-১০০ সাল তোলাকাপ্পিয়াম ও জৈমিনি, মীমাংসাসূত্র

১৮০-৬৮ মগধে শুঙ্গ সাম্রাজ্য

পূর্বসাল ১৫০-২২৪ সাল সাতবাহন রাজবংশ

১০০-১ উপমহাদেশে শক আক্রমণ।

পূর্বসাল ৮০-৭৫ সাল গান্ধারায় সিথীয়-পার্থীয় শাসন।

৬৮-২২ কাহ্ন রাজবংশ।

৫৮ হিন্দু পঞ্জিকায় বিক্রম যুগের সূচনা।

৫৫-৫০ ইন্দো-শক রাজারা গান্ধারা ও পশ্চিম পাঞ্জাব দখল করে নেন।

পূর্বসাল ৫০-৫০ সাল রুমিদের সাথে ভারতীয়দের সমুদ্র বাণিজ্যের সমৃদ্ধির উৎকর্ষকাল।

সাল

১-১০০ দক্ষিণ ভারতে পাণ্ড্য, চেরা, ও চোলা রাজ্য। তামিলনাড়ুতে ভরত নট্যম নাচের উৎপত্তি। দক্ষিণপূর্ব এশিয়া আর চীনে পৌঁছে গেল বৌদ্ধধর্ম।

১-২০০ দক্ষিণ ভারতের কেরালার কোদুনগাল্লুরে বসতিস্থাপন করল ইহুদিরা।

৩০-৩৭৫ কুশান সাম্রাজ্য

৫০ তক্ষশীলায় সেইন্ট টমাসের ধর্মপ্রচারক দলের আগমন ঘটল।

৫২ ভারতে এলেন জেসাসের অন্যতম শিষ্য সেইন্ট টমাস। তিনি শায়িত আছেন বর্তমান ভারতের চেন্নাইয়ে (মাদ্রাজ)। তাই স্থানীয় খ্রিস্টানরা নিজেদেরকে টমাস/সিরীয় খ্রিস্টান বলে।

৭৫ গুজরাতের এক রাজকুমারের জাভা অভিযান।

৭৫-৪৫০ গান্ধারায় কুশান শাসন। কালপর্বটি গান্ধারা সভ্যতার স্বর্ণযুগ বলে বিবেচিত হয়। শিল্প ও স্থাপত্যকলার ব্যাপক সমৃদ্ধির জন্য পরিচিত।

৭৮ কুশান সম্রাট হিসেবে কনিষ্কের রাজ্যাভিষেক। শকাব্দের সূচনা।

১০০-৩০০ দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ুতে রচিত হচ্ছে সঙ্গম সাহিত্য।

১০০ সাংখ্য দর্শনের প্রবক্তা কপিলের জন্ম।

ভগবত গীতা ও মনু, ধর্মশাস্ত্র

১০১-৫০০ এ সময় সংস্কৃত ভাষায় শিলালিপি খোদাই করা হচ্ছে।

১১২-১৪৪/১২৭-১৫০ রাজা কনিষ্কের শাসনকাল।

১৫০ পশ্চিম ভারত শাসন করছেন শক ক্ষত্রপ রাজা রুদ্রদমন। জুনাগড়ে প্রথম সংস্কৃত শিলালিপি প্রকাশ করেন তিনি। ক্লডিয়াস টলেমির মানচিত্রে গঙ্গাঋদ্ধি রাজ্যটি দেখানো হল।

২০০ কম্বোডিয়া ও মালয়েশিয়ায় স্থাপিত হল হিন্দু রাজ্য।

কৌটিল্য, অর্থশাস্ত্র

২৭৫-৮৯৭ দাক্ষিণাত্যে পল্লব সাম্রাজ্য

২৪০-৫৭৯ গুপ্ত সাম্রাজ্য

২৫০ তামিলনাড়ুর পল্লব রাজারা তাঁদের রাজধানী কাঞ্চিপুরামে কামাক্ষী মন্দির কমপ্লেক্স নির্মাণ করলেন।

