
রাশিয়া
Featured Image: Wikimedia Commons.

বিশ্ব মানচিত্র ব্লগ
পূর্বসাল
১০০০-৭০০ সিম্মেরীয় নামের একটি ইন্দো-ইওরোপীয় গোষ্ঠী এ সময় স্তেপে আধিপত্য করছে।
৭০০-২০০ সিথীয়রা এ সময় দানিয়ুব ও দনের মধ্যবর্তী অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করছে। এরা একটি পারসিক ভাষায় কথা বলত। স্তেপে সিম্মেরীয়দের প্রতিস্থাপিত করে তারা।
পূর্বসাল ২০০-২০০ সাল স্তেপে সিথীয়দের প্রতিস্থাপিত করল সামারিটানরা। এরা মধ্য এশিয়া থেকে এসেছিল এবং একটি পারসিক ভাষায় কথা বলত। সামারিটান গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে রয়েছে রোজোলানি, অ্যালানস, ও রুখ-আস।
সাল
২০০-৩৭০ বাল্টিক অঞ্চল থেকে ভিস্তুলার নিম্নভূমিতে হিজরত করার পর জার্মানিক গথরা স্তেপ দখল করে নিল। ভেনেদাই, স্ক্ল্যাভেনি, ও অ্যান্টেসদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করল। শেষোক্তদের স্লাভদের পূর্বসুরী ভাবা হয়।
৩৭০-৪৫৩ হুন নামের একটি তুর্কিচভাষী গোষ্ঠীকে স্তেপে দেখা গেল। যাদের ভেতরে ছিল বিপুল পরিমাণে মঙ্গোল আর উগ্রীয়। এরা আরো পশ্চিমে সরে এসে হাঙ্গেরির সমভূমিতে চলে গেল, গথদের পশ্চিমাভিমুখে ঠেলে দিতে দিতে।
৪৬০-৮৫০ মাগইয়ার নামের একটি উগ্রিকভাষী গোষ্ঠী সাইবেরিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের বনাঞ্চল থেকে ককেশাস-পন্টিক স্তেপে হিজরত করল।
৪৮০-৫৬৫ মঙ্গোল বা তুর্কিচভাষী দুটি গোষ্ঠী এ সময় দেশটিতে বাস করছে। কুত্রিঘুররা দন ও নিপার নদীর মাঝখানে আর উত্রিঘুররা আজোভ সাগরের কাছে। এরা বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যভুক্ত অঞ্চলগুলোতে হামলা চালায়।
৫০০-৮৬০ হুনিক সাম্রাজ্যের পতনের পর স্লাভরা পশ্চিম, দক্ষিণ, ও পুবদিকে সরে আসতে শুরু করে।
৫৫০ স্তেপে এ সময় আভার গোষ্ঠীকে দেখা যাচ্ছে, যারা খুব সম্ভবত একটি আলতাইক ভাষায় বাতচিত করত।
৫৫০-৫৬৮ আভাররা এ সময় মধ্য দানিয়ুবে আধিপত্য করছে।
৫৬০-৬৯ কুত্রিঘুর ও উত্রিঘুররা এ সময় নাগাদ পারস্পরিক যুদ্ধে ধবংস হয়ে যায়।
৬০০ বুলগার নামের একটি তুর্কিচভাষী গোষ্ঠী আজোভ সাগরের কাছে আবির্ভূত হল।
৬৩০-৯৬৫ খাজার নামের একটি তুর্কিচভাষী গোষ্ঠী ভলগার দক্ষিণাঞ্চল থেকে দন পর্যন্ত স্তেপের নিয়ন্ত্রণ নিল।
৬৫০-৬৭০ খাজারদের কারণে কয়েকটি শাখায় ভাগ হল বুলগাররা।
৬৭০-৭৯ ভলগা বুলগার নামে একটি শাখা ভলগা বরাবর উত্তরে কামা অঞ্চলে চলে গেল।
৬৭৯ আসপারুখের নেতৃত্বে আরেকটি শাখা বলকান অঞ্চলে প্রবেশ করল।
৭০১-৯০০ পূর্ব স্লাভরা এ সময় রাশিয়ার বিভিন্ন নদীর তীরে বাস করতে শুরু করে।
৮০০ আনুমানিক এ সময় খাজাররা ইহুদিধর্ম গ্রহণ করে।
৮০১-৯০০ স্লাভরা ইওরেশীয় সমভূমির ৩০০টিরও বেশি শহরে কৃষিজীবী ও বণিক হিসেবে নিজেদের সুপ্রতিষ্ঠিত করল।
৮০২ ফ্রাঙ্কদের কাছে আভাররা পরাজিত হল।
৮৬০ এ সময় নাগাদ প্রায় এক ডজন স্লাভ গোষ্ঠী রাশিয়ায় বাস করছেন।
৮৬২ ভ্যারাঞ্জীয়রা* নভোগরদে প্রতিষ্ঠা করল রুরিক রাজবংশ।
* স্ক্যান্ডিনেভিয়া থেকে আসা একদল যোদ্ধা ও বণিক।
৮৬২-১৫৯৮ রুরিক রাজবংশ।
৮৬২-১৫০২ পলৎস্ক রাজ্য।
৮৬৬ কন্সটান্টিনোপল আক্রমণ করলেন আসকোল্ড ও দির।
৮৭৫-১২৪৯ ভলগা বুলগেরিয়া।
কিয়েভান রুস
৮৮০-১২৪০ সাল

৮৮০-১২৪০ কিয়েভান রুস।
৮৮০ রুরিকের বংশধর ওলেগ কিয়েভের নিয়ন্ত্রণ নিলেন। যা রাজকুমারদের দ্বারা শাসিত দুর্গঘেরা শহরগুলোর একটা শিথিল ফেডারেশনের রাজধানীতে পরিণত হয়। বর্তমান ইউক্রেনের রাজধানী, ইউক্রেনীয়দের উচ্চারণে শব্দটি কিয়িভ।
৮৮২-৯১৩ ওলেগের হাতে খুন হলেন আসকোল্ড ও দির।
৯০০-১০৫০ দন ও দনেৎস্কের মধ্যবর্তী স্তেপ থেকে মাগইয়ারদের তাড়িয়ে দিল পেছনাগরা। এগারো শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত অঞ্চলটির ওপর তাঁদের নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকে।
৯০৭ কন্সটান্টিনোপলে ওলেগের হামলা।
৯০৭, ৯১১ কন্সটান্টিনোপলের সাথে একাধিক চুক্তি সম্পাদন করল কিয়েভান রুস।
৯১২-৪৫ কিয়েভের ইগোরের রাজত্বকাল।
৯২২ ইসলামে দীক্ষিত হল ভলগা বুলগেরিয়া।
৯৪১, ৯৪৪ কন্সটান্টিনোপলে কিয়েভান রুসের হামলা।
৯৪৫ দ্রেভলিয়ানের হাতে খুন হলেন ইগোর।
৯৪৫-৬৫ এ সময় কিয়েভ শাসন করছেন রাজমাতা ওলগা।
৯৫৪-৫৭ ওলগার কন্সটান্টিনোপল সফর, তাঁকে বাপ্তাইজ করা হল।
৯৬২-৭২ কিয়েভে রাজকুমার শ্বিয়াতোস্লাভের রাজত্বকাল।
৯৬৫ খাজারদের পরাস্ত করে সারকেল দখল করলেন শ্বিয়াতোস্লাভ।
৯৬৭/৬৮, ৯৬৯ বলকানে দুইবার হানা দিলেন শ্বিয়াতোস্লাভ।
৯৭২ পেছনেগদের হাতে খুন হলেন শ্বিয়াতোস্লাভ।
৯৭২-৮০ কিয়েভে রাজকুমার ইয়ারোপোলকের রাজত্বকাল।
৯৮০-১০১৫ কিয়েভে যুবরাজ ভ্লাদিমিরের রাজত্বকাল।
৯৮৭-১১৯৯/১৪৫২ ভলিনিয়া রাজ্য।
৯৮৮ গ্রিক অর্থোডক্স খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত হলেন রাজকুমার ভ্লাদিমির।*
* খ্রিস্টধর্ম কিয়েভান রুসের দরবারি ধর্মে পরিণত হল।
৯৮৮-১২৩৯/১৩২৩ পেরেইয়াস্লাভল রাজ্য।
১০১১ চার্চ সংবিধি ঘোষণা করলেন ভ্লাদিমির।
১০১৫ ভ্লাদিমিরের মৃত্যু। গৃহযুদ্ধ। বরিস ও গ্লেবের শাহাদাত।
১০১৯-৫৪ কিয়েভে যুবরাজ প্রজ্ঞাবান ইয়ারোস্লাভের রাজত্বকাল।*
* প্রজ্ঞাবান ইয়ারোস্লাভ রাশিয়ার প্রথম আইনবিধি রুসকায়া প্রাভা জারি করেন এবং কিয়েভে সেইন্ট সোফিয়ার ক্যাথেড্রাল নির্মাণ করেন।
১০২৪-১৪০২ ছেরনিগভ রাজ্য।
১০৩৭-৪৬ কিয়েভে নির্মিত হল সেইন্ট সোফিয়া।
১০৪৩ কন্সটান্টিনোপলে কিয়েভান রুসের হামলা।
১০৫০ নভোগরদে নির্মিত হল সেইন্ট সোফিয়া।
১০৫১ কিয়েভের মেট্রোপলিটান হিলারিয়ন। সেইন্ট অ্যান্টনি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হল কিয়েভের মোনাস্টেরি অফ দ্য কেভস।
১০৫৪-১৫০৮ স্মলেনস্ক রাজ্য।
১০৫৪-৬৮ কিয়েভের যুবরাজ জিয়াস্লাভ ইয়ারোস্লাভিচের রাজত্বকাল।
১০৫৫ স্তেপে দেখা দিল যাযাবর গোষ্ঠী চুমান।
১০৬৭ পলোৎস্কের সেসলাভকে পরাস্ত করলেন জিয়াস্লাভ ও তাঁর দুই ভাই।
১০৬৮ জিয়াস্লাভকে পরাস্ত করল চুমানরা।
কিয়েভ বিদ্রোহ। জিয়াস্লাভকে নির্বাসিত করা হল। সেসলাভকে জেল থেকে বের করে এনে যুবরাজ বানানো হল।
১০৬৯-৭৩ কিয়েভ পুনর্দখল করলেন জিয়াস্লাভ। পলোৎস্কে পালিয়ে গেলেন সেসলাভ।
১০৭২ বরিস ও গ্লেব ভ্লাদিমিরোভিচকে কানুনীকৃত করা হল।
১০৭৩ জিয়াস্লাভকে তাঁর দুই ভাই কিয়েভ থেকে তাড়িয়ে দিলেন। কিয়েভ যৌথভাবে শাসন করতে শুরু করলেন শ্বিয়াতোস্লাভ ও সেভোলোদ।
১০৭৩-৭৬ কিয়েভে শ্বিয়াতোস্লাভের রাজত্বকাল।
১০৭৬ শ্বিয়াতোস্লাভের মৃত্যু, কয়েক মাসের শাসক হলেন সেভোলোদ।
১০৭৬-৭৮ কিয়েভে জিয়াস্লাভের তৃতীয় রাজত্বকাল।
১০৭৮ ছেরনিগভের ওলেগ শ্বিয়াতোস্লাভিচ ও চুমানরা মিলে পেরেইয়াস্লাভলের সেভোলোদকে পরাস্ত করল। নিজের ভাগ্নে ওলেগ শ্বিয়াতোস্লাভিচের বিরুদ্ধে সমরে নিহত হলেন জিয়াস্লাভ।
১০৭৮-৯৩ কিয়েভের যুবরাজ সেভোলোদ ইয়ারোস্লাভিচের রাজত্বকাল।
১০৯৭ লিউবেখ সম্মেলন।
১১০১-১২০০ বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে ইওরোপের সাথে ব্যাপক যোগাযোগ থাকা নভোগরদের সমৃদ্ধির কাল। ভেচে* তাঁকে একটি প্রজাতন্ত্রে পরিণত করেছে।
* স্লাভদের প্রাচীন জনসংসদ।
এ শতাব্দীতেই লিখিত হয় দ্য প্রাইমারি রাশিয়ান ক্রনিকল এবং দ্য টেল অফ দ্য হোস্ট অফ ইগর।
১১০৮ ভ্লাদিমির শহর প্রতিষ্ঠা করলেন রাজকুমার ইউরি দোলগোরুকি।
১১১৩ কিয়েভ বিদ্রোহ।
১১১৩-২৫ কিয়েভের যুবরাজ ভ্লাদিমির মনোমাখের রাজত্বকাল।
১১১৩ রুশ আইন বিধি সংশোধন করা হল।
১১২৪-৯৯ গালিসিয়া রাজ্য।
১১২৫-৩২ কিয়েভের যুবরাজ মুস্তিহস্লাভ ভ্লাদিমিরোভিচের রাজত্বকাল।
১১২৫-১৩৮৯ সুজডালিয়া।
১১২৫ সুজডালিয়ার রাজকুমার ইউরি দোলগোরুকির রাজত্বকাল।
১১২৯-১৫২১ রিয়াজান রাজ্য।
১১৩২-১৪৭১ কিয়েভ রাজ্য।
১১৩২-৩৯ কিয়েভের যুবরাজ ইয়ারোপলক ভ্লাদিমিরোভিচের রাজত্বকাল।
১১৩৬-১৪৭৮ নভোগরোদ প্রজাতন্ত্র।
১১৩৯-৪৬ কিয়েভের যুবরাজ ছেরনিগভের সেভোলোদ ওলগোভিচের রাজত্বকাল।
১১৪৬-৫৪ কিয়েভের যুবরাজ ভলিনিয়ার জিয়াস্লাভ মুস্তিহস্লাভিচের রাজত্বকাল।
১১৪৭ রুশ কালপঞ্জিগুলোয় প্রথমবারের মত উল্লেখকৃত হল মস্কো।
১১৫২-৫৭ পেরেইয়াস্লাভল-জালেস্কিতে নির্মিত হল ক্যাথেড্রাল অফ দ্য ট্রান্সফিগারেশন অফ দ্য সেভিয়ার।
১১৫৫-৫৭ কিয়েভের যুবরাজ ইউরি দোলগোরুকির রাজত্বকাল।
১১৫৬ মস্কোর চারপাশে দুর্গ নির্মাণ করলেন ইউরি দোলগোরুকি।
১১৫৭-৭৪ ভ্লাদিমিরের রাজকুমার আন্দ্রেই বোগোলিউবস্কির রাজত্বকাল।
১১৫৮-৬০ ভ্লাদিমিরে নির্মিত হল ক্যাথেড্রাল অফ দ্য অ্যাজাম্পশন।
১১৫৮-৬৫ বোগোলিউবোভোয় নির্মিত হল আন্দ্রেই বোগোলিউবস্কির প্রাসাদ।
১১৫৯-৬৭ কিয়েভের যুবরাজ স্মলেনস্কের রোস্তিস্লাভ মুস্তিহস্লাভিচের রাজত্বকাল।
১১৬৪ ভ্লাদিমিরের চারপাশে দুর্গ বানানো হল।
১১৬৫ বোগোলিউবোভোর কাছে নার্ল নদীর তীরে নির্মিত হল চার্চ অফ দ্য ইন্টারসেশন।
১১৬৯ রস্তোভ-সুজডাল প্রিন্সিপালিটির শাসক রাজকুমার আন্দ্রেই বোগোলিউবস্কির নেতৃত্বে রাজকুমারদের একটা জোট কিয়েভে হামলা চালিয়ে শহরটিকে ধ্বংস করে দিল।*
* অনৈক্য আর গৃহযুদ্ধে দুর্বল হয়ে পড়েছিল কিয়েভান রুস। পতন ছিল সময়ের ব্যাপার। বাইরের আক্রমণ সেটা ত্বরান্বিত করল।
১১৭৪ গুপ্তহত্যার শিকার হলেন আন্দ্রেই বোগোলিউবস্কি।
১১৭৬-১২১২ ভ্লাদিমির-সুজডালের যুবরাজ তৃতীয় সেভোলোদের রাজত্বকাল।*
* বিগ নেস্ট নামে পরিচিত।
১১৮৫ চুমানদের বিরুদ্ধে নভগরোদ-সেবের্স্কের রাজকুমার ইগোরের সামরিক অভিযান।*
* টেল অফ ইগোর’স ক্যাম্পেইনের বিষয়বস্তু।
১১৯৫-১২১২ কিয়েভের রোস্তিস্লাভিচি ও স্মলেনস্ক, ছেরনিগভের ওলগোভিচি এবং ভলিনিয়া ও গালিসিয়ার রাজকুমারদের মধ্যে গৃহযুদ্ধ।
১১৯৯ ভলিনিয়া ও গালিসিয়াকে একত্রিত করলেন রোমান মুস্তিহস্লাভিচ।
১২০১-১৭০০ পূর্ব স্লাভদের ভূখণ্ডে প্রসারিত হল লিথুয়ানিয়া ও পোল্যান্ড। কালক্রমে পূর্ব স্লাভরা তিনটি জাতিতে ভাগ হবে। এরা হল: রুশ, ইউক্রেনীয়, ও বেলারুশীয়।
১২০৩ কিয়েভকে ধবংস করে দিল রিউরিক রোস্তিস্লাভিচ এবং ওলগোভিচি ও চুমানদের যৌথ বাহিনী।
১২০৫ রাজকুমার রোমান মুস্তিহস্লাভিচের মৃত্যু।
গোল্ডেন হোর্ড
১২০৬-১৩৬৮ সাল

১২১২ প্রতিষ্ঠা করা হল উসতিউগ ভেলিকি।
১২১৬ লিপিৎসার সমর। ভ্লাদিমিরের যুবরাজ হলেন কন্সটান্টিন সেভোলোদোভিচ।
১২১৮-৩৮ ভ্লাদিমিরের রাজকুমার ইউরি সেভোলোদোভিচের রাজত্বকাল।
১২২১ প্রতিষ্ঠিত হল নিঝনি নভোগরদ।
১২২১-৬৩ আলেকসান্দর নেভস্কি।
১২২৩ কালকা নদীর যুদ্ধ। রুশ-পলভৎসিদের যৌথ বাহিনীকে পরাজিত করল মঙ্গোলরা।
১২২৭ চেঙ্গিজ খানের মৃত্যু।
১২৩৫ পশ্চিমে হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নিল মঙ্গোলদের পরিষদ কুরিলতাই।
১২৩৬ মঙ্গোলরা ভলগা বুলগেরিয়ায় হামলা চালাল।
১২৩৬-৪০ নভোগরদের রাজকুমার হিসেবে আলেকসান্দর নেভস্কির শাসনকাল।
১২৩৭ মঙ্গোলরা কিয়েভান রুস ও রিয়াজানে হামলা চালাল। টিউটোনিক নাইটস ও লিভোনিয়ান ব্রাদার্স অফ দ্য সোর্ডকে একীভূত করা হল।
১২৩৮ মঙ্গোলদের ভ্লাদিমির জয়। সুজডালিয়ায় লুঠতরাজ চালায় তারা। সিত নদীর সমর। যুবরাজ ইউরি সেভোলোদিচের মৃত্যু।
১২৩৯ মঙ্গোলদের ছেরনিগভ জয়।
১২৪০ মঙ্গোলদের কিয়েভ জয়। নেভা নদীর ওপর সুইডদের পরাস্ত করলেন আলেকসান্দর নেভস্কি।
১২৪০-১৪৮০ মঙ্গোলদের কিয়েভান রুস জয় করা সম্পন্ন হল। তারা স্তেপে গোল্ডেন হোর্ড রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করল। এ সময় তারা রুশদের ওপর নিয়ন্ত্রণ কায়েম করে ও বিপুল হারে খাজনা আদায় করতে থাকে।
১২৪১ মঙ্গোলরা পোল, টিউটোনিক নাইট, ও হাঙ্গেরীয়দের পরাস্ত করল। ওগেদেই খানের মৃত্যু।
১২৪২ মঙ্গোলিয়ায় ফিরে গেলেন বাতু খান। পেইপাস হ্রদের বরফের ওপর টিউটোনিক নাইটদের পরাস্ত করলেন আলেকসান্দর নেভস্কি।
১২৪৩ ভ্লাদিমিরের যুবরাজ হিসেবে ইয়ারোস্লাভ সেভোলোদিচকে নিশ্চিত করলেন বাতু খান।
১২৪৫ ভলিনিয়া ও গালিসিয়ার রাজকুমার হিসেবে দানিল রোমানোভিচকে নিশ্চিত করলেন বাতু খান।
১২৪৬ ছেরনিগভের রাজকুমার মিখাইলের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করলেন বাতু খান, মঙ্গোলিয়ায় মারা গেলেন ইয়ারোস্লাভ সেভোলোদিচ।
১২৪৯ ভ্লাদিমিরের যুবরাজ হিসেবে মঙ্গোলদের পেটেন্ট লাভ করলেন আন্দ্রেই ইয়ারোস্লাভিচ।
১২৪৯-৬৩ কিয়েভের যুবরাজ হিসেবে আলেকসান্দর নেভস্কির রাজত্বকাল।
১২৫২ বুখারা শহরে ইসলাম গ্রহণ করলেন বাতু খানের ভাই বার্কে।
১২৫২-৬৩ ভ্লাদিমিরের যুবরাজ হিসেবে আলেকসান্দর নেভস্কির রাজত্বকাল।
১২৫৫ গোল্ডেন হোর্ডের খান বাতুর মৃত্যু, নয়া খান হলেন সারতাক।
১২৫৬ গোল্ডেন হোর্ডের খান হলেন উলাগছি।
১২৫৭ ভ্লাদিমির-সুজডালে একটি আদমশুমারি চালাল মঙ্গোলরা।
১২৫৭-৬৬ গোল্ডেন হোর্ডের খান হলেন বার্কে।
১২৫৯ নভোগরদে একটি আদমশুমারি চালাল মঙ্গোলরা।
১২৬২ রাশিয়ার উত্তরপশ্চিমাঞ্চলে মঙ্গোলদের বিরুদ্ধে নগরবাসীর অভ্যুত্থান।
১২৬৩-৭১ ভ্লাদিমিরের যুবরাজ হিসেবে টিভেইরের ইয়ারোস্লাভ ইয়ারোস্লাভিচের রাজত্বকাল।
১২৬৭-৮৮ গোল্ডেন হোর্ডের খান হিসেবে মঙ্গু-তৈমুরের রাজত্বকাল।
১২৭১-৭৭ ভ্লাদিমিরের রাজকুমার হিসেবে কস্ত্রোমার ভাসিলি ইয়ারোস্লাভিচের রাজত্বকাল।
১২৭৭ ভ্লাদিমিরের যুবরাজ হিসেবে দিমিত্রি আলেকসান্দ্রোভিচকে নিশ্চিত করা হল।
১২৮২-৮৭ গোল্ডেন হোর্ডের খান হিসেবে তুদা-মঙ্গুর রাজত্বকাল।
১২৮৭-৯১ গোল্ডেন হোর্ডের খান হিসেবে তেলেবুগার রাজত্বকাল।
১২৯১-১৩১২ গোল্ডেন হোর্ডের খান হিসেবে তোখতার রাজত্বকাল।
১২৯৪ ভ্লাদিমিরের যুবরাজ দিমিত্রি আলেকসান্দ্রোভিচের মৃত্যু।
১২৯৯ কিয়েভ থেকে ভ্লাদিমিরে চলে আসলেন মেট্রোপলিটান মাকসিম। গোল্ডেন হোর্ডের নোগাইয়ের মৃত্যু।
