
ব্যাবিলনিয়া
Featured Image: World History Encyclopedia.

World Atlas.
“বাবিলের নদীগুলির তীরে আমরা বসেছিলাম এবং যখন সিয়োনের কথা মনে পড়েছিল, তখন আমরা কেঁদেছিলাম। […] বাবিল তুমি ধ্বংস হয়ে যাবে! […] সেই লোক ধন্য য়ে তোমাদের শিশুদের আঁকড়ে ধরে আর তাদের পাথরে পিষে ফেলে।”
(সামসঙ্গীত ১৩৭:১-৯)
“এশিরিয়া ধুলো আজ—বেবিলন ছাই হয়ে আছে।”
জীবনানন্দ দাশ
পূর্বসাল
২৩৫০ মেসোপটেমীয়* নগররাষ্ট্র লাগাশের রাজা উরুকাগিনা একগুচ্ছ বিধিবিধান প্রণয়ন করলেন, যা শাসকের ক্ষমতাকে সীমিত করার আদিতম পদক্ষেপগুলোর একটি।*
* “দুই নদীর মধ্যবর্তী স্থান”। মেসোপটেমিয়া ইরাক ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোর গ্রিকদের দেয়া নাম। এই দুই নদী হল দজলা ও ফোরাত।
২০২৫-৬০৯ অ্যাসিরিয়া।
২০০৪-১৫৯৫ পুরনো বাবেলীয় পর্ব।
১৮৯৪-৫৩৯ ব্যাবিলনিয়া।
১৮৯৪ ব্যাবিলনে প্রতিষ্ঠা করা হল আমোরীয় রাজবংশ।
১৭৯৫-১৭৫০ হাম্মুরাবির রাজত্বকাল।
১৭৯২ ব্যাবিলনের দেয়ালগুলো নির্মাণ করলেন রাজা হাম্মুরাবি।
১৭৮৭ উরুক ও ইসিন জয় করলেন হাম্মুরাবি।
১৭৭২ হাম্মুরাবির বিধান।
১৭৬১ অজ্ঞাত কারণে মারা গেলেন মারির শেষ শাসক জিমরি-লিম। মারি নগরী দখল করে নিলেন তাঁর সাবেক মিত্র হাম্মুরাবি।
১৭৬০-১৭৫৭ মারি নগরী ধবংস করে দিলেন হাম্মুরাবি। তবে নগরবাসীর জান বকশ দেয়া হয়।
১৭৫৫ ব্যাবিলন থেকে পুরো মেসোপটেমিয়া শাসন করছেন হাম্মুরাবি।
১৫৯৫ হিত্তীয়দের রাজা প্রথম মার্সিলি কর্তৃক ব্যাবিলনের ধবংসসাধন। পুরনো বাবেলীয় পর্বের অবসান ঘটল। ব্যাবিলনের “অন্ধকার যুগের” সূচনা হল।
১৫৯৫-১১৫৫ এ সময় ব্যাবিলনিয়া শাসন করছে কাসসাইট রাজবংশ।
১২২৫ ব্যাবিলনকে ধ্বংস করলেন অ্যাসিরীয় সম্রাট তুকুলতি-নিনুর্তা।
১২২০ ব্যাবিলন এ সময় অ্যাসিরিয়ার নিয়ন্ত্রণে আছে।
৮৫৩ এ সময় ব্যাবিলনের রাজারা অ্যাসিরিয়ার সামরিক তাকতের ওপর নির্ভরশীল ছিলেন।
৭৫০ ব্যাবিলনে নির্মিত হল অত্যাধুনিক জলপ্রণালী ব্যবস্থা।
৭৪৫ অ্যাসিরীয় সম্রাট দ্বিতীয় টিগলাথ পিলেসার ব্যাবিলনের রাজাকে ক্ষমতাচ্যুত করে ব্যাবিলনের ওপর অ্যাসিরীয় শাসন চাপিয়ে দিলেন।
৭৩৪ চালদীয়রা দখল করে নিল ব্যাবিলন।
৭২৯ ব্যাবিলনে অ্যাসিরীয় দখলদারিত্ব।
৬৯৮-৬৯৪ এলাম ও ব্যাবিলনের সাথে যুদ্ধে জড়ালো অ্যাসিরিয়া।
৬৮৯ ব্যাবিলনকে ধ্বংস করা হল।
৬৫৩-৬৪৮ অ্যাসিরিয়ার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করলো ব্যাবিলন। ব্যাবিলন ঘেরাও করা হল।
৬১২ আশুর, কালহু ও নিনেভের মত অ্যাসিরীয় শহরগুলো ধ্বংস করলো ও পুড়িয়ে দিলো মিদীয়, ব্যাবিলনীয় ও পারসিক বাহিনী।
৬০৯ অ্যাসিরীয় সাম্রাজ্যের পতন।
৬০৫-৫৬২ দ্বিতীয় নেবুচাদনেজারের রাজত্বকাল।*
* মুসলিম পরম্পরায় ইনি বখতে নসর নামে পরিচিত।
৫৯৭ জেরুসালেম জয় করলেন ব্যাবিলনিয়ার রাজা দ্বিতীয় নেবুচাদনেজার।
৫৯৭-৫৮৭ ইহুদিদের ব্যাবিলনিয়ায় নির্বাসিত করা হল।
৫৮৭-৫৩৯ ইহুদিদের ব্যাবিলনিয়ায় নির্বাসিত থাকার বছরগুলো।
৫৭৫ ইশতার গেট ও ব্যাবিলনের মহাপ্রাচীরগুলো নির্মাণ করলেন বখতে নসর।
৫২৯ পারস্যের রাজা খসরুর হাতে ব্যাবিলনের পতন ঘটল।
৪৮৫ হাখমানেশি সম্রাট জেরজেসের হাতে ধ্বংস হল ব্যাবিলন।
৩২৩ ব্যাবিলনে একটি কেল্টিক প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানালেন সেকান্দার শা।
৩২১-৩১৫ সাত্রাপি বা ক্ষত্রপ হিসেবে এ সময় ব্যাবিলন শাসন করছেন সেলুকাস।
৩১২ সেকান্দার শার সেনাপতি সেলুকাস ব্যাবিলন জয় করলেন। প্রতিষ্ঠা করলেন সেলুসীয় রাজবংশ। ৬৩ পূর্বসাল পর্যন্ত শাসন করেছে এই রাজবংশ।
তথ্যসূত্র
World History Encyclopedia.
নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।
অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ
দিব্যপ্রকাশ । বাতিঘর । বইবাজার । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী । বুক হাউজ । ওয়াফিলাইফ । রকমারি