২৫০-৫০০ মৎস্যপুরাণ

২৫০-৫৫০ মার্কণ্ডেয় পুরাণ।*
* দেবীমাহাত্ম্য অংশটুকু প্রক্ষিপ্ত।

২৫৫-৫৫০ ভকতক রাজ্য।

৩০০ পঞ্চতন্ত্র ও বাৎস্যায়ন মল্লনাগ, কামসূত্র

গুপ্ত সাম্রাজ্য
৩২০-৫৫০ সাল

World History Encyclopedia.

৩২০-৫৫০/৭০০ গুপ্ত সাম্রাজ্য।*
* সম্রাটরা বৈষ্ণবমত ও শৈবমত উভয়েরই পৃষ্ঠপোষকতা করছেন। বৌদ্ধদের প্রতিও সহিষ্ণুতা দেখাচ্ছেন। বৈষ্ণবরা বিষ্ণু ও তাঁর অবতারদের উপাসনা করেন, যাঁদের মধ্যে রাম আর কৃষ্ণই প্রধান; শৈবরা শিবের উপাসক।

৩৩৫-৮০ “গুপ্ত সাম্রাজ্যের শ্রেষ্ঠ রাজা” বিবেচিত সমুদ্রগুপ্তের রাজত্বকাল।

৩৩৫ বাংলাকে গুপ্ত সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করে নেয়া হল।

৩৫০-৯৫০ ব্রহ্মাণ্ড পুরাণ

৩৮০-৪১৩/১৫ দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত বিক্রমাদিত্যের রাজত্বকাল।

৪০০-৪৭৭ শকুন্তলামেঘদূতয়ের লেখক কবি কালীদাসের জীবনকাল।

৪০০ দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে হিন্দুধর্মের* বিস্তার ঘটছে।
* হিন্দুধর্ম সম্পর্কে সংক্ষেপে জানতে দেখুন, (Wangu 2009b).

তামিলনাড়ুর ৬৩ জন শৈব সাধুর প্রথমজন কারাইকালাম্মাইয়ারের মৃত্যু।

৪০০-৫০০ ইলানকো আতিকাল, চিলাপ্পাতিকারাম

৪০১-৫০০ বর্তমান ভারতে এলেন চীনা পরিব্রাজক ফা হিয়েন। এ সময়ই কখনো প্রতিষ্ঠিত হয় নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৫০ হরিবংশবিষ্ণুপুরাণ

৪৪০-৫৬০ হেপথালীয় সাম্রাজ্য

৪৫০-৯০০ বামনপুরাণ

৪৫৫-৪৮৪ গান্ধারায় শ্বেত হুন রাজা তেজিন তুনজিনার রাজত্বকাল।

৪৫৪, ৪৯৫ ভারতে হুন-এফথালাইটরা পরপর দুটি আক্রমণ চালাল।

৪৭০ উপমহাদেশে হেপথালীয় বা শ্বেত হুনদের অভিযানের সূচনা।

৪৮৪/৪৯৩-৫১৫ শ্বেত হুন রাজা তোরমানের রাজত্বকাল।

৫০০-৮০০ তেভামারয়ের রচয়িতা নয়নমার শৈব তামিল কবিদের যুগ।

৫০১-১১০০ এ সময় দক্ষিণ ভারতের একাংশ শাসন করছে পল্লব রাজবংশ।

৫০১-৬০০ উপমহাদেশে এলেন চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং।

৫১৫-৫৩৩/৫৪০ গান্ধারায় শ্বেত হুন রাজা মিহিরকুলের রাজত্বকাল।

৫৩০ বঙ্গে গোপচন্দ্রের স্বাধীন রাজ্য।

৫৪৩-৭৫৩ দক্ষিণ ও মধ্য ভারতে বাদামি চালুক্য রাজবংশ

৫৬৫ পারস্যের প্রথম খসরু আর তাঁর তুর্কি মিত্রদের একটি যৌথ বাহিনী শ্বেত হুনদের পরাস্ত করলেন।