১৩০১ একটি পৃথক প্রিন্সিপালিটিতে পরিণত হল মস্কোভিয়া।
১৩০৩ মস্কোর রাজকুমার দানিলের মৃত্যু।
১৩০৩-২৫ মস্কোর রাজকুমার ইউরি দানিলোভিচের রাজত্বকাল।*
* গোল্ডেন হোর্ডের খান ইউরিকে যুবরাজ বানিয়েছিলেন। এ সময়ই কখনো মস্কোভিয়ার ভূখণ্ডগত সম্প্রসারণের শুরুয়াত হয়।
১৩১৩-৪১ গোল্ডেন হোর্ডের গিয়াসুদ্দিন মুহাম্মদ উজবেক খানের রাজত্বকাল।*
* তিনি সংক্ষেপে উজবেক খান নামে পরিচিত।
১৩১৭ টিভেরের যুবরাজ মিখাইল ইয়ারোস্লাভিচের হাতে পরাস্ত হলেন মস্কোর যুবরাজ ইউরি।
১৩১৮ টিভেরের যুবরাজ মিখাইল ইয়ারোস্লাভিচের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল মঙ্গোলরা।
১৩১৮-২২ ভ্লাদিমিরের যুবরাজ হিসেবে মস্কোর ইউরি দানিলোভিচের রাজত্বকাল।
১৩২৫ সারাইয়ে টিভেরের দিমিত্রি মিখাইলোভিচের হাতে খুন হলেন ইউরি দানিলোভিচ।
১৩২৫-৪১ প্রথম ইভানের রাজত্বকাল।*
* কালিতা বা মানিব্যাগ নামে পরিচিত ছিলেন তিনি। মস্কোর যুবরাজের খেতাব পুনরুদ্ধার করেন ইভান। রুশ অর্থোডক্স গির্জা নিজ সদরদপ্তর মস্কোয় সরিয়ে আনে।
১৩২৬ দিমিত্রি মিখাইলোভিচের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করলেন খান উজবেক। মেট্রোপলিটান পেতরের মৃত্যু। মস্কোর ক্যাথেড্রাল অফ দ্য অ্যাজাম্পশনে তাঁকে সমাহিত করা হয়।
১৩২৭ মঙ্গোলদের সাথে মিলে টিভের লুঠ করল মঙ্গোলরা, বিদ্রোহের অবসান ঘটাল।
১৩৩১ টিভেরের যুবরাজ আলেকসান্দর মিখাইলোভিচের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল মঙ্গোলরা, ভ্লাদিমিরের একমাত্র যুবরাজ হলেন প্রথম ইভান।
১৩৪১-৫৩ ভ্লাদিমিরের যুবরাজ ও মস্কোর রাজকুমার সেমেন ইভানোভিচের রাজত্বকাল।
১৩৪৫ হোলি ট্রিনিটি চার্চ ও একটি সন্ন্যাসীদের অর্ডার প্রতিষ্ঠা করলেন সেইন্ট সের্জিয়াস।
১৩৫৩ প্লেগে সেমেন ইভানোভিচের মৃত্যু, মেট্রোপলিটান ফেওগনস্তের মৃত্যু।
১৩৫৩-৫৯ ভ্লাদিমিরের যুবরাজ ও মস্কোর রাজকুমার দ্বিতীয় ইভান ইভানোভিচের রাজত্বকাল।
১৩৫৪ আলেকসেইকে মেট্রোপলিটান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হল। সেইন্ট সের্জিয়াসকে হোলি ট্রিনিটি মঠের অধিপতি। কিয়েভ থেকে ভ্লাদিমিরে মেট্রোপলিটান আসন আনুষ্ঠানিকভাবে স্থানান্তরিত হল।
১৩৫৯-৮৯ ভ্লাদিমিরের যুবরাজ ও মস্কোর রাজকুমার দিমিত্রি দনস্কোইয়ের রাজত্বকাল।*
* রাশিয়ার শাসনকেন্দ্র ক্রেমলিনের সূচনালগ্ন বলে বিবেচিত হয়।
১৩৫৯ গোল্ডেন হোর্ডে গ্রেট ট্রাবলসের সূচনা।
১৩৬০-৬২ ভ্লাদিমিরের গ্র্যান্ড প্রিন্সিপ্যালিটির পেটেন্ট নিয়ে মস্কো ও সুজডাল-নিঝনি নভোগরদের মধ্যে দ্বন্দ্ব।
১৩৬০-১৪৩০ আন্দ্রেই রুবলেভের জীবন।
১৩৬৭-৭৫ ভ্লাদিমিরের পেটেন্ট নিয়ে টিভের ও মস্কোর দ্বন্দ্ব।
১৩৭৮ তাতারিদের পরাজিত করল মস্কো। মেট্রোপলিটান আলেকসেইয়ের মৃত্যু।
১৩৮০ কুলিকোভো মাঠের সমর। দনস্কোইয়ের নেতৃত্বে প্রথমবারের মত মঙ্গোলদের হারাল রুশরা।
১৩৮২ তোখতামিশ ও তাতাররা মিলে মস্কো লুন্ঠন করে।
১৩৮৫ ক্রেয়ো ইউনিয়ন, পোল্যান্ড ও লিথুয়ানিয়ার মধ্যে রাজবংশীয় চুক্তি।
১৩৮৯ মেট্রোপলিটান হলেন কিপ্রিয়ান, বা বিকল্প উচ্চারণে সাইপ্রিয়ন।
১৩৮৯-১৪২৫ ভ্লাদিমিরের যুবরাজ ও মস্কোর রাজকুমার প্রথম ভাসিলির রাজত্বকাল।*
* প্রথম ভাসিলি শিল্পী আন্দ্রেই রুবলেভকে ভ্লাদিমিরের অ্যাজাম্পশন ক্যাথেড্রালে ফ্রেসকো আঁকার দায়িত্ব অর্পণ করেন।
১৩৯২ সেইন্ট সের্গিয়াসের মৃত্যু।
১৩৯৫ সারাইকে ধবংস ও তোখতামিশদের পরাস্ত করলেন আমির তৈমুর।
১৩৯৭ পস্কোভ বিচারিক সনদ সংশোধন, মস্কোভিয়ার দ্বিনা ভূমি সনদ।
১৩৯৯ ভোরস্কলা নদীর সমর। লিথুয়ানিয়াকে পরাস্ত করলেন আমির তৈমুর।
১৪০৫ আমির তৈমুরের মৃত্যু।
১৪০৬ মেট্রোপলিটান কিপ্রিয়ানের মৃত্যু।
১৪০৮ রাশিয়ার উত্তরপশ্চিমাঞ্চলে হামলা করলেন এডিগেই। মেট্রোপলিটান হলেন ফোটি, বিকল্প উচ্চারণে ফোটিয়াস।
১৪২৫ প্রথম ভাসিলির মৃত্যু।
১৪২৫-৬২ ভ্লাদিমিরের যুবরাজ ও মস্কোর রাজকুমার দ্বিতীয় ভাসিলির রাজত্বকাল।
১৪৩০ আন্দ্রেই রুবলেভের মৃত্যু।
১৪৩১ মস্কোভিয়ার সিংহাসন দাবি করলেন গালিচের ইউরি দিমিত্রেভিচ। দ্বিতীয় ভাসিলির চাচা। মস্কোভিয়ায় গৃহযুদ্ধের সূচনা।
১৪৩২ দ্বিতীয় ভাসিলির পক্ষে মস্কোভিয়ার উত্তরাধিকার নির্ধারণ করলেন খান উলু-মোহাম্মদ।
১৪৩৩ ইউরি দিমিত্রেভিচ মস্কো দখল করেন। পরে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেন।
১৪৩৪ দ্বিতীয়বারের মত মস্কো দখল করলেন ইউরি দিমেত্রিভিচ। ইউরির মৃত্যু।
১৪৩৬ ইউরির ছেলে ভাসিলি ইউরিভিচ কোসোইকে পরাজিত করলেন ও অন্ধ করে দিলেন দ্বিতীয় ভাসিলি।
১৪৩৭ মেট্রোপলিটান হলেন ইসিডোর।
১৪৩৮/৪৫ প্রতিষ্ঠা করা হল কাজান খানাত।
১৪৩৯ মস্কো দখল করলেন উলু-মোহাম্মদ।
১৪৪১ ফেরারা-ফ্লোরেন্স পরিষদ থেকে মস্কোয় ফিরে এলেন ইসিডোর। তাঁকে মেট্রোপলিটানের পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হলেন।
১৪৪৫ সুজডালের সমর। মুক্তিপণের জন্য দ্বিতীয় ভাসিলিকে পাকড়াও করলেন ও আটকে রাখলেন উলু-মোহাম্মদ।
১৪৪৬ দ্বিতীয় ভাসিলিকে পাকড়াও করলেন ও অন্ধ করে দিলেন দিমিত্রি শেমিয়াকা।
১৪৪৭ মস্কো পুনরুদ্ধার করলেন দ্বিতীয় ভাসিলি। গঠিত হল ক্রিমিয়া খানাত।
১৪৪৮ রিয়াজানের বিশপ ইয়োনাকে মেট্রোপলিটান হিসেবে নির্বাচিত করলেন রাশিয়ার বিশপদের পরিষদ।
১৪৫২ প্রতিষ্ঠা করা হল কাজিমভ খানাত।
১৪৫৩ দিমিত্রি শেমিয়াকার মৃত্যু। গৃহযুদ্ধের অবসান। কন্সটান্টিনোপল দখল করে নিল ওসমানি সুলতানশাহি।
১৪৫৬ নভোগরদে হামলা চালালেন দ্বিতীয় ভাসিলি। এই হামলার ফলে নভোগরদ রাজনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ল। ইয়াঝেলবিৎসির চুক্তি, নভোগরদের স্বাধীনতা সীমিত করল মস্কো।
১৪৬১ মেট্রোপলিটান ইয়োনার মৃত্যু, নতুন মেট্রোপলিটান হলেন ফেওদোসি।
১৪৬২ দ্বিতীয় ভাসিলির মৃত্যু।
১৪৬২-১৫০৫ মস্কোভিয়ার তৃতীয় ইভানের রাজত্বকাল।*
* ইভান দ্য গ্রেট নামেই অধিক পরিচিত।
১৪৬৩-৮৯ বহু শহরকে স্বীয় রাজ্যভুক্ত করে নিল মস্কো।
১৪৬৩ ইয়ারোস্লাভল প্রিন্সিপালিটি গ্রাস করে নিলেন ইভান।
১৪৬৪ মেট্রোপলিটান ফেওদসির পদত্যাগ, নতুন মেট্রোপলিটান হলেন ফিলিপ।
১৪৬৯ কাজানে হামলা চালাল মস্কো।
১৪৭১ শেলোন নদীর সমর। নভোগরদকে পরাস্ত করল মস্কো। নভোগরদের বিচারিক সনদ সংশোধন করা হল।
১৪৭২ শেষ বাইজেন্টাইন সম্রাটের ভাগ্নিকে বিয়ে করলেন ইভান। ঘটনাটি খ্রিস্টীয় সমাজে মস্কোর যুবরাজদের ইজ্জত বাড়াল। মস্কো দরবারে বাইজেন্টাইন প্রতীক ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ল, আর বৃদ্ধি পেল বাইজেন্টাইন রীতির উৎসব।
১৪৭৩ মেট্রোপলিটান ফিলিপের মৃত্যু, নয়া মেট্রোপলিটান হলেন গেরোন্টি।
১৪৭৪ রস্তোভকে গ্রাস করল মস্কো।
১৪৭৫-৭৯ মস্কো ক্রেমলিনে নির্মিত হল ক্যাথেড্রাল অফ দি অ্যাজাম্পশন।
১৪৭৮ নভোগরদকে নিজ রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করে নিলেন ইভান। ভেচে বিলুপ্ত করলেন। নভোগরদ শহরের বিখ্যাত ঘন্টাটি মস্কোয় নিয়ে আসলেন।
১৪৮০-৮৯ মাঝেমধ্যে নিজেকে জার বলা শুরু করলেন ইভান।
১৪৮০ গোল্ডেন হোর্ড থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করলেন ইভান। ওকা নদীর তীরে মঙ্গোলদের পরাস্ত করলেন।
১৪৮৩-৮৪ নভোগরদের এস্টেটগুলো দখল করে নিল মস্কো।
১৪৮৫ টিভেরকে নিজ রাজ্যের সীমানাভুক্ত করল মস্কো।
১৪৮৫-১৫১৬ নয়া ক্রেমলিন নির্মিত।
১৪৮৭ কাজানের খান হিসেবে মুহাম্মদ আমিনকে নিয়োগ দিলেন ইভান।
১৪৮৯ মেট্রোপলিটান গেরোন্টির মৃত্যু।
১৪৯০ নতুন মেট্রোপলিটান জোসিমা। নভোগরদে জুদাইজারদের তিরস্কার করল চার্চ পরিষদ। তৃতীয় ইভানের সন্তান ইভান ইভানোভিচের মৃত্যু।
১৪৯৩ “নিখিল রাশিয়ার সার্বভৌম” (Государь : গোসুদার) উপাধি নিলেন ইভান। উগলিছকে নিজ রাজ্যের সীমানাভুক্ত করে নিল মস্কো।
১৪৯৪ মেট্রোপলিটান জোসিমার অপসারণ। তাঁর বিরুদ্ধে ধর্মদ্রোহিতার অভিযোগ আনা হল। নভোগরদের হেনসিয়াটিক কোয়ার্টার বন্ধ করে দিল মস্কো।
১৪৯৫ মেট্রোপলিটান হলেন সেমেন।
১৪৯৭ একটি নতুন আইনবিধি (Судебник : সুদেবনিক) জারি করলেন ইভান।
১৪৯৮-১৫০২ মস্কোর যুবরাজ হিসেবে দিমিত্রি ইভানোভিচের রাজত্বকাল।
১৪৯৯ পেত্রিকভ গোষ্ঠীর পতন।
১৫০০ লিথুয়ানিয়ার সাথে যুদ্ধ শুরু হল।
১৫০২ দিমিত্রি ইভানোভিচকে গ্রেপ্তার করলেন তৃতীয় ইভান, গোল্ডেন হোর্ডকে ধবংস করে দিল ক্রিমীয় খানাত।
১৫০৩ লিথুয়ানিয়া ও লিভোনিয়ার সাথে সন্ধি করল রাশিয়া।
১৫০৪ জুদাইজারদের স্টেকে বেঁধে পুড়িয়ে মারল চার্চ।
১৫০৫ তৃতীয় ইভানের মৃত্যু।
১৫০৫-৩৩ মস্কোর তৃতীয় ভাসিলির রাজত্বকাল।
১৫০৫-০৮ মস্কো ক্রেমলিনে ইভান দ্য গ্রেটের ঘন্টা মিনার নির্মাণ করা হল।
১৫০৫-০৯ মস্কো ক্রেমলিনে নির্মিত হল ক্যাথেড্রাল অফ দ্য আর্কঅ্যাঞ্জেল মিখাইল।
১৫০৮ নিল সরস্কির মৃত্যু।
১৫১০ পেসকভ প্রিন্সিপালিটিকে স্বীয় রাজ্যভুক্ত করে নিল মস্কো। অর্থোডক্স গির্জার কর্তৃস্থানীয় ব্যক্তিরা তৃতীয় ভাসিলিকে চিঠি দিলেন। তাতে মস্কোকে “তৃতীয় রোম” আখ্যায়িত করা হল।
১৫১১ মেট্রোপলিটান সেমেনের মৃত্যু; নতুন মেট্রোপলিটান হলেন ভারলাম।
১৫১২-২২ মস্কোভিয়া-লিথুয়ানীয় যুদ্ধ।
১৫১৪ স্মলেনস্ক শহরকে স্বীয় রাজ্যভুক্ত করে নিল মস্কো।
১৫১৮ মস্কোয় এলেন মাকসিম গ্রেক*।
* অর্থ: “দ্য গ্রিক”।
১৫২১ রিয়াজানকে গ্রাস করে নিল মস্কো। মস্কো ঘেরাও করল ক্রিমীয় তাতাররা।
১৫২২ মেট্রোপলিটান ভারলামকে বরখাস্ত করা হল। নতুন মেট্রোপলিটান হলেন দানিল।
১৫২৫ ধর্মদ্রোহের দায়ে অভিযুক্ত হলেন মাকসিম গ্রেক।
১৫২৬ এলেনা গ্লিনস্কায়াকে বিয়ে করলেন তৃতীয় ভাসিলি।
১৫৩০-৩২ কোলোমেনস্কে নির্মিত হল চার্চ অফ দ্য অ্যাসেশন।
১৫৩১ ধর্মদ্রোহের দায়ে অভিযুক্ত হলেন ভাসিয়ান ও মাকসিম গ্রেক।
১৫৩৩ তৃতীয় ভাসিলির মৃত্যু।
১৫৩৩-৮৪ মস্কোভিয়ার চতুর্থ ইভানের রাজত্বকাল।*
* ইভান দ্য টেরিবল নামেই অধিক পরিচিত।
১৫৩৩ চতুর্থ ইভানের মা এলেনা গ্লিনস্কায়ার রাজপ্রতিনিধি।
১৫৩৮ এলেনা গ্লিনস্কায়ার মৃত্যু, রাজপ্রতিনিধি হলেন ভাসিলি শুইস্কি।
১৫৩৯ গুবা, প্রশাসনিক সংস্কার। মেট্রোপলিটান দানিলকে বরখাস্ত করা হল; নতুন মেট্রোপলিটান হলেন ইয়োআসাফ। রাজপ্রতিনিধি হলেন ইভান বেলস্কি।
১৫৪২ ইয়োসাফকে বরখাস্ত করা হল, নতুন মেট্রোপলিটান মাকারি।
১৫৪৭ ক্রেমলিনের উসপেনস্কি ক্যাথেড্রালে ইভান দ্য টেরিবলের রাজ্যাভিষেক। আনুষ্ঠানিকভাবে নিখিল রাশিয়ার জার উপাধি নিলেন তিনি। আনাস্তাসিয়া রোমানভাকে বিয়ে করলেন। এক অগ্নিকাণ্ডে মস্কো প্রায় ধ্বংস হয়ে গেল। একটি দঙ্গলের হাতে খুন হলেন ইউরি গ্লিনস্কি।
১৫৪৭-১৭২১ রুশ জারশাহি।
১৫৪৯/১৫৫০ বসল রুশ সামন্তদের প্রথম সংসদীয় সভা (зе́мский собо́р : জেমস্কি সভোর)।
১৫৫০ একটি নতুন আইনবিধি (Судебник : সুদেবনিক) জারি করলেন ইভান দ্য টেরিবল। মাস্কেটিয়ারদের সংগঠিত করলেন।
১৫৫১ কাউন্সিল অফ হান্ড্রেড চ্যাপ্টারস (স্তোগলাভ) আহবান করল চার্চ।
১৫৫২ ইভান দ্য টেরিবলের কাজান বিজয়।
১৫৫৩ অসুস্থ হয়ে পড়লেন ইভান দ্য টেরিবল। উত্তরাধিকার দ্বন্দ্ব। মস্কোভিয়ায় যাওয়ার শ্বেত সাগরীয় পথ খুঁজে পেল ইংরেজরা। নিপার নদীর চার্টিস্ট দ্বীপে একটি সুরক্ষিত শিবির (সেখ) খুঁজে পেল জাপোরেঝে কসাকরা।
১৫৫৫-৬০ নির্মিত হল ক্যাথেড্রাল অফ বাসিল দ্য ব্লেসড।
১৫৫৬ আস্ত্রাখান বিজয়। সামরিক পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ করা “সার্ভিস ডিক্রি” জারি করলেন ইভান। কোর্মলেনির প্রাদেশিক প্রশাসনের অবসান।
১৫৫৮ লিভোনীয় যুদ্ধ শুরু।
১৫৫৮-৮২ রুশদের জন্য ব্যয়বহুল ও অসফল লিভোনীয় যুদ্ধ।
১৫৬০ ইভানের স্ত্রী আনাস্তাসিয়া রোমানভার মৃত্যু। আলেক্সেই আদাশেভের পতন।
১৫৬১ মেট্রোপলিটান মাকারির মৃত্যু, নতুন মেট্রোপলিটান হলেন আফানাসি।
১৫৬৩ দানিল আদাশেভের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হল। একটি মঠে ফিরে এলেন সিলভেস্টর।
১৫৬৪ আলেকসান্দ্রোভা স্লোবোদার জন্য মস্কো ছেড়ে গেলেন ইভান।
১৫৬৫-৭২ সন্ত্রাসের রাজত্ব (опри́чнина : অপ্রিছনিনা)।
১৫৬৬ ভূমি সংসদীয় সভা। ইস্তফা দিলেন মেট্রোপলিটান আফানাসি, নতুন মেট্রোপলিটান ফিলিপ।
১৫৬৮ ফিলিপকে উৎখাত করা হল, নতুন মেট্রোপলিটান হলেন কিরিল।
১৫৬৯ বোয়ার ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হল। ইভানে দ্য টেরিবলের চাচাতো ভাই প্রিন্স ভ্লাদিমির স্টারিৎস্কিকে সুইসাইড করতে বাধ্য করা হল। মেট্রোপলিটান ফিলিপকে হত্যা করা হল। অপ্রিছনিকরা টিভার লুঠ করল। লুবলিন ইউনিয়ন পোল্যান্ড ও লিথুয়ানিয়াকে এক করল লুবলিন ইউনিয়ন। আস্ত্রাখান দখল করতে ব্যর্থ হল ওসমানি সুলতানশাহি।
১৫৭০ নভগরদ হত্যাযজ্ঞ।*
* একটি পাবলিক স্কোয়ারে ইভান ভিসকোভাতি এবং ১০০ জনেরও বেশি কর্মকর্তা ও বন্দীদের নির্যাতন করলেন ও মৃত্যুদণ্ড দিলেন ইভান দ্য টেরিবল। অপ্রিছনিনার নেতা আলেক্সেই বাসমানভকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হল।
১৫৭১ অপ্রিছনিনার নেতা মিলিউতা স্কুরাতভের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করলেন ইভান দ্য টেরিবল। মস্কোয় ধবংসযজ্ঞ চালালেন ক্রিমীয় তাতাররা।
১৫৭২ মেট্রোপলিটান কিরিলের মৃত্যু।
১৫৭৫ সেমেন বেকবুলাতোভিচের পক্ষে সিংহাসন ত্যাগ করলেন ইভান।
১৫৭৬ মসনদে পুনরায় আসীন হলেন ইভান।
১৫৮০-৮১ কৃষক আন্দোলন নিয়ন্ত্রণ করা “নিষিদ্ধ বছরগুলোর” সূচনা।
১৫৮১ উত্তেজনার বশে নিজের বড় ছেলে ও মসনদের উত্তরাধিকারীকে খুন করলেন ইভান দ্য টেরিবল।
সাইবেরিয়া জয় করতে শুরু করল রুশরা।
১৫৮২ সিবিরের খানকে পরাস্ত করলেন এরমাক তিমোফিভিচ।
১৫৮৩ লিভোনীয় যুদ্ধের অবসান।
১৫৮৪ ইভান দ্য টেরিবলের মৃত্যু।
১৫৮৪-৯৮ মস্কোভিয়ার জার, রুরিকীয় রাজবংশের শেষ শাসক, ফেদরের রাজত্বকাল।
