Spread the love

Featured Image: Wikimedia Commons.

Image: The Nations Online Project.

পূর্বসাল

১০০০-৭০০ যা পরবর্তীকালে ইওরেশীয় সমভূমির রুশ অংশ হয়ে উঠবে তা এসময় নিয়ন্ত্রণ করছে সিমেরীয়রা।

৭০০-২০০ স্কিথীয়রা এসময় বর্তমান রাশিয়াভুক্ত ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণ করছে।

ষষ্ঠ শতাব্দীর শেষভাগ পারস্যের দারিউস স্কিথীয়দের নিয়ন্ত্রিত ভূখণ্ডে হামলা চালালেন।

২০০ পূর্বসাল – ২০০ সাল সামারিটানরা এসময় বর্তমান রাশিয়া-ভুক্ত ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণ করছে।

সাল

২০০ গথদের দ্বারা সামারিটানরা প্রতিস্থাপিত হয়ে গেল।

৩৭০ রাশিয়ার হুনদের দ্বারা গথরা প্রতিস্থাপিত হয়ে গেল।

মধ্য ষষ্ঠ শতাব্দী কৃষ্ণসাগরের উত্তরের স্তেপভূমির নিয়ন্ত্রণ আভারদের হাতে গেল; স্লাভভাষী গোষ্ঠীগুলো ইতোমধ্যেই অঞ্চলটিতে বসতিস্থাপন করেছে।

সপ্তম শতাব্দী খাজার রাজ্য প্রতিষ্ঠিত।*

* কালক্রমে ভোলগা থেকে নীপারের শাসনকর্তা হয়ে উঠবে।

সপ্তম-অষ্টম শতাব্দী খাজাররা আরব মুসলমান বাহিনীর অগ্রাভিযান ঠেকিয়ে দেয়। অত্র অঞ্চলে ইসলামের সম্প্রসারণ রুদ্ধ করে। ফলে, পূর্ব ইওরোপ খ্রিস্টধর্মের সম্প্রসারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে।

অষ্টম-নবম শতাব্দী খাজারদের শাসকগোষ্ঠীটুকু ইহুদিধর্ম গ্রহণ করে নিল।

নবম শতাব্দী স্লাভরা ইওরেশীয় সমভূমির ৩০০টিরও বেশি শহরে কৃষিজীবী ও বণিক হিসেবে নিজেদের সুপ্রতিষ্ঠিত করল।

৮৬২ ভ্যারাঞ্জীয়রা* নভোগরদে প্রতিষ্ঠা করল রুরিক রাজবংশ।

* স্ক্যান্ডিনেভিয়া থেকে আসা একদল যোদ্ধা ও বণিক।

৮৮০কিয়েভান রুস‘: রুরিকের বংশধর ওলেগ কিয়েভের* নিয়ন্ত্রণ নিলেন, যা রাজকুমারদের দ্বারা শাসিত দুর্গঘেরা শহরগুলোর একটা শিথিল ফেডারেশনের রাজধানীতে পরিণত হয়।

* বর্তমান ইউক্রেনের রাজধানী।

৯৯১ বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের সাথে একটা লাভজনক বাণিজ্যিক চুক্তিতে আবদ্ধ হলেন ওলেগ, যা রুশ বণিকদের জন্য সাম্রাজ্যটির রাজধানী কন্সটান্টিনোপলে বাণিজ্যের রাস্তা খুলে দিল।

৯৪৪ বাইজেন্টাইনদের সাথে আরেকটি বাণিজ্য চুক্তি করলেন ইগোর।

৯৬৬ রাজকুমার সিয়াতোস্লাভ খাজারদের পরাস্ত করলেন।

৯৭৮-১০১৫ রাজকুমার ভ্লাদিমিরের শাসনকাল।

৯৮৮ গ্রিক অর্থোডক্সে খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত হলেন রাজকুমার ভ্লাদিমির।*

* খ্রিস্টধর্ম কিয়েভান রুসের দরবারি ধর্মে পরিণত হল।

১০১৯-৫৪ প্রজ্ঞাবান ইয়ারোস্লাভের রাজত্বকাল।*

* প্রজ্ঞাবান ইয়ারোস্লাভ রাশিয়ার প্রথম আইনবিধি রুসকায়া প্রাভা জারি করেন এবং কিয়েভে সেইন্ট সোফিয়ার ক্যাথেড্রাল নির্মাণ করেন।

দ্বাদশ শতাব্দী বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে ইওরোপের সাথে ব্যাপক যোগাযোগ থাকা নভোগরদের সমৃদ্ধির কাল। ভেচে* তাঁকে একটি প্রজাতন্ত্রে পরিণত করেছে। এই শতাব্দীতেই লিখিত হয় দ্য প্রাইমারি রাশিয়ান ক্রনিকল এবং দ্য টেল অফ দ্য হোস্ট অফ ইগর

* স্লাভদের প্রাচীন জনসংসদ।

১১১৩-২৫ ভ্লাদিমির মনোমাখের রাজত্বকাল।*

* এসময় কিয়েভ ছিল ৫০ হাজার অধিবাসীর শহর।

১১৪৭ রুশ কালপঞ্জিগুলোতে প্রথমবারের মত উল্লেখকৃত হল মস্কো।

১১৬৯ রস্তোভ-সুজডাল প্রিন্সিপালিটির শাসক রাজকুমার আন্দ্রেই বোগোলইউবস্কির নেতৃত্বে রাজকুমারদের একটা জোট কিয়েভে হামলা চালিয়ে শহরটিকে ধ্বংস করে দিল।*

* অনৈক্য আর গৃহযুদ্ধে দুর্বল হয়ে পড়েছিল কিয়েভান রাষ্ট্র। পতন ছিল সময়ের ব্যাপার। বাইরের আক্রমণ সেটা ত্বরান্বিত করল।

১২২৩ কালকা নদীর যুদ্ধ মঙ্গোল বাহিনী রুশ -পলভৎসিদের যৌথ বাহিনীকে পরাজিত করল।

১২৩৭ মঙ্গোলদের কিয়েভান রুস জয় করা শুরু হয়, এসময় তারা রিয়াজান ধ্বংস করে দেয়।

১২৪০ মঙ্গোলরা হামলা চালিয়ে কিয়েভ ধ্বংস করে দিল।

১২৪০-১৪৮০ মঙ্গোলদের কিয়েভান রুস জয় করা সম্পন্ন হল। তারা স্তেপে গোল্ডেন হোর্ড রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করল। এসময় তারা রুশদের ওপর নিয়ন্ত্রণ কায়েম করে ও বিপুল হারে খাজনা আদায় করতে থাকে।

১২৪২ পেইপাস হ্রদের বরফের ওপর টিউটোনিক নাইটদের পরাস্ত করলেন আলেকজান্দার নেভস্কি।

ত্রয়োদশ-ষষ্ঠ শতাব্দী পূর্ব স্লাভদের ভূখণ্ডে প্রসারিত হল লিথুয়ানিয়া ও পোল্যান্ড। কালক্রমে পূর্ব স্লাভরা তিনটি জাতিতে ভাগ হবে। এরা হল: রুশ, ইউক্রেনীয়, ও বেলারুশীয়।

১৩০১ মস্কো (মুসকোভি) একটি পৃথক প্রিন্সিপালিটিতে পরিণত হল।

১৩০৩-২৫ রাজকুমার ইউরির রাজত্বকাল।*

* গোল্ডেন হোর্ডের খান ইউরিকে যুবরাজ বানিয়েছিলেন, এসময়ই কখনো মুসকোভির ভূখণ্ডগত সম্প্রসারণের শুরুয়াত হয়।

১৩২৫-৪১ প্রথম ইভানের রাজত্বকাল।*

* ইনি কালিতা বা মানিব্যাগ নামে পরিচিত ছিলেন। মস্কোর যুবরাজের খেতাব পুনরুদ্ধার করেন ইভান। রুশ অর্থোডক্স গির্জা নিজ সদরদপ্তর মস্কোয় সরিয়ে আনে।

১৩৫৯-৮৯ দিমিত্রি দনস্কোইয়ের রাজত্বকাল।*

* রাশিয়ার শাসনকেন্দ্র ক্রেমলিনের সূচনালগ্ন বলে বিবেচিত হয়।

১৩৬০-১৪৩০ আন্দ্রেই রুবলেভের জীবন।

১৩৭৮ তাতারিদেরকে পরাজিত করল মস্কো।

১৩৮০ ‘কুলিকোভো মাঠের যুদ্ধ’: দনস্কোইয়ের নেতৃত্বে প্রথমবারের মত মঙ্গোলদের হারাল রুশরা।

১৩৮৯-১৪২৫ প্রথম ভাসিলির রাজত্বকাল।*

* প্রথম ভাসিলি শিল্পী আন্দ্রেই রুবলেভকে ভ্লাদিমিরের অ্যাজাম্পশন ক্যাথেড্রালে ফ্রেসকো আঁকার দায়িত্ব অর্পণ করেন।

১৪২৫-৬২ দ্বিতীয় ভাসিলির রাজত্বকাল।

১৪৫৬ নভোগরদে হামলা চালালেন দ্বিতীয় ভাসিলি; এই হামলার ফলে নভোগরদ রাজনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ল।

১৪৬২-১৫০৫ তৃতীয় ইভানের রাজত্বকাল।*

* ইভান দ্য গ্রেট নামেই অধিক পরিচিত।

১৪৬৩-৮৯ বহু শহরকে স্বীয় রাজ্যভুক্ত করে নিল মস্কো।

১৪৭২ শেষ বাইজেন্টাইন সম্রাটের ভাগ্নিকে বিয়ে করলেন ইভান। ঘটনাটি খ্রিস্টীয় সমাজে মস্কোর যুবরাজদের ইজ্জত বাড়াল। মস্কো দরবারে বাইজেন্টাইন প্রতীক ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ল, আর বৃদ্ধি পেল বাইজেন্টাইন রীতির উৎসব।

১৪৭৮ নভোগরদকে নিজ রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করে নিলেন ইভান। ভেচে বিলুপ্ত করলেন। নভোগরদ শহরের বিখ্যাত ঘন্টাটি মস্কোয় নিয়ে আসলেন।

১৪৮০র দশক মাঝেমধ্যে নিজেকে জার বলা শুরু করলেন ইভান।

১৪৮০ গোল্ডেন হোর্ড থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করলেন ইভান, ওকা নদীর তীরে মঙ্গোলদের পরাস্ত করলেন।

১৪৮৫-১৫১৬ নয়া ক্রেমলিন নির্মিত।

১৪৯৩ “নিখিল রাশিয়ার সার্বভৌম”*-য়ের (Государь : গোসুদার) খেতাব নিলেন ইভান।

১৪৯৭ মস্কোর যুবরাজদের স্বৈরতান্ত্রিক ক্ষমতা বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে একটি নতুন আইনবিধি (Судебник : সুদেবনিক) জারি করলেন ইভান।

১৫০০-০৩ ‘রুশ-লিথুয়ানিয়া যুদ্ধ’: যুদ্ধে রাশিয়া জিতলে তার ভূখণ্ড বৃদ্ধি পায়।

১৫০২ ক্রিমীয় তাতাররা গোল্ডেন হোর্ড ধবংস করে দিল।

১৫০৫-০৮ ইভানের মহা ঘন্টা মিনারের নির্মাণ করা হল।

১৫০৫-৩৩ তৃতীয় ভাসিলির রাজত্বকাল।

১৫১০ পেসকভ প্রিন্সিপালিটিকে স্বীয় রাজ্যভুক্ত করে নিল মস্কো। অর্থোডক্স গির্জার কর্তৃস্থানীয় ব্যক্তিরা ভাসিলিকে চিঠি দিলেন। তাতে মস্কোকে ‘তৃতীয় রোম’ আখ্যায়িত করা হল।

১৫১৪ স্মলেনস্ক শহরকে স্বীয় রাজ্যভুক্ত করে নিল মস্কো।

১৫৩৩-৮৪ চতুর্থ ইভানের রাজত্বকাল।*

* ইভান দ্য টেরিবল নামেই অধিক পরিচিত।

১৫৪৭ ক্রেমলিনের উসপেনস্কি ক্যাথেড্রালে ইভান দ্য টেরিবলয়ের রাজ্যাভিষেক। আনুষ্ঠানিকভাবে ‘নিখিল রাশিয়ার জার’ খেতাব নিলেন তিনি। এক অগ্নিকাণ্ডে মস্কো প্রায় ধ্বংস হয়ে গেল।

১৫৪৯/১৫৫০ রুশ জারশাহি: রুশ সামন্তদের প্রথম সংসদীয় সভা (зе́мский собо́р : জেমস্কি সবোর)।