৫৪৩-৪৪ উত্তরবঙ্গে গুপ্তশাসন অব্যাহত।

৫৫০-৮৫০ কূর্মপুরাণ

৫৬৭-৯৭ বঙ্গে অভিযান চালালেন চালুক্যের রাজা কীর্তিবর্মণ।

৫৭০-৬৭০ শৈব সাধু আপ্পার ও সাম্বানথারের জীবনকাল।

৫৮১-৬০০ উত্তরবঙ্গে অভিযান চালালেন তীব্বতের রাজা স্রং-সান।

৫৯০-৯২০ প্রথম পাণ্ড্য রাজবংশ।

৫৯৩ গৌড়ে জয়নাগের স্বাধীন রাজ্য।

৬০০-৭৫০ পদ্মপুরাণ

৬০০-৯৩০ তামিলনাড়ুয় দেখা দিলেন ১২ জন আলভার বৈষ্ণব সাধু, বিষ্ণু ও তাঁর অবতারদের প্রশংসা করে ৪০০০এরও বেশি গান ও কবিতা লিখলেন।

৬০০-১০০০ লিঙ্গপুরাণ

৬০৫-৬৩৭ গৌড়ে শশাঙ্কের উত্থান।

৬০৬-৪৭ এ সময় বর্তমান উত্তর ভারত শাসন করছেব হর্ষবর্ধন।

৬২৯-৪৫ বর্তমান ভারতে এলেন চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং।

৬২৪-১১৮৯ দক্ষিণ ভারতে ভেঙ্গি বা পূর্ব চালুক্য রাজবংশ

৬৩৬/৪৪ ভারতীয় জলদস্যুদের ওপর রাশিদুন খেলাফতের আক্রমণ।

৬৩৮ আরাকানের রাজা কর্তৃক প্রবর্তিত হল মঘী সন।

৬৪০ চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙের বর্ণনায় পূর্ববঙ্গের কথা উল্লেখ করা হল।

৬৪৪ রাশিদুন খেলাফতের বালুচিস্তান জয়।*
* বালুচিস্তান বর্তমান পাকিস্তানের ৭টি প্রশাসনিক অঞ্চলের একটি।

৬৪৭-৪৮ বঙ্গ আক্রমণ করলেন তীব্বতরাজ ওয়েন হিয়েন সে।

৬৫০ বঙ্গে খরগ রাজবংশ, সমতট ও ত্রিপুরায় রাত রাজবংশ।

৬৫০-৭৫০ উত্তরবঙ্গে মাৎস্যন্যায় পর্ব

৬৫০-৮০০ আদি পর্বের তন্ত্র

৭০০-৮০০ জরথুস্ট্রবাদীদের একটা উল্লেখযোগ্য অংশ ভারতবর্ষে চলে আসলেন, বর্তমানে যারা পার্সি নামেই বেশি পরিচিত। এরা হাজার বছর ধরে আবেস্তা সংরক্ষণ করেছেন। অগ্নি মন্দিরের ঐতিহ্য নতুন ভূখণ্ডেও জারি রেখেছেন।

৭০০-৭৫০/৭৮৮-৮২০ আদি শঙ্করের জীবনকাল। মালাবার উপকূলে জন্ম নিয়েছিলেন এই বিখ্যাত দার্শনিক। অদ্বৈত দর্শনকে সুসংহত রূপ প্রদান করেন তিনি।

৭০১-১২০০ বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রথমবারের মত মুসলমানদের আগমন।

৭০০-১১০০ স্কন্ধপুরাণ

৭১২ উমাইয়া খেলাফতের পক্ষে আরব সেনাপতি মুহাম্মদ ইবনে কাশিমের সিন্ধ বিজয়।*
* সিন্ধ বর্তমান পাকিস্তানের ৭টি প্রশাসনিক অঞ্চলের একটি।