১৫৮৬ নতুন মেট্রোপলিটান হলেন ইয়োব।
১৫৮৯ প্যাট্রিয়ার্কেট প্রতিষ্ঠিত হল। মস্কো ও সারা রাশিয়ার প্রথম প্যাট্রিয়ার্ক হলেন ইয়োব।
১৫৯০-৯৫ রুশ-সুইডিশ যুদ্ধ।
১৫৯১ উগলিচের যুবরাজ দিমিত্রির মৃত্যু। ক্রিমীয় তাতাররা মস্কো আক্রমণ করল। কিন্তু এবার তাঁরা পরাজিত হল।
১৫৯২-৩ অস্থায়ী ডিক্রি। জমির সাথে বাঁধা পড়ল সমগ্র রুশ কৃষক।
১৫৯৬ ব্রেস্ত ইউনিয়ন (ইউনিয়েট চার্চ)।
১৫৯৭ পঞ্চবার্ষিক সীমাবদ্ধতা আইন।
১৫৯৮ ফেদরের মৃত্যু, রুরিক রাজবংশের অবসান।
১৫৯৮-১৬১৩ গণ্ডগোলের বছরগুলো।
১৫৯৮-১৬০৫ মস্কোভিয়ার জার বরিস গদুনভের রাজত্বকাল।
১৬০০ রোমানভদের গ্রেপ্তার ও নির্বাসিত করা হল।
১৬০১-৩ দুর্ভিক্ষ।
১৬০১-১৮০০ রাশিয়া, প্রুশিয়া, ও হাপসবুর্গ রাজতন্ত্রের উত্থানের ফলে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বহীন হয়ে পড়ল পোল্যান্ড-লিথুয়ানিয়া।
১৬০২ উচ্চশিক্ষা লাভ করতে ১৮ জন তরুণকে ইওরোপে পাঠালেন গোদুনভ।
১৬০৩ খোলোপকো চাষী বিদ্রোহ।
১৬০৪ প্রথম ভুয়ো দিমিত্রির আবির্ভাব।
১৬০৫ ভুয়ো দিমিত্রিকে পরাস্ত করলেন গোদুনভ। গোদুনভের আকস্মিক মৃত্যু। ৬ মাস রাজত্ব করলেন তাঁর ছেলে ফেদর। মস্কোয় ঢুকলেন ভুয়ো দিমিত্রি। খুন হলেন ফেদর আর তাঁর মা। নতুন জার হলেন ভুয়ো দিমিত্রি।
১৬০৫-৬ জার হিসেবে প্রথম ভুয়ো দিমিত্রির রাজত্বকাল।
১৬০৬ ভুয়ো দিমিত্রি ও মারিনা ম্নিসজেখের বিয়ে। মস্কো অভ্যুত্থান। খুন হলেন দিমিত্রি, পালিয়ে গেলেন মারিনা।
১৬০৬-০৭ ইভান বলৎনিকভের নেতৃত্বে একটি কৃষক বিদ্রোহ।
১৬১৩-১৯১৭ রোমানভ রাজবংশ।
১৬১৩ জানুয়ারি জেমস্কি সভোরয়ের সভা বসল।
ফেব্রুয়ারি মিখাইল রোমানভকে জার নির্বাচিত করল জেমস্কি সভোর।
জুলাই মুকুট পরলেন মিখাইল।
১৬১৩-৪৫ প্রথম মিখাইল রোমানভের রাজত্বকাল।
১৬১৩-১৭ রাশিয়া আর ডেনমার্কের সাথে স্বীয় পিতার যুদ্ধগুলোর ইতি টানলেন সুইডেনের গুস্তাভাস অ্যাডলফাস।
১৬১৭ স্তোলবোভো চুক্তি। সুইডেনের সাথে। নভোগরদ ফিরে পেল মস্কো।
১৬১৮ দেউলিনো চুক্তি। পোল্যান্ডের সাথে। মস্কোয় পোল হামলার অবসান। স্মলেনস্ক ও ছেরনিগভ পোল্যান্ডের দখল থাকল।
১৬১৯ পোল্যান্ড থেকে মস্কোয় ফিরে এলেন ফিলারেত রোমানভ। তাঁকে দেশটির অর্থোডক্স গির্জার গোত্রপিতা করা হল। সরকার চালাচ্ছেন ফিলারেত।
১৬৩০ প্রবর্তন করা হল নিউ ফর্মেশন রেজিমেন্টস।
১৬৩১ বৈকাল হ্রদে পৌঁছে গেল কসাকরা।
১৬৩২-৩৪ পোল্যান্ডের সাথে স্মলেনস্ক যুদ্ধ।
১৬৩৩ ফিলারেতের মৃত্যু।
১৬৩৪ পোলিয়ানোভকার সাথে “শ্বাশ্বত” চুক্তি। স্মলেনস্ক পোল্যান্ডের দখলে থাকল। মস্কোভিয়ার সিংহাসন দাবি করলেন নয়া পোল রাজা দ্বিতীয় ভ্লাদিস্ল।
১৬৩৮ জাপোরোঝ কসাকদের বিদ্রোহের অবসান। প্রশান্ত মহাসাগর তক পৌঁছে গেল কসাকরা।
১৬৪৫-৭৬ আলেক্সিস রোমানভের রাজত্বকাল।
১৬৪৮ মস্কো অভ্যুত্থান। আগুনে শহরটির অধিকাংশ জায়গা ধবংস হয়ে গেল। প্রভাবশালী বয়ারদের বিশেষাধিকার ও উচ্চ করের বিরুদ্ধে কোজলভ, ভোরোনেঝ, কুর্স্ক, উস্তিউগ ভেলিকি, এবং অন্যান্য নগর ও অঞ্চল ধবংস হয়ে গেল। বসল ভূমি সংসদ। ইউক্রেনের কসাক সেনানায়ক বোহদান খমেলনিৎস্কির বিদ্রোহ শুরু। ইউক্রেনে হত্যাযজ্ঞের শিকার হলেন হাজার হাজার ইহুদি।
১৬৪৯ অ্যালেক্সিস রোমানভ একটি নতুন আইনবিধি (Соборное уложение : সভোরনয়ে উলুঝিয়েনি) জারি করলেন, যা রুশ চাষীদের ভূমিদাসত্ব চূড়ান্ত ও নিশ্চিত করল।
১৬৫০ পেশকভ ও নভোগরদ অভ্যুত্থান।
১৬৫১ খমেলনিৎস্কিকে পরাস্ত করল পোলরা।
১৬৫২ অর্থোডক্স গির্জার গোত্রপিতা হিসেবে নিয়োগ পেলেন নিকোন।
১৬৫২-৫৬ মস্কো ক্রেমলিনে নির্মিত হল চার্চ অফ দ্য টুয়েলভ অ্যাপোসলস।
১৬৫৩ ইউক্রেনকে রুশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করে নেয়ার পক্ষেবিপক্ষে ভোটাভুটি করতে শেষবারের মত ডাকা হল জেমস্কি সভোর। ডাকিনিবিদ্যা চর্চার সাজা নির্ধারণ করা হল মৃত্যুদণ্ড।
১৬৫৪-৫৭ মস্কোয় প্লেগ।
১৬৫৪-৬৭ পোল্যান্ডের সাথে রাশিয়ার ৩০ বছরের যুদ্ধ।
১৬৫৪ পেরেয়াস্লাভ চুক্তি। পেরেয়াস্লাভল ইউনিয়নে পূর্ব ইউক্রেনের সুরক্ষার দায়ভার গ্রহণ করল মস্কো। সামরিক সহায়তার বিনিময়ে জার অ্যালেক্সেই রোমানভের প্রতি আনুগত্য স্বীকার করতে বাধ্য হলেন ইউক্রেনের কসাক সেনানায়ক বোহদান খমেলনিৎস্কি।
১৬৫৭ খমেলনিৎস্কির মৃত্যু।
১৬৫৮ নিজ কার্যালয় ও মস্কো ছেড়ে গেলেন নিকোন।
১৬৬২ কপার দাঙ্গা।
১৬৬২-৬৪ বাশকিরদের মধ্যে বিদ্রোহ।
১৬৬৬-৬৭ চার্চ পরিষদ নিকোনের সংস্কারগুলো বজায় রাখল। নিন্দিত হল “পুরনো বিশ্বাস”। নিকোনকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরখাস্ত করা হল। পুরনো বিশ্বাসের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করাটাকে স্টেট ক্রাইম হিসেবে বিধিবদ্ধ করা হল।
১৬৬৭ আর্দ্রুৎসোভো চুক্তি। ইউক্রেনকে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিল পোল্যান্ড ও রাশিয়া। দুই বছরের জন্য কিয়েভ আর পূর্ব ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণ লাভ করল রাশিয়া, যা সে পরে পরিত্যাগ করতে অস্বীকার করে।
১৬৬৮-৭৬ পুরনো বিশ্বাস টিকিয়ে রাখতে সোলোভেৎস্কি মঠের বিদ্রোহ।
১৬৬৯ রাজিনের আস্ত্রাখান বিজয়।
১৬৭০-৭১ স্তেনকা রাজিনের বিদ্রোহ।
১৬৭০ সিমবির্স্কে পরাস্ত হলেন রাজিন।
১৬৭১ দনে রাজিনকে পাকড়াও করা হল। ধরে আনা হল মস্কোয়। সেখানে তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
১৬৭২-১৭২৫ প্রথম পিটার।*
* পিটার দ্য গ্রেট নামেই অধিক পরিচিত। রুশ ইতিহাসের প্রথম বহির্মুখী শাসক বলে বিবেচিত হন। তাঁর শাসনামলেই রাশিয়ার আধুনিকীকরণের সূচনা হয়।
১৬৭৬ আলেক্সেই রোমানভের মৃত্যু।
১৬৭৬-৮২ তৃতীয় ফিদওরের রাজত্বকাল।
১৬৭৬-৮১ মস্কোভিয়া-ওসমানি যুদ্ধ।
১৬৮২ স্ত্রেলৎসি বিদ্রোহ। আভাকুমের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হল। মেস্তনিশেস্তভোর অবসান। পঞ্চম ইভান ও পিটার দ্য গ্রেটকে যৌথ শাসক হিসেবে বাছাই করা হল।
১৬৮২-১৭২১ নিখিল রাশিয়ার জার হিসেবে পিটার দ্য গ্রেটের রাজত্বকাল।
১৬৯৬ ওসমানি সুলতানশাহির কাছ থেকে আজভ ছিনিয়ে নিল রাশিয়া।
১৬৯৭-৯৮ ইওরোপ জুড়ে পিটার দ্য গ্রেটের মহাদূতাবাস সফর।
১৬৯৮ সেপ্টেম্বর ৪ মস্কোয় ফিরে এল পিটার দ্য গ্রেটের মহাদূতাবাস।
১৭০০ জুলিয়ান পঞ্জিকা গ্রহণ করে নিলেন পিটার দ্য গ্রেট। ওসমানি সুলতানশাহির সাথে শান্তিচুক্তি পাকা করল রাশিয়া। যুদ্ধ ঘোষণা করল সুইডেনের বিরুদ্ধে।
১৭০০-২১ রুশ-সুইডিশ যুদ্ধ।
১৭০১ রাশিয়ার প্রথম সেক্যুলার আকাদেমি প্রতিষ্ঠা করা হল।*
* বর্তমান সেইন্ট পিটার্সবুর্গস্থ গণিত ও নাবিকবিদ্যার ইশকুল।
১৭০১-০৪ রাশিয়ায় শিল্পায়নের শুরুয়াত।
১৭০২ বিদেশিদের রাশিয়ায় স্বাগত জানালেন পিটার দ্য গ্রেট।
জানুয়ারি লিভোনিয়ার পূর্বাঞ্চলের এরেস্তফারে রাশিয়া তাঁদের শেষ বড় আকারের বিজয় লাভ করল।
১৭০৩ সুইডেনের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়া বাল্টিক উপকূলের ভূখণ্ডে প্রতিষ্ঠা করা হল সেইন্ট পিটার্সবুর্গ।
১৭০৪ রাশিয়ার সাবেক রাজপ্রতিনিধি গ্র্যান্ড ডাচেস সোফিয়ার মৃত্যু।
১৭০৭-০৮ কন্দ্রাতি বুলাভিনের নেতৃত্বে দেখা দিল কসাক বিদ্রোহ।
১৭০৭ মার্তা স্কাভরোনস্কায়াকে গোপনে বিয়ে করলেন পিটার দ্য গ্রেট।
১৭০৮ রাশিয়াকে ৮টি প্রাদেশিক গভর্নরেটে ভাগ করলেন পিটার দ্য গ্রেট।
১৭০৯ পলতাভার যুদ্ধ। সুইডেনের দ্বাদশ চার্লসকে পরাস্ত করলেন রাশিয়ার পিটার দ্য গ্রেট।
১৭১১ প্রুথ নদীর যুদ্ধে তুর্কিদের পরাস্ত করলেন পিটার দ্য গ্রেট। কিন্তু এই যুদ্ধেই আজভের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারায় রাশিয়া।
১৭১১-৬৫ মহান রুশ বিজ্ঞানী মিখাইল লোমোনোসভের জীবন।
১৭১২ মার্তা স্কাভরোনস্কায়াকে দ্বিতীয়বারের মত বিয়ে করলেন পিটার দ্য গ্রেট — এবার প্রকাশ্যে। রাশিয়ার নতুন রাজধানী হল সেইন্ট পিটার্সবুর্গ।
১৭১৪ সুইডেনের বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌযুদ্ধে জিতল রাশিয়া।
১৭১৫ এ সময় থেকে রুশরা সক্রিয়ভাবে কাজাখস্তানে সামরিক ঘাঁটি বসাতে লাগল এবং বসতিস্থাপন করতে লাগল।
১৭১৭ খিভা দখলের রুশ প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে গেল।
১৭১৮ রুশ চাষীদের ওপর সামন্তবাদ আরো জেঁকে বসল। সতর্ক আদমশুমারি পরিচালিত। জার পিটার দ্য গ্রেটের বিরুদ্ধে কথিত ষড়যন্ত্রের তদন্ত চলাকালে নির্যাতনের কারণে মারা গেলেন মসনদের উত্তরাধিকারী অ্যালেক্সিস।
১৭১৮-২১ রাশিয়া আর সুইডেনের মধ্যে শান্তি প্রচেষ্টা।
১৭২১-১৭২৫ রাশিয়ার সম্রাট হিসেবে পিটার দ্য গ্রেটের রাজত্বকাল।
১৭২১ রাশিয়ায় দুগভোনি রেগলামেন্ট।*
* যা গির্জাকে কার্যত রাষ্ট্রের অধীনে নিয়ে আসে।
আগস্ট ৩০ নিস্তাদের চুক্তি। সুইডেনের সাথে রাশিয়ার যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক অবসান ঘটাল। বাল্টিক উপকূল ঘেঁষা সুইডিশ ভূখন্ড রাশিয়ার অন্তর্ভুক্ত করে নেয়াকে বৈধতা দিল।
সাম্রাজ্যিক রাশিয়া
১৭২১-১৯১৭ সাল

১৭২১-১৯১৭ সাম্রাজ্যিক রাশিয়া।
১৭২২ টেবিল অফ র্যাংকস। সাম্রাজ্যিক রাশিয়ার দরবার, সরকার, আর সেনাবাহিনীর পদমর্যাদাভিত্তিক র্যাংক তৈরি করলেন সম্রাট পিটার দ্য গ্রেট।
১৭২২-২৩ রুশ-পারস্য যুদ্ধ।
১৭২৪-১৮০৪ ইম্মানুয়েল কান্ট।*
* আলোকায়নের যুগের মশহুর জার্মান দার্শনিক। জন্ম পূর্ব প্রুশিয়ার কনিসবার্গে। যা বর্তমান রাশিয়ার কালিনিনগ্রাদ।
১৭২৫ প্রথম ক্যাথরিন হিসেবে রাশিয়ার সম্রাজ্ঞী হলেন মার্তা স্কাভরোনস্কায়া।
১৭৩১-৪২ পুবদিক থেকে সম্ভাব্য মঙ্গোল আক্রমণ প্রতিহত করতে জাতিগত কাজাখদের তিন জুজের খানরা রাশিয়ার সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিবদ্ধ হল।
১৭৪১-৬১ সম্রাজ্ঞী এলিজাবেথের রাজত্বকাল।
১৭৪৪ জুন ২৯ আনুষ্ঠানিকভাবে তৃতীয় পিটারের বাগদত্তা হলেন ক্যাথরিন দ্য গ্রেট।
আগস্ট ২১ রাশিয়ার তৃতীয় পিটার ও ক্যাথরিন দ্য গ্রেটের বিয়ে।
১৭৫৪-৬২ ইতালীয় স্থপতি বার্তোলোমিও রাসত্রেল্লি কর্তৃক নির্মিত হল শীত প্রাসাদ।
১৭৫৫ মিখাইল লোমোনোসভের তাড়নায় প্রতিষ্ঠিত হল মস্কো বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭৫৬-৬৩ সপ্তবর্ষীয় যুদ্ধ।
১৭৬১-৬২ তৃতীয় পিটারের রাজত্বকাল।*
* স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি, এক ক্যুদেতায় মারা যান।
১৭৬২ বাধ্যতামূলক রাষ্ট্রকর্মের দায় থেকে অভিজাত শ্রেণিকে অব্যাহতি দিলেন জার তৃতীয় পিটার। সপ্তবর্ষীয় যুদ্ধ থেকে রাশিয়াকে বের করে আনলেন। প্রুশিয়াকে রক্ষা করলেন।
জানুয়ারি ৫ তৃতীয় পিটারকে মুকুট পরানো হল।
জুন ২৮ তৃতীয় পিটারকে উৎখাত করলেন ক্যাথরিন দ্য গ্রেট। রুশ সাম্রাজ্যিক সেনাবাহিনী তাঁকে রাশিয়ার সম্রাজ্ঞী ঘোষণা করল।
সেপ্টেম্বর ২২ দ্বিতীয় ক্যাথরিন হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে মুকুট পরলেন ক্যাথরিন দ্য গ্রেট।
১৭৬২-৯৬ দ্বিতীয় ক্যাথরিনের রাজত্বকাল।*
* জারিনা ক্যাথরিন দ্য গ্রেট নামেই অধিক পরিচিত।
১৭৬৬ নাকাজ, রাশিয়ার আইনবিধি সংস্কারের ফরমান জারি করলেন ক্যাথরিন।
১৭৬৮-১৭৭৪ রুশ-তুর্কি যুদ্ধ।*
* এই যুদ্ধের পরিসমাপ্তি হয় কুচুক কাইনারজি চুক্তিতে, যা সাম্রাজ্যিক রাশিয়াকে কৃষ্ণসাগরের উত্তরে বিপুল ভূখণ্ডগত সহায়তা প্রদান করে।
১৭৭২ পোল্যান্ডের প্রথম পার্টিশন।
১৭৭২-৯৫ ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চল সাম্রাজিক রাশিয়ার হাতে এল।
১৭৭৩-৭৫ ইয়েমেলিয়ান পুগাচেভের নেতৃত্বে কসাক ও কৃষক বিদ্রোহ।*
* রাশিয়ার ইতিহাসের বৃহত্তম চাষী বিদ্রোহ বিবেচিত হয়।
১৭৭৫ জারিনা ক্যাথরিন দ্য গ্রেটের সেনাবাহিনী বিদ্রোহী কসাক রাজ্য জাপোরিঝীয় সিখ ধবংস করে দিল। প্রাদেশিক সরকারগুলোর সংস্কার।
১৭৮১-৮৬ ইউক্রনকে সম্পূর্ণভাবে রুশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করা হল, একইসময় ক্রিমিয়াকে আত্মসাৎ করে নিল রাশিয়া।
১৭৮৩ পূর্ব জর্জিয়া রাশিয়ার আশ্রিত রাজ্যে পরিণত হল। ক্রিমীয় খানাত দখল করে নিল রাশিয়া।
১৭৮৪ আলাস্কায় রুশদের বসতিস্থাপন।
১৭৮৫ আভিজাত্যের সনদ জারি করলেন সম্রাজ্ঞী ক্যাথরিন। এই সনদ অভিজাত শ্রেণির বিশেষাধিকারগুলো বিধিবদ্ধ করে। সেগুলোকে মজবুত করে তোলে।
১৭৮৭-৯১ তুরস্কের সাথে যুদ্ধ, রুশ ভূখণ্ডের পরিমাণ বাড়ল।
১৭৮৮-৯০ রুশ-সুইডেন যুদ্ধ।
১৭৯০ আলেকজান্দার রাদিশচেভ, আ জার্নি ফ্রম সেইন্ট পিটার্সবুর্গ টু মস্কো।*
* কিছুদিনের মধ্যেই তাঁকে সাইবেরিয়ায় নির্বাসিত করা হয়।
১৭৯১ প্রুশিয়ার সাথে একটা সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে গেল রাশিয়া।
১৭৯২ ওডেসার পত্তন, নিকোলাই নোভিকভকে গ্রেফতার করা হল।
১৭৯২-১৮৫৬ মহান রুশ গণিতবিদ নিকোলাই লোবাশেভস্কির জীবনকাল।
১৭৯৩ পোল্যান্ডের দ্বিতীয় পার্টিশন।
১৭৯৩-৯৫ রাশিয়া নীপার নদীর দক্ষিণ তীর ও ভলহিনা দখল করে নিল।
১৭৯৫ পোল্যান্ডের তৃতীয় পার্টিশন।
১৭৯৬ রুশ-পারস্য যুদ্ধ।*
* এই সংঘাতের অবসানের আগেই ক্যাথরিনের মৃত্যু হয়।
১৭৯৬-১৮০১ প্রথম পলের রাজত্বকাল।*
* স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি, এক ক্যুদেতায় মারা যান।
১৭৯৯-১৮৩৭ মহান রুশ সাহিত্যিক আলেকজান্দার পুশকিনের জীবনকাল।
১৮০১-২৫ প্রথম আলেকজান্দারের রাজত্বকাল।
১৮০৩ “মুক্ত কৃষিজীবীদের” ডিক্রি জারি করলেন প্রথম আলেকজান্দার। রুশ চাষীদের ভূমিদাসত্ব থেকে মুক্তির পক্ষে পদক্ষেপ। যদিও ক্ষমতাটা জমিদারদের হাতেই রেখে দেয়া হয়।
১৮০৪-১৩ রুশ-পারস্য যুদ্ধ।
১৮০৫-০৭ নেপোলিয়ন বোনাপার্তের ফ্রান্সের সাথে যুদ্ধে জড়াল রাশিয়া।
১৮০৬-০৯ রুশ-তুর্কি যুদ্ধ।