১৫৫০ একটি নতুন আইনবিধি জারি করলেন ইভান দ্য টেরিবল।

১৫৫২ ইভান দ্য টেরিবলের সেনাদল কাজান জয় করে নিল।

১৫৫২-৬০ সেইন্ট ব্যাসিল’স ক্যাথেড্রাল নির্মাণ করলেন ইভান দ্য টেরিবল।

১৫৫৮-৮২ রুশদের জন্য ব্যয়বহুল ও অসফল লিভোনীয় যুদ্ধ।

১৫৬৪-৭২ ইভান দ্য টেরিবলের সন্ত্রাসের রাজত্বের (опри́чнина : অপ্রিছনিনা) অবসান।

১৫৮১ সাইবেরিয়া জয় করতে শুরু করল রুশরা। চাষীদের চলাচল নিয়ন্ত্রিত করা প্রথম ‘নিষিদ্ধ বছর।’ উত্তেজনার বশে নিজের বড় ছেলে ও মসনদের উত্তরাধিকারীকে খুন করেন ইভান দ্য টেরিবল।

১৫৯৮-১৬০৫ বরিস গদুনভের রাজত্বকাল।

সপ্তদশ-অষ্টাদশ শতাব্দী রাশিয়া, প্রুশিয়া, ও হাপসবুর্গ রাজতন্ত্রের উত্থানের ফলে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বহীন হয়ে পড়ল পোল্যান্ড-লিথুয়ানিয়া।

১৬০৫-১৬১৩ ‘গণ্ডগোলের বছরগুলো’।

১৬০৬-০৭ ইভান বলৎনিকভের নেতৃত্বে একটি কৃষক বিদ্রোহ।

১৬১৩ জেমস্কি সবোর মাইকেল রোমানভকে জার নির্বাচিত করল।

১৬১৩-১৯১৭ রোমানভ রাজবংশ।

১৬১৩-৪৫ মাইকেল রোমানভের রাজত্বকাল।

১৬৪৫-৭৬ আলেক্সিস রোমানভের রাজত্বকাল।

১৬৪৯ অ্যালেক্সিস রোমানভ একটি নতুন আইনবিধি জারি করলেন, যা রুশ চাষীদের ভূমিদাসত্ব চূড়ান্ত ও নিশ্চিত করল।

১৬৫৩ ইউক্রেনকে রুশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করে নেয়ার পক্ষেবিপক্ষে ভোটাভুটি করতে শেষবারের মত ডাকা হল জেমস্কি সবোর

১৬৫৪ ‘পেরেয়াস্লাভ চুক্তি’: সামরিক সহায়তার বিনিময়ে জার অ্যালেক্সেই রোমানভের প্রতি আনুগত্য স্বীকার করতে বাধ্য হলেন ইউক্রেনের কসাক সেনানায়ক বোহদান খমেলনিৎস্কি।

১৬৬৭ আর্দ্রুৎসোভো চুক্তির মধ্য দিয়ে ইউক্রেনকে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিল পোল্যান্ড ও রাশিয়া।

১৬৭০-৭১ স্তেপান রাজিনের বিদ্রোহ।

১৬৮২-১৭২৫ প্রথম পিটারের রাজত্বকাল।*

* পিটার দ্য গ্রেট নামেই অধিক পরিচিত। রুশ ইতিহাসের প্রথম বহির্মুখী শাসক বলে বিবেচিত হন। তাঁর শাসনামলেই রাশিয়ার আধুনিকীকরণের সূচনা হয়।

১৬৯৬ ওসমানি সুলতানশাহির কাছ থেকে আজভ ছিনিয়ে নিল রাশিয়া।

১৬৯৭-৯৮ ইওরোপ জুড়ে পিটার দ্য গ্রেটের মহাদূতাবাস সফর।

১৭০০ জুলিয়ান পঞ্জিকা গ্রহণ করে নিলেন পিটার দ্য গ্রেট।

১৭০০-২১ রুশ-সুইডিশ যুদ্ধ।

১৭০১ রাশিয়ার প্রথম দুনিয়াবি পাঠশালা প্রতিষ্ঠা করা হল।*

* বর্তমান সেইন্ট পিটার্সবুর্গস্থ গণিত ও নাবিকবিদ্যার ইশকুল।

১৭০১-০৪ রাশিয়ায় শিল্পায়নের শুরুয়াত।

১৭০৩ সুইডেনের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়া বাল্টিক উপকূলের ভূখণ্ডে প্রতিষ্ঠা করা হল সেইন্ট পিটার্সবুর্গ।

১৭০৭-০৮ কন্দ্রাতি বুলাভিনের নেতৃত্বে দেখা দিল কসাক বিদ্রোহ।

১৭০৯ ‘পলতাভার যুদ্ধ’: সুইডেনের দ্বাদশ চার্লসকে পরাস্ত করলেন রাশিয়ার পিটার দ্য গ্রেট।

১৭১১ প্রুথ নদীর যুদ্ধে তুর্কিদের পরাস্ত করলেন পিটার দ্য গ্রেট, কিন্তু এই যুদ্ধেই আজভের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারায় রাশিয়া।

১৭১১-৬৫ মহান রুশ বিজ্ঞানী মিখাইল লোমোনোসভের জীবন।

১৭১৪ সুইডেনের বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌযুদ্ধে জিতল রাশিয়া।

১৭১৫ এসময় থেকে রুশরা সক্রিয়ভাবে কাজাখস্তানে সামরিক ঘাঁটি বসাতে লাগল এবং বসতিস্থাপন করতে লাগল।

১৭১৮ রুশ চাষীদের ওপর সামন্তবাদ আরো জেঁকে বসল। সতর্ক আদমশুমারি পরিচালিত। জার পিটার দ্য গ্রেটের বিরুদ্ধে কথিত ষড়যন্ত্রের তদন্ত চলাকালে নির্যাতনের কারণে মারা গেলেন মসনদের উত্তরাধিকারী অ্যালেক্সিস।

১৭২১ ‘নিস্তাদের চুক্তি’: বাল্টিক উপকূল ঘেঁষা সুইডিশ ভূখন্ড রাশিয়ার অন্তর্ভুক্ত করে নেয়াকে বৈধতা দিল। পিটার দ্য গ্রেট প্রতিষ্ঠা করলেন হোলি সিনোড। সাম্রাজ্যিক রাশিয়া: নিজেকে নিখিল রাশিয়ার সম্রাট ঘোষণা করলেন পিটার।

১৭১৭ খিভা দখলের রুশ প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে গেল।

১৭২২ ‘টেবিল অফ র‍্যাংকস’: সাম্রাজ্যিক রাশিয়ার দরবার, সরকার, আর সেনাবাহিনীর পদমর্যাদাভিত্তিক র‍্যাংক তৈরি করলেন সম্রাট পিটার দ্য গ্রেট।

১৭২২-২৩ রুশ-পারস্য যুদ্ধ।

১৭৩১-৪২ পুবদিক থেকে সম্ভাব্য মঙ্গোল আক্রমণ প্রতিহত করতে জাতিগত কাজাখদের তিন জুজের খানরা রাশিয়ার সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিবদ্ধ হল।

১৭৪১-৬১ সম্রাজ্ঞী এলিজাবেথের রাজত্বকাল।

১৭৫৪-৬২ ইতালীয় স্থপতি বার্তোলোমিও রাসত্রেল্লি কর্তৃক নির্মিত হল শীত প্রাসাদ।

১৭৫৫ মিখাইল লোমোনোসভের তাড়নায় প্রতিষ্ঠিত হল মস্কো বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭৫৬-৬৩ সপ্তবর্ষীয় যুদ্ধ।

১৭৬১-৬২ তৃতীয় পিটারের রাজত্বকাল।*

* স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি, এক ক্যুদেতায় মারা যান।

১৭৬২ বাধ্যতামূলক রাষ্ট্রকর্মের দায় থেকে অভিজাত শ্রেণিকে অব্যাহতি দিলেন জার তৃতীয় পিটার। সপ্তবর্ষীয় যুদ্ধ থেকে রাশিয়াকে বের করে আনলেন। প্রুশিয়াকে রক্ষা করলেন।

১৭৬২-৯৬ দ্বিতীয় ক্যাথরিনের রাজত্বকাল।*

* জারিনা ক্যাথরিন দ্য গ্রেট নামেই অধিক পরিচিত।

১৭৬৬ ‘নাকাজ’: রাশিয়ার আইনবিধি সংস্কারের ফরমান জারি করলেন ক্যাথরিন।

১৭৬৮-১৭৭৪ রুশ-তুর্কি যুদ্ধ।*

* এই যুদ্ধের পরিসমাপ্তি হয় কুচুক কাইনারজি চুক্তিতে, যা সাম্রাজ্যিক রাশিয়াকে কৃষ্ণসাগরের উত্তরে বিপুল ভূখণ্ডগত সহায়তা প্রদান করে।

১৭৭২ পোল্যান্ডের প্রথম পার্টিশন।

১৭৭২-৯৫ ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চল সাম্রাজিক রাশিয়ার হাতে এল।

১৭৭৩-৭৪ ইয়েমেলিয়ন পুগাচেভের নেতৃত্বে কৃষক বিদ্রোহ।

১৭৭৫ জারিনা ক্যাথরিন দ্য গ্রেটের সেনাবাহিনী বিদ্রোহী কসাক রাজ্য জাপোরিঝীয় সিখ ধবংস করে দিল। প্রাদেশিক সরকারগুলোর সংস্কার।

১৭৮১-৮৬ ইউক্রনকে সম্পূর্ণভাবে রুশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করা হল, একইসময় ক্রিমিয়াকে আত্মসাৎ করে নিল রাশিয়া।

১৭৮৩ পূর্ব জর্জিয়ার ওপর স্থাপিত হল রুশ প্রটেক্টরশিপ। ক্রিমীয় খানাত দখল করে নিল রাশিয়া।

১৭৮৪ আলাস্কায় রুশদের বসতিস্থাপন।

১৭৮৫ আভিজাত্যের সনদ জারি করলেন সম্রাজ্ঞী ক্যাথরিন। এই সনদ অভিজাত শ্রেণির বিশেষাধিকারগুলো বিধিবদ্ধ করে। সেগুলোকে মজবুত করে তোলে।

১৭৮৭-৯১ তুরস্কের সাথে যুদ্ধ, রুশ ভূখণ্ডের পরিমাণ বাড়ল।

১৭৯০ প্রকাশিত হল আলেকজান্দার রাদিশচেভের আ জার্নি ফ্রম সেইন্ট পিটার্সবুর্গ টু মস্কো।*

* কিছুদিনের মধ্যেই তাঁকে সাইবেরিয়ায় নির্বাসিত করা হয়।

১৭৯২ ওডেসার পত্তন, নিকোলাই নোভিকভকে গ্রেফতার করা হল।

১৭৯২-১৮৫৬ মহান রুশ গণিতবিদ নিকোলাই লোবাশেভস্কির জীবনকাল।

১৭৯৩ পোল্যান্ডের দ্বিতীয় পার্টিশন।

১৭৯৩-৯৫ রাশিয়া নীপার নদীর দক্ষিণ তীর ও ভলহিনা দখল করে নিল।

১৭৯৫ পোল্যান্ডের তৃতীয় পার্টিশন।

১৭৯৬-১৮০১ প্রথম পলের রাজত্বকাল।*

* স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি, এক ক্যুদেতায় মারা যান।

১৭৯৯-১৮৩৭ মহান রুশ সাহিত্যিক আলেকজান্দার পুশকিনের জীবনকাল।

১৮০১-২৫ প্রথম আলেকজান্দারের রাজত্বকাল।

১৮০৩ “মুক্ত কৃষিজীবীদের” ডিক্রি জারি করলেন প্রথম আলেকজান্দার। রুশ চাষীদের ভূমিদাসত্ব থেকে মুক্তির পক্ষে পদক্ষেপ। যদিও ক্ষমতাটা জমিদারদের হাতেই রেখে দেয়া হয়।

১৮০৪-১৩ রুশ-পারস্য যুদ্ধ।

১৮০৫-০৭ নেপোলিয়ন বোনাপার্তের ফ্রান্সের সাথে যুদ্ধে জড়াল রাশিয়া, তিলসিতের শান্তিচুক্তি এই যুদ্ধের অবসান ঘটায়।

১৮০৬-০৯ রুশ-তুর্কি যুদ্ধ।

১৮০৯-৫২ মহান রুশ সাহিত্যিক নিকোলাই গোগোলের জীবনকাল।

১৮১২ জুন: নেপোলিয়ন বোনাপার্তের রাশিয়া আক্রমণ। ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা মিখাইল স্পেরানস্কিকে বরখাস্ত করলেন আলেকজান্দার।

১৮১২-১৫ রুশ-ফরাসি যুদ্ধ।

১৮১৪ রুশ সেনাবাহিনী প্যারিসে প্রবেশ করল।

১৮১৪-৪১ মহান রুশ কবি, কথাসাহিত্যিক, ও চিত্রকর মিখাইল লেরমন্তভের জীবনকাল।

১৮১৫ অস্ট্রিয়া আর প্রুশিয়ার সাথে পবিত্র জোট গঠন করলেন জার প্রথম আলেকজান্দার।

১৮১৬-১৯ সাম্রাজ্যিক রাশিয়ার বাল্টিক প্রদেশগুলোতে ভূমিদাসত্বের বিলোপসাধন করা হল। কিন্তু চাষীরা জমির মালিকানা পেল না। তাই এই মুক্তি স্রেফ কাগুজেই রয়ে গেল।