৭৩০-১০৩৬ গুর্জর-প্রতিহার রাজবংশ

৭৩৬ প্রতিষ্ঠা করা হল দিল্লির প্রথম শহর ধিল্লিকা।

৭৫০-১৫০০ ভারতের মধ্যযুগীয় পুরাণগুলো এ সময়কালের মধ্যে রচিত।

৭৫০-১৩৫০ শিবপুরাণ

৭৫০-১১৬১ পূর্ব ভারতে পাল সাম্রাজ্য

৭৫০-৮০০ বঙ্গে দেব রাজবংশ।

৭৫৩-৯৮২ রাষ্ট্রকূট সাম্রাজ্য

৭৫৬-৮১ গোপালের রাজত্ব।

৭৮১-৮২১ ধর্মপালের রাজত্ব।

৮০০ কাশ্মীরী শৈবমতের প্রতিষ্ঠা বসুগুপ্তের জন্ম। তামিলনাড়ুর বালিকা সাধু আন্দালের জন্ম। কৃষ্ণের উদ্দেশ্যে ভক্তিমূলক কবিতা লেখা আন্দাল ১৬ বছর বয়সে হঠাৎ উধাও হয়ে যান।*
* পরবর্তীকালে দেবী বসুন্ধরার অবতার হিসাবে বিবেচিত হবেন।

মাণিক্যবাসাগর, তিরুভাচাকাম

৮০১-১০০০ আঞ্চলিক ভাষায় শিলালিপি খোদাই করা হচ্ছে।

৮০১-৯০০ বাংলার উত্তরপশ্চিমাঞ্চলে এ সময়ই নির্মিত হয় পাহাড়পুর।

৮১৪-৭৮/৮০ রাজা অমোঘবর্ষের রাজত্বকাল।

৮২১-৮৬১ দেবপালের রাজত্ব।

৮২৫ তামিল শৈব সাধু সুন্দররের জন্ম।

৮৪৮-১২৭৯ দক্ষিণ ভারতের একাংশে চোলা সাম্রাজ্য

৮৫১ দেবপালের মৃত্যু।

৮৮০-৯৩০ তিরুভায়মলির রচয়িতা নাম্মালভারের জীবনকাল।

৯০০-১৩০০ যোগবশিষ্ঠ

৯০০-১০৪৫ বঙ্গে চন্দ্র রাজবংশ

৯০০-১০০০ ব্রাহ্মণ্যমালা তন্ত্র

৯০১-১২০০ ভারতের ওড়িশায় ওড়িশি নাচের উৎপত্তি।

৯০৭ দক্ষিণ ভারতে চোলা ক্ষমতা সংহত করলেন প্রথম পরন্তক।

৯১৬-১২০৩ মধ্য ভারতে ছান্দেলা রাজবংশ।

৯৩০ বঙ্গে শ্রীচন্দ্রের শাসনের শুরু। বিক্রমপুরে রাজধানী স্থাপন করা হল।

৯৫০ এ সময়ের কাছাকাছি কখনো জন্ম নেয় বাংলা ভাষা।

ভাগবতপুরাণ

৯৫৭-১১৮৪ দক্ষিণ ভারতে কল্যাণী বা পশ্চিম চালুক্য রাজবংশ

৯৫৮ সিংহাসনে বসলেন মহীপাল।

৯৬২-১১৮৬ এ সময় আফগানিস্তানের গজনী থেকে বর্তমান ভারতের উত্তরপশ্চিমাঞ্চল শাসন করছে গজনবী রাজবংশ।

৯৭৩-১০৪৮ আল-বিরুনির জীবনকাল।

৯৭৩ কল্যাণীর চালুক্যদের হাতে রাষ্ট্রকূটরা পরাস্ত হলেন।

৯৮৫-১০১৪ প্রথম রাজারাজের রাজত্বকাল।*
* তাঁর সময়েই ঘটে চোলা ক্ষমতার ব্যাপক বিস্তার।