১৮০৭ জুন ২৫ শান্তির শর্তাবলী নিয়ে আলোচনা করতে নিয়েমেন নদীর ওপর একটা ভেলায় সাক্ষাৎ করলেন ফ্রান্সের প্রথম নেপোলিয়ন ও রাশিয়ার প্রথম আলেকজান্দার।
জুলাই ৭ তিলসিত চুক্তি, গঠিত হল একটি ফ্রাঙ্কো-রুশ ঐক্যজোট।
৭-৯ তিলসিত চুক্তি চতুর্থ কোয়ালিশনের যুদ্ধের অবসান ঘটায়। প্রুশিয়া ফ্রান্সের অধীনে চলে গেল। পোল্যান্ডে প্রতিষ্ঠা করা হল ওয়ারশ ডাচি।
১৮১০ ডিসেম্বর ৩১ মহাদেশীয় ব্যবস্থা থেকে রাশিয়াকে বের করে আনলেন প্রথম আলেকজান্দার।
১৮০৯-৫২ মহান রুশ সাহিত্যিক নিকোলাই গোগোলের জীবনকাল।
১৮১২-১৫ রুশ-ফরাসি যুদ্ধ।
১৮১২ জুন নেপোলিয়ন বোনাপার্তের রাশিয়া আক্রমণ।
১২ নিয়েমেন নদী অতিক্রম করল নেপোলিয়নের বিশাল বাহিনী।
২৮ ভিলনিয়াস দখল করলেন নেপোলিয়ন।
আগস্ট ১৬-১৮ স্মলেনস্কের সমর। বার্কলে দে টলির সাথে লড়াই করলেন নেপোলিয়ন। ফরাসিরা শহরটি সাময়িকভাবে দখল করতে সমর্থ হয়। রুশরা পিছু হঠে। অব্যাহত থাকে তাঁদের ওয়ার অফ অ্যাট্রিশন।
সেপ্টেম্বর ৭ বোরোদিনের সমর। কুতুজোভের রুশ বাহিনীর সাথে নেপোলিয়নের গ্র্যান্ড আর্মির সংঘর্ষ।
১৪-১৮ খুব সাময়িকভাবে মস্কো দখলে রাখতে পারলেন নেপোলিয়ন। শহরটিতে অগ্নিকাণ্ড। শান্তি প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থতার পর পিছু হঠার হুকুম দিলেন।
অক্টোবর ২৪ মারোইয়ারোস্লাভেৎজের সমর। জিতলেন নেপোলিয়ন। কিন্তু বিধ্বস্ত স্মলেনস্কের পথ ধরে তাঁকে পিছু হঠতে হল।
নভেম্বর ৯ মস্কো থেকে পিছু হঠার সময় স্মলেনস্কে পৌঁছালেন নেপোলিয়ন।
২৬-২৯ গ্র্যান্ড আর্মির বেরেজিনা নদী নাটকীয় পারাপারের সমাপ্তি, অল্পের জন্য ধবংসের হাত থেকে বেঁচে গেল।
ডিসেম্বর ৫ প্যারিসের উদ্দেশ্যে রওনা করলেন নেপোলিয়ন বোনাপার্তে। জোয়াখিম মুরাতের হাতে তুলে নিয়েন গ্রান্ড আর্মির নিয়ন্ত্রণ। বিপর্যয়কর রুশ অভিযানের অবসান।
ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা মিখাইল স্পেরানস্কিকে বরখাস্ত করলেন আলেকজান্দার।
১৮১৩ ফেব্রুয়ারি ২৮ কালিশ চুক্তি। নেপোলিয়নের বিরুদ্ধে জোট বাঁধল প্রুশিয়া ও রাশিয়া।
১৮১৪ রুশ সেনাবাহিনী প্যারিসে প্রবেশ করল।
১৮১৪-৪১ মহান রুশ কবি, কথাসাহিত্যিক, ও চিত্রকর মিখাইল লেরমন্তভের জীবনকাল।
১৮১৫ অস্ট্রিয়া আর প্রুশিয়ার সাথে পবিত্র জোট গঠন করলেন জার প্রথম আলেকজান্দার।
১৮১৬-১৯ সাম্রাজ্যিক রাশিয়ার বাল্টিক প্রদেশগুলোতে ভূমিদাসত্বের বিলোপসাধন করা হল। কিন্তু চাষীরা জমির মালিকানা পেল না। তাই এই মুক্তি স্রেফ কাগুজেই রয়ে গেল।
১৮১৮-৮৩ রুশ কথাসাহিত্যিক ইভান তুর্গেনেভের জীবনকাল।
১৮২০-৮০ রুশ কথাসাহিত্যের স্বর্ণযুগ।
১৮২১-৮১ রুশ কথাসাহিত্যিক ফিওদর দস্তয়ভস্কির জীবনকাল।
১৮২২-৬৮ রুশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে জাতিগত কাজাখদের অগণিত বিদ্রোহ।
১৮২৫ ডিসেম্বর জার প্রথম আলেকজান্দারের মৃত্যু।
২৬ ডেকাব্রিস্ট (ডিসেম্বরবাদী) বিদ্রোহ, লিবারেল সেনাকর্মকর্তা ও তরুণ অভিজাতদের নেতৃত্বে।
১৮২৫-৫৫ প্রথম নিকোলাসের রাজত্বকাল।
১৮২৬ গোপন পুলিশ “সাম্রাজ্যিক মহারাজের নিজস্ব চ্যান্সেলারির তৃতীয় বিভাগ” (Третье отделение Собственной Его Императорского Величества канцелярии : তৃতীয়ে ওৎদেলেনিয়ে সবসভেনয় ইয়েগো ইম্পেরাতোরস্কোগো ভেলিশেস্তভা কান্সেলিয়ারি) গঠন করা হল। সেইন্ট পিটার্সবুর্গ আর জারকোয়ে সেলোর মধ্যে রাশিয়ার প্রথম রেলরাস্তা বসান হল।
১৮২৭-২৯ রুশ-তুর্কি যুদ্ধ। রাশিয়ার বিজয় ও আদ্রিয়ানোপোল চুক্তির মধ্য দিয়ে শেষ হল।
১৮২৮-১৯১০ রুশ কথাসাহিত্যিক লিও তলস্তয়ের জীবনকাল।
১৮৩০-৩১ সাম্রাজ্যিক রাশিয়ার বিরুদ্ধে পোল বিদ্রোহ।
১৮৩৪-১৯০৭ রুশ রসায়নবিদ দিমিত্রি মেন্দেলেভের জীবনকাল।
১৮৩৫ প্রথম রুশ দূত জান উইতকিয়েভিৎজ কাবুল পৌঁছলেন।
১৮৪০-৪৯ রুশ বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে মতাদর্শিক দ্বন্দ্ব দেখা দিল। এই দ্বন্দ্বের একদিকে ছিলেন ঐতিহ্যের অনুরাগী স্লাভোফিলরা। অন্যদিকে আধুনিকতাকামী পশ্চিমারা।
১৮৪১-৯৩ রুশ গীতিকার পিওতর চাইকোভস্কির জীবনকাল।
১৮৪৪-১৯৩০ রুশ চিত্রকর ইলিয়া রেপিনের জীবনকাল।
১৮৪৫ নতুন একটি ফৌজদারি আইনবিধি তৈরি করা হল যার ৫৪ পৃষ্ঠা জুড়ে দেয়া হল রাজনৈতিক অপরাধের একটা ফিরিস্তি।
১৮৪৯-১৯৩৬ রুশ চিকিৎসক ও শারীরতাত্ত্বিক ইভান পাভলভের জীবনকাল।
১৮৪৬ “আধুনিক জলবায়ুতত্ত্বের জনক” খ্যাত ভ্লাদিমির কোপেনের জন্ম।
১৮৫১ সেইন্ট পিটার্সবুর্গ ও মস্কোকে সংযুক্ত করা রেলরাস্তার উদ্বোধন।
১৮৫৩-১৮৫৬ ক্রিমিয়া যুদ্ধ। একপক্ষে ছিল সাম্রাজ্যিক রাশিয়া, আর অপরপক্ষে ছিল ওসমানি সুলতানশাহি, গ্রেট ব্রিটেন, ও ফ্রান্স। প্যারিস চুক্তির মাধ্যমে এই যুদ্ধের অবসান ঘটে।*
* ক্রিমিয়া যুদ্ধের সাথে উপমহাদেশের বিচিত্র সম্পর্ক আছে। ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহের অন্যতম নেতা আজিমুল্লাহ খান ক্রিমিয়া যুদ্ধে রুশদের হাতে ইংরেজদের মার খাওয়ার ঘটনায় উদ্দীপিত হয়েছিলেন। তিনি রুশ গোয়েন্দাদের সাথে যোগাযোগ করেন, যারা তাঁকে প্রতিশ্রুতি দেয়, ভারতবাসী ব্রিটিশ উপনিবেশিক শাসকদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করলে রাশিয়া তাতে মদত যোগাবে। (সেন ২০১৮)
১৮৫৪ রুশ সেনাবাহিনীর তৈরি করা একটি দুর্গকে ঘিরে গড়ে উঠল কাজাখস্তানের পুরনো রাজধানী আলমাতি।
১৮৫৫ প্রথম নিকোলাসের মৃত্যু।
১৮৫৫-৮১ দ্বিতীয় আলেকজান্দারের রাজত্বকাল।*
* ভূমিদাসত্বের বিলোপসাধন করায় “মুক্তিদাতা জার” হিসেবে পরিচিত।
১৮৫৭ লন্ডনে প্রকাশিত হল র্যাডিকাল জার্নাল দ্য বেল।
১৮৫৮ ইমাম শামিল আর তাঁর যোদ্ধাদের পরাজয়। চেচনিয়া দখল করে নিল সাম্রাজ্যিক রাশিয়া।
১৮৬০ রাশিয়া কাজাখস্তানকে কয়েকটি প্রশাসনিক অঞ্চলে ভাগ করল।
১৮৬০-১৯০০ বর্তমান তাজিকিস্তানকে এ সময় দুভাগে ভাগ করা হয়। উত্তরাঞ্চল রুশ সাম্রাজ্যের অধীনস্ত হয়। দক্ষিণাঞ্চল থাকে বোখারার ইমারাতের হাতে।
১৮৬০-১৯০০ রুশ চিত্রকর আইজাক লেভিতানের জীবনকাল।
১৮৬০-১৯০৪ রুশ নাট্যকার আন্তন চেখভের জীবনকাল।
১৮৬১ মুক্তিপ্রদানের ফরমান জারি করলেন দ্বিতীয় আলেকজান্দার। ভূমিদাসত্ব থেকে মুক্তি পেল রুশ কৃষক। বৃহদায়তন নানান সংস্কার কর্মসূচির শুরুয়াত।
১৮৬৩ শিক্ষা সংস্কার রাশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্বায়ত্তশাসন পুনর্বহাল করল।
নিকোলাই চেরনিশেভস্কি, হোয়াট ইজ টু বি ডান?
১৮৬৪ স্থানীয় সরকারব্যবস্থা সংস্কারকল্পে (земство : জেমস্তভো) প্রতিষ্ঠা করা হল। আইন বিভাগের সংস্কার। যা এটিকে একটি স্বাধীন বিভাগে পরিণত করল।
১৮৬৪-১৯১৬ রুশ সাম্রাজ্যের তৎপরতায় হাজার হাজার রুশ ও ইউক্রেনীয় চাষী এসময় কাজাখস্তানে বসতিস্থাপন করেন।
১৮৬৫-১৯১১ রুশ চিত্রকর ভ্যালেন্তিন সেরোভের জীবনকাল।
১৮৬৫-৮১ রুশ সাম্রাজ্য তাশখন্দ দখল করে নিয়ে সাম্রাজ্যিক রাশিয়ার তুর্কেস্তান প্রদেশের রাজধানী বানাল। বোখারা ও খিভাকে ব্রিটিশ প্রটেক্টরেট বানান হল, কোকান্দকে সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করে নেয়া হল। মূলত এসময়ই মধ্য এশিয়া রাশিয়ার প্রভাববলয়ে ঢোকে।
১৮৬৬ জার দ্বিতীয় আলেকজান্দারের ওপর আততায়ী হামলা।
১৮৬৮-১৯৩৬ রুশ ও সোভিয়েত কথাসাহিত্যিক ম্যাক্সিম গোর্কির জীবনকাল।
১৮৬৭ রাশিয়ার কাছ থেকে আলাস্কা কিনে নিল যুক্তরাষ্ট্র।*
* এর জন্য খরচ পড়েছিল ৭.২ মিলিয়ন ডলার।
১৮৬৯ লেভ তলস্তয়, ওয়ার অ্যান্ড পীস।
সের্গেই নেচায়েভ, দ্য রেভল্যুশনারি ক্যাটেশিজম।
১৮৭০ মার্চ ২৪ প্রথম আন্তর্জাতিকের রুশ শাখার উদ্দেশ্যে এক ঘোষণাপত্রে মার্কস লিখলেন, “আপনাদের দেশও আমাদের যুগের সাধারণ আন্দোলনে অংশ নিতে শুরু করেছে।”
সেপ্টেম্বর ১ ফ্রেডরিখ সর্জের কাছে এক চিঠিতে মার্কস লিখলেন, “প্রুশীয় নির্বোধরা যেটা দেখতে পাচ্ছে না সেটা হল, বর্তমান যুদ্ধ ঠিক ততটাই অনিবার্যভাবে জার্মানি-রাশিয়া যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে যতটা ১৮৬৬ সালের যুদ্ধ প্রুশিয়া- ফ্রান্স যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিয়েছিল। […] রাশিয়ার সাথে জোট বাঁধা ও তার বশ্যতা স্বীকার করা ছাড়া “প্রুশীয়বাদের” কোন অস্তিত্ব নেই, ছিলও না কোনদিন। আর এ ধরণের দ্বিতীয় একটা যুদ্ধ রাশিয়ায় অনিবার্য সামাজিক বিপ্লবের ধাত্রী হিসেবে কাজ করবে।”
নগর সরকারের সংস্কার।
১৮৭০-১৯২৪ রুশ বিপ্লবী লেনিনের, ভ্লাদিমির ইলিচ ইলিয়ানভ, জীবনকাল।
১৮৭০-১৯৫৩ রুশ ও সোভিয়েত কথাসাহিত্যিক ইভান বুনিনের জীবনকাল।
১৮৭২ ব্রিটিশ আর রুশরা যৌথভাবে আফগানিস্তানের উত্তর সীমান্ত নির্ধারণ করল। পুরো উনবিংশ শতাব্দী জুড়েই আফগানিস্তান নিয়ে যুক্তরাজ্য আর রাশিয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ববিবাদ লেগেই ছিল। আন্তর্জাতিক সম্পর্কে এটি গ্রেট গেম নামে পরিচিত।
প্রকাশিত হল মার্কসের দাস ক্যাপিটালের প্রথম বালামের রুশ সংস্করণ।
১৮৭২-১৯২৯ রুশ শিল্প সমালোচক সের্গেই দিয়াঘিলেভের জীবনকাল।
১৮৭৩-১৯৩৮ রুশ অপেরা গায়ক ফিওদর ছালিয়াপিনের জীবনকাল।
১৮৭৩-১৯৪৩ রুশ গীতিকার সের্গেই রাখমানিনফের জীবনকাল।
১৮৭৩ জানুয়ারি ২০ সের্গেই নেচায়েভকে মস্কোর এক আদালত সাইবেরিয়ায় ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের সাজা দিল। কিন্তু তাঁকে এর পরিবর্তে পিটার ও পল দুর্গে বন্দী করা হয়। যেখানে তিনি ১৮৮২ সালের ২১ নভেম্বর স্কার্ভি রোগে মারা যান।
নেচায়েভবাদ ছিল রুশ নৈরাজ্যবাদী তাত্ত্বিক মিখাইল বাকুনিনের তত্ত্বের এক ধরণের reductio ad absurdum। বিশেষত তাঁর দ্য রেভল্যুশনারি ক্যাটেশিজম, যেখানে তিনি “the end justifies the means” বা “the worse, the better”য়ের মত নৈতিকভাবে সমস্যাজনক ধ্যানধারণা প্রচার করেন। মার্কস এই “বিপ্লবী” ম্যাকিয়াভেলিবাদের কাছে নতি স্বীকার করতে রাজি ছিলেন না, তাই তিনি প্রথম আন্তর্জাতিক ভেঙে দিয়েছিলেন।
নিজের কথিত বৈপ্লবিক লক্ষ্যের প্রতি উন্মত্ত নিষ্ঠার জন্য খুনখারাপি, ব্ল্যাকমেইল, এমনকি কমরেডদের সাথে বেঈমানি করে তাঁদের পুলিশের কাছে ধরিয়ে দেয়ার মত চরম অনৈতিক চর্চা চালিয়ে যাওয়ায় কালক্রমে নেচায়েভের ওস্তাদ বাকুনিনও তাঁকে ত্যাগ করেন।
১৮৭৪ বসন্তকাল জনগণের কাছে যাওয়া (khozhdenie v narod) আন্দোলন।*
* মূলত উচ্চ ও মধ্য শ্রেণির বুদ্ধিজীবীদের নেতৃত্বে। যে কৃষক শ্রমিকের স্বার্থে এই আন্দোলনের সূচনা, তাঁদের ভেতর তেমন সাড়া ফেলল না। জার সরকার ভয়ংকর নিষ্ঠুর উপায়ে দমন করে।
সামরিক সেবার সংস্কার।
১৮৭৫ পিটার তাকাচয় তাঁর জার্নাল নাবাতয়ে বিপ্লবী কর্মোদ্যোগের মধ্য দিয়ে ক্ষমতা দখলের ডাক দেন, যা কৃষি সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী নারোদনিশেস্তোভো আন্দোলনের পক্ষে রাজনৈতিক শক্তি যোগায়।
১৮৭৬ গঠন করা হল ল্যান্ড অ্যান্ড লিবার্টি পার্টি (Земля и воля : জেমলিয়া ই ভলিয়া)।
রুশ সাম্রাজ্যে ইউক্রেনীয় সাহিত্য নিষিদ্ধ করা হল। রুশরা কোকান্দের উজবেক খানাত জয় করল, বর্তমান কিরগিজস্তানকে রুশ সাম্রাজ্যের অংশ করে নেয়া হল। ভূতত্ত্ববিদ লেভ বার্গের জন্ম।
১৮৭৭-৭৮ রুশ-তুর্কি যুদ্ধ, সান স্তেফানো চুক্তির মাধ্যমে শেষ হল। বার্লিন কংগ্রেসে এই চুক্তির ধারাগুলো সংশোধন করা হয়। যা সাম্রাজ্যিক রাশিয়ার ক্ষয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
১৮৭৭ ফেব্রুয়ারি-মার্চ ট্রায়াল অফ দ্য ফিফটি। প্রথম রুশ সর্বহারা হিসেবে বক্তৃতা দিলেন শ্রমিক পিটার আলেক্সেয়েভ।
১৮৭৮ জানুয়ারি ২৪ পিটার্সবার্গের প্রশাসক জেনারেল ত্রেপভ রাজবন্দীদের বেত্রাঘাতের হুকুম দিলেন। এঁর প্রতিক্রিয়ায় তাঁকে গুলি করে মারলেন ভেরা জাসুলিচ। পরবর্তীকালে মার্কসবাদে দীক্ষিত হন এবং পার্টি ভাগ হলে মেনশেভিকদের পক্ষ নেন।
মার্চ ৩ জনমতের চাপে জুরি জাসুলিচকে দোষী সাব্যস্ত করা থেকে বিরত থাকে, তিনি বিদেশে চলে যান।
আগস্ট ১৬ জেন্ডারমের প্রধান জেনারেল মেজেনৎসভকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করলেন বিপ্লবী সের্গেই মিখাইলোভিচ ক্রাভছিনস্কি।
১৮৭৮-১৯৫৩ রুশ বিপ্লবী স্তালিনের, জোসেফ ভিসারিয়নোভিচ জুগাশিভলি, জীবনকাল।
১৮৭৯ ল্যান্ড অ্যান্ড লিবার্টি পার্টির লিপেৎস্ক ও ভরোনেঝ কংগ্রেস। পার্টি দুই ভাগে ভাগ হয়ে গেল। সন্ত্রাসবাদীদের জনগণের ইচ্ছা (Наро́дная во́ля : নারোদনায়া ভলিয়া) দলের নির্বাহী কমিটি আর “রুশ মার্কসবাদের জনক” প্লেখানভের নেতৃত্বে আন্দোলনকারী।
এপ্রিল ১৪ জার দ্বিতীয় আলেকজান্দারকে হত্যা করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলেন সোলোভিয়ভ।
১৮৭৯-১৯৪০ রুশ বিপ্লবী ট্রটস্কির, লেভ দাভিদোভিচ ব্রনস্টেইন, জীবনকাল।
১৮৮০-১৯২১ রুশ ও সোভিয়েত কবি আলেকজান্দার ব্লকের জীবনকাল।
১৮৮০-১৯৩৪ রুশ ও সোভিয়েত কথাসাহিত্যিক আন্দ্রেই বেলির জীবনকাল।
১৮৮০ ফেব্রুয়ারি ১৬ জারের শীত প্রাসাদে একটি বিস্ফোরণ ঘটাতে সক্ষম হলেন বিপ্লবী স্তেপান খালতুরিন।
১৮৮১ মার্চ ১৩ জনগণের ইচ্ছা পার্টির নির্বাহী কমিটির হুকুমে গুপ্তহত্যার শিকার হলেন জার দ্বিতীয় আলেকজান্দার। গুপ্তহত্যার হুকুম কার্যকর হয় জনৈক জেনারেলের মেয়ের নেতৃত্বে। নাম সোফিয়া পেরোভস্কায়া।
রাজনৈতিক পুলিশ (Охрана : ওখরানা) পুনর্গঠন করা হল। সাম্রাজ্যের প্রজাদের ওপর সামরিক শাসনের সমতুল্য নতুন আইন চাপিয়ে দেয়া হল। রাশিয়ার প্রথম ইহুদিবিদ্বেষী পোগরোমগুলো* সংঘটিত হল।
* সংগঠিত হত্যালীলা ও লুণ্ঠনযজ্ঞ অর্থে ব্যবহৃত হয়।
গোক তেপের যুদ্ধে রুশদের কাছে তুর্কমানরা হেরে গেলে আজকের দিনের তুর্কমানিস্তান রুশ তুর্কিস্তানের অঙ্গীভূত করে নেয়া হল।