১৮১৮-৮৩ রুশ কথাসাহিত্যিক ইভান তুর্গেনেভের জীবনকাল।

১৮২০-৮০ রুশ কথাসাহিত্যের স্বর্ণযুগ।

১৮২১-৮১ রুশ কথাসাহিত্যিক ফিওদর দস্তয়ভস্কির জীবনকাল।

১৮২২-৬৮ রুশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে জাতিগত কাজাখদের অগণিত বিদ্রোহ।

১৮২৫ জার প্রথম আলেকজান্দারের মৃত্যুর পর ডিসেম্বরবাদী বিদ্রোহ।

১৮২৫-৫৫ প্রথম নিকোলাসের রাজত্বকাল।

১৮২৬ গোপন পুলিশ ‘সাম্রাজ্যিক মহারাজের নিজস্ব চ্যান্সেলারির তৃতীয় বিভাগ’ (Третье отделение Собственной Его Императорского Величества канцелярии : তৃতীয়ে ওৎদেলেনিয়ে সবসভেনয় ইয়েগো ইম্পেরাতোরস্কোগো ভেলিশেস্তভা কান্সেলিয়ারি) গঠন করা হল। সেইন্ট পিটার্সবুর্গ আর জারকোয়ে সেলোর মধ্যে রাশিয়ার প্রথম রেলরাস্তা বসান হল।

১৮২৭-২৯ রুশ-তুর্কি যুদ্ধ, রাশিয়ার বিজয় ও আদ্রিয়ানোপোল চুক্তির মধ্য দিয়ে শেষ হল।

১৮২৮-১৯১০ রুশ কথাসাহিত্যিক লিও তলস্তয়ের জীবনকাল।

১৮৩০-৩১ সাম্রাজ্যিক রাশিয়ার বিরুদ্ধে পোল জাতির বিদ্রোহ।

১৮৩৪-১৯০৭ রুশ রসায়নবিদ দিমিত্রি মেন্দেলেভের জীবনকাল।

১৮৩৫ প্রথম রুশ দূত জান উইতকিয়েভিৎজ কাবুল পৌঁছলেন।

১৮৪০এর দশক রুশ বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে মতাদর্শিক দ্বন্দ্ব দেখা দিল। এই দ্বন্দ্বের একদিকে ছিলেন ঐতিহ্যের অনুরাগী স্লাভোফিলরা। অন্যদিকে আধুনিকতাকামী পশ্চিমারা।

১৮৪১-৯৩ রুশ গীতিকার পিটার চাইকোভস্কির জীবনকাল।

১৮৪৪-১৯৩০ রুশ চিত্রকর ইলিয়া রেপিনের জীবনকাল।

১৮৪৫ নতুন একটি ফৌজদারি আইনবিধি তৈরি করা হল যার ৫৪ পৃষ্ঠা জুড়ে দেয়া হল রাজনৈতিক অপরাধের একটা ফিরিস্তি।

১৮৪৯-১৯৩৬ রুশ চিকিৎসক ও শারীরতাত্ত্বিক ইভান পাভলভের জীবনকাল।

১৮৪৬ ‘আধুনিক জলবায়ুতত্ত্বের জনক’ খ্যাত ভ্লাদিমির কোপেনের জন্ম।

১৮৫১ সেইন্ট পিটার্সবুর্গ ও মস্কোকে সংযুক্ত করা রেলরাস্তার উদ্বোধন।

১৮৫৩-১৮৫৬ ‘ক্রিমিয়া যুদ্ধ’। একপক্ষে ছিল সাম্রাজ্যিক রাশিয়া, আর অপরপক্ষে ছিল ওসমানি সুলতানশাহি, গ্রেট ব্রিটেন, ও ফ্রান্স। প্যারিস চুক্তির মাধ্যমে এই যুদ্ধের অবসান ঘটে।*

* ক্রিমিয়া যুদ্ধের সাথে উপমহাদেশের বিচিত্র সম্পর্ক আছে। ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহের অন্যতম নেতা আজিমুল্লাহ খান ক্রিমিয়া যুদ্ধে রুশদের হাতে ইংরেজদের মার খাওয়ার ঘটনায় উদ্দীপিত হয়েছিলেন। তিনি রুশ গোয়েন্দাদের সাথে যোগাযোগ করেন, যারা তাঁকে প্রতিশ্রুতি দেয়, ভারতবাসী ব্রিটিশ উপনিবেশিক শাসকদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করলে রাশিয়া তাতে মদত যোগাবে। (সেন ২০১৮)

১৮৫৪ রুশ সেনাবাহিনীর তৈরি করা একটি দুর্গকে ঘিরে গড়ে উঠল কাজাখস্তানের পুরনো রাজধানী আলমাতি।

১৮৫৫ প্রথম নিকোলাসের মৃত্যু।

১৮৫৫-৮১ দ্বিতীয় আলেকজান্দারের রাজত্বকাল।*

* ভূমিদাসত্বের বিলোপসাধন করায় ‘মুক্তিদাতা জার’ হিসেবে পরিচিত।

১৮৬০ রাশিয়া কাজাখস্তানকে কয়েকটি প্রশাসনিক অঞ্চলে ভাগ করল।

১৮৬০-১৯০০ বর্তমান তাজিকিস্তানকে এসময় দু’ভাগে ভাগ করা হয়। উত্তরাঞ্চল রুশ সাম্রাজ্যের অধীনস্ত হয়। দক্ষিণাঞ্চল থাকে বোখারার ইমারাতের হাতে।

১৮৬০-১৯০০ রুশ চিত্রকর আইজাক লেভিতানের জীবনকাল।

১৮৬০-১৯০৪ রুশ নাট্যকার আন্তন চেখভের জীবনকাল।

১৮৬১ মুক্তিপ্রদানের ফরমান জারি করলেন দ্বিতীয় আলেকজান্দার। ভূমিদাসত্ব থেকে মুক্তি পেল রাশিয়ার কৃষক। বৃহদায়তন নানান সংস্কার কর্মসূচির শুরুয়াত।

১৮৬৩ শিক্ষা সংস্কার রাশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্বায়ত্তশাসন পুনর্বহাল করল।

১৮৬৪ স্থানীয় সরকারব্যবস্থা সংস্কারকল্পে (земство : জেমস্তভো) প্রতিষ্ঠা করা হল। আইন বিভাগের সংস্কার। যা এটিকে একটি স্বাধীন বিভাগে পরিণত করল।

১৮৬৪-১৯১৬ রুশ সাম্রাজ্যের তৎপরতায় হাজার হাজার রুশ ও ইউক্রেনীয় চাষী এসময় কাজাখস্তানে বসতিস্থাপন করেন।

১৮৬৫-১৯১১ রুশ চিত্রকর ভ্যালেন্তিন সেরোভের জীবনকাল।

১৮৬৫-৮১ রুশ সাম্রাজ্য তাশখন্দ দখল করে নিয়ে সাম্রাজ্যিক রাশিয়ার তুর্কেস্তান প্রদেশের রাজধানী বানাল। বোখারা ও খিভাকে ব্রিটিশ প্রটেক্টরেট বানান হল, কোকান্দকে সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করে নেয়া হল। মূলত এসময়ই মধ্য এশিয়া রাশিয়ার প্রভাববলয়ে ঢোকে।

১৮৬৬ জার দ্বিতীয় আলেকজান্দারের ওপর আততায়ী হামলা।

১৮৬৮-১৯৩৬ রুশ ও সোভিয়েত কথাসাহিত্যিক ম্যাক্সিম গোর্কির জীবনকাল।

১৮৬৭ রাশিয়ার কাছ থেকে আলাস্কা কিনে নিল যুক্তরাষ্ট্র।*

* এর জন্য খরচ পড়েছিল ৭.২ মিলিয়ন ডলার।

প্রকাশিত হল রুশ তর্জমায় কার্ল মার্কসের দাস ক্যাপিটাল

১৮৭০ নগর সরকারের সংস্কার।

১৮৭০-১৯৫৩ রুশ ও সোভিয়েত কথাসাহিত্যিক ইভান বুনিনের জীবনকাল।

১৮৭২ ব্রিটিশ আর রুশরা যৌথভাবে আফগানিস্তানের উত্তর সীমান্ত নির্ধারণ করল। পুরো উনবিংশ শতাব্দী জুড়েই আফগানিস্তান নিয়ে যুক্তরাজ্য আর রাশিয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ববিবাদ লেগেই ছিল। আন্তর্জাতিক সম্পর্কে এটি গ্রেট গেম নামে পরিচিত।

১৮৭২-১৯২৯ রুশ শিল্প সমালোচক সের্গেই দিয়াঘিলেভের জীবনকাল।

১৮৭৩-১৯৩৮ রুশ অপেরা গায়ক ফিওদর ছালিয়াপিনের জীবনকাল।

১৮৭৩-১৯৪৩ রুশ গীতিকার সের্গেই রাখমানিনফের জীবনকাল।

১৮৭৪ সামরিক সেবার সংস্কার।

১৮৭৪-৭৫ জনগণের কাছে যাওয়া আন্দোলন।

১৮৭৬ রুশ সাম্রাজ্যে ইউক্রেনীয় সাহিত্য নিষিদ্ধ করা হল। রুশরা কোকান্দের উজবেক খানাত জয় করল, বর্তমান কিরগিজস্তানকে রুশ সাম্রাজ্যের অংশ করে নেয়া হল। ভূতত্ত্ববিদ লেভ বার্গের জন্ম।

১৮৭৭-৭৮ রুশ-তুর্কি যুদ্ধ, সান স্তেফানো চুক্তির মাধ্যমে শেষ হল। বার্লিন কংগ্রেসে এই চুক্তির ধারাগুলো সংশোধন করা হয়। যা সাম্রাজ্যিক রাশিয়ার ক্ষয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

১৮৭৯ গঠিত হল বিপ্লবী সমাজতান্ত্রিক সংগঠন জনগণের ইচ্ছা (Наро́дная во́ля : নারোদনায়া ভলিয়া)।

১৮৮০-১৯২১ রুশ ও সোভিয়েত কবি আলেকজান্দার ব্লকের জীবনকাল।

১৮৮০-১৯৩৪ রুশ ও সোভিয়েত কথাসাহিত্যিক আন্দ্রেই বেলির জীবনকাল।

১৮৮১ বিপ্লবী সমাজতান্ত্রিক সংগঠন জনগণের ইচ্ছা ‘র আততায়ীদের হাতে খুন হয়ে গেলেন দ্বিতীয় আলেকজান্দার। (Охрана : ওখরানা) নামের রাজনৈতিক পুলিশকে পুনর্বিন্যস্ত করা হল, সাম্রাজ্যের প্রজাদের ওপর সামরিক শাসনের সমতুল্য নতুন আইন চাপিয়ে দেয়া হল। রাশিয়ার প্রথম ইহুদিবিদ্বেষী পোগরোমগুলো* সংঘটিত হল।

* সংগঠিত হত্যালীলা ও লুণ্ঠনযজ্ঞ অর্থে ব্যবহৃত হয়।

গোক তেপের যুদ্ধে রুশদের কাছে তুর্কমানরা হেরে গেলে আজকের দিনের তুর্কমানিস্তান রুশ তুর্কিস্তানের অঙ্গীভূত করে নেয়া হল।

১৮৮১-৯৪ তৃতীয় আলেকজান্দারের রাজত্বকাল।

১৮৮১-১৯৩১ রুশ ব্যালে নাচ শিল্পী আনা পাভলোভার জীবনকাল।

১৮৮২-১৯০৪ ফিলিস্তিনে ইহুদিদের প্রথম আলিয়া, বা গণ অভিবাসন। ২৫,০০০ ইহুদি এসময় ফিলিস্তিনে আসেন। মূলত রাশিয়া থেকে।

১৮৮২-১৯৭১ রুশ ও সোভিয়েত কবি ইগোর স্ত্রাভিনস্কির জীবনকাল।

১৮৮৪ পৃথিবীর প্রথম তাপমাত্রাবলয়ের মানচিত্রটা বানালেন ভ্লাদিমির কোপেন।

১৮৮৮-৬৬ রুশ ও সোভিয়েত কবি আনা আখমাতোভার জীবনকাল।

১৮৮৯ চাষীদের নিয়ন্ত্রণ করার জন্য নতুন আইন বানিয়ে ভূমি কাপ্তান পদ তৈরি করা হল।

১৮৯০ স্থানীয় সরকারব্যবস্থা জেমস্তভো‘র ওপর চাষীদের নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে এনে সরকারি নিয়ন্ত্রণ কায়েম করা হল।

১৮৯০-১৯১৭ রুশ সংস্কৃতির রৌপ্যযুগ।

১৮৯১ ট্রান্স-সাইবেরীয় রেলরাস্তার নির্মাণকাজ শুরু হল।

১৮৯১-৯২ রাশিয়া জুড়ে দেখা দিল তীব্র দুর্ভিক্ষ।

১৮৯১-১৯৩৮ রুশ ও সোভিয়েত কবি ওসিপ মান্দেলশ্তামের জীবনকাল।

১৮৯২-১৯০৩ জারশাহির অর্থমন্ত্রী হিসেবে সের্গেই ভিত্তের দায়িত্বকাল। ভিত্তে অনেক রেলপথ বানিয়েছিলেন। ছিলেন শিল্পায়নের পক্ষপাতী।

১৮৯৪-১৯১৭ দ্বিতীয় নিকোলাসের রাজত্বকাল।*

* রাশিয়ার ইতিহাসের ও রোমানভ রাজবংশের শেষ জার। হেসেনডার্মস্ট্যাডের রাজকুমারি অ্যালিক্সকে বিয়ে করেছিলেন দ্বিতীয় নিকোলাস। জারিনা অ্যালিক্স ছিলেন ব্রিটেনের রানী ভিক্টোরিয়ার নাতনি।

১৯০২ প্রকাশিত হল লেনিনের হোয়াট ইজ টু বি ডান?