৯৭৭ আরব সেনাপতি ইবনে শায়বানকে সিন্ধে পাঠানো হল। সিন্ধ প্রদেশে আরও ভূখণ্ড যোগ করতে। তিনি মুলতান জয় করেন।

৯৯৫-১০৪৩ মহীপালের রাজত্ব।

৯৯৭ গজনীর মসনদে আসীন হন সুলতান মাহমুদ, তিন দশকে ১৭ বার উপনিবেশ আক্রমণ করেন।

৯৯৮ আফগানিস্তানের গজনীর মসনদে বসলেন সবুক্তগীনের পুত্র মাহমুদ।*
* ভারতবর্ষে ইনি “গজনীর সুলতান মাহমুদ” নামে পরিচিতি। তাঁর রাজত্ব কুর্দিস্তান থেকে কাশ্মীর আর আমু দরিয়া থেকে গঙ্গা নদী পর্যন্ত প্রসারিত ছিল। ১০৩০ সালে মৃত্যুবরণ করার আগ পর্যন্ত শাসন করেন মাহমুদ। জীবদ্দশায় মোট ১৭ বার ভারতবর্ষে আক্রমণ চালান। তাঁর বিরুদ্ধে মন্দির লুঠ করার অভিযোগ আছে, আছে হিন্দু নির্যাতনের অভিযোগ, যা সমকালীন ভারতের অন্যতম ঐতিহাসিক বাহাছ। তবে মাহমুদ জ্ঞানবিজ্ঞান ও শিল্পসাহিত্যের সমঝদার ছিলেন। শাহনামার রচয়িতা কবি ফেরদৌসী থেকে শুরু করে ঐতিহাসিক আল-বিরুনি অনেকেই তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছেন।

১০০১ সুলতান মাহমুদ প্রথমবার ভারতবর্ষ আক্রমণ করলেন।

১০০১-২১ উত্তর-পশ্চিম ভারতে অভিযান চালাচ্ছেন গজনীর সুলতান মাহমুদ।

১০১৪-৪৪ রাজেন্দ্র চোলার রাজত্বকাল।

১০২১-২৪ বঙ্গে অভিযান চালালেন দক্ষিণ ভারতের রাজেন্দ্র চোল।

১০২৩ উত্তরে অভিযান চালালেন দক্ষিণ ভারতের রাজেন্দ্র চোলা।

১০২৫ চোলাদের নৌ অভিযান।

১০২৬ গজনীর সুলতান মাহমুদ কর্তৃক সোমনাথ মন্দির ধবংসসাধন।

১০৩০ গজনীর সুলতান মাহমুদের মৃত্যু।

আল বিরুনি, কিতাব আল-হিন্দ

১০১৭-১১৩৭/১০৭৭-১১৫৭ রামানুজের জীবনকাল।

১০৪০ তিব্বত সফর করলেন পণ্ডিত অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান।