১৮৮১-৯৪ তৃতীয় আলেকজান্দারের রাজত্বকাল।
১৮৮১-১৯৩১ রুশ ব্যালে নাচ শিল্পী আনা পাভলোভার জীবনকাল।
১৮৮২-১৯০৪ ফিলিস্তিনে ইহুদিদের প্রথম আলিয়া, বা গণ অভিবাসন। ২৫,০০০ ইহুদি এ সময় ফিলিস্তিনে আসেন। মূলত রাশিয়া থেকে।
১৮৮২-১৯৭১ রুশ ও সোভিয়েত কবি ইগোর স্ত্রাভিনস্কির জীবনকাল।
১৮৮২ ভাসিলি ভরনৎসভ, দ্য ফেইট অফ ক্যাপিটালিজম ইন রাশিয়া।*
* বইটির মূল থিসিস: রুশ সমাজের পুঁজিবাদী বিকাশ সম্ভব না, তাই মার্কসবাদী আন্দোলন অর্থহীন। রাশিয়ার ভবিষ্যৎ কৃষি সমাজতন্ত্র, যার শেকড় নিহিত রয়েছে দেশটির অবশ্চিনা নামের গ্রাম কমিউনগুলোয়। ভরনৎসভের থিসিস প্রত্যাখ্যান করেন প্লেখানভ ও লেনিন; যাঁরা মনে করতেন, পুঁজিবাদের যন্ত্রণাদায়ক পথেই সমাজতন্ত্রের দিকে যেতে হবে।
১৮৮৩ শ্রমের মুক্তি গ্রুপকে সংগঠিত করলেন প্লেখানভ, জাসুলিচ, আক্সেলরদ, ডয়েটশ, ও ইগনাতভ। রাশিয়ায় বিলানোর জন্য সুইজারল্যান্ডে “লাইব্রেরি অফ কনটেম্পোরারি সোশালিজম” প্রকাশ করা শুরু করলেন।
জর্জি প্লেখানভ, সোশালিজম অ্যান্ড দ্য পলিটিকাল স্ট্রাগল।*
* এই বইয়ে প্লেখানভ কৃষি সমাজতন্ত্রীদের সমালোচনা করেন, এবং একটি সোশাল-ডেমোক্রেটিক লেবার পার্টি গঠনের নীতিমালা তুলে ধরেন।
১৮৮৪ কলেজ ছাত্র আর কতিপয় শ্রমজীবীকে নিয়ে পিটার্সবার্গে একটি সোশাল-ডেমোক্রেটিক চক্র সংগঠিত করলেন বুলগেরীয় দার্শনিক দিমিতার ব্লাগোয়েভ।
পৃথিবীর প্রথম তাপমাত্রাবলয়ের মানচিত্রটা বানালেন ভ্লাদিমির কোপেন।
১৮৮৬ জনগণের ইচ্ছা পার্টিকে নতুনভাবে সংগঠিত হতে সহায়তা করলেন লেনিনের বড় ভাই আলেক্সাজান্দার উলিয়ানভ। জারের গুপ্তহত্যার পর পার্টিকে ধবংস করা হয়েছিল। তাই এটা ছিল পার্টির জন্য এক পুনরুজ্জীবন।
১৮৮৭ মার্চ ১৩ জার দ্বিতীয় আলেকজান্দারের গুপ্তহত্যার ষষ্ঠ বার্ষিকীতে আলেকজান্দার উলিয়ানভের সন্ত্রাসবাদী দল জার তৃতীয় আলেকজান্দারকে গুপ্তহত্যার ব্যর্থ চেষ্টা চালায়।
মে ২০ লেনিনের ভাই ও নায়ক আলেক্সাজান্দার ও তাঁর সহযোগীদের শ্লিসেলবার্গ দুর্গে ফাঁসি দেয়া হল।
ডিসেম্বর ৫ ছাত্র বিদ্রোহী হিসেবে কাজান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত হলেন লেনিন।
১৮৮৮-৬৬ রুশ ও সোভিয়েত কবি আনা আখমাতোভার জীবনকাল।
১৮৮৯ প্যারিসে অনুষ্ঠিত হল দ্বিতীয় আন্তর্জাতিকের প্রতিষ্ঠাকালীন কংগ্রেস, যেখানে প্লেখানভ রুশ সোশাল-ডেমোক্রেসির প্রতিনিধি ছিলেন।
চাষীদের নিয়ন্ত্রণ করার জন্য নতুন আইন বানিয়ে ভূমি ক্যাপ্টেন পদ তৈরি করা হল।
১৮৯০ স্থানীয় সরকারব্যবস্থা জেমস্তভোর ওপর চাষীদের নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে এনে সরকারি নিয়ন্ত্রণ কায়েম করা হল। গোরি থিওলজিকাল স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পরীক্ষায় পাশ করলেন স্তালিন। তাঁর বাবা ভিসারিয়ন জুগাশিভলির মৃত্যু।
১৮৯০-১৯১৭ রুশ সংস্কৃতির রৌপ্যযুগ।
১৮৯১ ট্রান্স-সাইবেরীয় রেলরাস্তার নির্মাণকাজ শুরু হল।
১৮৯১-৯২ রাশিয়ায় দুর্ভিক্ষ। ১৮৮০র দশকের রাজনৈতিক জড়তার অবসান। শিল্পক্ষেত্রে সংকট দেখা দিল। উজোভকা ও লোদজে ধর্মঘট। ধর্মঘটীদের ওপর হত্যাযজ্ঞ চালানো হল।
১৮৯১-১৯৩৮ রুশ ও সোভিয়েত কবি ওসিপ মান্দেলশ্তামের জীবনকাল।
১৮৯২-১৯০৩ জারশাহির অর্থমন্ত্রী হিসেবে সের্গেই ভিত্তের দায়িত্বকাল। ভিত্তে অনেক রেলপথ বানিয়েছিলেন। ছিলেন শিল্পায়নের পক্ষপাতী।
১৮৯৩ ববরোভ ও সের্গেই চেরনভ* মিলে গঠন করলেন পিপল’স রাইটস পার্টি।
* কালক্রমে এসার আন্দোলনের শীর্ষস্থানীয় তাত্ত্বিক, কেরেনস্কির অধীনে অস্থায়ী সরকারের কৃষিমন্ত্রী, এবং ১৯১৮ সালে উৎখাত হওয়া গণপরিষদের প্রেসিডেন্ট।
কৃষি সমাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে যুক্তি প্রদর্শন করলেন লেনিন। সামারায় একটি সোশাল-ডেমোক্রেটিক চক্র সংগঠিত করতে সহায়তা করলেন। পিটার্সবার্গে শ্রমিক আন্দোলনকে দিকনির্দেশনা দিতে সেন্ট্রাল গ্রুপে যোগ দিলেন।
১৮৯৪ নোয়াহ জর্ডানিয়ার নেতৃত্বে ককেশাসের বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে মেসামে দাসি নামের একটি মার্কসবাদী গোষ্ঠীর আবির্ভাব।
নভেম্বর ২ জার তৃতীয় আলেকজান্দারের মৃত্যু।
লেনিন, হু আর দ্য ফ্রেন্ডস অফ দ্য পিপল অ্যান্ড হাউ দে ফাইট অ্যাগেইন্সট দ্য সোশাল-ডেমোক্রেটস।
পিটার স্ট্রুভ, ক্রিটিকাল নোটস অন দ্য কোশ্চেন অফ রাশিয়া’জ ইকোনমিক ডেভলাপমেন্ট।*
* এই বইটি আইনী মার্কসবাদের ভিত্তি স্থাপন করে।
১৮৯৪-১৯১৭ দ্বিতীয় নিকোলাসের রাজত্বকাল।*
* রাশিয়ার ইতিহাসের ও রোমানভ রাজবংশের শেষ জার। হেসেনডার্মস্ট্যাডের রাজকুমারি অ্যালিক্সকে বিয়ে করেছিলেন দ্বিতীয় নিকোলাস। জারিনা অ্যালিক্স ছিলেন ব্রিটেনের রানী ভিক্টোরিয়ার নাতনি।
১৮৯৫ জানুয়ারি ২৯ নিজ পূর্বসুরীর অবিরাম স্বৈরাচারী শাসনের নীতি পুনর্ব্যক্ত করলেন জার দ্বিতীয় নিকোলাস।
এপ্রিল ইয়ারোস্লাভলে ধর্মঘটীদের ওপর হত্যাযজ্ঞে জারের প্রকাশ্য অনুমোদন।
মে প্লেখানভের দলের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে বিদেশে গেলেন লেনিন।
সেপ্টেম্বর নিষিদ্ধ প্রকাশনাগুলো বিদেশ থেকে কার্যকরভাবে দেশে পাচার করার একটা ব্যবস্থা করে রাশিয়ায় ফিরলেন লেনিন। আরো কয়েকজন বুদ্ধিজীবী ও শ্রমিকের সাথে মিলে গঠন করলেন পিটার্সবার্গ ইউনিয়ন অফ স্ট্রাগল ফর দ্য লিবারেশন অফ দি ওয়ার্কিং ক্লাস। রাবোচেয়ে দেয়েলো নামে একটি নতুন সাংগঠনিক পত্রিকার ভিত রচনা করলেন।
ডিসেম্বর ২১ লেনিন ও তাঁর সাথীদের গ্রেপ্তার করল পুলিশ।
১৮৯৬ তরুণ ট্রটস্কি ও ইউক্রেনের অন্য মধ্যবিত্ত স্কুলছাত্ররা “শ্রমিক খুঁজে বের করে” তাঁদের সংগঠিত করার কাজে লেগে গেলেন। পিটার্সবার্গে আটক থাকাকালে লেনিন লিখলেন অজস্র লিফলেট ও পুস্তিকা। যার মধ্যে রয়েছে সুপরিচিত অন স্ট্রাইকস। এটি কারাগার থেকে পাচার করা হয়। এটি ছিল রুশ সোসাল-ডেমোক্রেটদের জন্য একটি খসড়া কর্মসূচি। এ সময়ই লেনিন দ্য ডেভলাপমেন্ট অফ ক্যাপিটালিজম ইন রাশিয়া লিখতে শুরু করলেন।
মে-জুন পিটার্সবার্গের ৩০ হাজার টেক্সটাইল শ্রমিকের ধর্মঘট। ১৯টি কারখানায় সংঘটিত হয়। প্রধান দাবি ছিলেন সাড়ে ১০ ঘন্টা কাজ।
১৮৯৭ লেনিনকে ৩ বছরের জন্য নির্বাসিত করা হল। সাইবেরিয়ার ইয়েনিসেই প্রদেশের শুশিনস্কোয়ে গ্রামে। তিনি সেখানে নতুন করে লেখালিখি শুরু করলেন। ওয়েবসের বই দ্য থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস অফ ট্রেড ইউনিয়নিজম রুশ ভাষায় তর্জমা করলেন।
মার্চ ২৯-৩০ কিয়েভ সম্মেলন। মস্কো, পিটার্সবার্গ, আর কিয়েভের সোশাল-ডেমোক্রেটিক সংগঠনগুলো একটা নিখিল রুশ পার্টি গঠনের চেষ্টা চালায়। ব্যর্থ হয়।
অক্টোবর ৭ গঠন করা হল জেনারেল জিউইশ লেবার বুন্দ ইন লিথুয়ানিয়া, পোল্যান্ড, ও রাশিয়া (אַלגעמײנער ייִדישער אַרבעטער־בונד אין ליטע, פּױלן און רוסלאַנד, : আলজেমেইনার ইদিশার আরবিটার-বুন্ড ইন লিট, পোলিন উন রুসল্যান্ড)।*
* ১৯২১ সালের ১৯ এপ্রিল বিলুপ্ত করা হয়।
গ্রীষ্মকাল নিকোলায়েভে দক্ষিণ রুশ শ্রমিক ইউনিয়ন সংগঠিত করতে সহায়তা করলেন ট্রটস্কি।
জুরিখ সম্মেলন। সংগঠনের পিটার্সবার্গ, কিয়েভ ও উইলনো প্রতিনিধিরা রুশ সোশ্যাল-ডেমোক্র্যাট ইউনিয়নের (প্লেখানভের উদ্যোগে ১৮৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত অভিবাসী সংগঠন) প্রতিনিধিদের সাথে একটি ঐক্যবদ্ধ পার্টি গঠনের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।
১৮৯৮ মার্চ ১৩-২৫ মিনস্কে রুশ সোশাল-ডেমোক্রেটিক লেবার পার্টির প্রথম কংগ্রেস। লেনিন তাঁর অনুপস্থিতিতেই পার্টির আনুষ্ঠানিক পত্রিকা রাবোচেয়ে গেজেতার সম্পাদকীয় বোর্ডে নির্বাচিত হন। কংগ্রেসে পুলিশি হামলা ও সংশ্লিষ্ট সকলে গ্রেপ্তার; জারশাহি এই ভেবে সন্তুষ্ট হল যে নতুন দলটিকে অঙ্কুরেই ধবংস করে দিতে পেরেছে।
তিফলিসের মার্কসবাদীরা নোয়াহ জর্ডানিয়ার নেতৃত্বে জর্জীয় বুদ্ধিজীবীদের সাময়িকী কভালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিল। রিক্রুট করল এক নতুন সদস্য। স্তালিন নামের এক তরুণ ধর্মতত্ত্বের ছাত্র।
দুই বছর ধরে বিপ্লবী সোশাল-ডেমোক্রেট হিসেবে তৎপরতা চালানোর পর গ্রেপ্তার হলেন ট্রটস্কি, সাইবেরিয়ায় নির্বাসিত।
১৮৯৯ এপ্রিল লেনিন এ সময় প্লেখানভের মত অন্য অর্থোডক্স মার্কসবাদীদের সাথে মিলে অর্থনীতিবাদ (বিশুদ্ধ ও সরল ট্রেড ইউনিয়নবাদ) ও কৃষি সমাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে মতাদর্শিক লড়াই চালাচ্ছেন।
মে ২৭/জুলাই ২১ গ্র্যাজুয়েশনের অল্প কিছুদিন আগে তরুণ স্তালিনকে তিফলিস থিওলজিকাল সেমিনারি থেকে বহিষ্কার করা হল।
ডিসেম্বর ২৮ তিফলিস জিওফিজিকাল অবজারভেটরিতে শান্তিপূর্ণ কর্মসংস্থান ও একটি বসবাসের জায়গা খুঁজে পেলেন স্তালিন।
লেনিন, দ্য ডেভলাপমেন্ট অফ ক্যাপিটালিজম ইন রাশিয়া।
১৯০০ ফেব্রুয়ারি ১৬ লেনিনের সাইবেরীয় নির্বাসনের অবসান। তাঁকে ইওরোপীয় রাশিয়ায় ফেরার অনুমতি দেয়া হল। কিন্তু পিটার্সবার্গ ও অন্য বড় শহরগুলায় বসবাসের অনুমতি মিলল না।
ফেব্রুয়ারি-মার্চ তিফলিসে হাজির হলেন লেনিনের বন্ধু ভিক্টর কুর্নাতভস্কি। সংগঠিত করলেন প্রথম তিফলিস সোশাল-ডেমোক্রেটিক কমিটি। পুলিশ যা অচিরেই ভেঙে দেয়।
ফেব্রুয়ারি-মে লেনিন এ সময় আনুষ্ঠানিকভাবে পস্কোভে বাস করছেন। অবৈধভাবে সফর করছেন পিটার্সবার্গ, মস্কো ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। রাবোচেয়ে গেজেতাকে পুনরুজ্জীবিত করতে অর্থ সংগ্রহ করছেন। যেখানে তিনি, মার্তভ, আর পত্রেসভ থাকবেন সম্পাদক হিসেবে। পস্কোভের এক সম্মেলনে, লেনিন ও পত্রেসভকে পিটার্সবার্গ সোশাল-ডেমোক্রেটদের প্রতিনিধি নিযুক্ত করা হল। দায়িত্ব দেয়া হল বিদেশে যাওয়ার জন্য। প্লেখানভের দলের সহায়তা নিয়ে পত্রিকাটি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে।
মে দিবস প্রথমবারের মত জনসমক্ষে বক্তৃতা দিলেন স্তালিন।
মে পিটার্সবার্গে অবৈধভাবে সফর করার সময় পুলিশ কর্তৃক গ্রেপ্তার হলেন লেনিন, তিন সপ্তাহ পর তাঁকে ছেড়ে দেয়া হয়।
জুলাই-নভেম্বর লেনিন ও পত্রেসভ বিদেশে গেলেন। প্লেখানভের দলের সাথে আলোচনা। শরৎকাল নাগাদ একটা পত্রিকা যৌথভাবে প্রকাশ করার ব্যাপারে সমঝোতা। যাঁরা সম্পাদকীয় বোর্ডে থাকবেন বলে ঠিক হল প্লেখানভ, আক্সেলরদ, জাসুলিচ, লেনিন, পত্রেসভ, মার্তভ, ও নাদেঝদা ক্রুপস্কায়া। পত্রিকার নাম ঠিক হল ইস্ক্রা (স্ফূলিঙ্গ)। নামটি ডেকাব্রিস্টদের নিয়ে আলেকজান্দার পুশকিনের একটি কবিতা থেকে ধার করা। প্রকাশস্থল বাভারিয়ার মিউনিখ, যেখানে দুই দশক পর নাৎসিবাদের জন্ম হবে।
ডিসেম্বর প্রকাশিত হল ইস্ক্রার প্রথম সংখ্যা। রাশিয়া জুড়ে ইস্ক্রার এজেন্টদের একটা নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠে। সাম্রাজ্যিক রাশিয়ায় পত্রিকাটি গোপনে পাচার শুরু হয়।
১৯০১ মার্চ ২২ ভিক্টর কুর্নাতভস্কি ও অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় ইস্ক্রাপন্থী গ্রেপ্তার। অবজারভেটরিতে স্তালিনের কক্ষ তল্লাশি করল পুলিশ। চাকরি হারালেন স্তালিন, “আত্মগোপনে” যেতে বাধ্য হলেন।
মে ২ তিফলিসে এক সড়ক বিক্ষোভে অংশ নিলেন স্তালিন। রক্তাক্ত উপায়ে ও গণগ্রেপ্তার চালিয়ে বিক্ষোভ দমন করা হয়। স্তালিন গোরিতে পালিয়ে যান।
জুন সোশাল-ডেমোক্রেটদের জেনেভা সম্মেলন। একটি একক দলে পুনর্মিলনের সম্ভাব্য ভিত্তি খতিয়ে দেখা হল। একটি কংগ্রেস আহবানের সিদ্ধান্ত নেয়া হল।
অক্টোবর ১৭-১৯ জেনেভায় সোশাল-ডেমোক্রেটদের কংগ্রেস। ইস্ক্রাপন্থী আর অর্থনীতিবাদীদের তুমুল কলহে ভেঙে যায়। ভোটে হেরে গিয়ে ইস্ক্রাপন্থীরা গঠন করলেন লীগ অফ রাশিয়ান রেভল্যুশনারি সোশাল-ডেমোক্রেসি অ্যাব্রড।
নভেম্বর ২৪ সোশাল-ডেমোক্রেটদের তিফলিস সম্মেলন। স্তালিন সম্মেলনের ২৫ জন প্রতিনিধির একজন ছিলেন। সম্মেলনে দিঝিব্লাদজের নেতৃত্বে একটি নতুন কমিটি গঠন করা হয়, যাতে নির্বাচিত হন স্তালিন।
ডিসেম্বর বাতুমের জন্য তিফলিস ছেড়ে গেলেন স্তালিন।
১৯০২ জানুয়ারি ১২ তিফলিস সংগঠনের একটি শাখা হিসেবে বাতুম সোশাল-ডেমোক্রেটিক কমিটি গঠন করলেন স্তালিন ও কেন্ডেলইয়াকি। স্তালিনের বাসায় একটি অবৈধ ছাপাখানা বসানো হল।
এপ্রিল বিয়ালিস্তকে ভূগর্ভস্থ সম্মেলন। পার্টির দ্বিতীয় কংগ্রেসের সমাবর্তনের প্রস্তুতি নেয়ার জন্য একটি সাংগঠনিক কমিটি গঠন করা হল। সম্মেলন আর কমিটি দুটোই ভেঙে দেয় পুলিশ।
১৮ প্রথমবারের মত গ্রেপ্তার হলেন স্তালিন। ১৯০৩ সালের শেষ নাগাদ পালা করে বাতুম আর কুতাইস কারাগারে রাখা হল।
মে ইস্কার সম্পাদকীয় কার্যালয়সহ লন্ডনে স্থানান্তরিত হলেন লেনিন।
জুন ১৪ রুশ সোশাল-ডেমোক্রেটিক লেবার পার্টির জন্য তাঁদের খসড়া কর্মসূচি প্রকাশ করলেন ইস্ক্রা ও জারিয়ার* সম্পাদকরা। পরের বছরে পার্টির দ্বিতীয় কংগ্রেসে কর্মসূচিটি আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়।
* ইস্ক্রাপন্থীদের তাত্ত্বিক জার্নাল, ১৯০১ সালে প্রথম প্রকাশিত।
অক্টোবর দ্বিতীয় বিয়ালিস্তক সম্মেলন। একটি নতুন সাংগঠনিক কমিটি নির্বাচিত করা হল। সম্পূর্ণরূপে ইস্ক্রাপন্থীদের নিয়ে।
সাইবেরীয় নির্বাসন থেকে পালিয়ে প্রথমবারের মত লন্ডনে আসলেন ট্রটস্কি (লন্ডনে যাবার পথে সামারায় ইস্ক্রা সংগঠনে যোগ দিয়েছিলেন)। লেনিনের সাথে সাক্ষাৎ। লেনিন তাঁর মতামত ও অভিজ্ঞতা খতিয়ে দেখলেন। ইস্ক্রা পত্রিকার জন্য লিখতে শুরু করলেন। হোয়াইটচ্যাপেলে প্রবীণ কৃষি সমাজতন্ত্রী চাইকোভস্কির সাথে বাহাছ। বিদেশে তাঁর প্রথম বক্তৃতায় প্রবীণ নৈরাজ্যবাদী ছেরকেজভের সাথে বিতর্ক।
লেনিন, হোয়াট ইজ টু বি ডান?
১৯০৩ রুশ সোশাল-ডেমোক্রেটিক লেবার পার্টির (Российская социал-демократическая рабочая партия – РСДРП : রোসিসকায়া সোসাল-দেমোক্রাতিসেসকায়া রাবোকায়া পার্তিয়া – আরএসডিআরপি) দ্বিতীয় কংগ্রেস। পার্টি দুটি অংশে ভাগ হয়ে গেল: লেনিনের নেতৃত্বে (Большевики́ : বলশেভিক) আর মার্তভের নেতৃত্বে (меньшевики́ : মেনশেভিক)।
* বলশেভিক মানে সংখ্যাগুরু আর মেনশেভিক মানে সংখ্যালঘু।
ভিত্তেকে বরখাস্ত করলেন জার দ্বিতীয় নিকোলাস। রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে একের পর এক ধর্মঘট সংঘটিত হতে লাগল।
১৯০৪-৫ রুশ-জাপান যুদ্ধ।*
* এই যুদ্ধে একটি এশীয় শক্তি জাপানের কাছে আধা-ইওরোপীয় শক্তি রাশিয়ার পরাজয় তুরস্ক ও ভারতের জাতীয়তাবাদীদের অনুপ্রাণিত করেছিল।
১৯০৪-১৪ ফিলিস্তিনে ইহুদিদের দ্বিতীয় আলিয়া, বা গণ অভিবাসন। ৪০,০০০ ইহুদি এ সময় ফিলিস্তিনে আসেন। মূলত রাশিয়া থেকে।
১৯০৫ জানুয়ারি ২২ রক্তাক্ত রবিবার। ফাদার গ্যাপনের নেতৃত্বে শ্রমিকরা জারকে একটা পিটিশন দিতে যাচ্ছিলেন। জারের সেনাদল শ্রমিকদের ওপর হত্যাযজ্ঞ চালায়।
২৩ রক্তাক্ত রবিবারের প্রতিবাদে ডাকা হল সাধারণ ধর্মঘট। চাষীরা বিদ্রোহ করলেন, ছাত্ররাও তাতে যোগ দেন। শুরু হয়ে গেল সামাজিক অস্থিরতার এক যুগ।
অক্টোবর মস্কোর রেলওয়ে শ্রমিকরা ধর্মঘটে গেলেন। দ্রুত অন্যান্য জায়গার শ্রমিকরা যোগ দিলেন তাঁদের সাথে। অচল হয়ে গেল রাশিয়া।
প্রথম রুশ বিপ্লব। গঠিত হল রুশ শ্রমিকদের প্রথম সংগঠন। সেইন্ট পিটার্সবুর্গ সোভিয়েত। জার দ্বিতীয় নিকোলাস কর্তৃক জারি হল অক্টোবর ইশতেহার। সেইন্ট পিটার্সবুর্গ সোভিয়েতকে গ্রেপ্তার করা হল। মস্কো অভ্যুত্থান গুঁড়িয়ে দেয়া হল।
১৯০৬ মৌলিক আইনসমূহ পাশ। বলশেভিক ও মেনশেভিক উভয়কে অন্তর্ভুক্ত করে রাশিয়ার প্রথম সংসদ (дума : ডুমা) বসল। প্রধানমন্ত্রী পিওতর স্তলিপিনের কৃষি সংস্কার শুরু হল।
সেপ্টেম্বর ২৫ রাশিয়ার সেইন্ট পিটার্সবুর্গে জন্ম নিলেন দিমিত্রিয়েভিচ শস্তাকোভিচ।
১৯০৬-১০ এ সময় সমাজতন্ত্রী বিপ্লবীদের (এসআর) আততায়ী হামলায় ৪ হাজারেরও বেশি সরকারি কর্মকর্তা খুন হন।
১৯০৭-৬৬ রুশ, পরবর্তীতে সোভিয়েত, প্রকৌশলী সের্গেই করোলেভের জীবনকাল।
১৯১১ আততায়ীদের হাতে খুন হলেন রুশ প্রধানমন্ত্রী পিওতর স্তলিপিন।
১৯১৪-১৮ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।
১৯১৪-১৫ রাশিয়া ইউক্রেনের গালিসিয়া প্রদেশ দখল করে নিল।
১৯১৪ নভেম্বর ১৭ রাষ্ট্রীয় ডুমার বলশেভিক ডেপুটিদের গ্রেপ্তার করা হল ও তাঁদের সাইবেরিয়ায় নির্বাসনে পাঠানো হল।
১৯১৫ এপ্রিল প্যারিস থেকে প্রকাশিত হল রুশ বিপ্লবীদের আন্তর্জাতিকতাবাদী পত্রিকা নাশে স্লোভো, সম্পাদকমণ্ডলীর একজন ট্রটস্কি।
সেপ্টেম্বর সুইজারল্যান্ডের জিমারওয়াল্ডে অনুষ্ঠিত হল আন্তর্জাতিক সমাজতান্ত্রিক কংগ্রেস।
সেনাপ্রধানের দায়িত্ব ঘাড়ে তুলে নিলেন নিকোলাস রোমানভ।
১৯১৬ মে কিয়েনথালে অনুষ্ঠিত হল সমাজতান্ত্রিক আন্তর্জাতিকতাবাদীদের দ্বিতীয় কংগ্রেস।
রুশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে জাতিগত কাজাখদের বিদ্রোহ। রুশরা এই বিদ্রোহ রক্তাক্ত উপায়ে দমন করে। এতে ১ লক্ষ ৫০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়, ৩ লক্ষাধিক মানুষ বিদেশে পালিয়ে যান।
আততায়ীদের হাতে খুন হলেন গ্রিগরি রাসপুতিন।
১৯১৭ মার্চ ফেব্রুয়ারি বিপ্লব।
নভেম্বর অক্টোবর বিপ্লব।
১৯১৭, নভেম্বর ৭-২৫ অক্টোবর, ১৯২২ রুশ গৃহযুদ্ধ।
সোভিয়েত ইউনিয়ন
১৯২২-১৯৯১ সাল

১৯২২-১৯৯১ সোভিয়েত ইউনিয়ন।
রুশ ফেডারেশন
১৯৯১-বর্তমান

১৯৯১ মার্চ ১৭ জাতীয় ঐক্যের ওপর গণভোট।
জুন রুশ ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন বরিস ইয়েলৎসিন।
জুলাই ১০ রুশ ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন বরিস ইয়েলৎসিন।
আগস্ট ১৮-২১ ব্যর্থ অভ্যুত্থান প্রচেষ্টা।
ডিসেম্বর ১২ কমনওয়েলথ অফ ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্টেটস (সিআইএস) গঠন করায় অনুসমর্থন দিল রুশ সংসদ।
২৫ সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তি।
সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করল জর্জিয়া, প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন ভিয়াদ গামসাখুর্দিয়া। উৎখাত হলেন চেচনিয়ার কমিউনিস্ট নেতা দোকু জাভগায়েভ। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জিতে রাশিয়া থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করলেন ঝোখার দুদায়েভ।
নতুন রাষ্ট্র হিসেবে পুনর্গঠিত হল রুশ ফেডারেশন।
১৯৯১-২০০২ এ সময়কালে কয়েক লাখ জাতিগত রুশ কাজাখস্তান ছেড়ে যান।
১৯৯২ জানুয়ারি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আর সেবার দামের ওপর রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের অবসান ঘটালেন বরিস ইয়েলৎসিন। “শক থেরাপি” শুরু করলেন তাঁর প্রধানমন্ত্রী ইয়েগর গাইদার। রসিদ দিয়ে সবকিছু ব্যক্তিমালিকানায় ছেড়ে দেয়ার সূচনা।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ সিনিয়র কংগ্রেসকে বললেন, “ঈশ্বরের কৃপায়, যুক্তরাষ্ট্র স্নায়ুযুদ্ধে জিতেছে।”
জুন ওয়াশিংটন ডি.সি.তে বুশের সাথে ইয়েলৎসিনের প্রথম সম্মেলন।
নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বুশকে হারালেন বিল ক্লিনটন।
ডিসেম্বর গাইদারকে বরখাস্ত করলেন ইয়েলৎসিন। তাঁকে প্রতিস্থাপিত করলেন ভিক্টর ছেরনোমিরদিন। কমিউনিস্ট পার্টির জনৈক সাবেক অ্যাপার্টচিক।
সোভিয়েত ইউনিয়ন আফগানিস্তান ছেড়ে যাবার পরপরই নাজিবুল্লার সোভিয়েতপন্থী সরকার ক্ষমতা থেকে ছিটকে পড়ল। নাজিবুল্লাহ কাবুলের জাতিসংঘ কম্পাউন্ডে আশ্রয় গ্রহণ করলেন। ১৯৯৬ সালে খুন হওয়ার আগ পর্যন্ত সেখানেই থাকবেন তিনি।
চেচনিয়া একটি সংবিধান প্রণয়ন করল যাতে চেচনিয়াকে একটি স্বাধীন ও সেক্যুলার রাষ্ট্র বলে ঘোষণা করা হল।
১৯৯৩ এপ্রিল ভ্যানকুবারে ক্লিনটনের সাথে ইয়েলৎসিনের প্রথম সম্মেলন। সাংবিধানিক সংস্কার প্রশ্নে একটা গণভোট জিতলেন ইয়েলৎসিন।
অক্টোবর ইয়েলৎসিনপন্থী শক্তিগুলো রুশ সংসদে গুলিবর্ষণ করলো। সরকারি হিসেবে এতে ২০০ ব্যক্তির মৃত্যু হয়। কিন্তু কমিউনিস্ট ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর দাবি, মৃতের সংখ্যা ১০০০য়ের বেশি।
ডিসেম্বর ইয়েলৎসিনের বিরুদ্ধে ক্যুদেতা প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে গেল। নব্য ফ্যাসিবাদী আর কমিউনিস্টরা নির্বাচনে ভালো করল। ভোটাররা একটা নতুন সংবিধানের পক্ষে ভোট দিলেন, যা প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করল।
লিথুয়ানিয়া থেকে সোভিয়েত সেনা প্রত্যাহার সম্পূর্ণ হল।
রাশিয়ার সাথে দ্বৈত নাগরিকত্ব চুক্তি করল তুর্কমানিস্তান।
১৯৯৪ সোভিয়েত ইউনিয়ন পতনের পর মাত্র তিন বছরে রুশ অর্থনীতি ৪০ ভাগ হ্রাস পেল।
জুন ন্যাটোর পার্টনারশিপ ফর পীস কর্মসূচিতে যোগ দিলো রাশিয়া।
ডিসেম্বর ইয়েলৎসিন রুশ সেনাবাহিনীকে চেচনিয়া আক্রমণের নির্দেশ দিলেন। “সাংবিধানিক ব্যবস্থা বহাল” রাখতে চেচনিয়ায় ঢুকলো রুশরা। প্রথম চেচেন যুদ্ধ।
আবখাজিয়ার সাথে যুদ্ধবিরতি সই করল জর্জিয়া। শান্তিরক্ষীদের আগমন। যাঁদের প্রায় সকলেই রুশ।
ইউক্রেন একটি পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি সই করে রাশিয়ার কাছে তার অবশিষ্ট পারমাণবিক অস্ত্রগুলো তুলে দিল। সোভিয়েত সৈন্যরা এস্তোনিয়া ছেড়ে চলে গেল।
চেচেনদের স্বাধীনতা আন্দোলন দমাতে সেনা পাঠাল রাশিয়া। ২০ মাসের যুদ্ধে ১ লক্ষাধিক মানুষের মৃত্যু, যাঁদের বড় অংশই বেসামরিক নাগরিক ছিলেন। দশকব্যাপী সংঘাতের সূচনা।
১৯৯৫ সবকিছু ব্যক্তিমালিকানায় ছেড়ে দেয়ার দ্বিতীয় পর্ব শুরু।
মার্চ বিতর্কিত “লোনস ফর শেয়ারস” পরিকল্পনায় সবুজ সংকেত দিলো রুশ সরকার।
ডিসেম্বর সংসদীয় নির্বাচনে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্বের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যালট জিতল কমিউনিস্ট পার্টি অফ দ্য রাশিয়ান ফেডারেশন (সিপিআরএফ)। ইয়েলৎসিনের আওয়ার হোম-রাশিয়া পার্টি এই নির্বাচনে হারে।
রাশিয়ার সাথে অর্থনৈতিক ও সামরিক সহায়তা চুক্তি সই করল কাজাখস্তান।
১৯৯৬ চেচনিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার করল রুশরা।
জুলাই প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হলেন ইয়েলৎসিন।
এপ্রিল রাশিয়ার এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ঝোখার দুদায়েভের মৃত্যু। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন জেমলিখান ইয়ান্দারবিয়েভ।
আগস্ট গ্রজনিতে একটি সফল হামলা চালালেন চেচেন বিদ্রোহীরা। খাসাভইয়ুর্ত যুদ্ধবিরোধী চুক্তি সই। এর ধারাবাহিকতায় নভেম্বরের মধ্যে চেচনিয়া থেকে রুশ সেনা প্রত্যাহারের চুক্তি।
১৯৯৭ ভেদাভেদ ভুলে জাতীয় পুনর্মিলনের ডাক দিলেন ইয়েলৎসিন।
জানুয়ারি চেচনিয়ার আসলান মাসখাদভের সরকারকে স্বীকৃত দিল রাশিয়া।
মে ইয়েলৎসিন ও মাসখাদভ একটি আনুষ্ঠানিক শান্তি চুক্তিতে সই করলেন, কিন্তু চেচেনদের স্বাধীনতার প্রশ্নটি অমীমাংসিত রেখে দেয়া হল। গঠন করা হলো ন্যাটো-রাশিয়া পার্মানেন্ট জয়েন্ট কাউন্সিল।
রাশিয়ার সাথে ইউক্রেন একটি বিশ বছর মেয়াদী চুক্তি করল; যেখানে বলা হল, ২০১৭ সাল পর্যন্ত সেভাস্তোপোলে রুশ নৌবহর অবস্থান করতে পারবে।
রাশিয়া সফর করলেন লিথুয়ানীয় প্রেসিডেন্ট ব্রাজাউস্কাস। দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত চুক্তি ও সহযোগিতা চুক্তি সই।
১৯৯৮ রাশিয়ার শেষ জার দ্বিতীয় নিকোলাস আর তাঁর পরিবারের সদস্যদের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আয়োজন করল রাশিয়া।
রুবলের দরপতন, রাশিয়া কার্যত দেউলিয়া হয়ে গেল।
জুলাই রাশিয়াকে ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকটের হাত থেকে রক্ষা করতে উদ্ধার প্যাকেজ হিসেবে ২২.৬ মিলিয়ন ডলার প্রদান করার প্রস্তাব দিল বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ।
চেচনিয়ায় জরুরি অবস্থা জারি করলেন আসলান মাসখাদভ।
১৯৯৯ তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে রুশ অর্থনীতি চাঙ্গা হতে শুরু করল।
১৯৯৯ জানুয়ারি/ফেব্রুয়ারি চেচনিয়ায় মাসখাদভ ঘোষণা করলেন, ৩ বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে শরিয়া আইন চালু করা হবে।
মার্চ ন্যাটোয় যোগ দিল পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি, ও চেক প্রজাতন্ত্র। যুগোস্লাভিয়ায় বোমাবর্ষণ শুরু করলো ন্যাটো। এতে ক্ষিপ্ত হল রাশিয়া।
জুলাই/আগস্ট চেচনিয়া-দাগেস্তান সীমান্তে রুশ সেনাদের সাথে চেচেন বিদ্রোহীদের সংঘাত।
আগস্ট প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পুতিনের নাম প্রস্তাব করলেন ইয়েলৎসিন। দ্বিতীয় চেচেন যুদ্ধ।
সেপ্টেম্বর অ্যাপার্টমেন্ট ভবনগুলোয় ধারাবাহিক বোমাবর্ষণের জন্য চেচেন বিদ্রোহীদের দায়ী করল রাশিয়া। শুরু হল দ্বিতীয় চেচেন যুদ্ধ।
ডিসেম্বর প্রেসিডেন্টের পদ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে ইস্তফা দিলেন ইয়েলৎসিন। ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে পুতিনের নাম প্রস্তাব করলেন।
২০০০ রুশ ডুমা স্টার্ট দুই চুক্তি অণুসমর্থন করল।
ফেব্রুয়ারি গ্রজনিকে একটা ধবংসস্তূপে পরিণত করল রুশ সেনাবাহিনী।
মার্চ রুশ ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন ভ্লাদিমির পুতিন। রাশিয়ার ইতিহাসে প্রথমবারের মত গনতান্ত্রিকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর। আঞ্চলিক প্রশাসনিকতার সুবিধার্থে ৭টি ফেডারেল জেলা স্থাপন করলেন পুতিন।
মে চেচনিয়ায় মস্কোর প্রত্যক্ষ শাসন জারি করলেন পুতিন।
জুন চেচনিয়ার প্রশাসনিক প্রধান হলেন সাবেক বিদ্রোহী আখমাদ কাদিরভ। মস্কোয় ক্লিনটনের সাথে পুতিনের প্রথম সম্মেলন।
আগস্ট কুর্স্ক সাবমেরিন ডুবে গিয়ে ১১৮ জনের মৃত্যু।
নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন জর্জ বুশ জুনিয়র।
পরস্পরের বিরুদ্ধে গোয়েন্দাগিরির অভিযোগ এনে এস্তোনিয়া আর রাশিয়া নিজ নিজ দেশ থেকে অপর রাষ্ট্রের কূটনীতিকদের বহিষ্কার করল।
২০০১ জুন স্লোভেনিয়ায় বুশের সাথে পুতিনের প্রথম সম্মেলন।
সেপ্টেম্বর ৯/১১, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত পেন্টাগন আর নিউইয়র্ক সিটিতে অবস্থিত বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্রে – টুইন টাওয়ার নামে পরিচিত – আল কায়েদার হামলায় ৩,০০০ মানুষের মৃত্যু।
অক্টোবর খুনীদের কেউ আফগান না হওয়া সত্ত্বেও এই হত্যাযজ্ঞকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে আফগানিস্তানে হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র। জর্জ বুশ জুনিয়রের “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের” সূচনা। আফগানিস্তানে এই মিশনের নাম শুরুতে ছিলো অপারেশন ইনফিনিট জাস্টিস, পরবর্তীতে নাম বদলে রাখা হয় অপারেশন এনডিউরিং ফ্রিডম। যুক্তরাজ্য শুরু থেকেই এই যুদ্ধের পার্টনার ছিল; ফ্রান্স, জার্মানি, ক্যানাডা, ও অস্ট্রেলিয়া ভবিষ্যৎ সহায়তার প্রতিশ্রুতি প্রদান করে। ঘোষিত উদ্দেশ্য “আফগানিস্তানের জঙ্গি শিবিরগুলো ধবংস করা।”
৯/১১-র প্রেক্ষিতে কথিত ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে’ যুক্তরাষ্ট্রকে পূর্ণ সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিলেন নবনির্বাচিত রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
কাজাখস্তানের পশ্চিমাঞ্চলের সুবিশাল তেঙ্গিজ তেলক্ষেত্র থেকে রাশিয়ার নভোরোসিস্কের কৃষ্ণসাগরীয় বন্দর পর্যন্ত একটি তেল পাইপলাইন চালু করা হল।
চীন, উজবেকিস্তান, কিরগিজস্তান, কাজাখস্তান ও তাজিকিস্তানের সাথে মিলে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) গঠন করল রাশিয়া।
নতুন কর আইন আয়কর কমিয়ে ১৩ শতাংশে নামিয়ে আনল।
২০০২ জানুয়ারি বুশ একটা “শয়তানের অক্ষের” কথা বললেন। ইরান, ইরাক, ও উত্তর কোরিয়া যার অন্তর্ভুক্ত।
মে পারমাণবিক অস্ত্র বিষয়ক সর্ট চুক্তি সই করলেন বুশ ও পুতিন। স্থাপন করা হলো ন্যাটো=রাশিয়া কাউন্সিল।
অক্টোবর মস্কোর এক থিয়েটারে হামলা চালাল চেচেন বিদ্রোহীরা। ৮০০ জন জিম্মি। রুশ বাহিনী নার্কোটিক গ্যাস প্রয়োগ করে ভবনটি পুনরুদ্ধার করলে অধিকাংশ বিদ্রোহী ও ১২০ জন জিম্মির মৃত্যু হয়।
ফেডারেশন কাউন্সিল থেকে আঞ্চলিক প্রশাসকরা বহিষ্কৃত হলেন।
চেচেন বিদ্রোহীরা দুবরোভকা প্রেক্ষাগৃহে জিম্মি সংকট তৈরি করল।
২০০৩ মার্চ এক গণভোটে একটি নতুন সংবিধানকে অনুমোদন দেয়া হল যা চেচনিয়াকে রুশ ফেডারেশনের অংশ বলে স্বীকার করে নিল।
২০ জর্জ বুশ জুনিয়রের নেতৃত্বে ইরাকে হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র।
অক্টোবর চেচনিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন আখমাদ কাদিরভ। ইয়ুকোসের বিলিয়নিয়ার প্রধান মিখাইল খোদরকভস্কিকে গ্রেপ্তার করা হলো।
ডিসেম্বর সংসদীয় নির্বাচনে জিতল ক্রেমলিন-নিয়ন্ত্রিত দল ইউনাইটেড রাশিয়া। রাশিয়ার সংগঠিত অপরাধীদের সাথে যোগসাজশ করে জাতীয় নিরাপত্তা বিপন্ন করার দায়ে লিথুয়ানীয় প্রেসিডেন্ট রোলানডাস পাকসাসের অভিশংসন প্রক্রিয়া শুরু হল।
রাশিয়ার শেষ স্বাধীন টেলিভিশন নেটওয়ার্ক টিভিএসের ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা হল।
তাজিকিস্তান সফর করলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
রাশিয়ার গ্যাজপ্রমের সাথে একটি চুক্তি সই করল তুর্কমানিস্তান। চুক্তির আওতায় রুশরা তুর্কমানদের কাছ থেকে প্রতি বছর ৬০ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস কিনবে। ১৯৯৩ সালে রাশিয়ার সাথে করা দ্বৈত নাগরিকত্ব চুক্তি ডিক্রি জারি করে বাতিল করলেন নিয়াজভ, যা দু’দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সংকট তৈরি করল।
জর্জিয়ায় গোলাপ বিপ্লব।
আনা পলিৎকভস্কায়া, আ স্মল কর্নার অফ হেল: ডিসপ্যাচেস ফ্রম চেচনিয়া।
২০০৪ মার্চ ১৪ দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন ভ্লাদিমির পুতিন।
২৯ ন্যাটোতে যোগ দিলো বুলগেরিয়া, এস্তোনিয়া, লাতভিয়া, লিথুয়ানিয়া, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া, ও স্লোভেনিয়া।
২০০৪ মে গ্রজনিতে বোমা হামলায় কাদিরভ সহ অসংখ্য মানুষের মৃত্যু, এই হামলার দায় স্বীকার করেন শামিল বাসায়েভ।
সেপ্টেম্বর বেসলান ম্যাসাকার, উত্তর ওশেটিয়ার বেসলান স্কুলে চেচেন বিদ্রোহীদের হামলা। শিশু সহ ৩৩৮ জন মানুষের মৃত্যু।
অক্টোবর ক্রেমলিনের মদতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন আলু আলখানভ।
নভেম্বর দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন জর্জ বুশ জুনিয়র।
ডিসেম্বর ইউক্রেনে রুশপন্থী ভিক্টর ইয়ানুকোভিচ প্রেসিডেন্ট ঘোষিত হলেন। কিন্তু ব্যাপক নির্বাচনী কারচুপির অভিযোগ উঠল। কমলা বিপ্লব সংঘটিত।
নতুন আইন আঞ্চলিক প্রশাসক ও প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্টদের নির্বাচিত হওয়ার অবসান ঘটাল। উত্তর ওশেটিয়ার বেসলান ইশকুলে ১২০০ জনকে জিম্মি করলেন চেচেন সন্ত্রাসবাদী/স্বাধীনতাকামীরা। জিম্মিদের মধ্যে ৩০০ জনেরও বেশির মৃত্যু হয়। তাজিকিস্তানে আনুষ্ঠানিকভাবে সামরিক ঘাঁটি বসাল রাশিয়া। সোভিয়েত আমলের মহাকাশ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিল। দুর্নীতির সর্বনাশা প্রভাব স্বীকার করে নিলেন পুতিন।
২০০৫ মার্চ রুশ বাহিনীর সাথে সংঘাতে আসলান মাসখাদভের মৃত্যু।
মে ইয়ুকোসের বিলিয়নিয়ার প্রধান মিখাইল খোদরকভস্কিকে কারা উপনিবেশগুলোয় ৯ বছরের কারাদন্ড দেয়া হলো।
ইরানের সাথে বিলিয়ন ডলারের অস্ত্রচুক্তি করল রাশিয়া। ইরানের পারমাণবিক চুল্লিতে কাজ করা অব্যাহত রাখল।
কথাসাহিত্যিক আলেকজান্দার সলজেনিৎসিন জোর দিয়ে বললেন, রাশিয়ার রুশ জনগণকে রক্ষা করতে হবে।
বৃহদাকারের যৌথ সামরিক মহড়া চালাল রাশিয়া আর চীন।
২০০৬ টানা আট বছর ধরে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ঘটছে। মুদ্রাস্ফীতি কমে ৯ শতাংশে নেমে এসেছে। রাশিয়ার জনসংখ্যা কমে আসতে থাকা অব্যাহত আছে।
রাশিয়ার গ্যাজপ্রম তুর্কমান গ্যাসের জন্য ৫৪ শতাংশ বেশি অর্থ খরচ করতে রাজি হল।
চেচনিয়ার প্রতিবেশী ইঙ্গুশেটিয়ায় খুন হলেন শামিল বাসায়েভ।
নভেম্বর লন্ডনে খুন হলেন আলেক্সান্দার লিতভিনেনকো।
সেরহি প্লখি, দ্য অরিজিনস অফ স্লাভিক নেশনস: প্রিমর্ডান আইডেন্টিটিজ ইন রাশিয়া, ইউক্রেন, অ্যান্ড বেলারুশ।
২০০৭ এ সময় রাশিয়ায় শ্রেণিবৈষম্য তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা ২৫, মিলিয়নিয়ারের সংখ্যা ৮৮ হাজার। খনি দুর্ঘটনায় ১০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু, সেবিকাগৃহের অগ্নিকাণ্ডে ৬০ জনেরও বেশি নিহত।
ফেব্রুয়ারি মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে দেয়া এক বক্তৃতায় “একমেরুকৃত বিশ্ব” তৈরির প্রচেষ্টা চালানোর অভিযোগ তুলে যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করলেন পুতিন।
তাজিকিস্তানের প্রেসিডেন্ট এমোমালি রাহমনভ হুকুম দিলেন, তাজিক বাচ্চাদের নাম আর রুশ রীতিতে রাখা যাবে না। নামের শেষের ‘অভ’ অংশটুকু ফেলে দিতে হবে। নিজেকে দিয়ে শুরু করলেন, হলেন: এমোমালি রাহমন।
কাস্পিয়ান হ্রদের উত্তরে একটি নতুন পাইপলাইন বানাতে রাজি হল রাশিয়া, কাজাখস্তান, ও তুর্কমানিস্তান; যা তুর্কমান গ্যাসে রুশদের অভিগম্যতা নিশ্চিত করবে।
মস্কো কর্তৃক চেচনিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ পেলেন আখমাত কাদিরভের ছেলে রমজান কাদিরভ।
ক্রিস্টোফ উইজেনরাথ, কসাকস অ্যান্ড দ্য রাশিয়ান এম্পায়ার, ১৫৯৮-১৭২৫: ম্যানিপুলেশন, রেবেলিয়ন অ্যান্ড এক্সপানশন ইনটু সাইবেরিয়া।
২০০৭-১৭ উত্তর ককেশাসে ইসলামী অভ্যুত্থান। রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়ে ককেশাস আমিরশাহির সাথে সম্পৃক্ত, এবং ২০১৫ সাল থেকে ইসলামিক স্টেট গ্রুপের সাথে সম্পৃক্ত যোদ্ধারা। অধিকাংশ লড়াইই চেচনিয়া, দাগেস্তান, ইঙ্গুশেটিয়া, ও কাবারদিনো-বলকারিয়ার মত উত্তর ককেশীয় প্রজাতন্ত্রগুলোয় সংঘটিত হয়।
২০০৮ ফেব্রুয়ারি ১৭ কসোভো সার্বিয়া থেকে নিজেকে স্বাধীন ঘোষণা করল, সার্বিয়া বলল এই স্বাধীনতার ঘোষণা অবৈধ। যুক্তরাষ্ট্রসহ ইওরোপীয় দেশগুলো কসোভোকে স্বীকৃতি দিল। রাশিয়া কসোভোকে সার্বিয়ার অংশ বলে বিবেচনা করে।*
* জাতিসংঘের সদস্য-রাষ্ট্র নয়। তবে জাতিসংঘের শতাধিক সদস্য-রাষ্ট্রের স্বীকৃতিলাভ করেছে কসোভো। সার্বিয়া কসোভোর ওপর সার্বভৌমত্ব দাবি করে থাকে।
এপ্রিল ইউক্রেন ও জর্জিয়াকে কোন মেম্বারশিপ একশন প্ল্যান ছাড়াই ন্যাটোতে যোগদানের দাওয়াত দেয়া হলো।
মে রুশ প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন দিমিত্রি মেদভেদেভ; প্রধানমন্ত্রী হলেন ভ্লাদিমির পুতিন।
নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন বারাক ওবামা।
দক্ষিণ ওশেটিয়া নিয়ে জর্জিয়া ও রাশিয়ার যুদ্ধ।*
* জর্জিয়া দক্ষিণ ওশেটিয়া পুনর্দখল করার চেষ্টা চালায়। রুশ বাহিনী জর্জীয় সেনাদের দক্ষিণ ওশেটিয়া ও আবখাজিয়া থেকে বের করে দেয়। পাঁচ দিনের তুমুল লড়াইয়ের পর ফ্রান্সের দূতিয়ালিতে দুই পক্ষের মধ্যে একটা শান্তি চুক্তি সাক্ষরিত হয়।
দক্ষিণ ওশেটিয়া নিয়ে রাশিয়া-জর্জিয়া যুদ্ধ চলাকালে আবখাজিয়ার কদোরি উপত্যকায় জর্জীয় সেনাদের সাথে আবখাজ সেনাদের সংঘর্ষ বেঁধে গেল। রুশ এ সময় আবখাজদের সমর্থনে সেনা পাঠায়। জর্জীয় সেনা ও বেসামরিক নাগরিকরা জর্জিয়ার নিয়ন্ত্রণে থাকা আবখাজিয়ার শেষ ভূখণ্ডটুকু খালি করে দিয়ে চলে যান।
রাশিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে আবখাজিয়া আর দক্ষিণ ওশেটিয়ার স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি প্রদান করে।*
* রাশিয়া, ভেনেজুয়ালা, নিকারাগুয়া, সিরিয়া, আর নাউরু ছাড়া জাতিসংঘের অধিকাংশ সদস্য-রাষ্ট্র আবখাজিয়া আর দক্ষিণ ওশেটিয়াকে জর্জিয়ার অংশ বলে গণ্য করে।
২০০৯ মার্চ রুশ-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট ওবামার ‘রিসেট’ প্রক্রিয়া চালু করলেন দেশটির পররাষ্ট্রসচিব হিলারি ক্লিনটন।
জর্জিয়া আর আবখাজিয়ার সাথে নিজ সীমান্তগুলোর আনুষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য পাঁচ বছরের চুক্তি সই করে রাশিয়া দক্ষিণ ওশেটিয়ায় স্বীয় অবস্থান জোরদার করে।
চীনে গ্যাস রফতানি করতে শুরু করল তুর্কমানিস্তান, এতে তুর্কমান গ্যাসের ওপর রাশিয়ার একচ্ছত্র অধিকার আর রইল না।
২০১০ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন ভিক্টর ইয়ানুকোভিচ।
জুন ওয়াশিংটন সম্মেলনে যাওয়ার পথে সিলিকন ভ্যালি পরিদর্শন করলেন মেদভেদেব।
রাশিয়া, বেলারুশ, আর কাজাখস্তানের মধ্যে একটা কাস্টমস ইউনিয়ন গঠিত হল।
২০১১ ডিসেম্বর সংসদীয় নির্বাচনে জিতলো ইউনাইটেড রাশিয়া পার্টি। সড়কে ব্যাপক প্রতিবাদ। পুতিনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে পুনরাগমন ঘটানোর পরিকল্পনায় ক্ষুব্ধ হয়ে।
২০১২ মার্চ প্রেসিডেন্ট হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হলেন পুতিন।
মে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মেদভেদেভকে পুনঃনিয়োগ দিলেন পুতিন।
আগস্ট ভিন্নমত দমনের বৃহত্তর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গানের দল পুশি রায়টসের সদস্যদের জেলে ঢোকানো হল।
নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হলেন বারাক ওবামা।
২০১৩ জুন রাশিয়ায় আগমন ঘটলো এনএসএর হুইশেলব্লোয়ার এডওয়ার্ড স্নোডেন।
নভেম্বর মস্কো সফর করলেন ভবিষ্যৎ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বেন জুদাহ, ফ্র্যাজাইল এম্পায়ার: হাউ রাশিয়া ফেল ইন অ্যান্ড আউট অফ লাভ উইথ ভ্লাদিমির পুতিন।
২০১৪ ইউক্রেনে মাইদান বিপ্লব।
ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে ৭০+ আন্দোলনকারী খুন। প্রেসিডেন্ট ভিক্টর ইয়ানুকোভিচ রাশিয়ায় পালিয়ে গেলেন। ক্ষমতায় এল বিরোধীরা। নিজেদের সীমান্ত বিরোধের অবসান ঘটাতে একটি নতুন চুক্তি সই করল রাশিয়া ও এস্তোনিয়া।
মার্চ রুশ বাহিনী ক্রিমিয়া দখল করে নিল। রুশ নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে সংঘাতে উমারভের মৃত্যু। ককেশাস আমিরশাহির নতুন নেতা হলেন আলিয়াসখাভ আলিবুলাতোভিচ কেবেকভ। যিনি আলী আবু মোহাম্মদ নামেও পরিচিত।
এপ্রিল রুশ মদতপুষ্ট বিদ্রোহীরা দনবাস অঞ্চলের লুহানস্ক আর দনেৎস্ক অঞ্চলগুলো দখল করে নিল, প্রতিক্রিয়ায় ইউক্রেন সেনাবাহিনী তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল।*
* দনবাস যুদ্ধে ২০১৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ১৫,০০০য়েরও বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটেছে।
মে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট হলেন পশ্চিমপন্থী পেত্রো পোরোশেঙ্কো।
মে ২৭-১ জুনআবখাজিয়া বিপ্লব, সুখুমিতে তুমুল প্রতিবাদের মুখে পদত্যাগ করলেন প্রেসিডেন্ট আলেকজান্দার আংকভাব। আবখাজিয়ার সাথে রাশিয়ার “কৌশলগত মৈত্রী” চুক্তি সই। জর্জিয়া অভিযোগ তুলল, রাশিয়া আবখাজিয়াকে দখল করার ফন্দি আঁটছে।
জুন ১০ ইরাকের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মসুলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইরাক ও সিরিয়ার একাংশে খেলাফত ঘোষণা করল ইসলামিক স্টেট গ্রুপ (আইএস)।
জুলাই ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে রুশ মদতপুষ্ট বিদ্রোহীরা মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্স ফ্লাইট ১৭কে ভূপাতিত করে, এতে ২৯৮ জনের মৃত্যু ঘটে।
ইরাক ও সিরিয়ার একাংশে খেলাফত ঘোষণা করল ইসলামিক স্টেট (আইএস)।
কারেন দাওয়িশা, পুতিন’স ক্লেপটোক্রেসি: হু অউনস রাশিয়া?
পিটার পমেরানৎসেভ, নাথিং ইজ ট্রু অ্যান্ড এভিরিথিং ইজ পসিবল: দ্য সাররিয়াল হার্ট অফ দ্য নিউ রাশিয়া।
২০১৫ ফেব্রুয়ারি মস্কোয় রুশ বিরোধীদলীয় নেতা বরিস নেমৎসভ খুন হওয়ার জের ধরে গ্রেপ্তার হলেন পাঁচ চেচেন, এঁদের একজন কাদিরভের নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর সাথে যুক্ত।
জুন ট্রাম্প টাওয়ারে ঘোষণা দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, লড়বেন প্রেসিডেন্ট পদের জন্য। চেচনিয়া ও দাগেস্তানের যোদ্ধারা ইসলামিক স্টেট গ্রুপের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করলে গ্রুপটি তা গ্রহণ করে।
আগস্ট ককেশাস আমিরশাহির নেতা আবু উসমান গিমরিনস্কি, যিনি মাগোমেদ সুলাইমানভ নামেও পরিচিত, রুশ নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর হাতে খুন হলেন।
সেপ্টেম্বর সিরিয়ার আসাদ সরকারের পক্ষে বোমাবর্ষণ শুরু করল রাশিয়া।*
* রাশিয়ার দাবি তারা আইএসের ওপর হামলা চালিয়েছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও সিরীয় বিরোধীদের দাবি রাশিয়ার আক্রমণের মূল উদ্দেশ্য ছিল সিরীয় বিদ্রোহীদের আক্রমণ করে আসাদ সরকারকে ক্ষমতায় রাখা। আইএসের ওপর হামলা স্রেফ একটা প্রিটেক্সট মাত্র।
দক্ষিণ ওশেটিয়ার সাথে সীমান্ত চেকপয়েন্ট বাতিল করে একটি “জোট এবং একীকরণ চুক্তি” স্বাক্ষর করল রাশিয়া। তিবিলিসি একে অত্র অঞ্চলের রুশ অধিগ্রহণের দিকে একটি পদক্ষেপ বিবেচনা করল। রুশ বাহিনী জর্জিয়ার মূল পশ্চিম-পূর্ব মহাসড়ক থেকে অল্প দূরে জর্জিয়ার ভেতরে আরও ১.৫ কিলোমিটার সীমান্ত বেড়া দিল।
রাশিয়া, বেলারুশ, আর কাজাখস্তান মিলে গঠন করল ইউরেশীয় ইকোনমিক ইউনিয়ন (ইইইউ)।
গ্যারি কাসপারভ, উইন্টার ইজ কামিং: হোয়াই ভ্লাদিমির পুতিন অ্যান্ড দ্য এনিমিজ অফ দ্য ফ্রি ওয়ার্ল্ড মাস্ট বি স্টপড।
পল ডিউকস, আ হিস্ট্রি অফ দ্য উরালস: রাশিয়া’জ ক্রুসিবল ফ্রম আর্লি এম্পায়ার টু দ্য পোস্ট-সোভিয়েত এরা।
২০১৬ জুলাই রিপাবলিকান পার্টির মনোনয়ন লাভ করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ডিসেম্বর নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করার দায়ে ৩৫ জন রুশ কূটনীতিককে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার করলেন ওবামা।
২০১৭ এপ্রিল সেইন্ট পিটার্সবুর্গের মেট্রো রেল ব্যবস্থায় এক বোমা হামলায় ১৩ জনের মৃত্যু।
জুলাই হামবুর্গের জি২০ সম্মেলনে প্রথমবারের মত ট্রাম্প ও পুতিনের সাক্ষাৎ।
ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি ২০১৮ সালের শীতকালীন অলিম্পিকে রাশিয়ার অংশ নেয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিল। রমজান কাদিরভ দমনপীড়নের একটা ব্যবস্থাগত অভিযান চালাচ্ছেন, এই অভিযোগ এনে তাঁর ওপর আর্থিক নিষেধাজ্ঞা দিল যুক্তরাষ্ট্র।
আন্তন ওয়েইজ-ওয়েন্ট, দ্য সোভিয়েত ইউনিয়ন অ্যান্ড দ্য গাটিং অফ দি ইউএন জেনোসাইড কনভেনশন।
২০১৮ মার্চ ৪ স্যালিসবেরিতে সের্গেই ও ইউলিয়া স্ক্রিপালকে বিষপ্রয়োগে হত্যার একটা ব্যর্থ চেষ্টা চালালেন জিআরইউ এজেন্টরা।
মার্চ প্রেসিডেন্ট হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হলেন পুতিন।
মে চতুর্থ মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন ভ্লাদিমির পুতিন।
জুলাই হেলসিংকিতে ট্রাম্পের সাথে পুতিনের সম্মেলন।
রাশিয়া আর ইরানের সামরিক সহায়তায় সিরিয়ার বাশার আল-আসাদ সরকার এই যাত্রায় টিকে গেল।
উইল স্মাইলি, ফ্রম স্লেভস টু প্রিজনারস অফ ওয়ার: দ্য অটোমান এম্পায়ার, রাশিয়া, অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ল।
জেমস ডি. হোয়াইট, মার্ক্স অ্যান্ড রাশিয়া: দ্য ফেট অফ আ ডক্ট্রিন।
জোনাথন ডালি, ক্রাইম অ্যান্ড পানিশমেন্ট ইন রাশিয়া: আ কম্প্যারেটিভ হিস্ট্রি ফ্রম পিটার দ্য গ্রেট টু ভ্লাদিমির পুতিন।
২০১৯ এপ্রিল ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হলেন সাবেক কৌতুকাভিনেতা ভলোদিমির জেলেনস্কি।
জুলাই একটা কুখ্যাত টেলিফোন কলে ট্রাম্প জেলেনস্কিকে বললেন, “ডু আস আ ফেভার।”
ডিসেম্বর ট্রাম্পকে অভিশংসন করার পক্ষে ভোট দিল যুক্তরাষ্ট্রের হাউজ অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস। কিন্তু মাসদুয়েক পর সিনেট তাঁকে খালাস দেয়। প্যারিসে জেলেনস্কির সাথে ট্রাম্পের সাক্ষাৎ।
উইলিয়াম ই. পমেরাঞ্জ, ল অ্যান্ড দ্য রাশিয়ান স্টেট: রাশিয়া’জ লিগাল ইভল্যুশন ফ্রম পিটার দ্য গ্রেট টু ভ্লাদিমির পুতিন।
২০১৯ ডিসেম্বর-মার্চ ২০২০ উত্তরপশ্চিম সিরিয়ায় রুশ অভিযানের কারণে ১০ লক্ষ সিরীয় স্থানচ্যুত হলেন, সিরীয় শরণার্থীদের জন্য তুরস্ক সীমান্ত খুলে দিল।
২০২০ জুন ঢাকায় তরুণ জৈবপ্রযুক্তিবিদ খোরোশকোভা লিলিয়ার রহস্যজনক মৃত্যু। সন্দেহভাজন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির (এনএসইউ) ল্যাব ইন্সট্রাক্টর মৃন্ময় সরকার ঘটনার পর থেকে পলাতক। উল্লেখ্য, লিলিয়া মায়ের দিক থেকে রুশ ছিলেন।
জুলাই রুশ ভোটাররা একটি সাংবিধানিক পরিবর্তনের পক্ষে মত দিলেন, যা পুতিনকে ২০২৪ সালে আবার ক্ষমতার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অনুমতি দিলো।
আগস্ট রুশ বিরোধী রাজনীতিক অ্যালেক্সেই নাভালনিকে সাইবেরিয়ায় বিষপ্রয়োগ করা হলো। চিকিৎসার জন্য তাঁকে বার্লিনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর দেখভালের দায়িত্বে থাকা জার্মান চিকিৎসকরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হলেন যে, নাভালনিকে নোভিচোক নার্ভ এজেন্ট দ্বারা বিষপ্রয়োগ করা হয়েছে।
নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হলেন জো বাইডেন।
আন্তন ওয়েইজ-ওয়েন্ট, পুতিন’স রাশিয়া অ্যান্ড দ্য ফলসিফিকেশন অফ হিস্ট্রি: রিঅ্যাজার্টিং কন্ট্রোল ওভার দ্য পাস্ট।
এরিকা ফ্যাটল্যান্ড, সোভিয়েতিস্তান: ট্রাভেলস ইন তুর্কমানিস্তান, কাজাখস্তান, তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান, অ্যান্ড উজবেকিস্তান।
২০২১ জানুয়ারি বিরোধীদলীয় নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনিকে আটক করার প্রতিবাদে রাশিয়ায় তীব্র গণআন্দোলনের মুখে পুতিন সরকার ৫,০০০ মানুষকে গ্রেপ্তার করল। সাধারণ নির্বাচনে জিতলো ক্ষমতাসীনদের ইউনাইটেড রাশিয়া পার্টি। বিরোধীরা নির্বাচনে ব্যাপক জালিয়াতি হওয়ার অভিযোগ আনলেন।
ফেব্রুয়ারি একটা দ্বিতীয় অভিশংসন প্রচেষ্টা থেকে বেঁচে গেলেন ট্রাম্প।
জুন জেনেভায় বাইডেনের সাথে পুতিনের প্রথম সম্মেলন।
জুলাই ‘অন দ্য হিস্টোরিকাল ইউনিটি অফ রাশিয়ানস অ্যান্ড ইউক্রেনিয়ানস‘ নামে একটি নিবন্ধ প্রকাশ করলেন প্রেসিডেন্ট পুতিন।
ডিসেম্বর ইউক্রেন সংকট সমাধানের জন্য কিছু দাবিদাওয়া পেশ করলো ক্রেমলিন, যার প্রভাব সুদুরপ্রসারী।
বারবারা আলপার্ন অ্যাঞ্জেল, ম্যারেজ, হাউজহোল্ড, অ্যান্ড হোম ইন মডার্ন রাশিয়া ফ্রম পিটার দ্য গ্রেট টু ভ্লাদিমির পুতিন।
আন্তন ওয়েইজ-ওয়েন্ট ও ন্যান্সি অ্যাডলার (সম্পা.), দ্য ফিউচার অফ দ্য সোভিয়েত পাস্ট: দ্য পলিটিকস অফ হিস্ট্রি ইন পুতিন’স রাশিয়া।
২০২২ ফেব্রুয়ারি ২৪ রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা চালাল, ইউক্রেন যুদ্ধের সূচনা।*
* রুশরা ইউক্রেনে আগ্রাসন চালালে ইউক্রেনকে যারা সামরিক সরঞ্জাম ও রাজনৈতিক সমর্থন প্রদান করে এস্তোনিয়া তাদের মধ্যে অগ্রগণ্য। চেচেন সরকার এই যুদ্ধে মস্কোর মিত্র। চেচেন ইউনিটগুলো কিছু লড়াইয়ে প্রধান ভূমিকা রেখেছে।
রাশিয়ার সাথে যুক্ত হয়ে যাওয়ার একটা পূর্বপরিকল্পিত গণভোট স্থগিত করলেন দক্ষিণ ওশেটিয়ার নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট অ্যালান গাগলোয়েভ। দক্ষিণ ওশেটিয়া ঘোষণা করল, মাসে ১০ দিন জর্জিয়ার সাথে চেকপয়েন্ট খোলা রাখবে। ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের ধারাবাহিকতায়, জর্জিয়া বহু রুশ নির্বাসিতের জন্য একটি অস্থায়ী গৃহে পরিণত হল।
ক্রিস্টোফার এলি, রাশিয়াজ পপুলিজম: আ হিস্ট্রি।
ফিলিপ শর্ট, পুতিন: হিজ লাইফ অ্যান্ড টাইমস।
২০২৩ আগস্ট ভাগনার গ্রুপের নেতা ইয়েভগেনি প্রিগোঝিন ও প্রতিষ্ঠাতা দিমিত্রি উতকিন এক বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হলেন।
ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের অন্যতম প্রধান কারণ ন্যাটো সম্প্রসারণ ছিল বলে মন্তব্য করে জর্জীয় প্রধানমন্ত্রী ইরাকলি ঘারিবাশভিলি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে পড়লেন। ইইউ প্রার্থীর মর্যাদা লাভ করল জর্জিয়া। আবখাজিয়ার প্রেসিডেন্ট আসলান ঝানিয়া ইজভেস্তিয়া পত্রিকাকে জানালেন, রাশিয়া দেশটিতে একটি নৌঘাঁটি বানাতে যাচ্ছে।
২০২৪ ফেব্রুয়ারি ১৬ আর্কটিকের এক বন্দিশিবিরে মৃত্যুবরণ করলেন বিরোধী দলীয় নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনি।
মার্চ ১৭ পঞ্চম মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হলেন ভ্লাদিমির পুতিন।
২২ মস্কোর এক কনসার্ট হলে বন্দুকধারীর হামলায় ১৪৪ ব্যক্তির মৃত্যু। ইসলামিক স্টেট গ্রুপ হামলার দায় স্বীকার করে। হামলার সন্দেহভাজন হিসেবে তাজিকিস্তানের ১১ জন নাগরিককে গ্রেপ্তার করে রাশিয়া, কিন্তু পুতিন কোন প্রমাণ ছাড়াই দাবি করেন এই হামলা ইউক্রেনের নির্দেশনায় পরিচালিত হয়েছে।
মার্টিন সিক্সমিথ, ড্যানিয়েল সিক্সমিথের সাথে, পুতিন অ্যান্ড দ্য রিটার্ন অফ হিস্ট্রি: হাউ দ্য ক্রেমলিন রিকিন্ডলড দ্য কোল্ড ওয়ার।
২০২৫ জানুয়ারি ১ ভোরোনেঝ অবলাস্তে একটি মিল এমআই-২৮ হেলিকপ্টার ক্রাশ করল।
১১ রাশিয়ার কুর্স্ক অবলাস্তে যুদ্ধ চলাকালে ২ উত্তর কোরীয় সৈনিককে পাকড়াও করার ঘোষণা দিল ইউক্রেন।
১৭ রাশিয়ার সাথে একটি কম্প্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ ট্রিটিতে সই করলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
২৩ সিরিয়ার উপকূলে রুশ গোয়েন্দা জাহাজ কিদিনয়ে আগুন লাগল।
২৯ কালুগা অবলাস্তের উসোখিতে ফরেস্ট রেঞ্জাররা একজন অবৈধ কাঠুরেকে গ্রেপ্তার করার চেষ্টা চালালে তিনি প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণ করেন। এতে ৩ রেঞ্জার খুন হন। আরও ২ জনকে জিম্মি করে আখেরে আত্মহত্যা করেন উক্ত কাঠুরে।
ফেব্রুয়ারি ৬ রোসকসমসের মহাপরিচালকের পদ থেকে ইউরি বরিসভকে বরখাস্ত করলেন প্রেসিডেন্ট পুতিন। সংস্থাটির নতুন মহাপরিচালক হলেন দিমিত্রি বাকানভ।
৮ বাল্টিক সাগরে রোসটেলিকমের মালিকানাধীন একটি আন্ডারওয়াটার কেবল ক্ষতিগ্রস্ত হল। মস্কোর এক সাবেক ইলেকট্রোজাভোদ ভবনে আগুন লেগে অন্তত ৮ ব্যক্তি আহত হলেন।
৯ নেভেলস্কি জেলার উপকূলে একটি চীনা পণ্যবাহী জাহাজ আন ইং ২ ডুবে যাওয়ার পর সাখালিন অবলাস্তে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হল।
১১ ইওরোপিয়ান কোর্ট অফ হিউম্যান রাইটস (ইসিএইচআর) এই মর্মে রায় দিল যে, রুশ সরকার ইউক্রেন হামলার ব্যাপারে “ভিন্নমত দমনের জন্য একটি সমন্বিত প্রচেষ্টা” চালিয়েছে। ২০২১ সাল থেকে মাদকের অভিযোগে রাশিয়ায় আটক থাকা মার্কিন শিক্ষক মার্ক ফোগেলকে মুক্তি দেওয়া হল। বন্দী বিনিময়ের অংশ হিসেবে তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যাবাসন করা হল।
১২ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সাথে একটা ফোন কলের ধারাবাহিকতায় ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করতে রাশিয়ার সাথে আলাপ-আলোচনা শুরু করার ঘোষণা দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
১৩ এফএসবি জানাল, তারা পস্কভ ট্রেন স্টেশনে হামলার পরিকল্পনাকারী একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কয়েকজন সদস্যকে গুলিবিনিময়ের পর হত্যা করেছে। পার্ম ক্রাইয়ের সোলিকামস্কে উরালকালি পরিচালিত একটি পটাশ খনি ধ্বসে দুই খনি শ্রমিকের মৃত্যু। সাইবার অপরাধের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রে কারাবন্দী থাকা ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ অপারেটর আলেকজান্ডার ভিনিককে বন্দী বিনিময়ের অংশ হিসেবে মুক্তি দেয়া হল ও রাশিয়ায় ফিরিয়ে আনা হল।
১৭ রোস্তভ অবলাস্তের ডেপুটি গভর্নর কনস্টান্টিন রাচালোভস্কি ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন। তাঁর বিরুদ্ধে আর্থিকভাবে পীড়িত কোম্পানিগুলোকে ১৫৫.২ মিলিয়ন রুবল (১.৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) রাষ্ট্রীয় ভর্তুকি প্রদানের অভিযোগ ছিল। যে কোম্পানিগুলো কালক্রমে দেউলিয়া হয়ে যায়।
১৮ ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানের বিষয়ে সৌদি আরবে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা শুরু করল রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র।
২৬ ভোলোগদা অবলাস্তের ডেপুটি গভর্নর ডেনিস আলেক্সেয়েভ ও মস্কোর ভোলোগদা অবলাস্ত প্রতিনিধি অফিসের প্রধান কিরিল বোচারভ ১০০ মিলিয়ন রুবল (১.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) ঘুষ গ্রহণের সন্দেহে গ্রেপ্তার হলেন।
২৭ সামারার সামারা অবলাস্তের আঞ্চলিক প্রশাসনিক অফিসের প্রবেশপথে গ্রেনেড নিক্ষেপের অভিযোগে ১ ব্যক্তি গ্রেপ্তার।
২৮ পুতিনের ঘনিষ্ঠ রুশ অর্থোডক্স বিশপ তিখন শেভকুনভকে হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে দুই গির্জা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করল এফএসবি।
মার্চ ৩ এফএসবি জানাল, তারা মস্কো মেট্রো এবং মস্কোর একটি ইহুদি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে “সন্ত্রাসী হামলার” পরিকল্পনাকারী এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করেছে।
৪ জাভিয়ালোভোর একটি ক্যাফে থেকে বের হওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হলেন আলতাই ক্রাইয়ের জাভিয়ালোভস্কি জেলার প্রধান নিকোলাই ওনিশচেনকো।
৫ দাগেস্তানের মাখাচকালায় এক “সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে” নিহত হলেন ৪ সন্দেহভাজন ইসলামিক স্টেট যোদ্ধা।
১০ গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে রাশিয়া থেকে বহিষ্কৃত হলেন ২ ব্রিটিশ কূটনীতিক।
১১ নিঝনি নভগরোদের একটি স্কুলে ছুরিকাঘাতে আহত হলেন ২ ছাত্র। সন্দেহভাজন ব্যক্তি, যিনি নিজেও একজন ছাত্র, গ্রেপ্তার হলেন।
১৩ রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানাল, তাদের বাহিনী ইউক্রেনের কাছ থেকে কুর্স্ক অবলাস্তের সুদঝা পুনরুদ্ধার করেছে।
১৮ ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী বেলগরোদ ওবলাস্তে একটি বড় ধরনের অনুপ্রবেশ শুরু করল। নেনেৎস স্বায়ত্তশাসিত ওক্রুগের গভর্নর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ইউরি বেজডুডনি। লেনিনগ্রাদ অবলাস্তে রুশ সামরিক বাহিনীর একটি মিল এমআই-২৮ হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হলে এতে সব ক্রু নিহত হন।
৩১ আশ্রম শম্বল সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠাতা কনস্টান্টিন রুদনেভকে মানব পাচারের অভিযোগে আর্জেন্টিনায় তাঁর ১৩ জন শিষ্যের সাথে গ্রেপ্তার করা হয়।
এপ্রিল ১ সরকার, টেলিযোগাযোগ ও ব্যাংকিং খাতের কর্মীদের বিদেশি মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিলেন পুতিন।
২ ইরকুৎস্ক অবলাস্তের উসোলস্কি জেলায় বিধ্বস্ত হল একটি টিইউ-২২এম৩ বোমারু বিমান, ১ ক্রু নিহত।
৩ ২০২৩ সাল থেকে কোন যৌক্তিক কারণ ছাড়াই সংসদ অধিবেশনে যোগদানে ব্যর্থতার কারণে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির জনৈক ডেপুটি ইউরি নাপসোকে বহিষ্কার করল স্টেট ডুমা।
৪ পলাতক এমপি আলেকসান্দর নেস্তেরোভশ্চিকে পালিয়ে যাওয়ার কাজে সহায়তা করার অভিযোগে মলদোভা ৩ রুশ কূটনীতিককে বহিষ্কার করলে এর প্রতিশোধ হিসেবে মলদোভা থেকে ৩ মলদোভান কূটনীতিককে বহিষ্কার করল রাশিয়া।
৮ যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার বন্দী অদলবদলের অংশ হিসেবে মুক্তি পেলেন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার দ্বৈত নাগরিক কেসেনিয়া কারেলিনা।
৯ মার্চে রোমানিয়া থেকে রুশ ডিফেন্স অ্যাটাচে ও তাঁর ডেপুটিকে বহিষ্কার করার প্রতিশোধ হিসেবে রোমানিয়া থেকে রুশ ডিফেন্স অ্যাটাচে ও তাঁর ডেপুটিকে বহিষ্কার করা হল।
১৭ রাশিয়ার সুপ্রিম কোর্ট দেশটির সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলোর তালিকা থেকে তালেবানের নাম সরিয়ে দিল। রাষ্ট্রীয় চুক্তি ও “সাধারণ পৃষ্ঠপোষকতার” বিনিময়ে একটি ফোন উৎপাদন কারখানা থেকে ৩৬ মিলিয়ন রুবেল (৪৩৭,৬০০ মার্কিন ডলার) ঘুষ গ্রহণের দায়ে রাশিয়ার জেনারেল স্টাফের সাবেক ডেপুটি চিফ ভাদিম শামারিনের কোর্ট মার্শাল ও ৭ বছরের কারাদণ্ড।
২২ ভ্লাদিমির অবলাস্তের কিরঝাচস্কি জেলায় ৫১তম প্রধান ক্ষেপণাস্ত্র ও আর্টিলারি অধিদপ্তরের অস্ত্রাগারে বিস্ফোরণে ৩ সেনাসহ ৪ ব্যক্তি আহত।
২৩ দাবানলের কারণে জাবায়কালস্কি ক্রাইতে জরুরি অবস্থা জারি।
২৫ মস্কো অবলাস্তের বালাশিখায় এক গাড়ি বোমা হামলায় রুশ সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফের প্রধান অপারেশনাল অধিদপ্তরের উপ-প্রধান মেজর জেনারেল ইয়ারোস্লাভ মোসকালিক নিহত।
২৬ ইউক্রেনীয় বাহিনীর কাছ থেকে কুর্স্ক অবলাস্তকে মুক্ত করার ঘোষণা দিল রুশ বাহিনী।
মে ৪ মস্কোর ইয়াসেনেভো জেলার এক অ্যাপার্টমেন্টের ভেতরে বিস্ফোরণে ৪ ব্যক্তি নিহত। আজারবাইজানের সংসদ সদস্য আজার বাদামভকে আস্ট্রাখানে আটক করা হল। খবরে প্রকাশ, রুশোফোবিয়ার অভিযোগে তাঁর রাশিয়া প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
৫ দাগেস্তানের মাখাচকালায় এক বন্দুকযুদ্ধে ৩ পুলিশ কর্মকর্তা ও ২ বন্দুকধারী নিহত।
৭ ভেনেজুয়েলার সাথে একটি স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ চুক্তি সই করল রাশিয়া।
৮ রাশিয়ায় খননকৃত বৃহত্তম হীরা আবিষ্কারের ঘোষণা দিল আলরোসা। ৪৬৮ ক্যারেটের এই হীরার টুকরোটি সাখা প্রজাতন্ত্রের মির খনি থেকে খনন করা হয়। নাম রাখা হল ‘এইটি ইয়ার্স ভিক্টোরি ইন দ্য গ্রেট প্যাট্রিওটিক ওয়ার’।
১২ ২০১৪ সালে পূর্ব ইউক্রেনের উপর মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট ১৭ ভূপাতিত করার জন্য রাশিয়াকে দায়ী করল আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা।
১৩ দাবানলের কারণে বুরিয়াতিয়ায় জরুরি অবস্থা জারি।
১৪ নির্বাচন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা গোলোসের সহ-সভাপতি গ্রিগরি মেলকনইয়ান্তসকে একটি “অবাঞ্ছিত” সংস্থার হয়ে কাজ করার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে ৫ বছরের কারাদণ্ড দিল মস্কোর এক আদালত।
১৬ তুরস্কে ২০২২ সালের পর ইউক্রেন ও রাশিয়া তাদের প্রথম সরাসরি শান্তি আলোচনায় অংশ নেয়। কেমেরোভো অবলাস্তে বিদ্যুৎ বিভ্রাট। ২৮,০০০ মানুষের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন।
১৯ বিজয় দিবসে পুলিশ কর্মকর্তাদের উপর হামলার ষড়যন্ত্রে সম্পৃক্ততার সন্দেহে স্তাপরোভোল ক্রাইতে ৯ জনকে গ্রেপ্তারের ঘোষণা দিল এফএসবি। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালকে একটি “অবাঞ্ছিত সংস্থা” হিসেবে ঘোষণা করল রুশ সরকার।
২৩ ওরিওল অবলাস্তের উরিৎস্কি জেলায় একটি প্রশিক্ষণ ফ্লাইটের সময় রুশ সামরিক বাহিনীর একটি এমআই-৮ হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হলে সব ক্রু নিহত হন।
২৬ ভ্লাদিভস্তকে সন্দেহভাজন রুশ নিরাপত্তা এজেন্টদের হামলায় ১ ইইউ কূটনীতিক আহত।
২৮ ইরকুৎস্ক অবলাস্তের বৈকালস্কে একটি বাড়িতে ছুরিকাঘাতে ৫ ব্যক্তি নিহত। বাড়িতে আগুন দেওয়ার পর হামলাকারীও মারা যান।
৩১ ব্রায়ানস্ক অবলাস্তে এক দুর্ঘটনায় ৭ ব্যক্তি নিহত।
জুন ১ ইউক্রেন কর্তৃক লঞ্চড হল অপারেশন স্পাইডার্স ওয়েব।
৮ ক্রাসনোয়ার্স্ক ক্রাইয়ের কাজাচিনস্কি জেলার ইয়েনিসেই নদীর ধারে দুটি বার্জ টেনে নিয়ে যাওয়া একটি জাহাজ মাটিতে পড়ে ভেঙে গেল। এতে প্রায় ৩০ মেট্রিক টন ডিজেল জ্বালানি ছড়িয়ে পড়ে। উপকূল বরাবর ৫০ কিমি পর্যন্ত তেল ছড়িয়ে যায়।
৯ ১৮০ মিলিয়ন রুবলেরও বেশি (২.৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) ঘুষ গ্রহণের সন্দেহে গ্রেপ্তার হলেন ক্রাসনোয়ার্স্কের মেয়র ভ্লাদিস্লাভ লগিনভ।
১৭ ২০১৮ সাল থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণে ব্যর্থ হওয়ার দায়ে সিভিক ইনিশিয়েটিভ পার্টি ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দিল রাশিয়ার সুপ্রীম কোর্ট, যে সময় নির্বাচন কর্মকর্তারা দলটির প্রার্থীদের নিবন্ধনে বাধা দিয়েছিলেন।
২৫ মলদোভার জন্য গুপ্তচরবৃত্তির সন্দেহে ২ মলদোভান নাগরিককে গ্রেপ্তার করে এফএসবি।
২৭ ২৯ মে থেকে শুরু হওয়া অনির্দিষ্ট উৎসের জ্বালানি লিকেজ এবং স্টারকোভকা নদী দূষণের পর ইজেভস্কে জরুরি অবস্থা জারি। একেতেরিনবার্গে রুশ কর্তৃপক্ষের অভিযানে ২ আজারবাইজানি নাগরিকের মৃত্যু। মস্কো ও আজারবাইজানের মধ্যে কূটনৈতিক বিরোধের সূত্রপাত।
৩০ চার্চ অফ দ্য লাস্ট টেস্টামেন্টে নিজ অনুসারীদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করার দায়ে ধর্মীয় নেতা ভিসারিয়নকে ১২ বছরের কারাদণ্ড দিল নভোসিবির্স্কের এক আদালত।
জুলাই ১ প্রাক্তন উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী তিমুর ইভানভকে ৩.৯ বিলিয়ন রুবেল (৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) রাষ্ট্রীয় তহবিল তছরুপের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দিল মস্কোর সিটি কোর্ট। রুশ অ্যারোস্পেস ফোর্সেসের একটি সু-৩৪ জঙ্গিবিমান নিঝনি নভগরদ অবলাস্তে এক প্রশিক্ষণ উড্ডয়নকালে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিধ্বস্ত হয়। তবে ২ ক্রু সদস্য নিরাপদে বেরিয়ে আসেন।
৩ কুর্স্ক অবলাস্তে এক সন্দেহভাজন ইউক্রেনীয় ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় রুশ নৌবাহিনীর ডেপুটি কমান্ডার মেজর জেনারেল মিখাইল গুদকভ সহ ১০ ব্যক্তি নিহত হন। প্রথম রাষ্ট্র হিসেবে ইসলামি আমিরশাহি আফগানিস্তান সরকারকে স্বীকৃতি দিল রাশিয়া।
৬ সিপিআরএফের এক কংগ্রেসে একটি প্রস্তাব গৃহীত হলো, যেখানে ১৯৫৬ সালে ক্রুশ্চেভ কর্তৃক উপস্থাপিত “On the Cult of Personality and Its Consequences” শীর্ষক প্রতিবেদনটিকে ভ্রান্ত বলে অভিহিত করা হয়।
৭ রোমান স্টারোভয়েটকে পরিবহনমন্ত্রীর পদ থেকে বরখাস্ত করার কয়েক ঘন্টা পরে সন্দেহভাজন আত্মহত্যায় মৃত অবস্থায় পাওয়া গেল। কেমেরোভো অবলাস্তে একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণের সাথে জড়িত ঘুষ নেয়ার সন্দেহে রসগভার্দিয়ার সাবেক ডেপুটি পরিচালক ভিক্টর স্ট্রিগুনভ গ্রেপ্তার।
৮ তাতারস্তানে একটি প্রশিক্ষণ ফ্লাইটের সময় একটি সোকল আলটিয়াস সামরিক ড্রোন এক দাচায় বিধ্বস্ত হল।
৯ ২০১৪ সালে পূর্ব ইউক্রেনের ওপর মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট ১৭ ভূপাতিত করায় রাশিয়ার দায় খুঁজে পেল ইওরোপিয়ান কোর্ট অফ হিউম্যান রাইটস (ইউসিএইচআর)।
১১ মেতে ক্র্যাকাওতে রুশ কনস্যুলেট বন্ধ করার পোল্যান্ডের সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় কালিনিনগ্রাদে পোলিশ কনস্যুলেট বন্ধের নির্দেশ দিল রাশিয়া।
১৪ খাবোরভস্ক ক্রাইয়ের ওখোৎস্কে জ্বালানি ভরার পর পাইলটের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় ৫ ব্যক্তিকে বহনকারী একটি মিল এমআই-৮ হেলিকপ্টার নিখোঁজ হল। তুলা অবলাস্তের একটি রিসোর্টে বজ্রপাতে ৩ ব্যক্তি নিহত।
১৬ দক্ষিণ আমেরিকা থেকে আসা কলার চালানের নিচে লুকানো ৮২০ কেজি কোকেন জব্দ করলো ফেডারেল কাস্টমস সার্ভিস এবং এফএসবি। যার মূল্য ১২ বিলিয়ন রুবল (১৫৩ মিলিয়ন ডলার)।
২০ কামচাটকা উপকূলের কাছে একটি ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার ফলে ১.৫৩ মিটার (৫ ফুট) উচ্চতার সুনামি সৃষ্টি হয়। LGBTQA+ “প্রচারণা” হিসেবে বিবেচিত বই বিক্রির দায়ে ফালালস্টার বুকস্টোর ও এর প্রতিষ্ঠাতাকে জরিমানা করলো মস্কোর এক আদালত।
২১ সাখা প্রজাতন্ত্রে খনি শ্রমিক বহনকারী একটি বাস খাদে পড়ে গেলে এতে ১৩ জন নিহত ও ২০ জন আহত হন।
২২ ঘুষের অভিযোগে মস্কোতে গ্রেপ্তার হলেন টেলিগ্রামভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বাজার প্রধান সম্পাদক গ্লেব ত্রিফোনভ। দাবানলের কারণে তুভায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হল।
২৩ “ইন্টারন্যাশনাল স্যাটানিস্ট মুভমেন্ট”-কে একটি চরমপন্থী সংগঠন ঘোষণা করলো রাশিয়ার সুপ্রীম কোর্ট।
প্রেসিডেন্ট পুতিন এমন একটি আইনে স্বাক্ষর করলেন, যা রাশিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাসরত বেলারুশী নাগরিকদের স্থানীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়া ও প্রার্থী হওয়ার সুযোগ দেয়।
২৪ আমুর অবলাস্তের টিন্ডার কাছে আঙ্গারা এয়ারলাইন্স ফ্লাইট ২৩১১ বিধ্বস্ত হয়ে ৪৮ জন আরোহীর সবাই নিহত হন। তামবভ অবলাস্তের সাবেক গভর্নর মাকসিম ইয়েগোরভকে ঘুষের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হল।
২৫ সারাতভে একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে গ্যাস বিস্ফোরণে এক শিশুসহ ৬ জন নিহত। এক ঝড়ে কৃষিজ ক্ষয়ক্ষতির কারণে ভোরোনেঝ অবলাস্তের কিছু অংশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হল।
২৬ মাখাচকালায় একটি বৈদ্যুতিক সাবস্টেশনে আগুন লাগায় বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটলো।
২৭ পিয়ংইয়ংয়ে ফ্লাইট চালু করল রুশ এয়ারলাইন নর্ডউইন্ড, যা রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে প্রথম বাণিজ্যিক ফ্লাইট।
২৮ অ্যারোফ্লট ও এর সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর সাইবার হামলা, ফলে শত শত ফ্লাইট বিঘ্নিত হল।
৩০ ২০২৫ সালের কামচাটকা উপদ্বীপের ভূমিকম্পে ৮.৮ মাত্রার ভূমিকম্প ও সুনামি সৃষ্টি হয়ে কুরিল দ্বীপপুঞ্জ ও সাখালিনে ক্ষয়ক্ষতি। কামচাটকায় ক্লিউচেভস্কায়া সোপকা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে। দেশের গণযোগাযোগ নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেটের একটি অংশের নিরাপত্তার প্রতি কথিত হুমকি শনাক্ত করার পর ‘স্পিডটেস্ট’ সেবাটি ব্লক করলো ফেডারেল এজেন্সি রসপোত্রেবনাদজর। রাশিয়ার ন্যায়বিচার মন্ত্রণালয় আলেক্সেই নাভালনির স্মৃতিকথা প্যাট্রিয়টকে চরমপন্থী উপাদান বলে ঘোষণা করলো।
৩১ অনলাইনে “চরমপন্থী” বিষয়বস্তু অনুসন্ধান ও ভিপিএন বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করা আইনে সই করলেন প্রেসিডেন্ট পুতিন।
তথ্যসূত্র
সেন, অর্ক। ২০২৩। স্তালিনের গুলাগ। গান্ধার।
সেন, সত্যেন। ২০১৮। মহাবিদ্রোহের কাহিনী। দশম প্রকাশ। মুক্তধারা।
Ahmad, Eqbal. 2001. Terrorism: Theirs & Ours. Seven Stories Press.
Al Jazeera.
Anadolu Ajansi.
AP News.
Applebaum, Anne. 2003. Gulag: A History. Doubleday.
BBC.
Conradi, Peter. 2022. Who Lost Russia?: From the Collapse of the USSR to Putin’s War on Ukraine. Oneworld Publications.
Dando, William A. 2007. Russia. 2nd ed. Chelsea House.
Euronews.
Faulkner, Niel. 2017. A People’s History of the Russian Revolution. Pluto Press in partnership with The Left Book Club.
France 24.
Kenez, Peter. 2006. A History of the Soviet Union from the Beginning to the End. 2nd ed. Cambridge University Press.
Kort, Michael. 2008. A Brief History of Russia. Facts On File.
Langer, Lawrence N. 2002. Historical Dictionary of Medieval Russia. The Scarecrow Press.
Reidel, Bruce. 2014. What We Won: America’s Secret War in Afghanistan, 1979-89. Brookings Institution Press.
Reuters.
RFE/RL.
The Guardian.
The Independent.
The Moscow Times.
Trotsky, Leon. 1941. Stalin: an Appraisal of the Man and His Influence. Translated by Charles Malamuth. Grosset & Dunlap.
Wikipedia
The Free Encyclopedia
https://www.wikipedia.org
World History Encyclopedia.
www.jurist.org.
Xinhua News Agency.
Ziegler, Charles E.. 2009. The History of Russia. 2nd ed. Greenwood.
নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।
অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ
দিব্যপ্রকাশ । বাতিঘর । বইবাজার । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী । বুক হাউজ । ওয়াফিলাইফ । রকমারি




কীভাবে ধন্যবাদ দেই বুঝতে পারছি না। আপনার জন্য অনেক শুভেচ্ছা।