১৯০৩ রুশ সমাজ গণতন্ত্রী শ্রমিক দলের ( Российская социал-демократическая рабочая партия – РСДРП : রোসিসকায়া সোসাল-দেমোক্রাতিসেসকায়া রাবোকায়া পার্তিয়া – আরএসডিআরপি) দ্বিতীয় পার্টি কংগ্রেস। পার্টি দুটি অংশে ভাগ হয়ে গেল: লেনিনের নেতৃত্বে (Большевики́ : বলশেভিক) আর মার্তভের নেতৃত্বে (меньшевики́ : মেনশেভিক)।* বলশেভিক মানে সংখ্যাগুরু আর মেনশেভিক মানে সংখ্যালঘু।

ভিত্তেকে বরখাস্ত করলেন জার দ্বিতীয় নিকোলাস। রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে একের পর এক ধর্মঘট সংঘটিত হতে লাগল।

১৯০৪-৫ রুশ-জাপান যুদ্ধ।*

* এই যুদ্ধে একটি এশীয় শক্তি জাপানের কাছে আধা-ইওরোপীয় শক্তি রাশিয়ার পরাজয় তুরস্ক ও ভারতের জাতীয়তাবাদীদের অনুপ্রাণিত করেছিল।

১৯০৪-১৪ ফিলিস্তিনে ইহুদিদের দ্বিতীয় আলিয়া, বা গণ অভিবাসন। ৪০,০০০ ইহুদি এ-সময় ফিলিস্তিনে আসেন। মূলত রাশিয়া থেকে।

১৯০৫ রক্তাক্ত রবিবার। প্রথম রুশ বিপ্লব। গঠিত হল সেইন্ট পিটার্সবুর্গ সোভিয়েত। জার দ্বিতীয় নিকোলাস কর্তৃক জারি হল অক্টোবর ইশতেহার। সেইন্ট পিটার্সবুর্গ সোভিয়েতকে গ্রেপ্তার করা হল। মস্কো অভ্যুত্থান গুঁড়িয়ে দেয়া হল।

১৯০৬ মৌলিক আইনসমূহ পাশ। বলশেভিক ও মেনশেভিক উভয়কে অন্তর্ভুক্ত করে রাশিয়ার প্রথম সংসদ (дума : ডুমা) বসল। প্রধানমন্ত্রী পিওতর স্তলিপিনের কৃষি সংস্কার শুরু হল।

১৯০৬-১০ এসময়কালে সমাজতন্ত্রী বিপ্লবীদের (এসআর) আততায়ী হামলায় ৪ হাজারেরও বেশি সরকারি কর্মকর্তা খুন হন।

১৯০৭-৬৬ রুশ, পরবর্তীতে সোভিয়েত, প্রকৌশলী সের্গেই করোলেভের জীবনকাল।

১৯১১ আততায়ীদের হাতে খুন হলেন রুশ প্রধানমন্ত্রী পিওতর স্তলিপিন।

১৯১৪-১৮ ‘প্রথম বিশ্বযুদ্ধ’।

১৯১৪-১৫ রাশিয়া ইউক্রেনের গালিসিয়া প্রদেশ দখল করে নিল।

১৯১৫ সেনাপ্রধানের দায়িত্ব ঘাড়ে তুলে নিলেন নিকোলাস রোমানভ।

১৯১৬ রুশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে জাতিগত কাজাখদের বিদ্রোহ। রুশরা এই বিদ্রোহ রক্তাক্ত উপায়ে দমন করে। এতে ১ লক্ষ ৫০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়, ৩ লক্ষাধিক মানুষ বিদেশে পালিয়ে যান।

আততায়ীদের হাতে খুন হলেন গ্রিগরি রাসপুতিন।

১৯১৭ মার্চ: বিপ্লবের মাধ্যমে রাশিয়ায় জারশাহির পতন ঘটে। গঠিত হয় প্রাদেশিক সরকার ও পেত্রোগ্রাদ সোভিয়েত। প্রতিষ্ঠিত হয় ইউক্রেনীয় কেন্দ্রীয় রাদা। নভেম্বর: লেনিনের নেতৃত্বে বলশেভিকরা ক্ষমতা দখল করেন। ইউক্রেনকে একটি গণপ্রজাতন্ত্র বলে ঘোষণা করে রাদা। ডিসেম্বর: খারকিভ শহরে প্রথম সোভিয়েত ইউক্রেনীয় সরকার গঠিত হল। ‘প্রতিবিপ্লব ও অন্তর্ঘাতমূলক তৎপরতা’ ঠেকাতে ফেলিক্স জারঝিনস্কির তত্ত্বাবধানে গঠন করা হল চেকা।

১৯১৭-২০ তুর্কেস্তান, বোখারা, ও খিভা বলশেভিকদের নিয়ন্ত্রণে এল।

১৯১৮-২১ রুশ গৃহযুদ্ধ।

১৯১৮ জানুয়ারি ৪: সাংবিধানিক গণতান্ত্রিক পার্টিকে (কাদেত) নিষিদ্ধ করা হল। জানুয়ারি ৫: সংবিধান সভা নির্বাচনে মাত্র ২৪% ভোট পাওয়ায় সেনা পাঠিয়ে সভা ভেঙে দেয় বলশেভিকরা। জানুয়ারি: গির্জার সম্পত্তি রাষ্ট্রীয়করণ ও ধর্মীয় বিবাহ নিষিদ্ধকরণ। জুলাই: প্রায় ৫০ লক্ষ ব্যবসায়ী, ধর্মযাজক ও অভিজাতের সর্বপ্রকার নাগরিক অধিকার কেড়ে নেয়া হল। ইয়ারোস্লাভ অঞ্চলে কৃষক বিদ্রোহ দমন করা হল, ৪০৭ জন বিদ্রোহীকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হল। জুলাই ১৬/১৭: একাতেরিনবুর্গে আটক জারকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। আগস্ট: লেনিনকে লক্ষ্য করে গুলি চালান ফ্যানি কাপলান। সেপ্টেম্বর ৩: ফ্যানি কাপলানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হল। সেপ্টেম্বর ৫: লাল সন্ত্রাস ঘোষণা করল চেকা। নভেম্বর বিচারব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা হল, বিচারপতিদের বদলে ট্রাইব্যুনালের হাতে সব ক্ষমতা তুলে দেয়া হল।

১৯১৮-২০ সোভিয়েত রাশিয়ার সাথে শান্তিচুক্তি লাতভিয়ার গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটাল।

১৯১৮-৩৩ উজবেক সমাজের দুনিয়াবিকরণ। বলশেভিকরা দেশটির বহু মসজিদে তালা লাগিয়ে দিল। মুসলমান ধর্মীয় নেতাদের ওপর দমনপীড়ণ শুরু হল।

১৯১৯ সোভিয়েত লাল ফৌজ বেলারুশ দখল করে নিল। বিদ্রোহী কসাকদের নির্মূল করার ঘোষণা দেয়া হল। নিরক্ষরতা দূরীকরণ অভিযানের ডাক দেয়া হল।

১৯১৯-২৩ ফিলিস্তিনে ইহুদিদের তৃতীয় আলিয়া, বা গণ অভিবাসন। ৩৫,০০০ ইহুদি এসময় ফিলিস্তিনে আসেন। মূলত রাশিয়া থেকে।

১৯২০ মস্কো চুক্তির অধীনে লিথুয়ানিয়ার স্বাধীনতার স্বীকৃতি দিল সোভিয়েত ইউনিয়ন। সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে এস্তোনিয়ার শান্তি চুক্তি সই হল। রুশ-পোল যুদ্ধ।

সেপ্টেম্বর: লাল ফৌজের কাছে পরাজিত হল আরমানি বাহিনী। ডিসেম্বর ১৪: নিখোলাই বুখারিন ঘোষণা করলেন, “মৃত্যুর ওপর হেঁটে এসে আমরা ক্ষমতায় এসেছি।”

১৯২০-২৫ কিরগিজ স্বায়ত্তশাসিত সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের অংশ হিসেবে সোভিয়েত ইউনিয়নের অঙ্গীভূত হল বর্তমান কাজাখস্তান।

১৯২১ ইউক্রেনীয় সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা হল। ‘রিগা চুক্তি’: বেলারুশকে দুই ভাগ করে পোল্যান্ড আর সোভিয়েত ইউনিয়নের হাতে ধরিয়ে দেয়া হল। দশম পার্টি কংগ্রেস, উপদল গঠন নিষিদ্ধ হল।

জানুয়ারি লাল ফৌজের কাছে পরাজিত হল জর্জীয় বাহিনী।

তুর্কিস্তান স্বায়ত্তশাসিত সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র গঠিত হল। বর্তমান তুর্কমানিস্তান এর একটি অংশ ছিল। তুর্কিস্তান স্বায়ত্তশাসিত সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের অংশ হল উত্তর তাজিকিস্তান।

সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে মৈত্রী চুক্তি সাক্ষর করে আফগানিস্তান।

১৯২১-২৮ ‘নয়া অর্থনৈতিক পরিকল্পনা’ (নেপ)।

১৯২১-৮৯ সোভিয়েত পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানী আন্দ্রেই শাখারভের জীবনকাল।

১৯২২ গঠিত হল ইউনিয়ন অফ সোভিয়েত সোশালিস্ট রিপাবলিকস (ইউএসএসআর), যা সংক্ষেপে সোভিয়েত ইউনিয়ন নামেই বিশ্বব্যাপী পরিচিতি লাভ করেছে।

কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক হলেন জোসেফ স্তালিন। ইউক্রেনীয় সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রকে ইউনিয়ন অফ সোভিয়েত সোশ্যালিস্ট রিপাবলিকসের (ইউএসএসআর) অন্তর্ভুক্ত করা হল। মেনশেভিক আর সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবীদের (এসআর) গ্রেপ্তার শুরু।

চেকার জায়গায় ওগপু গঠন করা হল।

১৯২৪ জানুয়ারি ২২: বিপ্লবের নেতা ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিনের মৃত্যু, তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি হিসেবে পেত্রোগ্রাদ শহরটির নাম লেনিনগ্রাদ রাখা হল।

উজবেক সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র গঠন করা হল। তাজিক স্বায়ত্তশাসিত সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র গঠন করল সোভিয়েতরা, যা উজবেক স্বায়ত্তশাসিত সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের অংশ হয়ে গেল। কারা-কিরগিজ স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গঠন করা হল।

মঙ্গোলিয়ায় একটি সোভিয়েত ধাঁচের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হল।

১৯২৬ কিরগিজ স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলকে স্বায়ত্তশাসিত সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের স্তরে উন্নীত করা হল।

১৯২৫ জানুয়ারি ১৫: লাল ফৌজের কমিশারের পদ থেকে লিয়ন ট্রটস্কিকে সরিয়ে দিয়ে মিখাইল ফ্রুঞ্জকে সেই পদে নিয়োগ দেয়া হল। অক্টোবর: অপারেশন থিয়েটারে মিখাইল ফ্রুঞ্জের রহস্যময় মৃত্যু হল। নভেম্বর: আত্মহত্যা করলেন সোভিয়েত রুশ কবি সের্গেই এজেনিন।

সোভিয়েত ইউনিয়নের একটি প্রজাতন্ত্রের মর্যাদা পেল তুর্কমানিস্তান। কারা-কিরগিজ স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের নাম বদলে কিরগিজ স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল রাখা হল।

১৯২৬ সোভিয়েত ইউনিয়ন আর আফগানিস্তানের মধ্যে সাক্ষরিত হল অনাগ্রাসন চুক্তি। আফগানিস্তানে একটি রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করলেন আমির আমানুল্লা। তিনি ডিক্রি জারি করলেন, আফগান পুরুষদের ইওরোপীয় পোষাক পরা উচিত, আর নারীদের বেপর্দা হয়ে চলাফেরা করা উচিত।  তাঁর সরকার পর্দা ও চাদরি বিলুপ্ত করে। দেশটির রাজধানী কাবুলে সহশিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে। আমানুল্লার এই আধুনিকীকরণে সোভিয়েত ইউনিয়নের সমর্থন ছিল। কিন্তু আফগান মোল্লারা যে-কোনো ধরণের সামাজিক সংস্কারের বিরুদ্ধে ছিলেন, তাঁদের নজরে এটা ছিল ‘ইসলামের বিরুদ্ধে নাস্তিক কমিউনিস্ট ও খ্রিস্টান পশ্চিমাদের যুদ্ধ।

কিরগিজ স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলকে স্বায়ত্তশাসিত সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের স্তরে উন্নীত করা হল।

১৯২৮ প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা। কয়েক হাজার বন্দীকে কোলিমা স্বর্ণখনিতে নির্বাসিত করা হল। উদ্দেশ্য ছিল স্বর্ণভাণ্ডার গঠন, শিল্পায়ন, এবং পশ্চিম ইওরোপের দেশগুলোতে বৈপ্লবিক কার্যকলাপে মদত যোগানোর রসদ সংগ্রহ করা।

১৯২৯ কমিউনিস্ট পার্টির “দক্ষিণপন্থী বিরোধীদের” পরাস্ত করে নিজের ক্ষমতা সংহত করলেন স্তালিন। ফেব্রুয়ারি: লিয়ন ট্রটস্কিকে সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে নির্বাসিত করা হল। ডিসেম্বর ২৭: শ্রেণি হিসেবে কুলাকদের খতমের ডাক দিলেন স্তালিন।

প্রতিষ্ঠা করা হল তাজিকিস্তান সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র।

এসময়ই কখনো জোসেফ স্তালিনের পরিকল্পনায় সংশোধনমূলক শ্রমশিবিরের মূল ডিরেক্টরেটের (Главное управление исправительно-трудовых колоний – ГУИТК : গ্লাভনোই উপ্রাভলেনি ইস্প্রাভিতেলনো ত্রুদোভিক লাগেরেই – গুলাগ) উদ্যোগ হাতে নেয়া হয়।*

* গুলাগ ছিল জবরদস্তি শ্রমের এক বিশাল কারাব্যবস্থা। স্তালিন আমলে রাশিয়া যে শিল্পোন্নত রাষ্ট্র হয়ে ওঠে তার ভিত্তি ছিল জবরদস্ত শ্রমের ভিতে গড়া এই ব্যবস্থা। গুলাগ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে দেখুন, (সেন ২০২৩)।

১৯২৯-৩৯ কৃষি সমবায়ীকরণ।

১৯৩০ এপ্রিল ১৪: আত্মহত্যা করলেন সোভিয়েত রুশ কবি ভ্লাদিমির মায়াকোভস্কি।

১৯৩০-৩৩ সোভিয়েত দুর্ভিক্ষে প্রায় ৭৫ লক্ষ মানুষের মৃত্যু।

১৯৩০এর দশক স্তালিন আমলে ১ লক্ষাধিক বেলারুশী খুন হন, হাজার হাজার মানুষকে শ্রমশিবিরে পাঠানো হয়।

১৯৩২-৩৩ হলোডোমোর: স্তালিনের কৃষিনীতির কারণে ইউক্রেনে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষে প্রায় ৭০ লক্ষ মানুষের মৃত্যু ঘটে।

১৯৩৪ আততায়ীদের হাতে খুন হলেন লেনিনগ্রাদের পার্টি সচিব সের্গেই কিরোভ। গুলাগে মৃত্যুবরণ করলেন কবি ওসিপ মান্দেলশ্তাম।

১৯৩৬ ‘স্তালিন সংবিধান’। সাজানো বিচারপর্বের সূচনা। আগস্ট: জিনোভায়েভ ও কামেনেভসহ ১৬ জন পুরান বলশেভিক নেতার বিচার ও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর।

আফগানিস্তান সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে একটা বাণিজ্য চুক্তি করল আর যুক্তরাষ্ট্রের সাথে করল একটা মৈত্রী চুক্তি।

কাজাখস্তান সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র ও কিরগিজ সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা হল।

১৯৩৬-৩৮ ৮ লক্ষ ৫০ হাজার পার্টি কর্মীকে নির্বাসন বা মৃত্যুদণ্ড দেয়া হল।

১৯৩৭ জানুয়ারি ২০-৩০: পিয়াতাকভসহ ১৭ জনের বিচার ও মৃত্যু। মে-জুন: তুখাচেভস্কিসহ প্রধান সামরিক কর্তাদের মৃত্যুদণ্ড।

সোভিয়েত কর্তৃপক্ষ সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতি যথেষ্ট পরিমাণে অনুগত না হওয়ার অভিযোগ তুলে সোভিয়েত উজবেকিস্তানের স্থানীয় কমিউনিস্টদের ওপর দমনপীড়ণ চালাতে শুরু করল।

১৯৩৮ মার্চ: রাইকভ, ইয়াগোদা, ও বুখারিনসহ ২১ জন বলশেভিক নেতার বিচার ও মৃত্যুদণ্ড।

১৯৩৯-৪৫ ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ’।

১৯৩৯ সোভিয়েত ইউনিয়ন লিথুয়ানিয়া ও এস্তোনিয়াকে সোভিয়েত সামরিক ঘাঁটি বসানো মেনে নিতে বাধ্য করল।

‘মলোটোভ-রিবেনট্রোপ চুক্তি’: নাৎসি জার্মানির সাথে সোভিয়েত ইউনিয়নের অনাগ্রাসন চুক্তি। নাৎসি জার্মানি আর সোভিয়েত ইউনিয়ন পোল্যান্ডকে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিল। ইউক্রেনের পোল্যান্ড-নিয়ন্ত্রিত অংশে প্রবেশ করল লাল ফৌজ।

১৯৪০ লিথুয়ানিয়ায় সোভিয়েত হামলা। প্রেসিডেন্ট আন্তানাস স্মেতনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেন। লিথুয়ানিয়াকে সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত করে নেয়া হল। এপ্রিল: কাতিন হত্যাযজ্ঞ। সোভিয়েতরা কয়েক হাজার পোল জাতীয়তাবাদী খুন করে। জুন: সোভিয়েত সেনারা মার্চ করে এস্তোনিয়ায় প্রবেশ করল। আগস্ট: মেক্সিকোতে সোভিয়েত গুপ্তঘাতক র‍্যামন মারকাডারের বরফ কুঠারের আঘাতে লিয়ন ট্রটস্কির মৃত্যু।

সোভিয়েত ইউনিয়ন লাতভিয়া, লিথুয়ানিয়া, ও এস্তোনিয়া দখল করে নিল। সাইবেরিয়া ও মধ্য এশিয়ায় গণ নির্বাসন শুরু।

১৯৪১ হাজার হাজার লিথুয়ানীয়কে সাইবেরিয়ায় নির্বাসিত করা হল। নাৎসি জার্মানি কর্তৃক আক্রান্ত হল সোভিয়েত ইউনিয়ন। ইউক্রেনের রাশিয়া-নিয়ন্ত্রিত অংশে আক্রমণ চালাল নাৎসি জার্মানি।

১৯৪১-৪৫ মহা দেশপ্রেমিক যুদ্ধ।

১৯৪২ ‘স্তালিনগ্রাদের সমর’: লাল ফৌজের অগ্রাভিযানের কারণে নাৎসিদের পশ্চাদপসরণের শুরুয়াত।

১৯৪৪ লাতভিয়ায় ও লিথুয়ানিয়ায় সোভিয়েত সেনাদের প্রত্যাবর্তন। নির্বাসিত করা ফের চালু হল। সোভিয়েতদের বিরুদ্ধে লাতভীয় ও লিথুয়ানীয়দের প্রতিরোধ দমন করা শুরু হল। এস্তোনিয়াকে পুনরায় সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত করা হল। লক্ষ লক্ষ এস্তোনীয়কে সাইবেরিয়া ও মধ্য এশিয়ায় নির্বাসিত করা হল।

লাল ফৌজ নাৎসিদের বেলারুশ থেকে তাড়িয়ে দিল।

ইউক্রেনীয় ফ্যাশিস্তরা সোভিয়েত লাল ফৌজের সাথে লড়ছে। নাৎসি বাহিনীকে ইউক্রেন থেকে তাড়িয়ে দেয়া হল। ক্রিমীয় তাতারদের বিরুদ্ধে নাৎসিদের দোসর হওয়ার অভিযোগ এনে প্রায় ২ লক্ষ ক্রিমীয় তাতারকে সাইবেরিয়ায় নির্বাসিত করলেন স্তালিন।

১৯৪৫ মে ২: লাল ফৌজের হাতে বার্লিনের পতন ঘটল।

১৯৪৫-৫৩ পূর্ব ইওরোপের ওপর প্রতিষ্ঠিত হল রুশ নিয়ন্ত্রণ।

১৯৪৬ ইউক্রেনে দুর্ভিক্ষ দেখা দিল।

১৯৪৮ যুগোশ্লাভিয়ার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করল আলবেনিয়া, সোভিয়েত ইউনিয়ন দেশটিকে অর্থ সাহায্য দিতে শুরু করল।

১৯৪৯ চীনে মাও সেতুংয়ের নেতৃত্বে কমিউনিস্টরা ক্ষমতায় এল। গঠিত হল কাউন্সিল ফর মিউচুয়াল ইকোনমিক অ্যাসিস্টেন্স (কমিকন)। সোভিয়েতরা তাদের প্রথম পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ ঘটাল।

১৯৫০ মস্কো সফর করলেন মাও সেতুং। সোভিয়েত-চীন চুক্তি সই। কোরিয়া যুদ্ধ।

সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে আফগানিস্তান একটা চুক্তি করে। চুক্তির শর্ত মোতাবেক রাশিয়া দেবে তেল, আর আফগানিস্তান দেবে ভেড়ার পশম আর তুলা। সোভিয়েতরা কাবুলে একটা বাণিজ্য সংক্রান্ত অফিস খোলে।

১৯৫২ মঙ্গোলিয়ায় স্তালিনের ভৃত্য খোরলুগিন ছোইবালসানের মৃত্যু, তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন ইয়ুমজাগিন সেদেনবাল।

১৯৫৩ মার্চ: স্তালিনের মৃত্যু। পার্টির সাধারণ সম্পাদক হলেন নিকিতা ক্রুশ্চেভ। জুন: সোভিয়েত শাসনের বিরুদ্ধে পূর্ব বার্লিনের ব্যাপক গণঅভ্যুত্থান, যা ট্যাংক দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়।

১৯৫৪ ক্রিমিয়াকে ইউক্রেনের হাতে তুলে দিলেন নিকিতা ক্রুশ্চেভ।

১৯৫৪-৬২ সোভিয়েত নেতা নিকিতা ক্রুশ্চেভের তৎপরতায় ২০ লক্ষ রুশ কাজাখস্তানে বসতিস্থাপন করলেন, এতে দেশটির জনসংখ্যায় জাতিগত কাজাখদের ভাগ ৩০ শতাংশে নেমে এল।

১৯৫৫ ওয়ারশ প্যাক্ট সামরিক জোট গঠিত হল। নিকিতা ক্রুশ্চেভ কাবুল সফর করলেন। পশতুনিস্তানের ওপর আফগানদের দাবির প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেন ক্রুশ্চেভ।

১৯৫৬ ফেব্রুয়ারি: সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির বিশতম কংগ্রেসের এক গোপন বক্তৃতায় স্তালিনকে দুষলেন ক্রুশ্চেভ। হাঙ্গেরি বিপ্লব, ট্যাংক দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়া হল।

১৯৫৭ কমিউনিস্ট পার্টির ভেতরে ক্রুশ্চেভবিরোধী উপদল তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করার চেষ্টা করল, কিন্তু ব্যর্থ হল। ‘স্পুতনিক’: সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রথম মহাকাশযান প্রেরণ করল। ‘সভরানখোজ’: আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সোভিয়েত গঠন করা হল।

‘দ্য রোভেরেটা অ্যাফেয়ার’: সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৫৬ সালের হাঙ্গেরি বিপ্লব ট্যাংক দিয়ে গুঁড়িয়ে দিলে তা নিয়ে সান মারিনোর কমিউনিস্ট আর সমাজতন্ত্রীদের মধ্যে মতভেদ দেখা দেয়। ক্ষমতাসীন জোট থেকে সমাজতন্ত্রীরা নিজেদের প্রত্যাহার করে। এতে দেশটিতে একটি সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টি হয়। পরস্পরবিরোধী সরকার গঠিত হতে থাকে, সশস্ত্র মিলিশিয়ারা রাস্তায় নেমে পড়ে; দেখা দেয় বিশৃঙ্খলা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইতালি দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপ চালায়। ইতালি অবরোধ দেয়। কমিউনিস্ট সরকার শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করতে বাধ্য হয় এবং খ্রিস্টীয় গণতন্ত্রীরা ক্ষমতায় আসে।

১৯৫৮ ড. জিভাগো উপন্যাসের জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেলেন বরিস পাস্তেরনাক।

১৯৫৯ চীন-সোভিয়েত দ্বন্দ্ব।

১৯৬০এর দশক রুশীকরণ নীতির কারণে বেলারুশী ভাষার মর্যাদাহানি ঘটল। তাজিকিস্তান এসময় সোভিয়েত ইউনিয়নের তৃতীয় প্রধান তুলা উৎপাদনকারী প্রজাতন্ত্র।

১৯৬১ এপ্রিল: মহাকাশযান ভস্তক ১-এ চেপে প্রথম মানুষ হিসেবে মহাশূন্যে গেলেন সোভিয়েত কসমোনাট ইউরি গ্যাগারিন। সোভিয়েত ইউনিয়ন আলবেনিয়ার সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করল। আলবেনিয়া চীনের সাথে মৈত্রীবন্ধনে আবদ্ধ হল।

১৯৬২ নোভি মিরয়ে প্রকাশিত হল আলেকজান্দার সলজেনিৎসিনের উপন্যাস ইভান দেনিসোভিচের জীবনের একটি দিন। কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট।

১৯৬৩ সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে ৩২.৫ মিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তি সাক্ষর করল আফগানিস্তান।

১৯৬৪ নিকিতা ক্রুশ্চেভ ক্ষমতাচ্যুত হলেন। কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক হলেন লিওনিদ ব্রেঝনেভ। সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রিমিয়ার হলেন অ্যালেক্সেই কোসিগিন।

উত্তর আর দক্ষিণ আফগানিস্তানকে যুক্ত করা সোভিয়েত-আফগান যৌথ প্রকল্প সালাং টানেলের নির্মাণ কাজ শেষ হল।

১৯৬৫ নূর মোহাম্মদ তারাকি প্রতিষ্ঠা করলেন আফগান কমিউনিস্ট পার্টি: পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি অফ আফগানিস্তান (পিডিপিএ)।*

* এই পার্টি এর জন্মলগ্ন থেকেই বিভক্ত ছিল: একদিকে ছিল পারছাম,আর অন্যদিকে খালক। পারছাম ছিল শহুরে আফগানদের পার্টি, যা দেশটির বিভিন্ন জাতির কাছ থেকেও সমর্থন পেত। অপরদিকে খালক ছিল গ্রাম অভিমুখী, এবং এরা মূলত দেশটির সবচে শক্তিশালী জাতি পশতুনদের সমর্থনের ওপরই নির্ভর করত।

১৯৬৫-৬৮ কোসিগিনের অর্থনৈতিক সংস্কার।

১৯৬৮ চেকোস্লোভাকিয়ায় সোভিয়েত হামলার সূত্র ধরে ওয়ারশ চুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিল আলবেনিয়া।

১৯৬৯ চীন-সোভিয়েত সীমান্তে দেশ দুটি গুলি বিনিময় করল।

১৯৭০ সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেলেন আলেকজান্দার সলজেনিৎসিন।

১৯৭৩ জুলাই ১৭: এক প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করলেন দাউদ।* নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করলেন। আফগানিস্তানে রাজতন্ত্রের অবসান। মুহাম্মদ জহির শাহ এ-সময় ইতালিতে ছুটি কাটাচ্ছিলেন। তাঁকে নির্বাসিত করা হল। এ-বছর নাগাদ আফগানিস্তানে সোভিয়েত সামরিক ও অর্থনৈতিক সাহায্যের পরিমাণ ছিল ১.৫ বিলিয়ন ডলার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সাহায্যের পরিমাণ ছিল সেই তুলনায় সামান্য, মাত্র ৪২৫ মিলিয়ন ডলার।

* মস্কো এই ক্যুদেতার ব্যাপারে আগে থেকেই জানত, তারা দাউদের ক্ষমতা দখলকে স্বাগত জানায়।

প্রকাশিত হল আলেকজান্দার সলজেনিৎসিনের গুলাগ দ্বীপপুঞ্জয়ের প্রথম খণ্ড।

১৯৭৪ মোহাম্মদ দাউদ খান এবছর মস্কো সফর করেন।

১৯৭৫ শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন বিজ্ঞানী আন্দ্রেই শাখারভ।

১৯৭৭ ‘ব্রেঝনেভ সংবিধান’।

মীনা কেশওয়ার কামাল প্রতিষ্ঠা করলেন রেভল্যুশনারি অ্যাসোসিয়েশন অফ দ্য উইমেন অফ আফগানিস্তান (রাওয়া)।

১৯৭৮ তাজিকিস্তানে সোভিয়েতবিরোধী বিক্ষোভে ১৩,০০০ মানুষ অংশ নিলেন।

এপ্রিল ২৭: আফগান সেনাবাহিনীতে পিডিপিএ’র সমর্থকরা কাবুলে এক ক্যুদেতার মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ দাউদ খানের সরকারকে উৎখাত করল।* কমিউনিস্টদের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হল গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র আফগানিস্তান। নবগঠিত প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপ্রধান হলেন নূর মোহাম্মদ তারাকি।**

* এই ক্যুদেতার সাথে মস্কোর সরাসরি সম্পর্ক ছিল কিনা ঐতিহাসিকদের মধ্যে তা নিয়ে বিতর্ক আছে। কেউ কেউ মনে করেন ছিল, অনেকে মনে করেন ছিল না। তবে এটুকু বলা চলে, ক্যুদেতা মস্কোর পক্ষে গেছিল।

** এটি সাউর, অর্থাৎ এপ্রিল, বিপ্লব নামে পরিচিত। এই বিপ্লবের নেতৃত্বে ছিল পার্টির খালক ফ্যাকশন। মস্কো এদেরকে একটা ব্যাপকভিত্তিক সরকার গঠনের পরামর্শ দেয়, যাতে অকমিউনিস্টদেরকেও জায়গা দেয়া হবে। কিন্তু এরা মস্কোর এই পরামর্শ অগ্রাহ্য করে। পার্টির পারছাম ফ্যাকশনের ওপর দমনপীড়ন চালান হয়। খালক ফ্যাকশনের নেতারা ছিলেন ভয়ানক রকমের মতান্ধ। যেদিকে তাকাতেন সেদিকেই শুধু শত্রু দেখতে পেতেন।

১৯৭৯ আফগানিস্তানে সোভিয়েত আগ্রাসন।

ডিসেম্বর ১২: লিওনিদ ব্রেজনেভ ও সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির পলিটব্যুরো সদস্যরা আফগানিস্তানে একটি বিশেষ অপারেশন চালানোর সিদ্ধান্তকে বৈধতা প্রদান করা দলিলে সই করলেন। ডিসেম্বর ২৪: বাগরাম বিমান ঘাঁটির মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক সেনাকে কাবুলে নামাল সোভিয়েত ইউনিয়ন। ডিসেম্বর ২৭: সোভিয়েতদের এলিট বাহিনী স্পেতসনাজ কমাণ্ডো বাহিনী রাষ্ট্রপতির প্রাসাদ ঘিরে ফেলে এবং হাফিজুল্লা আমিনকে হত্যা করে।

সোভিয়েতরা বারবাক কামালকে নতুন প্রেসিডেন্ট নিযুক্ত করল। আফগানিস্তানে সোভিয়েত আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মীনা কেশওয়ার কামালের নেতৃত্বে প্রচারাভিযান চালাতে শুরু করল রাওয়া।

১৯৮০ বারবাক কারমাল ধর্মের রাজনৈতিক ব্যবহার শুরু করেন। তিনি দাবি করেন, আফগানিস্তানে সোভিয়েত ইউনিয়নের এই সশস্ত্র আক্রমণ আসলে ‘আল্লাহর ইচ্ছায়’ হয়েছে। সংবিধানে ইসলামকে শ্রেষ্ঠ ধর্মের স্বীকৃতি দেয়া হল, প্রতিষ্ঠা করা হল ডিপার্টমেন্ট অফ ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স।

জানুয়ারি: আফগানিস্তানে সোভিয়েত আগ্রাসনের নিন্দা জানাল জাতিসংঘ। জানুয়ারি ২৯: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার সোভিয়েত আগ্রাসন বিরোধী মুজাহিদিনকে পাকিস্তান সরকারের মাধ্যমে অস্ত্র সরবরাহ করার একটা সিআইএ কভার্ট অপারেশন অনুমোদন করেন।* কংগ্রেসকে এই কভার্ট অপারেশনের ব্যাপারে জানান হয়। এই কর্মসূচির জন্য কংগ্রেস বছরে ৫০ মিলিয়ন ডলার অর্থ বরাদ্দ দেয়া অনুমোদন করে।

* প্রেসিডেন্ট কার্টারের চোখে এই মুজাহিদিনরা ‘মুক্তিযোদ্ধা’ ছিলেন। পরে এদের একাংশ বন্দুকের নল রাশিয়া থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে ঘুরিয়ে দিলে এরা ‘সন্ত্রাসবাদীতে’ পরিণত হয়। এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার জন্য দেখুন, Eqbal (2001)।

ফেব্রুয়ারি: সোভিয়েত আগ্রাসনের কাবুলে ব্যাপক প্রতিবাদ দেখা দিল। সোভিয়েতরা তাদের বৃহৎ অপারেশনগুলোর সূচনা ঘটাল।

সোভিয়েত ইউনিয়নের আফগানিস্তান আগ্রাসনের প্রতিবাদে এবছরের মস্কো অলিম্পিক বয়কট করে যুক্তরাষ্ট্র। 

১৯৮২ লিওনিদ ব্রেঝনেভের মৃত্যু। কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক হলেন ইউরি আন্দ্রোপভ।

১৯৮৪ ইউরি আন্দ্রোপভের মৃত্যু। কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক হলেন কন্সটান্টিন চেরনেনকো।

বৈকাল-আমুর মেইনলাইনের নির্মাণ কাজ শেষ হল।

এই বছরের মধ্যে ফিবছর প্রায় ৪,০০০ তরুণ শিক্ষার্থী আর ৭-১০ বছর বয়সী শিশু শিক্ষার্থী অধ্যয়নের জন্য আফগানিস্তান থেকে সোভিয়েত ইউনিয়নে যাচ্ছে।

১৯৮৫ কন্সটান্টিন চেরনেনকোর মৃত্যু। কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক হলেন মিখাইল গর্বাচেভ।

সোভিয়েতদের বিরুদ্ধে লড়তে গঠিত হল ইসলামিক ইউনিয়ন অফ আফগান মুজাহিদিন (আইইউএএম)। সোভিয়েত ইউনিয়নে ক্ষমতায় এলেন মিখাইল গর্বাচেভ। অক্টোবর: সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির পলিটব্যুরো সদস্যরা এই ব্যাপারে সম্মত হলেন যে আঠারো মাসের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হবে।

১৯৮৬ ইউক্রেনের চেরনোবিল পারমাণবিক চুল্লি বিস্ফোরণ।

ফেব্রুয়ারি: পার্টি কংগ্রেসে গর্বাচেভ জানালেন, অচিরেই আফগানিস্তান ছেড়ে যেতে যাচ্ছে সোভিয়েত ইউনিয়নের সেনাবাহিনী। আফগানিস্তান থেকে ৮,০০০ সৈন্য প্রত্যাহার করলেন গর্বাচেভ। পদত্যাগ করলেন প্রেসিডেন্ট বারবেক কারমাল।

সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ জাতিগত কাজাখ দীনমুখামেদ কুনায়েভকে সরিয়ে জাতিগত রুশ গেন্নাদি কলবিনকে কাজাখ কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিলে এর প্রতিবাদে আলমাতিতে ৩,০০০ মানুষের বিক্ষোভ প্রদর্শন।

প্রকাশিত বই

জোসেফ কলিন্স, দ্য সোভিয়েত ইনভ্যাশন অফ আফগানিস্তান

১৯৮৭ মিখাইল গর্বাচেভের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংস্কারের সূচনা।  ফেব্রুয়ারি ৪: পাকিস্তানের কোয়েটায় আততায়ীদের হাতে খুন হলেন মীনা কেশওয়ার কামাল।* ডিসেম্বর: মিখাইল গর্বাচেভ আর রোনাল্ড রিগ্যানের মধ্যে আফগানিস্তান নিয়ে আলোচনা শুরু হল।

* এই হত্যাকাণ্ডের জন্য কারা দায়ী তা নিয়ে বিবাদ আছে। অনেকে মনে করেন, আফগানিস্তানের সোভিয়েত পুতুল সরকারের গোয়েন্দা সংস্থা খেদমতে আয়েলাতে দৌলতির (খাড) এজেন্টরা মীনাকে খুন করেছিল। আবার অনেকের মতে, এই হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে পশতুন মুজাহিদিন নেতা গুলবুদ্দিন হেকমতিয়ারের লোকেরা।

১৯৮৮ লিথুয়ানিয়ার একদল কবি ও বুদ্ধিজীবী কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হল লিথুয়ানিয়ান মুভমেন্ট ফর রিকন্সট্রাকশন (সাজুদিস)। সোভিয়েত ইউনিয়নের লিথুয়ানিয়া দখল করে রাখাকে অবৈধ ঘোষণা করে সাজুদিসের নেতারা রাজধানী ভিলনিয়াসে একটা জনসভা ডাকলেন

এপ্রিল ১৪: জেনেভায় আফগানিস্তান, পাকিস্তান, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শান্তিচুক্তি সাক্ষরিত হল। এই চুক্তি মোতাবেক, সোভিয়েত ইউনিয়ন আফগানিস্তান থেকে তাঁর সব সেনা সরিয়ে নিতে শুরু করল।

১৯৮৯ লিথুয়ানীয় কমিউনিস্ট পার্টি সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টি ছেড়ে বেরিয়ে এসে দেশটির স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করল।

ফেব্রুয়ারি ১৫: শেষ সোভিয়েত সেনাটি আফগানিস্তান ছেড়ে গেলেন।* এই সেনাটি ছিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল বরিস গ্রোমভ। আমু দরিয়ার ওপর অবস্থিত আফগানিস্তান আর উজবেকিস্তানকে সংযুক্ত করা সেতুর ওপর দিয়ে ছেলেকে নিয়ে আফগানিস্তান ছেড়ে যান তিনি। সোভিয়েত আগ্রাসনে ১০ লক্ষাধিক আফগান খুন হন। এই যুদ্ধে প্রাণ হারান ১৫,০০০ সোভিয়েত সৈন্য। ৬০ লক্ষ আফগান শরনার্থী হয়ে পাকিস্তান ও ইরানে আশ্রয় নেন। দেশটির ২২,০০০ গ্রামের মধ্যে ১২,০০০ ধবংসপ্রাপ্ত হয়।

* ইসলামাবাদে সিআইএ’র প্রধান সংস্থাটির সদরদপ্তরে একটি দুই শব্দের সংক্ষিপ্ত বার্তা পাঠান: ‘আমরা জিতেছি’। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচে সফল এই কভার্ট অপারেশনে ৩ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছিল।

১৯৯০ শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন মিখাইল গর্বাচেভ।

লিথুয়ানিয়ার সংসদীয় নির্বাচনে অধিকাংশ আসন জিতে সাজুদিসের নেতা ভাইতাউতাস ল্যান্ডসবার্গিসের সংসদনেতা নির্বাচিত হলেন ও স্বাধীনতা ঘোষণা করলেন। সোভিয়েত ইউনিয়ন লিথুয়ানিয়ার ওপর অবরোধ আরোপ করল, জ্বালানি সরবরাহ স্থগিত করে দেশটিতে তীব্র অর্থনৈতিক সংকট তৈরি করল। লিথুয়ানিয়া স্বাধীনতা মুলতুবি রাখতে সম্মত হল।

সোভিয়েত উজবেকিস্তানের শেষ প্রেসিডেন্ট হলেন ইসলাম কারিমভ।

১৯৯১ রাশিয়ার প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হলেন বরিস ইয়েলৎসিন। আগস্ট ২৪: সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করল ইউক্রেনের সংসদ। সেপ্টেম্বর: সোভিয়েত ইউনিয়ন কর্তৃক লিথুয়ানিয়ার স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি প্রদান, এই মাসেই জাতিসংঘে যোগ দিল লিথুয়ানিয়া। সোভিয়েত সরকার বাল্টিক প্রজাতন্ত্রগুলোর স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দিল। সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করল বেলারুশ। সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করল কাজাখস্তান, উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান, তুর্কমানিস্তান, ও কিরগিজিয়া। কিরগিজিয়ার নতুন নাম কিরগিজস্তান।

গঠিত হল কমনওয়েলথ অফ ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্টেটস (সিআইএস)। ডিসেম্বর ২৫: সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তি। গঠিত হল রুশ ফেডারেশন

১৯৯১-২০০২ এসময়কালে কয়েকলাখ জাতিগত রুশ কাজাখস্তান ছেড়ে গেলেন।

১৯৯২ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আর সেবার দামের ওপর রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের অবসান ঘটালেন বরিস ইয়েলৎসিন। ‘শক থেরাপি’-র সূচনা। রসিদ দিয়ে সবকিছু ব্যক্তিমালিকানায় ছেড়ে দেয়ার সূচনা।

সোভিয়েত ইউনিয়ন আফগানিস্তান ছেড়ে যাবার পরপরই নাজিবুল্লাহ’র সোভিয়েতপন্থী সরকার ক্ষমতা থেকে ছিটকে পড়ল। নাজিবুল্লাহ কাবুলের জাতিসংঘ কম্পাউন্ডে আশ্রয় গ্রহণ করলেন। ১৯৯৬ সালে খুন হওয়ার আগ পর্যন্ত সেখানেই থাকবেন তিনি। 

১৯৯৩ ইয়েলৎসিনের বিরুদ্ধে ক্যুদেতা প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে গেল। নব্য ফ্যাসিবাদী আর কমিউনিস্টরা নির্বাচনে ভালো করল। ভোটাররা একটা নতুন সংবিধানের পক্ষে ভোট দিলেন, যা প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করল।

লিথুয়ানিয়া থেকে সোভিয়েত সেনা প্রত্যাহার সম্পূর্ণ হল।

রাশিয়ার সাথে দ্বৈত নাগরিকত্ব চুক্তি করল তুর্কমানিস্তান।

১৯৯৪ সোভিয়েত ইউনিয়ন পতনের পর মাত্র তিন বছরে রুশ অর্থনীতি ৪০ ভাগ হ্রাস পেল। ইয়েলৎসিন রুশ সেনাবাহিনীকে চেচনিয়া আক্রমণের নির্দেশ দিলেন। ইউক্রেন একটি পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি সই করে রাশিয়ার কাছে তার অবশিষ্ট পারমাণবিক অস্ত্রগুলো তুলে দিল।

সোভিয়েত সৈন্যরা এস্তোনিয়া ছেড়ে চলে গেল।

১৯৯৫ সবকিছু ব্যক্তিমালিকানায় ছেড়ে দেয়ার দ্বিতীয় পর্ব শুরু। সংসদীয় নির্বাচনে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্বের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যালট জিতল কমিউনিস্ট পার্টি অফ দ্য রাশিয়ান ফেডারেশন (সিপিআরএফ)। রাশিয়ার সাথে অর্থনৈতিক ও সামরিক সহায়তা চুক্তি সই করল কাজাখস্তান।

১৯৯৬ চেচনিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার করল রুশরা। প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হলেন ইয়েলৎসিন।

১৯৯৭ ভেদাভেদ ভুলে জাতীয় পুনর্মিলনের ডাক দিলেন ইয়েলৎসিন।

রাশিয়ার সাথে ইউক্রেন একটি বিশ বছর মেয়াদী চুক্তি করল; যেখানে বলা হল, ২০১৭ সাল পর্যন্ত সেভাস্তোপোলে রুশ নৌবহর অবস্থান করতে পারবে।

 রাশিয়া সফর করলেন লিথুয়ানীয় প্রেসিডেন্ট ব্রাজাউস্কাস। দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত চুক্তি ও সহযোগিতা চুক্তি সই।

১৯৯৮ রাশিয়ার শেষ জার দ্বিতীয় নিকোলাস আর তাঁর পরিবারের সদস্যদের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আয়োজন করল রাশিয়া। রুবলের দরপতন, রাশিয়া কার্যত দেউলিয়া হয়ে গেল।

১৯৯৯ তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে রুশ অর্থনীতি চাঙ্গা হতে শুরু করল। রুশ ফেডারেশনের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন ভ্লাদিমির পুতিন। রুশ সেনাবাহিনী আবারও চেচনিয়ায় হামলা চালাল। প্রেসিডেন্টের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন বরিস ইয়েলৎসিন। ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হলেন ভ্লাদিমির পুতিন।

২০০০ রুশ ডুমা স্টার্ট দুই চুক্তি অণুসমর্থন করল। রুশ সেনাবাহিনী গ্রোজনি পুনরায় দখল করে নিল। দখলদার রুশদের বিরুদ্ধে চেচেনদের গেরিলা যুদ্ধ চলছে। রুশ ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন ভ্লাদিমির পুতিন। রাশিয়ার ইতিহাসে প্রথমবারের মত গনতান্ত্রিকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর। আঞ্চলিক প্রশাসনিকতার সুবিধার্থে ৭টি ফেডারেল জেলা স্থাপন করলেন পুতিন। পরস্পরের বিরুদ্ধে গোয়েন্দাগিরির অভিযোগ এনে এস্তোনিয়া আর রাশিয়া নিজ নিজ দেশ থেকে অপর রাষ্ট্রের কূটনীতিকদের বহিষ্কার করল।

২০০১ ৯/১১-র প্রেক্ষিতে কথিত ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে’ যুক্তরাষ্ট্রকে পূর্ণ সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিলেন নবনির্বাচিত রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। কাজাখস্তানের পশ্চিমাঞ্চলের সুবিশাল তেঙ্গিজ তেলক্ষেত্র থেকে রাশিয়ার নভোরোসিস্কের কৃষ্ণসাগরীয় বন্দর পর্যন্ত একটি তেল পাইপলাইন চালু করা হল। চীন, উজবেকিস্তান, কিরগিজস্তান, কাজাখস্তান ও তাজিকিস্তানের সাথে মিলে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) গঠন করল রাশিয়া।

নতুন কর আইন আয়কর কমিয়ে ১৩ শতাংশে নামিয়ে আনল।

২০০২ ফেডারেশন কাউন্সিল থেকে আঞ্চলিক প্রশাসকরা বহিষ্কৃত হলেন। চেচেন বিদ্রোহীরা দুবরোভকা প্রেক্ষাগৃহে জিম্মি সংকট তৈরি করল।

২০০৩ রাশিয়ার শেষ স্বাধীন টেলিভিশন নেটওয়ার্ক টিভিএসের ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা হল। সংসদীয় নির্বাচনে জিতল ক্রেমলিন-নিয়ন্ত্রিত দল ইউনাইটেড রাশিয়া।

তাজিকিস্তান সফর করলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। রাশিয়ার গ্যাজপ্রমের সাথে একটি চুক্তি সই করল তুর্কমানিস্তান। চুক্তির আওতায় রুশরা তুর্কমানদের কাছ থেকে প্রতি বছর ৬০ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস কিনবে। ১৯৯৩ সালে রাশিয়ার সাথে করা দ্বৈত নাগরিকত্ব চুক্তি ডিক্রি জারি করে বাতিল করলেন নিয়াজভ, যা দু’দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সংকট তৈরি করল।

ডিসেম্বর: রাশিয়ার সংগঠিত অপরাধীদের সাথে যোগসাজশ করে জাতীয় নিরাপত্তা বিপন্ন করার দায়ে লিথুয়ানীয় প্রেসিডেন্ট রোলানডাস পাকসাসের অভিশংসন প্রক্রিয়া শুরু হল।

২০০৪ কার্যকর বিরোধীদের অভাবে প্রায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন ভ্লাদিমির পুতিন। নতুন আইন আঞ্চলিক প্রশাসক ও প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্টদের নির্বাচিত হওয়ার অবসান ঘটাল। উত্তর ওশেটিয়ার বেসলান ইশকুলে ১২০০ জনকে জিম্মি করল চেচেন সন্ত্রাসবাদীরা, যাদের ৩০০ জনেরও বেশির মৃত্যু হয়। দুর্নীতির সর্বনাশা প্রভাব স্বীকার করে নিলেন পুতিন।

ইউক্রেনে রুশপন্থী ভিক্টর ইয়ানুকোভিচ প্রেসিডেন্ট ঘোষিত হলেন। কিন্তু ব্যাপক নির্বাচনী কারচুপির অভিযোগ উঠল। কমলা বিপ্লব সংঘটিত।

তাজিকিস্তানে আনুষ্ঠানিকভাবে সামরিক ঘাঁটি বসাল রাশিয়া। সোভিয়েত আমলের মহাকাশ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিল।

২০০৫ নব্য রুশ ধনকুবের মিখাইল খোদোরকভস্কিকে গ্রেপ্তার করা হল, তাঁর তেল গ্যাস কোম্পানি ইয়ুকোসকে জব্দ করে নিল সরকার। ইরানের সাথে বিলিয়ন ডলারের অস্ত্রচুক্তি করল রাশিয়া। ইরানের পারমাণবিক চুল্লিতে কাজ করা অব্যাহত রাখল। কথাসাহিত্যিক আলেকজান্দার সলজেনিৎসিন জোর দিয়ে বললেন, রাশিয়ার রুশ জনগণকে রক্ষা করতে হবে। বৃহদাকারের যৌথ সামরিক মহড়া চালাল রাশিয়া আর চীন।

২০০৬ টানা আট বছর ধরে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ঘটছে। মুদ্রাস্ফীতি কমে ৯ শতাংশে নেমে এসেছে। রাশিয়ার জনসংখ্যা কমে আসতে থাকা অব্যাহত আছে।

রাশিয়ার গ্যাজপ্রম তুর্কমান গ্যাসের জন্য ৫৪ শতাংশ বেশি অর্থ খরচ করতে রাজি হল। 

প্রকাশিত বই

সেরহি প্লখি, দ্য অরিজিনস অফ স্লাভিক নেশনস: প্রিমর্ডান আইডেন্টিটিজ ইন রাশিয়া, ইউক্রেন, অ্যান্ড বেলারুশ

২০০৭ এসময় রাশিয়ায় শ্রেণিবৈষম্য তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা ২৫, মিলিয়নিয়ারের সংখ্যা ৮৮ হাজার। খনি দুর্ঘটনায় ১০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু, সেবিকাগৃহের অগ্নিকাণ্ডে ৬০ জনেরও বেশি নিহত।

মিউনিখ নিরাপত্তা ফোরামে যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করলেন পুতিন।

তাজিকিস্তানের প্রেসিডেন্ট এমোমালি রাহমনভ হুকুম দিলেন, তাজিক বাচ্চাদের নাম আর রুশ রীতিতে রাখা যাবে না। নামের শেষের ‘অভ’ অংশটুকু ফেলে দিতে হবে। নিজেকে দিয়ে শুরু করলেন, হলেন: এমোমালি রাহমন।

কাস্পিয়ান হ্রদের উত্তরে একটি নতুন পাইপলাইন বানাতে রাজি হল রাশিয়া, কাজাখস্তান, ও তুর্কমানিস্তান; যা তুর্কমান গ্যাসে রুশদের অভিগম্যতা নিশ্চিত করবে।

প্রকাশিত বই

ক্রিস্টোফ উইজেনরাথ, কসাকস অ্যান্ড দ্য রাশিয়ান এম্পায়ার, ১৫৯৮-১৭২৫: ম্যানিপুলেশন, রেবেলিয়ন অ্যান্ড এক্সপানশন ইনটু সাইবেরিয়া

২০০৮ রুশ প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন দিমিত্রি মেদভেদেভ; প্রধানমন্ত্রী হলেন ভ্লাদিমির পুতিন।

২০০৯ চীনে গ্যাস রফতানি করতে শুরু করল তুর্কমানিস্তান, এতে তুর্কমান গ্যাসের ওপর রাশিয়ার একচ্ছত্র অধিকার আর রইল না।

২০১০ রাশিয়া, বেলারুশ, আর কাজাখস্তানের মধ্যে একটা কাস্টমস ইউনিয়ন গঠিত হল।

২০১৩

প্রকাশিত বই

বেন জুদাহ, ফ্র্যাজাইল এম্পায়ার: হাউ রাশিয়া ফেল ইন অ্যান্ড আউট অফ লাভ উইথ ভ্লাদিমির পুতিন

২০১৪ ফেব্রুয়ারি: নিজেদের সীমান্ত বিরোধের অবসান ঘটাতে একটি নতুন চুক্তি সই করল রাশিয়া ও এস্তোনিয়া।

ইউক্রেনে মাইদান বিপ্লব। ফেব্রুয়ারি: নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে ৭০+ আন্দোলনকারী খুন। প্রেসিডেন্ট ভিক্টর ইয়ানুকোভিচ রাশিয়ায় পালিয়ে গেলেন। ক্ষমতায় এল বিরোধীরা। মার্চ: রুশ বাহিনী ক্রিমিয়া দখল করে নিল। এপ্রিল: রুশ মদতপুষ্ট বিদ্রোহীরা দনবাস অঞ্চলের লুহানস্ক আর দনেৎস্ক অঞ্চলগুলো দখল করে নিল, প্রতিক্রিয়ায় ইউক্রেন সেনাবাহিনী তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল।* মে: ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট হলেন পশ্চিমপন্থী পেত্রো পোরোশেঙ্কো।

* দনবাস যুদ্ধে ২০১৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ১৫,০০০-এরও বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটেছে।

ইরাক ও সিরিয়ার একাংশে খেলাফত ঘোষণা করল ইসলামিক স্টেট (আইএস)।

প্রকাশিত বই

কারেন দাওয়িশা, পুতিন’স ক্লেপটোক্রেসি: হু অউনস রাশিয়া?
পিটার পমেরানৎসেভ, নাথিং ইজ ট্রু অ্যান্ড এভিরিথিং ইজ পসিবল: দ্য সাররিয়াল হার্ট অফ দ্য নিউ রাশিয়া

২০১৫ সিরিয়ার আসাদ সরকারের পক্ষে বোমাবর্ষণ শুরু করল রাশিয়া।*

* রাশিয়ার দাবি তারা আইএসের ওপর হামলা চালিয়েছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও সিরীয় বিরোধীদের দাবি রাশিয়ার আক্রমণের মূল উদ্দেশ্য ছিল সিরীয় বিদ্রোহীদের আক্রমণ করে আসাদ সরকারকে ক্ষমতায় রাখা। আইএসের ওপর হামলা স্রেফ একটা প্রিটেক্সট মাত্র।

রাশিয়া, বেলারুশ, আর কাজাখস্তান মিলে গঠন করল ইউরেশীয় ইকোনমিক ইউনিয়ন (ইইইউ)।

প্রকাশিত বই

পল ডিউকস, আ হিস্ট্রি অফ দ্য উরালস: রাশিয়া’জ ক্রুসিবল ফ্রম আর্লি এম্পায়ার টু দ্য পোস্ট-সোভিয়েত এরা

২০১৭ এপ্রিল: সেইন্ট পিটার্সবুর্গের মেট্রো রেল ব্যবস্থায় এক বোমা হামলায় ১৩ জনের মৃত্যু। ডিসেম্বর: আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি ২০১৮ সালের শীতকালীন অলিম্পিকে রাশিয়ার অংশ নেয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিল।

প্রকাশিত বই

আন্তন ওয়েইজ-ওয়েন্ট, দ্য সোভিয়েত ইউনিয়ন অ্যান্ড দ্য গাটিং অফ দি ইউএন জেনোসাইড কনভেনশন

২০১৮ মে: চতুর্থ মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন ভ্লাদিমির পুতিন।

রাশিয়া আর ইরানের সামরিক সহায়তায় সিরিয়ার বাশার আল-আসাদ সরকার এই যাত্রায় টিকে গেল।

প্রকাশিত বই

উইল স্মাইলি, ফ্রম স্লেভস টু প্রিজনারস অফ ওয়ার: দ্য অটোমান এম্পায়ার, রাশিয়া, অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ল
জেমস ডি. হোয়াইট, মার্ক্স অ্যান্ড রাশিয়া: দ্য ফেট অফ আ ডক্ট্রিন
জোনাথন ডালি, ক্রাইম অ্যান্ড পানিশমেন্ট ইন রাশিয়া: আ কম্প্যারেটিভ হিস্ট্রি ফ্রম পিটার দ্য গ্রেট টু ভ্লাদিমির পুতিন

২০১৯

প্রকাশিত বই

উইলিয়াম ই. পমেরাঞ্জ, ল অ্যান্ড দ্য রাশিয়ান স্টেট: রাশিয়া’জ লিগাল ইভল্যুশন ফ্রম পিটার দ্য গ্রেট টু ভ্লাদিমির পুতিন

ডিসেম্বর ২০১৯-মার্চ ২০২০ উত্তরপশ্চিম সিরিয়ায় রুশ অভিযানের কারণে ১০ লক্ষ সিরীয় স্থানচ্যুত হলেন, সিরীয় শরণার্থীদের জন্য তুরস্ক সীমান্ত খুলে দিল।

২০২০ আগস্ট: রুশ বিরোধী রাজনীতিক অ্যালেক্সেই নাভালনির দেখভালের দায়িত্বে থাকা জার্মান চিকিৎসকরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হলেন যে, নাভালনিকে নোভিচোক নার্ভ এজেন্ট দ্বারা বিষপ্রয়োগ করা হয়েছে।

ঢাকায় তরুণ জৈবপ্রযুক্তিবিদ খোরোশকোভা লিলিয়ার রহস্যজনক মৃত্যু। সন্দেহভাজন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির (এনএসইউ) ল্যাব ইন্সট্রাক্টর মৃন্ময় সরকার ঘটনার পর থেকে পলাতক। উল্লেখ্য, লিলিয়া মায়ের দিক থেকে রুশ ছিলেন।

প্রকাশিত বই

আন্তন ওয়েইজ-ওয়েন্ট, পুতিন’স রাশিয়া অ্যান্ড দ্য ফলসিফিকেশন অফ হিস্ট্রি: রিঅ্যাজার্টিং কন্ট্রোল ওভার দ্য পাস্ট
এরিকা ফ্যাটল্যান্ড, সোভিয়েতিস্তান: ট্রাভেলস ইন তুর্কমানিস্তান, কাজাখস্তান, তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান, অ্যান্ড উজবেকিস্তান

২০২১ বিরোধীদলীয় নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনিকে আটক করার প্রতিবাদে রাশিয়ায় তীব্র গণআন্দোলনের মুখে পুতিন সরকার ৫,০০০ মানুষকে গ্রেপ্তার করল। সাধারণ নির্বাচনে জিতল ক্ষমতাসীনদের ইউনাইটেড রাশিয়া পার্টি। বিরোধীরা নির্বাচনে ব্যাপক জালিয়াতি হওয়ার অভিযোগ আনলেন।

প্রকাশিত বই

বারবারা আলপার্ন অ্যাঞ্জেল, ম্যারেজ, হাউজহোল্ড, অ্যান্ড হোম ইন মডার্ন রাশিয়া ফ্রম পিটার দ্য গ্রেট টু ভ্লাদিমির পুতিন
আন্তন ওয়েইজ-ওয়েন্ট ও ন্যান্সি অ্যাডলার (সম্পা.), দ্য ফিউচার অফ দ্য সোভিয়েত পাস্ট: দ্য পলিটিকস অফ হিস্ট্রি ইন পুতিন’স রাশিয়া

২০২২ ফেব্রুয়ারি ২৪: রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা চালাল, ইউক্রেন যুদ্ধের সূচনা।*

* রুশরা ইউক্রেনে আগ্রাসন চালালে ইউক্রেনকে যারা সামরিক সরঞ্জাম ও রাজনৈতিক সমর্থন প্রদান করে এস্তোনিয়া তাদের মধ্যে অগ্রগণ্য।

প্রকাশিত বই

ক্রিস্টোফার এলি, রাশিয়া’জ পপুলিজম: আ হিস্ট্রি

তথ্যসূত্র

সেন, অর্ক। ২০২৩। স্তালিনের গুলাগ। কলকাতা: গান্ধার।

সেন, সত্যেন। ২০১৮। মহাবিদ্রোহের কাহিনী। দশম প্রকাশ। ঢাকা: মুক্তধারা।

Ahmad, Eqbal. 2001. Terrorism: Theirs & Ours, New York: Seven Stories Press.

BBC. 2022. “Russia profile – Timeline.” BBC, November 18, 2022.
https://www.bbc.com/news/world-europe-17840446

Dando, William A.. 2007. Russia. 2nd ed. New York: Chelsea House.

The Independent. 1997. “Yeltsin Calls for National Reconciliation.” The Independent, November 8, 1997. https://www.independent.co.uk/news/yeltsin-calls-for-national-reconciliation-1292751.html.

Kort, Michael. 2008. A Brief History of Russia. New York: Facts On File.

Reidel, Bruce. 2014. What We Won: America’s Secret War in Afghanistan, 1979-89. Washington, D.C.: Brookings Institution Press.

Ziegler, Charles E.. 2009. The History of Russia. 2nd ed. Santa Barbara, California: Greenwood.

নোট: ইরফানুর রহমান রাফিনের নন-ফিকশন সময়রেখা ঢাকার দিব্যপ্রকাশ কর্তৃক ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। এই ব্লগটি সেই বই সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রকল্প। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ও সিলেটের বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পাওয়া যাবে সময়রেখা, এবং অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে।

অনলাইন অর্ডার লিংকসমূহ

দিব্যপ্রকাশ । বাতিঘর । বইবাজার । বইয়ের দুনিয়া । বইফেরী । বুক হাউজ । ওয়াফিলাইফ । রকমারি

By irrafinofficial

ইরফানুর রহমান রাফিনের জন্ম ঢাকায়, ১৯৯২ সালে। বর্তমানে একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমে লিখে অন্নসংস্থান করেন। নিজেকে স্মৃতি সংরক্ষণকারীদের পরম্পরার একজন হিসাবে দেখেন। যোগাযোগ: irrafin2022@gmail.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Creative Commons License
Except where otherwise noted, the content on this site is licensed under a Creative Commons Attribution-ShareAlike 4.0 International License.