১০৪৭ বঙ্গ আক্রমণ করলেন কলচুরীর রাজা লক্ষীকর্ণ। চন্দ্রবংশের পতন।

১০৭০ বরেন্দ্রে কৈবর্ত বিদ্রোহ।

১০৭৫-৮০ বরেন্দ্রে কৈবর্ত রাজত্ব।

১০৭৭ দক্ষিণ ভারতের চোলা রাজ্যের বণিকদের চীন সফর।

১০৮০-১১৫০ বঙ্গে বর্মণ রাজবংশ।

১০৮২-১১২৪ রামপালের রাজত্ব। পালদের পুনরুত্থান।

১১০০-১২০০ মহাদেবী আক্কার জীবনকাল।

১১০১-১২০০ এ সময় সেন রাজ্যের রাজধানী ছিল লক্ষণাবতী।

১১০৬-৬৭/৬৮ লিঙ্গায়ত দর্শনের ধারার প্রতিষ্ঠাতা বাসবের জীবনকাল।

১১১০ বিষ্ণুবর্ধণ ও হৈষালা ক্ষমতার উত্থান।

১১৪২-১২৩০ বাংলায় সেন রাজবংশ

১১৪৩-৭২ চালুক্য বা সোলানকি রাজা কুমারপালের রাজত্ব।

১১৪৮ কলহন, রাজতরঙ্গিনী

১১৫৯ বাংলায় ক্ষমতায় আসলেন বল্লাল সেন। সর্বানন্দ বন্দ্যোপাধ্যায় লিখলেন টীকাসর্বস্ব, সংস্কৃত অভিধান অমরকোষের টীকা। আমাদের জানাশোনার মধ্যেই এটিই বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম অভিধান।

১১৬৫ বল্লাল সেনের বরেন্দ্র বিজয়।

১১৭৮-১২০৬ লক্ষণ সেনের রাজত্বকাল।

১১৭৮ কম্বনের ইরামাবাতারামের সম্ভাব্য রচনাকাল।*
* রামায়ণের তামিল সংস্করণ।

১২০০ উত্তর ভারতের আদি সূফীদের কাল। জয়দেবের গীতগোবিন্দয়ের সম্ভাব্য রচনাকাল। রামাচরিতময়ের সম্ভাব্য রচনাকাল।*
* রামায়ণের মালয়ালাম সংস্করণ।

তথ্যসূত্র

আন্তোনভা, কোকা, বোনগার্দ-লেভিন, গ্রিগোরি, ও কতোভস্কি, গ্রিগোরি। ১৯৮৮। ভারতবর্ষের ইতিহাস। তৃতীয় সংস্করণ। মঙ্গলাচরণ চট্টোপাধ্যায় ও দ্বিজেন শর্মা কর্তৃক অনূদিত। প্রগতি প্রকাশন।

রায়, সুমিত। ২০২২। “গুর্জর-প্রতীহার রাজবংশ (৭৩০-১০৩৬ খ্রি.) : রাজবৃত্তান্ত।” বিবর্তনপথ, জানুয়ারি ৩১।
https://www.bibortonpoth.com/10542

শর্মা, রাম শরণ। ২০১৭। প্রাচীন ভারত। ষষ্ঠ মুদ্রণ। সুমন চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক ভাষান্তরিত। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্তক পর্ষৎ।

BBC. 2019. “India profile – Timeline.” BBC, March 4.
https://www.bbc.com/news/world-south-asia-12641776

Doniger, Wendy. 2014. On Hinduism. Oxford University Press.
2018. Against Dharma: Dissent in the Ancient Indian Sciences of Sex and Politics. Yale University Press.

Hartz, Paula R. 2009. Zoroastrianism. 3rd ed. Chelsea House.

Jones, Constance A., and Ryan, James D. 2007. Encyclopedia of Hinduism. Facts On File.

Kulke, Hermann, and Dietmar Rothermund. 2004. A History of India. 4th ed. Routledge.

Mansingh, Surjit. 2006. Historical Dictionary of India. 2nd ed. The Scarecrow Press.

Mcleod, John. 2015. The History of India. 2nd ed. Greenwood.

Robinson, Andrew. 2014. India: A Short History. Thames & Hudson.

Thapar, Romila. 2003.The Penguin History of Early India: From the Origins to AD 1300. Penguin Books.

Truschke, Audrey. “Hindutva’s dangerous rewriting of history.” South Asia Multidisciplinary Academic Journal 24/25 (2020).

Wikipedia
The Free Encyclopedia
https://www.wikipedia.org

World History Encyclopedia.

নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।

অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ

দিব্যপ্রকাশ । বাতিঘর । বইবাজার । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী । বুক হাউজ । ওয়াফিলাইফ । রকমারি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *